নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: ভোজ্য তেলের আমদানি নির্ভরতা কমাতে এবং কৃষকদের লাভজনক বিকল্প ফসলের প্রতি উৎসাহ দিতে নাঙ্গলকোট উপজেলায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সূর্যমুখী চাষ।
কুমিল্লা অঞ্চলের টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় বীজ ও সার সরকারি প্রণোদনা সহায়তায় নাঙ্গলকোটের বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামে এবার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সূর্যমুখী আবাদ হয়েছে। মাঠজুড়ে ফুটে থাকা হলুদ ফুল যেমন প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়েছে, তেমনি ভালো ফলনের আশায় স্বপ্ন দেখছেন উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের তরুণ উদ্যোক্তা মোহাম্মদ ইউসুফ আলী।


তরুণ উদ্যোক্তা বলেন, ‘উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বীজ ও সার পেয়ে এবার সূর্যমুখী লাগিয়েছি। আগে জানতাম না এত ভালো ফলন হবে। পুরো মাঠ এখন ফুলে ভরা। আশা করছি, তেলের ভালো দাম পাবো এবং খরচ বাদ দিয়ে লাভ থাকবে।’ কেবল কৃষিতেই নয়, সূর্যমুখীর বাগানগুলো এখন বিনোদনেরও কেন্দ্রবিন্দু। প্রতিদিন বিকেলে দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ছবি তুলতে ও প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. উজ্জ্বল হোসেন জানান, সূর্যমুখীর তেলের চাহিদা বেশি হওয়ায় এটি স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। জমি সূর্যমুখী চাষের জন্য উপযোগী এবং ফুলের বীজ থেকে হাঁস-মুরগির খাবার ও তেল উৎপাদন করা যায়। এতে থাকা লিনোলিক এসিড হৃৎপিণ্ডের জন্য উপকারী। কৃষি বিভাগ উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিয়ে চাষ বাড়াতে কাজ করছে।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available