<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0">
    <channel>
        <title><![CDATA[All news items on https://www.asiantvonline.com/]]></title>
        <link><![CDATA[https://asiantvonline.com/]]></link>
        <description><![CDATA[
            Welcome to https://www.asiantvonline.com/! Stay informed with the latest news, headlines, and updates from around the world.
            Subscribe to our RSS feed now to receive regular updates and never miss a beat.
        ]]></description>

        <image>
            <url>https://asiantvonline.com/logo.png</url>
            <title>Asian Tv Online | এশিয়ান টিভি অনলাইন</title>
            <link>https://asiantvonline.com/</link>
        </image>

        <generator><![CDATA[RSS by https://asiantvonline.com/rss-feed.xml]]></generator>
        <language>en</language>
        <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 20:29:15 +0600</pubDate>

        <copyright><![CDATA[
            Copyright: (C) 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.
        ]]></copyright>

                    <item>
                <title><![CDATA[বিমানবন্দরে ভিআইপি-সিআইপিসহ সবাইকে তল্লাশির নির্দেশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68988/d8e4-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> ভিআইপি ও সিআইপি ব্যক্তিসহ সবার ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধি সমানভাবে প্রয়োগ করতে হবে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশি থেকে কাউকে অব্যাহতি দেওয়া যাবে না।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (ক্যাব) সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএসসি) প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।</p><p>মন্ত্রী বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিষয়ক দেশের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ও সমন্বয়কারী সংস্থা এনসিএসসির ১৩তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।</p><p>বাংলাদেশের আসন্ন আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নিরাপত্তা নিরীক্ষার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ নিরীক্ষার ফলাফলের সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। যেসব ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ আসতে পারে, সেসব বিষয়ে আইসিএও’র মানদণ্ড শতভাগ অনুসরণ নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নির্দেশ দেন।</p><p>আফরোজা খানম আরও বলেন, যাত্রীদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশি যাত্রীদের সেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।</p><p>সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন প্রতিরোধে সরকার অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপন করবে।</p><p>তিনি বলেন, প্রায় তিন বছর পর এনসিএসসির সভা হয়েছে। তাই এর সিদ্ধান্তগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আন্তরিক হতে হবে।</p><p>প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা কার্যক্রম নিশ্চিত করতে ন্যূনতম প্রয়োজনীয়তার চেয়ে বেশি সংখ্যায় স্ক্যানারসহ নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি বিমান চলাচল নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।</p><p>সভায় বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে ছিল বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান জোরদার করা, জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন, আইসিএওর নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ।</p><p>কমিটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা, আন্ডার ভেহিকল স্ক্যানিং সিস্টেম (ইউভিএসএস)-এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং দেশের সব বেসামরিক বিমানবন্দরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সংকট ব্যবস্থাপনা জোরদারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করে।</p><p>এছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড এলাকায় যানজট, অননুমোদিত জনসমাগম, ভিক্ষাবৃত্তি এবং অবৈধ লাগেজ মোড়ানোর কার্যক্রম প্রতিরোধে ক্যাব, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), বাংলাদেশ পুলিশ, আনসার, বিমানবন্দর ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের সুপারিশ করা হয়।</p><p>যাত্রীসেবা উন্নত করা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বিমানবন্দরের সামগ্রিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ করে কমিটি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d8e4-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 20:24:13 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ভারত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বন্ধ না করলে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68987/d387-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ভারত সরকার যদি এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বন্ধ না করে এবং দলটির কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ অব্যাহত রাখে, তাহলে তা বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ৫ আগস্ট আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ভার্চ্যুয়াল অংশগ্রহণ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।</p><p>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারী একটি দলকে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত ভারতেরই নিতে হবে। তবে বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতি ও বাস্তবতাকে ভারতের বিবেচনায় নেয়া উচিত।</p><p>তিনি বলেন, ‘ভারত কী করবে, না করবে, সেটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণের সেন্টিমেন্টকে ভারতের বুঝতে হবে।’</p><p>শামা ওবায়েদ আরও অভিযোগ করেন, অতীতে সংঘটিত গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়গুলো আড়াল করতে আওয়ামী লীগ পুরোনো সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের তত্ত্ব সামনে আনছে। আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এমন প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।</p><p>ভারত সরকার যদি আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সীমিত না করে, তাহলে তা দুদেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে পুনরায় মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।</p><p>এ দিকে বাংলাদেশ ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচির ওপর নির্ভর করবে। তার সিডিউল অনুযায়ী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d387-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 20:04:30 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[র‍্যাব বিলুপ্ত করে আনা হচ্ছে নতুন বাহিনী, খসড়া আইন প্রকাশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68986/3ed7-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) কে পুরোপুরি বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের চূড়ান্ত প্রশাসনিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।</p><p>২০০৪ সালের ২৬ মার্চ গঠিত এবং একই বছরের ১৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম এবং চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা বিতর্কিত অভিযোগ পিঠে নিয়ে অবশেষে বিদায় নিতে যাচ্ছে দুই দশকের পুরোনো র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।</p><p>এই রূপান্তরের আইনি কাঠামো তৈরিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর একটি পূর্ণাঙ্গ খসড়া নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে সাধারণ মানুষের মতামত আহ্বান করেছে।</p><p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রক্রিয়াসূত্রে জানা গেছে, জনসাধারণের মতামত ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের পরামর্শ নেওয়ার পর খসড়াটি চড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় তোলা হবে। মন্ত্রিসভায় সবুজ সংকেত পাওয়ার পর প্রস্তাবিত বিলটি জাতীয় সংসদে পাস হলে তা পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হবে। নতুন এই আইন কার্যকর হওয়ার সাথে সাথেই র‍্যাবের বিদ্যমান সব আইনি ভিত্তি চিরতরে বাতিল হয়ে যাবে। একই সাথে র‌্যাবের স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত সম্পদ, জনবল, সংরক্ষিত তহবিল, সমুদয় দায়-দায়িত্ব, চলমান মামলার নথি, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং সব ধরনের চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন গঠিত এসআরবির অধীনে চলে আসবে। তবে এসআরবির জন্য নতুন বিধিমালা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত আগের কিছু প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক বিধান প্রযোজ্য থাকবে।</p><p>খসড়া আইন অনুযায়ী, এসআরবি কোনো স্বতন্ত্র বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসেবে নয় বরং বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে একটি সর্বাধুনিক বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে পরিচালিত হবে। এই নতুন বাহিনীর সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক। রাজধানী ঢাকায় এসআরবির মূল সদর দপ্তর স্থাপন করা হলেও সরকারের অনুমোদনক্রমে দেশের যেকোনো অঞ্চলে এর ব্যাটালিয়ন, কোম্পানি, প্লাটুন বা সেকশন প্রতিষ্ঠা করা যাবে।</p><p>র‌্যাবের মতো এসআরবিতেও প্রেষণে জনবল নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে এতে কেবল পুলিশ নয় বরং সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নির্দিষ্ট শর্তাধীনে প্রেষণে বা অস্থায়ীভাবে সংযুক্ত করা যাবে। প্রেষণে আসার ক্ষেত্রে ন্যূনতম মেয়াদের প্রস্তাব করা হয়েছে দুই বছর। এছাড়া নতুন এই ইউনিটের ভাবমূর্তি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র রাখতে সরকার নির্ধারিত পৃথক প্রতীক বা লোগো, নিজস্ব পতাকা এবং সুনির্দিষ্ট আধুনিক পোশাক নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><p>আইনের খসড়ায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এসআরবির সদস্যরা যেকোনো অভিযান বা তদন্তে ফৌজদারি কার্যবিধি ও পুলিশ রেগুলেশনের নিয়মাবলী মানতে বাধ্য থাকবেন। প্রধানত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার, সন্ত্রাসী আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া, মানবপাচার রোধ, সংঘবদ্ধ ও সাইবার অপরাধ দমন এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাহিনীটির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে তল্লাশি, মালামাল জব্দ এবং অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারবেন।</p><p>এছাড়া আদালত, সরকার কিংবা পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সরাসরি নির্দেশে এসআরবি যেকোনো ফৌজদারি অপরাধের মামলা তদন্ত করার অধিকার রাখবে। তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব সোপর্দ করা হবে অন্তত সাব-ইন্সপেক্টর বা তার ওপরের পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের। সুষ্ঠু তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের সুবিধার্থে প্রতিটি এসআরবি ইউনিটে নিজস্ব হাজতখানা, মালখানা ও সুসজ্জিত জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ থাকবে। আর অভিযানে জব্দ করা সমস্ত মালামাল ও আলামত আদালতের আদেশ বা সরকারি বিধিমালা মেনে নিষ্পত্তি করার বাধ্যবাধকতা থাকবে।</p><p>অতীতে র‌্যাবের বিরুদ্ধে ওঠা ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ব্যাপক সমালোচনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন এসআরবি আইনে ‘অভিযোগ প্রতিকার কমিটি’ নামে একটি নজিরবিহীন তদারকি ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে। বাহিনীটির সদস্যদের জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে এই কমিটির প্রধান কাজ। এসআরবির একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে গঠিত এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তা, এসআরবির লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের পরিচালক এবং মানবাধিকার বা আইন প্রশাসনে অন্তত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন একজন সরকার মনোনীত বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি।</p><p>এই কমিটি সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে বাহিনীর যেকোনো অন্যায় বা হয়রানির অভিযোগ গ্রহণ করে নিরপেক্ষ তদন্ত চালাতে পারবে। তদন্তের স্বার্থে তারা পৃথক অনুসন্ধান দল গঠন করারও ক্ষমতা রাখবে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা মিললে অভিযুক্ত সদস্য বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার লিখিত সুপারিশ জানাবে এই কমিটি। কেবল সাধারণ নাগরিক নয়, বাহিনীর অভ্যন্তরীণ পদায়ন, পদোন্নতি, বিভাগীয় শাস্তি বা অযাচিত প্রভাব বিস্তারের মতো অনিয়ম নিরসনেও এই কমিটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে।</p><p>আইনের খসড়ায় এসআরবি সদস্যদের আচরণবিধি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও কঠোর করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে মাদকাসক্ত থাকা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য, দায়িত্বের প্রতি অবহেলা, ঘুষ বা বেআইনি অর্থ আদায়, সরকারি অস্ত্র কিংবা সরঞ্জামের অপব্যবহার, কোনো অপরাধীকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করা অথবা যেকোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার বিষয়গুলোকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। প্রাথমিক তদন্তে কারো বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে মূল বাহিনীতে ফেরত পাঠিয়ে বিভাগীয় ও আইনি কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।</p><p>কোনো সদস্য যদি অপরাধ সংঘটন করে বা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে আত্মগোপনে চলে যান, তবে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক তাকে গ্রেফতার করে সোপর্দ করার পদক্ষেপ নেবেন। এ ক্ষেত্রে অধিনায়কের লিখিত অনুরোধকে যেকোনো আদালতের পরোয়ানা হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওই পলাতক সদস্যকে গ্রেফতার করে ব্যাটালিয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে আইনিভাবে বাধ্য থাকবেন।</p><p>বিশ্লেষকদের মতে, নাম ও পোশাকে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি যদি এই অভিযোগ প্রতিকার কমিটিকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে দেওয়া হয় এবং তল্লাশি ও গ্রেফতারের মৌলিক ক্ষমতার অপব্যবহার রদ করা যায়, তবেই কেবল এসআরবি দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি সত্যিকারের জনবান্ধব ও সংস্কারকৃত বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3ed7-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 19:53:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[স্টেডিয়াম এলাকার দখল ও মাদকমুক্ত করতে কাল থেকেই মোবাইল কোর্ট: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68985/8fd1-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নিজস্ব প্রতিবেদক:</strong> যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, স্টেডিয়াম এলাকার অনিয়ম, অবৈধ দখল, মাদক ও ছিনতাই রোধে শুক্রবার থেকেই মাঠে নামছে মোবাইল কোর্ট।</p><p>তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পুরো স্টেডিয়ামপাড়াকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও ক্রীড়াবান্ধব স্পোর্টস হাব হিসেবে গড়ে তুলতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।</p><p>৬ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সের বর্তমান জরাজীর্ণ ও নিরাপত্তাহীন পরিবেশ দেখে চরম হতাশা প্রকাশ করে এই অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।</p><p>ভেতরের সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখার পর সাংবাদিকদের তিনি জানান, ঐতিহ্যবাহী এই ক্রীড়া অবকাঠামোগুলো তাদের কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ হারিয়ে ফেলেছে। সন্ধ্যার পরপরই স্টেডিয়াম এলাকায় মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীদের উপদ্রব বাড়ে বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি স্টেডিয়ামের বিভিন্ন গেটে পুলিশ বক্স স্থাপন ও নিয়মিত পুলিশি টহলের ব্যবস্থা করা হবে।</p><p>পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা ও অবকাঠামো সংস্কারের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় দ্রুত ময়লা অপসারণ, রাস্তা সংস্কার এবং জরাজীর্ণ ভবনগুলোর উন্নয়ন করা হবে। একই সঙ্গে স্টেডিয়ামের দোকানগুলোর লিজ, ভাড়া ও চুক্তিপত্র পুনর্মূল্যায়নের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথাও সরকারি রাজস্ব বঞ্চিত হয়ে থাকলে তা সংশোধন করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) প্রাপ্য রাজস্ব নিশ্চিত করার কথা জানান তিনি।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে ক্রীড়াবিদদের বকেয়া ভাতা প্রসঙ্গেও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, আইবাস পদ্ধতিগত জটিলতার কারণে ২৮ জন ক্রীড়াবিদের আটকে থাকা ভাতার মধ্যে ২৬ জনের সমস্যা ইতোমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। বাকি দুইজনের জটিলতাও দ্রুত নিষ্পত্তি হবে এবং কোনো ক্রীড়াবিদের ভাতার অর্থ নষ্ট হবে না।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8fd1-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 19:49:56 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[স্টেডিয়াম এলাকার দখল ও মাদকমুক্ত করতে কাল থেকেই মোবাইল কোর্ট: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/68985/8fd1-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নিজস্ব প্রতিবেদক:</strong> যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, স্টেডিয়াম এলাকার অনিয়ম, অবৈধ দখল, মাদক ও ছিনতাই রোধে শুক্রবার থেকেই মাঠে নামছে মোবাইল কোর্ট।</p><p>তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পুরো স্টেডিয়ামপাড়াকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও ক্রীড়াবান্ধব স্পোর্টস হাব হিসেবে গড়ে তুলতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।</p><p>৬ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সের বর্তমান জরাজীর্ণ ও নিরাপত্তাহীন পরিবেশ দেখে চরম হতাশা প্রকাশ করে এই অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।</p><p>ভেতরের সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখার পর সাংবাদিকদের তিনি জানান, ঐতিহ্যবাহী এই ক্রীড়া অবকাঠামোগুলো তাদের কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ হারিয়ে ফেলেছে। সন্ধ্যার পরপরই স্টেডিয়াম এলাকায় মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীদের উপদ্রব বাড়ে বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি স্টেডিয়ামের বিভিন্ন গেটে পুলিশ বক্স স্থাপন ও নিয়মিত পুলিশি টহলের ব্যবস্থা করা হবে।</p><p>পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা ও অবকাঠামো সংস্কারের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় দ্রুত ময়লা অপসারণ, রাস্তা সংস্কার এবং জরাজীর্ণ ভবনগুলোর উন্নয়ন করা হবে। একই সঙ্গে স্টেডিয়ামের দোকানগুলোর লিজ, ভাড়া ও চুক্তিপত্র পুনর্মূল্যায়নের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথাও সরকারি রাজস্ব বঞ্চিত হয়ে থাকলে তা সংশোধন করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) প্রাপ্য রাজস্ব নিশ্চিত করার কথা জানান তিনি।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে ক্রীড়াবিদদের বকেয়া ভাতা প্রসঙ্গেও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, আইবাস পদ্ধতিগত জটিলতার কারণে ২৮ জন ক্রীড়াবিদের আটকে থাকা ভাতার মধ্যে ২৬ জনের সমস্যা ইতোমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। বাকি দুইজনের জটিলতাও দ্রুত নিষ্পত্তি হবে এবং কোনো ক্রীড়াবিদের ভাতার অর্থ নষ্ট হবে না।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8fd1-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 19:49:56 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[স্কুলে ভর্তিতে প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয়-নবমে পরীক্ষা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68984/c23f-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>অভিভাবকদের আপত্তির কারণে আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।</p><p>প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক এ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, আগামী ১০ আগস্ট চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।</p><p>গত ১৬ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ঘোষণা দেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারিভিত্তিক ভর্তি বাতিল করে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। একই দিনে মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতেও বলা হয়েছিল, সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে একটি নতুন ভর্তি পদ্ধতি চালু এবং লটারির প্রচলিত ব্যবস্থা বাতিল করা হবে।</p><p>এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সব শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে এটি খুব জটিল কোনো পরীক্ষা হবে না। খুব সাধারণ একটি পরীক্ষার মাধ্যমেই ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।’</p><p><strong>লটারি চালু হয়েছিল যে কারণে</strong><br>দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ে একসময় ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম প্রচলিত ছিল। কিন্তু শিশুদের ওপর অল্প বয়সে প্রতিযোগিতার চাপ, কোচিংনির্ভরতা বৃদ্ধি, প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগ এবং ভর্তিকে ঘিরে স্বজনপ্রীতির নানান অভিযোগের কারণে ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি বাধ্যতামূলক করা হয়। পরে একই পদ্ধতি বেসরকারি বিদ্যালয়েও চালু করা হয়।</p><p>করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে ভর্তি শুরু হয়। এরপর থেকে সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ে একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছিল।</p><p><strong>স্কুলে ভর্তিতে পরীক্ষায় আপত্তি শিক্ষাবিদদের</strong><br>প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণার পর থেকেই শিক্ষাবিদদের একটি বড় অংশ এর বিরোধিতা করেন। তাদের মতে, এত অল্প বয়সে পরীক্ষার মুখোমুখি করা শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর এবং এটি সামাজিক বৈষম্যও বাড়াবে।</p><p>ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ বলেন, শিশুদের ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষা একটি বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা। যে ধরনের পরীক্ষা নেওয়া হয়, তাতে যারা কোচিং বা প্রাইভেট পড়ে তারাই এগিয়ে থাকে। আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের শিশুরা এতে বঞ্চিত হয়।</p><p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন বলেন, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত কোনো অবস্থাতেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। ভর্তি পরীক্ষা চালু হলে কোচিং বাণিজ্য ফিরে আসবে। পরীক্ষার মাধ্যমে একটি ছোট্ট শিশুর মেধা যাচাই করা উচিত নয়। কারণ পরীক্ষায় অকৃতকার্য বা ব্যর্থ হলে তার মনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এভাবে শিশুদের ট্রমার মধ্যে ঠেলে দেওয়া উচিত নয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c23f-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 19:27:31 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নারায়ণগঞ্জ আদালতে জামায়াতপন্থী ৭ এপিপি-এজিপির পদত্যাগ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/68983/61b5-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: </strong>নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ আদালতের জামায়াতপন্থী সাতজন অতিরিক্ত ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এবং সহকারী গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি) স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। এসময় তারা সরকারের কয়েকটি নীতিগত সিদ্ধান্ত ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ এবং পাবলিক প্রসিকিউটরের কাছে পৃথকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছেও পদত্যাগপত্রের অনুলিপি পাঠান।</p><p>পদত্যাগকারীরা হলেন- অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট ইসরাফিল হোসাইন ও অ্যাডভোকেট গোলাম সারোয়ার, সহকারী গভর্নমেন্ট প্লিডার অ্যাডভোকেট মাইনুদ্দিন মিয়া ও অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর দেওয়ান এবং সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন ও অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান।</p><p>পদত্যাগপত্রে তারা উল্লেখ করেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী 'জুলাই সনদ' বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা ও কিছু সিদ্ধান্ত তাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং বিচার বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সাম্প্রতিক পদক্ষেপের সঙ্গে তারা নীতিগতভাবে একমত নন।</p><p>পদত্যাগকারী সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন জানান, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের ফলে বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সরকার ও সরকারি দলের প্রভাব পুনরায় বেড়েছে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য হুমকি তৈরি করেছে। এর ফলে সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা, আইনের শাসন এবং বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তারা পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন।</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনীহা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা এবং আরও কয়েকটি নীতিগত বিষয়ে আমাদের মৌলিক মতপার্থক্য রয়েছে। সে কারণেই আমরা এ দায়িত্বে আর বহাল থাকার সিদ্ধান্ত নিইনি।’</p><p>তিনি জানান, পদত্যাগকারী সাতজনই জামায়াত-সমর্থিত সংগঠন বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সঙ্গে সম্পৃক্ত।</p><p>পদত্যাগপত্রে তারা আরও উল্লেখ করেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং বিবেকের তাড়নায় আমরা অতিরিক্ত ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর এবং সহকারী গভর্নমেন্ট প্লিডারের দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">61b5-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 19:18:47 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বাবার কবর জিয়ারত করলেন ডা. জুবাইদা রহমান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/68982/09da-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাজধানীর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে বাবা সাবেক যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী এবং নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। এ সময় সঙ্গে ছিলেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে তারা সেখানে যান।</p><p>কবর জিয়ারত শেষে কতক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন ও ফাতেহা পাঠ করেন। পরে মাহবুব আলী খানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় পরিবারের সদস্য, নিকটাত্মীয় ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>এর আগে সকালে মরহুমের ধানমন্ডির বাসভবনে তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।</p><p>উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালের ৬ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্বশুর রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">09da-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 18:31:58 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বাবার কবর জিয়ারত করলেন ডা. জুবাইদা রহমান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68982/09da-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাজধানীর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে বাবা সাবেক যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী এবং নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। এ সময় সঙ্গে ছিলেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে তারা সেখানে যান।</p><p>কবর জিয়ারত শেষে কতক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন ও ফাতেহা পাঠ করেন। পরে মাহবুব আলী খানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় পরিবারের সদস্য, নিকটাত্মীয় ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>এর আগে সকালে মরহুমের ধানমন্ডির বাসভবনে তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।</p><p>উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালের ৬ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্বশুর রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">09da-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 18:31:58 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আসামি হলেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/68981/0b97-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে আসামি করা হয়েছেন।</p><p>এছাড়া ঢাবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল, সাবেক বিচারপতি এ বি এম নিজামুল হক মানিক, শিক্ষক কে এম জামাল উদ্দিন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে এ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত সংস্থা।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।</p><p>প্রসিকিউশন জানায়, এ ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে তদন্ত সংস্থা। দীর্ঘ তদন্ত শেষে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। বর্তমানে তা পর্যালোচনা চলছে। এরপর ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হবে।</p><p>এর আগে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হবে।</p><p>জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত শেখ হাসিনার মামলায় সাবেক উপাচার্য মাকসুদ কামালের সঙ্গে হাসিনার একটি ফোনালাপ এর আগে ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছিল। প্রসিকিউশনের দাবি, ওই ফোনালাপে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ফাঁসি দেওয়ার ইচ্ছার কথা ব্যক্ত করেছিলেন হাসিনা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0b97-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 18:18:59 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[টাঙ্গাইলে দুস্থ পরিবার ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ২৩ লাখ টাকার চেক বিতরণ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/68980/badf-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: </strong>টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের উদ্যোগে অসহায়, দুস্থ ও গরিব মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চিকিৎসা সেবাপ্রার্থীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার উপকারভোগীদের মধ্যে মোট ২৩ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুদানের চেক বিতরণ করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এস এম ওবায়দুল হক নাসির।</p><p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না। এ সময় জেলা পরিষদের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এস এম ওবায়দুল হক নাসির বলেন, চিকিৎসাবঞ্চিত রোগী এবং অসহায়-দুস্থ গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার লক্ষ্যে এই আর্থিক অনুদান প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষ করে ক্যানসার ও কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা সহায়তায় অনুদান দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের সহায়তার পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p><p>তিনি আরও বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো জেলা পরিষদের দায়িত্ব। শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতে সহায়তা অব্যাহত থাকলে অনেক পরিবার উপকৃত হবে এবং অসহায় মানুষের কষ্ট কিছুটা লাঘব হবে।</p><p>অনুদানপ্রাপ্ত কয়েকজন অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তি জানান, এই আর্থিক সহায়তা পেয়ে তারা অত্যন্ত খুশি। দীর্ঘদিন ধরে অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। জেলা পরিষদের দেওয়া এই অনুদানের টাকা দিয়ে তারা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। তারা জেলা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।</p><p>অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগীদের হাতে চেক তুলে দেওয়ার মাধ্যমে অনুদান কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">badf-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 18:14:55 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন: পরিবেশমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68979/7dd2-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক ‍রিপোর্ট: </strong>শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।</p><p>তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, খাল খনন কর্মসূচি এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণ অভিযানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে শিখিয়েছিলেন কীভাবে প্রকৃতিকে ভালোবেসে স্বনির্ভর দেশ গড়ে তোলা যায়।</p><p>৬ জুলাই বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরার নওয়াব হাবিবউল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে ঢাকা-১৮ আসনে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>তিনি আরও বলেন, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে গাজীপুরের শালনায় নিজ হাতে মেহগনির চারা রোপণ করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযানকে জনগণের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়েছিলেন। তিনিই ১৯৯৪ সালে জাতীয় বৃক্ষ মেলার সূচনা করেন।</p><p>প্রতিটি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তরুণ এবং যুব সংগঠনকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার আহ্বান জানান তিনি। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন ২৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p><p>যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না; এটি আমাদের পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি প্রতিটি চারার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের বিষয়ে সকলকে গুরুত্ব দিতে আহ্বান জানান তিনি।</p><p>সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমরা যদি গাছ টিকিয়ে রাখতে না পারি, তবে আমাদের জীবনও হুমকীর মুখে পড়ে যাবে। তাই ঢাকা-১৮ আসনের মাঠে ঘাটে, আনাচে কানাচে বৃক্ষরোপণ করা হবে বলে ঘোষনা দেন তিনি।</p><p>উদ্বোধন শেষে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন এবং মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। কর্মসূচির আওতায় ঢাকা-১৮ আসনের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উন্মুক্ত স্থানে পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ করা হবে।</p><p>অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7dd2-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 17:34:55 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দোয়ারাবাজারে প্রেমিকের বাড়িতে তিন সন্তানের জননীর অনশন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/68978/573a-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:</strong> সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের উত্তর কলাউড়া গ্রামে তিন সন্তান ও সংসার ফেলে প্রেমিক ফয়েজ (উরুফে খয়েজ) মিয়ার বাড়িতে বিয়ের দাবিতে দুই দিন ধরে অনশন করছেন এক গৃহবধূ।</p><p>অনশনরত গৃহবধূর নাম মাহমুদা আক্তার। তিনি একই ইউনিয়নের রাঙাউটি গ্রামের সোহেল মিয়ার স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী।</p><p>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহমুদা আক্তারের সঙ্গে উত্তর কলাউড়া গ্রামের ফয়েজ মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। সম্প্রতি বিষয়টি স্বামী সোহেল মিয়া টের পেলে স্ত্রী মাহমুদার সঙ্গে তার তীব্র কথা কাটাকাটি হয়। এরই একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার রাতে মাহমুদা আক্তার নিজের তিন সন্তান ও সংসার ফেলে সরাসরি ফয়েজের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন এবং তাকে বিয়ের দাবি জানাচ্ছেন।</p><p>এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্বামী সোহেল মিয়া জানান, স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্কের কারণে তাদের পরিবারে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছিল।</p><p>অন্যদিকে, মাহমুদা আক্তার প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে ঘটনাটি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে এবং সামাজিক মাধ্যমে যেন তা ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য অনুরোধ জানান।</p><p>অভিযুক্ত ফয়েজ (উরুফে খয়েজ) মিয়ার বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।</p><p>এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ঘটনার সুরাহা করতে স্থানীয় মুরুব্বিরা বিষয়টি সামাজিকভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">573a-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 17:21:59 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ফ্যামিলি কার্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ১৬ আগস্ট: সমাজকল্যাণমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68977/9e85-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষে ১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবে সরকার। পর্যায়ক্রমে ৪ বছরের মধ্যে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করে প্রকৃত দরিদ্রদেরই সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।</p><p>৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ডসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।</p><p>তিনি জানান, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এরপর অক্টোবরের শেষ নাগাদ পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়নে এর কার্যক্রম শুরু হবে।</p><p>সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ৫৬টি এলাকায় পরিচালিত পাইলট প্রকল্পে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। যশোর ও নেত্রকোনার দুটি এলাকায় তথ্য সংগ্রহে কিছু সমস্যা দেখা দিলেও তা সংশোধন করা হয়েছে। বাকি ৫৪টি এলাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি এবং ত্রুটির হার ৩ শতাংশের কম ছিল।</p><p>জানানো হয়, ১৬ আগস্ট থেকে নতুন প্রশ্নমালা ও নতুন পদ্ধতিতে পুরোপুরি অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। এরপর প্রতি মাসে তথ্য হালনাগাদ করা হবে, যাতে মৃত্যু, আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন বা অন্য কোনো পরিবর্তন দ্রুত নিবন্ধনে যুক্ত করা যায়।</p><p>সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের তদারকি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইউনিয়নে প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা তথ্য সংগ্রহ তদারকি করবেন। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর নেতৃত্বে, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে এবং বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে পৃথক কমিটি কাজ করবে। জাতীয় পর্যায়েও একটি কমিটি থাকবে, যার সভাপতি অর্থমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নিজেও নিয়মিত কর্মসূচির অগ্রগতি তদারকি করবেন।</p><p>সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড একটি গতিশীল সামাজিক নিবন্ধন (ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি) ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হবে। মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে মিল রেখে তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে। ফলে কেউ দরিদ্র থেকে নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত হলে কিংবা আবার দারিদ্র্যে নেমে এলে সেটিও নিবন্ধনে প্রতিফলিত হবে।</p><p>সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, প্রকৃত সুবিধাভোগী যেন বাদ না পড়েন এবং অযোগ্য কেউ যেন তালিকায় ঢুকতে না পারেন, সে জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে। ভাতা ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে বিদ্যমান দুর্বলতা কমিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।</p><p>মন্ত্রী আরও বলেন, এ কর্মসূচিতে ধর্ম, গোত্র বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে সুবিধা দেওয়া বা বঞ্চিত করার সুযোগ থাকবে না। অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের নীতির আলোকে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।</p><p>সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, পরিবারের নারী সদস্যদের হাতে সহায়তার অর্থ পৌঁছালে তা শিশুদের শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, হাঁস-মুরগি পালন, গাছ লাগানো, কুটির শিল্প, সেলাই ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রমে বেশি কাজে লাগবে। এতে নারীর ক্ষমতায়নের পাশাপাশি গ্রামীণ দারিদ্র্য কমাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9e85-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 17:20:06 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68976/816c-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী, সমন্বিত এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার লক্ষ্যে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএএসসি) প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p><p>৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>সভায় কমিটির সভাপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম এবং সহ-সভাপতি প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদু্জ্জমান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন।</p><p>মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, দেশের বিমান খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ও সমন্বয়কারী কমিটির ১৩তম সভার সিদ্ধান্ত যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়। অতিসত্বর আমাদের (আইসিএও) অডিট অনুষ্ঠিত হবে। তাদের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাই যেসব বিষয়ে আইসিএও-এর পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ থাকতে পারে সেগুলোর সম্মতি নিশ্চিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।</p><p>মন্ত্রী আরও বলেন, ভিআইপি এবং সিআইপিসহ সকলের জন্যই নিরাপত্তা প্রোটোকল সমান। তাই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সকলকে সমানভাবে প্রোটোকল অনুসরণ করতে হবে। আমাদের অগ্রাধিকার হলো যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা। তাই প্রবাসী ভাইদের জন্য উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী।</p><p>প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় ড্রোনের উড্ডয়ন বন্ধে ড্রোন বিরোধী ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হবে। প্রায় তিন বছর পরে অনুষ্ঠিত হওয়া আজকের সভার কার্যকারিতা আমাদেরকেই নিশ্চিত করতে হবে। তাছাড়া &nbsp;নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি, স্ক্যানার প্রয়োজনীয় সংখ্যার তুলনায় বেশি থাকতে হবে।&nbsp;</p><p>এসময় প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যগণকে আইনের ব্যত্যয় হলে কঠোর অবস্থান নেয়ার নির্দেশ দেন।</p><p>সভায় দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, সমন্বিত ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড সম্মত করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তথ্য বিনিময় ও সমন্বয় জোরদার, জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ, বিমানবন্দরে আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি সংযোজন, বিদ্যমান নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">816c-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 16:45:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সারাদেশে হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Health-treatment/68975/49e0-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেইসঙ্গে এই সময়ে নতুন করে আরও ৮১৮ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে শুধু ঢাকা বিভাগেই ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর প্রাণহানি হয়েছে। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৮৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গে ৭৬৪ জন ও হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।</p><p>এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৫ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ৭৩৩ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৩৮ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেইসঙ্গে এই সময়ে মোট ১৬ হাজার ৭৪০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ১ লাখ ১১ হাজার ৮৫৭ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">49e0-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 16:39:22 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জামালপুর সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় পণ্য উদ্ধার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/68974/289a-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি:</strong> জামালপুর ৩৫ বিজিবির মাদক বিরোধী পৃথক অভিযানে সীমান্ত এলাকা থেকে ১৫৬ বোতল ভারতীয় মদ ও ৯০৯ পিস কসমেটিকস পণ্য উদ্ধার করা হয়েছে।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার ভোরে পাথরেরচর ১০৭৭ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে অভিযান পরিচালনা করে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।&nbsp;</p><p>জানা গেছে, জামালপুর ৩৫ বিজিবির আওতাধীন দেওয়ানগঞ্জের পাথরেরচর বিওপির নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করেন বিজিবির সদস্যরা। অভিযানে মালিক বিহীন ১৫৬ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।</p><p>অপরদিকে বুধবার দিবাগত রাতে দাঁতভাঙা বিওপির বিজিবি সদস্যরা সীমান্তবর্তী ছাটকড়াইবাড়ি এলাকায় অভিযানে ৯০৯ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য উদ্ধার করেন। যার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ২ হাজার টাকা।</p><p>বিজিবি জানায়, ভারতীয় মদ উদ্ধার ও কসমেটিকস পণ্য উদ্ধারের ঘটনায় পৃথকভাবে বিজিবির পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।</p><p>জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লে.কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, সীমান্তে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আমরা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছি।&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">289a-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 16:23:02 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[১১ দফা দাবিতে সচিবালয়ের সামনে ১১-দলীয় ঐক্যের অবস্থান, পুলিশি বাধা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/68973/fbcc-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ১১ দফা দাবিতে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শেষে মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন জাময়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা। সেখানে আসার পথে পুলিশি বাধার মুখে পড়ার পর ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটেছে।</p><p>জ্বালানি তেল ও গ্যাসসংকট, বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সচিবালয় ঘেরাও করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূচি শেষ করে বেলা ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে নেতাকর্মীরা সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে মিছিল নিয়ে রওয়ানা হন। মিছিলটি জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করার পরই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয়।</p><p>প্রায় ২০ মিনিট সেখানে অতিবাহিত হওয়ার পর অবস্থান কর্মসূচিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা জনগণের দাবি জানাতে এসেছি। তারা আমাদের ডাকে সাড়া দিলেন না। সচিবালয় থেকে আসতে তাদের পাঁচ মিনিটও সময় লাগে না, কিন্তু তারা এলেন না।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-08-06a_n17860105768593.jpg"></figure><p>এসময় তিনি আরও পাঁচ মিনিট সেখানে অবস্থানের ঘোষণা দেন এবং এসময়ের মধ্যে না এলে সরকারের বিরুদ্ধে ধিক্কার জানিয়ে কর্মসূচি শেষ করবেন বলে জানান।</p><p>কর্মসূচিতে ডা. শফিকুর রহমান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আযাদ, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানসহ ১১-দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত আছেন।</p><p>এর আগে জ্বালানি তেল ও গ্যাসসংকট, বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল ও মূল্যবৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বৃষ্টির মধ্যেই অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করে ১১ দলীয় ঐক্য।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">fbcc-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 16:03:02 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ফুলবাড়ীতে বিজিবির পৃথক অভিযান, বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/68972/297c-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>দিনাজপুর প্রতিনিধি:</strong> সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) এর টানা অভিযানে ৬ লাখ ১১ হাজার ৭৫০ টাকা মূল্যের ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, ইনজেকশন, সিরাপ ও বাংলাদেশি যৌন উত্তেজক সিরাপ জব্দ করা হয়েছে।</p><p>২৯ বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ কাটলা বিশেষ ক্যাম্প, বিরামপুর বিশেষ ক্যাম্প, দাইনুর বিওপি ও খানপুর বিওপি এলাকায় পৃথক ৪টি অভিযান পরিচালনা করা হয়।</p><p>অভিযানে বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে ৫০৪০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, ৬৪০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ইনজেকশন, ৫০ পিস ইস্কফ সিরাপ এবং ৬১৭ বোতল বাংলাদেশি যৌন উত্তেজক সিরাপ আটক করা হয়।</p><p>আটক মাদকদ্রব্যের সিজার মূল্য ৬ লাখ ১১ হাজার ৭৫০ টাকা। অভিযানের সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।</p><p>২৯ বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে অব্যাহত থাকবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">297c-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 15:53:42 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শিকলমুক্ত গণতান্ত্রিক দেশ গড়তে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করতে চায় সরকার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68971/db95-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশে বারবার জনগণের অধিকার ও সৃষ্টিশীল ক্ষমতাকে শিকলবদ্ধ করার অপচেষ্টা রোধে একটি স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করতে চায় সরকার, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ কোনোদিন জাতিকে শিকল পরাতে না পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।</p><p>৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘শিকল ভাঙার জুলাই’ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) এই প্রকাশনা প্রকাশ করে।</p><p>তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের বয়স ৫৫ বছরের বেশি হয়ে গেলেও বারবার জনগণের কণ্ঠ ও অধিকারকে শিকলে বাঁধা হয়েছে। এই প্রতিবন্ধকতার শিকল ভাঙতে বারবার আমাদের রক্ত দিতে হয়েছে, প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছে এবং দেশের স্বাভাবিক সমৃদ্ধির প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে। পৃথিবীর যে দেশগুলো ধারাবাহিক সমৃদ্ধি বজায় রাখতে পেরেছে, তারাই আজ বিশ্বে অন্যতম প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়েছে।’</p><p>অতীতের আন্দোলনগুলোর সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গুণগত পার্থক্যের কথা তুলে ধরে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘অতীতে বিভিন্ন আন্দোলন কেবল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া ও গণঅভ্যুত্থানেই শেষ হতো, পরে লক্ষ্যহীনভাবে হারিয়ে গিয়ে আবার নতুন কোনো ফ্যাসিবাদের পথ সুগম হতো। কিন্তু এবার আমরা যখন ফ্যাসিবাদের শিকল ভাঙার গান গেয়েছি, তখনই দেশ গড়ার পরিকল্পনা করেছি।’</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই অর্জনকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পুরোনো ব্যবস্থা দিয়ে সম্ভব নয়, সে কারণেই আমরা রাষ্ট্র কাঠামো ও রাজনীতি মেরামতের কথা বলেছি।’</p><p>তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতের কোনো রাজনৈতিক আন্দোলনে লড়াইয়ের আগেই সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ছিল না। এমনকি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়েও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তহীনতার একপর্যায়ে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর বাঙালি অফিসার মেজর জিয়াউর রহমানকে এসে ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে হয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো—শিকল ভাঙার পর আমরা কী করব, তা আমাদের নেতা তারেক রহমান ৩১ দফার মাধ্যমে আগেই নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন এবং সরকার সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলছে।</p><p>ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৭ বছরের লড়াইয়ের কথা স্মরণ করে অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘বিগত দেড় দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই দেশ আজ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরেছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এই সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরেছে। আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই এই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সম্ভব হয়েছে।’</p><p>তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">db95-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 15:50:10 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/68970/3478-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:</strong> খাগড়াছড়িতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর গুইমারা রিজিয়নের আওতাধীন সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে সিন্দুকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় আঙ্গিনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ৬ শতাধিক ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চারা রোপণ ও বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিন্দুকছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্নেল কাজী নেহাত ফয়সাল।</p><p>এ সময় তিনি বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পাহাড়ি অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে কেবল চারা রোপণ করলেই চলবে না, তা পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তোলার দায়িত্ব নিতে হবে। পাহাড়ে সম্প্রীতি ও উন্নয়নের পাশাপাশি টেকসই পরিবেশ গঠনে সেনাবাহিনী এমন জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত থাকবে জানান তিনি।’</p><p>অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত জোন উপ-অধিনায়ক মেজর মো. মাজহার হোসেন রাব্বানী, সিন্দুকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মংক্য মারমাসহ স্থানীয়রা ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3478-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 15:35:25 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট, তফসিল ঘোষণা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68969/bfb2-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।</p><p>তফসিল ঘোষণার আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ইসিতে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ ও তাহমিদা আহমদ উপস্থিত ছিলেন। তবে অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ দেশের বাইরে থাকায় বৈঠকে অংশ নেননি।</p><p>পরে দুপুর ২টায় নির্বাচন ভবনে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে অনুমোদিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ কমিশন। এরপর নির্বাচনের বিস্তারিত সাংবাদিকদের জানান তিনি।</p><p>ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীরা ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হবে এবং ১৮ আগস্ট মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০ আগস্ট।</p><p>রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনানুযায়ী, একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হবে। পাশাপাশি প্রার্থীর নিজেরও সম্মতিসূচক সইও থাকতে হবে।</p><p>যদি প্রার্থীর সংখ্যা একজনের বেশি না হয়, তাহলে তাকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। তবে একাধিক প্রার্থী থাকলে সংসদের অধিবেশন কক্ষে বিধিমালা অনুযায়ী ভোট হবে।</p><p>সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট করতে হয়েছিল। পরে প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল মনোনীত প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসছেন।</p><p>রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদ সদস্যদের ভোটে। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাতে ‘নির্বাচনি কর্তা’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।</p><p>প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয় হবে মনোনয়নপত্র জমা, বাছাইয়ের স্থান। ভোটের স্থান হবে সংসদের অধিবেশন কক্ষ।</p><p>আইনের সপ্তম ধারায় বলা হয়েছে- নির্বাচনি কর্মকর্তা নির্ধারিত দিন, সময় ও স্থানে মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করবেন। প্রার্থী একজন হলে এবং পরীক্ষায় তার মনোনয়নপত্র বৈধ বিবেচিত হলে কমিশন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করবে। তবে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হলে নির্বাচনের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করবে ইসি।</p><p>গুরুতর অসুস্থতার কথা জানিয়ে গত ২৪ জুলাই বিকালে পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আর সে পর্যন্ত স্পিকারের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।</p><p>রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে ২২ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে ইসি।</p><p>প্রথা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে ২৮ জুলাই প্রাথমিক আলোচনা সারেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন।</p><p>বুধবার সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা পেয়েছে ইসি। এরই মধ্যে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নীতিনির্ধারণী বৈঠকও হয়েছে। সভার আনুষ্ঠানিকতা সেরে এখন তফসিল ঘোষণা করলো ইসি।</p><p>সবশেষ মো. সাহাবুদ্দিন ছিলেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপ্রধান। তার পদত্যাগের পর সাংবিধানিকভাবে এখন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">bfb2-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 14:56:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘‘সুরের খেয়া’য় হাজার বছর’’ শীর্ষক সঙ্গীত সম্মিলন অনুষ্ঠিত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/campus/68968/7e57-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নিজস্ব প্রতিবেদক: </strong>রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের প্রথম ব্যাচের (অষ্টম সেমিস্টার) শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ‘সুরের খেয়া’য় হাজার বছর’ শীর্ষক সঙ্গীত সম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p><p>৫ আগস্ট বুধবার বিকেলে মিরপুর-আশুলিয়া বেড়িবাঁধের বিরুলিয়ায় অবস্থিত প্রিয়াঙ্কা শুটিং জোনে এই সঙ্গীত সম্মিলনের আয়োজন করা হয়।</p><p>অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের প্রথম ব্যাচের (অষ্টম সেমিস্টার) শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের দেশাত্মবোধক গান, রবীন্দ্র সংগীত ও আধুনিক গান পরিবেশন করেন।</p><p>অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোধা ব্যক্তিত্ব রবিন খান, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আবু সাঈদ মো. মাসুদ, সংগীত বিভাগের বিভাগীয় প্রধানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7e57-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 14:22:55 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68967/a26e-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&nbsp;</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার বুড়িগঙ্গা নদীর পানি ও পরিবেশ রক্ষা-সংক্রান্ত সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।</p><p>সভা শেষে এ তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আগামী এক মাসের মধ্যে এ কর্ম পরিকল্পনা জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন।</p><p>দক্ষিণ সিটির প্রশাসক বলেন, দূষণ যেন না বাড়ে, সেজন্য প্রতিটি কারখানায় ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হবে।</p><p>তিনি বলেন, নদী না বাঁচলে ক্ষতির মুখে পড়বে মানুষ ও পরিবেশ।</p><p>যারা এ নির্দেশনা মানবে না, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।</p><p>সারা দেশের নদী দূষণমুক্ত করা হবে জানিয়েছে সিটি প্রশাসক জানান, সারা দেশের জন্যই হবে। তবে এই মুহূর্তে ঢাকাকে কেন্দ্র করে কার্যক্রমটি শুরু হবে।</p><p>সূত্র: কালের কণ্ঠ</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a26e-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 13:42:16 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইসিতে পাঠাল সংসদ সচিবালয়]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68965/aa90-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে ভোটার তালিকা পাঠিয়েছে সংসদ সচিবালয়।&nbsp;</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার তালিকাটি ইসিতে পাঠানো হয়।</p><p>ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তফসিল চূড়ান্ত করার আগে কমিশন ভোটের তারিখ ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বৈঠক করবে।</p><p>এর আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রস্তুতের জন্য সংসদ সচিবালয়ের কাছে সংসদ সদস্যদের তালিকা চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন।</p><p>গত সোমবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, ভোটার তালিকার জন্য সংসদ সচিবালয়ে অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। তালিকা হাতে পাওয়ার পরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ও তফসিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p><p>উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। তার পদ শূন্য হওয়ায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।</p><p>বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেবল জাতীয় সংসদের সদস্যরাই ভোটার হিসেবে অংশ নেন। তাই সংসদ সদস্যদের তালিকার ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করবে।</p><p>সূত্র: নিউজ ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">aa90-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 13:30:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সাদ্দাম-ইনানকে ফোনে হামলার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/68964/7211-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্কের দ্বিতীয় দিনে একটি কল রেকর্ড গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন দাবি করে, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই তৎকালীন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানকে ফোন করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন। এ দাবির সমর্থনে সংশ্লিষ্ট কল রেকর্ড আদালতে দাখিল করা হয়।</p><p>প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই কথোপকথনে ওবায়দুল কাদেরকে বলতে শোনা যায়, “এদের মারো না কেন।” জবাবে সাদ্দাম হোসেন বলেন, “পুলিশ মুখোমুখি হতে নিষেধ করেছে।” প্রসিকিউশনের দাবি, এ বক্তব্য ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সহিংস কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করেছিল।</p><p>এর আগে ৪ আগস্ট মামলায় যুক্তিতর্ক শুরু হয়। প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম আদালতে বলেন, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি ছিল পরিকল্পিত, সুসংগঠিত ও দেশব্যাপী পরিচালিত অপরাধ। তার দাবি, আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং দলীয় অঙ্গসংগঠনগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করেছে।</p><p>প্রসিকিউশনের অভিযোগ, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগকে মাঠে নামার নির্দেশ দেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এবং আন্দোলন দমনে সহিংস কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়।</p><p>এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। ট্রাইব্যুনালের নথি অনুযায়ী, তারা সবাই পলাতক।</p><p>গত ২ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তাসহ ২৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। এর আগে ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) ট্রাইব্যুনাল আমলে নেয়।</p><p>প্রসিকিউশনের অভিযোগ, আসামিরা আন্দোলন দমনে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এবং সহিংসতা বাস্তবায়নে সমন্বিত ভূমিকা পালন করেন। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে বলে প্রসিকিউশনের দাবি।</p><p>সূত্র: ঢাকা পোস্ট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7211-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 12:50:45 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জাতিসংঘে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালিত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68963/1e6c-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন করেছে।</p><p>৫ আগস্ট বুধবার দিবসটি উপলক্ষে এক স্মারক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এতে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের স্থায়ী প্রতিনিধি ও কূটনীতিক, জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অংশ নেন।</p><p>অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।</p><p>তিনি বলেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার ঐতিহাসিক বহিঃপ্রকাশ ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এ গণঅভ্যুত্থান জাতির দৃঢ় অঙ্গীকার ও ঐক্যবদ্ধ সংকল্পের প্রতীক।</p><p>রাষ্ট্রদূত সরকারের ‘থ্রি আর’ কৌশল- রিকভারি, রেস্টোরেশন এবং রিকনস্ট্রাকশন এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, এই কৌশলের লক্ষ্য অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা পুনর্গঠন এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও সুসংহত করা। একই সঙ্গে তিনি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও মূলনীতির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল অঙ্গীকার এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।</p><p>অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানবিষয়ক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়, যেখানে আন্দোলনের পটভূমি ও এর তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1e6c-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 12:38:11 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সরকারকে ব্যর্থ করতে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে: রিজভী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/68962/2feb-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশে গ্যাস, হাম, ডেঙ্গুসহ সব ধরনের সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন। তার অঙ্গীকার মোতাবেক জনগণকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি কাজ করছেন। কিন্তু সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>রুহুল কবির রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়েও তাকে ব্যর্থ করতে নানা চক্রান্ত হয়েছে। এখনো তেমন চক্রান্ত হচ্ছে।</p><p>সূত্র: নিউজ ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2feb-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 12:34:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মাদারগঞ্জে ৮০ পিস ইয়াবাসহ ২ যুবক আটক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/68961/33dd-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি: </strong>জামালপুরের মাদারগঞ্জে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সোলাইমান ইসলাম (২৮) ও রুবেল মিয়া (২৫) নামে দুই যুবককে আটক করেছে মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।</p><p>৫ আগস্ট বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে উপজেলার ২নং কড়ইচড়া ইউনিয়নের পশ্চিম নলছিয়া এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় পুলিশ তাদের কাছ থেকে ৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।</p><p>​আটককৃতদের বাড়ি পার্শ্ববর্তী মেলান্দহ উপজেলার ৩নং মাহমুদপুর ইউনিয়নের খাসিমারা গ্রামে। সোলাইমান ইসলাম ওই এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে এবং মাহমুদপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। অপর আটককৃত রুবেল মিয়া একই এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে।</p><p>​মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদে ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে দুই যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে আইনি ব্যবস্থার জন্য আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">33dd-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 12:32:45 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[তথ্য ফাঁসকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/68960/31af-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> মার্কিন সামরিক বাহিনীর দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসছে—গণমাধ্যমে প্রকাশিত এমন প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, মার্কিন বাহিনীর কাছে পর্যাপ্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত রয়েছে এবং উৎপাদনও দ্রুত বাড়ানো হচ্ছে।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ধরনের গোলাবারুদসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র রয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো রেকর্ড সংখ্যক কারখানা নির্মাণ ও সম্প্রসারণ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনীতে অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে।</p><p>এ সময় পেন্টাগনের সংবেদনশীল তথ্য গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p>তথ্য ফাঁসকারীদের ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, এ ধরনের তথ্য ফাঁস জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। জড়িতদের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড নিশ্চিত করতে প্রশাসন আইনি পদক্ষেপ নেবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।</p><p>সূত্র: আল জাজিরা</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">31af-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 12:20:06 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস আজ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/literature/68959/7480-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>১৯৪১ সালের এই দিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা সাহিত্য ও বিশ্বসংস্কৃতির এই মহান স্রষ্টা। আট দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ২২ শ্রাবণ বাঙালির কাছে কেবল শোকের দিন নয়; বরং রবীন্দ্রনাথকে নতুন করে স্মরণ ও তাঁর সৃষ্টিকে ফিরে দেখার এক অনন্য উপলক্ষ।</p><p>কবিতা, গান, উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনি, চিঠিপত্র ও শিশুসাহিত্য—সাহিত্যের প্রায় প্রতিটি শাখায় তিনি রেখে গেছেন অসামান্য অবদান। মাত্র আট বছর বয়সে লেখালেখির সূচনা হলেও পরবর্তী সময়ে তাঁর সৃষ্টিকর্ম বাংলা সাহিত্যকে নিয়ে যায় নতুন উচ্চতায়।</p><p>দুই হাজারেরও বেশি গান রচনা করে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন রবীন্দ্রসংগীতের অনন্য ধারা, যা আজও বাঙালির জীবন, সংস্কৃতি ও আবেগের অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p><p>১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে অনন্য মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেন। তাঁর রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও তাঁর গান ও সাহিত্য বাঙালির মুক্তির আকাঙ্ক্ষা, সাহস ও প্রেরণার অন্যতম উৎস হয়ে উঠেছিল।</p><p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল একজন কবি নন; তিনি বাঙালির আত্মপরিচয়, সংস্কৃতি, মানবিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক চিরন্তন প্রতীক। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সৃষ্টির আবেদন আরও বিস্তৃত হয়েছে। নতুন প্রজন্মও তাঁর সাহিত্য, সংগীত ও দর্শন থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে চলেছে, যা প্রমাণ করে রবীন্দ্রনাথ আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।</p><p>সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার ও সমাজকল্যাণেও রবীন্দ্রনাথ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯০১ সালে শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা, ১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নে 'শ্রীনিকেতন' এবং ১৯২৩ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলেন।</p><p>প্রজাহিতৈষী জমিদার হিসেবে কৃষক ও পল্লি উন্নয়নে কৃষিঋণ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন তিনি। ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া 'নাইটহুড' খেতাব ত্যাগ করে তিনি দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7480-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 12:15:05 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জেরুজালেম ইস্যুতে অভিন্ন অবস্থান গড়তে মুসলিম দেশগুলোর বৈঠক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/68958/a907-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>জেরুজালেমের পরিচয় এবং শহরটির ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোকে ঘিরে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে অভিন্ন কূটনৈতিক অবস্থান গড়তে জর্ডানের রাজধানী আম্মানে বৈঠক করেছেন আরব ও মুসলিম দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।</p><p>৫ আগস্ট বুধবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে জেরুজালেমবিষয়ক আরব মন্ত্রীপর্যায়ের কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি আরব লীগের মহাসচিব আহমেদ আবুল গেইত এবং তুরস্ক, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন।</p><p>বৈঠকে জেরুজালেমের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, আল-আকসা মসজিদসহ ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর অবস্থা এবং এ বিষয়ে সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।</p><p>উদ্বোধনী বক্তব্যে জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইমান সাফাদি অভিযোগ করেন, পূর্ব জেরুজালেমে বসতি সম্প্রসারণ, ভূমি দখল, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর বিভিন্ন বিধিনিষেধের মাধ্যমে শহরটির পরিচয় পরিবর্তনের চেষ্টা করছে ইসরাইল। তিনি আরও অভিযোগ করেন, আল-আকসা মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনগত অবস্থান পরিবর্তনের চেষ্টা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপরও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।</p><p>মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি জেরুজালেমের আরব, ইসলামি ও খ্রিস্টান পরিচয় পরিবর্তনের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি পবিত্র স্থানগুলোর ওপর জর্ডানের হাশেমি তত্ত্বাবধানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং অবৈধ বসতি সম্প্রসারণকে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেন।</p><p>সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান গাজায় ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপ এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বসতি সম্প্রসারণের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, পূর্ব জেরুজালেম ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হওয়া উচিত এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা নেওয়া।</p><p>পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে উগ্র ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের প্রবেশের নিন্দা জানিয়ে বলেন, অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেম কিংবা এর ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর চরিত্র পরিবর্তনের যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ ও পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর নিপীড়ন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।</p><p>এ ছাড়া আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া ও ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও জেরুজালেমের ঐতিহাসিক, ধর্মীয় ও আইনগত অবস্থান বজায় রাখার পক্ষে মত দেন এবং শহরটিকে ঘিরে চলমান পরিস্থিতিতে সমন্বিত আরব ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক উদ্যোগের আহ্বান জানান।</p><p>জেরুজালেমবিষয়ক আরব মন্ত্রীপর্যায়ের কমিটিতে জর্ডান, সৌদি আরব, মিসর, কাতার, ইরাক, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, সোমালিয়া ও মরক্কো রয়েছে। জেরুজালেমের ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর অভিভাবক হিসেবে জর্ডান এই বৈঠকের আয়োজন করে।</p><p>সূত্র: মিডল ইস্ট আই</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a907-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 12:06:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ক্ষমা চাইলেন ইনফান্তিনো, থাকছেন ফিফা সভাপতি হিসেবেই]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/68957/e74c-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>ফিফার বাণিজ্যিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্কিত এক সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বিশ্বকাপসহ বড় টুর্নামেন্টের অংশীদারত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল করে ‘ভুল’ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন ফিফা সভাপতি। তবে মরক্কোয় অনুষ্ঠিত সভায় ফিফার শীর্ষ নির্বাহীদের সমর্থন পাওয়ায় সংস্থাটির সভাপতি হিসেবে বহাল থাকছেন তিনি।</p><p>পরিকল্পনাটি বাতিলের পরও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন ইনফান্তিনো। এরপর ফিফার পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের জরুরি সভায় ডাকেন তিনি। গতকাল মরক্কোর রাবাতে ফিফার আফ্রিকান কার্যালয়ে সেই সভা শেষ হওয়ার চার ঘণ্টা পর ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক এ সংস্থা।</p><p>ফিফার মহাসচিব মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রোম ও উপস্থিত পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা বিবৃতিতে বলেন, ‘ফিফার ২১১টি সদস্যদেশের ভোটে নির্বাচিত একমাত্র অফিসিয়াল হিসেবে সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ওপর পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হচ্ছে।’</p><p>বিতর্কিত প্রস্তাবটি যেভাবে সামলানো হয়েছে, তা নিয়ে ফিফার ভেতর থেকেই চাপ বাড়ছিল ইনফান্তিনোর ওপর। গত শনিবার প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেওয়ার পর তাঁর পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হয়।</p><p>রাবাতের সভায় উপস্থিত ছিলেন ফিফার মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রোম। গত মঙ্গলবার কর্মীদের কাছে পাঠানো অভ্যন্তরীণ স্মারকে তিনি লেখেন, পুরো বিষয়টি ‘একটি দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনাক্রম’। তবে বৈঠক শেষে দেওয়া বিবৃতিতে গ্রাফস্ট্রোম ও পরিচালনা পর্ষদ ফিফা সভাপতি হিসেবে ইনফান্তিনোর ওপর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে।<br><br>বিবিসি জানিয়েছে, ইনফান্তিনো ও গ্রাফস্ট্রোম যৌথভাবে ফিফার সহসভাপতি, কাউন্সিল ও ২১১টি সদস্যদেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে একটি স্বাক্ষর করা চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে নিজেদের ভুলের জন্য তাঁরা ‘আন্তরিক ক্ষমা প্রার্থনা’ করেন এবং ‘ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর না ঘটার’ অঙ্গীকার জানান।</p><p>সভা শেষে রাবাতে মেয়েদের আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের একটি ম্যাচ একসঙ্গে দেখেন ইনফান্তিনো ও গ্রাফস্ট্রোম। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন মরক্কো ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফৌজি লেকজা। শুরু থেকেই ইনফান্তিনোর পাশে থাকা হাতে গোনা কয়েকজন কর্মকর্তার একজন এই লেকজা। তিনি পরিকল্পনাটি বাতিল করার সিদ্ধান্তকে ‘বিজ্ঞোচিত’ বলে প্রশংসা করেন এবং ১০ বছর ধরে বিশ্ব ফুটবলের উন্নয়নে ইনফান্তিনোর অবদানের প্রতি তাঁর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।</p><p>ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) নামে একটি নতুন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফিফার বিভিন্ন টুর্নামেন্টে বেসরকারি বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। এতে সায় দিলে প্রতিটি সদস্য–অ্যাসোসিয়েশনকে ৪ কোটি ডলার দেওয়ার লোভনীয় প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু এ পরিকল্পনা প্রকাশের পর তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।</p><p>পর্তুগাল কিংবদন্তি লুইস ফিগো বলেন, ইনফান্তিনো যে পদটির মান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটিকেই তিনি অবনমিত করেছেন। তার সম্মান বাঁচানোর সময় পার হয়ে গেছে, তবে ফুটবলকে বাঁচানোর সময় এখনো আছে।’</p><p>মহাদেশীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা ও কনক্যাকাফ কড়া বিবৃতি প্রকাশ করে। তাদের প্রতি সমর্থন জানায় এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। পাশাপাশি বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয় উয়েফার অধিভুক্ত ৫৫টি দেশ।</p><p>ফিফা জানিয়েছে, বুধবারের বৈঠকে এফএফই সম্পর্কিত ‘ভুলত্রুটি স্বীকার’ করা হয়েছে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, ফিফা কাউন্সিল ও সদস্যদেশগুলোকে এই ‘প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা’র ইচ্ছা তাঁদের ছিল না এবং ‘বিষয়টি ভিন্নভাবে সামলানো উচিত ছিল’।</p><p>সংস্থাটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ‘সংবাদমাধ্যমে প্রস্তাবটি ফাঁস হওয়ার পর যে ভুলগুলো হয়েছিল, সেসব মেনে নেওয়া হয়েছে।’ গত ২৮ জুলাই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস প্রথম ইনফান্তিনোর এই গোপন পরিকল্পনার খবর প্রকাশ করে।</p><p>বিবৃতিতে ফিফা এটাও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, সংস্থাটির ‘ভাবমূর্তি, সুশাসন ও নিয়মকানুন নিয়ে কোনো আক্রমণ আর বরদাশত করা হবে না এবং নিজেদের সুনাম রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’</p><p>এর আগে দ্য টাইমসে প্রকাশিত একটি খবর ভিত্তিহীন দাবি করে ফিফা জানায়, মরক্কোর সমর্থন পাওয়ার বিনিময়ে তাদের ২০৩০ বিশ্বকাপ ফাইনালের আয়োজক বানানোর কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। ফিফা এ দাবিকে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, স্পেন ও পর্তুগালের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, সে সিদ্ধান্ত ‘যথাসময়ে’ নেওয়া হবে।<br><br><strong>ক্ষমা প্রার্থনায় কি ঝড় থামবে</strong><br>ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো নিশ্চয়ই আশা করছেন, ক্ষমা চাওয়ার মধ্য দিয়ে তার ১০ বছরের মেয়াদে সবচেয়ে বড় বিতর্কের অবসান হয়তো ঘটবে। তবে ফিফার বড় কর্মকর্তাদের সমর্থনের পরও তীব্র সমালোচনা এড়াতে পারছেন না ইনফান্তিনো।</p><p>কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, ইনফান্তিনোর ওপর তার কোনো আস্থা নেই। বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদ ও পর্তুগালের সাবেক উইঙ্গার লুইস ফিগো ইনফান্তিনোকে অবিলম্বে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন।</p><p>ফিগো বলেন, ‘ইনফান্তিনো যে পদটির মান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটিকেই তিনি অবনমিত করেছেন। তাঁর সম্মান বাঁচানোর সময় পার হয়ে গেছে, তবে ফুটবলকে বাঁচানোর সময় এখনো আছে।’<br><br>তবে এত কিছুর পরও ৫৬ বছর বয়সী ইনফান্তিনো ফিফা সভাপতি হিসেবে চতুর্থ মেয়াদের পুনর্নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত বলে মনে করা হচ্ছে।</p><p>মরক্কোয় ২০২৭ সালের মার্চে ফিফা কংগ্রেসে সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাঁর বিরুদ্ধে লড়তে চাওয়া প্রতিদ্বন্দ্বীদের আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত নাম জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ নির্বাচনে জয়ী হতে ফিফার ২১১টি সদস্যদেশের মধ্যে ১০৬টি ভোটের প্রয়োজন হয়।<br><br>ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার চিন্তাভাবনা সম্পূর্ণ ভিন্ন। সংস্থাটি এর আগে জানিয়েছে, ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের ওপর তাদের আস্থা নেই এবং ফিফার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দিয়েছে। ওয়েলসসহ একাধিক সদস্যদেশ ইনফান্তিনোর প্রতি পুনর্নির্বাচনে দেওয়া সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে।</p><p>ফিফা অবশ্য দাবি করেছে, ‘ভুলত্রুটি হলেও যা করা হয়েছে, তা ফিফার বিদ্যমান নিয়মনীতির আলোকেই করা হয়েছে।’</p><p>সংস্থাটির আশা, এ বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো ‘ফিফার সুশাসনকে শক্তিশালী করবে এবং সংস্থার প্রতি আবার আস্থা ফিরিয়ে আনবে’।</p><p>তবে এমন আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে উয়েফার অসন্তোষ কতটা কমবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।</p><p>সূত্র: নিউজ ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e74c-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 12:00:03 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ক্ষমা চাইলেন ইনফান্তিনো, থাকছেন ফিফা সভাপতি হিসেবেই]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/football/68957/e74c-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>ফিফার বাণিজ্যিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্কিত এক সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বিশ্বকাপসহ বড় টুর্নামেন্টের অংশীদারত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল করে ‘ভুল’ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন ফিফা সভাপতি। তবে মরক্কোয় অনুষ্ঠিত সভায় ফিফার শীর্ষ নির্বাহীদের সমর্থন পাওয়ায় সংস্থাটির সভাপতি হিসেবে বহাল থাকছেন তিনি।</p><p>পরিকল্পনাটি বাতিলের পরও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন ইনফান্তিনো। এরপর ফিফার পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের জরুরি সভায় ডাকেন তিনি। গতকাল মরক্কোর রাবাতে ফিফার আফ্রিকান কার্যালয়ে সেই সভা শেষ হওয়ার চার ঘণ্টা পর ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক এ সংস্থা।</p><p>ফিফার মহাসচিব মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রোম ও উপস্থিত পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা বিবৃতিতে বলেন, ‘ফিফার ২১১টি সদস্যদেশের ভোটে নির্বাচিত একমাত্র অফিসিয়াল হিসেবে সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ওপর পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হচ্ছে।’</p><p>বিতর্কিত প্রস্তাবটি যেভাবে সামলানো হয়েছে, তা নিয়ে ফিফার ভেতর থেকেই চাপ বাড়ছিল ইনফান্তিনোর ওপর। গত শনিবার প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেওয়ার পর তাঁর পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হয়।</p><p>রাবাতের সভায় উপস্থিত ছিলেন ফিফার মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রোম। গত মঙ্গলবার কর্মীদের কাছে পাঠানো অভ্যন্তরীণ স্মারকে তিনি লেখেন, পুরো বিষয়টি ‘একটি দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনাক্রম’। তবে বৈঠক শেষে দেওয়া বিবৃতিতে গ্রাফস্ট্রোম ও পরিচালনা পর্ষদ ফিফা সভাপতি হিসেবে ইনফান্তিনোর ওপর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে।<br><br>বিবিসি জানিয়েছে, ইনফান্তিনো ও গ্রাফস্ট্রোম যৌথভাবে ফিফার সহসভাপতি, কাউন্সিল ও ২১১টি সদস্যদেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে একটি স্বাক্ষর করা চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে নিজেদের ভুলের জন্য তাঁরা ‘আন্তরিক ক্ষমা প্রার্থনা’ করেন এবং ‘ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর না ঘটার’ অঙ্গীকার জানান।</p><p>সভা শেষে রাবাতে মেয়েদের আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের একটি ম্যাচ একসঙ্গে দেখেন ইনফান্তিনো ও গ্রাফস্ট্রোম। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন মরক্কো ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফৌজি লেকজা। শুরু থেকেই ইনফান্তিনোর পাশে থাকা হাতে গোনা কয়েকজন কর্মকর্তার একজন এই লেকজা। তিনি পরিকল্পনাটি বাতিল করার সিদ্ধান্তকে ‘বিজ্ঞোচিত’ বলে প্রশংসা করেন এবং ১০ বছর ধরে বিশ্ব ফুটবলের উন্নয়নে ইনফান্তিনোর অবদানের প্রতি তাঁর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।</p><p>ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) নামে একটি নতুন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফিফার বিভিন্ন টুর্নামেন্টে বেসরকারি বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। এতে সায় দিলে প্রতিটি সদস্য–অ্যাসোসিয়েশনকে ৪ কোটি ডলার দেওয়ার লোভনীয় প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু এ পরিকল্পনা প্রকাশের পর তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।</p><p>পর্তুগাল কিংবদন্তি লুইস ফিগো বলেন, ইনফান্তিনো যে পদটির মান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটিকেই তিনি অবনমিত করেছেন। তার সম্মান বাঁচানোর সময় পার হয়ে গেছে, তবে ফুটবলকে বাঁচানোর সময় এখনো আছে।’</p><p>মহাদেশীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা ও কনক্যাকাফ কড়া বিবৃতি প্রকাশ করে। তাদের প্রতি সমর্থন জানায় এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। পাশাপাশি বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয় উয়েফার অধিভুক্ত ৫৫টি দেশ।</p><p>ফিফা জানিয়েছে, বুধবারের বৈঠকে এফএফই সম্পর্কিত ‘ভুলত্রুটি স্বীকার’ করা হয়েছে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, ফিফা কাউন্সিল ও সদস্যদেশগুলোকে এই ‘প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা’র ইচ্ছা তাঁদের ছিল না এবং ‘বিষয়টি ভিন্নভাবে সামলানো উচিত ছিল’।</p><p>সংস্থাটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ‘সংবাদমাধ্যমে প্রস্তাবটি ফাঁস হওয়ার পর যে ভুলগুলো হয়েছিল, সেসব মেনে নেওয়া হয়েছে।’ গত ২৮ জুলাই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস প্রথম ইনফান্তিনোর এই গোপন পরিকল্পনার খবর প্রকাশ করে।</p><p>বিবৃতিতে ফিফা এটাও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, সংস্থাটির ‘ভাবমূর্তি, সুশাসন ও নিয়মকানুন নিয়ে কোনো আক্রমণ আর বরদাশত করা হবে না এবং নিজেদের সুনাম রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’</p><p>এর আগে দ্য টাইমসে প্রকাশিত একটি খবর ভিত্তিহীন দাবি করে ফিফা জানায়, মরক্কোর সমর্থন পাওয়ার বিনিময়ে তাদের ২০৩০ বিশ্বকাপ ফাইনালের আয়োজক বানানোর কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। ফিফা এ দাবিকে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, স্পেন ও পর্তুগালের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, সে সিদ্ধান্ত ‘যথাসময়ে’ নেওয়া হবে।<br><br><strong>ক্ষমা প্রার্থনায় কি ঝড় থামবে</strong><br>ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো নিশ্চয়ই আশা করছেন, ক্ষমা চাওয়ার মধ্য দিয়ে তার ১০ বছরের মেয়াদে সবচেয়ে বড় বিতর্কের অবসান হয়তো ঘটবে। তবে ফিফার বড় কর্মকর্তাদের সমর্থনের পরও তীব্র সমালোচনা এড়াতে পারছেন না ইনফান্তিনো।</p><p>কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, ইনফান্তিনোর ওপর তার কোনো আস্থা নেই। বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদ ও পর্তুগালের সাবেক উইঙ্গার লুইস ফিগো ইনফান্তিনোকে অবিলম্বে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন।</p><p>ফিগো বলেন, ‘ইনফান্তিনো যে পদটির মান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটিকেই তিনি অবনমিত করেছেন। তাঁর সম্মান বাঁচানোর সময় পার হয়ে গেছে, তবে ফুটবলকে বাঁচানোর সময় এখনো আছে।’<br><br>তবে এত কিছুর পরও ৫৬ বছর বয়সী ইনফান্তিনো ফিফা সভাপতি হিসেবে চতুর্থ মেয়াদের পুনর্নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত বলে মনে করা হচ্ছে।</p><p>মরক্কোয় ২০২৭ সালের মার্চে ফিফা কংগ্রেসে সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাঁর বিরুদ্ধে লড়তে চাওয়া প্রতিদ্বন্দ্বীদের আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত নাম জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ নির্বাচনে জয়ী হতে ফিফার ২১১টি সদস্যদেশের মধ্যে ১০৬টি ভোটের প্রয়োজন হয়।<br><br>ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার চিন্তাভাবনা সম্পূর্ণ ভিন্ন। সংস্থাটি এর আগে জানিয়েছে, ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের ওপর তাদের আস্থা নেই এবং ফিফার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দিয়েছে। ওয়েলসসহ একাধিক সদস্যদেশ ইনফান্তিনোর প্রতি পুনর্নির্বাচনে দেওয়া সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে।</p><p>ফিফা অবশ্য দাবি করেছে, ‘ভুলত্রুটি হলেও যা করা হয়েছে, তা ফিফার বিদ্যমান নিয়মনীতির আলোকেই করা হয়েছে।’</p><p>সংস্থাটির আশা, এ বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো ‘ফিফার সুশাসনকে শক্তিশালী করবে এবং সংস্থার প্রতি আবার আস্থা ফিরিয়ে আনবে’।</p><p>তবে এমন আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে উয়েফার অসন্তোষ কতটা কমবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।</p><p>সূত্র: নিউজ ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e74c-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 12:00:03 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শেখ হাসিনাকে নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য, সরকারি কর্মচারীর স্ট্যান্ড রিলিজ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/68956/ddf7-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের কার্য সহকারী সমর সাহাকে ফেসবুকে করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।</p><p>৫ আগস্ট বুধবার তাকে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়।</p><p>মাধবপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. নুর মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সমর সাহাকে মাধবপুর থেকে মোংলায় স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।</p><p>জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি জাতীয় দৈনিকের ফেসবুক পেজে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার-সংক্রান্ত একটি ফটোকার্ড প্রকাশিত হয়। ওই পোস্টে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সমর সাহা মন্তব্য করেন, “দেশ আর সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা আপনারা কিনে নিলেন নাকি?”</p><p>মন্তব্যটি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সরকারি কর্মচারীর এমন প্রকাশ্য মন্তব্যের উপযুক্ততা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অনেকেই।</p><p>এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান বলেন, সমর সাহাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করার বিষয়টি তিনি জেনেছেন।</p><p>এদিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম কামাল এবং জেলা বিএনপির সদস্য ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি পৃথক বক্তব্যে প্রশাসনে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ddf7-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 11:45:27 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ঢাকা থেকে অনুসরণ করে নওগাঁয় স্বর্ণ ছিনতাই, চক্রের এক সদস্য গ্রেফতার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/68955/1d70-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নওগাঁ প্রতিনিধি:</strong> নওগাঁয় জামাল হোসেন ফুলন নামে স্বর্ণ ছিনতাইকারী চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সদস্যরা। এ সময় ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট বুধবার রাতে যশোর জেলা সদর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নওগাঁ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।</p><p>গ্রেফতার জামাল হোসেন যশোর জেলার কোতোয়ালি থানা এলাকার বাসিন্দা।</p><p>পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৩০ জুলাই আনুমানিক ১১টার দিকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুভাষ পালের নিকট থেকে কিছু স্বর্ণ অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা নওগাঁ শহরের তাজের মোড়ে মাইক্রোবাস দিয়ে তার গতিরোধ করে ছিনতাই করে। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা নির্দেশনা প্রদান করি।’</p><p>তিনি বলেন, ‘পরবর্তীতে সদর থানায় মামলা রুজু হওয়ার পর আমার তত্ত্বাবধানে ডিবির ইনচার্জের নেতৃত্বে তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত গাড়িটি সনাক্ত করা হয়।’</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘গত ৩ আগস্ট থেকে টানা দুই দিনের অভিযানে যশোর জেলা পুলিশের সহায়তায় যশোর থেকে ছিনতাই চক্রের অন্যতম সদস্য গাড়ি চালক জামাল হোসেন ফুলনকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়। জামাল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা চারজনের একটি চক্র এই কাজে জড়িত।’</p><p>এসপি বলেন, এই চক্রটি একটি কালো মাইক্রোবাস নিয়ে ঢাকা থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুভাষ পালকে অনুসরণ করে। সুভাষ পাল যখন ঢাকা কল্যাণপুর থেকে শ্যামলী পরিবহনে নওগাঁ উদ্দেশ্যে রওনা হন, তখন থেকেই ছিনতাইকারী চক্র শ্যামলী গাড়িটিকে অনুসরণ করে। নওগাঁ এসে গাড়ি থেকে নামার পর ছিনতাইকারীরা তাদের সেই মাইক্রোবাস ব্যবহার করে তাজের মোড় এলাকা থেকে সুভাষ পালের হাতের ব্যাগে থাকা প্রায় ১৪ ভরি সোনা ছিনতাই করে নিয়ে পালিয়ে যায়।’</p><p>পুলিশ সুপার বলেন, ঘটনার পর পরই পুলিশ ব্যাপকভাবে নওগাঁ শহরের বিভিন্ন রাস্তায় তল্লাশি শুরু করে, তখন ছিনতাইকারীরা বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে চলে যায়। গ্রেফতার জামাল হোসেন ফুলন আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেফতার এবং স্বর্ণ উদ্ধারে জেলা পুলিশের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1d70-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 11:29:07 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বাকৃবির গবেষণা: এবার ৫ দেশি মাছে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68954/ef83-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>আড়িয়াল বিলের দেশীয় ছোট মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক। পাঁচ প্রজাতির মাছের মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক পেয়েছেন গবেষণায়।</p><p>এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পেয়েছেন কই মাছে। মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া বাকি প্রজাতিগুলো হলো বাটা মাছ, মেনি, গুলশা টেংরা ও পুঁটি মাছ।</p><p>গবেষকদের মতে, বর্তমানে এসব মাছ খেয়ে তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্যঝুঁকির সুস্পষ্ট প্রমাণ না থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে মানবস্বাস্থ্য, জলজ বাস্তুতন্ত্র এবং খাদ্যনিরাপত্তার ওপর প্রভাব পড়বে।</p><p>গবেষণার প্রধান গবেষক এবং বাকৃবির ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান বলেন, গবেষণায় আড়িয়াল বিলের গাদীঘাট, বসুরোলা ডেঙ্গা, সাগর ডেঙ্গা, বড়াইখালী ও আলমপুর এই পাঁচটি স্থান থেকে ২০২৪ সালের বর্ষা, ২০২৪-২৫ সালের শীত এবং ২০২৫ সালের শুষ্ক মৌসুমে পানি, পলিমাটি ও মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষাধীন মাছগুলো ছিল কই, বাটা, মেনি (ভেদা/নান্দিনা), গুলশা টেংরা ও পুঁটি।<br><br>গবেষণায় দেখা যায়, সর্বভূক হওয়ায় কই মাছেই সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক জমা হয়েছে। বর্ষা, শীত ও শুষ্ক এই তিন মৌসুমেই কই মাছের মাংসপেশিতে গড়ে প্রায় একটি করে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। অন্ত্রে গড়ে ১ দশমিক ৭০ থেকে ১ দশমিক ৯০ এবং ফুলকায় ১ দশমিক ৩০ থেকে ১ দশমিক ৪০টি কণা শনাক্ত হয়েছে।</p><p>কইয়ের পর সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে বাটা মাছে। এরপর রয়েছে মেনি ও গুলশা টেংরা। সবচেয়ে কম শনাক্ত হয়েছে পুঁটি মাছে। তৃণভোজী বাটা মাছের অন্ত্রে বর্ষা মৌসুমে গড়ে সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। আর মাংসপেশিতে তিন ঋতুতেই প্রায় একই মাত্রায় (শূন্য দশমিক ৮০ থেকে শূন্য দশমিক ৯০টি) প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।</p><p>নান্দিনা বা মেনি মাছের অন্ত্রে শীত ও শুষ্ক মৌসুমে তুলনামূলক বেশি প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। তবে মাংসপেশিতে এর মাত্রা ছিল শূন্য দশমিক ৬০ থেকে শূন্য দশমিক ৭০টির মধ্যে। একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে গুলশা টেংরাতেও। এ মাছের অন্ত্রে শীত মৌসুমে সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৩০টি কণা পাওয়া গেছে আর মাংসপেশিতে পাওয়া গেছে শূন্য দশমিক ৫০ থেকে শূন্য দশমিক ৮০টি প্লাস্টিক কণা। অন্যদিকে ছোট আকারের সর্বভুক পুঁটি মাছে সবচেয়ে কম মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। এর মাংসপেশিতে মাত্র শূন্য দশমিক ৫০ থেকে শূন্য দশমিক ৫১টি কণা পাওয়া গেছে।</p><p>গবেষণায় প্রতি লিটার পানিতে ১১ থেকে ৩১ দশমিক ৬৭টি এবং প্রতি কেজি পলিমাটিতে ১২ দশমিক ৩৩ থেকে ১২৭ দশমিক ৩৩টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। বর্ষাকালে পানিতে দূষণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি ছিল।</p><p>ড. শাহজাহান বলেন, ফোরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড (এফটি-আইআর) স্পেকট্রোস্কোপি পরীক্ষায় দেখা গেছে, শনাক্ত হওয়া কণার ৩৪ থেকে ৬৩ শতাংশই ছিল মাইক্রোফাইবার। এসব কণার প্রধান উৎস হিসেবে কাপড় ধোয়ার সময় নির্গত কৃত্রিম তন্তু, গৃহস্থালির বর্জ্যপানি এবং মাছ ধরার প্লাস্টিক জাল। এ ছাড়া ভাঙা শক্ত প্লাস্টিক, পলিথিনের ফিল্ম ও ফোমজাতীয় কণাও পাওয়া গেছে। রাসায়নিক বিশ্লেষণে পলিইথিলিন (পিই), পলিপ্রোপিলিন (পিপি), পলিস্টাইরিন (পিএস), পলিভিনাইল ক্লোরাইড (পিভিসি) এবং পলিকার্বোনেট (পিসি) শনাক্ত হয়েছে, যা প্লাস্টিক ব্যাগ, মোড়ক, বোতল, প্যাকেজিং সামগ্রী ও বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্যে বহুল ব্যবহৃত।</p><p>প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. শাহজাহান বলেন, আতঙ্ক নয়, এখন প্রয়োজন উৎস থেকেই প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ। মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন পরিবেশের প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আড়িয়াল বিলের মাছের অন্ত্রের পাশাপাশি মাংসপেশিতেও এর উপস্থিতি পাওয়া যাওয়ায় বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে এসব মাছ খেয়ে সরাসরি ক্ষতির প্রমাণ নেই। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে শরীরে এ ধরনের কণা জমতে থাকলে তার প্রভাব ভবিষ্যতে দেখা দিতে পারে। হয়তো পাঁচ বা দশ বছরে নয়, ২৫ থেকে ৩০ বছর পর কিংবা পরবর্তী প্রজন্মেও এর প্রভাব প্রকাশ পেতে পারে।</p><p>সূত্র: নিউজ ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ef83-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 11:18:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদার আরোজ আলী গ্রেফতার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/68952/08f6-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নড়াইল প্রতিনিধি:</strong> নড়াইলের কালিয়ায় পুলিশের ছদ্মবেশী অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সরদার আরোজ আলী শেখ গ্রেফতার হয়েছেন।</p><p>৫ আগস্ট বুধবার রাত ৮টার দিকে কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইদ্রিস আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল ছদ্মবেশে জোকারচর গ্রামে অবস্থান নেয়। পরে অভিযান চালিয়ে আরোজ আলী শেখকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>গ্রেফতারকৃত আরোজ আলী শেখ কালিয়া উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের জোকারচর গ্রামের হেমায়েত শেখের ছেলে।</p><p>পুলিশ জানায়, আরোজ আলীর বিরুদ্ধে কালিয়া থানায় ৫টি, নড়াইল সদর থানায় ২টি, খুলনার দিঘলিয়া থানায় ১টি এবং গোপালগঞ্জ সদর থানায় ১টিসহ ডাকাতি, সন্ত্রাস, অস্ত্র ও চুরির অপরাধে আরও অনেক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তার গতিবিধির ওপর কঠোর নজরদারি রাখার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>এ বিষয়ে কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী বলেন, ‘আরোজ আলী দীর্ঘদিন ধরে এলাকা ও আশেপাশের বিভিন্ন জেলায় ডাকাতিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও ছদ্মবেশ ধারণ করে আমরা তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত এবং গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">08f6-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 11:02:49 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হিরোশিমায় যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক বোমা হামলার ৮১ বছর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/68950/8e52-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমা শহরে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার সেই ভয়াবহ ঘটনার ৮১তম বার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা, স্মরণ এবং পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্বের আহ্বানের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করেছে জাপান।</p><p>১৯৪৫ সালের এদিন যুক্তরাষ্ট্রের গোপন ‘ম্যানহাটন প্রকল্প’-এর অধীনে তৈরি ‘লিটল বয়’ নামের ইউরেনিয়ামভিত্তিক পারমাণবিক বোমাটি মার্কিন বি-২৯ বোমারু বিমান ইনোলা গে থেকে হিরোশিমার ওপর নিক্ষেপ করা হয়।</p><p>বোমা হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে এবং পরবর্তী কয়েক মাসে আনুমানিক ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন বেসামরিক নাগরিক। বিস্ফোরণ, তীব্র তাপ, অগ্নিকাণ্ড এবং তেজস্ক্রিয়তার প্রভাবে হিরোশিমার বড় অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।</p><p>হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল পার্কে আয়োজিত স্মরণানুষ্ঠানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। একই সঙ্গে বিশ্বনেতাদের প্রতি পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপ এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়।</p><p>হিরোশিমায় হামলার তিন দিন পর, ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট জাপানের নাগাসাকি শহরে ‘ফ্যাট ম্যান’ নামের দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে যুক্তরাষ্ট্র। ওই হামলাতেও কয়েক হাজার মানুষ প্রাণ হারান এবং দীর্ঘদিন ধরে তেজস্ক্রিয়তার ভয়াবহ প্রভাব বহন করতে হয় স্থানীয়দের।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8e52-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:47:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পুড়ে যাওয়া এলএনজি টার্মিনাল চালু, স্বাভাবিক হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/68949/3394-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রায় দুই সপ্তাহ পর এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু হয়েছে। ৫ আগস্ট বুধবার দিবাগত রাত ৩টা ১০ মিনিটে টার্মিনালটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়।</p><p>রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্র বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।</p><p>আরপিজিসিএলের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত টার্মিনালটি থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ১১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। এ সময় দুটি এলএনজি টার্মিনাল মিলিয়ে মোট প্রায় ৬৬২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছিল।</p><p>সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিকেলের মধ্যে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ২০০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছাতে পারে।</p><p>আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর প্রায় দুই সপ্তাহ টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় দেশে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দেয়, যার প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতেও।</p><p>আরপিজিসিএলের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) নাসির উদ্দিন জানান, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রাত ৩টা ১০ মিনিটে টার্মিনালটি পুনরায় চালু করা হয়েছে।</p><p>সূত্র: দেশ রূপান্তর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3394-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:39:44 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজ সবার জন্য খুলছে জুলাই জাদুঘর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/68948/a489-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে। ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার থেকে জনসাধারণের উন্মুক্ত করেছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।</p><p>ছাত্রজনতার আন্দোলনের ঘটনাপ্রবাহ, শহীদ ও আহতদের স্মৃতি, আলোকচিত্র, ভিডিও, দলিল, ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী এবং বিভিন্ন ডিজিটাল প্রদর্শনী জায়গা পেয়েছে এই জাদুঘরে।</p><p>জনসাধারণের জন্য আজ বৃহস্পতিবার প্রথম দিনের ৯০০টি টিকিট গতকাল বুধবার বিকেল ৪টার মধ্যেই বিক্রি হয়েছে। এর আগে গতকাল সকালে জুলাই জাদুঘর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p><p><strong>যে সময়ে ঢোকা যাবে জাদুঘরে</strong><br>জাদুঘরে প্রবেশের সময়কে কয়েকটি স্লটে ফেলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন ৯০০ দর্শনার্থী এই জাদুঘরের মূল ভবনে প্রবেশ করতে পারবেন। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ বলেছেন, অনলাইন বুকিং ব্যবস্থার পাশাপাশি জাদুঘরের কাউন্টার থেকেও টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।</p><p>জাদুঘরের মূল ভবনে যেতে পারবেন ৩ সময়ে। প্রতিটি স্লটে সর্বোচ্চ ৩০০ জন করে দর্শনার্থী প্রবেশ করার সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে মর্নিং স্লটে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা, মিড ডে স্লটে দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৩টা এবং ইভিনিং স্লটে বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঘুরে দেখা যাবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টিকিটের গায়ে উল্লিখিত সময়ের মধ্যেই কেবল মূল ভবনে প্রবেশ করা যাবে।</p><p><strong>জেনে নিন টিকিটের মূল্য</strong><br>টিকিটের মূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ের জন্য আগে থেকেই টিকিট বুকিং করতে হবে। কাঙ্ক্ষিত দিনের সব স্লট পূর্ণ হয়ে গেলে আবেদনকারীকে পরবর্তী দিনের কোনো ফাঁকা স্লট বেছে নিতে হবে।<br><br><strong>যে কারনে এই সীমিত প্রবেশ</strong><br>ব্যবস্থাপনার জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে উল্লেখ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব গতকাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শুরুতেই বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী একসঙ্গে এলে তা ব্যবস্থাপনার জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে। সে কারণেই প্রাথমিকভাবে সীমিত সংখ্যক দর্শনার্থীর জন্য সময়ভিত্তিক প্রবেশ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।’</p><p><strong>তালা ভেঙে জুলাই জাদুঘরে প্রবেশ</strong><br>গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানান, জাদুঘর উদ্বোধনের প্রথম দিন শুধু জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।</p><p>কিন্তু গতকাল উদ্বোধনের দিন টানা বৃষ্টির মধ্যেই অসংখ্য মানুষ মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন। দীর্ঘক্ষণ ভিজে অপেক্ষা করার পরও গেট বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জুলাইযোদ্ধা, আহত আন্দোলনকারী ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা গেটে ধাক্কা দিতে শুরু করেন। পরে তারা তালা ও গেট ভেঙে জাদুঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন।</p><p>ঘটনাস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থী আশরাফুল ইসলাম জানালেন, তারা দীর্ঘসময় বৃষ্টিতে ভিজে অপেক্ষা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ‘নির্ধারিত সময়ে গেট খুলে দেওয়া হলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিলম্বের কারণেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।’ পরে জাদুঘরে প্রবেশের সময় কয়েকজন আন্দোলনকারী উপস্থিত দর্শনার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান।</p><p>সূত্র: নিউজ ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a489-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:12:08 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দুপুরের মধ্যে ৬ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Weather/68947/3567-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশের ৬ জেলায় দুপুরের মধ্যে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে, বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>এতে বলা হয়– খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।</p><p>তাই ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3567-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 09:59:58 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দুপুরের মধ্যে ৬ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/68947/3567-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশের ৬ জেলায় দুপুরের মধ্যে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে, বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।</p><p>৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>এতে বলা হয়– খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।</p><p>তাই ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3567-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 09:59:58 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিশ্ববাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে স্বর্ণ ও রুপার দাম]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/68946/3fee-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ডলারের দরপতন, ট্রেজারি ইল্ড কমে আসা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু হওয়ার আশাবাদে আন্তর্জাতিক বাজারে টানা চতুর্থ দিনের মতো বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এতে প্রায় সাত সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে মূল্যবান এই ধাতু।<br><br>বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৮৫ দশমিক ৬৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ১৮ জুনের পর সর্বোচ্চ।</p><p>এর আগের দিন স্বর্ণের দাম ফেব্রুয়ারির পর সবচেয়ে বড় দৈনিক উল্লম্ফন দেখেছিল। একই সময়ে মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৪৫ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছেছে।</p><p>এদিন মার্কিন ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি নোটের ইল্ড কমেছে। একই সঙ্গে চাপের মুখে ছিল মার্কিন ডলার সূচকও। ডলারের দর কমে গেলে অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য ডলারে মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণ তুলনামূলকভাবে সস্তা হয়ে যায়, যা চাহিদা বাড়াতে সহায়তা করে।<br><br>এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাঁচ মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি প্রস্তাবিত চুক্তির বিষয়েও আশাবাদ তৈরি হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজগুলোর নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে থাকবে।<br><br>রয়টার্সকে ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন সূত্র এবং অঞ্চলের দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি ইরানের জন্য এখন পর্যন্ত দেওয়া সবচেয়ে বড় ছাড়গুলোর একটি।</p><p>ইরান ইস্যুতে আশাবাদ বাড়ায় আগামী সেপ্টেম্বরে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে; এমন প্রত্যাশাও কমেছে। দুই দিন আগে যেখানে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৬৭ শতাংশ ধরা হচ্ছিল, এখন তা নেমে এসেছে ৫৫ শতাংশে। সাধারণত কম সুদের হারের পরিবেশে স্বর্ণের দাম বাড়ে, কারণ স্বর্ণে কোনো সুদ পাওয়া যায় না।<br><br>তবে ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর লিসা কুক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে যদি মুদ্রাস্ফীতির চাপ অতিরিক্ত পর্যায়ে থাকে, তাহলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে স্বল্পমেয়াদি সুদের হার আরও বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করতে হতে পারে।<br><br>এদিকে বিনিয়োগকারীদের নজর এখন শুক্রবার প্রকাশিতব্য জুলাই মাসের মার্কিন নন-ফার্ম পে-রোলস প্রতিবেদনের দিকে। এর আগে বুধবার প্রকাশিত এডিপির জাতীয় কর্মসংস্থান প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি কমেছে। জুনে সংশোধিত হিসাবে যেখানে ৯৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল, জুলাইয়ে তা নেমে এসেছে ৪৪ হাজারে।<br><br>অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। স্পট রুপার দাম শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬২ দশমিক ৩৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্ল্যাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৫০ দশমিক ১৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৩৭৭ ডলারে পৌঁছেছে।</p><p>সূত্র: রয়টার্স</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3fee-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 09:53:21 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান গ্রেফতার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/68945/dde5-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামানকে (৭৩) গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।</p><p>৫ আগস্ট বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><p>এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কর্মকাণ্ডে আখতারুজ্জামানের সম্পৃক্ততার গোয়েন্দা তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট একটি হত্যা মামলারও আসামিও তিনি।’</p><p>সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">dde5-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 09:50:02 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হামলা নয়, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চাই: ট্রাম্প]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/68944/ebe0-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>ইরানের সঙ্গে নতুন করে সামরিক সংঘাতে না গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছাতে চান বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।</p><p>৫ আগস্ট বুধবার তিনি দাবি করেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সমাধানকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।</p><p>লাস ভেগাসে দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরানি কর্মকর্তারা আলোচনার অনুরোধ জানানোর আগে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।</p><p>তিনি বলেন, “আমি মানুষের প্রাণহানি দেখতে চাই না। সে কারণেই ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চাই।” তবে একই সঙ্গে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, কোনো পরিস্থিতিতেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না।</p><p>ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে এমন এক সময়ে, যখন কয়েক দিন আগে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা চলছে—এমন দাবি অস্বীকার করেছিলেন।</p><p>সূত্র: মিডল ইস্ট আই</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ebe0-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 09:29:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব পেলেন সেই দুই ইরানি নারী ফুটবলার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/68943/6f90-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আশ্রয় নেওয়ার দীর্ঘ পাঁচ মাস পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব পেলেন ইরানের সাবেক দুই নারী জাতীয় ফুটবলার ফাতেমেহ পাসানদিদেহ এবং আতেফেহ রামেজানিসাদে।</p><p>অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য অস্ট্রেলিয়ান’-এর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ব্রিসবেনে আয়োজিত একটি বিশেষ নাগরিকত্ব প্রদান অনুষ্ঠানে এই দুজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।</p><p>গত মার্চ মাসে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এএফসি নারী এশিয়ান কাপ চলাকালীন এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছিল। টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচে মাঠে ইরানের জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানান এই খেলোয়াড়েরা। দেশে ফিরে কঠোর নির্যাতনের শিকার হওয়ার তীব্র আশঙ্কায় তখন বেশ কয়েকজন ইরানি ফুটবলার অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন, যার মধ্যে ফাতেমেহ এবং আতেফেহও ছিলেন।</p><p>পরবর্তীতে সতীর্থদের পাঁচজন নিজেদের আবেদন প্রত্যাহার করে দেশে ফিরে গেলেও, পাসানদিদেহ এবং রামেজানিসাদে অস্ট্রেলিয়াতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অবশেষে দেশটির নাগরিকত্ব অর্জন করলেন।</p><p>সূত্র: আল জাজিরা</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6f90-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 09:28:22 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব পেলেন সেই দুই ইরানি নারী ফুটবলার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/football/68943/6f90-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আশ্রয় নেওয়ার দীর্ঘ পাঁচ মাস পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব পেলেন ইরানের সাবেক দুই নারী জাতীয় ফুটবলার ফাতেমেহ পাসানদিদেহ এবং আতেফেহ রামেজানিসাদে।</p><p>অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য অস্ট্রেলিয়ান’-এর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ব্রিসবেনে আয়োজিত একটি বিশেষ নাগরিকত্ব প্রদান অনুষ্ঠানে এই দুজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।</p><p>গত মার্চ মাসে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এএফসি নারী এশিয়ান কাপ চলাকালীন এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছিল। টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচে মাঠে ইরানের জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানান এই খেলোয়াড়েরা। দেশে ফিরে কঠোর নির্যাতনের শিকার হওয়ার তীব্র আশঙ্কায় তখন বেশ কয়েকজন ইরানি ফুটবলার অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন, যার মধ্যে ফাতেমেহ এবং আতেফেহও ছিলেন।</p><p>পরবর্তীতে সতীর্থদের পাঁচজন নিজেদের আবেদন প্রত্যাহার করে দেশে ফিরে গেলেও, পাসানদিদেহ এবং রামেজানিসাদে অস্ট্রেলিয়াতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অবশেষে দেশটির নাগরিকত্ব অর্জন করলেন।</p><p>সূত্র: আল জাজিরা</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6f90-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 09:28:22 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হাসিনার বক্তব্যকে ‘পাত্তা দিচ্ছি না’: নাছির উদ্দীন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/68942/1b4e-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে দেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে ‘পাত্তা দিচ্ছেন না’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।</p><p>৫ আগস্ট বুধবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p><p>পোস্টে নাছির উদ্দীন লেখেন, পলায়নের দুই বছর পর সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক শেখ হাসিনার পর্দার আড়ালের কথিত সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যকে তারা গুরুত্ব দিচ্ছেন না। তবে বিদেশের মাটিতে বসে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক এবং উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি এর নিন্দা জানান।</p><p>তিনি আরও লেখেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের উচিত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখা। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন দল, মত ও আদর্শের মানুষ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে বলেও দাবি করেন।</p><p>ছাত্রদলের এই নেতা আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে ঘিরে তারা ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের মতোই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দেশের ছাত্রসমাজ ও জনগণ সতর্ক অবস্থানে থাকবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1b4e-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 09:22:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মেসির জোড়া জাদু, বড় জয় মায়ামির]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/68941/caf1-20260806]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>মাঠে নামবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি আর জাদু দেখবে না দর্শক তা কী করে হয়! বিশ্বকাপের পর দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেই ইন্টার মায়ামির হয়ে গোলের রেকর্ড গড়লেন ফুটবল মাঠের এই জাদুকর। বয়স যে তার কাছে একটা সংখ্যা তা বারবার প্রমাণ করে যাচ্ছেন ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা। লিগস কাপের ইতিহাসে তিনি এখন সর্বোচ্চ গোলদাতা। তার জোড়া গোলে ভর করে অ্যাতলেটিকো দে সান লুইসের বিপক্ষে ৪-২ ব্যবধানে জিতল ইন্টার মায়ামি।&nbsp;<br><br>আজ (বৃহস্পতিবার) ভোরে মায়ামির নু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি বৃষ্টির বাধায় বন্ধ ছিল দ্বিতীয়ার্ধের ২৫ মিনিটের পর। আবারও খেলা মাঠে গড়ানোর আগেই স্কোরলাইন ছিল ৪-২। শেষপর্যন্ত তাতে আর পরিবর্তন আসেনি। প্রথমার্ধেই মেসি-ক্যাসেমিরোর দল ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। তাদের পক্ষে মেসি জোড়া, তেলাসকো সেগোভিয়া ও মিকায়েল দোস সান্তোস একটি করে গোল করেন।</p><p>ম্যাচের ১১তম মিনিটে প্রথম গোলটি করেন মেসি। এর আগে অবশ্য ডেভিড রদ্রিগেজের গোলে ৪ মিনিটেই লিগা এমএক্সের দল অ্যাতলেটিকো দে সান লুইস এগিয়ে গিয়েছিল। এরপর বাঁ প্রান্ত থেকে নোয়া অ্যালেনের পাস পেয়ে গোলমুখের সামনে থেকে সরাসরি শটে সমতা ফেরান মেসি। যা বিশ্বকাপের পর ফিরে ৩৯ বছর বয়সী তারকার প্রথম গোলে।</p><p>২৬ মিনিটে সেগোভিয়া গোল করে ইন্টার মায়ামিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধের ৪৪তম মিনিটে আবারও অ্যালেনের বাঁ দিক থেকে দেওয়া পাস পেয়ে জালের মাঝামাঝি অবস্থানে বল নিয়ন্ত্রণ করেন মেসি। এবার কয়েক কদম এগিয়ে গিয়ে শট নিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। লিগস কাপে এটি তার ১৪তম গোল, যা তাকে প্রতিযোগিতাটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসিয়েছে।</p><p>শুধু গোলই নয়, প্রথমার্ধে ইন্টার মায়ামির চতুর্থ গোলেও অবদান রাখেন মেসি। তার নেওয়া কর্নার থেকে হেডে গোল করেন মিকায়েল, ফলে প্রথমার্ধ শেষে মায়ামি ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। লিগস কাপে মেসির রেকর্ডটি হলো ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরপরই। শিরোপাধারী আর্জেন্টিনা এবার ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়। নকআউট পর্বে তারা ইংল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, মিশর ও কেপ ভার্দেকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে।</p><p>বিশ্বকাপে মোট ২১ গোল করে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন মেসি, যার মধ্যে এবারের আসরে ছিল ৮ গোল। পরে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে ১০ গোল করে ক্যারিয়ারে বিশ্বকাপে মোট ২২ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন এবং টানা দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট জেতেন।</p><p>বিশ্বকাপের পর ইন্টার মায়ামির হয়ে মেসির প্রথম ম্যাচ ছিল গত ১ আগস্ট এমএলএসে কলম্বাস ক্রুর বিপক্ষে। সেই ম্যাচে তিনি বদলি হিসেবে নেমেছিলেন এবং ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">caf1-20260806</guid>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 09:16:13 +0600</pubDate>
            </item>
        
    </channel>
</rss>
