আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে মারাত্মক বিঘ্নের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সকাল পর্যন্ত বৈশ্বিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৭ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে।
সকাল সাড়ে ৮টার বাজারদর অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম শূন্য দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ দশমিক ৬৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ বেড়ে ৯২ দশমিক ০৩ ডলারে পৌঁছেছে।
তবে মারবান ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৩ দশমিক ৩০ ডলারে নেমেছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ২ দশমিক ৯২৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
গত সপ্তাহে জুলাইয়ের পর থেকে তেলের বাজারে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক মূল্যবৃদ্ধি দেখা যায়। ওই সময়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৯৬ দশমিক ২৮ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ৯১ দশমিক ৪৮ ডলারে পৌঁছায়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে তেলের দামে অতিরিক্ত ঝুঁকি প্রিমিয়াম যুক্ত হচ্ছে।
বৈশ্বিক তেল সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকার চলাচলও চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি নির্দিষ্ট সময়ে মাত্র চারটি জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করতে পেরেছে। অথচ ১০ দিনের গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১৩টি জাহাজ এই পথ অতিক্রম করে।
তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ মিলিয়ন ব্যারেল তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ নিয়ে ঝুঁকি বাড়ায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বর্তমানে ডব্লিউটিআইয়ের চেয়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৪ দশমিক ৬৬ ডলার বেশি। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত আরও বাড়লে কিংবা জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে দুই ধরনের তেলের দামের এই ব্যবধান আরও বাড়তে পারে।
সূত্র: গালফ নিউজ
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available