• ঢাকা
  • |
  • বৃহঃস্পতিবার ৩০শে আশ্বিন ১৪৩৩ বিকাল ০৫:৫৭:০৩ (15-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:

৩৫ বছরের পরে আইনজীবী হতে বাধা কেন?

১৫ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:২০:০১

৩৫ বছরের পরে আইনজীবী হতে বাধা কেন?
ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক: দেশে আইন পেশায় এমন অনেকেই আছেন, যারা ৩৮, ৪০ বা ৫০ বছর বয়সেও এই পেশায় এসেছেন। তবে, এবার এমন সুযোগ বন্ধ করার কথা ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

গত ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ৩৫ বছরের পরে আইনজীবী হওয়ার পথ বন্ধ হতে যাচ্ছে। এই পেশাকে পরিপূর্ণভাবে 'প্রফেশনাল', সৌন্দর্য রক্ষা এবং সম্মানজনক স্থানে পৌঁছাতেই, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

আদালত অঙ্গনে প্রায়ই ভুয়া আইনজীবী বা দালাল চিহ্নিত হয়েছে, মানুষ প্রতারণার শিকার হয়েছেন বা মিথ্যা মামলা হয়েছে - এমন অভিযোগের কথা শোনা যায়।

কিন্তু ৩৫ বছরের পরে আইনজীবী হওয়ার পথ বন্ধ করার সরকারের সিদ্ধান্তে আইনজীবীদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। আইনজীবীদের অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

আবার কেউ কেউ মনে করছেন, বয়সসীমা বেঁধে দিয়ে এই পেশার সম্মান ফেরানো যাবে না, বরং আইনজীবী হওয়ার পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়ায় সংকট চিহ্নিত করে সেটি ধাপে ধাপে সংশোধন করা প্রয়োজন। বার কাউন্সিলের পরীক্ষার মান পুর্ননির্ধারণ, নিয়োগ প্রক্রিয়া সংশোধনসহ নানা প্রক্রিয়ার কথা জানান আইনজীবীরা।

একইসঙ্গে, আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বার কাউন্সিলকে আরো কার্যকর করার আহ্বানও জানিয়েছেন কেউ কেউ।

এছাড়া, ৩০-র বেশি বয়স, এমন অনেকেই আছেন যারা এখন আইন বিষয়ে পড়ছেন, তারা এই সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন আইনজীবীদের কেউ কেউ।

যদিও সামগ্রিকভাবে এসব সমস্যার সমাধান করতেই এমন উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রণকারী স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বার কাউন্সিলেরও চেয়ারম্যান তিনি।

তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পুরোনো একটি রায়ের আলোকেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ৯ মাসে সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনে ৭ হাজার কল

যদিও অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, যারা বর্তমান শিক্ষার্থী তাদের কথাও বিবেচনা করা হয়েছে, আর এ কারণেই প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হবে।

বার কাউন্সিলের বর্তমান এডহক কমিটি গত ১৯ আগস্ট এক বৈঠকে ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়া যাবে না, এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ওই বৈঠকে বার কাউন্সিলের ১৫ জন সদস্য সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্তে ঐকমত্য পোষণ করেছেন বলে জানান এই কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস কাজল।

একইসঙ্গে, লিগ্যাল এডুকেশন কমিটির সদস্যরাও এই সিদ্ধান্তে একমত হয়েছেন।

তবে, ওই বৈঠকে এই বয়সসীমা ৩০ বছর, ৪০ বছর বা ৪৫ বছর করার প্রস্তাবও এসেছিল। পরে ৩৫ বছর করার সিদ্ধান্ত হয়।

কিন্তু সুনির্দিষ্ট কোন কারণ কিংবা কোন প্রেক্ষাপটে এমন সিদ্ধান্ত এসেছে কিনা, এ প্রশ্নে রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে।

সাম্প্রতিক কোন ইস্যু আছে কিনা বা আদালত অঙ্গনে প্রভাব খাটানোর কোন অভিযোগ উঠেছে কিনা- এমন প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, এ ধরনের কোন সুনির্দিষ্ট ঘটনার কারণে নয়, বরং বহু বছর ধরে নানা অভিযোগ এবং আদালতের নির্দেশনা সব মিলিয়েই বার কাউন্সিল স্বতন্ত্রভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

একইসঙ্গে, বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং এই পেশার প্রতি তরুণদের আগ্রহী করে তোলাও এমন সিদ্ধান্তের কারণ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘এটি বলতে পারেন, আমাদের আর্লি ওয়ার্নিং। আমরা আর্লি ওয়ার্নিং দিয়েছি। এটি আমরা গণবিজ্ঞপ্তি আকারে সবাইকে জানিয়ে দেব। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি, পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্টেকহোল্ডার যারা আছেন সবাইকে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।’

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পুরোনো একটি রায়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বার কাউন্সিল ইতোপূর্বে কখনো এ সমস্ত রায়ের আলোকে এ ধরনের সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেনি। আমরা এটি আমলে নিয়েছি।’

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একটি রায়ে, আইনজীবীদের পেশায় ঢোকার ক্ষেত্রে বয়সসীমা নির্ধারণ করা দরকার বলে পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছিল বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

ওই রায়ের পর্যালোচনা করেই বার কাউন্সিল সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও পড়ুন: রাতে সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশে পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক

তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ পর্যন্ত ভুয়া আইনের সার্টিফিকেট বিক্রি করার জন্য বেশ কয়েকটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিকে ভৎর্সনা করেছেন। এ সমস্ত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বছরে এলএলবি করার সুযোগ ছিল, সেটিও কিন্তু বাতিল হয়েছে। আদালতই যখন হস্তক্ষেপ করেছে তখন রেগুলেটরি বডি হিসেবে তো আমাদের দায়িত্ব।’

অনেক সময় যারা বেশি বয়সে এই পেশায় আসেন মানুষ তাদের সিনিয়র আইনজীবী মনে করে ভুল করে থাকেন, প্রতারণার শিকারও হন। এই সিদ্ধান্তে এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ হওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

তিনি জানিয়েছেন, ‘আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির প্রথম স্তর হচ্ছে নিম্ন আদালত, জজকোর্টভিত্তিক। ওই ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩৫ বছর। হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্টের ক্ষেত্রে তালিকাভুক্তির কোনো সিদ্ধান্ত বার কাউন্সিল নেয়নি।’

আইনাঙ্গনে প্রচলিত একটি কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যার নাই কোনো গতি, সেই করে ওকালতি, এই পেশার প্রতি মানুষের এমন নেতিবাচক মনোভাব থেকে বের হয়ে তরুনদের এই পেশার প্রতি আকৃষ্ট করাও লক্ষ্য।’

এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শারমিন শিউলি এমন সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমার পারসোনাল পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে আমার কাছে মনে হয় এটা করা উচিত। কেন উচিত বলি, অন্য কোন প্রফেশনে কিছু করতে না পেরে মানুষের মনে হলো, আমি ল পড়ে ফেলি। পাসকোর্স থেকে কোনোভাবে পড়ে প্রচুর লইয়ার এভাবে ঢুকতেছে। গুণগত মান কী এতে এনশিওর করতে পারছি’

এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে কী হবে?

বাংলাদেশে বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক রয়েছে। এছাড়া, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেশের ৭৯টি কলেজে দুই বছর মেয়াদী এলএলবি পাসকোর্স পড়ানো হয়ে থাকে।

সাধারণত আইন বিষয়ে চার বছর মেয়াদী স্নাতক যারা করেন, তারা রেগুলার বা নিয়মিত শিক্ষার্থী।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের নিয়মিত শিক্ষার্থীরা এই পেশায় আসতে চাইলে স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা বার এট ল করার পর অনেকেই বার কাউন্সিল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে থাকেন।

আবার অনেকেই আছেন স্নাতকে অন্য বিভাগে পড়েও আইনে এলএলবি পাসকোর্স করে এই পেশায় আসার প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন।

ফলে তাদের ক্ষেত্রে বয়স নির্ধারণ করে দেয়া হলে আইনজীবী হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে না বলে আশঙ্কা করছেন আইনজীবীরা।

সাধারণত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ল কলেজগুলোতে দেখা যায়, অনেকেই ৩৫ বা ৪০ বছর কিংবা ৪৫ বা ৫০ বছর বা তারও বেশি বয়সে এসে দুইবছর মেয়াদি আইন বিষয়টি পড়ছেন।

আবার অনেককেই অন্য একটি পেশা থেকে এসে এলএলবি পাসকোর্স করতে দেখা যায়। পরে তারা আইন পেশায় যুক্ত হন। কারণ এখানে বয়সের কোন সীমাবদ্ধতা নেই।

আইনজীবীদের কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, ৩৫ বছর বয়সের সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে এমন ব্যক্তিরা বিপাকে পড়বেন।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ মনে করেন, আইনজীবীদের সম্মান বা মর্যাদা পুনরূদ্ধারের জন্য শুধু বয়স নির্ধারণ করা যথেষ্ঠ নয়।

বরং বার কাউন্সিলকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করে আইনজীবীদের মনিটরিং সংস্থায় পরিণত করে কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করলে এমন সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে জানান তিনি।

মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘আমি মনে করি যে, যে সমস্ত মিস কন্ডাক্টগুলো বার কাউন্সিল রুলসে বলা আছে, যেসব কাজ করলে আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে এবং তাদের সনদও বাতিল হয়ে যাবে সেটা যতক্ষণ পর্যন্ত কার্যকরী করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত ৩৫ বছর বা ২০ বছর দিলেও খুব একটা লাভ হবে বলে আমার মনে হয় না। দুই দিকেই চেক-ব্যালেন্স করতে হবে।’

তবে, আইনজীবী হওয়ার জন্য ৩৫ বছর বয়স নির্ধারণের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কেউ যদি আদালতের শরণাপন্ন হন সেক্ষেত্রে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে মনে করেন তিনি।

এই সিদ্ধান্ত কীভাবে কার্যকর হবে?

আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। দেশের সব আইনজীবীদের এই পেশায় প্রাকটিস করার লাইসেন্স দিয়ে থাকে সংস্থাটি। একইসঙ্গে, আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এটি।

অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, আইনানুযায়ী, ১৫ সদস্যবিশিষ্ট বার কাউন্সিলের এডহক কমিটি ঐকমত্যের ভিত্তিতে বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বার কাউন্সিলে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য যে সাব কমিটি আছে, লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি, সেই কমিটির সুপারিশের আলোকেই কাউন্সিলের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

আইনজীবীদের তালিকাভুক্তি, শাস্তি দেওয়া, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি বার কাউন্সিলের দায়িত্ব।

তবে, বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তে আইনের সংশোধনীর প্রয়োজন নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘বার কাউন্সিলের নিজস্ব সিদ্ধান্ত, এটা গণবিজ্ঞপ্তি আকারে সব অংশীজনদের জানিয়ে দেওয়া হবে।’

অন্যান্য দেশে আইনজীবী হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা কত?

বাংলাদেশসহ এশিয়ার প্রায় সবদেশেই ব্রিটিশ আমলে তৈরি আইন অনুসরণ করা হয়ে থাকে। তবে ওই আমলের কিছু কিছু আইনে সংশোধনীও এনেছে কোন কোন দেশ।

ইন্টারনেট ঘেঁটে বিশ্বের কোনো দেশেই আইনজীবী হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারিত রয়েছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের বার কাউন্সিল এর আগে একবার সর্বোচ্চ ৪৫ বছর বয়সসীমা নির্ধারণের চেষ্টা করেছিল।

তবে সিদ্ধান্তটি চ্যালেঞ্জ করা হলে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এই সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক এবং পেশা পরিবর্তনকারী ও অবসরপ্রাপ্তদের প্রতি বৈষম্যমূলক বলে সেটি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল।

এছাড়া, পাকিস্তানেও আইন পেশার জন্য কোনো বয়স নির্ধারিত নেই।

আইনজীবী শারমিন শিউলি জানান, যুক্তরাজ্য বা ইউরোপিয়ান কোনো দেশে সর্বোচ্চ কোনো বয়সসীমা নির্ধারিত নেই।

অর্থাৎ, আইনের সূতিকাগার খ্যাত যুক্তরাজ্যে আইন পেশায় প্রবেশের সর্বোচ্চ কোনো বয়স নির্ধারিত নেই। যুক্তরাজ্যে সলিসিটরস কোয়ালিফাইং এক্সামিনেশন এবং ব্যারিস্টার হতেও কোনো বয়সসীমা নেই।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক জানান, যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৭৪ সালে কোনো পেশায় অবসরে যাওয়ার সময় তুলে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘উন্নত বিশ্বে চাকরিতে প্রবেশ কিংবা অবসরের কোনো বয়স বেঁধে দেওয়া নেই। আইন পেশায়তো প্রশ্নই আসে না।’

তবে, উন্নত বিশ্বে কিছু পেশায় শারীরিক যোগ্যতার অংশ হিসেবে বয়সকে বিবেচনা করা হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ



হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু
১৫ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:৪১:০৪




রংপুরে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
রংপুরে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
১৫ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:৩৮:৩৪



৩৫ বছরের পরে আইনজীবী হতে বাধা কেন?
৩৫ বছরের পরে আইনজীবী হতে বাধা কেন?
১৫ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:২০:০১