সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠে জমে উঠেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। একটি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনে চারজন প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন।

প্রার্থীরা হলেন মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী (দাঁড়িপাল্লা), আলহাজ্ব সৈয়দ আলী (ধানের শীষ) মো. আমজাদ হোসেন সরকার (হাতপাখা) এবং মো. রোহান চৌধুরী (লাঙ্গল)।


বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব সৈয়দ আলীও ভোটের মাঠে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। তিনি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং জলঢাকার উন্নয়নে তার ভূমিকা রয়েছে। একই সঙ্গে তার বাবার রাজনৈতিক ও সামাজিক অবদানও ভোটারদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছে। তবে বিএনপির ভেতরে কিছুটা দলীয় কোন্দল রয়েছে বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্বীকার করেছেন। যদিও বিএনপির এক নেতা দাবি করেন, ভোটের আগেই এসব অভ্যন্তরীণ বিরোধ মিটে যাবে এবং দলীয় প্রতীকে ভোট দিয়ে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামবেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ আসনে মূল লড়াই হবে জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে। জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। স্থানীয়দের মতে, জলঢাকা উপজেলা জামায়াতের একটি শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, ফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আমজাদ হোসেন সরকার হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. রোহান চৌধুরী লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও স্থানীয়ভাবে জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক অবস্থান তুলনামূলক দুর্বল বলে মনে করছেন ভোটাররা।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নীলফামারী-৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮১৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২৬ হাজার ৭২৫ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ২৫ হাজার ৮৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৫ জন। এ আসনে মোট ১৬৯টি ভোটকেন্দ্র, ৮৭০টি ভোটকক্ষ এবং ৪১৯টি অতিরিক্ত গোপন কক্ষ রয়েছে।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available