জয়পুরহাট প্রতিনিধি: নওগাঁর বদলগাছীতে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে স্কুলের কার্যালয়ে নিয়ে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক মো. শফিউল হাসান দিপুর (৪৭) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
১১ অক্টোবর রোববার ওই মামলায় জামিন চাইতে গেলে কারাগারে পাঠায় আদালত।
অভিযুক্ত শিক্ষক মো. শফিউল হাসান দিপু উপজেলার ভান্ডারপুর আলফা কেজি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। ভুক্তভোগী ছাত্রী ওই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এছাড়াও তিনি পার্শ্ববর্তী জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর সাবেক উপজেলা আমির পদে ছিলেন। তবে এ ঘটনার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এজাহারে সূত্রে জানা যায়, গত ৩ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে প্রতিদিনের মতো বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির কক্ষে উপস্থিত হয় ওই ছাত্রী। এ সময় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে বিদ্যালয়ে অন্য কোনো শিক্ষার্থী বা শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। এই সুযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক ওই ছাত্রীকে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শ্রেণিকক্ষ থেকে বিদ্যালয়ের কার্যালয়ে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে চকলেট খাওয়ানোর পর অভিযুক্ত অশোভন কথাবার্তা বলেন এবং তাকে জোর করে কাছে টেনে নিয়ে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। একপর্যায়ে শিশুটির পরনের পায়জামা খুলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। সে কান্নাকাটি করলে অভিযুক্ত তাকে ছেড়ে দেন। এরপর সে শ্রেণিকক্ষে গিয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে। বৃষ্টি থামার পর সে বিদ্যালয় থেকে দৌড়ে রাস্তায় চলে আসে। পরে তার বাবা তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। বাড়িতে গিয়ে সে পরিবারের লোকজনের কাছে ঘটনাটি খুলে বলে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জয়পুরহাট জেলা আমির ফজলুর রহমান সাইদ বলেন, এ ঘটনার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার সাথে দলের আর কোনো সম্পর্ক নেই।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বদলগাছী থানার উপ-পরিদর্শক নূরনবী বলেন, এ মামলায় তিনি অগ্রিম জামিন নিতে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তার জামিন না মুঞ্জর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available