<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0">
    <channel>
        <title><![CDATA[All news items on https://www.asiantvonline.com/]]></title>
        <link><![CDATA[https://asiantvonline.com/]]></link>
        <description><![CDATA[
            Welcome to https://www.asiantvonline.com/! Stay informed with the latest news, headlines, and updates from around the world.
            Subscribe to our RSS feed now to receive regular updates and never miss a beat.
        ]]></description>

        <image>
            <url>https://asiantvonline.com/logo.png</url>
            <title>Asian Tv Online | এশিয়ান টিভি অনলাইন</title>
            <link>https://asiantvonline.com/</link>
        </image>

        <generator><![CDATA[RSS by https://asiantvonline.com/rss-feed.xml]]></generator>
        <language>en</language>
        <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 10:27:13 +0600</pubDate>

        <copyright><![CDATA[
            Copyright: (C) 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.
        ]]></copyright>

                    <item>
                <title><![CDATA[জনগণের অধিকার আদায়ে পথে নেমেছি, আদায় করেই ফিরবো: জামায়াত আমির]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70460/4fe6-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>জনগণের অধিকার আদায়ে পথে নেমেছেন, আদায় করেই ঘরে ফিরবেন বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৭টায় শাপলা চত্বরে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।</p><p>ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে কোন চাঁদাবাজকে মানুষ বরদাস্ত করবে না। চাঁদাবাজদের কারণে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ। সাম্প্রতিক গ্রেফতার সিফাতের গালিকে সমর্থন করি না; কিন্তু যেজন্য সে প্রতিবাদ ও গর্জে উঠেছে তার সমাধান করুন। অন্যথায় দেশের ১৮ কোটি মানুষ সিফাত হয়ে উঠবে।</p><p>তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ নিজের অধিকার আদায়ে কোন ছাড় দেবে না। লংমার্চে কোন বাধা আসলে বাধা উপেক্ষা করেই লংমার্চ এগিয়ে যাবে। জনগণের অধিকার আদায়ে আমরা পথে নেমেছি। রাজপথ ও সংসদে সমানভাবে জনগণের অধিকার আদায়ে লড়াই করে যাবো।</p><p>উল্লেখ্য, সমাবেশ শেষে ১১ দলীয় ঐক্যের বহর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে চট্টগ্রামের লালদীঘির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।</p><p>সূত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4fe6-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 10:01:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70459/35f5-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: </strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক স্বামী।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের রসিকনগর-বাবুপুর এলাকায় এই নির্মম ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- একই এলাকার মনোয়ারা বেগম ও তার স্বামী মফিজুল হক।</p><p>পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মনোয়ারা বেগম ও মফিজুল হকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। এরই জের ধরে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে ধারালো হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন স্বামী মফিজুল। পরে তিনি নিজে ঘরের ফ্যানের হুকের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।</p><p>নিহতদের ছেলের বউ শাপলা বেগম নিমন্ত্রণ খেয়ে বাড়ি ফিরে জানালা দিয়ে শাশুড়ির রক্তাক্ত দেহ দেখতে পান। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।</p><p>চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্তি পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ডের পর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতদের লাশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">35f5-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 10:00:53 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[&#039;মুসলিম বলে থানায় নিয়ে মার&#039;- দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দুইজন নারী সাংবাদিকের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70458/c1a4-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: দিল্লির সাকেত থানায় নিয়ে দুই নারী সাংবাদিককে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী দুই সাংবাদিকই মুসলিম। তাদের দাবি, ধর্মীয় পরিচয় জানার পর পুলিশ তাদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।</p><p>অভিযোগকারী সাংবাদিকরা হলেন ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম ‘ফোর পিএম’-এর শাহীন খান ও নাফিসা খান। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাকে প্রশ্ন করায় তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে শাহীন খানের করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ করেন এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখান।</p><p>অভিযোগ অনুযায়ী, দিল্লির সাকেতে একটি হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার উপস্থিতির আগে এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়ে ভিডিও করছিলেন শাহীন ও নাফিসা। এ সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাদের বাধা দেন এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন শাহীন।</p><p>পরে নারী পুলিশ সদস্যদের দিয়ে তাদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে একটি কক্ষে তাদের মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। নাফিসা খানের দাবি, পুলিশ তাদের ধর্মীয় পরিচয় জানতে চায়। তিনি বলেন, মুসলিম পরিচয় জানার পর তাদের ওপর মারধরের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।</p><p>শাহীন আরও অভিযোগ করেন, থানায় চিকিৎসা সহায়তা চেয়েও তা পাননি। পরে জরুরি নম্বরে ফোন করে সহায়তা নেন তিনি। অভিযোগকারীরা স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (এমস) যান এবং আঘাতের বিষয়টি নথিবদ্ধ করতে চিকিৎসা পরীক্ষা করান বলে জানা গেছে।</p><p>ঘটনার বিষয়ে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-09-05a_n17885802806721.jpg"></figure><p><strong>তদন্তের দাবি</strong></p><p>দুই নারী সাংবাদিকের অভিযোগের ঘটনায় প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান উইমেনস প্রেস কোর, দিল্লি ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস, প্রেস অ্যাসোসিয়েশন ও কেরালা ইউনিয়ন অব ওয়ার্কিং জার্নালিস্টস যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।</p><p>তারা দিল্লি পুলিশ কমিশনারের কাছে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়াকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনগুলো।</p><p>এদিকে, অভিযোগকারীদের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে ‘ফোর পিএম নিউজ নেটওয়ার্ক’। বিষয়টি নিয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছেও চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।</p><p>ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজন সাংবাদিক ও ছাত্র সংগঠনের সদস্য সাকেত থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনেও এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আম আদমি পার্টি, কংগ্রেসসহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা ঘটনাটির সমালোচনা করে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।</p><p><strong>রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া</strong></p><p>রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সমালোচনারও জন্ম দিয়েছে এই ঘটনা। আম আদমি পার্টির (আপ) নেতারা সাংবাদিকদের ওপর বলপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়েছেন। নারী সুরক্ষা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।</p><p>আম আদমি পার্টি তাদের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছে, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিজস্ব 'ফোর-ইঞ্জিন সরকার'-এর মুখ্যমন্ত্রী, যিনি নারী ক্ষমতায়নের প্রতি নিজের অঙ্গীকারের কথা জোর গলায় প্রচার করেন, তিনি আসলে কী করছেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অধীনে থাকা পুলিশ এক নারী সাংবাদিককে নির্মমভাবে মারধর করেছে, কারণ তিনি কেবল মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাকে প্রশ্ন করছিলেন। এই পরিস্থিতিতে একটি যৌক্তিক প্রশ্ন উঠে আসে, মোদী সরকারের আমলে কি এভাবেই সবসময় নারীদের কণ্ঠস্বর দাবিয়ে রাখা হবে?"</p><p>সাকেত থানার সামনে গিয়ে ধর্নায় বসে সিপিআই-এমএল-এর ছাত্র সংগঠন আইসা এবং এর সদস্যরা স্লোগান দিয়েছেন।</p><p>আইসা নেত্রী নেহা বোরা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা কি অপরাধ? যে কারণে নাফিসা ও শাহীনকে পুলিশ থানায় নিয়ে এলো, তার থেকেও বড় প্রশ্ন এদের ধর্ম জিজ্ঞাসা করে মারধর করা হলো, সংবিধান কি সেই অধিকার দেয়? সংবিধান সমানাধিকারের কথা বলে। এই ঘটনা আমাদের দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে যেমন প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে তেমনই পুলিশের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। যদি তারা রক্ষক না হয়ে ভক্ষক হয়ে ওঠে তবে তাদের সমাজে কী প্রয়োজন?’</p><p>তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন, ‘সত্য তুলে ধরার কারণে দুই মুসলিম সাংবাদিকের ওপর এটি একটি সাম্প্রদায়িক হামলা ছাড়া আর কিছুই নয়।’</p><p>কংগ্রেস নেতা পবন খেরা এক্স-এ লিখেছেন, ‘দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে প্রশ্ন করায় নারী সাংবাদিকদের মারধর ও আহত করা হচ্ছে। আর পুলিশ যখন জানতে পারে যে ওই সাংবাদিকদের মধ্যে একজন মুসলিম, তখন সেই হামলা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। একে কি গণতন্ত্র বলা যায়—নাকি এটি একটি পুলিশি রাষ্ট্র?’</p><p>সূত্র: বিবিসি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c1a4-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:52:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[&#039;মুসলিম বলে থানায় নিয়ে মার&#039;- দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দুইজন নারী সাংবাদিকের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/mass-media/70458/c1a4-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: দিল্লির সাকেত থানায় নিয়ে দুই নারী সাংবাদিককে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী দুই সাংবাদিকই মুসলিম। তাদের দাবি, ধর্মীয় পরিচয় জানার পর পুলিশ তাদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।</p><p>অভিযোগকারী সাংবাদিকরা হলেন ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম ‘ফোর পিএম’-এর শাহীন খান ও নাফিসা খান। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাকে প্রশ্ন করায় তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে শাহীন খানের করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ করেন এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখান।</p><p>অভিযোগ অনুযায়ী, দিল্লির সাকেতে একটি হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার উপস্থিতির আগে এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়ে ভিডিও করছিলেন শাহীন ও নাফিসা। এ সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাদের বাধা দেন এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন শাহীন।</p><p>পরে নারী পুলিশ সদস্যদের দিয়ে তাদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে একটি কক্ষে তাদের মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। নাফিসা খানের দাবি, পুলিশ তাদের ধর্মীয় পরিচয় জানতে চায়। তিনি বলেন, মুসলিম পরিচয় জানার পর তাদের ওপর মারধরের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।</p><p>শাহীন আরও অভিযোগ করেন, থানায় চিকিৎসা সহায়তা চেয়েও তা পাননি। পরে জরুরি নম্বরে ফোন করে সহায়তা নেন তিনি। অভিযোগকারীরা স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (এমস) যান এবং আঘাতের বিষয়টি নথিবদ্ধ করতে চিকিৎসা পরীক্ষা করান বলে জানা গেছে।</p><p>ঘটনার বিষয়ে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-09-05a_n17885802806721.jpg"></figure><p><strong>তদন্তের দাবি</strong></p><p>দুই নারী সাংবাদিকের অভিযোগের ঘটনায় প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান উইমেনস প্রেস কোর, দিল্লি ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস, প্রেস অ্যাসোসিয়েশন ও কেরালা ইউনিয়ন অব ওয়ার্কিং জার্নালিস্টস যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।</p><p>তারা দিল্লি পুলিশ কমিশনারের কাছে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়াকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনগুলো।</p><p>এদিকে, অভিযোগকারীদের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে ‘ফোর পিএম নিউজ নেটওয়ার্ক’। বিষয়টি নিয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছেও চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।</p><p>ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজন সাংবাদিক ও ছাত্র সংগঠনের সদস্য সাকেত থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনেও এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আম আদমি পার্টি, কংগ্রেসসহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা ঘটনাটির সমালোচনা করে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।</p><p><strong>রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া</strong></p><p>রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সমালোচনারও জন্ম দিয়েছে এই ঘটনা। আম আদমি পার্টির (আপ) নেতারা সাংবাদিকদের ওপর বলপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়েছেন। নারী সুরক্ষা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।</p><p>আম আদমি পার্টি তাদের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছে, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিজস্ব 'ফোর-ইঞ্জিন সরকার'-এর মুখ্যমন্ত্রী, যিনি নারী ক্ষমতায়নের প্রতি নিজের অঙ্গীকারের কথা জোর গলায় প্রচার করেন, তিনি আসলে কী করছেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অধীনে থাকা পুলিশ এক নারী সাংবাদিককে নির্মমভাবে মারধর করেছে, কারণ তিনি কেবল মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাকে প্রশ্ন করছিলেন। এই পরিস্থিতিতে একটি যৌক্তিক প্রশ্ন উঠে আসে, মোদী সরকারের আমলে কি এভাবেই সবসময় নারীদের কণ্ঠস্বর দাবিয়ে রাখা হবে?"</p><p>সাকেত থানার সামনে গিয়ে ধর্নায় বসে সিপিআই-এমএল-এর ছাত্র সংগঠন আইসা এবং এর সদস্যরা স্লোগান দিয়েছেন।</p><p>আইসা নেত্রী নেহা বোরা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা কি অপরাধ? যে কারণে নাফিসা ও শাহীনকে পুলিশ থানায় নিয়ে এলো, তার থেকেও বড় প্রশ্ন এদের ধর্ম জিজ্ঞাসা করে মারধর করা হলো, সংবিধান কি সেই অধিকার দেয়? সংবিধান সমানাধিকারের কথা বলে। এই ঘটনা আমাদের দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে যেমন প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে তেমনই পুলিশের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। যদি তারা রক্ষক না হয়ে ভক্ষক হয়ে ওঠে তবে তাদের সমাজে কী প্রয়োজন?’</p><p>তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন, ‘সত্য তুলে ধরার কারণে দুই মুসলিম সাংবাদিকের ওপর এটি একটি সাম্প্রদায়িক হামলা ছাড়া আর কিছুই নয়।’</p><p>কংগ্রেস নেতা পবন খেরা এক্স-এ লিখেছেন, ‘দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে প্রশ্ন করায় নারী সাংবাদিকদের মারধর ও আহত করা হচ্ছে। আর পুলিশ যখন জানতে পারে যে ওই সাংবাদিকদের মধ্যে একজন মুসলিম, তখন সেই হামলা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। একে কি গণতন্ত্র বলা যায়—নাকি এটি একটি পুলিশি রাষ্ট্র?’</p><p>সূত্র: বিবিসি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c1a4-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:52:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[লংমার্চে বাধা দিলে ৬ দফা দাবি ১ দফায় পরিণত হবে: নাহিদ ইসলাম]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70457/cfc6-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে বাধা দিলে লংমার্চের ঘোষিত ৬ দফা দাবি ১ দফায় পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৭টায় শাপলা চত্বরে লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।</p><p>নাহিদ ইসলাম বলেন, যতবাধা বিপত্তি আসুক আমাদের ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। এই লংমার্চ মাদকের বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে এবং গণভোটের গণ রায় উপেক্ষা যারা করেছে তাদের বিরুদ্ধে। এই লংমার্চ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে চলেছে তাদের স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্যও এই লংমার্চ বলে জানান নাহিদ। শাপলা চত্বরে লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে গাড়ি বহর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে চট্টগ্রামের লালদীঘির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।</p><p>সূত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">cfc6-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:47:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এমবাপ্পের পেনাল্টি মিসে রিয়ালকে হারালো বেটিস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/70456/bda9-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদের টানা জয়ের দৌড় থামিয়ে দিয়েছে রিয়াল বেটিস। শেষ মুহুর্তে এমবাপ্পে পেনাল্টি মিস করলে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিক বেটিস।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাতে বেটিসের ঘরের মাঠ এস্তাদিও লা কার্তুজায় মুখোমুখি হয় দুই দল।</p><p>ম্যাচের প্রথমার্ধে আরদা গুলেরের পাস থেকে পাওয়া বল পোস্টে মেরে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এমবাপ্পেকেও দুইবার গোলবঞ্চিত করেন নাথান বার্নার্দো দে সুজা ও মার্ক বার্ত্রার দুর্দান্ত ব্লক।</p><p>দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের জন্য মরিয়া রিয়ালকে চাপে রাখে বেটিস। ম্যাচ শেষ হওয়ার নয় মিনিট আগে থিবো কোর্তোয়ার অসাধারণ সেভে নেলসন ডেওসার হেড ঠেকানো গেলেও ফিরতি বল থেকে গোল করে বেটিসকে এগিয়ে দেন ট্রয় প্যারট। এটি বেটিসের হয়ে তার প্রথম গোল।</p><p>গোল শোধে মরিয়া রিয়ালের হয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ক্রস থেকে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করেছিলেন কার্লোস এসপি। তবে ভিএআরের পরামর্শে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।</p><p>এরপর ভিনিসিয়ুসকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় রিয়াল। কিন্তু যোগ করা সময়ে এমবাপ্পের নেওয়া স্পট-কিক দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন বেটিস গোলরক্ষক আলভারো ভায়েস। ফলে জয় নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের।</p><p>এই হারে রিয়াল মাদ্রিদ কোচ হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে হোসে মরিনহোর টানা তিন জয়ের শুরু থেমে গেল। অন্যদিকে, এই জয়ে চার ম্যাচে নয় পয়েন্ট নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের সমান অবস্থানে উঠে এসেছে বেটিস। আগামী সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের অভিযান শুরু করবে দলটি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">bda9-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:33:42 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ শুরু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70455/50dd-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও দ্রুত জ্বালানি সংকট নিরসনসহ ৬ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছে ১১ দলীয় ঐক্য।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর ‎শনিবার সকাল ৭টায় শাপলা চত্বরে লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে লালদিঘির উদ্দেশ্য যাত্রা করে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীদের বহর।</p><p>এদিকে, লংমার্চ পূর্ব উদ্বোধনী সমাবেশে বক্তারা বলেন, নির্বাচিত সরকার ভোটের আগে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে দেশ ও জনগণের সাথে প্রতারণা করছে। একইসাথে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে নিজেদের ব্যর্থ সরকার হিসেবে প্রমাণ করেছে।</p><p>১১ দলীয় নেতারা বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য ৬ দিন যথেষ্ট। অথচ ৬ মাসেও গণরায় বাস্তবায়ন না করে দেশের জনগণের রায়কে উপেক্ষা করা হয়েছে। সরকারের এই ধৃষ্টতার যথাযথ জবাব দেশের মানুষ সঠিক সময়ে দেবেন। প্রশাসন দলীয়করণ থেকে শুরু করে, মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়ে সর্বত্র ফ্যাসিবাদের মতোই ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে শুরু করেছে সরকার।</p><p>বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি সংকট , সার সংকট ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দেশের মানুষ নাজেহাল হয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।</p><p>সূত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">50dd-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:27:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরানোর আহ্বান প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70454/ec27-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গাজার জনগণকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত, বহিষ্কার বা বাধ্যতামূলকভাবে অন্যত্র স্থানান্তরের কোনো প্রস্তাব ওয়াশিংটন সমর্থন করে না বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার প্রতি ওয়াশিংটনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে এ অবস্থান জানায়।</p><p>ট্রাম্পের পরিকল্পনার ১২ নম্বর দফায় বলা হয়েছে, কাউকে গাজা ছাড়তে বাধ্য করা হবে না। তবে কেউ চাইলে গাজা ছেড়ে যাওয়ার এবং পরবর্তীতে ফিরে আসার স্বাধীনতা ভোগ করবেন।</p><p>এর আগে বুধবার গাজার চলমান সংকটের সমাধান হিসেবে অঞ্চলটি থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তিনি বলেন, সমুদ্রপথ, আকাশপথসহ যেকোনো উপায়ে গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নিতে ইসরায়েল প্রস্তুত।</p><p>এদিকে, ইসরায়েলি কয়েকজন মন্ত্রী সম্প্রতি গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের ‘স্বেচ্ছায় অভিবাসনের’ প্রস্তাব নতুন করে সামনে এনেছেন। তবে এ ধরনের উদ্যোগের বিরোধিতা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় একটি অংশ।</p><p>সূত্র: রয়টার্স</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ec27-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:25:13 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হতে পারে ভারী বর্ষণ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Weather/70453/afa3-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী তিন দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। এ সময়ে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>পূর্বাভাসে বলা হয়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও দেশের আট বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।</p><p>আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সঙ্গে মিলিত হতে পারে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।</p><p>এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ১৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারে। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রাজশাহীতে এবং সর্বনিম্ন ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সিলেটে রেকর্ড করা হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">afa3-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:18:35 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিশ্বের মানচিত্র বদলের প্রস্তাব পাস করল জাতিসংঘ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70452/2e69-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রকৃত আয়তন ও পারস্পরিক অনুপাত আরও সঠিকভাবে তুলে ধরতে ‘কারেক্ট দ্য ম্যাপ’ প্রস্তাব গ্রহণ করেছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ। ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয় ১৬৪টি দেশ। ছয়টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকলেও বিপক্ষে ভোট দেয় একমাত্র যুক্তরাষ্ট্র।</p><p>আফ্রিকান দেশগুলোর নেতৃত্বে এবং টোগোর উদ্যোগে উত্থাপিত প্রস্তাবটির লক্ষ্য হলো প্রচলিত বিশ্ব মানচিত্রে থাকা ভৌগোলিক বিকৃতি কমিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আয়তনকে আরও ন্যায্যভাবে তুলে ধরা। বিশেষ করে আফ্রিকার প্রকৃত আয়তনকে যথাযথভাবে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p><p>বর্তমানে বিশ্বের বহুল ব্যবহৃত মানচিত্রগুলোর একটি হলো ‘মার্কেটর প্রজেকশন’, যা ১৫৬৯ সালে ইউরোপীয় মানচিত্রকার জেরার্ডাস মার্কেটর তৈরি করেন। এই পদ্ধতিতে বিষুবরেখা থেকে যত দূরে যাওয়া যায়, মানচিত্রে অঞ্চলগুলোর আয়তন তত বেশি বড় দেখায়। ফলে আফ্রিকা তুলনামূলকভাবে ছোট এবং গ্রিনল্যান্ডের মতো উত্তর মেরুর কাছাকাছি অঞ্চল অস্বাভাবিক বড় দেখায়। বাস্তবে আফ্রিকা গ্রিনল্যান্ডের প্রায় ১৪ গুণ বড়।</p><p>নতুন প্রস্তাবে ‘ইকুয়াল আর্থ’সহ সমতল-আয়তনভিত্তিক মানচিত্র ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ২০১৮ সালে তৈরি ইকুয়াল আর্থ প্রজেকশন বিভিন্ন মহাদেশের প্রকৃত আয়তনের তুলনামূলক চিত্র আরও নির্ভুলভাবে তুলে ধরে। এতে আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা প্রচলিত মার্কেটর মানচিত্রের তুলনায় বড় এবং গ্রিনল্যান্ড তুলনামূলকভাবে ছোট দেখা যায়।</p><p>জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্তের ফলে পুরোনো মানচিত্র অবিলম্বে বাতিল হয়ে যাচ্ছে না। প্রস্তাবটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয় এবং নৌ ও আকাশপথে নেভিগেশনের ক্ষেত্রে মার্কেটর প্রজেকশন ব্যবহারে কোনো নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়নি। বরং শিক্ষা, গণমাধ্যম, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তুলনামূলকভাবে সঠিক মানচিত্র ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।</p><p>এর আগে আফ্রিকান ইউনিয়নও ‘কারেক্ট দ্য ম্যাপ’ উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিল। সংগঠনটি বলেছে, মানচিত্রে আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন যথাযথভাবে তুলে ধরা শুধু কার্টোগ্রাফির বিষয় নয়; এর সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিশ্ব সম্পর্কে মানুষের ধারণার বিষয়টিও জড়িত।</p><p>জাতিসংঘের এই প্রস্তাবের ফলে বিশ্বজুড়ে স্কুল, পাঠ্যবই, সংবাদমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আরও বাস্তবসম্মত মানচিত্র ব্যবহারের উদ্যোগ জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে প্রচলিত মানচিত্র পুরোপুরি বদলাতে আরও সময় লাগবে।</p><p>সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2e69-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:08:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কুমিল্লা সার্কিট হাউসে উইপোকা, মধ্যরাতে কক্ষ ছাড়লেন বিরোধীদলীয় উপনেতা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70451/2f67-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: কুমিল্লা সার্কিট হাউসে বরাদ্দকৃত কক্ষে প্রচুর উইপোকার উপদ্রব দেখতে পেয়ে রাত্রিযাপন না করেই চলে গেছেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।</p><p>কক্ষ পরিবর্তনের অনুরোধ জানানো হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক বিকল্প ব্যবস্থা না পাওয়ায় শুক্রবার রাতে তিনি সার্কিট হাউস ত্যাগ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।</p><p>সূত্র জানায়, ১১ দলীয় জোটের দেশব্যাপী লংমার্চ কর্মসূচিতে অংশ নিতে শুক্রবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে পৌঁছান কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।</p><p>রাত্রিযাপনের জন্য তার নামে সার্কিট হাউসের ‘রাধাচূড়া-২০২’ নম্বর কক্ষটি বরাদ্দ ছিল। রাত ১০টার দিকে বিশ্রাম নিতে গিয়ে তিনি কক্ষজুড়ে প্রচুর উইপোকা দেখতে পান।</p><p>এ অবস্থায় তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীকে কক্ষ পরিবর্তনের ব্যবস্থা করতে বলেন এবং একটি কম্বলও চান। তবে কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে কক্ষ পরিবর্তনের ব্যবস্থা করতে পারেননি।</p><p>পরে তার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আরিফুর রহমান বিষয়টি কুমিল্লার নেজারত ডেপুটি কালেক্টরকে (এনডিসি) জানান। এরপরও দ্রুত কোনো বিকল্প কক্ষ বা আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।</p><p>দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও সমাধান না হওয়ায় একপর্যায়ে সার্কিট হাউসে রাত্রিযাপন না করেই সেখান থেকে চলে যান বিরোধীদলীয় উপনেতা।</p><p>ঘটনাটি নিয়ে কুমিল্লা সার্কিট হাউসের রক্ষণাবেক্ষণ ও অতিথি ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গুরুত্বপূর্ণ একজন অতিথির কক্ষে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পরও কেন তাৎক্ষণিক বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়নি, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।</p><p>ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ উল্লেখ করে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা সার্কিট হাউসের মতো জায়গায় এমন চরম অব্যবস্থাপনার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।’</p><p>সূত্র: কাল বেলা</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2f67-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 08:59:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের উদ্বোধন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70450/8d5f-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে শুরু হয়েছে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ। ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৭টায় শুরু হওয়া এ সমাবেশে জোটের বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা অংশ নিয়েছেন।</p><p>সমাবেশে নেতাদের বক্তব্য শেষে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পথে বিভিন্ন স্থানে পথসভা এবং স্থানীয় জনগণের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা ও অভিবাদন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাবেশের মধ্য দিয়ে লংমার্চ শেষ হবে।</p><p>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি সংস্কারের বিষয়ে গণভোটে পাওয়া জনরায় বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় এসে তা বাস্তবায়ন করেনি। বরং সরকার জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং জনদুর্ভোগ ক্রমেই বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। প্রশাসনের দলীয়করণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ব্যবস্থাও দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে দাবি করা হয়।</p><p>জোটের নেতাদের অভিযোগ, সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জনগণের এসব সমস্যা সমাধানের দাবি বারবার জানানো হলেও সরকার তা আমলে নেয়নি। সংসদে সোচ্চার ভূমিকা রেখেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় বিরোধী দল রাজপথে আন্দোলনে যেতে বাধ্য হয়েছে।</p><p>লংমার্চে নেতৃত্ব দেবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির আবু জাফর কাসেমীসহ জোটের শীর্ষ নেতারা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8d5f-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 08:51:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ১০, আহত ৫৮]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70449/439c-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>দক্ষিণ আমেরিকার দেশ বলিভিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৫৮ জন।</p><p>স্থানীয় সময় শুক্রবার দেশটির টেলিভিশন চ্যানেল ‘নোটিসিয়াস বলিভিশন’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হতাহতের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক রিতা নেব্রাস্কা।</p><p>স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরণের পরপরই আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p><p>তবে কী কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে, সে বিষয়ে সামরিক বাহিনী বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।</p><p>সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">439c-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 08:50:31 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ব্রিকসে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন তথ্য নেই: ভারত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70448/9480-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে যাবেন কি না, সে বিষয়ে ভারতের কাছে কোনো নতুন তথ্য নেই। এমনকি তিনি না গেলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অন্য কেউ সম্মেলনে প্রতিনিধিত্ব করবেন কি না, সে বিষয়েও দিল্লির কাছে কোনো তথ্য নেই।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল। ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে নতুন কোনো তথ্য নেই।</p><p>আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমান বিমসটেক চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এখনো তার অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।</p><p>এর আগে গত আগস্টে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছিলেন, ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে সরকার তখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তিনি স্পষ্ট করেন, এ আমন্ত্রণটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে নয়; বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি দেওয়া হয়েছে।</p><p>এদিকে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যাওয়ার জন্যও নয়াদিল্লি থেকে পৃথক আমন্ত্রণ পেয়েছেন তারেক রহমান। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্রিকস সম্মেলনের আমন্ত্রণ এবং দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ দুটি আলাদা।</p><p>অন্যদিকে, ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বিভিন্ন বক্তব্য ও দেশে ফেরার বিষয়ে তার উদ্বেগ আছে কি না—এমন প্রশ্নেও শুক্রবার জয়সোয়াল মন্তব্য করতে রাজি হননি। এর আগে ৫ আগস্ট নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে আগেই জানিয়েছিল দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</p><p>ব্রিকসের সদস্য দেশগুলো হলো—ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9480-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 08:43:19 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[‘জেন জি’র পথ ধরে ভারতে শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ‘জেন আলফা’র উত্থান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70447/d3bb-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: ক্লাস শুরুর সময় পেরিয়ে গেলেও ভারতের উত্তর প্রদেশের সমুহী ভাতপুরওয়া গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২২ শিক্ষার্থীর কেউই শ্রেণিকক্ষে ঢোকেনি। নতুন ভবন নির্মাণের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত ক্লাসে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। লাল-সাদা চেক ইউনিফর্ম পরা এসব শিক্ষার্থীর অনেকের বয়স মাত্র ছয় বছর। আট বছরের প্রিয়া (ছদ্মনাম)সহ কয়েকজনের হাতে ছিল ভারতের জাতীয় পতাকা।</p><p>স্কুলটির বর্তমান ভবনটি পুরোনো ও জরাজীর্ণ। ২০২৩ সালে দেয়াল ধসে এক ছাত্রী গুরুতর আহত হওয়ার পর ভবনের একটি অংশ এখনো ধ্বংসস্তূপ হয়ে পড়ে আছে। নিরাপত্তার স্বার্থে শিশুরা তখন থেকেই নতুন ভবনের দাবি জানিয়ে আসছিল। কিন্তু গত ২২ আগস্ট তারা প্রতিবাদে নামার পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।</p><p>শিক্ষার্থীদের ধর্মঘটের খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষা বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা স্কুল পরিদর্শনে আসেন। ব্লক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক অবস্তি দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের আশ্বাস দিলে সন্ধ্যার দিকে শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরে যায়।</p><p>প্রিয়া বলে, ‘আমি খুশি। আমরা নতুন একটি ভবন পাব। আমরা আতঙ্কে থাকতাম, যে যেকোনো দিন স্কুলের এই ভবনটি ভেঙে পড়তে পারে। এর অবস্থা খুবই খারাপ। ভয়ের কারণে আমরা পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে পারি না। সেজন্যই আমরা সবাই প্রতিবাদ করেছি।’</p><p>প্রিয়া ও তার বন্ধুরা একা নয়। জুলাইয়ের শেষদিক থেকে মহারাষ্ট্র, বিহার, রাজস্থান, ঝাড়খণ্ড ও মধ্যপ্রদেশসহ ভারতের অন্তত ১০টি রাজ্যের শিক্ষার্থীরা একই ধরনের আন্দোলনে নেমেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় সরকারি স্কুলগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থা, শিক্ষক সংকট ও মৌলিক সুবিধার অভাবের বিরুদ্ধে এসব প্রতিবাদ বেশি দেখা গেছে।</p><p>এই আন্দোলন ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের জন্যও নতুন রাজনৈতিক পরীক্ষা। তরুণদের সমর্থন ধরে রাখতে সরকারকে এমনিতেই নানা চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে।</p><p><strong>জেন জি থেকে জেন আলফা</strong></p><p>জুনের শুরুতে হাজার হাজার ‘জেন জি’ বিক্ষোভকারী ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে জড়ো হন। ধারাবাহিক প্রশ্নপত্র ফাঁস ও এর জেরে তরুণদের মধ্যে তৈরি হওয়া ক্ষোভের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করাই ছিল তাদের অন্যতম প্রধান দাবি।</p><p>বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভ নিরসনের বদলে সরকার তাদের বিদেশি শক্তির অনুগৃহীত চরমপন্থি হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করলে আন্দোলন আরও জোরালো হয়। পরে বেকারত্ব ও শিক্ষা ব্যবস্থার পদ্ধতিগত ত্রুটি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ইস্যু হয়ে ওঠে।</p><p>জুলাইয়ে শিক্ষা ও বেকারত্ব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশে গঠিত ব্যঙ্গাত্মক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) এই যুব আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়। পার্লামেন্ট অভিমুখে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের পর আন্দোলনটি আরও ব্যাপক জনসমর্থন পায়। একপর্যায়ে বিজেপির নেতা ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন।</p><p>এরপর সিজেপি ভারতের স্কুলগুলোর অবস্থার দিকে নজর দেয়। সমুহী ভাতপুরওয়ার মতো স্কুলের শিক্ষার্থীরা এখন শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহি চাইছে। জেন জি আন্দোলনের পরপরই শুরু হওয়া এই নতুন প্রজন্মের আন্দোলনকারীদের অনেকেই ‘জেন আলফা’ আন্দোলনের সূচনাকারী হিসেবে দেখছেন।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-09-05a_n17885756267016.jpg"></figure><p><strong>ভারতের স্কুলগুলোর মূল সমস্যা কোথায়</strong></p><p>ভারতে প্রায় ১৫ লাখ স্কুলে ২৪ কোটি ৭০ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। এর প্রায় ৭০ শতাংশ স্কুল কেন্দ্র, রাজ্য বা স্থানীয় সরকারের অধীনে পরিচালিত হয়। ২০২৫-২৬ সালে প্রকাশিত সরকারি স্কুল নিরীক্ষা প্রতিবেদনে শিক্ষা ব্যবস্থায় অগ্রগতির কথা বলা হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতও উন্নত হয়ে প্রতি ২৪ শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক হয়েছে এবং ঝরে পড়ার হার কমেছে।</p><p>তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অনেক ক্ষেত্রে ভিন্ন। কোনো কোনো স্কুলে এমন ভবনেও পাঠদান হয়, যেখানে গবাদিপশু পালন করা হয়।</p><p>বেঙ্গালুরুভিত্তিক শিক্ষা অধিকার কর্মী নাগাসিমহা রাও বলেন, ‘শিশুরা তাদের অধিকার দাবি করছে। তারা শিক্ষক, বেঞ্চ, স্কুল ভবন, খাবার পানি, বিদ্যুৎ এবং টয়লেট চায়। দুর্ভাগ্যবশত, দীর্ঘদিন ধরে স্কুল পরিচালনার জন্য মৌলিক অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় জনবলের ঘাটতি রয়েছে। এটি দেশের অধিকাংশ সরকারি স্কুলেরই গল্প।’</p><p>সরকারি স্কুলগুলোতে মূলত আর্থিক ও সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের শিশুরা পড়াশোনা করে উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘দরিদ্র শিশুরা এসব স্কুলে পড়ে বলেই কি এই অবহেলা?’</p><p>বর্তমান আন্দোলনের শুরুর দিকের একটি ঘটনা ঘটে ২৮ জুলাই উত্তর প্রদেশের সারভোদয় ইন্টার কলেজে। দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত থাকা এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা খাবার পানি, বিদ্যুৎ ও বসার বেঞ্চের দাবিতে আন্দোলনে নামে।</p><p>দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মনোজ (ছদ্মনাম) বলে, ‘স্কুলে পড়ালেখা করা আমাদের জন্য কতটা কঠিন, তা কেউ কল্পনাও করতে পারবে না। এখানে বিদ্যুৎ নেই, ফলে তাপদাহের মধ্যে ফ্যান চলে না। সুপেয় পানির ব্যবস্থাও নেই। পর্যাপ্ত বেঞ্চ না থাকায় অনেক শিক্ষার্থীকে মেঝেতে বসতে হয়। তাই আমরা প্রতিবাদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’</p><p>মনোজের সহপাঠী নীলম (ছদ্মনাম) জানায়, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরেই এসব মৌলিক সুবিধার দাবি জানিয়ে আসছিল। এবার তারা প্ল্যাকার্ড ও স্লোগান নিয়ে আনুষ্ঠানিক আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেয়।</p><p>৩১ জুলাই মহারাষ্ট্রের পারলিতে ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত বৈজনাথ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও শিক্ষক সংকটের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে।</p><p><strong>‘জেন আলফা’র পাশে ‘জেন জি’</strong></p><p>১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসে সিজেপি তাদের তৃণমূল উদ্যোগ ‘স্কুল ঠিক করো’ চালু করে। সংগঠনটির আইনবিষয়ক প্রধান রত্না সিং আল জাজিরাকে জানান, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবিতে সারা দেশের স্কুলগুলোতে শুরু হওয়া আন্দোলনকে তারা সমর্থন করছেন।</p><p>তিনি বলেন, যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে তারা গ্রামীণ এলাকা থেকে আসা অনেক শিশু ও অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা স্কুলের জরাজীর্ণ অবস্থা, শিক্ষক সংকট এবং স্কুলে যাওয়ার ভাঙাচোরা রাস্তার কথা জানিয়েছেন। শিশুদের ভবিষ্যতের জন্য স্কুল সংস্কারের দাবি তাই তাদের আন্দোলনেরই ধারাবাহিকতা।</p><p>তবে বিভিন্ন অঞ্চলের স্কুল পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সিজেপি সদস্যরা কয়েকটি সহিংস ঘটনার মুখে পড়েন। উত্তর প্রদেশের সংগঠনটির সদস্য গৌরব ভারতী অভিযোগ করেন, পুলিশ ও স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তাদের হুমকি দিচ্ছেন।</p><p>তিনি বলেন, ১৬ আগস্ট কানপুর মাজরার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করে এর করুণ অবস্থা তুলে ধরার পর থেকেই পুলিশ তাকে অনুসরণ করছে। তবে তারা ভয় পাচ্ছেন না; আইনের আওতায় থেকেই শিক্ষার্থীদের অধিকার দাবি করছেন।</p><p>২০০৯ সালে কার্যকর হওয়া শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী, ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের শিক্ষা মৌলিক অধিকার। আইনে সব ধরনের আবহাওয়ার উপযোগী ভবন, পানি, স্যানিটেশন ও শিশুদের নিরাপত্তার মতো বিষয়কে আদর্শ অবকাঠামোর অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত অন্তত ১:৩০ থাকার কথাও বলা হয়েছে।</p><p>জাতীয় গড়ের হিসাবে এ অনুপাত বজায় থাকলেও সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ১ লাখ ৮৪৩টি স্কুলে সব শ্রেণি মিলিয়ে মাত্র একজন শিক্ষক রয়েছেন। এসব স্কুলে প্রায় ২৯ লাখ শিশু পড়াশোনা করে। অন্যদিকে, ৫ হাজার ৬৬৩টি ‘ভূতুড়ে স্কুল’ রয়েছে, যেখানে কোনো শিক্ষার্থীই ভর্তি নেই।</p><p>দেশটির বিশাল টিফিন কর্মসূচিতে নিম্নমানের খাবার পরিবেশনও প্রায়ই প্রতিবাদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ২৮ জুলাই বিহারের সিমুয়ারা গ্রামের প্রায় ৫০ শিক্ষার্থী নিম্নমানের খাবারের অভিযোগ নিয়ে এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে চার কিলোমিটার হেঁটে যায়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, স্কুলে পাইপলাইনের পানি না থাকায় রান্নার আগে কাঁচামাল ঠিকমতো ধোয়া হয় না এবং চাল, ডাল ও সবজির মানও অত্যন্ত খারাপ।</p><p>চেন্নাইভিত্তিক শিক্ষাবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্বর্ণা রাজাগোপালনের মতে, ভারতের স্কুল ব্যবস্থায় পদ্ধতিগত সংস্কার প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে সর্বত্র মানসম্মত অবকাঠামো নিশ্চিত করা, শিক্ষক নিয়োগ ও দক্ষতা বৃদ্ধি, পরিবারগুলোকে সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে উৎসাহিত করা এবং আইন না মানলে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।</p><p>স্কুলের এসব আন্দোলন ক্ষমতাসীন সরকারের জন্য ভবিষ্যতের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জেরও ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভারতের ৩০ শতাংশের বেশি মানুষের বয়স ১৮ বছরের নিচে। আজ যারা স্কুলে প্রতিবাদ করছে, তাদের অনেকেই ২০২৯ সালের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে ভোটার হবে।</p><p>পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাকর্মী আকাশ সরকার বলেন, ‘শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তারা যদি উপযুক্ত পরিবেশে সঠিক শিক্ষা না পায়, তবে তা ভারতের প্রবৃদ্ধিকে ব্যাহত করবে। এই শিশুরাই আগামী দিনের ভোটার।’</p><p>বেঙ্গালুরুর ব্যাঙ্গালোর ইউনিভার্সিটির ছাত্রী সুজাতা গৌড়ার কাছেও জেন জি ও জেন আলফার ধারাবাহিক প্রতিবাদ আশ্চর্যের নয়। ২১ বছর বয়সী এই ছাত্রী বলেন, দেশজুড়ে শিক্ষার্থীরা মনে করছে তারা ব্যবস্থার কাছে উপেক্ষিত। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিকায়ন, যোগ্য শিক্ষক, সুষ্ঠু পরীক্ষা এবং উন্নত অবকাঠামোর পাশাপাশি কর্তৃপক্ষকে শিক্ষার্থীদের কথাও শুনতে হবে। তা না হলে সারা দেশে আরও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়তে পারে।</p><p>সূত্র: আল জাজিরা</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d3bb-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 08:33:49 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সবুজায়ন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70446/edfb-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>সবুজায়ন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।</p><p>তিনি বলেন, সবুজায়ন বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বনায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ১ নং হাজীনগর ইউনিয়নের হাসুরা মৌজায় বৃহৎ বনায়ন কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত চারা রোপণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>বৃহৎ বনায়ন কর্মসূচির আওতায় এ এলাকায় ২০.০ কিলোমিটার দীর্ঘ স্ট্রিপ বাগানে ১৫ প্রজাতির প্রায় ২০ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। ক্রসড্রাম থেকে বেলট্রি মৌজার রাজ্জাক চেয়ারম্যানের জমি পর্যন্ত এবং ভায়া হাসুরা মৌজার শিবেরশ্বরের জমি থেকে পলাশের জমি পর্যন্ত খাড়ির উভয় পাড়ে এ বনায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।</p><p>পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সবুজ আচ্ছাদন বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে পরিকল্পিত বনায়ন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে খাড়ি, সড়ক ও অন্যান্য উন্মুক্ত স্থানের পাশে বৃক্ষরোপণ একদিকে যেমন পরিবেশের উন্নয়ন ঘটায়, অন্যদিকে মাটির ক্ষয় রোধ ও জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল সংরক্ষণেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।</p><p>তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণে বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে হবে। রোপণকৃত চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।</p><p>সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ বনায়ন কার্যক্রম স্থানীয় পরিবেশের উন্নয়ন, সবুজ আচ্ছাদন বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।</p><p>অনুষ্ঠানে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">edfb-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 21:44:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[টাঙ্গাইলের চমচম বিদেশে রপ্তানির পদক্ষেপ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70445/44bc-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: </strong>টাঙ্গাইলের শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী চমচমকে বিদেশে রপ্তানির পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে তিন দিনব্যাপী ‘মিষ্টি উৎসব-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।</p><p>সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘টাঙ্গাইলের চমচম সারা বাংলাদেশ তথা বিশ্বের অনেক মানুষই কমবেশি চেনে। টাঙ্গাইলের শাড়ি যেমন বাংলাদেশের গর্ব ও ঐতিহ্য, তেমনি চমচমও আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। এই পণ্যকে কীভাবে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, সেটি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।’</p><p>তিনি বলেন, ‘আমাদের যে ঐতিহ্য রয়েছে, সেটিকে মানুষের মাঝে তুলে ধরার জন্যই এ আয়োজন। টাঙ্গাইলে যে ঐতিহ্য ও অর্জন রয়েছে, তা বাংলাদেশের মানুষের জন্যও গর্বের বিষয়। এই ঐতিহ্যকে ধারণ করে আগামী দিনে ঐতিহাসিক ও নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই। এ ব্যাপারে সবার সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।’</p><p>মিষ্টি উৎসবের উদ্দেশ্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই ফেস্টিভ্যালের কয়েকটি উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রথমত, টাঙ্গাইলের পণ্য মানুষের মাঝে তুলে ধরা এবং এগুলো নিয়ে মানুষকে অবহিত করা। একই সঙ্গে সারাদেশের মানুষের কাছে আমাদের ঐতিহ্যকে প্রতিষ্ঠিত করা।’</p><p>তিনি বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে গোপালপুরের একটি অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি ও চমচম নিয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি আনারসের কথাও বলেছিলেন। টাঙ্গাইলের এই চমচমকে কীভাবে বিদেশে রপ্তানি করা যায়, সে ব্যাপারে আমরা পদক্ষেপ নেব।’</p><p>চমচম শিল্পের প্রসার ঘটাতে পারলে একদিকে দেশের রপ্তানি আয় বাড়বে, অন্যদিকে এ শিল্পে মানুষের আগ্রহ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এতে প্রান্তিক অর্থনীতির পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।</p><p>টাঙ্গাইলের তাঁত শিল্পের উন্নয়ন প্রসঙ্গে টুকু বলেন, ‘টাঙ্গাইলের শাড়ির বিদেশে প্রচুর কদর রয়েছে। এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে হলে তাঁতিদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রান্তিক পর্যায়ে যারা শাড়ি তৈরি করেন, তাদের স্বল্প সুদে আর্থিক সহায়তা দিতে হবে।’</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। যে তাঁতিরা এই কাজ করেন, তাদের সঙ্গে কথা বলে একটি তাঁতি সমাবেশ করব। এর মাধ্যমে তাঁতশিল্পকে কীভাবে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’</p><p>টাঙ্গাইলের পর্যটন সম্ভাবনা ও শতবর্ষের মিষ্টি তৈরির ঐতিহ্য দেশ-বিদেশে তুলে ধরতে এবং স্থানীয় পণ্যের প্রসারে প্রথমবারের মতো ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর তিন দিনব্যাপী ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল-২০২৬’ আয়োজন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ উৎসবে জেলার ১২ উপজেলা থেকে ২৩টি স্টল অংশ নিয়েছে; এর মধ্যে ২০টি স্টলে ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি এবং তিনটি স্টলে টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি প্রদর্শন করা হচ্ছে।</p><p>এর আগে বিকেলে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।</p><p>এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।</p><p>জেলা প্রশাসক শরীফা হক বলেন, ‘টাঙ্গাইলের জিআই পণ্য শুধু টাঙ্গাইলের নয়, এগুলো বাংলাদেশের গর্ব’- এই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই উৎসবের অন্যতম লক্ষ্য। এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করার পাশাপাশি টাঙ্গাইলের পর্যটন সম্ভাবনাকেও এগিয়ে নেওয়া হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">44bc-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 21:36:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশের বিভিন্ন স্থানে ২২টি মাদক ট্রাইব্যুনাল গঠন করল সরকার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70444/f962-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>মাদকসংক্রান্ত অপরাধের বিচারে গতি আনতে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা এবং মহানগরে ২২টি ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করেছে সরকার।</p><p>আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়।</p><p>প্রজ্ঞাপনটি গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর ৪৪ক ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এসব ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং সেগুলোর জন্য পৃথক স্থানীয় এখতিয়ার ও সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>নবগঠিত ট্রাইব্যুনাল ও অধিক্ষেত্র : প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা জেলা এলাকার জন্য একটি এবং ঢাকা মহানগরের আওতাধীন থানাগুলোর জন্য চারটি পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর-১ এর অধীন পল্লবী, কাফরুল, মিরপুর, শাহআলী, দারুসসালাম, রূপনগর, ভাষানটেক, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, হাতিরঝিল, শেরে বাংলা নগর, রমনা ও শাহবাগ থানা।</p><p>ঢাকা মহানগর-২ এর অধীন কলাবাগান, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, আদাবর, কোতোয়ালি, বংশাল, চকবাজার, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানা।</p><p>ঢাকা মহানগর-৩ এর আওতাধীন মতিঝিল, শাহজাহানপুর, পল্টন, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা, রামপুরা, ডেমরা, শ্যামপুর, সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী ও ওয়ারী থানা।</p><p>ঢাকা মহানগর-৪ আওতাধীন উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম, উত্তরখান, দক্ষিণখান, বিমানবন্দর, তুরাগ, বাড্ডা, গুলশান, বনানী, ভাটারা, ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত থানা।</p><p>নারায়ণগঞ্জের জন্য ২টি (নারায়ণগঞ্জ-১ ও নারায়ণগঞ্জ-২), চট্টগ্রাম জেলার জন্য একটি এবং চট্টগ্রাম মহানগরের জন্য তিনটি (চট্টগ্রাম মহানগর-১, ২ ও ৩) ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।</p><p>মাদকপ্রবণ সীমান্ত এলাকা কক্সবাজারের জন্য তিনটি ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করা হয়েছে। কক্সবাজার-১ এর অধীন টেকনাফ, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী থানা। কক্সবাজার-২ এর আওতাধীন উখিয়া, সদর ও ঈদগাঁও থানা। কক্সবাজার-৩ এর অধীন রামু, চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী থানা।</p><p>এছাড়া কুমিল্লার জন্য দুটি (কুমিল্লা-১ ও কুমিল্লা-২) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী জেলা, রাজশাহী মহানগর, বগুড়া, দিনাজপুর ও যশোর জেলার জন্য একটি করে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।</p><p>প্রজ্ঞাপন আরও বলা হয়েছে, প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর অধীন ন্যূনতম ৫ বছর বা ততোধিক শাস্তিযোগ্য অপরাধের চলমান মামলাসমূহ বর্তমান আদালত থেকে নবগঠিত ট্রাইব্যুনালসমূহে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী স্থানান্তরিত হবে। কোনো মামলা যে পর্যায়ে স্থানান্তরিত হবে, ঠিক সে পর্যায় থেকেই বিচারকার্য পরিচালিত হবে। অবিলম্বে এটি কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f962-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 21:21:46 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কক্সবাজারে আইফোন-ল্যাপটপসহ ৬ চীনা নাগরিক গ্রেফতার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70443/5841-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>কক্সবাজারে বিপুল আইফোন ও ল্যাপটপসহ চীনের ছয়জন নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রতারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সাইবার আইনে মামলা করা হয়েছে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিকেলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, রামু থানায় করা একটি অভিযোগের সূত্র ধরে ঢাকার পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।&nbsp;</p><p>এর আগে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের হোটেল সি-প্যালেস থেকে তাদের আটক করা হয়।</p><p>অভিযানে পুলিশের হাতে আসে ১ হাজার ৯৩৮টি আইফোন, অন্তত ৩০টি ল্যাপটপসহ পুলিশের ব্যবহৃত বিশেষ যোগাযোগ সরঞ্জাম।</p><p>পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চীনা ও তাইওয়ানি নাগরিকদের প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ দল কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন কয়েকটি হোটেল ভাড়া নিয়ে অনলাইনভিত্তিক প্রতারণা চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।</p><p>জানা গেছে, গত ২৬ আগস্ট চীনা নাগরিকদের একটি দল হোটেলটিতে অবস্থান নেয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করা হয়।</p><p>আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ ও আন্তর্জাতিক অনলাইন আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে মামলা হয়েছে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5841-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 20:59:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কক্সবাজারে আইফোন-ল্যাপটপসহ ৬ চীনা নাগরিক গ্রেফতার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/70443/5841-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>কক্সবাজারে বিপুল আইফোন ও ল্যাপটপসহ চীনের ছয়জন নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রতারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সাইবার আইনে মামলা করা হয়েছে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিকেলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, রামু থানায় করা একটি অভিযোগের সূত্র ধরে ঢাকার পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।&nbsp;</p><p>এর আগে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের হোটেল সি-প্যালেস থেকে তাদের আটক করা হয়।</p><p>অভিযানে পুলিশের হাতে আসে ১ হাজার ৯৩৮টি আইফোন, অন্তত ৩০টি ল্যাপটপসহ পুলিশের ব্যবহৃত বিশেষ যোগাযোগ সরঞ্জাম।</p><p>পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চীনা ও তাইওয়ানি নাগরিকদের প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ দল কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন কয়েকটি হোটেল ভাড়া নিয়ে অনলাইনভিত্তিক প্রতারণা চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।</p><p>জানা গেছে, গত ২৬ আগস্ট চীনা নাগরিকদের একটি দল হোটেলটিতে অবস্থান নেয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করা হয়।</p><p>আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ ও আন্তর্জাতিক অনলাইন আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে মামলা হয়েছে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5841-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 20:59:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শিবগঞ্জে পদ্মা নদীতে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70442/d264-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: </strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে সোহান (১০) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুরে উপজেলার সাত্তার মোড় এলাকায় পদ্মা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সোহান উপজেলার উত্তর উজিরপুর সাত্তার এলাকার সেলিম রেজার ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।</p><p>স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে সহপাঠীদের সঙ্গে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামে সোহান। একপর্যায়ে তার হাত থেকে প্লাস্টিকের বোতল ছুটে গেলে সেটি তুলতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যায় সে। পরে স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর তাকে নদী থেকে উদ্ধার করে দ্রুত শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।</p><p>শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. অন্তর আহসান বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালে আসার সময়ই মৃত অবস্থায় ছিল। এরপরও তাকে বাঁচানোর জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে ইসিজি পরীক্ষা করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।</p><p>এ ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ।</p><p>স্থানীয়রা জানান, নদীতে গোসলের সময় শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে স্রোত ও গভীরতা সম্পর্কে ধারণা না থাকলে শিশুদের নদীতে একা বা সহপাঠীদের সঙ্গে গোসল করতে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d264-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 20:45:46 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আ.লীগ শুধু প্লান্ট করেছে, বিদ্যুৎ চালুর পরিকল্পনা করেনি: বিমান মন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70441/f1a4-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি:</strong> জামালপুরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, আওয়ামী লীগ বিদ্যুতের নামে শুধু প্লান্ট করেছে। কিন্তু বিদ্যুৎ প্লান্ট কীভাবে চলবে তার কোনো পরিকল্পনা করেনি।</p><p>তিনি বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকারও বিদ্যুৎ নিয়ে একটা কাজও করেনি। যেটা দিয়ে গ্যাস তৈরি হয়, সেটার একটা মেশিন নষ্ট হয়েছিল, সেটাও মেরামত করেনি, যে কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা হচ্ছে বিধায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি হচ্ছে। একটি দেশ নতুন করে গড়তে, রাষ্ট্র নির্মাণ করতে হলে আমাদের একটু সময় দিতে হবে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি আয়োজিত দেওয়ানগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।</p><p>বিমার মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের এখানে অনেক সমস্যা আছে। আমাদের সারের সমস্যা আছে। আমরা প্রত্যেকটা ইউনিয়নে সারের ব্যবস্থা করে দিবো, এ মাস থেকেই সারের ডিলার দেওয়া হবে। টিসিবির ডিলার দেওয়া হবে। যাতে করে আগের কোনো লোক, কোনো ফ্যাসিবাদরা আমাদের নিয়ে খেলা করতে না পারে।</p><p>জনসভায় দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শ্যামল চন্দের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসন বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ সাদাসহ আরো অনেকে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f1a4-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 20:36:18 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ট্রাম্পের ওপর চরম ক্ষুব্ধ কানাডা, সমানে চলছে মার্কিন পণ্য বয়কট]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70440/2b22-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে কানাডা। বাণিজ্য বিরোধ, মার্কিন শুল্কনীতি ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন পদক্ষেপে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন কানাডার নাগরিকরা। ফলশ্রুতিতে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে তাদের মধ্যে। এমনকি সমানতালে বাড়ছে মার্কিন পণ্য বয়কটের প্রবণতাও।</p><p>ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।</p><p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন পণ্য বয়কটের হিড়িক লেগে গেছে কানাডার বিভিন্ন শহরে। কানাডার অনেক ভোক্তাই এখন মার্কিন পণ্যের বদলে দেশে তৈরি পণ্য কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন। একইসঙ্গে কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও মার্কিন সরবরাহকারীদের পরিবর্তে কানাডীয় ও অন্যান্য দেশের বিকল্প উৎস খুঁজছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অনেক কানাডিয়ান যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ কমিয়ে দেশের অভ্যন্তরে কিংবা ইউরোপসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।</p><p>একইসঙ্গে রাজনৈতিকভাবেও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর দাবি জোরালো হয়েছে। সাম্প্রতিক অ্যাঙ্গাস রিড ইনস্টিটিউটের এক জরিপে ৭৬ শতাংশ কানাডিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা থেকে সরে আসার সরকারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার বহুদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এখন বড় ধরনের সংকটে পড়ে গেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একের পর এক হঠকারী পদক্ষেপে। এরই মধ্যে কানাডার বিভিন্ন পণ্যের ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে কানাডাও পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অর্থনৈতিক নির্ভরতা কমিয়ে নতুন বাজার ও বাণিজ্যিক অংশীদার খোঁজার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ।</p><p>কানাডিয়ানদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে জনমতেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে। সাম্প্রতিক অ্যাঙ্গাস রিডের জরিপে মাত্র ৪৫ শতাংশ কানাডিয়ান মার্কিন জনগণের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। বিপরীতে ৪৮ শতাংশের মনোভাব নেতিবাচক। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব আরও বেশি। জরিপে ৭৯ শতাংশ কানাডিয়ান তার প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রকাশ করেছেন।</p><p>বিশ্লেষকদের মতে, কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বৈরিতা শুধু সাময়িক রাজনৈতিক বিরোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর প্রভাব পড়ছে বাণিজ্য, ভ্রমণ, ভোক্তাদের কেনাকাটা এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্কেও। ফলে কয়েক দশকের ঘনিষ্ঠ কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে এখন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2b22-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 20:14:28 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অসাম্প্রদায়িক নেতা: রাশেদ খাঁন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70439/b73c-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একজন অসাম্প্রদায়িক নেতা। তিনি দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সমানভাবে ধারণ করেন। ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে জন্মাষ্টমী উৎসবে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>রাশেদ খাঁন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় রয়েছে, যেখানে ‘ধর্ম যার যার, কিন্তু নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার সবার’।</p><p>তিনি বলেন, হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হলেও তার জীবন, দর্শন ও শিক্ষা আজও সমাজে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। শ্রীকৃষ্ণ শিক্ষা দিয়েছেন, মানুষের প্রকৃত পরিচয় বংশপরিচয়ে নয়; বরং তার কর্মের মধ্যদিয়েই মর্যাদা ও অবস্থান নির্ধারিত হয়। তিনি সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাই শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ ধারণ করে বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।</p><p>রাশেদ খাঁন বলেন, আমরা যে ধর্মেরই অনুসারী হই না কেন, সব ধর্মের মূল শিক্ষা শান্তি, শৃঙ্খলা, মানবতা ও সম্প্রীতি। বাংলাদেশে কোনো নাগরিক যেন ধর্মীয় পরিচয় বা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে বৈষম্য ও নির্যাতনের শিকার না হন— এটাই সবার প্রত্যাশা।</p><p>তিনি আরও বলেন, অতীতে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হয়েছিল। ভবিষ্যতে আর কোনো বিশ্বজিৎ যেন এ ধরনের নৃশংস হামলার শিকার না হন, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। সহিংসতা ও বৈষম্যের সংস্কৃতি যাতে আর ফিরে না আসে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।</p><p>সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, অতীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ বৈষম্য ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমান সরকার এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত থাকবে এবং কোনো সনাতন ধর্মাবলম্বীর ওপর ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হামলা বা নিপীড়নের ঘটনা ঘটবে না। একটি অসাম্প্রদায়িক, শান্তিপূর্ণ, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্য।</p><p>জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতনী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্যোগে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫৩তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল।</p><p>সূত্র: জাগো নিউজ</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b73c-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 19:54:54 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজকের তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবে: শিক্ষামন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/education/70438/8390-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>আজকের তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।</p><p>তিনি বলেন, তাদের যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ভালো বই পড়ার প্রতি উৎসাহিত করতে হবে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও বিকাশ আয়োজিত ‘যৌথ উদ্যোগে বইপড়া কর্মসূচির ১২ বছর’ উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রীতি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আনন্দময় ও সৃজনশীল করে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। খেলাধুলা, সংস্কৃতি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং আনন্দময় শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সরকার কাজ করছে। এসব উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p><p>তিনি বলেন, সমাজের উন্নয়নে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।</p><p>মানবিক ও সৃজনশীল মানুষ গড়ে তুলতে রাষ্ট্রের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও এগিয়ে আসতে হবে।</p><p>তরুণ সমাজকে মাদক ও মোবাইল ফোনের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠলে তাদের চিন্তাশক্তি, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকশিত হবে। একই সঙ্গে তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ গঠনের পাশাপাশি দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে।</p><p>অনুষ্ঠানে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার মো. আসাদুজ্জামান এবং বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদির বক্তব্য দেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8390-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 19:54:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সারা দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৫১২ জন হাসপাতালে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Health-treatment/70437/9151-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে এই সময়ে আরও ৫১২ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে নতুন আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৯ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬৭ জন, খুলনা বিভাগে ৭২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৫৭ জন ও রংপুর বিভাগে ১৩ জন।</p><p>এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার ৪৪ জনে। একই সময়ে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ১১১ জনের।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৭ হাজার ১৯৩ জন।</p><p>গত বছর দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং এতে মারা যান ৪১৩ জন। আর ২০২৪ সালে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং এতে মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9151-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 19:45:48 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চট্টগ্রামে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70436/1151-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘চট্টগ্রাম মহানগরীতে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে নতুন মডেলে কাজ শুরু হয়েছে। পতেঙ্গার দু’টি ওয়ার্ডে পাইলট প্রকল্প হিসেবে তার যাত্রা শুরু হলো। এর মাধ্যমে পানি সংকট কেটে যাবে।’</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে নগরীর হোটেল রেডিসন ব্লু’র একটি হলরুমে শহরের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে পানি-সরবরাহ সেবার মান বাড়াতে একটি নতুন সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) মডেল প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।</p><p>চুক্তির আওতায় ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে চট্টগ্রাম ওয়াসা। প্রতিষ্ঠান তিনটি একটি তিন বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।</p><p>অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি হেড অফ মিশন (বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান) ইয়ান ভ্যান ডার লিন্ডেনের উপস্থিতিতে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের জনগণের পক্ষে ইসরাফিল খসরু ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের পানি সরবরাহের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন। চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়ামিন ফারুক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন। নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের পানি ও জলবায়ু বিষয়ক প্রথম সচিব ইজে ক্রুজেন সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী ছিলেন। নেদারল্যান্ডস দূতাবাস এই উদ্যোগে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।</p><p>অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ খাবার পানি পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। এর অংশ হিসেবে নগরীর প্রান্তিক পর্যায়ে উত্তর পতেঙ্গা ও দক্ষিণ পতেঙ্গায় একটি নতুন পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জনগণের সব মৌলিক চাহিদা পূরণের সরকার বদ্ধপরিকর, কিন্তু শুধু সরকার একা এটা করতে পারে না, এ জন্য পার্টনারশিপটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই মডেলে পানি সংকট নিরসনের চেষ্টা করছি আমরা। এই প্রকল্পে নেদারল্যান্ড দূতাবাস, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন, ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ এবং চট্টগ্রাম ওয়াসা একসাথে কাজ করবে।’</p><p>তিনি বলেন, ‘এখন অর্থনীতির সংজ্ঞাও বদলে গেছে। আগে সব সরকার করত। এখন সরকারের পক্ষে একা তো সবকিছু করা সম্ভব না। সরকারি সেবা সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমরা এই পার্টনারশিপটা সব জায়গায় অ্যাপ্লাই করছি। আমাদের পুরো অর্থনীতি মডেলে নতুন পদ্ধতি শুরু করেছি; আগে যেখানে ফাইন্যান্সিং শুধু লিমিটেড কিছু জায়গা থেকে হতো এখন তা আরও বিস্তৃত হচ্ছে। এখন আমরা লিমিটেড জায়গা থেকে সরে গিয়ে পিপিপি মডেলে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের দিকে যাচ্ছি। তার অর্থটা হচ্ছে, সরকার টাকা দেবে, প্রাইভেট সেক্টরও টাকা দেবে, এনজিওরা সহযোগিতা করবে। এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে যে মডেল আমরা দাঁড় করাচ্ছি, সেটা দীর্ঘমেয়াদী হবে, সেটার উপর নির্ভরশীল হওয়া যাবে। এবং এটার বেনিফিট পেতে মেইনটেনেন্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেখা যায় যে সরকার অনেককিছু করে, কিন্তু এগুলো আবার মেইনটেনেন্স করা হয় না।</p><p>অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এইখানে কিন্তু পুরো প্যাকেজটা ওইভাবে করা হচ্ছে। আমরা ক্লিন ওয়াটারের সাথে সাথে বর্ষাকালে চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশনের সমস্যাটাও আমরা সিরিয়াসলি দেখছি। এটা নিয়েও নেদারল্যান্ড দূতাবাসের সঙ্গে আমাদের আলাপ হয়েছে।’</p><p>চট্টগ্রাম ওয়াসার কর্মকর্তারা জানান, চুক্তির আওতায় তিনটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের জন্য একটি উদ্ভাবনী সরকারি-বেসরকারি পানি সরবরাহ মডেল অনুসন্ধান ও পরীক্ষা করবে, যার শুরু হবে কর্পোরেশনের ৪০ ও ৪১ ওয়ার্ডের চাহিদা নিরূপণ ও পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে। চট্টগ্রাম ওয়াসা, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের মধ্যে এটিই এ ধরনের প্রথম আনুষ্ঠানিক সহযোগিতা, যেটি বাংলাদেশের পানি সরবরাহ খাতের জন্য একটি নতুন দিকনির্দেশনার সূচনা করেছে।</p><p>চলতি বছরের মে মাসে ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড (ম্যাক্স ট্যাপওয়াটার)-পরিচালিত একটি সমীক্ষার পর এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হলো।</p><p>ওই সমীক্ষায় দেখা যায়, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪০ ও ৪১ ওয়ার্ডের ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯ জন বাসিন্দার নিরাপদ খাবার পানি প্রাপ্তির সুযোগ সীমিত। ওই দুটি ওয়ার্ডের মাত্র ২০-৪০ শতাংশ বাড়িতে চট্টগ্রাম ওয়াসার পাইপলাইন নেটওয়ার্ক পৌঁছেছে।</p><p>সমীক্ষায় আরও দেখা যায়, দুটি ওয়ার্ডের অধিকাংশ বাসিন্দা বর্তমানে সেখানে কার্যক্রম পরিচালনকারী ৮৫-১১০টি বেসরকারি ভেন্ডরের কাছ থেকে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ লিটার করে পানি কেনেন, যার জন্য ব্যয় হয় ২৫ থেকে ৫০ টাকা করে। এতে আরও দেখা যায় যে, এলাকার ভূগর্ভস্থ পানি অত্যন্ত লবণাক্ত, পরীক্ষায় যার মাত্রা জাতীয় নিরাপদ সীমা ১ হাজার পিপিএম-এর বিপরীতে ৩ হাজার পিপিএম পর্যন্ত পাওয়া গেছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1151-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 19:32:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[উৎসাহ-উদ্দীপনায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উদযাপিত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/religion/70435/36f6-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> যথাযোগ্য মর্যাদায় হিন্দু সম্প্রদায়ের আরাধ্য ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি, শুভ জন্মাষ্টমী ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে।</p><p>জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা, শ্রীশ্রী গীতাযজ্ঞ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, শ্রীমদ্ভাগত পাঠ, সন্ধ্যায় আরতি, কীর্তন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।</p><p>শুক্রবার সকাল ৮টায় রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় গীতাযজ্ঞের মাধ্যমে জন্মাষ্টমীর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। গীতাযজ্ঞ পরিচালনা করে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের শংকর মঠ ও মিশন।</p><p>উৎসবের মূল অনুষঙ্গ ছিল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। যেটি বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি যৌথ এবং ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির যৌথ উদ্যোগ আয়োজন করে। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি পলাশী বাজার, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, বঙ্গবাজার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ভবন, গোলাপশাহ মাজার, গুলিস্তান মোড়, নবাবপুর রোড ও রায় সাহেব বাজার মোড় হয়ে বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হয়।</p><p>বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে পলাশীর মোড়ে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।</p><p>মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন চন্দ্র মজুমদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভা শেষে প্রদীপ জ্বালিয়ে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধন করেন আগত অতিথিবৃন্দ।</p><p>হিন্দু পুরাণমতে, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেন। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালনের জন্য এ দিন মথুরায় কংসের কারাগারে মা দেবকী ও বাবা বসুদেবের ঘর আলো করে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ- এই বিশ্বাস ধারণ করেই দিবসটি উদযাপন করে থাকেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। তাদের আরও বিশ্বাস, দুষ্টের দমন করতে এভাবেই যুগে যুগে ভগবান মানুষের কাছে নেমে আসেন এবং সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠা করেন।</p><p>জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল নামে। শ্রীকৃষ্ণের রথ, রাধা-কৃষ্ণের যুগল মূর্তি, কংসের কারাগার, রাম-সীতা, লব-কুশসহ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনের নানা অংশের আদলে সেজে শোভাযাত্রায় অংশ নেন ভক্তরা। শোভাযাত্রায় অংশ নিতে ঢাকা মহানগর ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে ট্রাক, মিনিট্রাক, পিকআপ, ঘোড়ার গাড়ি, হাতি নিয়ে ভক্তরা ঢাকেশ্বরী মন্দির, পলাশী মোড়সহ আশপাশের এলাকায় মিলিত হন। নানা দৃশ্যপট নিয়ে ধর্মীয় আঙ্গিক বজায় রেখে রাজধানীর প্রতিটি মন্দির এবং হিন্দু সংগঠনগুলোও শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে।</p><p>এ দিকে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী মহোৎসব উদযাপন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার থেকে তিনদিনব্যাপি নানা কর্মসূচি পালন করছে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ-ইসকন বাংলাদেশ। এর অংশ হিসেবে ইসকন স্বামীবাগ আশ্রমে শুক্রবার শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ, কীর্তনমেলা, বিকেলে আলোচনা সভা, সন্ধ্যায় সন্ধ্যা-আরতি, এরপর শ্রীকৃষ্ণলীলামৃত পাঠ এবং রাতে শ্রীকৃষ্ণের মহাভিষেক অনুষ্ঠান হয়।</p><p>দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার, টেলিভিশনসহ বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচারিত হয় বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। এছাড়া রাজধানীর রমনা কালীমন্দির, রাজারবাগের বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির, পূজামণ্ডপ ও ধর্মীয় সংগঠন জন্মাষ্টমী উপলক্ষে অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">36f6-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 19:23:40 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ক্ষমতাসীনদের গালি দেওয়া কি অপরাধ: তাসনিম জারা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70434/3796-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>বাসায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গালিগালাজ করে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন গাজীপুরের সিফাত আব্দুল্লাহ (২৫)। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে আটক করা হয়। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গাজীপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকালে এ প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। তার পোস্টটি এশিয়ান টিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য হুবহু দেওয়া হলো-</p><p>‘সিফাতের ভাষা ভদ্র ছিল না। এটা নিয়ে তর্ক করার কিছু নাই। কিন্তু প্রশ্নটা ভদ্রতার নয়। কারণ সিফাতকে অভদ্রতার জন্য গ্রেফতার করা হয়নি। মামলা দেওয়া হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে। তাহলে গালি দেওয়া কি সন্ত্রাস?</p><p>দেখলাম যারা এই গ্রেফতারের বিপক্ষে লিখছেন তাদের কমেন্টবক্সে গালির বন্যা। সঙ্গে বলছেন যে ছেলেটা গালি দিয়েছে, তাই ধরা ঠিক হয়েছে। আয়রনি হলো, তারা নিজেরাই গালি দিয়ে সেটা বলছেন। এবং তাদের কোনো ভয় নাই। কারণ তারা জানেন গালিটা তারা কাকে দিচ্ছেন, আর কাকে দিচ্ছেন না। অর্থাৎ ক্ষমতাসীন কাউকে গালি দিলে সেটা অপরাধ, ক্ষমতায় না থাকা কাউকে দিলে সেটা গ্রহণযোগ্য।</p><p>আপনারা একটা তালিকা করে দিন। কী কী লিখলে, কী কী আঁকলে, বিলের কাগজ হাতে নিয়ে কী কী বললে রাত সাড়ে আটটায় দরজায় পুলিশ আসবে না। লিখে দিন। আমরা মেনে চলব। আর যদি তালিকা দিতে অস্বস্তি হয়, ‘দ্য ডিক্টেটর’ সিনেমার আলাদিনের আচরণের মতো মনে হয়, তাহলে নিজেদের সংযত করুন।</p><p>সিফাতকে অবিলম্বে মুক্তি দিন। মামলা প্রত্যাহার করুন। আর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের যে ধারাগুলো কথা বলার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যায়, সেগুলো সংশোধন করুন।’</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-09-04a_n17885280083280.jpg"></figure>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3796-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 19:21:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ক্ষমতাসীনদের গালি দেওয়া কি অপরাধ: তাসনিম জারা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/NCP/70434/3796-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>বাসায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গালিগালাজ করে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন গাজীপুরের সিফাত আব্দুল্লাহ (২৫)। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে আটক করা হয়। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গাজীপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকালে এ প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। তার পোস্টটি এশিয়ান টিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য হুবহু দেওয়া হলো-</p><p>‘সিফাতের ভাষা ভদ্র ছিল না। এটা নিয়ে তর্ক করার কিছু নাই। কিন্তু প্রশ্নটা ভদ্রতার নয়। কারণ সিফাতকে অভদ্রতার জন্য গ্রেফতার করা হয়নি। মামলা দেওয়া হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে। তাহলে গালি দেওয়া কি সন্ত্রাস?</p><p>দেখলাম যারা এই গ্রেফতারের বিপক্ষে লিখছেন তাদের কমেন্টবক্সে গালির বন্যা। সঙ্গে বলছেন যে ছেলেটা গালি দিয়েছে, তাই ধরা ঠিক হয়েছে। আয়রনি হলো, তারা নিজেরাই গালি দিয়ে সেটা বলছেন। এবং তাদের কোনো ভয় নাই। কারণ তারা জানেন গালিটা তারা কাকে দিচ্ছেন, আর কাকে দিচ্ছেন না। অর্থাৎ ক্ষমতাসীন কাউকে গালি দিলে সেটা অপরাধ, ক্ষমতায় না থাকা কাউকে দিলে সেটা গ্রহণযোগ্য।</p><p>আপনারা একটা তালিকা করে দিন। কী কী লিখলে, কী কী আঁকলে, বিলের কাগজ হাতে নিয়ে কী কী বললে রাত সাড়ে আটটায় দরজায় পুলিশ আসবে না। লিখে দিন। আমরা মেনে চলব। আর যদি তালিকা দিতে অস্বস্তি হয়, ‘দ্য ডিক্টেটর’ সিনেমার আলাদিনের আচরণের মতো মনে হয়, তাহলে নিজেদের সংযত করুন।</p><p>সিফাতকে অবিলম্বে মুক্তি দিন। মামলা প্রত্যাহার করুন। আর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের যে ধারাগুলো কথা বলার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যায়, সেগুলো সংশোধন করুন।’</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-09-04a_n17885280083280.jpg"></figure>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3796-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 19:21:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিএনপির ইতিহাস ও বাংলাদেশের ইতিহাস প্রায় অভিন্ন: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70433/2f84-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> বিএনপির ইতিহাস ও বাংলাদেশের ইতিহাস প্রায় অভিন্ন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।</p><p>তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শ ধর্ম-বর্ণ-জাতি নির্বিশেষে দেশের সব মানুষের অধিকার ও মর্যাদার কথা বলে। এই আদর্শকে ধারণ করেই বিএনপি দীর্ঘ ৪৮ বছর ধরে রাজনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার নরসিংদীর তাঁত বোর্ড ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার বিভিন্ন আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের অর্থনীতিতে উৎপাদন ও উন্নয়নের রাজনীতির সূচনা করেছিলেন। তাঁর সময় অর্থনীতিকে উন্মুক্ত করার পাশাপাশি তৈরি পোশাকশিল্প ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়। আজকের বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি এসব খাত।</p><p>মন্ত্রী আরও বলেন, নারী ও শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।</p><p>বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও নরসিংদীর সন্তান মরহুম আবদুল মোমেন খানের অবদানের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, বিএনপির প্রাথমিক সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তুলতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে নরসিংদীতেও বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম বিস্তার লাভ করে।</p><p>সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দীর্ঘদিন রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন।</p><p>তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আমরা ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাস করি।</p><p>বিএনপির ৪৮ বছরের ইতিহাস ও দলটির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2f84-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 19:19:31 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম নয়, ধর্মের রাজনীতিকরণ: আসাদুল হাবিব দুলু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70432/2956-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, আবহমান কাল ধরে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির লীলাভূমি। এই উদার জমিনে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খৃষ্টান পাশাপাশি বসবাস করছেন। &nbsp;কোনো প্রকার সহিংসতার স্থান এখানে নেই।</p><p>যারা ধর্মের নামে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়িয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে চায় তাদের সম্পর্কে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম নয়, ধর্মের রাজনীতিকরণ।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে লালমনিরহাট শহরে জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন ‍তিনি।</p><p>সভায় বক্তৃতা করেন লালমনিরহাট জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হকসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।</p><p>সভা শেষে এক বর্ণিল শোভাযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ করেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2956-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 18:26:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম নয়, ধর্মের রাজনীতিকরণ: আসাদুল হাবিব দুলু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70432/2956-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, আবহমান কাল ধরে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির লীলাভূমি। এই উদার জমিনে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খৃষ্টান পাশাপাশি বসবাস করছেন। &nbsp;কোনো প্রকার সহিংসতার স্থান এখানে নেই।</p><p>যারা ধর্মের নামে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়িয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে চায় তাদের সম্পর্কে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম নয়, ধর্মের রাজনীতিকরণ।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে লালমনিরহাট শহরে জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন ‍তিনি।</p><p>সভায় বক্তৃতা করেন লালমনিরহাট জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হকসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।</p><p>সভা শেষে এক বর্ণিল শোভাযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ করেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2956-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 18:26:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দিল্লিতে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, রেড অ্যালার্ট জারি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70431/15da-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: ভারতের রাজধানী দিল্লির বিভিন্ন অঞ্চলে মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ার পরে বজ্রপাত, ঝোড়ো হাওয়া ও অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় ‘রেড অ্যালার্টও’ জারি করা হয়েছে। খবর <a href="https://www.ndtv.com/india-news/heavy-rain-hits-delhi-red-alert-issued-for-thunderstorms-lightning-12001976?pfrom=home-ndtv_indianews"><strong>এনডিটিভি</strong></a>র।</p><p>জন্মাষ্টমীর উৎসবে বাইরে বের হওয়া দর্শনার্থীরা হঠাৎ করে এই বাঁধভাঙা বৃষ্টির মুখে পড়েন। বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি শুরু করেন সাধারণ মানুষ।</p><p>ভারতের আবহাওয়া দফতরের (আইএমডি) ৩ ঘণ্টার বৃষ্টিপাতের তথ্য অনুযায়ী, ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার স্থানীয় সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পালাম এলাকায় প্রায় সাড়ে ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে নাজাফগড়ে ০ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়।</p><p>দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে প্রকাশিত স্বল্পমেয়াদি পূর্বাভাসে আইএমডি জানায়, দুপুর ২টা ১৫ মিনিট থেকে বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটের মধ্যে একাধিক স্থানে বজ্রবিদ্যুৎ ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দু-এক স্থানে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।</p><p>আবহাওয়া দফতর আরও জানায়, বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে ভারতের অধিকাংশ স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ এবং কিছু কিছু জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বিজলি চমকানোর সম্ভাবনা রয়েছে।</p><p>পরবর্তী ৩ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে দফতরটি জানিয়েছে, অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি বর্ষণ ছাড়াও দু-এক জায়গায় ৫০ থেকে ১০০ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে, যার গতিবেগ সাময়িকভাবে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">15da-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 18:26:45 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রাঙামাটিতে ডাকাতি, ধর্ষণ ও মাদক মামলায় গ্রেফতার ১০]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70430/bf9a-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>রাঙামাটি প্রতিনিধি: </strong>রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ডাকাতি, ধর্ষণ, মাদক কারবার ও মাদক সেবনের অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।</p><p>রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএমের নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি আভিযানিক দল অভিযানটি পরিচালনা করে।</p><p>পুলিশ জানায়, গ্রেফতারদের মধ্যে একজনকে ডাকাতি সংগঠনের অভিযোগে এবং একজনকে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে।</p><p>ডাকাতির অভিযোগে গ্রেফতার ব্যক্তি হলেন আহাম্মেদ সফি (৪৪)। তিনি রাঙামাটি কোতয়ালী থানার বালুখালী ইউনিয়নের আদার পাহাড় এলাকার বাসিন্দা।</p><p>ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার মুহাম্মদ ইউসুফ আলী (২৬)। তিনি হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের শেখেরগাঁও এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় বসবাস করছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।</p><p>এ ছাড়া মাদক কারবারের অভিযোগে শাহাবু্উদ্দিন (৩২), মিছকাত (১৮), দেলোয়ার হোসেন (২০), মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে বাবু (২৭) এবং মো. খোকন খান (২৫)কে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>অন্যদিকে মাদক সেবনের অভিযোগে রবিউল (১৮), ইদ্রিস আলী (৫৩) ও সাফিন মাহামুদ রাফি (২০)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।</p><p>কোতয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১০ জনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরে তাদের বিধি মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">bf9a-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 18:01:37 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রাঙামাটিতে ডাকাতি, ধর্ষণ ও মাদক মামলায় গ্রেফতার ১০]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/70430/bf9a-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>রাঙামাটি প্রতিনিধি: </strong>রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ডাকাতি, ধর্ষণ, মাদক কারবার ও মাদক সেবনের অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।</p><p>রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএমের নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি আভিযানিক দল অভিযানটি পরিচালনা করে।</p><p>পুলিশ জানায়, গ্রেফতারদের মধ্যে একজনকে ডাকাতি সংগঠনের অভিযোগে এবং একজনকে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে।</p><p>ডাকাতির অভিযোগে গ্রেফতার ব্যক্তি হলেন আহাম্মেদ সফি (৪৪)। তিনি রাঙামাটি কোতয়ালী থানার বালুখালী ইউনিয়নের আদার পাহাড় এলাকার বাসিন্দা।</p><p>ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার মুহাম্মদ ইউসুফ আলী (২৬)। তিনি হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের শেখেরগাঁও এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় বসবাস করছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।</p><p>এ ছাড়া মাদক কারবারের অভিযোগে শাহাবু্উদ্দিন (৩২), মিছকাত (১৮), দেলোয়ার হোসেন (২০), মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে বাবু (২৭) এবং মো. খোকন খান (২৫)কে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>অন্যদিকে মাদক সেবনের অভিযোগে রবিউল (১৮), ইদ্রিস আলী (৫৩) ও সাফিন মাহামুদ রাফি (২০)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।</p><p>কোতয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১০ জনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরে তাদের বিধি মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">bf9a-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 18:01:37 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভোট ব্যাংক ভাবার ধারণা ভেঙে দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70429/263f-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শক্তি সনাতন ধর্মের ভাইবোনদের তাদের জন্য ভোট ব্যাংক মনে করত, সেই ভ্রান্ত ধারণা ও মিথ আপনারা ভেঙে দিয়েছেন। ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পলাশী মোড় থেকে শুরু হওয়া জন্মাষ্টমী উপলক্ষে র‌্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে সব ধর্মের চর্চা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে দেওয়া হয়েছে এবং রাষ্ট্র তা নিশ্চিত করবে।</p><p>তিনি বলেন, ‘ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না; এ কথা সংবিধানেও বলা হয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য সব ধর্মাবলম্বীর উপাসনালয় এবং উপাসনালয়ের কর্তাদের স্বাধীনতা ও উপাসনালয় স্থাপনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।’</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শুধু সেটা কিতাবে, সংবিধানে ধারণ করেই বসে থাকতে চাই না। বাস্তবে আমরা এই সম্প্রীতি, এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করব এবং আমরা সেই ঘোষণা দিয়েছি।’</p><p>সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ধর্মীয় পরিচয় থাকতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় পরিচয়টা এখানে কোনো মুখ্য নয়। আমরা নাগরিকের পরিচয়ে এখানে থাকতে চাই। বাংলাদেশের সব নাগরিক মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, নৃগোষ্ঠী যারাই হোক, তারা ধর্মীয়ভাবে, সাংস্কৃতিকভাবে নিজ নিজ ধর্মাচার, ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালন করবেন। কিন্তু জাতীয়তা হিসেবে আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে থাকব।’</p><p>তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সম্প্রীতি থাকবে। এই একটাই হবে আমাদের পরিচয়। এজন্যই আমরা বলি, আমাদের নেতা বলেছেন—সবার আগে বাংলাদেশ। যদি সবার আগে বাংলাদেশ হয়, তাহলে আমরা সবার আগে বাংলাদেশি, তারপরে আমাদের ধর্মীয় পরিচয়, সাংস্কৃতিক পরিচয়, নৃতাত্ত্বিক পরিচয়।’</p><p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে কেউই যেন নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে পরিচয় না দেন। সবাই নাগরিকত্বের ভিত্তিতে পরিচয় দেবেন। ধর্মের ভিত্তিতে নয়।</p><p>সূত্র: কালের কণ্ঠ</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">263f-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 17:59:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের ঘোষণা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70428/ac27-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট কমাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুরে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মন্ত্রীর মেহেদীবাগস্থ বাসভবনে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান। &nbsp;</p><p>সাক্ষাৎকালে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের নেতারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সীতাকুণ্ডের সমুদ্র উপকূলীয় বেড়িবাঁধের উপর মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব দেন। একই সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিশেষ করে সীতাকুণ্ড অংশে বড় দারোগারহাট থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের দাবিও তুলে ধরেন তারা।</p><p>সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী সরকারের পক্ষ থেকে যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।</p><p>পরে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের নেতারা তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংবলিত একটি স্মারকলিপি মন্ত্রীর কাছে পেশ করেন। এতে চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির লাইন সীতাকুণ্ড পর্যন্ত সম্প্রসারণসহ সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ও দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সহযোগিতা কামনা করা হয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ac27-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 17:47:58 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালকে দালালমুক্ত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70427/8455-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালকে দালালমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>পরিদর্শন কালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিলেটে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের ড্রেনেজ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার যাবতীয় সমস্যা সাত দিনের মধ্যে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।</p><p>স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে একটি চক্র রোগীদেরকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যায়৷ এই দালাল চক্রকে ধরার জন্য ডিজিএফআই, র‌্যাবসহ সব আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী একযোগে কাজ করছে।</p><p>তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বহু হাসপাতালে তারা অভিযান পরিচালনা করেছেন৷ এসব অভিযানের ফলে পূর্বের চেয়ে দালাল চক্রের উৎপাত কমেছে।</p><p>অবৈধ ক্লিনিক ও ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জেলাগুলোতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। অবৈধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লিনিক সিলগালা করা হচ্ছে।</p><p>তিনি বলেন, যেসব ক্লিনিকে অবৈধ চিকিৎসক এবং ভুয়া সনদধারী টেকনিশিয়ান দিয়ে অস্ত্রোপচারসহ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে, সেসব প্রতিষ্ঠানও সিলগালা করা হচ্ছে। তিনি নিজে এসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা সংগ্রহ করে অভিযান পরিচালনার বিষয়টি তদারকি করছেন বলেও জানান।</p><p>ডাক্তারদের উপস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত এক মাসে ২৫টির বেশি হাসপাতাল পরিদর্শন করে চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি পেয়েছি। চিকিৎসকদের আচরণ ও হাসপাতালের খাবারের মান আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8455-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 17:42:48 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশের বিভিন্ন স্থানে ২২টি মাদক ট্রাইব্যুনাল গঠন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70426/382c-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>মাদকসংক্রান্ত অপরাধের বিচারে গতি আনতে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা এবং মহানগরে ২২টি ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করেছে সরকার। আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে প্রজ্ঞাপনটি বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৪ক ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এসব ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং সেগুলোর জন্য পৃথক স্থানীয় এখতিয়ার ও সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>নবগঠিত ট্রাইব্যুনাল ও অধিক্ষেত্র: প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা জেলা এলাকার জন্য একটি এবং ঢাকা মহানগরের আওতাধীন থানাগুলোর জন্য চারটি পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে- ঢাকা মহানগর-১ এর অধীন পল্লবী, কাফরুল, মিরপুর, শাহআলী, দারুসসালাম, রূপনগর, ভাষানটেক, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, হাতিরঝিল, শেরে বাংলা নগর, রমনা ও শাহবাগ থানা।</p><p>ঢাকা মহানগর-২ এর অধীন কলাবাগান, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, আদাবর, কোতোয়ালী, বংশাল, চকবাজার, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানা।</p><p>ঢাকা মহানগর-৩ এর আওতাধীন মতিঝিল, শাহজাহানপুর, পল্টন, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা, রামপুরা, ডেমরা, শ্যামপুর, সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী ও ওয়ারী থানা।</p><p>ঢাকা মহানগর-৪ আওতাধীন উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম, উত্তরখান, দক্ষিণখান, বিমানবন্দর, তুরাগ, বাড্ডা, গুলশান, বনানী, ভাটারা, ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত থানা।</p><p>নারায়ণগঞ্জের জন্য ২টি (নারায়ণগঞ্জ-১ ও নারায়ণগঞ্জ-২), চট্টগ্রাম জেলার জন্য একটি এবং চট্টগ্রাম মহানগরের জন্য তিনটি (চট্টগ্রাম মহানগর-১, ২ ও ৩) ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।</p><p>মাদকপ্রবণ সীমান্ত এলাকা কক্সবাজারের জন্য তিনটি ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করা হয়েছে। কক্সবাজার-১ এর অধীন টেকনাফ, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী থানা। কক্সবাজার-২ এর আওতাধীন উখিয়া, সদর ও ঈদগাঁও থানা। কক্সবাজার-৩ এর অধীন রামু, চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী থানা।</p><p>এছাড়া কুমিল্লার জন্য দু’টি (কুমিল্লা-১ ও কুমিল্লা-২) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী জেলা, রাজশাহী মহানগর, বগুড়া, দিনাজপুর ও যশোর জেলার জন্য একটি করে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।</p><p>প্রজ্ঞাপন আরও বলা হয়েছে, প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর অধীন ন্যূনতম ৫ বছর বা ততোধিক শাস্তিযোগ্য অপরাধের চলমান মামলাসমূহ বর্তমান আদালত থেকে নবগঠিত ট্রাইব্যুনালসমূহে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী স্থানান্তরিত হবে। কোনো মামলা যে পর্যায়ে স্থানান্তরিত হবে, ঠিক সে পর্যায় থেকেই বিচারকার্য পরিচালিত হবে। অবিলম্বে এটি কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">382c-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 17:23:16 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ নয়, আমাদের বড় পরিচয় আমরা বাংলাদেশি: খাদ্যমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70425/eec0-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ নয়, আমাদের বড় পরিচয় আমরা বাংলাদেশি বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।</p><p>তিনি বলেন, “আপনাদের আন্তরিকতা, ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণে আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পেরেছি। আপনারা আমাকে যেভাবে ভালোবাসা দিয়ে ঋণী করছেন, এখন সেই ঋণ আমাকে কমাতে হবে। দায়মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করতে হবে।”</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ১১টায় শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে &nbsp;এসব কথা বলেন তিনি।</p><p>খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “এই দায়মুক্ত কীভাবে হবো? আপনাদের পাশে থেকে, আপনাদের জন্য কাজ করে। আমি সব সময় আপনাদের নিয়ে থাকতে চাই।”</p><p>সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনারা বিগত দিনে যেভাবে আমার পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং আগামীতেও পাশে থাকবেন, এটাই আমার প্রত্যাশা। আমি সব সময় একটি কথা বলি,''আপনাদের সুখের দিনে আমাকে না ডাকলেও চলবে, কিন্তু দুঃখের দিনে আমাকে ডাকবেন। আমি অবশ্যই আপনাদের ডাকে সাড়া দিয়ে পাশে থাকব।”</p><p>মানিকগঞ্জের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মানিকগঞ্জে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সবার মধ্যে একটি সুন্দর সম্প্রতি &nbsp;রয়েছে। এই সম্প্রীতি আমাদের সবাইকে ধরে রাখতে হবে।”</p><p>খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনারা জানেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রত্যেকটি মানুষকে একইভাবে দেখেন। এখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান-এভাবে কোনো বিবেচনা করা হয় না। আমাদের সবার একটি পরিচয়,আমরা বাংলাদেশি। এটিই আমাদের বড়ো পরিচয়। আমাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে হবে।”</p><p>জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান সম্পর্কে তিনি বলেন, “আজকের মিলনমেলাটি অনেক সুন্দর হয়েছে। সবার মধ্যে একটি আনন্দের আবহ লক্ষ্য করছি।&nbsp;আমার খুব ভালো লাগছে।”</p><p>অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী পূজা উদযাপন কমিটিকে এক লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন।</p><p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি প্রণব কুমার সিকদার। বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার, শ্রী কালীপদ ঘোষ, অনিল কুমার ও রঞ্জিত কুমার দে। অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।</p><p>অনুষ্ঠান শেষে&nbsp;বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে খাদ্যমন্ত্রী বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে মানিকগঞ্জের বেউথা মসজিদ প্রাঙ্গণ এবং বেউথা-আন্ধারমানিক সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।</p><p>এ সময় তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং দলীয় নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষকে বেশি করে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">eec0-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 17:12:03 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রীকে আনা হচ্ছে ঢাকায়]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70424/4509-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ঢাকা থেকে নিজ নির্বাচনী জেলা জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবুল বারীকে বহনকারী গাড়ি। এ সময় প্রতিমন্ত্রী ও তার সঙ্গে থাকা সহধর্মিণী নাজমা আরা বেগম আহত হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রীকে আনা হচ্ছে ঢাকায়।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কের কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রতিমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িটি ফিরোজা বেগম (৬০) নামে এক নারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে ধানখেতে পড়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা আহত অবস্থায় পথচারী নারী ফিরোজা বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত ফিরোজা বেগম শিবগঞ্জ উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত নিজামুদ্দিন সরদারের স্ত্রী।</p><p>এদিকে, দুর্ঘটনায় আহত প্রতিমন্ত্রীকে কালাইয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর জয়পুরহাট ৪০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তার সঙ্গে থাকা স্ত্রী সুস্থ আছেন। সেখানে চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।</p><p>হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক জুয়েল জানান, দুর্ঘটনায় প্রতিমন্ত্রীর ডান পা, বাম পায়ের সোল্ডার ও বুকে আঘাত লেগেছে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4509-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 17:03:12 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/health/70423/f801-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৫৪ জন। ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৪ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে আজ (৪ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত মোট হামরোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬২ হাজার ২৬২ জন।</p><p>গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৪০ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৫৬৭ জন।<br><br>গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক লাখ ৪২ হাজার ৪৫৩ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এক লাখ ৩৭ হাজার ৩৫০ জন।</p><p>গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f801-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 17:02:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নোয়াখালী বিভাগ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগ অবরোধ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/70422/4fd5-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>নোয়াখালীকে পৃথক বিভাগ ঘোষণার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনকারীরা।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শাহবাগে অবস্থান নেন তারা। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।</p><p>জুমার নামাজ শেষে বিকেল ৩টার দিকে চকবাজার চক মসজিদ থেকে শাহবাগের উদ্দেশে মিছিল নিয়ে রওনা হন আন্দোলনকারীরা। প্রায় ৪৫ মিনিট পর তারা শাহবাগে পৌঁছে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন।</p><p>এ সময় নোয়াখালীকে দ্রুত পৃথক বিভাগ ঘোষণার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের এই দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করে নোয়াখালীকে পৃথক বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।</p><p>আন্দোলনকারীরা বলেন, নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণা করা হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং বৃহত্তর এলাকার মানুষের নাগরিক সেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে।</p><p>এদিকে আন্দোলনকারীদের সড়ক অবরোধের কারণে শাহবাগ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে আশপাশের সড়কগুলোতেও। ফলে ওই এলাকায় যানজট তৈরি হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।</p><p>পরিস্থিতি সামাল দিতে আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা ব্যস্ত থাকায় এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।</p><p>পুলিশ জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। পরে বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কথা বলবেন।</p><p>সূত্র: কালবেলা</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4fd5-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 16:54:19 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিএডিসির বহুল প্রত্যাশিত স্কেল ভেটিং সম্পন্ন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70421/56c8-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বেতন স্কেল ভেটিং সম্পন্ন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিএডিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।</p><p>বিএডিসি কৃষিবিদ সমিতির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির বলেন, দীর্ঘদিনের চাকরির বিধিমালা ও বেতন কাঠামোর জটিলতা নিরসন এবং সুনির্দিষ্ট বেতন গ্রেড নির্ধারণের জন্য প্রধানমন্ত্রী সময়োপযোগী হস্তক্ষেপ করেছেন। তাঁর সিদ্ধান্তে বিএডিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত স্কেল ভেটিং বাস্তবায়নের পথ সুগম হয়েছে।</p><p>তিনি আরও বলেন, ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের কৃষি ও কৃষকের দোরগোড়ায় মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, সার সরবরাহ এবং আধুনিক সেচ প্রযুক্তি সম্প্রসারণে বিএডিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএডিসি নিজস্ব আইন ও অনুমোদিত প্রবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়ে আসছে।</p><p>বিএডিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দাবি করেন, সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক পরিপত্রে ৪ হাজার ৬শ’ ৯৯টি পদের বেতন গ্রেড বিদ্যমান আইন ও প্রজ্ঞাপনের পরিপন্থীভাবে এক ধাপ অবনমন (ডাউনগ্রেড) করার পাশাপাশি কিছু নতুন নিয়োগ ও পদোন্নতির শর্ত জুড়ে দেওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। এর প্রতিবাদে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলনে নামেন এবং কর্মবিরতি, মানববন্ধনসহ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেন।<br>বক্তব্যে আরও জানানো হয়, কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সাবেক এক সচিবের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিএডিসির জন্য ১০ হাজার জনবলের একটি প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিএডিসির জন্য ৯ হাজার ৩৫৫ জন জনবল অনুমোদন করে।</p><p>তবে স্কেল ভেটিংয়ের সময় অনুমোদিত পদের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমিয়ে ৫ হাজার ২১৮ জনের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন বিএডিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এর মধ্যে ৫শ’ ১৯টি পদের স্কেল ভেটিং হয়নি।</p><p>সাংবাদিক সম্মেলনে কৃষি সচিব ও অর্থ সচিবের প্রতি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ৫শ’ ১৯টি পদের স্কেল ভেটিং সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়।</p><p>পূর্ণাঙ্গ পেনশন ব্যবস্থা চালুর দাবিও বিএডিসিতে বর্তমানে পেনশন ব্যবস্থা চালু না থাকার বিষয়টিও সাংবাদিক সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সার, বীজ ও সেচের মতো গুরুত্বপূর্ণ কৃষি উপকরণ সরবরাহের পাশাপাশি খাল খনন ও পুনঃখননের মাধ্যমে সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষিজমিতে সেচের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে বিএডিসি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।</p><p>সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও বিএডিসির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পাটবীজ ও পেয়ারাবীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে বিএডিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।</p><p>দেশের কৃষি উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে বিএডিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পূর্ণাঙ্গ পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তনের পাশাপাশি জনবল ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট পদ যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়।</p><p>সাংবাদিক সম্মেলনে বিএডিসি কৃষিবিদ সমিতি, বিএডিসি প্রকৌশল সমিতি, বিএডিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিবিএসহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও কর্মচারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের প্রতি আন্দোলনে সহযোগিতা ও সংহতির জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">56c8-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 16:51:13 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জ্বর হলেই অন্তঃসত্ত্বা নারীদের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Health-treatment/70420/da36-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য ডেঙ্গু বিপজ্জনক। গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গু ধরা পড়লে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন। জ্বর হলেই হবু মায়েদের নানা শারীরিক অসুবিধা দেখা দিতে পারে। এতে গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বেশি। গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গু হলে মা ও অনাগত শিশুর উভয়ের জন্যই তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এ ক্ষেত্রে শুরু থেকেই চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।</p><p>তারা বলছেন, অন্তঃসত্ত্বা নারী ঝুঁকিপূর্ণ জনসংখ্যার অন্তর্ভুক্ত। কারণ একজন নারী যখন অন্তঃসত্ত্বা হন, তখন তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এ সময় তিনি সব ধরনের রোগের ঝুঁকিতে থাকেন। তাই এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সতর্ক থাকতে হবে।</p><p>গাইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্তঃসত্ত্বা নারীদের উচিত জ্বর হলেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রক্তের সিবিসি করানো। এই জ্বরে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ খাওয়া যাবে না। প্লাটিলেট কমে গেলে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। এছাড়া জ্বরের শুরুতে একবার এবং চারদিন পর দুই দফায় ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে।</p><p>ডেঙ্গু জ্বরের কিছু উপসর্গ আছে, সেগুলো অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। যেমন- প্রসাব কমে যাওয়া, দুর্বল লাগা, পেট ব্যথা, অতিরিক্ত বমি, শরীরের চামড়ায় বা মুখে র‌্যাশ বা মেস্তা জাতীয় লাল ছোপ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। জ্বর কমে যাওয়ার সময়টা সবচেয়ে ভয়ের। এই সময়টা চিকিৎসকের পরামর্শে থাকতে হবে ।</p><p>এ বিষয়ে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ এবং আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সাবেক পরিচালক ডা. নাহিদা নাজনীন বলেন, গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গুর সবচেয়ে বড় ভয় ব্লিডিং। তাই এ সময় ডেলিভারিতে-নরমাল বা সিজার-দুই ক্ষেত্রেই বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে। বিশেষ করে রোগী যদি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়, তাহলে তার জন্য একাধিক ব্লাড ডোনার প্রস্তুত রাখতে হবে। ডেলিভারির (প্রসব) পরপরই নবজাতককে শিশু বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে মনিটর করতে হবে।</p><p>তিনি বলেন, ডেলিভারির পর প্রচুর রক্তপাত হতে পারে। তাই খুব বাধ্য না হলে অন্তঃসত্ত্বা ডেঙ্গু রোগীকে কোনভাবেই অপারেশন বা ব্যাথার ওষুধ দিয়ে ডেলিভারি করানো যাবে না।</p><p>করণীয় বিষয়ে তিনি বলেন, দৈনিক ৩-৪ লিটার তরল খাবার (ডাবের পানি, খাবার স্যালাইন, ফলের রস, স্যুপ) পান করতে হবে। রোগীকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই প্যারাসিটামল ব্যতীত অন্য কোনো ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া যাবে না। চিকিৎসকের নির্দেশ মতো নিয়মিত প্লাটিলেট কাউন্ট (সিবিসি) এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হবে।</p><p>এজন্য এই সময়ে বাড়িতে যদি অন্তঃসত্ত্বা কেউ থাকে, তাহলে অবশ্যই বাড়ির আঙিনা এডিস মশামুক্ত রাখতে হবে। ঘুমানোর সময় মশারি টানাতে হবে। এছাড়া ফুলহাতা &nbsp;পোশাক ও পায়ে মোজা পরবে। জ্বর হোক বা না হোক, কোনো ধরনের অসুস্থতা দেখা দিলেই তার ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে। কারণ লক্ষণ ছাড়া ডেঙ্গু হলে অন্তঃসত্ত্বা নারী ঝুঁকিতে পড়বেন।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">da36-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 16:34:56 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জ্বর হলেই অন্তঃসত্ত্বা নারীদের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/lifestyle/70420/da36-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য ডেঙ্গু বিপজ্জনক। গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গু ধরা পড়লে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন। জ্বর হলেই হবু মায়েদের নানা শারীরিক অসুবিধা দেখা দিতে পারে। এতে গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বেশি। গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গু হলে মা ও অনাগত শিশুর উভয়ের জন্যই তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এ ক্ষেত্রে শুরু থেকেই চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।</p><p>তারা বলছেন, অন্তঃসত্ত্বা নারী ঝুঁকিপূর্ণ জনসংখ্যার অন্তর্ভুক্ত। কারণ একজন নারী যখন অন্তঃসত্ত্বা হন, তখন তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এ সময় তিনি সব ধরনের রোগের ঝুঁকিতে থাকেন। তাই এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সতর্ক থাকতে হবে।</p><p>গাইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্তঃসত্ত্বা নারীদের উচিত জ্বর হলেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রক্তের সিবিসি করানো। এই জ্বরে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ খাওয়া যাবে না। প্লাটিলেট কমে গেলে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। এছাড়া জ্বরের শুরুতে একবার এবং চারদিন পর দুই দফায় ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে।</p><p>ডেঙ্গু জ্বরের কিছু উপসর্গ আছে, সেগুলো অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। যেমন- প্রসাব কমে যাওয়া, দুর্বল লাগা, পেট ব্যথা, অতিরিক্ত বমি, শরীরের চামড়ায় বা মুখে র‌্যাশ বা মেস্তা জাতীয় লাল ছোপ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। জ্বর কমে যাওয়ার সময়টা সবচেয়ে ভয়ের। এই সময়টা চিকিৎসকের পরামর্শে থাকতে হবে ।</p><p>এ বিষয়ে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ এবং আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সাবেক পরিচালক ডা. নাহিদা নাজনীন বলেন, গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গুর সবচেয়ে বড় ভয় ব্লিডিং। তাই এ সময় ডেলিভারিতে-নরমাল বা সিজার-দুই ক্ষেত্রেই বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে। বিশেষ করে রোগী যদি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়, তাহলে তার জন্য একাধিক ব্লাড ডোনার প্রস্তুত রাখতে হবে। ডেলিভারির (প্রসব) পরপরই নবজাতককে শিশু বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে মনিটর করতে হবে।</p><p>তিনি বলেন, ডেলিভারির পর প্রচুর রক্তপাত হতে পারে। তাই খুব বাধ্য না হলে অন্তঃসত্ত্বা ডেঙ্গু রোগীকে কোনভাবেই অপারেশন বা ব্যাথার ওষুধ দিয়ে ডেলিভারি করানো যাবে না।</p><p>করণীয় বিষয়ে তিনি বলেন, দৈনিক ৩-৪ লিটার তরল খাবার (ডাবের পানি, খাবার স্যালাইন, ফলের রস, স্যুপ) পান করতে হবে। রোগীকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই প্যারাসিটামল ব্যতীত অন্য কোনো ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া যাবে না। চিকিৎসকের নির্দেশ মতো নিয়মিত প্লাটিলেট কাউন্ট (সিবিসি) এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হবে।</p><p>এজন্য এই সময়ে বাড়িতে যদি অন্তঃসত্ত্বা কেউ থাকে, তাহলে অবশ্যই বাড়ির আঙিনা এডিস মশামুক্ত রাখতে হবে। ঘুমানোর সময় মশারি টানাতে হবে। এছাড়া ফুলহাতা &nbsp;পোশাক ও পায়ে মোজা পরবে। জ্বর হোক বা না হোক, কোনো ধরনের অসুস্থতা দেখা দিলেই তার ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে। কারণ লক্ষণ ছাড়া ডেঙ্গু হলে অন্তঃসত্ত্বা নারী ঝুঁকিতে পড়বেন।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">da36-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 16:34:56 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জ্বর হলেই অন্তঃসত্ত্বা নারীদের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/women/70420/da36-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য ডেঙ্গু বিপজ্জনক। গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গু ধরা পড়লে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন। জ্বর হলেই হবু মায়েদের নানা শারীরিক অসুবিধা দেখা দিতে পারে। এতে গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বেশি। গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গু হলে মা ও অনাগত শিশুর উভয়ের জন্যই তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এ ক্ষেত্রে শুরু থেকেই চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।</p><p>তারা বলছেন, অন্তঃসত্ত্বা নারী ঝুঁকিপূর্ণ জনসংখ্যার অন্তর্ভুক্ত। কারণ একজন নারী যখন অন্তঃসত্ত্বা হন, তখন তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এ সময় তিনি সব ধরনের রোগের ঝুঁকিতে থাকেন। তাই এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সতর্ক থাকতে হবে।</p><p>গাইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্তঃসত্ত্বা নারীদের উচিত জ্বর হলেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রক্তের সিবিসি করানো। এই জ্বরে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ খাওয়া যাবে না। প্লাটিলেট কমে গেলে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। এছাড়া জ্বরের শুরুতে একবার এবং চারদিন পর দুই দফায় ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে।</p><p>ডেঙ্গু জ্বরের কিছু উপসর্গ আছে, সেগুলো অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। যেমন- প্রসাব কমে যাওয়া, দুর্বল লাগা, পেট ব্যথা, অতিরিক্ত বমি, শরীরের চামড়ায় বা মুখে র‌্যাশ বা মেস্তা জাতীয় লাল ছোপ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। জ্বর কমে যাওয়ার সময়টা সবচেয়ে ভয়ের। এই সময়টা চিকিৎসকের পরামর্শে থাকতে হবে ।</p><p>এ বিষয়ে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ এবং আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সাবেক পরিচালক ডা. নাহিদা নাজনীন বলেন, গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গুর সবচেয়ে বড় ভয় ব্লিডিং। তাই এ সময় ডেলিভারিতে-নরমাল বা সিজার-দুই ক্ষেত্রেই বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে। বিশেষ করে রোগী যদি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়, তাহলে তার জন্য একাধিক ব্লাড ডোনার প্রস্তুত রাখতে হবে। ডেলিভারির (প্রসব) পরপরই নবজাতককে শিশু বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে মনিটর করতে হবে।</p><p>তিনি বলেন, ডেলিভারির পর প্রচুর রক্তপাত হতে পারে। তাই খুব বাধ্য না হলে অন্তঃসত্ত্বা ডেঙ্গু রোগীকে কোনভাবেই অপারেশন বা ব্যাথার ওষুধ দিয়ে ডেলিভারি করানো যাবে না।</p><p>করণীয় বিষয়ে তিনি বলেন, দৈনিক ৩-৪ লিটার তরল খাবার (ডাবের পানি, খাবার স্যালাইন, ফলের রস, স্যুপ) পান করতে হবে। রোগীকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই প্যারাসিটামল ব্যতীত অন্য কোনো ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া যাবে না। চিকিৎসকের নির্দেশ মতো নিয়মিত প্লাটিলেট কাউন্ট (সিবিসি) এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হবে।</p><p>এজন্য এই সময়ে বাড়িতে যদি অন্তঃসত্ত্বা কেউ থাকে, তাহলে অবশ্যই বাড়ির আঙিনা এডিস মশামুক্ত রাখতে হবে। ঘুমানোর সময় মশারি টানাতে হবে। এছাড়া ফুলহাতা &nbsp;পোশাক ও পায়ে মোজা পরবে। জ্বর হোক বা না হোক, কোনো ধরনের অসুস্থতা দেখা দিলেই তার ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে। কারণ লক্ষণ ছাড়া ডেঙ্গু হলে অন্তঃসত্ত্বা নারী ঝুঁকিতে পড়বেন।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">da36-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 16:34:56 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শিবগঞ্জ সীমান্তে পৃথক অভিযানে এসকুফ সিরাপ জব্দ, আটক ১]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70419/cd85-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: </strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে ১২৬ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় এসকুফ সিরাপ, একটি মোটরসাইকেলসহ একজনকে আটক করেছে বিজিবি।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাতভর শিবগঞ্জ সীমান্তের শাহাবাজপুর ও বিনোদপুর এলাকায় এসব অভিযান চালায় মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)।</p><p>বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনামসজিদ বিওপির একটি বিশেষ টহল দল কয়লাবাড়ী ভেহিক্যাল স্ক্যানারের সামনে অভিযান চালিয়ে মো. মামুন মিয়া (২৫) নামে একজনকে আটক করে।</p><p>এ সময় তার কাছ থেকে ৩৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় এসকুফ সিরাপ ও একটি পালসার-১৫০ সিসি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।</p><p>অপর অভিযানে চৌকা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল বিনোদপুর ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর গ্রামের ঘেরার মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন আরও ৯১ বোতল এসকুফ সিরাপ জব্দ করে।</p><p>মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মাদক ও চোরাচালানবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।</p><p>তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এবং জব্দ মাদক ও মোটরসাইকেলের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">cd85-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 16:28:37 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এবার তামান্নার সঙ্গে ঘনিষ্ট দৃশ্যে সিদ্ধার্থ!]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/70418/c3b4-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক:</strong> &nbsp;‘টক্সিক’ ছবিতে যশের সঙ্গে কিয়ারা আদভানির ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করায় কটাক্ষের মুখে পড়েছিলেন অভিনেত্রী। এমনকি এ নিয়ে কিয়ারার স্বামী ও অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রাকেও শুনতে হয়েছে নানা মন্তব্য। এবার সেই সিদ্ধার্থকেই নাকি অন্য এক অভিনেত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে দেখা যাবে।</p><p>‘দ্য বন: ফোর্স অব দ্য ফরেস্ট’ ছবিতে তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন সিদ্ধার্থ। ছবিতে এই দুই তারকার উষ্ণ রসায়ন দেখা যাবে বলে জানা গেছে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা ‘দ্য বন’-এর। কয়েক দিন আগেই প্রকাশ্যে এসেছে ছবিটির ঝলক। বৃহস্পতিবার প্রকাশের কথা রয়েছে ছবির প্রথম গান ‘সামঝো না’। এর এক দিন আগে বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে গানটির প্রোমো।</p><p>এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সিদ্ধার্থ ও তামান্নার একটি ভিডিও। সেখানে দুই তারকাকে চুম্বনরত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।</p><p>তবে জানা গেছে, ভিডিওটি আসল নয়; কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে সেটি। ভিডিওটি নকল হলেও ‘দ্য বন’ ছবিতে সিদ্ধার্থ ও তামান্নার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য থাকার খবরই সামনে এসেছে।</p><p><br>এরই মধ্যে অনেক নেটাগরিকও জানিয়েছেন, তাঁরা পর্দায় এই জুটির রসায়ন দেখতে আগ্রহী। কেউ কেউ আবার কিয়ারার প্রসঙ্গ টেনে সিদ্ধার্থকে নিয়েও এমন দৃশ্য দেখার দাবি জানিয়েছেন।<br>এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, “ভিডিওটি নকল ঠিকই। কিন্তু এবার সিদ্ধার্থের উষ্ণ দৃশ্য দেখতে চাই। ‘টক্সিক’-এ কিয়ারাকে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে দেখা গেছে। তা হলে সিদ্ধার্থ কেন নয়?”</p><p>এআই দিয়ে তৈরি ওই ভিডিও নিয়ে অবশ্য ‘দ্য বন’ ছবির নির্মাতারা এখনও কোনো মন্তব্য করেননি। সিদ্ধার্থ বা তামান্নার পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।</p><p>প্রথমে চলতি বছরের ২৮ আগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ‘দ্য বন’-এর। অন্যদিকে, ২৬ আগস্ট মুক্তি পেয়েছে কিয়ারার ‘টক্সিক’। ফলে দুই ছবির মধ্যে বক্স অফিসে সংঘর্ষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই ‘দ্য বন’-এর মুক্তি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর ছড়িয়েছিল।</p><p>উল্লেখ্য, ‘দ্য বন’ ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে বিহারের একটি গ্রামের জঙ্গলকে ঘিরে। ওই জঙ্গলকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া রহস্য ও নানা ঘটনার মধ্য দিয়েই এগিয়ে যাবে ছবির কাহিনি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c3b4-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 16:05:12 +0600</pubDate>
            </item>
        
    </channel>
</rss>
