<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0">
    <channel>
        <title><![CDATA[All news items on https://www.asiantvonline.com/]]></title>
        <link><![CDATA[https://asiantvonline.com/]]></link>
        <description><![CDATA[
            Welcome to https://www.asiantvonline.com/! Stay informed with the latest news, headlines, and updates from around the world.
            Subscribe to our RSS feed now to receive regular updates and never miss a beat.
        ]]></description>

        <image>
            <url>https://asiantvonline.com/logo.png</url>
            <title>Asian Tv Online | এশিয়ান টিভি অনলাইন</title>
            <link>https://asiantvonline.com/</link>
        </image>

        <generator><![CDATA[RSS by https://asiantvonline.com/rss-feed.xml]]></generator>
        <language>en</language>
        <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 17:37:55 +0600</pubDate>

        <copyright><![CDATA[
            Copyright: (C) 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.
        ]]></copyright>

                    <item>
                <title><![CDATA[আগামীকাল কালীপূজা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74841/34ff-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>হিন্দু সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী কালীপূজা আগামীকাল ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে সাধারণত শ্যামাপূজা বা কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।</p><p>হিন্দু পূরাণ মতে, কালী দেবী দূর্গারই একটি শক্তি। সংস্কৃত ভাষার ‘কাল’ শব্দ থেকে কালী নামের উৎপত্তি। কালী পূজা হচ্ছে শক্তির পূজা। জগতের সব অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভশক্তির বিজয়।</p><p>কালী দেবী তার ভক্তদের কাছে শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুন্ডি, ভদ্রকালী ও দেবী মহামায়াসহ বিভিন্ন নামে পরিচিত।</p><p>কালী পূজার দিন হিন্দু সম্প্রদায় সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজনদের স্মরণ করেন। এটিকে বলা হয় দীপাবলী।</p><p>দুর্গাপূজার মতো কালীপূজাতেও গৃহে বা মন্ডপে মৃন্মময়ী প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা করা হয়। মন্দিরে বা গৃহে প্রতিষ্ঠিত প্রস্তরময়ী বা ধাতুপ্রতিমাতেও কালীপূজা করা হয়।</p><p>মধ্যরাত্রে তান্ত্রিক পদ্ধতিতে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে পূজা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>তবে গৃহস্থ বাড়িতে সাধারণত অতান্ত্রিক ব্রাহ্মণ্যমতে আদ্যাশক্তি কালীর রূপে কালীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>লোকবিশ্বাস অনুযায়ী— কালী শ্মশানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। এই কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে শ্মশানে মহাধুমধামের মধ্যে দিয়ে শ্মশানকালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>শ্যামাপূজোর তারিখ ও সময়: আগামীকাল রোববার ৮ নভেম্বর কালীপূজা বা শ্যামাপূজা পালিত হবে। এদিন মা কালী বা শ্যামা মায়ের আরাধনা করা হবে।</p><p>রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা কালীমন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির, সবুজবাগ থানাধীন শ্রী শ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার রাধাগোবিন্দ জিঁও ঠাকুর মন্দির, পোস্তগোলা মহাশ্মশান, তাঁতী বাজার, শাখারী বাজার ও বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন মন্ডপ ও মন্দিরে আগামীকাল শ্যামা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">34ff-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 17:36:48 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আগামীকাল কালীপূজা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/religion/74841/34ff-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>হিন্দু সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী কালীপূজা আগামীকাল ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে সাধারণত শ্যামাপূজা বা কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।</p><p>হিন্দু পূরাণ মতে, কালী দেবী দূর্গারই একটি শক্তি। সংস্কৃত ভাষার ‘কাল’ শব্দ থেকে কালী নামের উৎপত্তি। কালী পূজা হচ্ছে শক্তির পূজা। জগতের সব অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভশক্তির বিজয়।</p><p>কালী দেবী তার ভক্তদের কাছে শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুন্ডি, ভদ্রকালী ও দেবী মহামায়াসহ বিভিন্ন নামে পরিচিত।</p><p>কালী পূজার দিন হিন্দু সম্প্রদায় সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজনদের স্মরণ করেন। এটিকে বলা হয় দীপাবলী।</p><p>দুর্গাপূজার মতো কালীপূজাতেও গৃহে বা মন্ডপে মৃন্মময়ী প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা করা হয়। মন্দিরে বা গৃহে প্রতিষ্ঠিত প্রস্তরময়ী বা ধাতুপ্রতিমাতেও কালীপূজা করা হয়।</p><p>মধ্যরাত্রে তান্ত্রিক পদ্ধতিতে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে পূজা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>তবে গৃহস্থ বাড়িতে সাধারণত অতান্ত্রিক ব্রাহ্মণ্যমতে আদ্যাশক্তি কালীর রূপে কালীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>লোকবিশ্বাস অনুযায়ী— কালী শ্মশানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। এই কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে শ্মশানে মহাধুমধামের মধ্যে দিয়ে শ্মশানকালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>শ্যামাপূজোর তারিখ ও সময়: আগামীকাল রোববার ৮ নভেম্বর কালীপূজা বা শ্যামাপূজা পালিত হবে। এদিন মা কালী বা শ্যামা মায়ের আরাধনা করা হবে।</p><p>রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা কালীমন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির, সবুজবাগ থানাধীন শ্রী শ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার রাধাগোবিন্দ জিঁও ঠাকুর মন্দির, পোস্তগোলা মহাশ্মশান, তাঁতী বাজার, শাখারী বাজার ও বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন মন্ডপ ও মন্দিরে আগামীকাল শ্যামা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">34ff-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 17:36:48 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নয়াপল্টন থেকে হেঁটে মানিক মিয়া এভিনিউতে প্রধানমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74840/0b13-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নয়াপল্টন থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি মানিক মিয়া এভিনিউ পৌঁছেছে। শোভাযাত্রায় মোট ৭ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে মানিক মিয়া এভিনিউ পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p><p>শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। র‍্যালিতে অন্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীসহ আরও অনেকে অংশগ্রহণ করেন।</p><p>র‍্যালি শুরুর আগে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>র‍্যালিটি প্রধান বিচারপতির বাসভবন, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।</p><p>এর আগে র‍্যালিতে অংশ নিতে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড এবং আশপাশের জেলা ও উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে জড়ো হন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।</p><p>জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং দলের শীর্ষ নেতাদের ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায় তাদের হাতে। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকা।</p><p>ঢাকা ছাড়াও শনিবার দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে র‍্যালি করছে বিএনপি। পরদিন ৮ নভেম্বর থানা ও উপজেলা পর্যায়ে র‍্যালি অনুষ্ঠিত হবে।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0b13-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 17:31:45 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশের ভেতরে ও বাইরের ষড়যন্ত্রকারীদের বিষদাঁত ভেঙে দিতে ঐক্যবদ্ধ হবে : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74839/e162-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশের মানুষকে কখনো দাবিয়ে রাখা যাবে না। দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, তাদের প্রত্যেককে একে একে জবাব দেয়া হবে।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‍্যালি-পূর্ব সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ৭১-এ অর্জিত সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করে দেশের মানুষের ওপর বাকশাল চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ৭ নভেম্বর সেই গোষ্ঠীকে সিপাহি-জনতা পরাজিত করেছিল।</p><p>দুপুর পৌনে ৩টায় নয়াপল্টনে লাখো জনতার মধ্যে উপস্থিত হন ৭ নভেম্বরে সিপাহি জনতার নায়ক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সন্তান তারেক রহমান। উষ্ণ অভ্যর্থনায় সিক্ত হন আপামর জনসাধারণের। হাত নেড়ে অভিবাদনের জবাব দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। পরে জনতার উদ্দেশে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।</p><p>পরে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয় ‘সার্বভৌমত্ব’ র‍্যালি। যোগ দেন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের লাখো নেতাকর্মী।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e162-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 17:20:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক নিহত, আহত ১]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/accident/74838/9d97-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নারায়ণগঞ্জ &nbsp;প্রতিনিধি: </strong>নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার শীতলক্ষ্যা তৃতীয় সেতুতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিঝুম (২১) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা আরও এক আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে সেতুর ম্যাডোনা সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>​নিহত নিঝুম নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের (বন্দর) নবীগঞ্জ মোল্লা বাড়ি এলাকার মাসুদ মিয়ার ছেলে এবং মৃত শাজাহান বাবুর্চির ভাতিজা।</p><p>​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে নিঝুম ও তার এক সঙ্গী মোটরসাইকেলযোগে শীতলক্ষ্যা তৃতীয় সেতুর ম্যাডোনা সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছান। এ সময় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আকস্মিক দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিঝুম ও তার সঙ্গী গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিঝুমকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><p>​বন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন জানান, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন এবং অপরজন গুরুতর আহত অবস্থায় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতের মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।</p><p>এটিভি/ এইচকে</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9d97-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 17:15:46 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৬৭৪]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Health-treatment/74837/e127-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৬৭৪ জন।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>ডেঙ্গুবিষয়ক বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৪৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নভেম্বরে প্রথম সপ্তাহে মারা গেছে ৩৫ জন। এছাড়া অক্টোবরে ১৭৪ জন, সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।</p><p>বুলেটিনে আরও বলা হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৬৭৪ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৮০ জনে। এ সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ২৯৬ জন।</p><p>গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে, ৭১৪ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ৩১১ জন, খুলনায় ১৯০ জন, বরিশালে ২১৩ জন, রাজশাহীতে ১৫৩ জন, ময়মনসিংহে ৫০ জন, রংপুরে ৬০ জন এবং সিলেট বিভাগে ২১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e127-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 17:10:32 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মাদারীপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হলো ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/74836/4e83-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>মাদারীপুর প্রতিনিধি: </strong>৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে মাদারীপুরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়েছে।&nbsp;</p><p>এর অংশ হিসেবে ৭ নভেম্বর শনিবার সকালে মাদারীপুর পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে বিদ্যালয়গুলোতে আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।​ অনুষ্ঠানটিতে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।​<br>অনুষ্ঠানের শুরুতে ৭ নভেম্বর দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>বক্তারা বলেন, দেশের এই ঐতিহাসিক দিনটির সঠিক ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের কোমলমতি শিশুদের মাঝে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এরপর শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।​এ সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4e83-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 17:09:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[৭ নভেম্বর আধিপত্য ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার বিজয়ের দিন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/74835/3500-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর আধিপত্য ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার বিজয়ের দিন। ১৯৭১-এর পর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ, বাকশাল কায়েম ও দুর্ভিক্ষ-দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। দেশি-বিদেশি আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদের হাত থেকে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সাধারণ মানুষ ও দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী একযোগে রাজপথে নেমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে দেশের দায়িত্ব অর্পণ করেছিল।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার ৭ নভেম্বর সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ডিসপ্লে ও ফুটবল ম্যাচ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৪ সালে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় শাসন কায়েম, রক্ষীবাহিনীর নিপীড়ন এবং দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে দেশকে যে চরম বিপর্যয়ে ফেলা হয়েছিল, ২০২৪ সালের পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী আমলেও জনগণ একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল। যেভাবে ’২৪-এ তরুণ সমাজ দেশকে মুক্ত করতে জেগে উঠেছে, ঠিক একইভাবে ’৭৫-এও সিপাহী-জনতা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।</p><p>তিনি বলেন, কোনো আগ্রাসী বা আধিপত্যবাদী শক্তি যেন আর কখনো জনগণের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা হরণ করতে না পারে, সেজন্য সেনাবাহিনী, তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষকে ৭ নভেম্বরের ঐক্য ও সংহতির চেতনা ধরে রাখতে হবে।</p><p>স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ মূলমন্ত্রকে ধারণ করে তরুণ প্রজন্মকেই আগামী দিনের সুখী, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এর জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের বিকশিত করার তাগিদ দেন তিনি।</p><p>অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোর ও তাদের পরিবার এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3500-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 17:06:50 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সামিটের এলএনজি টার্মিনালে গ্যাস সরবরাহ শুরু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74834/7d09-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিটের এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার দুপুর ১টা থেকে টার্মিনালটির রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম চালু করা হয়।</p><p>পেট্রোবাংলার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ায় সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। বর্তমানে দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকেই আগের মতো জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।</p><p>এলএনজি আমদানি ও পুনর্গ্যাসীকরণের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহের স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরেছে। গ্রাহকদের সহযোগিতার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে ধন্যবাদ জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7d09-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 16:55:25 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: শিরিন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/74833/8d7d-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বরিশাল প্রতিনিধি: </strong>শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।</p><p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্প। বিশ্ববাজারে এ শিল্প যখন রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করছে, ঠিক তখনই দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারী একটি মহল এ শিল্পকে ধ্বংসের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। শিল্প-কারখানায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপি আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালি-পরবর্তী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।</p><p>এর আগে দিবসটি উপলক্ষে বরিশাল জেলা পরিষদের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বরিশাল শহরের কাকলীর মোড় এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের প্রেক্ষাপট</p><p>বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সংঘটিত সামরিক অভ্যুত্থানের পর তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর সেনাবাহিনীর সদস্য ও সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণে পাল্টা অভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। পরবর্তী সময়ে দিনটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।</p><p>বিএনপি দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। দলটির নেতাকর্মীদের কাছে দিনটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক উত্থান, জাতীয় ঐক্য এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার চেতনার সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পৃক্ত।</p><p>বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং সদস্যসচিব মিজানুর রহমান খান মুকুলের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত র‌্যালি ও পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, গৌরনদী, আগৈলঝাড়া ও মুলাদী উপজেলা এবং পৌর বিএনপির আহ্বায়ক, সদস্যসচিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।</p><p>দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8d7d-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 16:55:22 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিএনপির শোভাযাত্রায় হাতি-ঘোড়ার গাড়ি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74832/cd45-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> রাজধানীর নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন শ্রমিক দল, কৃষক দল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো পল্টন এলাকা। ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় স্লোগানে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়।<br><br>শোভাযাত্রায় ব্যতিক্রমী আয়োজনও নজর কেড়েছে। ৫টি ঘোড়ার গাড়ি ও ১টি হাতিসহ ব্যানার, ফেস্টুনসহ বিশাল মিছিল নিয়ে এসেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শেখ ফরিদ হোসেন।</p><p>নয়াপল্টনে এসব ঘোড়ার গাড়ি ও হাতির উপস্থিতি উৎসুক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। নেতাকর্মীদের ভিড়ের মধ্যে ব্যতিক্রমী এই আয়োজন শোভাযাত্রায় বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে।</p><p>বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়।</p><p>দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে কাকরাইল মোড়, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">cd45-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 16:54:13 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিএনপির শোভাযাত্রায় হাতি-ঘোড়ার গাড়ি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/BNP/74832/cd45-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> রাজধানীর নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন শ্রমিক দল, কৃষক দল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো পল্টন এলাকা। ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় স্লোগানে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়।<br><br>শোভাযাত্রায় ব্যতিক্রমী আয়োজনও নজর কেড়েছে। ৫টি ঘোড়ার গাড়ি ও ১টি হাতিসহ ব্যানার, ফেস্টুনসহ বিশাল মিছিল নিয়ে এসেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শেখ ফরিদ হোসেন।</p><p>নয়াপল্টনে এসব ঘোড়ার গাড়ি ও হাতির উপস্থিতি উৎসুক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। নেতাকর্মীদের ভিড়ের মধ্যে ব্যতিক্রমী এই আয়োজন শোভাযাত্রায় বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে।</p><p>বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়।</p><p>দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে কাকরাইল মোড়, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">cd45-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 16:54:13 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/health/74831/59cb-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহজনক হামে ৯৮৮ শিশু শনাক্ত হয়েছে।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হাম বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ২৮০ শিশু। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৫ শিশু এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৭৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৮৮ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৭০২ জনে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৬১ শিশু। এ নিয়ে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৩৫৫ জনে।</p><p>গত ১৫ মার্চ থেকে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে ২ লাখ ১১ হাজার ৮৬৫ শিশু ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লাখ ৩ হাজার ২৫৭ শিশু।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong>&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">59cb-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 16:44:29 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজ যা কিছু সুন্দর-সফল, সমস্ত অবদান জিয়াউর রহমানের: ঢাবি উপাচার্য]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/campus/74830/6cc3-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম মন্তব্য করে বলেছেন, আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল, তার সমস্ত অবদান শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ২ দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>উপাচার্য বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশ নামক দেশটির স্বাধীনতা থাকত না। সার্বভৌমত্ব থাকত না এবং একই সঙ্গে এটি অন্যের প্রদেশের অন্য দেশের দেশ হিসেবে হয়ত আমাদের পরিচিত হতে হতো। মাওলা রাব্বুল আলামীনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সেই দিনটি আজকে ৭ নভেম্বর। আজকে সেই বিপ্লব এবং সংহতি দিবস। জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন সূচিত হয়। ওই সময় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদ, পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে ৩ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশ চরম দুর্বিষহ সময় পার করেছে।</p><p>১৯৭৫ সালের ওই সময়ের ঘটনা তুলে ধরে অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়েছিল। পরে সিপাহি ও সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে এবং জাতির প্রয়োজনে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসায়।</p><p>৭ নভেম্বরকে সিপাহি-জনতার বিপ্লব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি ছিল সিপাহী জনতার বিপ্লব এবং সবাই সংহতি প্রকাশ করে সবাই মিলে তাকে নিয়ে আসে। সেটি ছিল ৭ নভেম্বর।’</p><p>জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। এই পরিচয়ের আওতায় বাঙালির পাশাপাশি চাকমা, মারমা, মগ, মুরং, গারো ও খাসিয়াসহ দেশের সব জাতিগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।</p><p>অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিতে কাজ করেছেন। তার হাত ধরেই বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে আসে বলে মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনীতি করার সুযোগ সৃষ্টিতেও জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল বলে উল্লেখ করেন উপাচার্য।</p><p>৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্য এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এই দিনটিকে ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। এই দিনটি আমাদেরকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখতে হবে। এই দিনটি একটি দিন না। এই দিনটি একদিন মনে রাখলে হবে না। এই দিনটি প্রতিটি মুহূর্তে মনে রাখতে হবে। সবার আগে বাংলাদেশ। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান ঢাবি উপাচার্য।’</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6cc3-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 16:38:08 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আন্তর্জাতিক বাজারে নারী উদ্যোক্তাদের সুযোগ তৈরিতে সরকার কাজ করছে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74829/f307-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>নারী উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ ইসলাম।</p><p>তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের ৮১টি মিশনকে নারী উদ্যোক্তাদের পণ্যের সম্ভাব্য বাজার ও চাহিদা খুঁজে বের করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিদেশে কোন ধরনের বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাজারের সংযোগ তৈরিতে মিশনগুলো কাজ করবে।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) প্রাঙ্গণে জাতীয় এসএমই নারী উদ্যোক্তা সামিট ও পণ্য মেলা-২০২৬-এর তিন দিনব্যাপী আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>শামা ওবায়েদ বলেন, দেশের অর্ধেকের বেশি জনগোষ্ঠী নারী। তাদের পেছনে রেখে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। উন্নয়ন হতে হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, যেখানে চট্টগ্রাম থেকে রংপুর, যশোর থেকে ফরিদপুর, সব অঞ্চলের নারীরা সমান সুযোগ পাবেন। নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে না পারলে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।</p><p>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের বিশেষ কোনো সুবিধা বা অগ্রাধিকার প্রয়োজন নেই। তারা অন্য উদ্যোক্তাদের মতো নিজেদের ন্যায্য অধিকার ও সমান সুযোগ চান। এমন একটি সময় আসা উচিত, যখন উদ্যোক্তার আগে ‘নারী’ শব্দটি ব্যবহার করতে হবে না। নারী-পুরুষের সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত হলেই প্রকৃত অর্থনৈতিক মুক্তি আসবে।</p><p>তিনি আরও বলেন, যশোরের কোনো নারী নকশিকাঁথা তৈরি করেন, রংপুরের কোনো নারী শতরঞ্জি বানান কিংবা চট্টগ্রামের কোনো তরুণী অনলাইনে খাবারের ব্যবসা করেন। কিন্তু তাদের অনেকেই পণ্য বাজারজাতকরণ, নতুন বাজার খুঁজে পাওয়া, অর্থায়ন ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার অভাবে নিজেদের উদ্যোগ বড় করতে পারছেন না। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সমন্বিত সহায়তা কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।</p><p>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের ৮১টি মিশনকে নারী উদ্যোক্তাদের পণ্যের সম্ভাব্য বাজার ও চাহিদা খুঁজে বের করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিদেশে কোন ধরনের বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাজারের সংযোগ তৈরিতে মিশনগুলো কাজ করবে।</p><p>তিনি আরও বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিদেশি কূটনীতিক, মন্ত্রী ও প্রতিনিধিদের সামনে বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের একটি জায়গায় তাদের পণ্য প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে চান তিনি। এসএমই ফাউন্ডেশন ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা যোগাযোগ করলে এ উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।</p><p>শামা ওবায়েদ বলেন, বর্তমান বাজেটে সৃজনশীল অর্থনীতিকে (ক্রিয়েটিভ ইকোনমি) গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতি, কৃষ্টি, শিল্পকলা, ফটোগ্রাফি, চলচ্চিত্র, নাটক, নাচ, পাটজাত পণ্য, প্রসাধনী ও গহনাসহ বিভিন্ন পণ্য এ অর্থনীতির অংশ। এ খাতে নারীদের অংশগ্রহণ ও অবদান অনেক বেশি। সৃজনশীল অর্থনীতির মাধ্যমে দেশীয় পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরার সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।</p><p>তিনি বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের মেয়েদের প্রাথমিক থেকে স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মেয়েদের স্কুলে ফিরিয়ে আনা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধেও সরকার কাজ করছে। নারী শিক্ষার প্রসার ও যথাযথ সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে নারীরা সব ক্ষেত্রেই আরও ভালো করবেন।</p><p>নিজেকে একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের প্রত্যেকের পেছনে সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প রয়েছে। এসব গল্প দেশের ১৭ কোটি মানুষের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে নতুন প্রজন্মের মেয়েরা অনুপ্রাণিত হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিতে পারেন।</p><p>আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলোতে নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিদেশি উন্নয়ন সহযোগীদের কী ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে, তা তুলে ধরে তিনি বলেন, নতুন বাজার খোঁজা, অর্থায়ন, ব্যাংক ঋণ সহজ করা এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করবে।</p><p>অনুষ্ঠানে নারী উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশসহ যেকোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদের সমস্যা সমাধানে নিজের অবস্থান থেকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তিনি।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f307-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 16:20:47 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রা শুরু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74828/b263-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়ার উদ্দেশে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়েছে।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার দুপুর ৩টার দিকে এ শোভাযাত্রা শুরু হয়।</p><p>র‍্যালিতে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীসহ আরো ঊর্ধ্বতন নেতাকর্মীরা।</p><p>র‍্যালি শুরুর আগে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>র‍্যালিটি প্রধান বিচারপতির বাসভবন, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b263-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 16:18:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[১ বছর পর দেখা যাবে সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74827/d5f2-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, বিএনপি সরকারের ১ বছর পর দেখা যাবে অর্থনীতি থেকে আইনশৃঙ্খলা প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে।</p><p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে ৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনপিসির আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।</p><p>হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বরাবরই আওয়ামী লীগকে পথ দেখিয়েছে বিএনপি। দলটি সব আন্দোলনের সুবিধাও নিতে চায়। জুলাই অভ্যুত্থানকে ঘিরে হীনমন্যতায় ভুগছে বিএনপি।</p><p>তিনি আরও বলেন, বিএনপি আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন নিয়ে কথা বলছে। কিন্তু আগে আওয়ামী লীগের শাসনামলের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিচার করতে হবে। তারপর তাদের পুনর্বাসন বা প্রাসঙ্গিকের কথা আসবে।</p><p>এদিকে, অন্যের দলে গুপ্ত না খুঁজে বিএনপিকে নিজের দলের ভেতর গুপ্ত খোঁজার আহ্বান জানান এনসিপির নেতা সারোয়ার তুষার। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ প্রশ্নে বিএনপিকে একই ভুল দ্বিতীয়বার না করারও আহ্বান জানান তিনি।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d5f2-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 16:07:02 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দুবলার চরে গোসল করতে গিয়ে পর্যটক নিখোঁজ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/74826/aa1f-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চরের আলোরকোলে রিয়াজ (২৫) নামে এক পর্যটক নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ পর্যটকে উদ্ধারে কোস্ট গার্ডের একটি উদ্ধারকারী দল সাগরে তল্লাশি চালিয়েও গত ২৪ &nbsp;ঘন্টা পার হলেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। &nbsp;</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার বিকালে সাগরের পানিতে গোসল করতে নেমে পড়লে এ ঘটনা ঘটে।</p><p>কোস্টগার্ড সূত্রে যায়, পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের শ্যানগরের বুড়িগোয়ালিনি ফরেস্ট স্টেশন থেকে সকালে পাস নিয়ে হিরন পয়েন্ট ও নিলকমল হয়ে ইকো ট্যুরিজম নামে একটি পর্যটকবাহী লঞ্চে ৩০ জনের একটি টিম শুক্রবার দুপুরে দুবলারচরের আলোরকোলে আসেন। তাদের মধ্যে তিন জন ট্যুরিস্ট সাগরের পানিতে নেমে পড়েন। এসময় পানির তোড়ে পর্যটক রিয়াজ ভেসে যায়।</p><p>নিখোঁজ হবার পর থেকে কোস্টগার্ড পশ্চিমজনের একটি টিম অনেক খোঁজাখুজি করেও তার কোন সন্ধান পাননি। সন্ধ্যার পরে অন্ধকার নেমে এলেও কোস্টগার্ড নিখোঁজ পর্যটককে উদ্ধারের চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে।</p><p>দুবলার আলোরকোলের রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি মোতাসিম ফরাজী মুঠোফোনে ঘটনার বলেন, তিন জন পর্যটক বিকালের দিকে সাগর তীরের পানিতে নামলে প্রচন্ড পানির চাপে রিয়াজ ভেসে গেলেও অন্য দু'জন তীরে উঠতে সক্ষম হন। ওই দু'জন রিয়াজকে উদ্ধারের জন্য আপ্রান চেস্টা করলেও তারা ব্যর্থ হন।</p><p>বনবিভাগের পশ্চিম বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) হাসানুর রহমান জানান, বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন থেকে পাস নিয়ে শুক্রবার দুটি পর্যটকবাহী লঞ্চ ৩০ জন পর্যটক নিয়ে &nbsp;দুবলারচরে দিকে যায়। পরবর্তীতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই কোস্টগার্ড ও বনবিভাগ নিখোঁজ পর্যটককে উদ্ধারের চেস্টা করছেন।</p><p>কোস্টগার্ডের পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেনেন্ট মো. আবুল কাসেম শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে &nbsp;জানান,। নিখোঁজ পর্যটককে কোস্টগার্ড সদস্যরা &nbsp;উদ্ধারের চেষ্টা করছেন কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন হদিস পাওয়া যায়নি।&nbsp;</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">aa1f-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:59:54 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বড়াইগ্রামে র‍্যালি-আলোচনা সভা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/74825/672c-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নাটোর প্রতিনিধি: </strong>নাটোরের বড়াইগ্রামে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে এবং সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম, নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যক্ষ আলহাজ্ব এম. লুৎফর রহমান, বড়াইগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও জোয়াড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আলী আকবর, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাষক আব্দুল আলীম, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালাম মোল্লা, বনপাড়া পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব সরদার রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক এবিএম ইকবাল হোসেন রাজু, বীর মুক্তিযোদ্ধা সরকার বয়েতুর রেজা, মমিনুল ইসলাম ও আবুল খায়ের, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নীলিমা জাহান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী এবং সিনিয়র সাংবাদিক আলহাজ্ব সাইফুর রহমান প্রমুখ।</p><p>এ সময় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, সাংবাদিক এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">672c-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:58:23 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/74824/b706-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বাংলাদেশকে ৩০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থায়ন দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। গত ৬ নভেম্বর ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের নির্বাহী পরিচালকদের পর্ষদ এ অর্থায়নের অনুমোদন দেয়।</p><p>বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষায় প্রায় সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হলেও শিক্ষার মান এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১০ বছর বয়সী শিশুদের প্রায় ৫০ শতাংশ বয়সোপযোগী সহজ কোনো লেখা পড়ে তা বুঝতে পারে না। উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ মালয়েশিয়ায় এ হার ৪২ শতাংশ এবং ব্রাজিলে ৪৭ শতাংশ।</p><p>প্রাক্-প্রাথমিক দথেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২ কোটি ৬০ লাখ শিশুর পড়া, লেখা ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা বাড়াতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি সরকারের পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নেও সহায়তা দেবে সংস্থাটি।</p><p>বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় সক্ষম কর্মশক্তি গড়ে তোলার অন্যতম ভিত্তি মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা। গত দুই দশকে বাংলাদেশে প্রায় সব শিশুর বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ। নতুন এ অর্থায়ন শিশুদের শেখার মান বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যালয়ে তাদের ধরে রাখতে সহায়তা করবে। এর মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে ভালো কর্মসংস্থানের ভিত্তি তৈরি হবে।</p><p>বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ। সরকারি বিদ্যালয়, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) পরিচালিত স্কুল, কিন্ডারগার্টেন ও মাদ্রাসা মিলিয়ে এ ব্যবস্থায় ২ কোটির বেশি শিশু পড়াশোনা করছে।</p><p>বিশ্বব্যাংকের এ কর্মসূচির আওতায় শিশুদের মৌলিক সাক্ষরতা ও গণিতের দক্ষতা বাড়াতে বিশেষ শিক্ষা প্যাকেজ চালু করা হবে। এতে থাকবে শিক্ষণ উপকরণ, সুনির্দিষ্ট পাঠপরিকল্পনা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ। এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯০ শতাংশ প্রধান শিক্ষককে নেতৃত্ববিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং বিদ্যালয় পরিচালনা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।</p><p>বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও কর্মসূচিটির দলনেতা তাশমিনা রহমান বলেন, উন্নত কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের প্রথম ধাপ হলো শিক্ষার মৌলিক ভিত্তি শক্তিশালী করা। কোনো শিশু যাতে পিছিয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে এ কর্মসূচিতে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত শিক্ষা সহায়তা দেওয়া হবে। বিশেষ করে যেসব জেলার শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে রয়েছে, সেসব জেলায় এ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</p><p>তাশমিনা রহমান আরও বলেন, কর্মসূচির আওতায় শিক্ষকদের দক্ষতা ও বিদ্যালয়ের নেতৃত্বের মান উন্নয়ন, বাজেটের জবাবদিহিমূলক ব্যবহার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তথ্য-উপাত্তের কার্যকর প্রয়োগেও সহায়তা করা হবে।</p><p>এ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে তাঁরা শ্রেণিকক্ষে শিশুদের পড়া, লেখা ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা বাড়াতে কার্যকরভাবে পাঠদান করতে পারেন। পাশাপাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের মাধ্যমে শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তির আগেই শেখার উপযোগী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।</p><p>বিশ্বব্যাংকের প্রত্যাশা, এ কর্মসূচির ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ লাখ ৪৩ হাজার নতুন ও তুলনামূলক ভালো বেতনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।</p><p>বিশ্বব্যাংক গ্রুপের স্বল্প আয়ের দেশগুলোকে সহায়তাকারী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) মাধ্যমে এ অর্থায়ন দেওয়া হচ্ছে। ঋণটির মেয়াদ ২৫ বছর। এর মধ্যে পাঁচ বছর ঋণ পরিশোধে ছাড়ের সময় বা গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে।<br><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b706-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:54:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/education/74824/b706-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বাংলাদেশকে ৩০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থায়ন দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। গত ৬ নভেম্বর ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের নির্বাহী পরিচালকদের পর্ষদ এ অর্থায়নের অনুমোদন দেয়।</p><p>বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষায় প্রায় সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হলেও শিক্ষার মান এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১০ বছর বয়সী শিশুদের প্রায় ৫০ শতাংশ বয়সোপযোগী সহজ কোনো লেখা পড়ে তা বুঝতে পারে না। উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ মালয়েশিয়ায় এ হার ৪২ শতাংশ এবং ব্রাজিলে ৪৭ শতাংশ।</p><p>প্রাক্-প্রাথমিক দথেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২ কোটি ৬০ লাখ শিশুর পড়া, লেখা ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা বাড়াতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি সরকারের পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নেও সহায়তা দেবে সংস্থাটি।</p><p>বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় সক্ষম কর্মশক্তি গড়ে তোলার অন্যতম ভিত্তি মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা। গত দুই দশকে বাংলাদেশে প্রায় সব শিশুর বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ। নতুন এ অর্থায়ন শিশুদের শেখার মান বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যালয়ে তাদের ধরে রাখতে সহায়তা করবে। এর মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে ভালো কর্মসংস্থানের ভিত্তি তৈরি হবে।</p><p>বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ। সরকারি বিদ্যালয়, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) পরিচালিত স্কুল, কিন্ডারগার্টেন ও মাদ্রাসা মিলিয়ে এ ব্যবস্থায় ২ কোটির বেশি শিশু পড়াশোনা করছে।</p><p>বিশ্বব্যাংকের এ কর্মসূচির আওতায় শিশুদের মৌলিক সাক্ষরতা ও গণিতের দক্ষতা বাড়াতে বিশেষ শিক্ষা প্যাকেজ চালু করা হবে। এতে থাকবে শিক্ষণ উপকরণ, সুনির্দিষ্ট পাঠপরিকল্পনা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ। এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯০ শতাংশ প্রধান শিক্ষককে নেতৃত্ববিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং বিদ্যালয় পরিচালনা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।</p><p>বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও কর্মসূচিটির দলনেতা তাশমিনা রহমান বলেন, উন্নত কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের প্রথম ধাপ হলো শিক্ষার মৌলিক ভিত্তি শক্তিশালী করা। কোনো শিশু যাতে পিছিয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে এ কর্মসূচিতে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত শিক্ষা সহায়তা দেওয়া হবে। বিশেষ করে যেসব জেলার শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে রয়েছে, সেসব জেলায় এ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</p><p>তাশমিনা রহমান আরও বলেন, কর্মসূচির আওতায় শিক্ষকদের দক্ষতা ও বিদ্যালয়ের নেতৃত্বের মান উন্নয়ন, বাজেটের জবাবদিহিমূলক ব্যবহার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তথ্য-উপাত্তের কার্যকর প্রয়োগেও সহায়তা করা হবে।</p><p>এ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে তাঁরা শ্রেণিকক্ষে শিশুদের পড়া, লেখা ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা বাড়াতে কার্যকরভাবে পাঠদান করতে পারেন। পাশাপাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের মাধ্যমে শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তির আগেই শেখার উপযোগী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।</p><p>বিশ্বব্যাংকের প্রত্যাশা, এ কর্মসূচির ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ লাখ ৪৩ হাজার নতুন ও তুলনামূলক ভালো বেতনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।</p><p>বিশ্বব্যাংক গ্রুপের স্বল্প আয়ের দেশগুলোকে সহায়তাকারী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) মাধ্যমে এ অর্থায়ন দেওয়া হচ্ছে। ঋণটির মেয়াদ ২৫ বছর। এর মধ্যে পাঁচ বছর ঋণ পরিশোধে ছাড়ের সময় বা গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে।<br><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b706-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:54:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নয়াপল্টনের সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74823/868e-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p>অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে যোগ দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার বিকেল ৩টার একটু আগে সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।</p><p>সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শোভাযাত্রা শুরুর কথা রয়েছে।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">868e-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:49:53 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিচ্ছেদের গুঞ্জন, রোমান্টিক মুডে অভিষেক-ঐশ্বরিয়া]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/74822/8318-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক: </strong>অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রার দিওয়ালি পার্টিতে হাতে হাত রেখে হাজির হলেন তারকা দম্পতি ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চন। লাল গালিতে সোনালি পাড়ের উজ্জ্বল লাল শাড়িতে সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া এবং কালো শেরওয়ানিতে অভিষেক বচ্চন যেন পুরো অনুষ্ঠানের আলো কেড়ে নেন। তাদের এই জাদুকরী রসায়নের ছবি ও ভিডিও মুহূর্তের মধ্যেই ঝড়ের গতিতে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।</p><p>৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে বলিউডে দীপাবলির উৎসবের আমেজ ছিল চোখে পড়ার মতো । মনীশ মালহোত্রা তার বাড়িতে একটি জমকালো দীপাবলি পার্টির আয়োজন করেন। সেখানে বলিউডের অনেক বড় বড় তারকার উপস্থিতি ছিল। তবে সেই পার্টির সবচেয়ে আলোচিত তারকা ছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চন।</p><p>তবে এ তারকা দম্পতি হাতে হাত ধরে প্রবেশ করেন। মুহূর্তের মধ্যে তাদের রসায়ন সবার নজর কেড়ে নেন। উজ্জ্বল লাল শাড়িতে সজ্জিত ঐশ্বরিয়া তার স্বামী অভিষেকের হাত ধরে ভালোবাসার ভঙ্গিতে পোজ দেন। এতদিন পর এ জুটিকে একসঙ্গে দেখে ভক্ত-অনুরাগীরা উচ্ছ্বসিত। সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে তাদের দুজনের ছবি ভাইরাল হয়ে পড়ে।</p><p>ঐশ্বরিয়াকে কখনো অভিষেকের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকতে, আবার কখনো তার বাহুডোরে থেকে হাসতে দেখা গেছে। এই বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য সাবেক বিশ্বসুন্দরী সোনালি সুতায় সূক্ষ্ম কারুকার্য করা একটি উজ্জ্বল লাল শাড়ি বেছে নিয়েছিলেন। লাল লিপস্টিক ও ঐতিহ্যবাহী পোশাকে অভিনেত্রীকে অসাধারণ লাগছিল। অন্যদিকে অভিষেক বচ্চনকে কালো শেরওয়ানিতে সুন্দর দেখাচ্ছিল।</p><p>এ তারকা দম্পতির ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসা মাত্রই নেটিজেনসহ ভক্ত-অনুরাগীদের মন্তব্যে ভরে যায়। তাদের একসঙ্গে হাত ধরে হাসতে দেখে ভক্ত-অনুরাগীরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।</p><p>তাদের দেখে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, তাদের ওপর যেন কুদৃষ্টি না পড়ে। আরেক নেটিজেন প্রশংসা করে লিখেছেন, বহু বছর পর এমন দৃশ্য দেখলাম।</p><p>অনেকেই ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের লাল শাড়ির সাজও পছন্দ করেছেন। এতদিন পর এ তারকা জুটির এমন ছবি দেখে ভক্ত-অনুরাগীরা বলছেন, তাদের এভাবেই একসঙ্গে সুখী থাকা উচিত।</p><p>এর আগে বেশি কিছু দিন ধরেই তাদের বিবাহিত জীবন নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনার গুঞ্জন ওঠে। সামাজিক মাধ্যমে তাদের মধ্যে মতবিরোধ ও বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনাও ওঠে। তবে কেউ-ই আনুষ্ঠানিকভাবে এ খবর নিশ্চিত করেননি।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8318-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:42:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইতিহাস গড়ে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি, লিডের পথে টাইগাররা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/74821/6e73-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টে পুরো মোমেন্টামই ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে। ১৭২ রানে পিছিয়ে থাকাবস্থায় বাংলাদেশ সাত উইকেট হারিয়ে বসে। সাদমান ইসলামের ইনজুরিতে হাতে ছিল স্রেফ ২ উইকেট। সেখান থেকে বাংলাদেশকে কেবল লিডের আশা দেখিয়েই থামেননি, রেকর্ডগড়া ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিও তুলে নিয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। বাংলাদেশের চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে তিনি দ্বিশতক করেছেন।</p><p><br>তবে বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে টেস্টে প্রথম সেঞ্চুরির ইনিংসে সর্বোচ্চ ১৮১ রানের রেকর্ড ছিল মুমিনুল হকের। তাকে ছাড়িয়ে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকে হৃদয় দ্বিশতকে পূর্ণ করলেন। এর আগে তিন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের ব্যাটে পাঁচটি ডাবল সেঞ্চুরি হয়েছিল। তাদের মধ্যে মুশফিকুর রহিম তিনটি, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল করেন একটি করে। সেই তালিকায় নতুন নাম তাওহীদ হৃদয়।<br>এর আগে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথমবার টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন ২৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার। এর আগে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ছিল বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান জয়ের ১৭১ ও শ্রীলঙ্কান ব্যাটার কামিন্দু মেন্ডিসের ১৬৪।</p><p>তবে উইন্ডিজদের বিপক্ষে টেস্টে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটার ১৫০ রানও পার করতে পারেননি। হৃদয় প্রথমবার সেই সীমা টপকে দ্বিশতক পূর্ণ করলেন। ৩০৪ বলে তিনি নিজের অবিশ্বাস্য ডাবল সেঞ্চুরির ইনিংস সাজিয়েছেন ১৯টি চার ও ৭টি ছক্কায়। এখন বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে। ক্যারিবীয়রা এখনও এগিয়ে আছে ১০ রানে।</p><p><br>অষ্টম উইকেটে তাইজুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ১১৭ রানের জুটি গড়েছিলেন হৃদয়। যা টেস্টে ওই উইকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। সর্বোচ্চ ১৪৪ রানের জুটি আছে মুশফিকুর রহিম ও মেহেদি হাসান মিরাজের। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওই রেকর্ড জুটি হয়েছিল।</p><p>এটিভি/ এইচকে</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6e73-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:28:00 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইতিহাস গড়ে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি, লিডের পথে টাইগাররা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Cricket/74821/6e73-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টে পুরো মোমেন্টামই ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে। ১৭২ রানে পিছিয়ে থাকাবস্থায় বাংলাদেশ সাত উইকেট হারিয়ে বসে। সাদমান ইসলামের ইনজুরিতে হাতে ছিল স্রেফ ২ উইকেট। সেখান থেকে বাংলাদেশকে কেবল লিডের আশা দেখিয়েই থামেননি, রেকর্ডগড়া ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিও তুলে নিয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। বাংলাদেশের চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে তিনি দ্বিশতক করেছেন।</p><p><br>তবে বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে টেস্টে প্রথম সেঞ্চুরির ইনিংসে সর্বোচ্চ ১৮১ রানের রেকর্ড ছিল মুমিনুল হকের। তাকে ছাড়িয়ে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকে হৃদয় দ্বিশতকে পূর্ণ করলেন। এর আগে তিন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের ব্যাটে পাঁচটি ডাবল সেঞ্চুরি হয়েছিল। তাদের মধ্যে মুশফিকুর রহিম তিনটি, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল করেন একটি করে। সেই তালিকায় নতুন নাম তাওহীদ হৃদয়।<br>এর আগে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথমবার টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন ২৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার। এর আগে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ছিল বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান জয়ের ১৭১ ও শ্রীলঙ্কান ব্যাটার কামিন্দু মেন্ডিসের ১৬৪।</p><p>তবে উইন্ডিজদের বিপক্ষে টেস্টে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটার ১৫০ রানও পার করতে পারেননি। হৃদয় প্রথমবার সেই সীমা টপকে দ্বিশতক পূর্ণ করলেন। ৩০৪ বলে তিনি নিজের অবিশ্বাস্য ডাবল সেঞ্চুরির ইনিংস সাজিয়েছেন ১৯টি চার ও ৭টি ছক্কায়। এখন বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে। ক্যারিবীয়রা এখনও এগিয়ে আছে ১০ রানে।</p><p><br>অষ্টম উইকেটে তাইজুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ১১৭ রানের জুটি গড়েছিলেন হৃদয়। যা টেস্টে ওই উইকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। সর্বোচ্চ ১৪৪ রানের জুটি আছে মুশফিকুর রহিম ও মেহেদি হাসান মিরাজের। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওই রেকর্ড জুটি হয়েছিল।</p><p>এটিভি/ এইচকে</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6e73-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:28:00 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74820/24ff-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। ৭ নভেম্বর শনিবার মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। সবার বাড়ি চট্টগ্রাম অঞ্চলে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।</p><p>নিহত ৭ জনই আল আবীর কোল্ড স্টোরস ট্রেডিং কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।</p><p>প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কোম্পানির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। এ ছাড়া একই দুর্ঘটনায় কোম্পানির ফর্কলিফট চালক ইলিয়াসের স্ত্রী নিহত হয়েছেন।</p><p>এছাড়া মক্কায় কর্মরত কোম্পানির স্টোরকিপার আলমশাহ ও তার এক মাস বয়সী শিশুকন্যাও দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে।</p><p>একই পরিবারের একাধিক সদস্যসহ ৭ বাংলাদেশির প্রাণহানির ঘটনায় সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।</p><p>তবে দুর্ঘটনার কারণ, সময় ও স্থান সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">24ff-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:20:08 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/immigrant/74820/24ff-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। ৭ নভেম্বর শনিবার মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। সবার বাড়ি চট্টগ্রাম অঞ্চলে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।</p><p>নিহত ৭ জনই আল আবীর কোল্ড স্টোরস ট্রেডিং কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।</p><p>প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কোম্পানির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। এ ছাড়া একই দুর্ঘটনায় কোম্পানির ফর্কলিফট চালক ইলিয়াসের স্ত্রী নিহত হয়েছেন।</p><p>এছাড়া মক্কায় কর্মরত কোম্পানির স্টোরকিপার আলমশাহ ও তার এক মাস বয়সী শিশুকন্যাও দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে।</p><p>একই পরিবারের একাধিক সদস্যসহ ৭ বাংলাদেশির প্রাণহানির ঘটনায় সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।</p><p>তবে দুর্ঘটনার কারণ, সময় ও স্থান সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">24ff-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:20:08 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জামালপুরে ট্রাকচাপায় নিহত ৪, একই পরিবারের ৩ জন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/74818/0cf8-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি : </strong>জামালপুরের মেলান্দহে ট্রাকচাপায় অটোরিকশায় থাকা একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ জনে দাঁড়িয়েছে।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের বুরুঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ.টি.এম. মাহমুদুল হক।</p><p>নিহতরা হলেন- ইসলামপুর উপজেলার ইন্দুল্লামারি এলাকার মোর্শেদ আলম (২৫), তার স্ত্রী ইকরামা (২০), তাদের ৮ মাস বয়সী শিশু সন্তান রিফা এবং মোটরসাইকেল আরোহী শওকত হাসান লিখন (৪৫)।</p><p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে মেলান্দহ উপজেলার শিমুলতলী থেকে যাত্রী নিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা জামালপুরের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে জামালপুর থেকে মেলান্দহের দিকে যাচ্ছিল একটি মোটরসাইকেল। এ সময় জামালপুরগামী ট্রাকটির সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল চালক শওকত হাসান লিখন ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। এরপর ট্রাকটি পেছন থেকে যাত্রীবাহী অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশায় থাকা একই পরিবারের মোর্শেদ আলম, তার স্ত্রী ইকরামা ও তাদের ৮ মাস বয়সী শিশু সন্তান রিফা ঘটনাস্থলেই নিহত হন।</p><p>পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। গুরুতর আহত মোটরসাইকেল চালক শওকত হাসান লিখনকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><p>এ ছাড়া দুর্ঘটনায় আহত অটোরিকশাচালক হযরত আলী (৪২) ও যাত্রী শাকিল (১৬) কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।</p><p>মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ.টি.এম. মাহমুদুল হক বলেন, দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। হাসপাতালে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0cf8-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:16:30 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[৭ নভেম্বর ছিল স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক দিন: রিজভী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74817/4114-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা স্বাধীনতা রক্ষা ও হারানো গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল। জাতীয় জীবনের এই ঐতিহাসিক দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>রুহুল কবির রিজভী বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তৎকালীন ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী নিজ স্বার্থে জাতীয় স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়। মত প্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে একদলীয় ব্যবস্থা গঠন করে দুঃশাসন চালু করা হয়। দেশের সব বিরোধী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে, একটি মাত্র রাজনৈতিক দল বাকশাল গঠন করা হয়। ভিন্নমতাবলম্বী সংবাদপত্রও নিষিদ্ধ করা হয়। ফলে দেশে চরম অশান্তি ও নৈরাজ্য নেমে আসে।</p><p>তিনি আরও বলেন, মাতৃভূমির এমন সংকটকালে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর চক্রান্তকারীরা মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করে। এ শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর স্বজাতির স্বাধীনতা রক্ষায় অকুতোভয় দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার ঢলে রাজপথে এক অনন্য সংহতির স্ফুরণ ঘটে এবং জিয়াউর রহমান মুক্ত হন।</p><p>রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই পট পরিবর্তনে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী সত্তা লাভ করে। গণতন্ত্র অর্গলমুক্ত হয় এবং জনগণ নাগরিক স্বাধীনতা ফিরে পায়। এ দিন থেকেই বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথচলা শুরু হয়। মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে আসে। দেশে উৎপাদন ও সমৃদ্ধির প্রবাহ শুরু হয়। স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থনীতির ভিত রচিত হয় এবং দেশ স্বনির্ভর হয়ে ওঠে।</p><p>তিনি আরও বলেন, বিদেশি শক্তির এদেশীয় অনুচররা নিজেদের উদ্দেশ্য সাধনের পথে কাঁটা মনে করে ১৯৮১ সালে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। তিনি শাহাদাতবরণ করলেও তার আদর্শে বলীয়ান মানুষ দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে রক্ষায় এখনো দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।</p><p>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা চিরতরে উচ্ছেদ করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নির্দয়ভাবে ব্যবহার করে। গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের সংস্কৃতি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়। তাদের নিষ্ঠুর নির্যাতনের পাশাপাশি লাখ লাখ নেতাকর্মীসহ ‘গণতন্ত্রের প্রতীক’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়।</p><p>এ সময় রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, ছাত্র-জনতার সাহসী প্রতিরোধের মুখে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয় এবং ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ঘটে। জুলাই বিপ্লবের অন্তর্নিহিত শক্তিই ছিল ৭ নভেম্বরের চেতনা। তাই আজও ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের গুরুত্ব অপরিসীম। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4114-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:12:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[৭ নভেম্বর ছিল স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক দিন: রিজভী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/BNP/74817/4114-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা স্বাধীনতা রক্ষা ও হারানো গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল। জাতীয় জীবনের এই ঐতিহাসিক দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>রুহুল কবির রিজভী বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তৎকালীন ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী নিজ স্বার্থে জাতীয় স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়। মত প্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে একদলীয় ব্যবস্থা গঠন করে দুঃশাসন চালু করা হয়। দেশের সব বিরোধী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে, একটি মাত্র রাজনৈতিক দল বাকশাল গঠন করা হয়। ভিন্নমতাবলম্বী সংবাদপত্রও নিষিদ্ধ করা হয়। ফলে দেশে চরম অশান্তি ও নৈরাজ্য নেমে আসে।</p><p>তিনি আরও বলেন, মাতৃভূমির এমন সংকটকালে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর চক্রান্তকারীরা মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করে। এ শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর স্বজাতির স্বাধীনতা রক্ষায় অকুতোভয় দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার ঢলে রাজপথে এক অনন্য সংহতির স্ফুরণ ঘটে এবং জিয়াউর রহমান মুক্ত হন।</p><p>রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই পট পরিবর্তনে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী সত্তা লাভ করে। গণতন্ত্র অর্গলমুক্ত হয় এবং জনগণ নাগরিক স্বাধীনতা ফিরে পায়। এ দিন থেকেই বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথচলা শুরু হয়। মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে আসে। দেশে উৎপাদন ও সমৃদ্ধির প্রবাহ শুরু হয়। স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থনীতির ভিত রচিত হয় এবং দেশ স্বনির্ভর হয়ে ওঠে।</p><p>তিনি আরও বলেন, বিদেশি শক্তির এদেশীয় অনুচররা নিজেদের উদ্দেশ্য সাধনের পথে কাঁটা মনে করে ১৯৮১ সালে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। তিনি শাহাদাতবরণ করলেও তার আদর্শে বলীয়ান মানুষ দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে রক্ষায় এখনো দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।</p><p>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা চিরতরে উচ্ছেদ করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নির্দয়ভাবে ব্যবহার করে। গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের সংস্কৃতি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়। তাদের নিষ্ঠুর নির্যাতনের পাশাপাশি লাখ লাখ নেতাকর্মীসহ ‘গণতন্ত্রের প্রতীক’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়।</p><p>এ সময় রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, ছাত্র-জনতার সাহসী প্রতিরোধের মুখে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয় এবং ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ঘটে। জুলাই বিপ্লবের অন্তর্নিহিত শক্তিই ছিল ৭ নভেম্বরের চেতনা। তাই আজও ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের গুরুত্ব অপরিসীম। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4114-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:12:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74816/c14a-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে তাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।</p><p>রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c14a-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:07:48 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হোয়াইট হাউসের কাছে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক ১]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74815/e24b-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>হোয়াইট হাউসের কাছে চুরি করা গাড়িতে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্রসহ ভেনেজুয়েলার এক নাগরিককে আটক করেছে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা সিক্রেট সার্ভিস। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তর।</p><p>আটক ব্যক্তির নাম রনি গুয়ানিপা-ক্রিনোস। আদালতে জমা দেওয়া অভিযোগপত্র অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মধ্যরাতের কিছু আগে হোয়াইট হাউসের কাছের কনস্টিটিউশন অ্যাভিনিউয়ে টহল দেওয়ার সময় একটি নীল রঙের ফোর্ড এফ-১৫০ গাড়ি দেখতে পান সিক্রেট সার্ভিসের এক কর্মকর্তা। গাড়িটির কাছে গিয়ে চালকের কাছে অস্ত্র আছে কি না জানতে চাইলে তিনি মাথা নেড়ে সম্মতি জানান এবং আঙুল দিয়ে বন্দুকের ইশারা করেন।</p><p>পরে গাড়ি থেকে নামার পর তিনি তদন্তকারীদের জানান, অন্যরা তাকে অস্ত্র দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছিল। তাই তিনি অস্ত্রটি নিয়ে নিয়েছেন। গাড়ির ভেতরে বাদামি রঙের একটি ব্যাগে অস্ত্রটি রাখা আছে বলেও জানান তিনি।</p><p>তল্লাশি চালিয়ে গাড়ি থেকে একটি ম্যাক-১০ স্বয়ংক্রিয় পিস্তল, একটি গ্লক-৪৩এক্স পিস্তল এবং একটি এআর-১৫ রাইফেল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া কয়েক ডজন গুলি পাওয়া গেছে। গাড়িটি চুরি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, রনি কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, তার মাথার ভেতর থেকে আওয়াজ আসছিল, তাকে ওয়াশিংটনে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যা করতে হবে। তবে আদালতে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে তার এমন বক্তব্যের উল্লেখ নেই।</p><p>এ ঘটনায় গাড়ির অননুমোদিত ব্যবহার, চোরাই সম্পদ গ্রহণ, বৈধ অনুমতি ছাড়া পিস্তল ও রাইফেল বহনসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।</p><p>শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ওয়াশিংটনের একটি আদালতে প্রথমবারের মতো হাজির করা হয় তাকে। আদালতের নথি অনুযায়ী, জামিন ছাড়াই তাকে আটক রাখা হয়েছে।</p><p><br>যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, রনি গুয়ানিপা-ক্রিনোস দেশটিতে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থান করছিলেন। ২০২৪ সালে টেক্সাস সীমান্ত দিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন।</p><p>সূত্র: এবিসি নিউজ</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e24b-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 14:39:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রণোদনা পাবেন ১৪ লাখ ৬০ হাজার কৃষক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/74814/f09d-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>২০২৬-২৭ অর্থবছরে রবি মৌসুমে ৭টি ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বাড়াতে দেশের ১৪ লাখ ৬০ হাজার কৃষককে প্রণোদনা দেবে সরকার।</p><p>এ কর্মসূচির আওতায় সরিষা, চিনাবাদাম, সয়াবিন, মুগ, মসুর, খেসারি ও অড়হর চাষের জন্য কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার দেওয়া হবে। এ জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৯৮ কোটি ৮৯ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>গত ২ নভেম্বর কৃষি মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ (জিও) জারি করেছে। মন্ত্রণালয়ের উপকরণ-২ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ স্বাক্ষরিত আদেশে প্রণোদনা কর্মসূচির অর্থ বরাদ্দ, উপকারভোগী নির্বাচন, উপকরণ বিতরণ ও বাস্তবায়নের বিভিন্ন শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>সরকারি আদেশ অনুযায়ী, ৭টি ফসলের মধ্যে কৃষককে সবচেয়ে বেশি সহায়তা দেওয়া হবে সরিষা চাষে। এ খাতে ১২ লাখ ৯০ হাজার কৃষকের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৪২ কোটি ২৪ লাখ টাকার পরিবর্তে ৬৪২ দশমিক ২৪ লাখ টাকা, অর্থাৎ ৬ কোটি ৪২ লাখ ২৪ হাজার টাকা।</p><p>চিনাবাদাম চাষে ৩৫ হাজার কৃষকের জন্য ৩ কোটি ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা, সয়াবিনে ৩০ হাজার কৃষকের জন্য ৯৮ লাখ টাকা, মুগে ৩০ হাজার কৃষকের জন্য ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, মসুরে ২০ হাজার কৃষকের জন্য ২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, খেসারিতে ২০ হাজার কৃষকের জন্য ৩ কোটি ১৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা ও অড়হরে পাঁচ হাজার কৃষকের জন্য ৩৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।</p><p>আদেশে বলা হয়েছে, কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাত থেকে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। জেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটি বরাদ্দ অনুযায়ী উপজেলা পর্যায়ে অর্থ বণ্টন করবে।</p><p>পরে উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটি স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকৃত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক নির্বাচন করে উপকারভোগীদের তালিকা চূড়ান্ত করবে।</p><p>একজন কৃষক পরিবারকে ৭টি ফসলের মধ্যে যেকোনো একটির জন্য প্রণোদনা দেওয়া যাবে। একই কৃষক পরিবারকে একাধিক ফসলের জন্য এ সহায়তা দেওয়া যাবে না।</p><p>একজন কৃষক এক বিঘা জমির জন্য সরিষার এক কেজি, চিনাবাদামের ১০ কেজি, সয়াবিনের চার কেজি, মুগের দুই কেজি, মসুরের তিন কেজি, খেসারির আট কেজি অথবা অড়হরের দুই কেজি বীজ পাবেন।</p><p>সার বিতরণের ক্ষেত্রেও ফসলভিত্তিক পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। সরিষা ও সয়াবিনের ক্ষেত্রে ১০ জন কৃষকের একটি পুলের জন্য ১০ কেজির এক বস্তা ডিএপি ও ১০ কেজির এক বস্তা এমওপি সার দেওয়া হবে।</p><p>চিনাবাদাম, মুগ, মসুর ও খেসারি চাষের ক্ষেত্রে ১০ জনের একটি পুলে ২০ কেজির দুই বস্তা ডিএপি ও ১০ কেজির এক বস্তা এমওপি সার বরাদ্দ থাকবে। অড়হর চাষের ক্ষেত্রেও ১০ জনের একটি পুলের জন্য একই পরিমাণ সার দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।</p><p>কর্মসূচির আওতায় ১০ জন কৃষককে নিয়ে পুল গঠন করে পাশাপাশি ১০ বিঘা বা তার বেশি জমিতে একটি ব্লকভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। কৃষক নির্বাচন ও উপকরণ বিতরণের ক্ষেত্রে নতুন আবাদ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে, এমন এলাকাকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে।</p><p>উপকরণ বিতরণের সময় কৃষকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে। কৃষি কার্ডে সহায়তার বিবরণ লিখতে হবে। উপকরণ গ্রহণের প্রমাণ হিসেবে কৃষকের স্বাক্ষর বা টিপসই নিতে হবে। তালিকাভুক্ত কৃষক ছাড়া অন্য কাউকে এসব উপকরণ দেওয়া যাবে না। কৃষককে নিজে উপস্থিত হয়ে উপকরণ গ্রহণ করতে হবে।</p><p>সরকারি আদেশে আরও বলা হয়েছে, উপকারভোগী কৃষকদের তালিকা জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। উপকরণ বিতরণ শেষ হওয়ার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে এবং ফসল কর্তন শেষ হওয়ার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।</p><p>কর্মসূচির অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় আইন ২০০৬ (পিপিএ) ও সরকারি ক্রয় বিধিমালা ২০২৫ (পিপিআর) অনুসরণসহ প্রচলিত আর্থিক বিধিবিধান প্রতিপালন করতে হবে। বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা যাবে না।</p><p>প্রণোদনা কার্যক্রমের অর্থ ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব ও অব্যয়িত অর্থ ফেরতের চালানের অনুলিপি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাঠাতে হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এ কর্মসূচিতে অগ্রিম উত্তোলিত অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৭-এর মধ্যে সমন্বয় করতে হবে।</p><p>এ ছাড়া কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা বীজ ও সারের মান নিশ্চিত করা, উপকরণ বিতরণ ও অর্থ ব্যয়ের পুরো প্রক্রিয়া নিয়মিত পরিবীক্ষণ এবং চলমান অন্যান্য পুনর্বাসন কর্মসূচির সঙ্গে যাতে দ্বৈততা সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f09d-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 14:14:31 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর শোভাযাত্রা, নয়াপল্টনে কঠোর নিরাপত্তা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74813/4bb5-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।</p><p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠেয় এ কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। একই সঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এমন চিত্র দেখা যায়। সেখানে এসআরবি, পিজিআর, পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন।</p><p>পাশাপাশি, স্টেজের আশপাশে ডগ স্কোয়াডসহ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সড়কে ব্যারিকেড বসিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।</p><p>আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিরাপত্তার স্বার্থে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যেন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।</p><p>আজ (৭ নভেম্বর) দুপুর দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর বিকেল ৩টায় তার নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হওয়ার কথা রয়েছে।</p><p>দলীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে কাকরাইল মোড়, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।</p><p>এর আগে, ৬ নভেম্বর শুক্রবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শোভাযাত্রার রুটের বিস্তারিত জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4bb5-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 14:06:02 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা বাড়ল]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74812/ab55-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>গ্রাম পুলিশের বেতন, আনুতোষিক ভাতা, যাতায়াত ভাতা বাড়ানোর পাশাপাশি মোবাইল ভাতা দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ ঘোষণা দেন।</p><p>তিনি জানান, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর থেকেই সরকারের এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>প্রধানমন্ত্রী জানান, আজকে থেকে গ্রাম পুলিশের মাসিক বেতন ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা বাড়িয়ে ১০ হাজার ৫০০ টাকা, গ্রাম পুলিশ প্রধানের মাসিক বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যদের অবসরকালীন আনুতোষিকের পরিমাণ ৭০ হাজার টাকার পরিবর্তে ৮০ হাজার এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানদের জন্য ৮০ হাজার টাকার পরিবর্তে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-11-07a_n17940375367204.jpg"></figure><p>তিনি আরও জানান, গ্রাম পুলিশ প্রধানের যাতায়াত ভাতা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এখন থেকে গ্রাম পুলিশকে প্রতি মাসে ১৫০ টাকা করে মোবাইল ভাতা দেওয়ার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।</p><p>মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তৃণমূল পর্যায়ে কোথায় কী ঘটছে, কারা কোন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হচ্ছে কিংবা কোথাও পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনের সুবাদে আগেভাগেই কিছু তথ্য জানতে পারেন। এসব তথ্য যথাসময়ে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে জানালে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।</p><p>তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রাম ও ইউনিয়ন নিরাপদ থাকলে বাংলাদেশও নিরাপদ থাকবে। তৃণমূল জনগোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি ও স্বস্তি বজায় থাকলে তার ইতিবাচক প্রভাব পুরো দেশেই পড়বে। তাই স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহরায়ন ও নগরায়ন বাড়লেও দেশের অধিকাংশ মানুষের শিকড় এখনো গ্রামকেন্দ্রিক। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে গ্রামীণ জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ফলে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-11-07a_n17940375475747.jpg"></figure><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে শুধু রাজনৈতিক ব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, রাষ্ট্র ও সমাজেও ব্যাপক সামাজিক অবক্ষয় ঘটেছিল। পরিকল্পিতভাবে হীনস্বার্থ ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব উসকে দিয়ে দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের মূল্যবোধ বিনষ্ট করা হয়েছিল। এমনকি বিভিন্ন জায়গায় পরিবারে পরিবারেও বিরোধ ও বিবাদ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। তৃণমূল পর্যায়েও প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।</p><p>এ ধরনের সামাজিক পরিস্থিতির উন্নয়নে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার সংস্কৃতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। সমাজে এসব মূল্যবোধ পুনর্জীবিত হলে সামাজিক অপরাধের মাত্রা অনেকাংশে কমে আসবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি হিসেবে গ্রাম পুলিশের কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ab55-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 13:45:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ৭ নভেম্বর: ববি হাজ্জাজ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74811/6b7c-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের তাৎপর্যপূর্ণ মোড় বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।</p><p>তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যেমন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছে, তেমনি ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরও দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। জাতীয় ইতিহাসের এসব গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে হবে। এজন্য ইতিহাসচর্চা ও পাঠ্যবইয়ে যথাযথ আলোচনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ আয়োজিত বার্ষিক সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।</p><p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর ইতিহাস নয়; এটি আমাদের দেশের, আমাদের জাতির এবং আমাদের পরিচয়ের ইতিহাস। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে একজন বাংলাদেশির প্রথম পরিচয় বাংলাদেশ। তাই নিজের দেশ, দেশের জন্ম, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। নতুন প্রজন্ম যেন দেশের ইতিহাস সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।</p><p>শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে ববি হাজ্জাজ বলেন, সন্তানদের ভালোবাসা ও সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ তৈরি করতে হবে। অতিরিক্ত সুরক্ষার নামে শিশুদের স্বাভাবিক খেলাধুলা, বাইরের পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং স্বাধীনভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ সীমিত করা উচিত নয়। শিশুদের সুস্থ বিকাশে খেলাধুলা, প্রকৃতির সংস্পর্শ এবং সামাজিক পরিবেশের সঙ্গে মেলামেশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>তিনি আরও বলেন, সন্তানদের ভবিষ্যৎ গঠনে অভিভাবকদের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও নিজস্ব চিন্তার বিকাশে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।</p><p>মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। এ সময় কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6b7c-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 13:33:22 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৫৫৫, মামলা ৫০টি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/74810/0c14-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫৫ জনকে গ্রেফতার ও ৫০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় ৬ নভেম্বর শুক্রবার অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ এদেরকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>এতে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ ৩৭, লালবাগ বিভাগ ৬০, ওয়ারী বিভাগ ৬২, মতিঝিল বিভাগ ৭১, তেজগাঁও বিভাগ ৮২, মিরপুর বিভাগ ১৩৮, গুলশান বিভাগ ৫২, উত্তরা বিভাগ ৪২ ও গোয়েন্দা বিভাগ ১১ জনকে গ্রেফতার করে।</p><p>অভিযানকালে ৬৮ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা, ৪ হাজার ৭১১পিস ইয়াবা, দুইটি স্বর্ণের চেইন, একটি প্রাইভেটকার, একটি মিশুক গাড়ী, আটটি মোবাইল ফোন, নগদ ২ হাজার ৮০০ টাকা ও একজন ভিকটিম উদ্ধার করা হয়।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0c14-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 13:25:06 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[তানজিন তিশা ও অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/74809/3a21-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক:</strong> অভিনেত্রী তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ।</p><p>শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যকার এ বিরোধ এবার গড়িয়েছে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে। বিরোধ মীমাংসায় একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।</p><p>গত ৪ অক্টোবর দুই অভিনেত্রীর কাছে পাঠানো পৃথক চিঠিতে সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, গত ৭ জুলাই তানজিন নাহার তিশা ও সামিয়া আক্তার অথৈকে সদস্যপদ স্থগিতের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে তাদের কেউই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংগঠনের কার্যালয়ে ওই নোটিশের লিখিত জবাব জমা দেননি।</p><p>চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি নিয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সালিস বা বিবাদ মীমাংসাকরণ বৈঠকে আলোচনা হয়। সেখানে গৃহীত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের নিয়মিত সভায় দুই অভিনেত্রীর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><p>চিঠি দুটিতে স্বাক্ষর করেছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা মিঠু।</p><p>বিষয়টি নিয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু বলেন, অভিনয়শিল্পী সংঘের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য একটি সালিস কমিটি আছে, যা সার্বভৌম এবং স্বাধীন। আমরা চেয়েছিলাম, তারা নিজেদের মধ্যে ভুল–বোঝাবুঝি দূর করে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো। ঘটনার পর থেকেই আমরা দুই শিল্পীর সঙ্গে একাধিকবার বসেছি। তাদের বক্তব্য শুনেছি, বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করেছি। উদ্ভূত ঘটনার পরিস্থিতিতে তাদের দুজনকেই সালিসের জন্য ডাকা হয়। সেখানে দুটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p><p>তিনি বলেন, একটি হচ্ছে তারা ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দেবেন এবং একটি ভিডিও বার্তা পাঠাবেন। সেটা আমরা প্রকাশ করব কি করব না, এটা একান্তই সংগঠনের নিজস্ব ব্যাপার ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দুটি সিদ্ধান্তের কোনোটাই তারা মানেননি এবং তাদেরকে পরপর দুটি চিঠি দেওয়ার পরও তারা চিঠির কোনো সদুত্তর দেননি এবং চিঠিগুলো ফেরত আসে। পরবর্তীতে তাদের ফোনও করা হয়, কিন্তু ফোনের কোনো সদুত্তর না পাওয়ায় দীর্ঘ বিরতির পর সালিস কমিটি বাধ্য হয়ে ইসি কমিটিকে তাদের সদস্যপদ বাতিলের জন্য সুপারিশ করে। পরে ইসি কমিটি সভায় এটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।</p><p>রাশেদ মামুন অপু আরও জানান, বিরোধ নিষ্পত্তিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দুই পক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।</p><p><strong>তিশা-অথৈর বিরোধ যেভাবে শুরু হয়েছিল</strong></p><p>ঘটনার সূত্রপাত গত ৩ মার্চ। মানিকগঞ্জে পরিচালক রাফাত মজুমদারের একটি নাটকের শুটিং চলাকালে তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে এসে তিশার বিরুদ্ধে মারধর ও অপদস্থ করার অভিযোগ তোলেন সামিয়া।</p><p>অথৈর অভিযোগ, নাটকের একটি দৃশ্যে তাকে তিশাকে আলতো করে চড় মারতে বলা হয়েছিল। পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি সেটিই করেন। কিন্তু এরপর তিশা তাকে একাধিকবার জোরে চড় মারেন। এতে তার চোখ ও গাল ফুলে যায় এবং কথা বলতেও সমস্যা হয় বলে দাবি করেন অভিনেত্রী। এ ছাড়া আগেও তিশার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।</p><p>অন্যদিকে, সামিয়ার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে তানজিন তিশা বলেন, শুটিং সেটে যা ঘটেছে, তা সম্পূর্ণই চিত্রনাট্য ও চরিত্রের প্রয়োজনে। ব্যক্তিগত কোনো আক্রোশ থেকে তিনি সামিয়াকে আঘাত করেননি।</p><p>তিশা জানান, নাটকটিতে তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন এক কিশোরীর চরিত্রে অভিনয় করছেন। চরিত্রটির আচরণের অংশ হিসেবে অন্যকে আঘাত করা কিংবা কামড় দেওয়ার মতো দৃশ্য রয়েছে। ফলে অভিনয়ের প্রয়োজনে চিত্রনাট্যে যেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেভাবেই কাজ করেছেন তিনি। নাটকটি মুক্তি পেলে দর্শক পুরো বিষয়টি বুঝতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি ঘটনাটিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবে না দেখে পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে বিবেচনা করার আহ্বান জানান।</p><p>নাটকটির পরিচালক রাফাত মজুমদারও বিষয়টিকে ভুল–বোঝাবুঝি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তার বক্তব্য ছিল, দৃশ্যটিতে দুজনেরই পরস্পরকে চড় মারার কথা ছিল। অভিনয়ের সময় কোনো চড় জোরে লেগে যাওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে থাকতে পারে।</p><p>এদিকে দুই অভিনেত্রীর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরদিনই বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি দেয় অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ। এতে সংগঠনটি জানায়, কোনো সদস্যের সঙ্গে পেশাগত জটিলতা কিংবা মতভেদ তৈরি হলে তা সংশ্লিষ্ট সংগঠনকে না জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা আচরণবিধির পরিপন্থী।</p><p>সংগঠনটির মতে, কোনো ঘটনার একতরফা উপস্থাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অভিনয়শিল্পীদের সামগ্রিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ধরনের বিরোধ প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্য দিয়েই সমাধান করা উচিত। একই সঙ্গে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ারও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।</p><p>এরপর দুই অভিনেত্রীর বিরোধ মীমাংসায় সালিস ও আলোচনার উদ্যোগ নেয় সংগঠনটি। তবে একাধিকবার বৈঠক ও যোগাযোগের চেষ্টা করেও সমঝোতা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু। সর্বশেষ কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়া এবং সালিস বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করার বিষয়টি সামনে রেখে তাদের সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় কার্যনির্বাহী পরিষদ।</p><p>তবে সদস্যপদ স্থগিতের চিঠিতে শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আলাদা কোনো সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়নি।</p><p>সংগঠনটির দেওয়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এ সিদ্ধান্ত মূলত সাংগঠনিক প্রক্রিয়া, কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়া এবং সালিস কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3a21-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 13:09:10 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74808/4b6f-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>তৃণমূলে আইন প্রয়োগকারী বাহিনী গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার বেলা পৌনে ১২টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।</p><p>সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেই সারাদেশ থেকে আসা গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে করতে মূল মঞ্চে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।</p><p>মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ।</p><p>পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4b6f-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 12:49:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মার্কিন দূতাবাসের নতুন সতর্কবার্তা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74807/f11e-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণকারী কোনো বিদেশি নাগরিক যদি চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে সরকারের কোনো আর্থিক সহায়তা বা অনুদান নেন, তবে তা ভিসার অপব্যবহার হিসেবে গণ্য করা হবে। এমনকি এই ভুলের কারণে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে স্থায়ীভাবে অযোগ্য বা নিষিদ্ধ হতে পারেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিশেষ সতর্কবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-11-07a_n17940335817512.png"></figure><p>দূতাবাসের পক্ষ থেকে ভ্রমণকারীদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ভিসার সঠিক ব্যবহার এবং এর প্রতিটি শর্ত মেনে চলার সম্পূর্ণ দায়িত্ব ভ্রমণকারীর নিজের। ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে তাই নিয়মকানুনগুলো ভালোভাবে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p><p>এর আগে, গত ৩১ অক্টোবরের এক বিবৃতিতে দূতাবাস জানিয়েছিল, ভ্রমণকারীদের অবশ্যই তাদের পাসপোর্টের ‘অ্যাডমিট আনটিল ডেট’ (Admit Until Date) বা অনুমোদিত শেষ তারিখের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে আসতে হবে। নিজের নির্দিষ্ট সময়সীমা যাচাই করতে i94.cbp.dhs.gov ওয়েবসাইট ব্যবহারের পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।</p><p>এ ছাড়া গত ২৮ অক্টোবরের আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, সাধারণ বি১/বি২ ভিজিটর ভিসার আওতায় কেবল ব্যবসায়িক বৈঠক, সভা কিংবা চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে চাকরি বা কোনো ধরনের কাজ করতে চাইলে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের ভিসার প্রয়োজন হয়।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে এই নিয়মগুলো কঠোরভাবে মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f11e-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 12:38:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[অভিশংসনের পর গৃহবন্দি প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনিয়া]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74805/2bfe-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: ব্যাংকিং সংকট ও অনিয়মের অভিযোগে অভিশংসনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর প্যারাগুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনিয়াকে গৃহবন্দি করা হয়েছে। ৬ নভেম্বর শুক্রবার দেশটির সিনেটে অভিশংসন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তাঁকে গৃহবন্দি করা হয়। খবর বিবিসির।</p><p>চলতি সপ্তাহের শুরুতে ডিজিটাল ব্যাংক উয়েনোর পতনকে কেন্দ্র করে প্যারাগুয়েতে রাজনৈতিক ও আর্থিক সংকট দেখা দেয়। এ ঘটনায় পেনিয়ার বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাত, নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপ এবং পেনশন তহবিলের অর্থ ব্যাংকটিতে রাখার মাধ্যমে অনিয়মে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়।</p><p>বৃহস্পতিবার পদত্যাগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন পেনিয়া। তবে তাঁর পদত্যাগ গ্রহণ না করে অভিশংসন প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আইনপ্রণেতারা। শুক্রবার সিনেটের ৪৫ সদস্যের মধ্যে ৪৪ জন তাঁকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেন। একজন অনুপস্থিত ছিলেন। পরে সিনেটের প্রেসিডেন্ট বাসিলিও নুনিয়েজ দায়িত্ব পালনে অবহেলার দায়ে তাঁকে দোষী ঘোষণা করেন।</p><p>অভিশংসনের ফলে সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে পাওয়া আজীবন সিনেট সদস্যপদ ও দায়মুক্তির সুবিধাও হারিয়েছেন পেনিয়া। সরকারি কৌঁসুলিরা তাঁকে বিশ্বাসভঙ্গ, প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা আদায় ও তহবিল আত্মসাতের অভিযোগে তদন্ত করছেন।</p><p>এরপর প্যারাগুয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পেদ্রো আলিয়ানা নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন। ২০২৮ সালের আগস্ট পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করবেন। শপথের পর আলিয়ানা বলেন, ‘আর্থিক বিপর্যয়ের কারণে যারা এখন কঠিন সময় পার করছেন, তাদের সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’</p><p>উয়েনো ব্যাংকের পতনের পর প্রায় ৩০ লাখ গ্রাহক তাঁদের ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থ ব্যবহারের সুযোগ হারিয়েছেন। ব্যাংকটির গ্রাহকসংখ্যা প্যারাগুয়ের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশ। গ্রাহকদের মধ্যে পেনশনভোগীরাও রয়েছেন। সংকটের জেরে রাজধানী আসুনসিওনসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা পেনিয়ার পদত্যাগ ও তাঁদের অর্থ ফেরতের দাবি জানান।</p><p>পেনিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ, উয়েনো ব্যাংকের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা ছিল। গত বছর পর্যন্ত ওই প্রতিষ্ঠানে তাঁর শেয়ার ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।</p><p>বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে পেনিয়া দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, "আপনারা আমার ওপর যে আস্থা রেখেছিলেন, তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা কখনোই আমার উদ্দেশ্য ছিল না"।</p><p>২০২৩ সালের নির্বাচনে রক্ষণশীল কলোরাডো পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন পেনিয়া। এদিকে সংকটের ঘটনায় ভাইস প্রেসিডেন্ট আলিয়ানার বিরুদ্ধেও অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা এগোয়নি।</p><p>উয়েনো ব্যাংককে জব্দ করার পর আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগে কংগ্রেস অনুমোদন দিয়েছে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2bfe-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 12:36:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আরও তিন মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74804/a7f2-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>ইরানের কেশম দ্বীপের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের আরও তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। ড্রোনগুলোর মধ্যে একটি এমকিউ-১ এবং দুটি এমকিউএম-১৭০ গোয়েন্দা ড্রোন রয়েছে। খবর মেহের নিউজের।</p><p>আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভূপাতিত এমকিউ-১ ড্রোনটি যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম এ ধরনের চালকবিহীন আকাশযান, যা ইরান ভূপাতিত করেছে। দেশটির সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের আওতায় আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনীর পরিচালিত অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়।</p><p>বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শত্রুপক্ষের আকাশযানের গতিবিধি, গোয়েন্দা তৎপরতা ও উড্ডয়নপথ সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখছে আইআরজিসি। এসব অভিযান বারবার ব্যর্থ হওয়ায় ব্র্যাড কুপারের নেতৃত্বাধীন কমান্ডের জন্য এটি বড় ধাক্কা বলেও দাবি করেছে বাহিনীটি।</p><p>এ ছাড়া আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের মহাকাশ বাহিনীর অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা ব্যবহার করে কেশম দ্বীপের আকাশে দুটি মার্কিন এমকিউএম-১৭০ গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এ নিয়ে দ্বীপটির আকাশে ভূপাতিত এ ধরনের মার্কিন ড্রোনের সংখ্যা ছয়টিতে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a7f2-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 12:24:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এনসিপির ভেতরে ভিন্নমতের জায়গা ছিল না: সামান্তা শারমিন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74803/3206-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছাড়ার সিদ্ধান্ত হুট করে নেননি বলে জানিয়েছেন দলটির সদ্য পদত্যাগী যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন। তাঁর দাবি, পদত্যাগের জন্য দলের ভেতর ও বাইরে থেকে বিভিন্ন পক্ষ চাপ দিয়েছিল।</p><p>পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>সামান্তা শারমিনের অভিযোগ, এনসিপি তার মূল লক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে একটি প্রথাগত রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। প্রায় এক বছর ধরে দলের ভেতরে নিজের অবস্থান তুলে ধরার চেষ্টা করলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কার্যকর কোনো ফোরাম না থাকায় তিনি পদত্যাগ করেছেন।</p><p>তিনি বলেন, ‘দলের হাত ছেড়ে দিয়ে পদত্যাগ করা, এটার পক্ষপাতি আমি কখনোই ছিলাম না।... কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে যে, আমার যতটুকু সাধ্য, সামর্থ্য, শক্তি ছিল, ততটুকু আসলে ফুরিয়েছে এই পার্টিকে আসলে ওই পথ থেকে টেনে বের করে আনার জন্য।’</p><p>দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত সুখকর ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এনসিপি গঠনের শুরু থেকেই তিনি যুক্ত ছিলেন। দল প্রতিষ্ঠার আগে নাগরিক কমিটির মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। নিজের হাতে গড়ে তোলা দল কেউ ছাড়তে চান না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p><p>সামান্তার ভাষ্য, গত নির্বাচনের আগে এনসিপি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নিলে দলের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ স্পষ্ট হয়। তবে তাঁর আপত্তি শুধু ওই জোট নিয়ে ছিল না; পুরোনো রাজনৈতিক কাঠামোর দলগুলোর সঙ্গে জোট করলে নতুন দলের সংস্কারের রাজনীতি বাধাগ্রস্ত হবে বলে মনে করেন তিনি।</p><p>দলের পুনর্গঠন ও পদ বণ্টন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সামান্তা। তাঁর অভিযোগ, ১৯৬ সদস্যের কমিটিতে ১৬০ জনকে পদায়নের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ছিল না। দায়িত্ব বণ্টনে যোগ্যতার কোনো প্রকাশ্য মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়নি এবং ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগও কমে গেছে।</p><p>তিনি বলেন, ‘একদম টপ টু বটম পুরোটাই পরিবর্তন করে ফেলা হলো, কীসের ভিত্তিতে পরিবর্তন করে ফেলা হলো? কোনো ধরনের জবাবদিহিতা নেই।’</p><p>এনসিপির অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বিরোধী মতকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বললেও দলের ভেতরে ভিন্নমতকে উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সামান্তা। তাঁর ভাষ্য, দলের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক চিন্তার আধিপত্য তৈরি হয়েছিল এবং অন্যদের সেই অবস্থানের সঙ্গে একমত হতে চাপ দেওয়া হতো।</p><p>দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সাবেক এই নেত্রী। তাঁর দাবি, জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন রাজনৈতিক পর্ষদের তিন নারী সদস্য—তাসনিম জারা, নাহিদা সারোয়ার নিভা ও তিনি। কিন্তু তাঁদের আপত্তিকে নারীদের বৃহত্তর অংশের প্রতিনিধিত্বকারী মতামত হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি।</p><p>সামান্তা বলেন, ‘যখন আমরা ৩ জন নারী একই বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করছি, আমাদের কথাটাকে নারী সমাজের একটা বড় অংশের প্রতিনিধিত্ব এবং কণ্ঠস্বর হতে পারে, ৫০ শতাংশ মানুষের কণ্ঠস্বর হতে পারে, এটার অর্থে বিবেচনায় করা হয়নি।’</p><p>তিনি আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের সঙ্গে জোটের বিরোধিতা করায় দলের ভেতরে তাঁকে চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। একপর্যায়ে তাঁকে বহিষ্কারের হুমকিও দেওয়া হয়। সামান্তার ভাষ্য, ‘আমাকে বলা হয়েছে, আপনি কি থামবেন, নাকি আপনাকে বহিষ্কার করব, এ ধরনের কথাও বলা হয়েছে।’</p><p>এনসিপির নেতৃত্ব জোটের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র ও নারী নেতৃত্ব নিশ্চিত করলে ফিরবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সামান্তা বলেন, আপাতত সে রকম আশা দেখছেন না। তবে দলের প্রতি শুভকামনা রয়েছে।</p><p>নতুন কোনো রাজনৈতিক দল গঠনের বিষয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী দুই-তিন মাস নতুন ও পুরোনো রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম এবং ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এমনকি এনসিপির সঙ্গেও আবার আলোচনায় বসতে চান তিনি।</p><p>সামান্তা বলেন, ‘আগামী দুই-তিন মাস নতুন ও পুরোনো রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম এবং ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করব। এমনকি এনসিপির সঙ্গেও আবার বসতে চাই। আমার এখন পথ ওপেন, আমি সবার সাথেই কথা বলতে চাই।’</p><p>নিজের পরবর্তী রাজনৈতিক ভূমিকা পরিস্থিতি বুঝে ঠিক করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি হুট করে কোনোকিছুই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষপাতি না, আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত হুট করে নিইনি।’</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3206-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 12:17:01 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74802/a86f-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: ‘দিল্লি নয় পিন্ডি নয়’, ‘নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এমন প্রত্যয় নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, যতবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, যতবার দেশের গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে, ততবারই ৭ নভেম্বরের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের চেতনায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে ঘিরে তরুণ প্রজন্ম যেভাবে ইতিহাসভিত্তিক মনোমুগ্ধকর প্রদর্শনী উপস্থাপন করেছে, তার জন্য শুরুতেই তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। ঐতিহাসিক এই দিনে সবাইকে নজরুল বর্ষের শুভেচ্ছা। দেশপ্রেমিক, স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে ৭ নভেম্বর তাৎপর্যপূর্ণ ও গৌরবের দিন।</p><p>তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ৭ নভেম্বর ছিল শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন। ওই বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চরম আকার ধারণ করেছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২ নভেম্বর দিবাগত মধ্যরাতে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে গৃহবন্দি করা হয়। স্বাধীনতার ঘোষককে বন্দি রেখে দেশের স্বার্থবিরোধী যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল, সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে তা রুখে দিয়েছিল। এ কারণেই দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে ৭ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যের চেতনার বাতিঘর।</p><p>তারেক রহমান বলেন, যারা বাংলাদেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, যারা জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল এবং সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবকে ভুলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।</p><p>তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের পরাজিত অপশক্তির ষড়যন্ত্র কখনো থেমে থাকেনি। ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় তারা মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে পুনরায় তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছিল। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজারো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২০২৪ সালে আবারও ৭ নভেম্বরের সেই পরাজিত অপশক্তির পরাজয় ঘটে।</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনে যারা হতাহত হয়েছেন এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ ও আহত হয়েছেন, আজকের দিনে তাঁদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।</p><p>‘১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের। ২০২৪ ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরও একইভাবে সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। সময়ের সঙ্গে প্রমাণিত হয়েছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্ধারণের দিন। যতবার বাংলাদেশ ৭ নভেম্বরের পথরেখা থেকে বিচ্যুত হয়েছে, ততবারই দেশ ও জনগণের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে।</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কিংবা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ—যাঁরা বাংলাদেশের নাগরিক, তাঁদের সবার একটাই গর্বিত পরিচয়, ‘আমরা বাংলাদেশি’। এই পরিচয়ই আমাদের ঐক্যবদ্ধ জাতিতে পরিণত করেছিল। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘আমরা বাংলাদেশি’ পরিচয় নির্ধারণের ভিত্তিভূমিও রচিত হয়েছিল। সুতরাং, যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের গুরুত্ব ও তাৎপর্যও প্রাসঙ্গিক থাকবে। ৭ নভেম্বরের নায়ক দেশপ্রেমিক সিপাহী-জনতা।</p><p>তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, ১৯৭১ সালেও একইভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য রণাঙ্গনে সম্মুখসমরে লড়াই করেছেন। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।</p><p>তারেক রহমান বলেন, একটি জাতির ইতিহাস কেবল অতীতের স্মৃতিচারণ নয়; শুদ্ধ ইতিহাস একটি জাতির আত্মপরিচয়, আত্মমর্যাদা ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা। আজকের আয়োজনের বিশেষত্ব হলো, হাজার হাজার কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণী নির্মোহভাবে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছে। ইতিহাসসচেতন এই প্রজন্ম ৭ নভেম্বরের প্রেরণায় উজ্জীবিত ও ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ আর পথ হারাবে না বলে তিনি বিশ্বাস করেন।</p><p>তিনি আরও বলেন, যে দেশের তারুণ্য জাতীয়তাবোধে অনুপ্রাণিত নয়, সেই দেশের জনগণের ঐক্য সুদৃঢ় হতে পারে না। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার বিপ্লব, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন কিংবা ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি ঐতিহাসিক ঘটনায় বাংলাদেশের তরুণেরা প্রমাণ করেছে, দেশের স্বার্থের প্রশ্নে তারা কখনো আপস করেনি। সবার আগে বাংলাদেশ।</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, দেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই হোক এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে ৭ নভেম্বরের মতো সিপাহী-জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে-প্রাণে ধারণ করতে হবে।</p><p>তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জন একটি ঐতিহাসিক গৌরব। তবে সেই গৌরবের পতাকা সমুন্নত রেখে স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলা প্রতিটি প্রজন্মের দায়িত্ব। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব হলো, স্বাধীনতার মূলমন্ত্র ধারণ করে একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ, মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণে আত্মনিয়োগ করা। অভিভাবক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব তারুণ্যের সব সম্ভাবনা বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা। বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ আগামী বিনির্মাণে বদ্ধপরিকর।</p><p>বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, যতবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, যতবার দেশে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে, ততবারই ৭ নভেম্বরের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের চেতনায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের ঐতিহাসিক এই দিনে দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক, ‘দিল্লি নয় পিন্ডি নয়’, ‘নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a86f-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 12:09:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারকে ৩২২ কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে সরকার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74801/95a3-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা হিসেবে ৩২২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা দিয়েছে সরকার। ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৮৭৭ জনের পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে এ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। খবর বাসসের।</p><p>সড়ক পরিবহন আইন ও বিধিমালার আওতায় গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে এ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কিংবা নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীরা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করে এ সহায়তা পেতে পারেন।</p><p>সড়ক পরিবহন বিধিমালা-২০২২ কার্যকর হওয়ার পর ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তার আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। বিধিমালার ১৫০(১) উপবিধি অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটনের ৯০ দিনের মধ্যে নির্ধারিত ফরম-৩২-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তার আবেদন করা যায়।</p><p>বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) আইন উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম বাসসকে বলেন, কেউ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বা আহত হলে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ ও সড়ক পরিবহন বিধিমালা-২০২২ অনুযায়ী নির্ধারিত আর্থিক সহায়তা পাওয়ার বিধান রয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আবেদন করলে ট্রাস্টি বোর্ড বিধি অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।</p><p>মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৬২ জনকে আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয় ২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবর। ট্রাস্টি বোর্ডের চেক বিতরণের বিবরণী অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ৭ হাজার ৮৭৭ জনের জন্য মোট ৩২২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ২০৬ কোটি ৮ লাখ টাকা।</p><p>এ পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আহত ১ হাজার ৪৩২ জন, গুরুতর আহত ৬৮৪ জন এবং নিহত ৫ হাজার ৭৬১ জনের পরিবার রয়েছে।</p><p><strong>দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার পাবে ৫ লাখ টাকা</strong></p><p>সড়ক পরিবহন বিধিমালা-২০২২-এর ১৪৯ বিধি অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনায় কেউ নিহত হলে অথবা দুর্ঘটনায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে পরে মৃত্যুবরণ করলে তার পরিবার এককালীন কমপক্ষে ৫ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবে।</p><p>এ ছাড়া দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তির গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গহানি হলে কমপক্ষে ৩ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়ার বিধান রয়েছে। গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা না থাকলেও কমপক্ষে ৩ লাখ টাকা পাওয়া যাবে। তবে গুরুতর আহত হলেও চিকিৎসার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকলে সহায়তার পরিমাণ কমপক্ষে ১ লাখ টাকা।</p><p>এদিকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ হাসিবুর রহমান বাসসকে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা বা ক্ষতিপূরণ দেওয়াই সবকিছুর শেষ কথা নয়। সড়ক দুর্ঘটনা যাতে রোধ করা যায় কিংবা একেবারে কমিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সড়কে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে আইনের যথাযথ প্রয়োগের পাশাপাশি নাগরিকদেরও আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।</p><p><strong>দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির দ্রুত চিকিৎসার বিধান</strong></p><p>সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮-এর ৬২(১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সড়ক দুর্ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট মোটরযানের চালক, কন্ডাক্টর বা তাদের প্রতিনিধি তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনার বিষয়ে নিকটস্থ থানা, ফায়ার সার্ভিস, চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতালকে অবহিত করবেন। একই সঙ্গে আহত ব্যক্তির জীবন রক্ষায় দ্রুততম সময়ে তাকে নিকটস্থ চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতালে পাঠানো এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।</p><p>এ ছাড়া একই ধারায় পুলিশকে দেশব্যাপী টোল ফ্রি টেলিফোন নম্বর চালুর বিধান রাখা হয়েছে। এ নম্বরের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনায় জড়িত মোটরযানের চালক, কন্ডাক্টর, মালিক, প্রতিষ্ঠান বা পরিচালনাকারী কিংবা তাদের প্রতিনিধি, যাত্রী অথবা দুর্ঘটনা প্রত্যক্ষকারী যে কেউ জরুরি উদ্ধার ও চিকিৎসাসেবার জন্য তাৎক্ষণিক সহায়তা চাইতে পারবেন।</p><p><strong>হাইকোর্টের রায়ে ক্ষতিপূরণের দৃষ্টান্ত</strong></p><p>সড়ক পরিবহন আইনের আওতায় আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি হাইকোর্টে রিট করে ক্ষতিপূরণ পাওয়ারও কয়েকটি দৃষ্টান্ত রয়েছে। এর মধ্যে বাসের চাপায় পা হারানো রাসেল সরকারের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার ঘটনা উল্লেখযোগ্য।</p><p>২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল কেরানীগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফেরার পথে যাত্রাবাড়ীর হানিফ ফ্লাইওভারে গ্রিন লাইন পরিবহনের বাসের চাপায় একটি পা হারান তরুণ প্রাইভেটকারচালক রাসেল সরকার। এ ঘটনায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা হয়। পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়।</p><p>রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রাসেল সরকারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন।</p><p>হাইকোর্টের রায়ের পর গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ তাঁকে ৩০ লাখ টাকা এবং চিকিৎসার জন্য আরও ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়েছে বলে বাসসকে জানান রাসেল সরকার।</p><p>সাভারের সিআরপি থেকে কৃত্রিম পা সংযোজন করেছেন জানিয়ে রাসেল সরকার বলেন, হাইকোর্টের প্রতি চির কৃতজ্ঞ। হাইকোর্টের রায়েই মোট ৩৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা পেয়েছি। তবে যে ক্ষতি আমার হয়েছে তা তো আর টাকায় পূরণ হবার নয়।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">95a3-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:54:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিমানবন্দরসহ ঢাকায় এক রাতে পাঁচ স্থানে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/74800/3f7b-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> &nbsp;হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকাসহ রাজধানী ঢাকায় এক রাতেই পাঁচটি স্থানে অন্তত আটটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ৬ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আদাবর, শাহবাগ, খিলগাঁও, বিমানবন্দর ও মিরপুরের কালশী এলাকায় এসব বিস্ফোরণ ঘটে।</p><p>একই দিন সন্ধ্যায় প্রগতি সরণীর কোকাকোলা ক্রসিং এলাকায় বৈশাখী পরিবহনের একটি বাসেও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।</p><p>পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিটের দিকে খিলগাঁওয়ে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরের ভেতরে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, আশপাশের কোনো বাসার ছাদ অথবা নিচের কোনো স্থান থেকে ককটেলটি নিক্ষেপ করা হয়ে থাকতে পারে।</p><p>রাত ৯টা ৫ মিনিটের দিকে আদাবর থানার সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা ককটেল দুটি নিক্ষেপ করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (সেকেন্ড ইন কমান্ড-টুআইসি) ফজলুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><p>এরপর রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে শাহবাগ থানাধীন আইবি গেটের সামনে পুলিশের একটি টহল গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। মোটরসাইকেলে করে আসা ব্যক্তিরা ককটেলটি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর রাত ১২টা ১ মিনিটের দিকে শাহবাগের জুলাই চত্বরের পাশেও আরেকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল খালেক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><p>এদিকে, রাত পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর বিমানবন্দর গোলচত্বরে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, উড়ালসড়ক থেকে কে বা কারা দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়।</p><p>অন্যদিকে, রাতে মিরপুরের কালশী মোড়ে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেলে এসে দুর্বৃত্তরা একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার একটি ভিডিওতেও মোটরসাইকেলে আসা ব্যক্তিদের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রুত চলে যেতে দেখা গেছে।</p><p>মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার জানান, কারা এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।</p><p>এ ছাড়া শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রগতি সরণীর কোকাকোলা ক্রসিং এলাকায় বৈশাখী পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। বাসটি সাভার-নতুন বাজার রুটে চলাচল করত। জানা গেছে, নতুন বাজারে যাত্রী নামানোর কিছু সময় পর দুর্বৃত্তরা বাসটিতে আগুন দেয়। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানাতে পারেননি পরিবহন কোম্পানির কর্মকর্তারা।</p><p>রাজধানীর পাঁচটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। ধারাবাহিক এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ ইতোমধ্যে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ শুরু করেছে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3f7b-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:46:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে শত্রুর ঘাঁটি পুনর্নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না: ইরান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74799/b7f1-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো পুনর্নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। চলমান সংঘাতে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া দাবি করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির ২২৮টির বেশি অবস্থান বা স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা ধ্বংস হয়েছে।</p><p>তার দাবি, বর্তমানে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক ঘাঁটিই অভিযান পরিচালনার সক্ষম অবস্থায় নেই। এ কারণে মার্কিন বাহিনীকে জাহাজের জ্বালানি ও সেনাসদস্যদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বাইরে থেকে নিয়ে আসতে হচ্ছে।</p><p>আকরামিনিয়া বলেন, ‘আমরা কখনোই এই অঞ্চলে শত্রুর সামরিক ঘাঁটিগুলো পুনর্নির্মাণ করতে দেব না।’</p><p>ইরানের সেনাবাহিনীর এই বক্তব্যের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে কি না, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b7f1-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:36:58 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিনা খরচে ওমরাহর পালনের সুযোগ দিচ্ছে সৌদি আরব, অংশ নেবেন যেভাবে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/religion/74798/45b3-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘নুসুক’ অ্যাপের মাধ্যমে বিনা মূল্যে ওমরাহ পালনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। প্রশ্নোত্তরভিত্তিক একটি অনলাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এতে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ব্যক্তিরা একজন সঙ্গীসহ ওমরাহ পালনের সুযোগ পাবেন।</p><p>গত ১ নভেম্বর প্রতিযোগিতাটির ঘোষণা দেয় নুসুক। এ বিষয়ে ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার সংবাদমাধ্যম দেতিক হিকমাহ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ‘Kemenhaj Saudi Gelar Undian Umrah Gratis di Aplikasi Nusuk, Ini Cara Daftarnya’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের নিয়ম ও পুরস্কারের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। একই দিন নয়, এর আগে ১ নভেম্বর মিসরের সংবাদমাধ্যম আল-ওয়াতানও এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।</p><p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিযোগিতায় মোট ১০০টি ওমরাহ প্যাকেজ এবং ১০ হাজার কার্টন জমজমের পানি পুরস্কার হিসেবে রাখা হয়েছে। প্রতিটি ওমরাহ প্যাকেজে দুজনের ভ্রমণের ব্যবস্থা থাকবে। এতে ওমরাহ ভিসা, বিমান টিকিট এবং মক্কা ও মদিনায় ১০ রাতের আবাসন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p><p>এ ছাড়া ওমরাহ প্যাকেজের বিজয়ীরা ২০ কার্টন জমজমের পানি পাবেন। এর মধ্যে ১০ কার্টন নিজের জন্য এবং বাকি ১০ কার্টন পরিবারের সদস্য বা প্রিয়জনকে উপহার দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।</p><p>প্রতিযোগিতাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আগ্রহীদের জন্য উন্মুক্ত বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো। তবে প্রতিযোগিতার শেষ তারিখ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। তাই শেষ তারিখ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।</p><p><strong>যেভাবে অংশ নেবেন</strong></p><p>নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহীদের প্রথমে মোবাইল ফোনে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। এরপর নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে নিবন্ধন করতে হবে। আগে থেকে অ্যাকাউন্ট থাকলে সেটিতে প্রবেশ করেই অংশ নেওয়া যাবে।</p><p><strong>অংশগ্রহণের ধাপগুলো হলো—</strong></p><p>১. নুসুক অ্যাপে প্রবেশ করে নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে।</p><p>২. অ্যাপের ‘Start the Challenge’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।</p><p>৩. এরপর চারটি বিভাগের যেকোনো একটি নির্বাচন করতে হবে। বিভাগগুলো হলো—‘The Prophet’s Biography’, ‘The Quran’, ‘Makkah and the Grand Mosque’ এবং ‘Madinah and the Prophet's Mosque’।</p><p>৪. নির্বাচিত বিভাগ থেকে আসা প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে। উত্তর সঠিক হলে প্রতিযোগীর নাম পুরস্কারের লটারিতে অন্তর্ভুক্ত হবে।</p><p>প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা প্রতিদিন একটি করে চাবি পাবেন। এই চাবি ব্যবহার করে প্রশ্নের দরজা খোলা যাবে। অতিরিক্ত চাবি পেতে প্রতিযোগিতার লিংক বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে শেয়ার করার সুযোগও রয়েছে।</p><p>প্রতিদিন সৌদি আরবের স্থানীয় সময় রাতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এ ছাড়া নুসুকের ইনস্টাগ্রাম ও এক্স অ্যাকাউন্টে বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।</p><p>উল্লেখ্য, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত নুসুক অ্যাপটি ওমরাহ পালনের অনুমতিসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সেবা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে।</p><p>অ্যাপ ডাউনলোড: https://onelink.to/nusuk</p><p>নুসুকের ওয়েবসাইট: https://services.nusuk.sa/</p><p>নুসুকের এক্স অ্যাকাউন্ট: https://x.com/MyNusuk</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">45b3-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:30:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[খাগড়াছড়িতে বিআরটিসির বাসে আগুন, নাশকতার সন্দেহ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/74797/a50a-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: খাগড়াছড়িতে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) একটি বাস পুড়ে গেছে। ৭ নভেম্বর শনিবার ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে কারা বাসটিতে আগুন দিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p><p>খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই বাসটির অধিকাংশ পুড়ে যায়।</p><p>বিআরটিসির টিকিট কাউন্টারের টিকিট বিক্রেতা বিদ্যুৎ চাকমা জানান, ভোর ৪টার দিকে ফোন করে তাকে বাসে আগুন লাগার খবর দেওয়া হয়। তবে কারা বা কী কারণে বাসটিতে আগুন দিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।</p><p>খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মুকুল কুমার নাথ বলেন, ভোর ৪টা ২৫ মিনিটে তারা আগুন লাগার খবর পান। পরে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে বাসটি প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছিল।</p><p>এদিকে, এ ঘটনার সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএন আবছার। তার অভিযোগ, এসব সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি যারা মব সৃষ্টি করে অরাজকতা করছে, তারাও এ ঘটনায় সহযোগিতা করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p><p>খাগড়াছড়ি সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায় কিসলু বলেন, গাড়িটির চালক ভেতরেই ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ অতিরিক্ত গরম অনুভব হওয়ায় তার ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় তিনি গাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে আগুন লাগার কারণ জানার চেষ্টা চলছে। কেউ নাশকতার উদ্দেশ্যে আগুন লাগিয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হবে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a50a-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:14:08 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শিক্ষা সফরে যাওয়ার পথে পুকুরে বাস, নিহত ২ শিক্ষক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/accident/74796/c629-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের পুকুরে পড়েছে মাদ্রাসার শিক্ষাসফরের একটি বাস। এ দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার ভোর ৪টার দিকে সাতকানিয়ার কেরানীহাটের আগে রেলবিট এলাকা পার হওয়ার পর এ দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাচ্ছিল। এতে বুড়িচংয়ের বাকশিমুল সুন্নিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিলেন। তাঁরা শিক্ষাসফরে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন। একই সফরে অংশ নেওয়া অন্য একটি বাসের যাত্রীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।</p><p>নিহত দুজন হলেন মাদ্রাসার শিক্ষিকা সোহানা আফরোজ (৪৫) ও ইসরাফিল (৫৬)।</p><p>দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও পাশের একটি ইটভাটার শ্রমিকেরা উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। তাঁরা বাসের ভেতর থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করেন। পরে আহতদের কেরানীহাট ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে দুজনের মৃত্যু হয়।</p><p>দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আবসার বলেন, ‘নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশের পুকুরে পড়ে যায়। এতে দুজন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। ভোরের দিকে দুর্ঘটনা ঘটায় স্থানীয় লোকজন প্রথমে আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’</p><p>এদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েক দিনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা বেড়েছে। তাঁদের মতে, মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c629-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:08:08 +0600</pubDate>
            </item>
        
    </channel>
</rss>
