নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁয় সরকারি হাসপাতালগুলোতে গত তিন মাস ধরে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নেই। এ কারণে রোগীরা সেবা নিতে এসে বিড়ম্বনা ও অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়ছেন। বাধ্য হয়ে অনেকে বাইরের ঔষধের দোকান থেকে ভ্যাকসিন কিনে নিজেরা দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
জেনারেল হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুর, বিড়াল ও অন্যান্য বন্য প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ে আহত রোগীদের জন্য বিনামূল্যে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন দেওয়া হয়ে থাকে। তবে সম্প্রতি টেন্ডার না হওয়ায় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সরবরাহ বন্ধ থাকায় হাসপাতালে ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।


স্থানীয়রা বলছেন, হাসপাতালে না পেয়ে এখন বাধ্য হয়ে প্রতি ডোজ ৫০০ টাকায় ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে। কেউ যদি যৌথভাবে কিনতে না পারেন, পুরো খরচ একাই বহন করতে হয়। এর ফলে গরীব মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।

মান্দা উপজেলার আন্ধারিয়াপাড়া গ্রামের মেঘনা জানান, কুকুরে কামড়ের পর হাসপাতালে আসলেও ভ্যাকসিন পেতে বাইরের দোকান থেকে কিনে আনতে হয়েছে। অন্য রোগী শহিদুল ইসলাম বিপ্লব বলেন, তিন ডোজ ভ্যাকসিনের জন্য ১,৫০০ টাকা খরচ হয়েছে।
নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রতিদিন এখানে প্রায় ১০০ জন রোগী জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন নেন। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর থেকে সরবরাহ বন্ধ থাকায় রোগীদের বলা হচ্ছে চারজন মিলে একটি ভায়েল কিনে ভ্যাকসিন নিতে। এতে খরচ কিছুটা কমবে। জুন মাসের নতুন টেন্ডারে ভ্যাকসিন পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নওগাঁ সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে শুধু পত্নীতলা ও নিয়ামতপুরে স্থানীয়ভাবে ভ্যাকসিন সরবরাহ হচ্ছে। প্রতিদিন সেখানে ৫-৬ জন রোগী ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available