• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ১৫ই ভাদ্র ১৪৩৩ দুপুর ০১:৫০:১৭ (30-Aug-2026)
  • - ৩৩° সে:

প্রয়োজনীয় সব ক্ষেত্রে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার অংশীদারিত্ব চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

৩০ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ১২:৪৬:৫৭

প্রয়োজনীয় সব ক্ষেত্রে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার অংশীদারিত্ব চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রয়োজনীয় সব ক্ষেত্রে বেসরকারি ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর অংশীদারিত্বে কাজ করতে চায় সরকার। বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণসহ দেশের সৃজনশীল অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রেও সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর মধ্যে অংশীদারিত্ব থাকবে।

৩০ আগস্ট রোববার সকালে চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধার সহায়তা প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এইচএসবিসির অর্থায়নে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়া উদ্দিন, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক স্বরূপ কুমার চৌধুরী এবং এইচএসবিসির প্রধান নির্বাহী মো. মাহাবুবুর রহমান বক্তব্য দেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বন্যার সময় জরুরি পর্যায়ে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করলেও পরবর্তী পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধারের কাজ বেসরকারি ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর অংশীদারিত্বের মাধ্যমে করা হলে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপচয় কমানো সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পর্যায়ে ক্ষতি, দুর্নীতি ও অপচয়ের সুযোগ তৈরি হয়। যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবেই এসব সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশীদারিত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার, বেসরকারি সংস্থা ও এনজিওগুলোর মধ্যে উন্নত যোগাযোগ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করা হবে।

ফ্যামিলি কার্ডসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না বলে জানান আমির খসরু। তিনি বলেন, কার্যকর সরবরাহব্যবস্থা, বিভিন্ন পর্যায়ের কার্যক্রম এবং নজরদারির কারণে সরকারি কাজে অপচয় ও দুর্নীতি কমে আসবে।

প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া, কক্সবাজারের চকরিয়া এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা দেওয়া হবে।

এর মধ্যে ২৫০টি পরিবারের বসতঘর মেরামত ও পুনর্বাসন, ৪০০টি পরিবারকে নতুন শৌচাগার নির্মাণে সহায়তা, ৩০টি নলকূপ মেরামত এবং ৩০০টি পরিবারকে জীবিকা পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় সম্পদ ও উপকরণ দেওয়া হবে।

এ ছাড়া ৬০০টি পরিবারকে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য কৃষি উপকরণ এবং ১০ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হবে।

সূত্র: এনটিভি

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ