আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানি বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিরতা আরও বাড়াবে এবং এটি তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পেজেশকিয়ান এ মন্তব্য করেছেন বলে জানায় বিবিসি।


এক বিবৃতিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি কোনো নৌ-অবরোধ বা বিধিনিষেধ আরোপের চেষ্টা ব্যর্থ হতে বাধ্য।

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের পদক্ষেপ শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারে ব্যর্থই হবে না, বরং বাস্তবে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনার উৎস হয়ে উঠবে এবং স্থায়ী স্থিতিশীলতাকে ব্যাহত করবে।’
এদিকে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নতুন এক অস্ত্র ব্যবহারের সতর্কবার্তা দিয়ে ইরান বলেছে, এই অস্ত্রকে শত্রুপক্ষ ‘গভীরভাবে ভয় পায়’ এবং যা তাদের ‘হার্ট অ্যাটাক’-এর কারণ হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ তুলে নেয়ার বিনিময়ে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে ইরানের প্রস্তাব—যে পরিকল্পনা অনুযায়ী তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনাও স্থগিত হওয়ার কথা ছিল—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তা প্রত্যাখ্যান করা এবং হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ার পরই তেহরান এই সতর্কবার্তা দিলো।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির তথ্যমতে, ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি বলেছেন, তেহরান ‘খুব শিগগিরই’ এমন একটি অস্ত্র দিয়ে শত্রু বাহিনীর মোকাবিলা করবে, ‘যাকে তারা গভীরভাবে ভয় পায়’।
অস্ত্রটির প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এটা তাদের (শত্রুদের) ঠিক পাশেই আছে... আশা করি তাদের হার্ট অ্যাটাক হবে না।
ইরানের তেল বাণিজ্য বন্ধ করে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তেহরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশল নিয়েও উপহাস করেছেন শাহরাম।
তিনি বলেন, ‘শত্রুরা ভেবেছিল যে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের সবশেষ বিনা উসকানির আগ্রাসনের মাধ্যমে তারা সর্বনিম্ন সম্ভাব্য সময়ে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করবে। সেই ধারণাটিই এখন সামরিক একাডেমিগুলোতে হাসির পাত্রে পরিণত হয়েছে।’
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available