<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0">
    <channel>
        <title><![CDATA[All news items on https://www.asiantvonline.com/]]></title>
        <link><![CDATA[https://asiantvonline.com/]]></link>
        <description><![CDATA[
            Welcome to https://www.asiantvonline.com/! Stay informed with the latest news, headlines, and updates from around the world.
            Subscribe to our RSS feed now to receive regular updates and never miss a beat.
        ]]></description>

        <image>
            <url>https://asiantvonline.com/logo.png</url>
            <title>Asian Tv Online | এশিয়ান টিভি অনলাইন</title>
            <link>https://asiantvonline.com/</link>
        </image>

        <generator><![CDATA[RSS by https://asiantvonline.com/rss-feed.xml]]></generator>
        <language>en</language>
        <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 16:20:11 +0600</pubDate>

        <copyright><![CDATA[
            Copyright: (C) 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.
        ]]></copyright>

                    <item>
                <title><![CDATA[মাদারগঞ্জে হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/72561/50cd-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি:</strong> জামালপুরের মাদারগঞ্জে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হেরোইনসহ মোশারফ হোসেন (৩৮) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে শনিবার রাতে উপজেলার বালিজুড়ী বাজার এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতার মোশারফ হোসেন (৩৮) বালিজুড়ী মোল্লাপাড়া শেখবাড়ী এলাকার মৃত মক্কু শেখের ছেলে।</p><p>স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কেনাবেচার সাথে জড়িত ছিলেন তিনি।</p><p>মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশিস রায় জানান,গ্রেফতারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে রোববার দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে ৬টি ছোট প্যাকেটে মোড়ানো হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">50cd-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 16:17:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[খিলক্ষেত থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি গ্রেফতার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/72560/dde1-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাজধানীর খিলক্ষেত থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর প্রার্থী শাহিনুর আলম মারফতকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। ৪ অক্টোবর রোববার র‍্যাব-১-এর একটি টিম তাকে গ্রেফতার করে খিলক্ষেত থানায় সোপর্দ করেছে।</p><p>থানা সূত্রে জানা গেছে, চাঁদাবাজির তালিকাভুক্ত (লিস্টেড) আসামি হিসেবে তাকে গ্রেফতার করে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়।</p><p>​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহিনুর আলম মারফত খিলক্ষেত থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। তিনি ইতোপূর্বে স্থানীয় কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশ নিলেও জয়লাভ করতে পারেননি। দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযোগ উঠেছিল।</p><p>​খিলক্ষেত থানা পুলিশ জানায়, র‍্যাব তাকে থানায় সোপর্দ করার পর প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">dde1-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 16:15:12 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে অপপ্রচারের জবাব দিলেন মাহদী আমিন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/72559/1e8f-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ইস্যুতে যে অপপ্রচার চলছে, এবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তার জবাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়েও ব্যাপকভাবে ভুল তথ্য ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব অপপ্রচার সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন মাহদী আমিন। একইসঙ্গে এসব অপপ্রচার বন্ধে গণমাধ্যমকে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।</p><p>ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে মাহদী আমিন বলেন, লাইক, শেয়ার, কমেন্ট পাওয়া কিংবা ভাইরাল হওয়ার একটা অশুভ প্রতিযোগিতা চলছে। যেগুলো সত্য, সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে তারপরও মিথ্যা বা অপপ্রচার করা এগুলো রাজনীতির সংস্কৃতি হওয়া উচিত না।</p><p>তিনি বলেন, গতকাল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবি আপলোড করার পর সেটি নিয়ে অনেকে অপপ্রচার করেছেন। অথচ ছবিটি হোয়াইট হাউস থেকেই দেওয়া হয়েছে এবং রোববার ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসও ছবিটি শেয়ার করেছে। তাহলে কেন এই মিথ্যাচার?</p><p>প্রধানমন্ত্রী ও ট্রাম্পের সাক্ষাৎ এবং ছবির বিষয়টি স্পষ্ট করা হচ্ছে না কেন?— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, যা সত্য, যা ন্যায্য, তা ক্লিয়ার করার কিছু নেই। আজকে আমেরিকান অ্যামবেসি নিজেই সেটা শেয়ার করছে। এর চেয়ে বড় ক্ল্যারিফিকেশন আমরা কী চাই?</p><p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটি নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করবেন এটি স্বাভাবিক বিষয়। তাদের মধ্যে আন্তরিক ও স্বতঃস্ফূর্ত আলোচনা হয়েছে। এ নিয়ে সরকারপ্রধান কেন মিথ্যাচার করবেন?</p><p>এসময় প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী-কন্যাকে নিয়েও অপপ্রচারের অভিযোগ তোলেন তার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা।</p><p>মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের একটি অনুষ্ঠান নিয়েও ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছিল। সেখানে তিনি একজন বিতর্কিত ব্যক্তির সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করবেন এমন তথ্য ছড়ানো হলেও পরে আয়োজকরাই বিষয়টি ভুল বলে নিশ্চিত করেছেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়েও অপপ্রচার হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, জাইমা রহমান জাতিসংঘে নিজের যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে একটি চাকরি পেয়েছেন। এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম সম্পর্ক নেই। তারপরও তার চাকরিটি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বলে প্রচার করা হয়েছে।</p><p>ক্ষমতাসীন বিএনপিকে নিয়েও অপপ্রচার হয়েছে বলে এসময় দাবি করেন মাহদী আমিন। সম্প্রতি এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর চাঁদাবাজির অভিযোগ তুললেও পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ভিন্ন বলে প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।</p><p>তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট জায়গাটি অবৈধ হওয়ায় জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ ছিল এবং এর সঙ্গে রাজনীতির ন্যূনতম সংশ্লিষ্টতা ছিল না। তবে, ভাঙচুরের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। গ্রেফতার, মামলা ও তদন্ত চলছে। এরপরও বিএনপির নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রচার করা হয়েছে।</p><p>মাহদী আমিন বলেন, এসব ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভিউ ও প্রচার দেখা গেলেও বাস্তবতার সঙ্গে ন্যূনতম সম্পৃক্ততা নেই। আমাদের প্রত্যেকেরই আরও একটু গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনার দিকে যাওয়া উচিত। যা সত্য ও ন্যায্য সেটাকে তুলে ধরা, যেটা অনৈতিক, যেটা অন্যায্য সেটাকেও তুলে ধরা উচিত নির্মোহভাবে।</p><p>বর্তমান সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। অতীতে ফ্যাসিবাদের সময়ে দুর্নীতি, দুঃশাসন ও দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে সত্য কথা বলতে মানুষ ভয় পেত। বিএনপিসহ গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত অনেকেই তখন সাহস করে রাজপথে নেমেছিলেন। অথচ এখন প্রধানমন্ত্রী, তার স্ত্রী, কন্যা এবং ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।</p><p>মাহদী আমিন বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, একটা সুষ্ঠু রাজনীতি আমাদের কাম্য। সেখানে প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে গঠনমূলক রাজনীতি করবেন, সহাবস্থান রাখবেন, সহানুভূতিশীল আচরণ করবেন।</p><p>এসময় কুষ্টিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর নামে কটূক্তির অভিযোগে এক স্কুলশিক্ষককে থানায় নেওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়ে ওই শিক্ষককে থানা থেকে পুলিশি পাহারায় সসম্মানে তার বাসায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।</p><p>তিনি বলেন, এই বাংলাদেশই তো আমরা চাই। অশোভন ও অশালীন আচরণ না করে বাকস্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সবার সহাবস্থান, পারস্পরিক সম্মান ও সৌজন্যবোধ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।</p><p>মাহদী আমিন বলেন, গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, জীবন দিয়েছেন, তাদের রক্তের ওপর ভিত্তি করে যদি গঠনমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা না যায়, সেটি দুঃখজনক হবে। আমরা চাই সবার মধ্যে সহাবস্থান থাকুক, সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা থাকুক। তবে একই সঙ্গে যারা সরকারের সমালোচনা করতে চান, তারা যুক্তিসংগত সমালোচনা করুন।</p><p>‘বিরোধী দল মানেই সব বিষয়ে বিরোধিতা করা নয়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, রাষ্ট্রের সম্মান ও স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে গিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণমানুষের ক্ষমতার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিনি যে সম্মাননা পেয়েছেন, সেটি শুধু বিএনপির নয়, পুরো বাংলাদেশের সম্মান।</p><p>সব রাজনৈতিক দলকে পারস্পরিক সম্মান ও সৌজন্য বজায় রেখে গঠনমূলক গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চার আহ্বান জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, অযথা বিতর্ক করা, অপপ্রচার করা, অশালীন আচরণ করা সেখান থেকে বেরিয়ে এসে আসুন আমরা সবাই সুস্থ গণতান্ত্রিক রাজনীতি করি, একজন আরেকজনকে সম্মান জানাই এবং যেটা সত্য ও সঠিক সেটা তুলে ধরি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1e8f-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 16:11:30 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে অপপ্রচারের জবাব দিলেন মাহদী আমিন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72559/1e8f-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ইস্যুতে যে অপপ্রচার চলছে, এবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তার জবাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়েও ব্যাপকভাবে ভুল তথ্য ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব অপপ্রচার সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন মাহদী আমিন। একইসঙ্গে এসব অপপ্রচার বন্ধে গণমাধ্যমকে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।</p><p>ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে মাহদী আমিন বলেন, লাইক, শেয়ার, কমেন্ট পাওয়া কিংবা ভাইরাল হওয়ার একটা অশুভ প্রতিযোগিতা চলছে। যেগুলো সত্য, সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে তারপরও মিথ্যা বা অপপ্রচার করা এগুলো রাজনীতির সংস্কৃতি হওয়া উচিত না।</p><p>তিনি বলেন, গতকাল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবি আপলোড করার পর সেটি নিয়ে অনেকে অপপ্রচার করেছেন। অথচ ছবিটি হোয়াইট হাউস থেকেই দেওয়া হয়েছে এবং রোববার ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসও ছবিটি শেয়ার করেছে। তাহলে কেন এই মিথ্যাচার?</p><p>প্রধানমন্ত্রী ও ট্রাম্পের সাক্ষাৎ এবং ছবির বিষয়টি স্পষ্ট করা হচ্ছে না কেন?— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, যা সত্য, যা ন্যায্য, তা ক্লিয়ার করার কিছু নেই। আজকে আমেরিকান অ্যামবেসি নিজেই সেটা শেয়ার করছে। এর চেয়ে বড় ক্ল্যারিফিকেশন আমরা কী চাই?</p><p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটি নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করবেন এটি স্বাভাবিক বিষয়। তাদের মধ্যে আন্তরিক ও স্বতঃস্ফূর্ত আলোচনা হয়েছে। এ নিয়ে সরকারপ্রধান কেন মিথ্যাচার করবেন?</p><p>এসময় প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী-কন্যাকে নিয়েও অপপ্রচারের অভিযোগ তোলেন তার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা।</p><p>মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের একটি অনুষ্ঠান নিয়েও ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছিল। সেখানে তিনি একজন বিতর্কিত ব্যক্তির সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করবেন এমন তথ্য ছড়ানো হলেও পরে আয়োজকরাই বিষয়টি ভুল বলে নিশ্চিত করেছেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়েও অপপ্রচার হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, জাইমা রহমান জাতিসংঘে নিজের যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে একটি চাকরি পেয়েছেন। এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম সম্পর্ক নেই। তারপরও তার চাকরিটি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বলে প্রচার করা হয়েছে।</p><p>ক্ষমতাসীন বিএনপিকে নিয়েও অপপ্রচার হয়েছে বলে এসময় দাবি করেন মাহদী আমিন। সম্প্রতি এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর চাঁদাবাজির অভিযোগ তুললেও পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ভিন্ন বলে প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।</p><p>তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট জায়গাটি অবৈধ হওয়ায় জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ ছিল এবং এর সঙ্গে রাজনীতির ন্যূনতম সংশ্লিষ্টতা ছিল না। তবে, ভাঙচুরের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। গ্রেফতার, মামলা ও তদন্ত চলছে। এরপরও বিএনপির নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রচার করা হয়েছে।</p><p>মাহদী আমিন বলেন, এসব ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভিউ ও প্রচার দেখা গেলেও বাস্তবতার সঙ্গে ন্যূনতম সম্পৃক্ততা নেই। আমাদের প্রত্যেকেরই আরও একটু গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনার দিকে যাওয়া উচিত। যা সত্য ও ন্যায্য সেটাকে তুলে ধরা, যেটা অনৈতিক, যেটা অন্যায্য সেটাকেও তুলে ধরা উচিত নির্মোহভাবে।</p><p>বর্তমান সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। অতীতে ফ্যাসিবাদের সময়ে দুর্নীতি, দুঃশাসন ও দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে সত্য কথা বলতে মানুষ ভয় পেত। বিএনপিসহ গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত অনেকেই তখন সাহস করে রাজপথে নেমেছিলেন। অথচ এখন প্রধানমন্ত্রী, তার স্ত্রী, কন্যা এবং ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।</p><p>মাহদী আমিন বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, একটা সুষ্ঠু রাজনীতি আমাদের কাম্য। সেখানে প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে গঠনমূলক রাজনীতি করবেন, সহাবস্থান রাখবেন, সহানুভূতিশীল আচরণ করবেন।</p><p>এসময় কুষ্টিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর নামে কটূক্তির অভিযোগে এক স্কুলশিক্ষককে থানায় নেওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়ে ওই শিক্ষককে থানা থেকে পুলিশি পাহারায় সসম্মানে তার বাসায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।</p><p>তিনি বলেন, এই বাংলাদেশই তো আমরা চাই। অশোভন ও অশালীন আচরণ না করে বাকস্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সবার সহাবস্থান, পারস্পরিক সম্মান ও সৌজন্যবোধ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।</p><p>মাহদী আমিন বলেন, গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, জীবন দিয়েছেন, তাদের রক্তের ওপর ভিত্তি করে যদি গঠনমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা না যায়, সেটি দুঃখজনক হবে। আমরা চাই সবার মধ্যে সহাবস্থান থাকুক, সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা থাকুক। তবে একই সঙ্গে যারা সরকারের সমালোচনা করতে চান, তারা যুক্তিসংগত সমালোচনা করুন।</p><p>‘বিরোধী দল মানেই সব বিষয়ে বিরোধিতা করা নয়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, রাষ্ট্রের সম্মান ও স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে গিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণমানুষের ক্ষমতার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিনি যে সম্মাননা পেয়েছেন, সেটি শুধু বিএনপির নয়, পুরো বাংলাদেশের সম্মান।</p><p>সব রাজনৈতিক দলকে পারস্পরিক সম্মান ও সৌজন্য বজায় রেখে গঠনমূলক গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চার আহ্বান জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, অযথা বিতর্ক করা, অপপ্রচার করা, অশালীন আচরণ করা সেখান থেকে বেরিয়ে এসে আসুন আমরা সবাই সুস্থ গণতান্ত্রিক রাজনীতি করি, একজন আরেকজনকে সম্মান জানাই এবং যেটা সত্য ও সঠিক সেটা তুলে ধরি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1e8f-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 16:11:30 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[‘গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নয়, জনগণের সুরক্ষার জন্যই সাইবার সিকিউরিটি আইন’: তথ্য প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72558/73bd-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য নয়; বরং জনগণের সুরক্ষার জন্যই সাইবার সিকিউরিটি আইন করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।<br><br>তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের আগ্রহ ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকরা যদি কোনো কারণে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন, ভালো সাংবাদিকরা লেখা বন্ধ করে দিতে পারেন এবং নতুন ভালো সাংবাদিকও গড়ে উঠবে না। সে কারণে বিষয়টি প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।</p><p>তিনি বলেন, এর পাশাপাশি মিডিয়া হাউজের মালিকদেরও এসব বিষয়ে আন্তরিক হতে হবে। সরকার কোনো ঘোষণা দিলেও সংশ্লিষ্ট মিডিয়া হাউজের মালিকরা যদি তা বাস্তবায়নে আন্তরিক না হন, তাহলে সেই উদ্যোগের কোনো প্রতিফলন পাওয়া যাবে না।</p><p>সাংবাদিকদের সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সাইবার সিকিউরিটি আইন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য করা হচ্ছে না; বরং বাংলাদেশের জনগণকে সাইবার জগতের বিভিন্ন ধরনের হয়রানি, অপতথ্য ও গুজব থেকে নিরাপদ রাখার জন্য এই আইন করা হচ্ছে। সাংবাদিকদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে এ বিষয়ে মতামত নেওয়া হয়েছে, নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও নেওয়া হবে। এ নিয়ে কয়েক দফা পরামর্শও করা হয়েছে।</p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে মূল বিষয় হচ্ছে মানসিকতা বা মাইন্ডসেট। কোনো সরকার কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাইলে তার জন্য আইন প্রয়োজন হয় না। অতীতে ১৭ বছর এমনটি হয়েছে।</p><p>গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। গণমাধ্যম কীভাবে চলবে, সে বিষয়ে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করে না, করছে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না।</p><p>তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে ১৭ বছর সংবাদপত্র, সাংবাদিক ও মিডিয়া একটি জালের মধ্যে আটকে ছিল। তখন তাদের যা বলা হতো, তাই করতে হতো এবং বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা হতো।</p><p>ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করার প্রশ্নই ওঠে না। বাংলাদেশের জনগণকে ‘সেফ ফিল’ করানো এবং জনগণের বাকস্বাধীনতাসহ গণমাধ্যমের বাকস্বাধীনতা ও সব ধরনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য সরকার কাজ করছে।</p><p>এ সময় গণমাধ্যমের বিষয়ে সাংবাদিক নেতাদের একটি প্রস্তাবের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরামর্শের পর্যায়ে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব এসেছে, কোনো পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেল বা নিবন্ধিত পোর্টালে এমন কিছু প্রকাশিত হলে, যা ভুলক্রমেও সাইবার সিকিউরিটি আইনের ব্যত্যয় ঘটায়, সেই সাংবাদিক বা গণমাধ্যমকে আইনের আওতায় আনার আগে আদালতের অনুমতি নেয়ার ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে।</p><p>তিনি বলেন, সরকার বিষয়টি বিবেচনা করছে এবং এ বিষয়ে নমনীয়ভাবে দেখা হচ্ছে। কীভাবে বিষয়টি আইনে অন্তর্ভুক্ত করা যায় এবং এর ভাষা বা ওয়ার্ডিং কেমন হবে, সেটিও বিবেচনা করা হচ্ছে।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মানুষকে হয়রানি ও হেনস্তার বিষয়টি উল্লেখ করে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে মানুষকে হেনস্থা করা হয়। এর ফলে অনেকে হয়রানির শিকার হয়ে সুইসাইডাল পর্যায়েও চলে যান। এসব থেকে বাংলাদেশের জনগণকে নিরাপদ রাখার জন্য ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।</p><p>তিনি আরও বলেন, অনেক সাংবাদিকের নামেও ভুয়া অপতথ্য ও গুজব ছড়াতে দেখা গেছে। সাংবাদিকরাও বাংলাদেশের জনগণের অংশ। তাই তাদের নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখার জন্যও পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন, যে বিষয়ে সাংবাদিক নেতারাও একমত হয়েছেন বলে জানান তিনি।</p><p>সাংবাদিক নেতাদের দাবিগুলো লিখিত আকারে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকরা তাদের দাবিগুলো লিখিতভাবে দিলে সরকারের জন্য তা বাস্তবায়ন এবং কাজ এগিয়ে নেয়া আরও সহজ হবে। বৈঠকে সাংবাদিক নেতাদের বক্তব্য থেকে অনেক বিষয় নোট করেছেন বলেও জানান তিনি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">73bd-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 16:05:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪২৩]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72557/9dee-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ৪৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪২৩ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৬৭৪ জন। নিহতদের মধ্যে ৭৩ জন নারী ও ৬১ জন শিশু। মোট নিহতের ৩২ দশমিক ৮৬ শতাংশই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। এছাড়া দুর্ঘটনায় ১০৬ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৫ দশমিক ৫ শতাংশ।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পাঠানো সেপ্টেম্বর মাসের সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।</p><p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে ১৫৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৯ জন নিহত হয়েছেন। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এছাড়া যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫৩ জন, যা মোট নিহতের ১২ দশমিক ৫২ শতাংশ।</p><p>রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, সেপ্টেম্বরের দুর্ঘটনার মধ্যে ১৭৮টি বা ৪০ দশমিক ২৭ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে ঘটেছে। জাতীয় মহাসড়কে ১৪৫টি, গ্রামীণ সড়কে ৫৬টি এবং শহরের সড়কে ৬৩টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।</p><p>দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৬৮টি দুর্ঘটনা বা ৩৮ শতাংশ ঘটেছে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে। ১০৯টি বা ২৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ দুর্ঘটনায় পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৯৮টি বা ২২ দশমিক ১৭ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৬১টি বা ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ যানবাহনের পেছনে আঘাত এবং ছয়টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।</p><p>যানবাহনভিত্তিক নিহতের হিসাবে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৩৯ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী ৮৮ জন, বাসের যাত্রী ২৬ জন, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-জিপের যাত্রী ২১ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-ট্রলি আরোহী ১৯ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী ১৮ জন এবং বাইসাইকেল আরোহী ছয়জন নিহত হয়েছেন।</p><p>সেপ্টেম্বরে দুর্ঘটনায় মোট ৬৯১টি যানবাহন সম্পৃক্ত ছিল। এর মধ্যে ১৬২টি মোটরসাইকেল, ১২৯টি থ্রি-হুইলার, ১১৩টি বাস, ৯৩টি ট্রাক, ৪৬টি অজ্ঞাত যানবাহন, ৩২টি স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন, ২৯টি কাভার্ডভ্যান, ১৭টি পিকআপ, ১২টি মাইক্রোবাস, ১৫টি প্রাইভেটকার, আটটি অ্যাম্বুলেন্স, পাঁচটি জিপ, সাতটি লরি, ছয়টি ট্রলি, চারটি ট্রাক্টর, তিনটি ড্রাম ট্রাক, দুটি সিটি করপোরেশনের ময়লাবাহী ট্রাক এবং আটটি বাইসাইকেল রয়েছে।</p><p>ঢাকায় ৫২ দুর্ঘটনায় নিহত ২১</p><p>বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ১৩২টি দুর্ঘটনায় ১৩৪ জন নিহত হয়েছেন। মোট দুর্ঘটনার ২৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং প্রাণহানির ৩১ দশমিক ৬৭ শতাংশই ঢাকা বিভাগে।</p><p>চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ দুর্ঘটনা ও ১৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ প্রাণহানি, খুলনা বিভাগে ১৭ দশমিক ৪২ শতাংশ দুর্ঘটনা ও ১৪ দশমিক ৪২ শতাংশ প্রাণহানি, রাজশাহী বিভাগে ১২ দশমিক ২১ শতাংশ দুর্ঘটনা ও ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ প্রাণহানি হয়েছে।</p><p>এছাড়া ময়মনসিংহে ৭ দশমিক ২৩ শতাংশ দুর্ঘটনা ও ৭ দশমিক ৮০ শতাংশ প্রাণহানি, বরিশালে ৫ দশমিক ২০ শতাংশ দুর্ঘটনা ও ৬ দশমিক ৬১ শতাংশ প্রাণহানি, রংপুরে ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ দুর্ঘটনা ও ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ প্রাণহানি এবং সিলেটে ৪ দশমিক ৫২ শতাংশ দুর্ঘটনা ও ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ প্রাণহানি ঘটেছে।</p><p>একক জেলা হিসেবে গাজীপুরে সবচেয়ে বেশি ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। আর সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২০টি দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত হয়েছেন।</p><p>রাজধানী ঢাকায় সেপ্টেম্বরে ৫২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত এবং ৪৭ জন আহত হয়েছেন।</p><p>গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে নিহতদের পেশাগত পরিচয়ও তুলে ধরেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। এতে দেখা যায়, নিহতদের মধ্যে ২ জন পুলিশ সদস্য, একজন সেনা সদস্য, ১৩ জন শিক্ষক, তিনজন সাংবাদিক, দুজন চিকিৎসক, চারজন প্রকৌশলী, একজন কাস্টমস কর্মকর্তা, একজন বিদেশি নাগরিক, ব্যাংক-বীমার ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারী, ১৮ জন এনজিও কর্মী এবং ২৪ জন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী রয়েছেন।</p><p>এছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ের ২৫ জন ব্যবসায়ী, ওষুধ ও বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর ২১ জন বিক্রয় প্রতিনিধি, তিনজন মসজিদের ইমাম বা খাদেম, চারজন মোটর মেকানিক, ছয়জন পোশাক শ্রমিক, একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ১৪ জন দিনমজুর এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫৮ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।</p><p>সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভোরে ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ, সকালে ২৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ, দুপুরে ২১ দশমিক ২৬ শতাংশ, বিকেলে ১৭ দশমিক ৪২ শতাংশ, সন্ধ্যায় ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং রাতে ১৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।</p><p>নৌ ও রেল দুর্ঘটনাও বেড়েছে</p><p>সেপ্টেম্বরে ১১টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, সাতজন আহত এবং চারজন নিখোঁজ হয়েছেন। একই সময়ে ২৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন।</p><p>রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে। গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি এবং চালকদের মোটিভেশনাল প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।</p><p>সংস্থাটির মতে, যানবাহনের বেপরোয়া গতি ও পথচারীদের অসচেতনতার কারণে পথচারী নিহতের ঘটনা বাড়ছে। এ জন্য সরকারি উদ্যোগে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জীবনমুখী সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো প্রয়োজন।</p><p>প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, বেপরোয়া গতি, চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, অনির্দিষ্ট বেতন ও কর্মঘণ্টা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএর সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল পুনর্গঠন, বিআরটিএ, বিআরটিসি ও ডিটিসিএর ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত সংস্কার, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার, রাজধানীতে কোম্পানিভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালু, দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ এবং চালকদের বেতন, কর্মঘণ্টা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।</p><p>এছাড়া মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহনের জন্য সার্ভিস রোড নির্মাণ, সব রেলক্রসিংয়ে গেটকিপার নিয়োগ, সড়ক ব্যবহারকারীদের সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে বাজেটে অর্থ বরাদ্দ এবং সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনকে সমন্বিত করে অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।</p><p>সংস্থাটি বলেছে, সময়োপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের শিক্ষা ও সচেতনতা কার্যক্রমের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9dee-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 15:58:10 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইআইএমএম প্রধান নিকোলাস কৌমুজিয়ান’র সাক্ষাৎ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72556/ef02-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ‘মিয়ানমারের জন্য স্বাধীন তদন্ত প্রক্রিয়া’ (আইআইএমএম)-এর প্রধান নিকোলাস কৌমুজিয়ান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p><p>বৈঠকে মিয়ানমারে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ মানবিক কারণে লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিলেও বর্তমানে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করেছে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী আরাকান আর্মির মধ্যকার সশস্ত্র সংঘাতের সরাসরি প্রভাব বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় পড়ছে।&nbsp;</p><p>তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বৈশ্বিক সহায়তা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে, যা বাংলাদেশের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। মন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও জাতিসংঘ সংস্থাসমূহকে রোহিঙ্গাদের জন্য আর্থিক ও লজিস্টিক সহায়তা পূর্বের ন্যায় উচ্চ মাত্রায় বজায় রাখার আহ্বান জানান, যাতে তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা যায়।</p><p>আইআইএমএম প্রধান নিকোলাস কৌমুজিয়ান বাংলাদেশ সরকারের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, তাদের দল কক্সবাজার ও বিভিন্ন স্থানে সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রায় দুই শতাধিক ভিকটিম ও প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছে। সংগৃহীত এসব তথ্য-প্রমাণ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইজিজি), আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইজিজে) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে জমা দেয়া হচ্ছে।&nbsp;</p><p>তিনি আরও জানান, আইআইএমএম কেবল ২০১৭ সালের ঘটনার মধ্যেই তদন্ত সীমাবদ্ধ রাখছে না, বরং সাম্প্রতিক সময়ে আরাকান আর্মি ও জান্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ফলে বেসামরিক জনগণের ওপর নেমে আসা সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোও গুরুত্বের সাথে নথিভুক্ত করছে।</p><p>বৈঠকে বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে মিয়ানমার অংশ থেকে পুঁতে রাখা ল্যান্ডমাইনের মারাত্মক ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। পাহাড়ি ঢল ও বর্ষার কারণে মাইন সীমান্ত রেখা অতিক্রম করে বাংলাদেশে চলে আসায় সাধারণ কৃষক ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবন বিপন্ন হচ্ছে বলে জানান। এছাড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির গৃহীত পদক্ষেপ এবং সীমান্ত পরিস্থিতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়।</p><p>আইআইএমএম টিম সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত পেরিয়ে আসা ভিকটিমদের তথ্য সংগ্রহে মাঠপর্যায়ের বিজিবি কমান্ডারদের সাথে আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিজিবির পক্ষ থেকে ইতিবাচক সম্মতি প্রকাশ করা হয়। &nbsp;মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) আসন্ন রায় মিয়ানমারের ওপর বৈশ্বিক চাপ সৃষ্টি করবে এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে ফেরত পাঠাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ef02-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 15:53:54 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গণতন্ত্র একটি সংস্কৃতি, যা নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধাপে ধাপে তৈরি হয়: রাষ্ট্রপতি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72555/20b7-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠই নয়, দেশের রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও কেন্দ্রবিন্দু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও বাড়িয়ে একে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার বঙ্গভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, গণতন্ত্র একটি সংস্কৃতি, যা নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধাপে ধাপে গড়ে ওঠে। এজন্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আবশ্যক। একই সঙ্গে গণতন্ত্রকে কার্যকর রাখতে প্রতিপক্ষ ও বিরোধী দলকেও পর্যাপ্ত পরিসর দেওয়া প্রয়োজন। আর সেটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। গণতন্ত্রকে তার নিজস্ব গতিতে কার্যকরভাবে চলতে দিতে হবে। &nbsp;</p><p>সাক্ষাৎকালে উপাচার্য, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জনান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। উপাচার্য আসন্ন ৫৪তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য (চ্যান্সেলর) হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।</p><p>সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">20b7-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 15:53:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/72554/c262-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাজধানীর বিমানবন্দর থানার মামলায় জামায়াত নেতা ও মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। (৪ অক্টোবর রোববার বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন।</p><p>হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা মামলায় গত ২ অক্টোবর শুক্রবার আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আদালতে হাজির করে তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। এরপর শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সেই রিমান্ড শেষে রোববার তাকে আদালতে হাজির করা হয়।</p><p>মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি সপরিবারে মদিনা থেকে ঢাকায় আসেন। তাদের বহনকারী ফ্লাইটটি ওইদিন সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে সকাল ৯টা ৮ মিনিটের দিকে ফ্লাইটটি পার্কিং করে। এরপর যাত্রীরা বিমানবন্দরের ২১ নম্বর গেট দিয়ে টার্মিনালে প্রবেশ করেন এবং ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ইমিগ্রেশন শেষে তারা লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় যান।</p><p>অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই সময় বিমানবন্দরে আগমনী যাত্রীর অতিরিক্ত চাপ থাকায় ট্রলি সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাময়িক সংকট দেখা দেয়। ট্রলি সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ লাইন তৈরি হলে কয়েকজন প্রটোকল সহকারী লাইনের নিয়ম ভঙ্গ করে ট্রলি সংগ্রহের চেষ্টা করেন। অন্যদিকে লাগেজ আসতে বিলম্ব হওয়া এবং জমজমের পানি না আসাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন যাত্রী উত্তেজিত হয়ে ওঠেন এবং অশোভন আচরণ করতে থাকেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>ওই ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><p>এরপর মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিজ বাসভবন থেকে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তাফতার করা হয়। পরদিন শনিবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানালে আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c262-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 15:53:00 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মাউশির সতর্কতা জারি, না মানলে ব্যবস্থা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/education/72553/599f-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) নাম, লোগো ও দাপ্তরিক পরিচয় অননুমোদিতভাবে ব্যবহার করে ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব পেজ ও গ্রুপ থেকে বিভিন্ন সময় বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি করেছে মাউশি।</p><p>আগামী ৭ দিনের মধ্যে এসব পেজ বা গ্রুপ বন্ধ না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ৪ অক্টোবর রোববার মাউশির উপপরিচালক শওকত হোসেন মোল্যা স্বাক্ষরিত এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>এতে বলা হয়, সম্প্রতি মাউশির নজরে এসেছে যে, বিভিন্ন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ মাউশির নাম, পরিচিতি ও লোগো বা প্রতীক ব্যবহার করে অননুমোদিত পেজ ও গ্রুপে দাপ্তরিক বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং অশালীন, মানহানিকর ও রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য প্রকাশ করছে। এতে শিক্ষক-কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে এবং মাউশির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।</p><p>মাউশি জানিয়েছে, ‘Directorate of Secondary and Higher Education-DSHE’ (https://www.facebook.com/dshe.moebd) ছাড়া তাদের আর কোনো অফিসিয়াল পেজ নেই।</p><p>মাউশি জানিয়েছে, এসব অননুমোদিত পেজ বা গ্রুপগুলো থেকে অনুমোদনহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে অধিদপ্তরের পূর্বানুমোদন ছাড়া মাউশির নাম, সংক্ষিপ্ত নাম, লোগো, প্রতীক বা দাপ্তরিক পরিচয় ব্যবহার করে কোনো ফেসবুক পেজ বা গ্রুপ পরিচালনাসহ সব কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়েছে।</p><p>এর পরও কোনো ব্যক্তি অননুমোদিতভাবে মাউশির নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে ফেসবুক পেজ বা গ্রুপ পরিচালনা অব্যাহত রাখলে কোনো প্রকার অতিরিক্ত সতর্কীকরণ ছাড়াই তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন, বিধি, নীতিমালা ও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">599f-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 15:45:50 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সৈয়দপুরে বিসিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনিয়ম, উড়ছে না জাতীয় পতাকা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/72552/f246-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নীলফামারী প্রতিনিধি: </strong>নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের (বিসিক) দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সরকারি বিধিমালা ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। অফিস চলাকালীন সময় পার হয়ে গেলেও উত্তোলন করা হচ্ছে না জাতীয় পতাকা।</p><p>​বাংলাদেশ জাতীয় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ (অনুচ্ছেদ ৩) অনুযায়ী, সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে প্রতিটি কর্মদিবসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত জাতীয় পতাকা উত্তোলন রাখা বাধ্যতামূলক।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার দুপুর ১২টার দিকে ​তবে সরেজমিনে দেখা যায়, কার্যালয় খোলা থাকলেও এবং দাপ্তরিক কাজকর্ম চললেও ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ডটি খালি পড়ে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দায়িত্বশীলদের অবহেলা ও উদাসীনতার কারণেই নিয়মিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় না, যা জাতীয় পতাকার প্রতি চরম অবমাননা ও সরকারি নির্দেশনার সরাসরি লঙ্ঘন।</p><p>এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উচ্চমান সহকারী নায়েমা খাতুন বলেন, বাঁশ ভেঙে যাওয়ায় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি।</p><p>মুঠোফোনে কথা হলে বিসিক কর্মকর্তা মসিউর রহমান জানান, পতাকা উত্তোলনের দায়িত্ব অফিস সহায়ক ও উচ্চমান সহকারীর। তারা দায়িত্ব পালন না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p>সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f246-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 15:39:28 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[৭ শর্ত না মানলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72551/a386-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>সাতটি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলবে না বলে জানিয়েছে ইরান।</p><p>দেশটির সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের কালিবাফ ৪ অক্টোবর রোববার এ কথা জানিয়েছেন।</p><p>ইরানের সংবাদমাধ্যম নূরনিউজকে দেওয়া বক্তব্যে কালিবাফ বলেন, জুনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতায় ইরানের পক্ষ থেকে সাতটি শর্ত দেওয়া হয়েছিল। ওই শর্তগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খোলার প্রশ্নই নেই।</p><p>তিনি বলেন, গণমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিলেও সম্প্রতি একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ওয়াশিংটন কিছু প্রস্তাব দিয়েছে। তবে ইরান আর বিষয়টি দীর্ঘায়িত করা কিংবা একতরফা শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ দেবে না।</p><p>কালিবাফ আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি খোলার বিষয়ে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট ও দৃঢ়। ইসলামাবাদ সমঝোতা (Islamabad ​Memorandum) স্মারকের ভিত্তিতে নির্ধারিত সাতটি শর্ত পূরণ হলেই প্রণালি খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p><p>এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন তেহরানের দেওয়া প্রস্তাব মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব।</p><p>রোববার (৪ অক্টোবর) তেহরানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে আরাকচি বলেন, প্রণালি পুনরায় খোলার জন্য ইরান তাদের শর্তগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়েছে। এসব শর্তের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মেনে নেওয়া কিছু প্রতিশ্রুতিও জড়িত।</p><p>আরাকচি বলেন, তেহরান আশা করছে ওয়াশিংটন কূটনীতির পথ বেছে নেবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র আবার সামরিক পদক্ষেপের দিকে গেলে ইরানও জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবার সামরিক সমাধানের পথে এগোয়, তাহলে এবার ইরান আগের চেয়েও বেশি প্রস্তুত থাকবে এবং নিজেদের রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।</p><p>সূত্র: রয়টার্স</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a386-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 15:34:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কানাডার চলচ্চিত্র উৎসবে ‘রইদ’-এর ঝুলিতে ৩ পুরস্কার, সেরা অভিনেত্রী তুষি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/72550/4b82-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক: </strong>কানাডার মোজাইক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ১২তম আসরে তিনটি পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশের সিনেমা ‘রইদ’।</p><p>এতে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন নাজিফা তুষি। ‘রইদ’-এ সাদুর বউ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য এ স্বীকৃতি পেয়েছেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি সেরা সিনেমাটোগ্রাফি ও সেরা সংগীত বিভাগেও পুরস্কার জিতেছে সিনেমাটি।</p><p>সিনেমাটির এমন সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনসহ পুরো টিম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজেদের আনন্দের খবর ভাগ করে নিয়েছেন তারা।</p><p>মোজাইক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব এক যুগ ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। দক্ষিণ এশিয়ার চলচ্চিত্রের জন্য উৎসবটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনার ক্ষেত্র হয়ে উঠছে। এবারের আসরে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছে নেপালের ‘এলিফ্যান্টস ইন দ্য ফগ’। এর আগে সিনেমাটি কান চলচ্চিত্র উৎসবের আঁ সার্তে রিগা বিভাগে জুরি পুরস্কার পেয়েছিল।</p><p>আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর আগেও প্রশংসিত হয়েছে ‘রইদ’। নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত রটারড্যাম চলচ্চিত্র উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে জায়গা করে নিয়েছিল সিনেমাটি। এ ছাড়া অংশ নিয়েছে আরও বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে।</p><p>এ বছর অস্কারের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিভাগের জন্য বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত হয়েছে ‘রইদ’। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে সিনেমাটি।</p><p>গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে অ্যাডাম-ইভের পৌরাণিক গল্পের আশ্রয়ে রহস্যময় এক উপাখ্যান তুলে ধরেছেন নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন। সিনেমাটিতে নাজিফা তুষি ছাড়াও অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, গাজী রাকায়েত ও আহসাবুল ইয়ামিন রিয়াদসহ অনেকে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4b82-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 15:30:06 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[১৭ বছর দেশে গণতন্ত্র ছিল না, উন্নয়নের বয়ান ফানুস হয়ে ফেটে গেছে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72549/9e33-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, গত ১৭ বছর দেশে জনগণের ভোটাধিকার ছিল না। সঠিক জনপ্রতিনিধি নির্বাচনেরও সুযোগ ছিল না। তার মতে, ওই দীর্ঘ সময়ে দেশে গণতন্ত্রের পরিবর্তে স্বৈরতন্ত্র ছিল। ফলে উন্নয়নের যে বয়ান দেওয়া হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত ফানুসের মতো ফেটে গেছে।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>ড. তিতুমীর বলেন, ‘আমরা এমন একটি অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি, যা অত্যন্ত ভঙ্গুর। এর ফলে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে ঋণখেলাপিদের শীর্ষে অবস্থান করছে।’</p><p>তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে নানা কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার অনেক উদাহরণ রয়েছে। স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি, দুর্ভিক্ষ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সংকটের মতো পরিস্থিতির মধ্যেও জিয়াউর রহমান নতুন আয়ের উৎস খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেন। মধ্যপ্রাচ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর পথ তৈরি করা হয়।</p><p>সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নারীর আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানে অংশগ্রহণের পথ তিনি উন্মুক্ত করেন। নারীর অংশগ্রহণের ফলে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প বিশ্ববাজারে জায়গা করে নেয়।</p><p>ড. তিতুমীর বলেন, বর্তমান সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলার কথা বলেছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সারা দেশে উৎপাদনকেন্দ্র বা প্রোডাকশন হাব স্থাপন করা হবে।</p><p>ভাঙ্গা উপজেলায় ট্রমা সেন্টার না থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, ২১ জেলার মানুষ যে উপজেলার ওপর দিয়ে যাতায়াত করে, সেখানে ট্রমা সেন্টার নেই। ভাঙ্গায় ট্রমা সেন্টার না থাকা ‘জাতির জন্য একটি ট্রমার বিষয়’।</p><p>তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের যথেষ্ট সুযোগ সৃষ্টি করা হয়নি। অথচ উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। বৃহত্তর ফরিদপুর, এমনকি গোপালগঞ্জসহ এ অঞ্চলে বেকারত্বের হার বেশি। তার দাবি, উন্নয়নের নামে সেখানে ‘লুটপাটতন্ত্র’ চালু ছিল।</p><p>সভায় আরও বক্তব্য দেন ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদ মুন্সী, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বিটু মুন্সী এবং ভাঙ্গা উপজেলা যুবদলের সভাপতি ওসমান মুন্সী প্রমুখ।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9e33-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 15:26:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়াল নতুন মামলায় গ্রেফতার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/72548/fbde-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাজধানীর আদাবর থানার গার্মেন্টস কর্মী রুবেল হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।</p><p>এদিন কাজী হাবিবুল আউয়ালকে আদালতে হাজির করে তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন। শুনানিতে তিনি হাবিবুল আউয়ালকে উদ্দেশ করে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশকে হত্যা করেছেন হাবিবুল আউয়াল। তিনি একজন জ্ঞানপাপী। হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে সহযোগিতা করেছেন। তার কাঁধে বন্দুক রেখে হাসিনা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন।</p><p>অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী তাপস চন্দ্র দাস গ্রেফতার দেখানোর বিরোধিতা করে তিনি আদালতকে বলেন, হাবিবুল আউয়ালের চাকরি জীবনে কালো কালির কোনো দাগ পড়েনি। তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। একটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর নতুন করে তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে বলেও আদালতকে জানান তিনি।</p><p>আসামিপক্ষের আইনজীবী আরও বলেন, মামলার ঘটনাকালে কাজী হাবিবুল আউয়াল সাত সদস্যের পুলিশ প্রটেকশন নিয়ে চলতেন। তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন, ঘটনাস্থলেও ছিলেন না। তিনি কোনো ব্যক্তিকে গুলি করেননি এবং কাউকে ওই ঘটনায় জড়িত হতে উৎসাহিতও করেননি। এ কারণে তাকে এই মামলায় গ্রেফতার না দেখানোর জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানান তিনি।</p><p>উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত কাজী হাবিবুল আউয়ালকে রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।</p><p>এর আগে, শেরেবাংলা নগর থানার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ২০২৫ সালের ২৫ জুন রাজধানীর মগবাজার এলাকা থেকে কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।</p><p>গত ৯ সেপ্টেম্বর ওই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান তিনি। তবে কারামুক্তির অপেক্ষায় থাকার মধ্যেই তার বিরুদ্ধে নতুন করে রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়।</p><p>গত ২৮ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ টিপু সুলতান কাজী হাবিবুল আউয়ালকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। সেদিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ৪ অক্টোবর তারিখ নির্ধারণ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় রোববার তাকে আদালতে হাজির করা হয় এবং শুনানি শেষে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন আদালত।</p><p>মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে রুবেলসহ কয়েকশ ছাত্র-জনতা আদাবর থানাধীন রিংরোড এলাকায় প্রতিবাদী মিছিল বের করেন। এ সময় পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতীলীগ, কৃষকলীগ ও মৎসজীবী লীগের নেতাকর্মীরা গুলি চালায়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে রুবেল মারা যান।</p><p>এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আবেদন করেন। রোববার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।</p><p>সূত্র: চ্যানেল ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">fbde-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 15:22:30 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পুত্রবধূকে ‘চাকরি না দেওয়ায়’ স্কুলের মাঠে কলাগাছ-রুমে তালা ঝুলিয়ে দিলেন দাতা সদস্য]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/72547/bdeb-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাজশাহীর পুটিয়ায় ভালুকগাছি মুক্তিযোদ্ধা স্কুলে ছেলে ও পুত্রবধূকে চাকরি না দেওয়ায় মাঠে কলাগাছ লাগিয়ে শিক্ষকদের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন স্কুলের দাতা সদস্য আজাদ আলী।</p><p>জানা গেছে, ২০১৫ সালে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ভালুকগাছি গ্রামে ‘মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ নামে প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হয়। এতে প্রাক প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়। এই মর্মে রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের অনুমতি রয়েছে।</p><p>এদিকে, গত ৫ আগস্ট দেশের পট পরিবর্তনের পর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের জন্য চিঠি দেয়। তখন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা বসে ‘ভালুকগাছি মুক্তিযোদ্ধা স্কুল’ নামকরণ করেন। নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছিলেন প্রতিষ্ঠানে দাতা সদস্য আজাদ আলী নিজেই।</p><p>এদিকে, শনিবার বিদ্যালয়ের সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দাতা সদস্য আজাদ আলী তার লোকজন নিয়ে গিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেন। তারা বাঁশ দিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকেও বেড়া দিয়ে দেন। মাঠে কলাগাছ লাগিয়ে দেন।</p><p>এ বিষয়ে দাতা সদস্য আজাদ আলী বলেন, তিনি প্রতিষ্ঠানের একজন দাতা সদস্য। সেখানে টেকনিক্যাল কলেজ করার কথা ছিল। তার ছেলে ও ছেলের বউকে চাকরি দেওয়ার কথা ছিল। তাই তিনি জমি দিয়েছিলেন । কিন্তু এই নামে কোনো প্রতিষ্ঠান করা হয়নি। তার ছেলের বউকে চাকরিও দেওয়া হয়নি। এই জন্য তিনি তালা দিয়ে কালাগাছ লাগিয়ে দিয়েছেন।</p><p>এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত সালমান বলেন, তিনি জমি দিয়েছিলেন, জমি এখন স্কুলের। এই দলিল শুধু আদালত বাতিল করতে পারে। যতক্ষণ দলিল আছে, ততক্ষণে তালা ঝুলানো বা গাছ লাগানো যাবে না। জমি ফেরত নিতে হলে আদালতের মাধ্যমে রায় নিয়ে আসতে হবে। কলাগাছ উঠানো এবং তালা খোলার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার গিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি খুলে দিবে।</p><p>সূত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">bdeb-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 15:20:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শাহজালালে দুই বিমানকর্মীর জুতার ভেতর মিললো ৮০টি স্বর্ণবার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/72546/8691-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে দুই বিমানকর্মীর জুতার ভেতর থেকে ৮০টি স্বর্ণবার উদ্ধার করেছে শল্ক গোয়েন্দারা। যেগুলোর ওজন ৯.৩৪ কেজি। বাজারমূল্য আনুমানিক ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। &nbsp;</p><p>এনবিআর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফদর (সিআইআইডি)-এর কর্মকর্তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান নেন। এ সময় দুবাই থেকে আসা এমিরেটস অ্যায়ারলাইনসের ইকে-০৫৮২ ফ্লাইটের রানওয়েতে দুই বিমানকর্মীর জুতার ভেতরে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় মোট ৮০টি স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বারের ওজন প্রায় ১১৭ গ্রাম। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের মোট ওজন প্রায় ৯ কেজি ৩৪০ গ্রাম। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা।</p><p>বিমানকর্মীদের জুতায় স্বর্ণবার লুকিয়ে চোরাচালানের অভিনব এই কৌশলে কারা জড়িত, কোথা থেকে এলো এবং কার কাছে পৌঁছানোর কথা ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানায় এনবিআর।&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8691-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 15:02:50 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রথম ডেটে এরিয়ে যেতে হবে ৪ বিষয়, তবেই টিকবে প্রেম]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/lifestyle/72545/da3c-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>লাইফস্টাইল ডেস্ক: </strong>প্রথমবার কারও সঙ্গে ডেটে গেলে নার্ভাস বা অস্বস্তি বোধ করা স্বাভাবিক। অপরিচিত একজন মানুষের সামনে নিজের ব্যক্তিগত জীবন, সম্পর্ক বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলার সময় অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তথ্য দিয়ে ফেলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথম ডেট কোনো চাকরির ইন্টারভিউ নয়। তাই নিজেকে প্রমাণ করতে গিয়ে ব্যক্তিগত বিষয় অতিরিক্ত শেয়ার না করাই ভালো।</p><p>প্রথম ডেটেই নিজের পুরোনো সম্পর্কের বিস্তারিত ইতিহাস তুলে ধরার প্রয়োজন নেই। কেন এখনও সিঙ্গেল, কতগুলো সম্পর্ক ছিল বা কেন সেগুলো ভেঙেছে—এসব ব্যক্তিগত বিষয় সম্পর্ক কিছুটা এগোনোর পর আলোচনা করা যেতে পারে।</p><p><strong>ব্যক্তিগত তথ্য</strong></p><p>বেতন কত, পরিবারে কার সঙ্গে কেমন সম্পর্ক, মদ্যপান করেন কি না—এ ধরনের ব্যক্তিগত বিষয় প্রথম দিকের আলাপে এড়িয়ে চলাই ভালো। কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বস্তি হলে সরাসরি বলতে পারেন, ‘আমি এখনই এ বিষয়ে কথা বলতে স্বচ্ছন্দ নই।’</p><p><strong>ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা</strong></p><p>চাকরি পরিবর্তন, ক্যারিয়ারে এখনো পুরোপুরি স্থির হতে না পারা কিংবা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ থাকা স্বাভাবিক। এসব নিয়ে নিজেকে অপরের কাছে যোগ্য প্রমাণ করার চেষ্টা না করে প্রয়োজন অনুযায়ী সংক্ষিপ্তভাবে কথা বলাই ভালো।</p><p><strong>মেসেজের জবাব দিতে দেরি হওয়ার কারণ</strong></p><p>কাজে ছিলেন, মেসেজ দেখেননি বা ব্যস্ত ছিলেন—এ ধরনের সাধারণ কারণের জন্য অতিরিক্ত ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সম্পর্কের শুরুতেই যদি একজন আরেকজনের প্রতিটি কাজের হিসাব দিতে অভ্যস্ত হয়ে যান, তা পরে অতিরিক্ত অধিকারবোধ বা পজেসিভনেসের কারণ হতে পারে।</p><p>প্রথম ডেটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্বাভাবিক থাকা। নিজেকে অন্যের কাছে প্রমাণ করার তাড়াহুড়ো না করে ধীরে ধীরে একে অপরকে জানার সুযোগ দেওয়া ভালো। সম্পর্কের শুরুতেই সব ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করে পারস্পরিক আস্থা তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো শেয়ার করাই বেশি স্বস্তিদায়ক।</p><p>তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">da3c-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 15:02:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রঞ্জু গ্রেফতার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/72544/4f23-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: </strong>নারায়ণগঞ্জ সদর থানার অটোরিকশা চালক জামাল হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত পলাতক আসামি মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ওরফে ‘গাল পোড়া রঞ্জু’কে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১১।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার রাত ৮টা ১৫ মিনিটে ফতুল্লার ইদ্রাকপুর ফতুল্লা স্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>গ্রেফতার মনিরুল ইসলাম রঞ্জু নারায়ণগঞ্জ সদর থানার আমলাপাড়া এলাকার মো. কবির হোসেনের ছেলে।</p><p>এসআরবি-১১ জানায়, ২০১১ সালের ১৩ জুলাই সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর থানাধীন চাষাঢ়া মোড় এলাকা থেকে অটোরিকশা চালক মো. জামালকে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে নারায়ণগঞ্জের দায়রা জজ ১ম আদালত আসামি মনিরুল ইসলাম ঘাতক রঞ্জু ওরফে ‘গাল পোড়া রঞ্জু’ ওরফে মনিরুল হক রঞ্জুকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে তার বিরুদ্ধে সাজা ওয়ারেন্ট জারি করা হয়। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।</p><p>এসআরবি আরও জানায়, গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় একটি দল অভিযান চালিয়ে ফতুল্লা থানার ইদ্রাকপুর ফতুল্লা স্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।</p><p>মনিরুল ইসলাম রঞ্জুকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4f23-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 14:45:42 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পোস্টাল ভোটে নিবন্ধন ২৮৭ জনের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72543/e4bb-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পোস্টাল ভোট দিতে মোট ২৮৭ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। নিবন্ধনকারী ভোটারদের মধ্যে ২৯ জন প্রবাসী এবং ২৫৮ জন দেশের অভ্যন্তরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ভোটার।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।</p><p>এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় শেষ হচ্ছে আজ (৪ অক্টোবর) বলে ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।</p><p>ইসির তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর আপিল নিষ্পত্তি করা হবে। এছাড়া ৭ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ৮ অক্টোবর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।</p><p>আগামী ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা এ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>গত ২৯ সেপ্টেম্বর জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈধ মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।</p><p>বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি মনোনীত ওবায়দুল্লাহ মাসুদ ও মির্জা ফয়সল আমীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দেলওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।</p><p>ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৭ হাজার ২০৩ জন। তবে সম্প্রতি নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে এ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ১৫ হাজার ৫২৫ জনে।</p><p>উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e4bb-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 14:17:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চাঁপাইনবাবগঞ্জে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/72542/d5ad-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:</strong> চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে পারিবারিক কলহের জেরে নিজ বাড়িতে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে আয়েশা বেগম (৩৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়নের ধরমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আয়েশা বেগম ওই গ্রামের বাবুল হোসেনের স্ত্রী।</p><p>স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে সৎ ছেলে আশিকুর রহমান তার সৎ মাকে চাকু দিয়ে পেটে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় আয়েশা বেগমকে উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মহিন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><p>স্থানীয়রা আরো জানান, এর আগেও আশিকুর রহমান বিভিন্ন সময় তার সৎ মাকে গালিগালাজ ও মারধর করতেন। ঘটনার পেছনে আশিকুর রহমানের নিজের মায়ের প্ররোচনা থাকতে পারে বলেও স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন। তবে এ বিষয়ে পুলিশের তদন্তে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত হবে।</p><p>ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d5ad-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 14:12:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আমরা আধিপত্য চাই না, সংঘাতও চাই না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/72541/4c12-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>আমরা আধিপত্য চাই না, সংঘাতও চাই না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, আমরা চাই সমতার বন্ধুত্ব, পারস্পরিক সম্মান এবং ন্যায্য প্রতিবেশী সম্পর্ক। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ হওয়া উচিত “বড় ভাই–ছোট ভাই” নয়, দুই সার্বভৌম প্রতিবেশীর সমান মর্যাদার সম্পর্ক।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p><p>পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লেখেন, ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভারতের সামনে নাকি আর কোনো বিকল্প ছিল না। তিনি এটিকে একজন প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের দায়িত্ব হিসেবেও ব্যাখ্যা করেছেন। কিন্তু তার বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সুকৌশলে অনুচ্চারিত থেকে গেল, শুধু শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নয়, গত এক দশকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরিতে ভারতের ভূমিকা নিয়েও কি ভারত কখনো আত্মসমালোচনা করবে?</p><p>এনসিপির এই নেতা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশের জনগণের ওপর যে ভয়াবহ দমন-পীড়ন হয়েছিল, জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের তদন্তে তার একটি ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। জাতিসংঘের হিসাবে, ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হয়ে থাকতে পারেন এবং নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপকভাবে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহার করেছিল।</p><p>শেখ হাসিনার সরকারের সেই শাসনব্যবস্থার সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের প্রশ্ন দীর্ঘদিনের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফলে ভারত যখন আজ শুধু “প্রতিবেশীর দায়িত্ব” বলে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে, তখন বাংলাদেশের মানুষের স্বাভাবিক প্রশ্ন, প্রতিবেশীর দায়িত্ব কি শুধু ক্ষমতাচ্যুত একজন শাসককে আশ্রয় দেওয়া, নাকি প্রতিবেশী দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বকেও সম্মান করা? আরেকটি বাস্তবতা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই, সীমান্ত।</p><p>ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে প্রাণহানি এখনো বন্ধ হয়নি জানিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে ৩৪ জন বাংলাদেশি নিহত হন; ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসেই ২১টি সীমান্ত সহিংসতার ঘটনায় ১০ জন বাংলাদেশি নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। এমনকি ২০২৬ সালে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ভারতের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বাঙালি বাসিন্দাদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগও নথিবদ্ধ করেছে। তাদের হিসাবে, জুনের প্রথম দিক থেকে ২০০-এর বেশি মানুষকে সীমান্তের দিকে ঠেলে দেওয়ার ২১টি প্রচেষ্টা বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষীরা ঠেকিয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, অথচ ভারত-বাংলাদেশের নিজেদের সরকারি নথিতেই বলা আছে, সীমান্তে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি একটি উদ্বেগের বিষয় এবং দুই দেশের সীমান্তরক্ষীদের এমন ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে এ ধরনের ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনা যায়। তাহলে প্রশ্ন উঠবেই: প্রতিবেশীর দায়িত্বের কথা যদি বলা হয়, সেই দায়িত্ব সীমান্তে একজন নিরস্ত্র মানুষের জীবন রক্ষার ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য নয় কেন?</p><p>বাংলাদেশ ভারতবিরোধী কোনো রাষ্ট্র হতে চায় না জানিয়ে নাসীরুদ্দীন বলেন, আমরা চাই সমতার ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক, বন্ধুত্ব থাকবে, বাণিজ্য থাকবে, যোগাযোগ থাকবে, সাংস্কৃতিক সম্পর্ক থাকবে; কিন্তু তার ভিত্তি হবে পারস্পরিক সম্মান, সার্বভৌম সমতা এবং ন্যায্য স্বার্থ। ভারতের উচিত বাংলাদেশের জনগণকে কোনো বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক কল্পনার অংশ হিসেবে নয়, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম জাতির জনগণ হিসেবে দেখা। “অখণ্ড ভারত” ধরনের যে কোনো সম্প্রসারণবাদী বা আধিপত্যবাদী রাজনৈতিক কল্পনা বাংলাদেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।</p><p>পোস্টে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিটি দেশের নিজস্ব ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভূখণ্ড ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতি সম্মানই হতে পারে টেকসই প্রতিবেশী সম্পর্কের ভিত্তি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।</p><p>এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের নদীর ন্যায্য হিস্যা, সীমান্তে মানুষের নিরাপত্তা, বাণিজ্যে ভারসাম্য, সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় মানবাধিকার, এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ে অযাচিত প্রভাব, এসব প্রশ্নের সমাধান চাপ দিয়ে নয়, সমতার ভিত্তিতে আলোচনার মাধ্যমেই করতে হবে। গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদও ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা, আর বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নতুন করে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে।ভারতের জন্য সময় এসেছে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বোঝার: বাংলাদেশ কোনো অধীনস্থ ভূখণ্ড নয়, কোনো “পিছনের উঠান” নয় এবং কোনো বৃহত্তর রাষ্ট্রীয় কল্পনার অংশও নয়।</p><p>বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারত যদি সত্যিই প্রতিবেশীর দায়িত্বের কথা বলে, তাহলে সেই দায়িত্বের প্রথম শর্ত হওয়া উচিত, বাংলাদেশের জনগণের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত, জাতীয় মর্যাদা, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ভূখণ্ডের প্রতি পূর্ণ সম্মান।</p><p>সূত্র: ইত্তেফাক</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4c12-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 14:10:30 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72540/2105-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ঢাকা মহানগরের যানজট নিরসনে অভ্যন্তরীণ বৃত্তাকার সড়ক (ইনার সার্কুলার রিং রোড) নির্মাণকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনায় এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান।</p><p>সভায় প্রধানমন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে সমন্বিতভাবে প্রকল্পের বিদ্যমান পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে দ্রুত তা দূর ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা এবং কাজ শেষ করতে একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রকল্পের কাজে দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করারও নির্দেশ দেন।</p><p>সভায় উপস্থিত ছিলেন- সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2105-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 14:07:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা হওয়া উচিত: রাশেদ খাঁন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/72539/3a49-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে চব্বিশের গণহত্যার মদদদাতা হিসেবেও মামলা হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p><p>পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘গণহত্যার মদদদাতা মেজর আখতারুজ্জামানকে বীর হিসেবে আখ্যায়িত করে জামায়াতের আমির কার্যত গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন’ উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, ‘জামায়াতের আমির গণঅভ্যুত্থানের এক মাসের মাথায় আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন।’</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-10-04a_n17911007887007.jpg"></figure><p>প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী লেখেন, ‘এর মধ্যে দিয়ে তিনি কি গণহত্যার নির্দেশদাতা শেখ হাসিনাকেও ক্ষমা করে দেননি? আজকে যিনি মেজর আখতারুজ্জামানের জন্য কাঁদছেন, ভবিষ্যতে তিনি শেখ হাসিনার জন্যও কাঁদতে পারেন। জামায়াতের রাজনৈতিক চরিত্রই এমন।’</p><p>তিনি বলেন, ‘আমার ধারণা, ৭১-এর গণহত্যার সহযোগী হওয়ার কারণে ২৪-এর গণহত্যা জামায়াতের কাছে একটি ঠুনকো বিষয়! যার একটি উদাহরণ, মেজর আখতারুজ্জামানের জন্য জামায়াতের আমির ও তাদের নেতাকর্মীদের মায়াকান্না।’</p><p>রাশেদ খান আরও লেখেন, ‘মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ২৪-এর গণহত্যার মদদদাতা হিসেবেও মামলা হওয়া উচিত। এ ধরনের মামলা কেউ করলে সেটিকে কিভাবে মোকাবিলা করবে জামায়াত? নাকি জামায়াতে যোগদান করার কারণে মেজর আখতারুজ্জামানের সকল অপরাধ মাফ হয়ে গেছে?’</p><p>সবশেষে রাশেদ খান প্রশ্ন রাখেন, ‘সত্যিই কি জামায়াতে ইসলামী অপরাধীদের পুনর্বাসন কারাখানায় পরিণত হতে চায়?’</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3a49-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 13:54:36 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ভারতীয় ও পাকিস্তানিদের চেয়ে বেশি বাঁচে বাংলাদেশিরা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72538/2089-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিকদের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সর্বশেষ বৈশ্বিক স্বাস্থ্য পরিসংখ্যানে এই চিত্র উঠে এসেছে।</p><p>প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু ছিল ৭২ দশমিক ৭ বছর। এর বিপরীতে ভারতের নাগরিকদের গড় আয়ু ৭১ বছর এবং পাকিস্তানের নাগরিকদের ক্ষেত্রে তা ছিল ৬৮ দশমিক ২ বছর। তবে পশ্চিমা উন্নত দেশগুলোর মানুষের বেঁচে থাকার সময়কাল আরও বেশি; যুক্তরাষ্ট্রে গড় আয়ু ৭৮ দশমিক ৫ বছর এবং কানাডায় তা ৮১ দশমিক ৪ বছর।</p><p>তবে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, বেশি বছর বাঁচার অর্থ এই নয় যে মানুষ পুরো সময় সুস্থ জীবনযাপন করছে। রোগমুক্ত বা সম্পূর্ণ সুস্থভাবে বেঁচে থাকার হার বা সূচক এখনো মোট গড় আয়ুর চেয়ে বেশ কম।</p><p>২ অক্টোবর শুক্রবার জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক এই সংস্থা নতুন এই তথ্য প্রকাশ করে।</p><p>করোনা মহামারি শুরুর আগে বৈশ্বিক গড় আয়ু যে পর্যায়ে ছিল, ২০২৩ সালে তা প্রায় পূর্বের অবস্থানে ফিরে এসেছে। ২০১৯ সালে বৈশ্বিক গড় আয়ু ছিল ৭৩ দশমিক ৪ বছর। তবে ২০১৯ সালের শেষে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে চলা তাণ্ডবের কারণে ২০২১ সালে বৈশ্বিক গড় আয়ু কমে ৭১ দশমিক ৫ বছরে নেমে গিয়েছিল। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২০২৩ সালে গড় আয়ু পুনরায় ৭৩ দশমিক ৩ বছরে পৌঁছেছে।</p><p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডেটা বিভাগের প্রধান অ্যালাইন ল্যাবরিক বলেন, “জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে গড় আয়ু বৃদ্ধি নিঃসন্দেহে একটি বড় অর্জন। তবে সামনের দিনে মূল চ্যালেঞ্জ হলো মানুষ যেন শুধু দীর্ঘায়ু না পায়, বরং রোগমুক্ত ও সুস্থ শরীর নিয়ে বেশিদিন বাঁচতে পারে।”</p><p>সূত্র: ইত্তেফাক</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2089-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 13:35:03 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রিমান্ড শেষে আদালতে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/72537/2f74-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> একদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়েছে জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে। ৪ অক্টোবর রোববার দুপুরে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তার আইনজীবী আদালতে জামিনের আবেদন করেন।</p><p>এর আগে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সেই রিমান্ড শেষে রোববার তাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।</p><p>মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি স্বপরিবারে মদিনা থেকে ঢাকায় আসেন। তাদের বহনকারী ফ্লাইটটি সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে সকাল ৯টা ৮ মিনিটে ফ্লাইটটি পার্কিং করে।</p><p>এরপর যাত্রীরা বিমানবন্দরের ২১ নম্বর গেট দিয়ে টার্মিনালে প্রবেশ করেন এবং ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। ইমিগ্রেশন শেষে তারা লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় যান।</p><p>অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই সময় বিমানবন্দরে আগমনী যাত্রীর অতিরিক্ত চাপ থাকায় ট্রলি সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাময়িক সংকট দেখা দেয়। ট্রলি সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ লাইন তৈরি হলে কয়েকজন প্রটোকল সহকারী লাইনের নিয়ম ভঙ্গ করে ট্রলি সংগ্রহের চেষ্টা করেন।</p><p>এদিকে লাগেজ আসতে বিলম্ব হওয়া এবং জমজমের পানি না আসাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি উত্তেজিত হয়ে ওঠেন এবং অশোভন আচরণ করতে থাকেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>এ ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><p>এরপর মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিজ বাসভবন থেকে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তাফতার করা হয়। পরদিন শনিবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানালে আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।</p><p>সূত্র: চ্যানেল ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2f74-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 13:29:07 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে মাঠে নামছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72536/9068-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হাসপাতাল পরিদর্শন ও মনিটরিংয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা।</p><p>স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অফিস আদেশে এসব কর্মকর্তাকে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত, জেনারেল, জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া হয়।</p><p>অফিস আদেশ অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট হাসপাতাল এবং বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের হাসপাতাল তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো কর্মকর্তাকে একটি জেলার পাশাপাশি অন্য জেলার হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।</p><p>এতে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের আওতাধীন জেলা, উপজেলা ও হাসপাতালের জনবল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল প্রধানের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।</p><p>তাদের হাসপাতালগুলোর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা নিয়মিত তদারকি করতে হবে। উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য ও প্রতিবেদনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করতে হবে।</p><p>এ ছাড়া জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান কর্মসূচি, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে।</p><p>অফিস আদেশে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি কার্যক্রমসহ জনস্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।</p><p>পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বলা হয়েছে।</p><p>নির্দেশনায় আরও বলা হয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত জেলা, উপজেলা ও হাসপাতাল পরিদর্শন করতে হবে। পরিদর্শনের সময় পাওয়া সমস্যা, পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।</p><p>প্রতিটি পরিদর্শনের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত শাখায় পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যেক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি পরিদর্শন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।</p><p>অফিস আদেশের তালিকায় দেখা যায়, অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশাসন, উন্নয়ন, বিশ্বস্বাস্থ্য, হাসপাতাল, জনস্বাস্থ্য, আর্থিক ও অডিট, বাজেট ও নার্সিংসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় হাসপাতাল ও বিভাগভিত্তিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।</p><p>এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক তদারক কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দেশের বিভিন্ন জেলার হাসপাতালগুলোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালও তদারকি করা।</p><p>আদেশ অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। পরিদর্শনের মাধ্যমে হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করাই এ ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য।</p><p>অফিস আদেশে বলা হয়, নির্ধারিত দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে পালন করতে হবে। আদেশটি জারির তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এ উদ্যোগের ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি হাসপাতাল পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চিত্র, জনবল উপস্থিতি, চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার, অবকাঠামোগত সমস্যা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পথও সুগম হবে।</p><p>সূত্র: <strong>বাসস</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9068-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 13:04:01 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে মাঠে নামছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/health/72536/9068-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হাসপাতাল পরিদর্শন ও মনিটরিংয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা।</p><p>স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অফিস আদেশে এসব কর্মকর্তাকে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত, জেনারেল, জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া হয়।</p><p>অফিস আদেশ অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট হাসপাতাল এবং বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের হাসপাতাল তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো কর্মকর্তাকে একটি জেলার পাশাপাশি অন্য জেলার হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।</p><p>এতে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের আওতাধীন জেলা, উপজেলা ও হাসপাতালের জনবল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল প্রধানের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।</p><p>তাদের হাসপাতালগুলোর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা নিয়মিত তদারকি করতে হবে। উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য ও প্রতিবেদনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করতে হবে।</p><p>এ ছাড়া জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান কর্মসূচি, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে।</p><p>অফিস আদেশে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি কার্যক্রমসহ জনস্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।</p><p>পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বলা হয়েছে।</p><p>নির্দেশনায় আরও বলা হয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত জেলা, উপজেলা ও হাসপাতাল পরিদর্শন করতে হবে। পরিদর্শনের সময় পাওয়া সমস্যা, পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।</p><p>প্রতিটি পরিদর্শনের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত শাখায় পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যেক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি পরিদর্শন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।</p><p>অফিস আদেশের তালিকায় দেখা যায়, অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশাসন, উন্নয়ন, বিশ্বস্বাস্থ্য, হাসপাতাল, জনস্বাস্থ্য, আর্থিক ও অডিট, বাজেট ও নার্সিংসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় হাসপাতাল ও বিভাগভিত্তিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।</p><p>এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক তদারক কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দেশের বিভিন্ন জেলার হাসপাতালগুলোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালও তদারকি করা।</p><p>আদেশ অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। পরিদর্শনের মাধ্যমে হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করাই এ ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য।</p><p>অফিস আদেশে বলা হয়, নির্ধারিত দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে পালন করতে হবে। আদেশটি জারির তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এ উদ্যোগের ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি হাসপাতাল পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চিত্র, জনবল উপস্থিতি, চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার, অবকাঠামোগত সমস্যা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পথও সুগম হবে।</p><p>সূত্র: <strong>বাসস</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9068-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 13:04:01 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শাহজালালে ২ অভিযানে প্রায় ১৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72534/1659-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক ২টি অভিযানে একদিনে প্রায় সাড়ে ১৩ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।</p><p>অভিযানে দুবাই থেকে আসা ফ্লাইটের ২ বিমানকর্মীর জুতার ভেতর থেকে ৯.৩৪ কেজি এবং মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এক যাত্রীর শরীর থেকে ৪.৫ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। ২ ঘটনায় উদ্ধার স্বর্ণের মোট পরিমাণ ১৩.৮৪ কেজি। যার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ২৪ কোটি টাকা।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার বিমান বন্দরে ঢাকা কাস্টমস ও কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ দপ্তর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p><p>কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, দুবাই থেকে ঢাকায় আসা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-০৫৮২ ফ্লাইটের রানওয়েতে ২ বিমানকর্মীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাদের তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির সময় তাদের জুতার ভেতরে বিশেষ কায়দায় লুকানো ৮০টি স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বারের ওজন প্রায় ১১৭ গ্রাম। সব মিলিয়ে উদ্ধার স্বর্ণের ওজন প্রায় ৯.৩৪ কেজি। যার বাজার মূল্য ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি।</p><p>বিমানকর্মীদের জুতার ভেতরে স্বর্ণবার লুকিয়ে চোরাচালানের এ কৌশল সামনে আসার পর পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দারা। বিমানকর্মীদের মাধ্যমে স্বর্ণ পাচারের পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র রয়েছে কি না, থাকলে ওই চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।</p><p>অন্যদিকে রোববার দিবাগত রাতে কুয়ালালামপুর থেকে ঢাকায় আসা মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এমএইচ-০১৯৬ ফ্লাইটের এক যাত্রীর কাছ থেকে ৪.৫ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করে ঢাকা কাস্টমস হাউস। আটক যাত্রীর নাম মি. ইয়াং ডন সিউ। তিনি মালয়েশিয়ার নাগরিক।</p><p>কাস্টমস সূত্র জানায়, ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণের পর থেকেই ওই যাত্রীকে নজরদারিতে রাখা হয়। পরে তিনি ব্যাগেজ সংগ্রহ করে গ্রিন চ্যানেল-১ অতিক্রম করার সময় তাকে আলাদা করে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির সময় তার শরীরে বিশেষ কায়দায় বহন করা স্বর্ণবারের সন্ধান পাওয়া যায়। আনুমানিক রাত ১টা ৪৫ মিনিটে তার শরীর থেকে ৯টি স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য ৮ কোটি টাকা হতে পারে বলে জানা গেছে।</p><p>স্বর্ণবারগুলো একটি কালো কাপড়ের বেল্টে মোড়ানো অবস্থায় তার শার্টের নিচে শরীরের সঙ্গে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ওই যাত্রী কোনো ব্যাগেজ ঘোষণা দেননি এবং স্বর্ণের বৈধতার পক্ষে প্রয়োজনীয় কোনো নথি বা দলিলও দেখাতে পারেননি। উভয় ঘটনায়ই ফৌজদারি মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।</p><p>আটককৃতদের বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1659-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:54:47 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পবিত্র নগরী মদিনায় ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানাল বাংলাদেশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72533/1b70-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>পবিত্র নগরী মদিনায় সৌদি আরবের তাইবাহ বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। ৪ অক্টোবর রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।</p><p>বিবৃতিতে বাংলাদেশ জানিয়েছে, সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনার তাইবাহ বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথিদের ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। মসজিদে নববীকে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদার ওপর অগ্রহণযোগ্য আঘাত।</p><p>এতে আরও বলা হয়, সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নকারী যেকোনো আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ডকে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে।</p><p>মদিনায় সৌদি আরবের তাইবাহ বিদ্যুৎকেন্দ্রে এই হামলার জন্য সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের দায়ী করেছে। জোটের দাবি, হামলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রটির একটি ট্রান্সফরমার অকেজো হয়ে পড়ে। তবে এর ফলে সামগ্রিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি বলে দাবি করেছে তারা।</p><p>হামলার অভিযোগ অবশ্য সরাসরি অস্বীকার করেছে হুথি গোষ্ঠী। তাদের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করা হয়েছে।</p><p>সূত্র: ইত্তেফাক</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1b70-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:51:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পুঁজিবাজারে বিদেশি লেনদেন বেড়েছে ৩৭.৬ শতাংশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/72532/97ed-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>সংস্কার উদ্যোগ ও বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করার ফলে দেশের পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে গত বছরের পুরো বছরের মোট বিদেশি লেনদেনের প্রায় ৯৪ শতাংশে পৌঁছেছে চলতি বছরের লেনদেন।</p><p>ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৭০১ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৮ টাকা। ২০২৫ সালের একই সময়ে এ লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬৮৭ কোটি ৩৯ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৯ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ১৩ কোটি ৮৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা বা ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ।</p><p>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারের বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। বাজারকে সীমান্তবর্তী বাজার থেকে উদীয়মান বাজারে উন্নীত করার প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক সূচক নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ, বিদেশি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে আনার উদ্যোগ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।</p><p>ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাকে বলেন, বিদেশি লেনদেন বাড়ার পেছনে কোনো একক উদ্যোগ কাজ করছে না। বাজারকে উদীয়মান বাজারে উন্নীত করার প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক সূচক নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি বিনিয়োগসংক্রান্ত বিধি সহজ করা এবং লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে আনার উদ্যোগ—সব মিলিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা গেছে।</p><p>তিনি বলেন, বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাবাসী বিনিয়োগকারীদের টাকা হিসাব ব্যবস্থার একটি জটিলতা সম্প্রতি সহজ করা হয়েছে। আগে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পর প্রতিটি লেনদেনের সময় ওই হিসাবের মাধ্যমে অর্থের হিসাব করতে হতো। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের নজরে আনার পর বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মটি সহজ করেছে।</p><p>নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি লেনদেনের সময় আলাদাভাবে হিসাব না করে বিদেশি বিনিয়োগকারী বাংলাদেশ থেকে অর্থ ফেরত নেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় হিসাব সম্পন্ন করতে পারবেন। এতে বিদেশি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া আগের তুলনায় সহজ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p><p>এ ছাড়া লেনদেন নিষ্পত্তির সময় এক দিন কমিয়ে আনার উদ্যোগও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। পুঁজিবাজারে পেশাদার ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের সম্মিলিত প্রভাবেই বিদেশি লেনদেন বাড়ছে বলে মনে করেন নুজহাত আনোয়ার।</p><p>ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকেই বিদেশি লেনদেনে ওঠানামা থাকলেও সামগ্রিক প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখী। জানুয়ারিতে বিদেশি লেনদেন হয়েছে ৩৭৭ কোটি ২৩ লাখ ৮৩ হাজার ৪৬৬ টাকা। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে ৬৬৩ কোটি ২৭ লাখ ৮০ হাজার ৭৯৫ টাকায় দাঁড়ায়।</p><p>মার্চে লেনদেন কমে ২৭২ কোটি ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৯৮০ টাকা এবং এপ্রিলে ১৭৫ কোটি ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪৬০ টাকায় নেমে আসে। তবে মে মাসে বড় উত্থান ঘটে। ওই মাসে বিদেশি লেনদেন হয়েছে ৮৩১ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ৭৭১ টাকা, যা চলতি বছরের প্রথম আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।</p><p>জুনে বিদেশি লেনদেন হয় ৫৪০ কোটি ১৬ লাখ ৬১ হাজার ৪৭০ টাকা এবং জুলাইয়ে ৫২৩ কোটি ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৯৬৬ টাকা। আগস্টে তা কিছুটা কমে ৩১৮ কোটি ৫৭ লাখ ২৭ হাজার ৯৯১ টাকায় দাঁড়ায়।</p><p>অন্যদিকে, ২০২৫ সালের প্রথম আট মাসে বিদেশি লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬৮৭ কোটি ৩৯ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৯ টাকা। ওই বছরের জানুয়ারিতে লেনদেন ছিল ১৮১ কোটি ৮১ লাখ ৫ হাজার ১০৫ টাকা। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে ২৬৪ কোটি ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ২৬২ টাকা হলেও মার্চে কমে ১৭১ কোটি ৯৬ লাখ ১৭ হাজার ৭৮৭ টাকায় দাঁড়ায়।</p><p>এপ্রিল ও মে মাসে লেনদেন আবার বাড়ে। এপ্রিলে ৪২৬ কোটি ৯৪ লাখ ১ হাজার ২৯৮ টাকা এবং মে মাসে ৫০৬ কোটি ৭৪ লাখ ১৯ হাজার ১৪২ টাকা লেনদেন হয়। জুনে তা কমে ২৮৫ কোটি ৩০ লাখ ৭৭ হাজার ৬১৯ টাকা হলেও জুলাইয়ে বেড়ে ৪৯১ কোটি ৪৩ লাখ ৬৬ হাজার ২১৭ টাকা হয়। আগস্টে লেনদেন দাঁড়ায় ৩৭১ কোটি ৫৬ লাখ ৩ হাজার ৫৪৮ টাকা।</p><p>২০২৫ সালের পুরো বছরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন ছিল ৩ হাজার ৯২০ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ২১ টাকা। এর বিপরীতে চলতি বছরের প্রথম আট মাসেই লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৭০১ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৮ টাকা, যা গত বছরের পুরো বছরের প্রায় ৯৪ শতাংশ।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">97ed-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:37:48 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কানাডার উৎসবে সেরা তুষি, ‘রইদ’ পেল আরও দুই পুরস্কার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/72531/7a70-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক: </strong>কানাডার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব ‘মোজাইক ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’। এক যুগ ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এটি। দক্ষিণ এশিয়ার চলচ্চিত্রের জন্য এটি নতুন সম্ভাবনার মাঠ হয়ে উঠছে।</p><p>এই উৎসবের ১২তম আসরেই বাজিমাৎ করল বাংলাদেশের ‘রইদ’। একসঙ্গে জিতে নিলো তিনটি পুরস্কার। এর মধ্যে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন নাজিফা তুষি। ‘রইদ’ সিনেমায় সাদুর বউ চরিত্রে তার অনবদ্য অভিনয় এ স্বীকৃতি এনে দিলো। এছাড়া উৎসবে সেরা সিনেমাটোগ্রাফি এবং সেরা সংগীতের পুরস্কারও পেয়েছে ‘রইদ’।</p><p>তিন পুরস্কার জেতার খবরে উচ্ছ্বসিত টিম ‘রইদ’। সিনেমাটির নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনসহ অন্যরাও খবরটি নিজের ফেসবুক দেয়ালে ভাগ করে নিয়েছেন, প্রকাশ করেছেন আনন্দ।</p><p>মোজাইক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের এই আসরে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছে নেপালের ‘এলিফ্যান্টস ইন দ্য ফগ’। এর আগে সিনেমাটি বিখ্যাত কান উৎসবের আঁ সার্তে রিগায় জুরি পুরস্কার পেয়েছিল।</p><p>এর আগে নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত রটারড্যাম উৎসবের মূল প্রতিযোগিতায় জায়গা করে নিয়েছিল ‘রইদ’। এছাড়াও আরও নানা উৎসবে পৌঁছেছে সিনেমাটি। শুধু তাই নয়, এ বছর অস্কারের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিভাগের জন্য বাংলাদেশ থেকেও পাঠানো হয়েছে ‘রইদ’। ফলে অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে সিনেমাটি।</p><p>‘রইদ’-এ গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে অ্যাডাম-ইভের পৌরাণিক গল্পের আশ্রয়ে রহস্যময় এক উপাখ্যান তুলে ধরেছেন সুমন। এতে নাজিফা তুষি ছাড়াও অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, গাজী রাকায়েত, আহসাবুল ইয়ামিন রিয়াদ প্রমুখ।</p><p>সূত্র: ঢাকা পোস্ট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7a70-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:36:56 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72530/5d22-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, ব্যক্তিগত কারণে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি-এ কথা আগেও বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত যেন আর নেওয়া না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকা হবে।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার সচিবালয়ে ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরকে সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>সভায় ক্রীড়াবিদদের বিভিন্ন নাগরিক ও পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। রেলপথ, বিমান ও সড়কপথসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রীড়াবিদদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্রীড়াবিদরা যাতে আশা নিয়ে খেলতে পারেন এবং তাদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।</p><p>ক্রীড়াবিদদের সহায়তার অংশ হিসেবে এরই মধ্যে দেশের ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এখনো এই সংখ্যা পূর্ণ হয়নি। যোগ্য ও ভালো ক্রীড়াবিদ পাওয়া গেলে তাদেরও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।</p><p>ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, শিগগিরই আরও ৯৫ জন ক্রীড়াবিদকে এই কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে সংযোজন করা হবে। এরই মধ্যে ৩১ জনকে ভাতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রতি চার মাস পরপর মূল্যায়ন করে তালিকা হালনাগাদ করা হবে। ফলে প্রতি চার মাস পরপর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে কেউ তালিকা থেকে বাদ পড়বেন, আবার নতুন ক্রীড়াবিদদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।</p><p>ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদানের জন্য সরকার ২০০ কোটি টাকা আলাদাভাবে বরাদ্দ দিয়েছে বলেও জানান তিনি। এই অর্থের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।</p><p>ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের আরও ভালো প্রস্তুতির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছর পর অলিম্পিকে পদকের জন্য লড়াই করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হবে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এশিয়ান গেমসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার কাজ করবে বলে জানান তিনি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5d22-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:32:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/72530/5d22-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, ব্যক্তিগত কারণে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি-এ কথা আগেও বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত যেন আর নেওয়া না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকা হবে।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার সচিবালয়ে ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরকে সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>সভায় ক্রীড়াবিদদের বিভিন্ন নাগরিক ও পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। রেলপথ, বিমান ও সড়কপথসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রীড়াবিদদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্রীড়াবিদরা যাতে আশা নিয়ে খেলতে পারেন এবং তাদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।</p><p>ক্রীড়াবিদদের সহায়তার অংশ হিসেবে এরই মধ্যে দেশের ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এখনো এই সংখ্যা পূর্ণ হয়নি। যোগ্য ও ভালো ক্রীড়াবিদ পাওয়া গেলে তাদেরও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।</p><p>ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, শিগগিরই আরও ৯৫ জন ক্রীড়াবিদকে এই কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে সংযোজন করা হবে। এরই মধ্যে ৩১ জনকে ভাতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রতি চার মাস পরপর মূল্যায়ন করে তালিকা হালনাগাদ করা হবে। ফলে প্রতি চার মাস পরপর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে কেউ তালিকা থেকে বাদ পড়বেন, আবার নতুন ক্রীড়াবিদদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।</p><p>ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদানের জন্য সরকার ২০০ কোটি টাকা আলাদাভাবে বরাদ্দ দিয়েছে বলেও জানান তিনি। এই অর্থের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।</p><p>ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের আরও ভালো প্রস্তুতির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছর পর অলিম্পিকে পদকের জন্য লড়াই করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হবে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এশিয়ান গেমসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার কাজ করবে বলে জানান তিনি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5d22-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:32:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[৪০টি ভারতীয় চোরাই মোবাইলসহ আটক ১]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/72529/ce9a-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:</strong> চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৪০টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনসহ আপন হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বিজিবি।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার সকালে জেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।</p><p>বিষয়টি নিশ্চিত করেন মহানন্দা ব্যাটালিয়ন ৫৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।</p><p>তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকালে শাহাবাজপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শিয়ালমারা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল। অভিযানকালে ৪০টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনসহ আপন হোসেনকে আটক করা হয়।&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ce9a-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:21:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পাকিস্তানের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72528/b2af-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>চীনের কাছ থেকে পাকিস্তান পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান সংগ্রহ করলে তা ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এ পি সিং। তবে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতের প্রয়োজনীয় সক্ষমতা রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার ভারতের বিমানবাহিনী দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ৮ অক্টোবর ভারতে বিমানবাহিনী দিবস পালিত হবে।</p><p>এ পি সিং বলেন, পাকিস্তান চীনের তৈরি জে-৩৫ যুদ্ধবিমান সংগ্রহ করলে তা ভারতের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতকে নিজেদের সক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে।</p><p>ভারতীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বহর শক্তিশালী করতে বছরে ৩৬ থেকে ৪০টি নতুন যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ক্ষেত্রে তেজসের নতুন সংস্করণ, রাফাল এবং ভবিষ্যতে উন্নত হালকা যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।</p><p>দূরপাল্লার আকাশযুদ্ধ সক্ষমতা বাড়াতেও কাজ করছে ভারত। এ জন্য অ্যাস্ট্রা-১, অ্যাস্ট্রা-২ ও অ্যাস্ট্রা-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন ও উৎপাদন চলছে। অ্যাস্ট্রা-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৩৫০ কিলোমিটারের বেশি হতে পারে বলে জানান তিনি।</p><p>এ ছাড়া রাশিয়ার আর-৩৭এম ও ফ্রান্সের মেটিওর ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের বিষয়ও বিবেচনা করছে ভারত।</p><p>ভারতীয় বিমানবাহিনী প্রধান বলেন, প্রতিপক্ষের হাতে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এলে ভারতকেও দ্রুত নিজেদের উন্নত যুদ্ধবিমান কর্মসূচি এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে বিকল্প ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।</p><p>সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b2af-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:16:24 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪২৭, মামলা ৫৪]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/72527/2eb9-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন থানায় ৫৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।</p><p>ডিএমপির মিডিয়া ও জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়। অভিযানে রমনা বিভাগে ২১ জন, লালবাগে ৫৩, ওয়ারীতে ৫৪, মতিঝিলে ৫৫, তেজগাঁওয়ে ৮৯, মিরপুরে ৮২, গুলশানে ৩৫, উত্তরা বিভাগে ৩৫ এবং গোয়েন্দা বিভাগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।</p><p>অভিযানে ৫৪ কেজি ৪৬০ গ্রাম গাঁজা, ৫২৪টি ইয়াবা, ১ দশমিক ৫ গ্রাম হেরোইন ও দুটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়।</p><p>গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2eb9-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:09:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নারায়ণগঞ্জে ৫ কোটি টাকার বন্ডের সুতা আটক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/72526/b825-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: </strong>নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ৮০ কাউন্টের সুতা আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ৩ অক্টোবর শনিবার বিকেলে উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের পুরিন্দা গ্রামের হাজী আব্দুস সালাম মার্কেটের একটি গোডাউন থেকে প্রায় ৪০০ বস্তা সুতা উদ্ধার করা হয়।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় একটি গাড়ি থেকে প্রথমে বন্ডের কিছু সুতা আটক করা হয়। সেই ঘটনার সূত্র ধরে আড়াইহাজারের ওই গোডাউনের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে কাস্টমস কর্মকর্তারা সেখানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সুতা উদ্ধার করেন। আটক সুতার আনুমানিক মূল্য ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের কারখানার জন্য সরকারি শুল্ক-কর সুবিধায় আমদানি করা এসব বন্ডের সুতা নির্ধারিত ব্যবহারের বাইরে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা নিষিদ্ধ। অভিযোগ রয়েছে, শুল্ক-সুবিধায় আমদানি করা এসব সুতা খোলাবাজারে বিক্রি করে অধিক মুনাফা করার উদ্দেশ্যে গোডাউনে মজুত করা হয়েছিল।</p><p>এ ঘটনায় বন্ড সুবিধার সম্ভাব্য অপব্যবহারের বিষয়টি সামনে এসেছে বলে মনে করছেন শিল্পসংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বন্ড সুবিধার আওতায় আমদানি করা কাঁচামাল নির্ধারিত রপ্তানিমুখী উৎপাদনে ব্যবহার না করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হলে একদিকে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়, অন্যদিকে শুল্ক-কর পরিশোধ করে কাঁচামাল আমদানি করা দেশীয় শিল্প অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে।</p><p>বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, ‘নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে আটক সুতার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত আমদানিকারক, সরবরাহকারী এবং বন্ড সুবিধার আওতায় পণ্য খালাস ও পরিবহনের পুরো প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করা হলে বন্ড ব্যবস্থার সম্ভাব্য অপব্যবহারের প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে।’</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘শুধু পণ্য আটক করাই যথেষ্ট নয়। পণ্যটি কার নামে আমদানি হয়েছে, কোন প্রতিষ্ঠানের বন্ড লাইসেন্সের আওতায় এসেছে, কীভাবে সংশ্লিষ্ট গোডাউনে পৌঁছেছে এবং কোথায় যাওয়ার কথা ছিল, এসব বিষয় তদন্তের আওতায় এনে দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।’</p><p>নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে মাধবদীতে। পরবর্তীতে এর গোডাউন আড়াইহাজারে পাওয়া যায়। অভিযানটি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ পরিচালনা করেছে। পুলিশ শুধু তাদের সহযোগিতা করেছে।’</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b825-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 11:52:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা অক্ষত, দাবি আইআরজিসি কর্মকর্তার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72525/aecc-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র উৎপাদনের সরবরাহব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি সচল রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্রবিষয়ক বাহিনীর কমান্ডারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী বালালি। প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে ইরানের কোনো খাতে ঘাটতি নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার দেওয়া এক বক্তব্যে আলী বালালি এসব কথা বলেন।</p><p>তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের স্থাপনা ও উপাদান ইরানেই তৈরি করা হয়। এসব উপাদান উৎপাদনে দেশের কোনো খাত নিয়েই তাদের উদ্বেগ নেই। প্রয়োজন হলে এসব উপাদান রপ্তানিও করা সম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।</p><p>আলী বালালি আরও বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন ও নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে ইরান নিজস্ব সক্ষমতা এবং সামরিক অভিযানের প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করছে। এ ক্ষেত্রে দেশটি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে না।</p><p>ইরানি এই কর্মকর্তা বলেন, নিজেদের প্রয়োজন ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ প্রতিরক্ষা, চালকবিহীন উড়োজাহাজ এবং মহাকাশ খাতে সক্ষমতা বাড়িয়েছে ইরান।</p><p>আলী বালালির এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ইরানের সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ২৯ সেপ্টেম্বর মার্কিন অর্থ দপ্তর ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য অস্ত্র ও অস্ত্রের উপাদান সংগ্রহের অভিযোগে বিভিন্ন দেশের ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়।</p><p>ওয়াশিংটনের দাবি, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরানের অস্ত্র কর্মসূচির জন্য বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম সংগ্রহে যুক্ত ছিল। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন উড়োজাহাজ কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।</p><p>তবে ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক চাপের মধ্যেও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের প্রয়োজনীয় সরবরাহব্যবস্থা অক্ষত রয়েছে। দেশটি এর আগেও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি করেছে। তবে বর্তমান অস্ত্রভাণ্ডার ও উৎপাদন অবকাঠামোর প্রকৃত সক্ষমতা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশিত হয়নি।</p><p>সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">aecc-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 11:43:39 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নারায়ণগঞ্জে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯৮]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/72524/c250-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: </strong>নারায়ণগঞ্জের সাতটি থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য, মাদক কারবারি, মাদকসেবী, চোর, ওয়ারেন্টভুক্ত ও বিভিন্ন মামলার আসামিসহ ৯৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।</p><p>পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ৯৮ জনের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৯ জন, মাদক ব্যবসায়ী ৮ জন, মাদকসেবী ৫৮ জন, চোর ১ জন, ওয়ারেন্টভুক্ত ৭ জন, নিয়মিত মামলার আসামি ৮ জন এবং অন্যান্য আইনে ৭ জন রয়েছেন।</p><p>অভিযানে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের একজন সদস্য, ২১২টি ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী, ছয় মাদকসেবী, দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং অন্যান্য ধারায় চারজন রয়েছেন।</p><p>ফতুল্লা মডেল থানায় ৪০টি ইয়াবাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী, ১৮ মাদকসেবী, তিন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, নিয়মিত মামলার একজন আসামি ও অন্যান্য আইনে একজনসহ মোট ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিকারী কার্যক্রমে জড়িত নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের তিন সদস্য, ৩০টি ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী, ১২ মাদকসেবী, একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও নিয়মিত মামলার পাঁচ আসামিসহ মোট ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।</p><p>বন্দর থানায় ছয় মাদকসেবী ও অন্যান্য আইনে একজনসহ সাতজন, সোনারগাঁও থানায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের তিন সদস্য, ৫০টি ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী, ১৩ মাদকসেবী, একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও একজন চোরসহ মোট ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>এ ছাড়া রূপগঞ্জ থানায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের দুই সদস্য, তিন মাদকসেবী ও অন্যান্য আইনে দুজনসহ সাতজন এবং আড়াইহাজার থানায় অন্যান্য আইনে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।</p><p>নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c250-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 11:23:08 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন সেনাপ্রধান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72523/e543-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: নয় দিনের সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।</p><p>সফরের প্রথম পর্যায়ে অস্ট্রেলিয়ার পার্থে অনুষ্ঠিতব্য সেনাপ্রধানদের সম্মেলন ও আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে অংশ নেবেন সেনাবাহিনী প্রধান। এ ছাড়া তিনি মেলবোর্নে অবস্থিত ডিকিন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন।</p><p>পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী সমিতির বার্ষিক সভা ও প্রদর্শনীতে যোগ দেবেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।</p><p>সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন। পাশাপাশি তিনি দুই দেশের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করবেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e543-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 11:07:18 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিরোধী দলে থাকলেও দেশের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে: জামায়াত আমির]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/72522/c61b-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>যে সরকার জনগণকে শান্তি দিতে পারে না, তাদের দরকার নাই উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণ যাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারে এবং নিরাপত্তা নিয়ে থাকতে পারে, সেটি নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলে থাকলেও দেশের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার রাজধানীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জনসচেতনতা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনগণ এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশে শুধু শাস্তি-শৃঙ্খলার ব্যবস্থাই নয়, কার্যত দেশের সব প্রতিষ্ঠান এখন বিধ্বস্ত অবস্থায় রয়েছে। রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দিনে-দুপুরে এবং রাতের বিভিন্ন সময়ে রাজধানীতে নানা ধরনের অপকর্ম ঘটছে। রাজধানী যেহেতু সরকারের কেন্দ্রীয় অবস্থান, তাই রাজধানীর পরিস্থিতি থেকেই সারা দেশের অবস্থার ধারণা পাওয়া যায়।</p><p>মেডিকেল সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রসঙ্গ তুলে সরকারের সমালোচনা করে জামায়াতের আমির বলেন, একটি মেডিকেল সেন্টার ভেঙে চুরমার করে দেয়া হয়েছে এবং সেখানকার সম্পদ লুট করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুষ্কৃতিকারীদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের কেউ কেউ আড়ালে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।</p><p>ডা. শফিকুর রহমান এ সময় দাবি করেন একজনকে জনগণের চোখে ধুলা দেয়ার জন্য সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করানো হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে এখনো দল থেকে বহিষ্কার করা হয়নি এবং গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায়ও আনা হয়নি। একই ঘটনায় আরও যারা দুষ্কৃতকারী, তাদেরও গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।</p><p>জনগণকে বোকা বা অন্ধ মনে না করার আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখন কোনো কিছু আড়াল করার সময় নয়। তার ভাষায়, মুহূর্তের মধ্যেই সবকিছু জনগণের কাছে পৌঁছে যায় এবং মানুষ সবকিছু পরিষ্কারভাবে দেখতে পায়।</p><p>সূত্র: চ্যানেল ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c61b-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 10:52:34 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর ভয়াবহ হামলা, অন্তত ৭০০ হুতি নিহত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72521/63bf-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>ইয়েমেনে আবারও তীব্র হয়ে উঠেছে সরকারি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুতিদের লড়াই। ইয়েমেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, রাজধানী সানা ও ইরান-সমর্থিত হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা দেশটির বিভিন্ন এলাকায় শত শত হামলা চালানো হয়েছে। এতে অন্তত ৭০০ হুতি বিদ্রোহী নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে সেনাবাহিনী।</p><p>সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, সবচেয়ে তীব্র লড়াই চলছে তাইজ শহর ও এর আশপাশের এলাকায়। এরই মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কপথ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। দেশটির সবচেয়ে জনবহুল এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই আরও তীব্র হওয়ার মধ্যেই এসব হামলা চালানো হয়েছে।</p><p>আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি ৩ অক্টোবর শনিবার বলেন, হুতিদের অবস্থান, চলাচল ও সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে সেনাবাহিনী ‘২৫৭টি নির্ভুল হামলা’ চালিয়েছে।</p><p>তিনি এক্সে দেয়া এক পোস্টে বলেন, এসব হামলায় যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামান, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট লঞ্চার ব্যবহার করা হয়েছে।</p><p>আল-নাজিলি বলেন, প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী এসব অভিযানে অন্তত ৭০০ হুতি বিদ্রোহী নিহত হয়েছে। একই সঙ্গে ‘গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সামরিক স্থাপনা’ ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে ১৭০টি যুদ্ধযান ও ভারী সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে।</p><p>তবে সরকারি বাহিনীর কোনো সদস্য হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, এসব হামলায় হুতিদের ‘যুদ্ধ সক্ষমতা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নিজেদের বাড়িঘর ও গ্রামে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা সীমিত হয়েছে’।</p><p>আল-নাজিলি জানান, শনিবারের অভিযানগুলো সানা, মিদি, বাকিম এবং আল-জাওফ, মারিব, আল-বাইদা ও লাহিজের বিভিন্ন যুদ্ধফ্রন্টে চালানো হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সামরিক তৎপরতা ছিল তাইজকে ঘিরে।</p><p>এর আগে গত শুক্রবার আল-নাজিলি জানিয়েছিলেন, ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী প্রায় ৫০০টি সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এতে ১ হাজার ৫৪০ হুতি বিদ্রোহী নিহত বা আহত হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন তিনি।</p><p>আল জাজিরা বলছে, সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা তাইজ শহর নতুন করে শুরু হওয়া লড়াইয়ের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। শনিবার তাইজ থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক মাহা আলী জানান, শহরটির আশপাশের বিভিন্ন ফ্রন্টে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।</p><p>এর মধ্যে শহরের পশ্চিম প্রান্তে সবচেয়ে তীব্র লড়াই চলছে। তিনি জানান, হামলায় হুতিরা অস্বাভাবিক মাত্রায় গোলাবর্ষণ করছে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকাগুলো লক্ষ্য করে হুতিদের দিক থেকে ছোড়া গোলার শব্দ এখনও শোনা যাচ্ছে।</p><p>গোলাবর্ষণ অব্যাহত থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাদেরকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন বলে জানান মাহা আলী। তিনি বলেন, লড়াইয়ে বেসামরিক মানুষও হতাহত হয়েছেন। এর মধ্যে ধুবাবের একটি আবাসিক এলাকায় ছোড়া একটি গোলার আঘাতে এক শিশু নিহত হয়েছে। গোলার টুকরার আঘাতেই শিশুটির মৃত্যু হয়।</p><p>মাহা আলী জানান, সামা ফ্রন্টে গত শুক্রবার পাহাড়ি এলাকায় অগ্রসর হয় হুতিরা। সেখানে সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে তীব্র লড়াই এখনও চলছে। মাঠপর্যায়ের কয়েকটি সূত্র তাকে জানিয়েছে, সামা এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক বাসিন্দা চলে গেছেন। গত এক দশকেরও বেশি সময়ে এত বড় পরিসরে এমন ঘটনা দেখা যায়নি বলে জানান তিনি।</p><p>এদিকে এই সংঘর্ষের পর তাইজ শহরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সামা দুর্গের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী। সরকারি সংবাদ সংস্থা সাবা নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>সাবাকে এক সামরিক কর্মকর্তা বলেন, সামা জেলার স্থানীয় সশস্ত্র প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সহায়তায় সরকারি বাহিনী ‘তীব্র লড়াইয়ের’ পর দুর্গটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। এতে কয়েক ডজন হুতি যোদ্ধা নিহত বা আহত হয়েছে এবং অন্যরা পালিয়ে গেছে।</p><p>এদিকে শনিবার সেনাবাহিনীর গণমাধ্যমবিষয়ক কর্মকর্তা আম্মার আল-সামিই আল জাজিরাকে জানান, তাইজের আল-হুবান সড়কপথটি বন্ধ করে দিয়েছে সরকার।</p><p>তিনি বলেন, এর আগে ৯ বছর বন্ধ থাকার পর ২০২৪ সালে ‘মানবিক কারণে’ বেসামরিকদের জন্য পথটি খুলে দেয়া হয়েছিল। ইয়েমেনে বিরোধী পক্ষগুলোর নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ এটি। এই সড়ক হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আল-হুবানকে সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা তাইজ শহরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।</p><p>আল-সামিই বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণেই পথটি বন্ধ করা হয়েছে। এই সড়ক ব্যবহার করে হুতিরা তাইজে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে। পাশাপাশি ওই এলাকার আশপাশে হামলা এবং সামগ্রিকভাবে সামরিক তৎপরতা বাড়ানোর কারণেও এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।</p><p>২০২২ সালে ইয়েমেন সরকার ও হুতিদের মধ্যে হওয়া একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চলতি বছরের জুলাইয়ে ভেঙে যায়। এরপর থেকে দেশটিতে লড়াই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে হুতিরা পশ্চিম ইয়েমেনের কয়েকটি এলাকায় দ্রুত অগ্রসর হয়ে বাব আল-মান্দেব প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত দ্বীপ এবং বন্দরনগরী মোকার নিয়ন্ত্রণ নেয়।</p><p>এরপর থেকে হুতিবিরোধী বাহিনীগুলো বেশিরভাগ যুদ্ধফ্রন্টের নিয়ন্ত্রণ স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে। লড়াই নতুন করে শুরু হওয়ার পর থেকে ইয়েমেনে কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।</p><p>প্রসঙ্গত, ২০১৪ সাল থেকে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ চলছে। ওই বছর হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে নেয়। এরপর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার রাজধানী ছেড়ে এডেনে সরে যেতে বাধ্য হয়।</p><p>সূত্র: আল-জাজিরা</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">63bf-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 10:35:19 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72520/9945-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে প্রায় তিন মাসের বকেয়া বেতন পেতে পারেন। তবে কে কত টাকা বকেয়া পাবেন, তা নির্ভর করবে নতুন বেতন নির্ধারণের হিসাবের ওপর। আগামীকাল সোমবার থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়ে ২০ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।</p><p>অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণ করা হবে আইবাস প্লাস প্লাসের পে ফিক্সেশন মডিউলের মাধ্যমে। চাকরিজীবীদের অনলাইনে নিজেদের পরিচয়, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, জন্মতারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান মূল বেতনের তথ্য দিতে হবে। পাশাপাশি আগের বেতন নির্ধারণের তথ্যও যাচাই করতে হবে।</p><p>নতুন কাঠামোয় কার মূল বেতন কত হবে, তা নির্ধারণের পর পুরোনো ও নতুন মূল বেতনের পার্থক্য এবং বেতন কার্যকরের তারিখ বিবেচনায় নিয়ে বকেয়া হিসাব করা হবে। ফলে সবার বকেয়ার পরিমাণ সমান হবে না। গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, নতুন কাঠামোয় নির্ধারিত বেতন ও কার্যকর তারিখের ওপর বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে।</p><p>চাকরিজীবীদের পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট তথ্যও দিতে হবে। এসব তথ্যের পক্ষে থাকা অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখতে হবে। নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মতারিখ, পদ, গ্রেড ও বেতনসংক্রান্ত তথ্যেও কোনো ভুল বা অসংগতি থাকলে বেতন নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ কাজে আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বর প্রয়োজন হবে।</p><p>চাকরিজীবীরা অনলাইনে তথ্য দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় তা যাচাই করবে। তথ্য ও নথিতে অসংগতি থাকলে সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। তাই শুধু অনলাইনে তথ্য পূরণ করলেই প্রক্রিয়া শেষ হবে না; আগের চাকরির ইতিহাস ও বেতন নির্ধারণের তথ্যের সঙ্গে নতুন তথ্যের সামঞ্জস্য থাকতে হবে।</p><p>অনলাইনে তথ্য দিতে কোনো সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সহায়তা নেওয়া যাবে। বেতন নির্ধারণ চূড়ান্ত হওয়ার পর নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন বিল তৈরি করা হবে এবং একই সঙ্গে বকেয়া পাওনার হিসাবও চূড়ান্ত করা হবে।</p><p>বেতন নির্ধারণের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। অর্থ বিভাগের আওতাধীন সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির মাধ্যমে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।</p><p>সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গত ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে মূল বেতন ছিল, তার ভিত্তিতে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণ করা হবে। পুরোনো ও নতুন মূল বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দেওয়া হবে পার্থক্যের ৭০ শতাংশ। এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে পুরো নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে। নতুন ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।</p><p>অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে দুই দফায় মূল বেতনের ৭০ শতাংশ দেওয়ার জন্য ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।</p><p>নতুন বেতনকাঠামোয় কোনো স্থায়ী কর্মচারী পদোন্নতি ছাড়া একই পদে আট বছর পূর্ণ করলে এবং চাকরি সন্তোষজনক হলে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর একই পদে আরও ছয় বছর চাকরি করলে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিধান রয়েছে।</p><p>তবে আগের বেতনকাঠামোয় টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়া কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। এসব বিষয়ও যাচাই করে সমাধান করা হচ্ছে।</p><p>অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগের বেতনকাঠামোয় একই পদে দুই বা ততোধিক সিলেকশন গ্রেড, টাইম স্কেল বা উচ্চতর গ্রেড পেয়ে থাকলে নতুন কাঠামোয় ওই পদে আর উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ থাকবে না। তবে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত একই পদে একটিমাত্র উচ্চতর স্কেল বা গ্রেড পাওয়া থাকলে পরবর্তী ছয় বছর পূর্তির পর দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ থাকবে।</p><p>অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ৫ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে বেতন নির্ধারণের সময় বর্তমান বেতনের পাশাপাশি আগের পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড ও বেতন নির্ধারণের ইতিহাসও যাচাই করা হবে। এসব তথ্য সঠিক থাকলেই নতুন বেতন ও বকেয়া পাওনার হিসাব নির্ভুলভাবে করা সম্ভব হবে।</p><p>সূত্র: প্রথম আলো</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9945-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 10:26:39 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশের বাজারে আজ স্বর্ণের ভরি কত?]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/72519/5bbd-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>তিন দফা কমার পর নতুন করে দেশের বাজারে গত বুধবার নতুন করে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। এদিন প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়। এতে ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকায়। গত বুধবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়।</p><p>আজ ৪ অক্টোবর রোববারও দেশের বাজারে ওই দামেই বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ।</p><p>নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানোয় দাম পড়বে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা।</p><p>২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।</p><p>এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর ভালো মানের এক ভরি সোনার গয়নার দাম কমানো হয় ১ হাজার ৬৯১ টাকা। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর কমানো হয় ২ হাজার ১৫৮ টাকা। এখন আবার দাম কমানোর ফলে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার গয়নার দাম কমল ৬ হাজার ৬৫ টাকা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5bbd-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 10:21:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আক্রমণ ঠেকাতে প্রস্তুত হচ্ছে কানাডা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72518/9100-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কানাডায় সামরিক হামলার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ হলেও এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটি। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য সব ঝুঁকি বিবেচনায় নেওয়া সরকারের দায়িত্ব।</p><p>‘নিউইয়র্ক টাইমস’-কে কার্নি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার সম্পর্ক নতুন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাই সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া মূলত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অংশ।</p><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ করার কথা বলেছেন। পাশাপাশি তাঁর শুল্কনীতিও দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি করেছে। যদিও ২০২৫ সালে ট্রাম্প বলেছিলেন, কানাডার বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে; বরং রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।</p><p>সামরিক বিশেষজ্ঞরাও মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কানাডা আক্রমণের সম্ভাবনা খুবই কম। দুই দেশ ন্যাটোর সদস্য এবং উত্তর আমেরিকার আকাশ ও আর্কটিক অঞ্চলের প্রতিরক্ষায় ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করে। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়সহ বিভিন্ন সামরিক কার্যক্রমেও রয়েছে তাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব।</p><p>তবে কানাডার সামরিক পরিকল্পনায় সম্ভাব্য মার্কিন আগ্রাসনকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। কানাডার সামরিক বাহিনীর একটি মডেল অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনামূলক বড় সামরিক সক্ষমতার কারণে প্রথম পর্যায়ে কানাডার গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থানগুলো দ্রুত দখলের ঝুঁকি রয়েছে। সে ক্ষেত্রে কানাডার বাহিনীকে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধমূলক যুদ্ধকৌশলে যেতে হতে পারে।</p><p>বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও এমন যুদ্ধ সহজ হবে না। দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে কানাডার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ে বড় ধরনের বিরোধিতার মুখে পড়তে হতে পারে।</p><p>কানাডার সামরিক পরিকল্পনায় এখন দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেনাবাহিনীর আকার বাড়ানো এবং নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।</p><p>বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সম্ভাবনা বাস্তবে অত্যন্ত কম হলেও কানাডা যে এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা দুই দেশের ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন ধরনের অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p><p>সূত্র: বিবিসি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9100-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 10:16:45 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ডেঙ্গু প্রতিরোধে আজ থেকে জামায়াতের জনসচেতনতা কর্মসূচি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/72517/650b-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী সপ্তাহব্যাপী জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ ৪ অক্টোবর রোববার থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ‘জনসচেতনতা সপ্তাহ’ পালন করবে দলটি।</p><p>রোববার সকাল ৯টায় রাজধানীর মগবাজারের মধুবাগ খেলার মাঠে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।</p><p>দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং মশাবাহিত এ রোগের বিস্তার রোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। এ জন্য দলটির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p><p>এর আগে রাজধানী ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছিল জামায়াতে ইসলামী।</p><p>দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের প্রকাশিত তথ্যেও ৪ থেকে ১০ অক্টোবর দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সপ্তাহ পালনের কথা জানানো হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">650b-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 09:56:54 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পরপর ভূমিকম্পে কাঁপল চট্টগ্রাম-ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72516/b8c6-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>৭৫ মিনিটের ব্যবধানে পরপর তিনটি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল। ৩ অক্টোবর শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টা থেকে রাত দেড়টার মধ্যে মিয়ানমার, ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরায় এসব ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর রোববার ভোরেও ৪ দশমিক ৮ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।</p><p>ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত ১২টা ১২ মিনিটে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় ৪ দশমিক ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। এতে কক্সবাজার ও টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা কেঁপে ওঠে। চট্টগ্রামেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়।</p><p>এর প্রায় এক মিনিট পর বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ভারতের মিজোরামের লুংলেই এলাকায় ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়। এতে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়।</p><p>পরে রাত ১টা ২৭ মিনিটে ভারতের ত্রিপুরার আগরতলা ও ডালাই এলাকায় ৩ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এ কম্পনেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ভারতের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্যেও ত্রিপুরার ডালাই এলাকায় ৩ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের তথ্য রয়েছে।</p><p>এদিকে, রোববার ভোর ৪টার দিকে ঢাকা থেকে প্রায় ৪৪৩ কিলোমিটার দূরে ৪ দশমিক ৮ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।</p><p>এখন পর্যন্ত এসব ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।</p><p>সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b8c6-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 09:38:55 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নেপালে ৩৭ দিন পর মিলল নিখোঁজ মালয়েশিয়ান পর্যটকের সন্ধান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72515/b530-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর নিখোঁজ হওয়া এক মালয়েশিয়ান পর্যটক ৩৭ দিন পর জীবিত অবস্থায় ফিরে এসেছেন। তিনি কাঠমান্ডুতে অবস্থিত মালয়েশিয়ার দূতাবাসে গিয়ে নিজের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরে নিরাপদে মালয়েশিয়ায় ফিরে যান তিনি।</p><p>২ অক্টোবর শুক্রবার মালয়েশিয়ায় নিখোঁজ নাগরিকদের পরিবারগুলোর সংগঠন ‘মালয়েশিয়া সলিডারিটি: ফ্যামিলিজ ইন হোপ’-এর মুখপাত্র মনিভান্নান রেথিনাম এ তথ্য জানান।</p><p>সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, নিখোঁজ ওই ব্যক্তি একাই নেপাল ভ্রমণে গিয়েছিলেন। বন্যার পর ৩৭ দিন তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে তিনি নিজ উদ্যোগে কাঠমান্ডুতে মালয়েশিয়ার দূতাবাসে পৌঁছে নিরাপদে থাকার বিষয়টি জানান। এরপর তিনি দেশে ফেরেন।</p><p>মনিভান্নান রেথিনাম জানান, গত ২৫ আগস্ট স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ২৬ মিনিটে নেপালের নাগথালি ভিউপয়েন্ট এলাকায় ওই পর্যটককে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল। এর পরদিন ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে সড়ক ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহও ব্যাহত হয়।</p><p>৩৭ দিন পর ওই ব্যক্তির নিরাপদে ফিরে আসার ঘটনায় নেপালে নিখোঁজ অন্য মালয়েশিয়ানদের পরিবারগুলোর মধ্যে স্বস্তি ও নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তবে এখনো আরও ৫৪ মালয়েশিয়ান নাগরিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনটি জানিয়েছে।</p><p>এর আগে ২৭ আগস্ট মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, নেপালে বন্যার পর ৫৫ মালয়েশিয়ান নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। তাদের মধ্যে পর্যটক, তীর্থযাত্রী ও অন্যান্য ভ্রমণকারী ছিলেন। পরবর্তীতে একজনের নিরাপদে ফিরে আসার খবর পাওয়া যায়।</p><p>গত ২৬ আগস্ট নেপালের রাসুওয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস আঘাত হানে। এতে সড়ক, সেতু ও যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হয়। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, ওই দুর্যোগে ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন।</p><p>সূত্র: রয়টার্স</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b530-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 09:20:59 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ভৌতিক সিনেমার শুটিংয়ে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন অভিনেত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/72514/eab3-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক:</strong> ভোজপুরি হরর-কমেডি সিনেমা ‘ভূতনি কা বদলা’র শুটিং সেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন অভিনেত্রী সঞ্জনা পাণ্ডে। ভারতের উত্তরপ্রদেশে সিনেমাটির দৃশ্যধারণের সময় হঠাৎ আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তাঁর পোশাকে আগুন ধরে যায়। তবে সেটে থাকা কলাকুশলীদের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় অভিনেত্রীকে।</p><p>জানা গেছে, সিনেমাটির একটি দৃশ্যে আগুন ব্যবহারের প্রয়োজন ছিল। চিত্রনাট্য অনুযায়ী আগুনের মধ্যে দাঁড়িয়ে অভিনয় করছিলেন সঞ্জনা। দৃশ্যধারণের সময় হঠাৎ বাতাসের গতি বেড়ে গেলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে তাঁর পোশাকে। মুহূর্তেই সেটে আতঙ্ক তৈরি হয়।</p><p>পরিস্থিতি বুঝতে পেরে শুটিং ইউনিটের কর্মীরা দ্রুত এগিয়ে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে সঞ্জনাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় অন্য কেউ আহত হননি।</p><p>দুর্ঘটনার পর নিজের নিরাপত্তা নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন সঞ্জনা। তিনি জানান, সিনেমার গল্প ও চরিত্র যথাযথভাবে তুলে ধরতে পুরো দল নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে। সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শক গল্পের উপস্থাপন ও অভিনয় উপভোগ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।</p><p>‘ভূতনি কা বদলা’ একটি ভোজপুরি হরর-কমেডি সিনেমা। এতে সঞ্জনা পাণ্ডে ছাড়াও অভিনয় করছেন অরবিন্দ আকেলা কাল্লু, পূজা গাঙ্গুলী ও মাহী শ্রীবাস্তব।</p><p>সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">eab3-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 09:15:08 +0600</pubDate>
            </item>
        
    </channel>
</rss>
