• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ৯ই কার্তিক ১৪৩৩ রাত ০২:১২:০৪ (25-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:

হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সালের অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড

৯ এপ্রিল ২০২৬ দুপুর ০১:৩১:৩২

হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সালের অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিম মাসুদের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার এই প্রধান অভিযুক্ত রাহুল ও দাউদ নামেও পরিচিত।

৯ এএপ্রিল বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকার ১৮তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন। তাকে এ সাজা দেওয়া হয় রাজধানীর আদাবর থানার অস্ত্র আইনের মামলায়। তবে আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজাসহ জারি করা হয়েছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর দুপুর আড়াইটার দিকে মাদক কারবারী সন্দেহে আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় র‌্যাব। ওইসময় মাদক কারবারী পালানোর চেষ্টা করলে আটক করা হয় তাকে। পরে আটক ব্যক্তি নিজের নাম ফয়সাল বলে জানান। বাহিনীটি জানতে পারে, ওই ব্যক্তি আদাবর থানায় চুরির মামলার এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামি। তার বাসায় তল্লাশী চালায় র‌্যাব। সেখান থেকে ফয়সালের দেখানো মতে উদ্ধার করা হয় চার রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল। এ সময় তাকে অস্ত্রের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বললে দেখাতে পারেননি তিনি।

আরও পড়ুন

অবকাশকালীন ছুটি শেষে রোববার খুলছে সুপ্রিম কোর্ট

এ ঘটনায় র‌্যাব-২ এর হাবিলদার মো. মশিউর রহমান পরদিন ৮ নভেম্বর মামলা করেন আদাবর থানায় অস্ত্র আইনে।

মামলায় অভিযোগ করেন, ফয়সাল এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের মূল হোতা। সে দীর্ঘদিন যাবৎ ছিল সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, খুন-জখম এবং জমি দখলসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের নেতৃত্বে। অপরাধ সংঘটনের জন্য অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রেখেছিল নিজের কাছে। মামলাটি তদন্ত করে ফয়সাল করিমকে অভিযুক্ত করে গত বছরের ২৮ মার্চ আদাবর থানার উপপরিদর্শক জাহিদ হাসান আদালতে জমা দেন অভিযোগপত্র। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্য নেন। এ মামলায় ফয়সাল জামিনে ছিলেন গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত। পরে তার জামিন বাতিল করে জারি করা হয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ পড়ে নির্বাচনী প্রচার শেষে দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদী। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান গত ১৮ ডিসেম্বর। এই হত্যাকাণ্ডে নাম আসে ফয়সাল করিমের।

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে ‘স্নাইপার’ নিয়ে কমেন্ট করা সেই যুবক কারাগারে

তদন্ত শেষে গত ৬ জানুয়ারি ফয়সালসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। তবে ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ জানিয়ে গত ১৫ জানুয়ারি নারাজির আবেদন করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। শুনানি শেষে আবেদনটি মঞ্জুর করে অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ