• ঢাকা
  • |
  • বৃহঃস্পতিবার ২রা আশ্বিন ১৪৩৩ রাত ০৮:৩৬:৫৭ (17-Sep-2026)
  • - ৩৩° সে:

জরুরি অবস্থা জারি

ফিজিতে প্রতি ৫০ জন গর্ভবতী নারীর একজন এইচআইভিতে আক্রান্ত

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৪৬:৩৩

ফিজিতে প্রতি ৫০ জন গর্ভবতী নারীর একজন এইচআইভিতে আক্রান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ফিজিতে এইচআইভি (হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় দেশে জাতীয় স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে দেশটিতে প্রতি ৬০ জন প্রাপ্তবয়স্কের একজন এইচআইভিতে আক্রান্ত। পরিস্থিতিকে ‘মহামারি’ হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটির সরকার।

১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার ফিজির স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা মন্ত্রী ড. রাতু আন্তোনিও লালাবালাভু এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, শুধু সাধারণ প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের ব্যবস্থা দিয়ে এই সংকট সামাল দেওয়া আর সম্ভব নয়। মহামারির ভয়াবহতা বিবেচনা করেই জরুরি অবস্থা জারির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে ফিজিতে প্রতি ৬০ জন প্রাপ্তবয়স্কের একজন এবং প্রতি ৫০ জন গর্ভবতী নারীর একজন এইচআইভি নিয়ে বসবাস করছেন। অথচ মাত্র পাঁচ বছর আগে দেশটিতে আক্রান্তের হার ছিল প্রতি ১৬৭ জনে একজন। ২০২৫ সাল নাগাদ ফিজিতে নতুন করে অন্তত ২ হাজার ৬০ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে।

জাতিসংঘের এইডসবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইডসের তথ্যমতে, ১০ লাখেরও কম জনসংখ্যার দেশ ফিজিতে ২০১০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে নতুন এইচআইভি সংক্রমণ প্রায় ১২ গুণ বেড়েছে। সংস্থাটি জানায়, বর্তমানে নতুন সংক্রমণ দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া দেশগুলোর শীর্ষে রয়েছে ফিজি।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মাদক পাচারের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া এবং অনিরাপদ উপায়ে ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের প্রবণতাই ফিজিতে এইডস ছড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ। এছাড়া স্বাস্থ্যসচেতনতার অভাব, লোকলজ্জা বা সামাজিক কলঙ্কের ভয় এবং পর্যাপ্ত পরীক্ষা ও চিকিৎসার ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ইউএনএইডসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফিজিতে আক্রান্তদের ৫০ শতাংশের বেশি যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে এবং ৪২ শতাংশের বেশি ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের কারণে সংক্রমিত হয়েছেন। ২০২৫ সাল পর্যন্ত দেশটিতে আনুমানিক ৯ হাজার ১০০ জন এইচআইভি আক্রান্ত রোগী থাকলেও তাদের মাত্র ৩৯ শতাংশ নিজের সংক্রমণের বিষয়ে জানতেন এবং মাত্র ২২ শতাংশ নিয়মিত অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল চিকিৎসা পাচ্ছিলেন।

ফিজির এই পদক্ষেপের বিষয়ে ইউএনএইডসের নির্বাহী পরিচালক উইনি বিয়ানইমা বলেন, ফিজির বর্তমান চিত্র বিশ্বের জন্য এক বড় সতর্কবার্তা যে এইডস মহামারি এখনো শেষ হয়ে যায়নি।

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ

মহা বিপাকে সৌদি আরব, দারস্থ মিত্রদের
মহা বিপাকে সৌদি আরব, দারস্থ মিত্রদের
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ০৮:৩৩:২৭




বন্ধ শিল্প-সেবা খাতে ঋণের সুদ সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ
বন্ধ শিল্প-সেবা খাতে ঋণের সুদ সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫২:৪৭