<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0">
    <channel>
        <title><![CDATA[All news items on https://www.asiantvonline.com/]]></title>
        <link><![CDATA[https://asiantvonline.com/]]></link>
        <description><![CDATA[
            Welcome to https://www.asiantvonline.com/! Stay informed with the latest news, headlines, and updates from around the world.
            Subscribe to our RSS feed now to receive regular updates and never miss a beat.
        ]]></description>

        <image>
            <url>https://asiantvonline.com/logo.png</url>
            <title>Asian Tv Online | এশিয়ান টিভি অনলাইন</title>
            <link>https://asiantvonline.com/</link>
        </image>

        <generator><![CDATA[RSS by https://asiantvonline.com/rss-feed.xml]]></generator>
        <language>en</language>
        <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 02:50:05 +0600</pubDate>

        <copyright><![CDATA[
            Copyright: (C) 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.
        ]]></copyright>

                    <item>
                <title><![CDATA[পিতা-মাতার সম্পত্তি সুরক্ষায় বিল পাস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70605/894d-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>পিতা-মাতার সম্পত্তি সন্তানের নামে হস্তান্তরের পরও তাদের জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তির ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রেখে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার বিলটি নিয়ে জাতীয় সংসদে দীর্ঘ আলোচনা ও তর্ক-বিতর্ক হয়।</p><p>বিরোধী দল ও কয়েকজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য বিলটির বিভিন্ন বিধান নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তা জনমত যাচাইয়ের জন্য পাঠানোর দাবি করেন। তবে তাদের প্রস্তাব কণ্ঠ ভোটে নাকচ হওয়ার পর বিলটি কণ্ঠ ভোটে পাস হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বিলটি পাসের জন্য সংসদে উত্থাপন করেন।</p><p>বিলের মূল লক্ষ্য হলো, কোনো পিতা বা মাতা জীবিত অবস্থায় সন্তানকে সম্পত্তি হেবা বা দান করলে ওই সম্পত্তির মালিকানা সন্তানের নামে হস্তান্তর হলেও পিতা-মাতা জীবদ্দশায় সম্পত্তিটির ভোগদখল বজায় রাখতে পারবেন। তাদের মৃত্যুর পর সম্পত্তির পূর্ণ মালিকানা সন্তানের কাছে যাবে।</p><p>বিলটির এই বিধান নিয়ে আলোচনায় ধর্মীয় ও আইনি দুই দিক থেকেই প্রশ্ন তোলেন কয়েকজন সংসদ সদস্য। বিরোধীদলীয় নেতা ও ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. শফিকুর রহমান বলেন, বাবা-মায়ের শেষ জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ মানবিক। কিন্তু প্রস্তাবিত ব্যবস্থাটি মুসলিম উত্তরাধিকার আইন ও শরিয়াহর হেবা ব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা গভীরভাবে পর্যালোচনা প্রয়োজন।</p><p>তিনি বলেন, ইসলামী বিধান অনুযায়ী হেবা কার্যকর হওয়ার ক্ষেত্রে সম্পত্তির দখল হস্তান্তরের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে ওসিয়ত ও উত্তরাধিকার বণ্টনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। তাই বিলটি পাসের আগে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও শরিয়াহ বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।</p><p>আলোচনায় অংশ নেওয়া কয়েকজন সংসদ সদস্য বলেন, বাবা-মাকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পর তাদের নির্যাতন বা বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার মতো ঘটনা ঠেকানো জরুরি। তবে এ সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ভরণপোষণ আইন প্রয়োগের পাশাপাশি ধর্মীয় বিধানের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।</p><p>পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য নজিবুর রহমান মোমেন বলেন, প্রস্তাবিত বিধানটি কোরআন-সুন্নাহ এবং মুসলিম পারিবারিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা স্পষ্ট হওয়া দরকার। বাবা-মায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজন থাকলেও সে কারণে ইসলামী উত্তরাধিকার ব্যবস্থার মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন করা উচিত নয় বলে মত দেন তিনি।</p><p>ময়মনসিংহ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুল হাসানও বিলটি নিয়ে আপত্তি জানান। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে দেশের আলেম-ওলামা ও ইসলামিক স্কলারদের মতামত নেওয়া উচিত। এ জন্য বিলটি জনমত যাচাইয়ের জন্য পাঠানোর দাবি জানান তিনি।</p><p>শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, হেবা সম্পন্ন হওয়ার ক্ষেত্রে সম্পত্তির বাস্তব দখল বা ‘কবজা’ হস্তান্তরের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় মালিকানা সন্তানের নামে দেওয়ার পরও পিতা-মাতার হাতে ভোগদখল থাকায় এর আইনগত ও ধর্মীয় ব্যাখ্যা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।</p><p>পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আজগার এবং চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামও বিলটি নিয়ে আরও পর্যালোচনা ও বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণের পক্ষে মত দেন।</p><p>অন্যদিকে, বিলটির মানবিক প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে সমর্থন জানান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, অনেক বাবা-মা সন্তানকে সম্পত্তি দেওয়ার পর শেষ বয়সে তাদেরই অবহেলা বা নির্যাতনের শিকার হন। এ ধরনের পরিস্থিতি ঠেকাতে আইনি সুরক্ষা প্রয়োজন। তবে তিনি বিলটিতে আরও কিছু সুরক্ষা ব্যবস্থা যুক্ত করার প্রস্তাব দেন। সন্তান বাবা-মাকে অবহেলা করলে দাতা যেন নিজেই দলিল বাতিলের উদ্যোগ নিতে পারেন, সেই সুযোগ রাখার পাশাপাশি সম্পত্তি বন্ধক রাখা বা তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তরের সুযোগ সীমিত করার সুপারিশ করেন তিনি। বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য পারিবারিক আদালতে সংক্ষিপ্ত বিচারব্যবস্থা চালুর কথাও বলেন রুমিন ফারহানা।</p><p>কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, কিছু সন্তান বাবা-মায়ের কাছ থেকে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার পর তাদের শেষ জীবনে অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখে। তাই পিতা-মাতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর আইন প্রয়োজন।</p><p>তবে সংসদ সদস্যদের এসব আপত্তির জবাবে আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, প্রস্তাবিত আইনের সঙ্গে শরিয়াহ আইনের কোনো বিরোধ নেই। তিনি বলেন, বিলের ১২২অ ধারার উপধারা ৪-এ প্রস্তাবিত সম্পত্তি হস্তান্তরকে একটি স্বতন্ত্র পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এর ফলে প্রচলিত হেবা, সাধারণ দান বা শরিয়াহ অনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তরের পদ্ধতির কার্যকারিতায় কোনো প্রভাব পড়বে না।</p><p>আইনমন্ত্রী আরও বলেন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে বিক্রয়, বন্ধক, ইজারা, বিনিময় ও দানের মতো বিভিন্ন পদ্ধতির বিধান রয়েছে। প্রস্তাবিত সংশোধনীর বিষয়টি সাধারণ দানের একটি পৃথক কাঠামো। এটিকে হেবা বা মুসলিম উত্তরাধিকার আইনের সঙ্গে এক করে দেখার সুযোগ নেই।</p><p>তিনি এ বিষয়ে বিভিন্ন আদালতের রায়ের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে বলেন, সম্পত্তির মালিকানা এবং ভোগদখলের অধিকার পৃথকভাবে নির্ধারণের আইনগত সুযোগ রয়েছে। একই ধরনের ব্যবস্থা কয়েকটি মুসলিম-অধ্যুষিত দেশেও বিদ্যমান বলে সংসদকে জানান তিনি।</p><p>বিলটি নিয়ে বিরোধী দলের জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব স্পিকার কণ্ঠ ভোটে দিলে তা নাকচ হয়ে যায়। পরে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করা হলে কণ্ঠ ভোটে পাস হয়।&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">894d-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 21:37:34 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে ১০ দফা দাবি সংসদে, যা বললেন প্রতিমন্ত্রী নুর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70604/0237-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ই-পাসপোর্ট জটিলতা, সৌদি আরবে অপহরণ ও নির্যাতন, দালাল চক্রের প্রতারণাসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসীদের নানা সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।</p><p>প্রবাসীদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি তাদের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করাকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে কার্যপ্রণালি-বিধির ৭১ বিধিতে দেওয়া মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া ‘সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের সমস্যা সমাধান প্রসঙ্গে’ নোটিশটি দেন।</p><p>নোটিশে ই-পাসপোর্ট জটিলতা, সৌদি আরবে অপহরণ ও নির্যাতন, দালাল চক্রের প্রতারণা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, গামকা মেডিকেল পরীক্ষায় অনিয়ম, বিএমইটির দুর্নীতি, অবৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়, দূতাবাস থেকে সরাসরি সহায়তা এবং অসুস্থ ও মৃত প্রবাসীদের সরকারি সহায়তাসহ ১০টি বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।</p><p>জবাবে নুরুল হক নুর বলেন, প্রকৃত অর্থে প্রবাসীদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছেন। এর জন্য ওনাকে স্টাডি করতে হয়েছে, এক প্রকার রিসার্চ করতে হয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, প্রবাসীদের সমস্যাগুলো অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তাদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করাকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।</p><p>মন্ত্রী বলেন, যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ করে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি রয়েছে, প্রবাসীদের জন্য কর্মসংস্থানের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা কর্মসংস্থানের পাশাপাশি তাদের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করা-এই বিষয়টি আমাদের একটা বড় অগ্রাধিকার।</p><p>প্রবাসীদের জন্য সরকারের নেওয়া উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশের চাহিদা অনুযায়ী জনশক্তি প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনলাইনে বৈঠকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছ থেকে কর্মীর চাহিদা নেওয়া হচ্ছে। এরপর সেই অনুযায়ী ‘ডিমান্ড ম্যাপিং’ করে প্রয়োজনীয় জনশক্তি প্রস্তুত করা হচ্ছে।</p><p>নোটিশে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সমৃদ্ধ করে। কিন্তু তারা নানা হয়রানি ও জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন।</p><p>ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রে এনআইডি বা জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সামান্য অসঙ্গতির কারণে পাসপোর্ট আটকে যাওয়ায় প্রবাসীদের ইকামা নবায়ন ও ব্যাংকিং সেবা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে নোটিশে উল্লেখ করেন তিনি। এ সমস্যা সমাধানে দূতাবাসে বিশেষ ই-পাসপোর্ট সেল গঠন এবং আগের এমআরপি পাসপোর্টের ধারাবাহিকতা রেখে নবায়নের সুবিধা দেওয়ার দাবি জানান।</p><p>এ ছাড়া সৌদি আরবে প্রবাসীদের অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায় বন্ধে দূতাবাস ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে ব্যবস্থা নেওয়া, প্রতারণার শিকার প্রবাসীদের দ্রুত বিচার ও ক্ষতিপূরণ, সরকারি আইনি সহায়তা এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।</p><p>মেডিকেল পরীক্ষায় অনিয়ম ও ‘ফিট-আনফিট’ বাণিজ্য বন্ধ, বিএমইটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতি প্রতিরোধ, অবৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং বিদেশ যেতে অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় কমানোর দাবিও জানান মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।</p><p>প্রবাসীদের জন্য দূতাবাস থেকে সরাসরি আইনি ও প্রশাসনিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং অসুস্থ প্রবাসীদের চিকিৎসা ব্যয় বহন ও মৃত প্রবাসীদের মরদেহ দ্রুত ও বিনামূল্যে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থার দাবিও জানান তিনি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0237-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 21:15:49 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত-সংঘর্ষ চাই না: রাষ্ট্রপতি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70603/3b85-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত, কোনো সংঘর্ষ চাই না। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে বলবো— আপনারা নিজেদের রাজনীতি করবেন, মতবাদ প্রচার করবেন, কিন্তু সংঘাতে কখনো জড়াবেন না।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে নাগরিক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>রাষ্ট্রপতি বলেন, নির্বাচনের পূর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেব নির্বাচনী প্রচারণায় এসেছিলেন। তিনি আপনাদের সামনে কতগুলো কথা দিয়েছিলেন। আমরা যে দাবিগুলো রেখেছিলাম, তার মধ্যে ছিল আমাদের একটা পাবলিক ইউনিভার্সিটি। বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি হয়ে গেছে, ভাইস চ্যান্সেলর বসে আছেন, সামনে এখন শিক্ষক নেবে। জমির টাকা দেওয়া হয়ে গেছে। কালকে ইনশাআল্লাহ আমরা সেই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করব। সেখানে আপনাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া, উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারবে। এখানে মেডিকেল কলেজের কথা বলেছিলাম, আমাদের মনে আছে। আপনাদের মেডিকেল কলেজ হয়েছে, জায়গাও ঠিক হয়ে গেছে, আগামী বছর থেকে ইনশাআল্লাহ ছাত্রভর্তি শুরু হবে। আমাদের ভূল্লী ও রুহিয়ার দুইটা আলাদা উপজেলা করার দাবি ছিল আপনাদের, দুটোই হয়ে গেছে, ইউএনও যোগ দিয়েছেন এবং কাজ শুরু হয়ে গেছে।</p><p>বিমানবন্দর ও শিল্পায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিমানবন্দর আপনারা চাইছিলেন, আমি রাজি হয়েছি আপনাদের কথায়। বিমানবন্দর হলে আমাদের সাধারণ মানুষ খুব একটা উপকৃত হবে তা নয়, কিন্তু যারা ব্যবসা-বাণিজ্য করবেন তাদের জন্য সহজ হবে। কিন্তু বিমানবন্দরটাকে যদি চালু করতে হয়, ভবিষ্যতে টিকিয়ে রাখতে হয়, তাহলে আমাদের এখানে কলকারখানা বাড়াতে হবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে। আমাদের এখানে কলকারখানা, ফ্যাক্টরি, ইন্ডাস্ট্রি একদম নেই। মানুষের কাজ নেই। এই কাজের জন্য আমরা চেষ্টা করছি। সরকারে আসার পরপরই আমরা এখানে অর্থ উপদেষ্টাকে নিয়ে এসেছিলাম, তিনি পুরো জায়গাটা দেখেছেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বাণিজ্যমন্ত্রীও এসেছিলেন, তিনিও সব ঘুরে দেখেছেন। আমরা আশা করছি খুব শিগগিরই কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার জন্য কিছু বিনিয়োগকারীকে এখানে নিয়ে আসতে সক্ষম হব।</p><p>চীনের সঙ্গে সহযোগিতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, আমরা এখানে চীনের রাষ্ট্রদূতকে নিয়ে এসেছিলাম। এই স্টেডিয়ামে তিনি প্রায় ছয় হাজার শিশুকে স্কুলব্যাগ দিয়েছিলেন। কিছুদিন আগে দশজন ছাত্র ও পাঁচজন শিক্ষককে চীনে ঘুরিয়ে দেখিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা আশা করছি, এখানে কলকারখানা তৈরির জন্য চীন থেকেও বিশেষজ্ঞরা আসবেন।</p><p>রাজনৈতিক সহনশীলতার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, 'আমরা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ খুব নির্ঝঞ্ঝাট। এখানে মামলা-মোকদ্দমা সবচেয়ে কম হয় এবং সবাই নির্ঝঞ্ঝাট থাকতে চায়। আমরা এই অবস্থাটা রাখতে চাই। আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত, কোনো সংঘর্ষ চাই না। আমরা সব রাজনৈতিক দলকে বলব, আপনারা নিজেদের রাজনীতি করবেন, মতবাদ প্রচার করবেন, কিন্তু কখনো সংঘাতে জড়াবেন না। অতীতে আমরা দেখেছি, ঠাকুরগাঁওয়ে আমাদের গণতন্ত্রকামী মানুষদের ওপর কী অকথ্য নির্যাতন হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, শত শত-হাজার হাজার মিথ্যা মামলায় আমাদের শ্রমিক-কৃষকদের অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা সেই সময়টা পার হয়ে এসেছি।</p><p>তিনি আরও বলেন, প্রিয় ঠাকুরগাঁওবাসী, আমি সেসব কথা বলে আপনাদের ভারাক্রান্ত করতে চাই না। আমরা অনেক ত্যাগ ও রক্তপাতের বিনিময়ে আজ এখানে এসেছি। কিছুক্ষণ আগে দেখলেন, কয়েকজন মহিলা এসে সহযোগিতা নিয়ে গেলেন, তাদের সকলেরই সন্তান এই সংগ্রামে নিহত হয়েছে। এ রকম মৃত্যু, এই রক্তপাত আমরা আর দেখতে চাই না। আমরা যে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছি, সেই গণতন্ত্রকে আমরা রক্ষা করতে চাই। আমরা বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থেই একটা সমঝোতার রাজনীতি দেখতে চাই। আমরা দেখতে চাই না যেখানে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানের মধ্যে কোনো বিভেদ সৃষ্টি হয়। আমরা দেখতে চাই সবাই একসঙ্গে একজন বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে নিজেদের অধিকার নিয়ে বসবাস করুক।</p><p>মঞ্চে উপস্থিত অন্য দুই রাজনৈতিক নেতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে আজ দুলু সাহেব আছেন, তার জেলা লালমনিরহাট, তিনি সেখানে চমৎকার একটা পরিবেশ তৈরি করেছেন। আমাদের পাশের জেলার মন্ত্রী ফরহাদ আজাদ সাহেবও আছেন, তিনিও পঞ্চগড়কে একটি আলোকিত জেলা হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। আমার অনুরোধ থাকবে, কোনো হানাহানি নয়, আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়েই আমরা রাজনীতি করব। গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সহিষ্ণুতা।</p><p>মন্ত্রী থাকাকালে নেওয়া উদ্যোগের কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি যখন মন্ত্রী ছিলাম, তখন এই এলাকায় মাদরাসা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭২ কোটি টাকার সহযোগিতা করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে একটি স্পোর্টস ভিলেজ তৈরি হবে, উপজেলা-ইউনিয়ন পর্যায়ে নতুন খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে, জেলায় আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয়, সমবায় প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং পীরগঞ্জে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দরটি ইনশাআল্লাহ আমরা চালু করতে সক্ষম হবো। বরেন্দ্র মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে আমরা এখানে কৃষির উন্নতি করতে সক্ষম হয়েছি। গোবিন্দপুরের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক নতুন করে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করছে।</p><p>প্রবাসে কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই পত্রিকায় দেখেছেন, মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ১০ হাজার লোক নেওয়া হবে, তার মধ্যে ঠাকুরগাঁও থেকে লোকজন একেবারে বিনা খরচে যেতে পারবে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফ সাহেবের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, তিনি আমাদের ঠাকুরগাঁও থেকেই এটা শুরু করবেন। তবে আমার একটা অনুরোধ, নিজের পায়ে নিজে না দাঁড়ালে কেউ দাঁড়াতে পারে না। শুধু চাকরি আর ঠিকাদারির পেছনে দৌড়াবেন না, নিজেরা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার চেষ্টা করুন।</p><p>তরুণ সমাজের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও, মাদককে বর্জন করো। লালমনিরহাটের মতো আমাদের ঠাকুরগাঁওকেও একটি মাদকমুক্ত এলাকা ঘোষণা করার জন্য কাজ শুরু করো। আমি জেলা প্রশাসককে বলেছি, অন্য সংসদ সদস্যদেরও বলব এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে। ব্যবসায়ীদের কাছে অনুরোধ, আপনারা একতাবদ্ধ হয়ে আরও বেশি বিনিয়োগ কীভাবে করা যায়, সেই চেষ্টা শুরু করুন। আমি যেখানেই থাকি, আপনাদের সর্বতোভাবে সহযোগিতা করার চেষ্টা অবশ্যই করবো।</p><p>জনগণের সঙ্গে দূরত্ব তৈরির শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কিছুক্ষণ আগে দুলু সাহেবের সঙ্গে কথা হচ্ছিল, তিনি বললেন প্রথমে দুঃখ পেয়েছিলেন, পরে খুশি হয়েছেন। আমি তাকে বলেছি, আমাকে তো এমন জায়গায় পাঠিয়ে দিলেন, যেখানে জনগণের সঙ্গে যোগাযোগটা আগের চেয়ে অনেক কমে গেল। তবে আপনাদের এটুকু কথা দিতে পারি, যখনই চাইবেন, জেলা প্রশাসকসহ অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, চিঠি দিয়ে জানাবেন, ইনশাআল্লাহ আমি যথাসাধ্য আপনাদের সবার সঙ্গে দেখা করবো। মনে করবেন না যে আমি আপনাদের কাছ থেকে দূরে চলে গেছি। আমি সব সময় আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আপনাদের সঙ্গেই থাকবো।</p><p>রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল বলেন, আমার জন্ম এখানে, আমার শৈশব কেটেছে এখানে, আমার স্কুলজীবন এখানে। আমার শিক্ষকদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, তারা আমাকে মানুষ করেছেন। আমি রুস্তম আলী স্যার ও খান ইউসুফ স্যারকে ভুলতে পারি না, তারা আমাকে গড়ে তুলেছেন, চলতে শিখিয়েছেন, সততা ও নেতৃত্ব শিখিয়েছেন। এই জিনিসগুলো আমি কখনো ভুলতে পারবো না। আসুন এমন একটা সমাজ গড়ে তুলি, যেখানে আমাদের সকলের মধ্যে ঐক্য থাকবে, ভালোবাসা থাকবে। ৫ আগস্টের পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একটা ছোট্ট বিবৃতি দিয়েছিলেন। তাতে তিনি বলেছিলেন, আমরা অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা ও রক্তপাতের পর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একটা সুযোগ পেয়েছি। আসুন, আমরা সংঘাত নয়, প্রতিশোধ নয়, ভালোবাসার মধ্য দিয়ে এমন একটা সমাজ গড়ে তুলি, যেখানে আমরা সবাই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবো।</p><p>রাষ্ট্রপতি বলেন, আজ আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তা আমি কখনোই শোধ করতে পারবো না। আমি মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া আদায় করি যে, তিনি আমাকে আজ এমন একটা জায়গায় নিয়ে এসেছেন, যেখানে আমি আপনাদের জন্য কাজ করতে পারবো। আল্লাহ তায়ালা যেন আমাকে সেই তাওফিক দেন, যাতে জীবনের বিনিময়ে হলেও আমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, অধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য কাজ করে যেতে পারি।</p><p>পরিশেষে ঠাকুরগাঁওবাসীর শান্তি, সুখ, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে তিনি বলেন, ‘মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি তোমাদেরই লোক।’</p><p>নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. আবু মো. খয়রুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, জাতীয় সংসদের হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুর রহমান, রাষ্ট্রপতির বাল্যবন্ধু প্রফেসর মনতোষ কুমার দে, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান প্রমুখ।</p><p>অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইএসডিও'র প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ-জামান।</p><p>রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর এটাই মির্জা ফখরুলের প্রথম নিজ জেলা সফর। দুই দিনের সরকারি সফরে রোববার দুপুরে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে পৌঁছান তিনি। যেখানে তাকে স্বাগত জানান ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল হকসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সফরের দ্বিতীয় দিন ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3b85-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 20:29:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পটুয়াখালীতে একদিনের ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70602/e888-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>পটুয়াখালী প্রতিনিধি: </strong>ছেলের মৃত্যুর শোক সামলে ওঠার আগেই মারা গেলেন মা। মাত্র একদিনের ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যুতে পটুয়াখালী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গার্লস স্কুল রোড এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুরের দিকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আলম আরা খান। তিনি প্রয়াত অ্যাডভোকেট আশরাফ আলী খানের স্ত্রী এবং প্রয়াত মুশফিকুর রহমান খান মামুনের মা।</p><p>পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোররাতে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান আলম আরা খানের ছেলে মুশফিকুর রহমান খান মামুন। ছেলের আকস্মিক মৃত্যুর পর থেকেই শোকে ভেঙে পড়েন তিনি। এর মধ্যেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে রোববার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়। ফলে মাত্র একদিনের ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোক।</p><p>আলম আরা খান ছিলেন গার্লস স্কুল রোড এলাকার বাসিন্দা প্রয়াত চিকিৎসক মোয়াজ্জেম হোসেন খানের চতুর্থ কন্যা। তার ও ছেলে মুশফিকুর রহমান খান মামুনের মৃত্যুতে আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e888-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 19:57:03 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[স্বাস্থ্য খাতে ১ লাখ কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ, শুরু হচ্ছে প্রথম ধাপের প্রক্রিয়া]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/health/70601/1518-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দেশের স্বাস্থ্য খাতের শূন্য পদগুলো পূরণের লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডে জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সরকার ঘোষিত ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরে মোট অনুমোদিত পদের সংখ্যা ২ লাখ ৩৪ হাজার ২৪। এর মধ্যে ৭৩ হাজার ৪৫ টি পদ খালি আছে। যা মোট পদের ৩১ দশমিক ২১ শতাংশ। গত ২০ আগস্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এক পত্রে দেশের সব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জনবল নিয়োগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।</p><p>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন স্বাস্থ্য খাতে জনবল সংকট কাটাতে আগামী তিন মাসের মধ্যে ৭ হাজার ৫০০ জন চিকিৎসক এবং ৫ হাজার নার্স নিয়োগ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এর মধ্যে ৪৮তম বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত ১৮৪ জন চিকিৎসক আগামী ৭ সেপ্টেম্বর যোগদান করবেন। চিকিৎসকদের মধ্যে সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ১৯ জন এবং সহকারী সার্জন পদে ১৬৫ জন রয়েছেন।</p><p>স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের লক্ষ্যে গত ৩০ জুন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রশাসন-৩ (মনিটরিং ও সমন্বয়) শাখা থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত জনবল এবং শূন্য পদের হালনাগাদ তথ্য চেয়ে নির্দেশনা জারি করা হয়।</p><p>নির্দেশনায় বলা হয়, নির্বাচন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর, সংস্থা ও বিভাগে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শূন্য পদের পদভিত্তিক তালিকা জরুরি ভিত্তিতে প্রেরণ করতে হবে।</p><p>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের গত ১৪ জুলাইয়ের মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে চিঠিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব প্রতিষ্ঠানের জনবলের ঘাটতি পূরণের জন্য ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>এছাড়া চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যেসব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও আবেদন গ্রহণ করা হলেও নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করা যায়নি, সেসব প্রতিষ্ঠানে নতুন শূন্য পদের ছাড়পত্র নিয়ে আবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কথা বলা হয়েছে। আগের আবেদনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে হবে। এছাড়াও নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা বা প্রশাসনিক জটিলতা থাকলে সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><p>এর আগে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ৩৪ হাজার ৭১৪টি শূন্য পদ দ্রুত পূরণ করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। চিঠিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএসের মানবসম্পদ তথ্যব্যবস্থা (এইচআরআইএস) অনুযায়ী, ১১ থেকে ১৬তম গ্রেডে ২০ হাজার ৮১৬টি এবং ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডে ১৩ হাজার ৩৮৯টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। সব মিলিয়ে শূন্য পদের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৭১৪।</p><p>এদিকে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীন ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের মোট ১ হাজার ৮৫৫টি পদে জনবল নিয়োগের জন্য আগে দেওয়া ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়িয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব পদে নিয়োগের ছাড়পত্র ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।</p><p>ছাড়পত্রের আওতায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সদর দপ্তর পর্যায়ে ১৭ ক্যাটাগরির ১ হাজার ৬৬৭টি এবং জেলা পর্যায়ে ৪ ক্যাটাগরির ১৮৮টি পদ রয়েছে। সবমিলিয়ে নিয়োগের জন্য ছাড়পত্র পাওয়া পদের সংখ্যা ১ হাজার ৮৫৫টি।</p><p>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পর্যায়ক্রমে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে বিদ্যমান শূন্য পদে জনবল নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p>জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে দেশের স্বাস্থ্য খাতের শূন্য পদগুলো পূরণের লক্ষ্যে গৃহীত কার্যক্রম অনেক দূর এগিয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিকভাবে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। ধাপে ধাপে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। আশা করছি খুব দ্রুতই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে পারব।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1518-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 19:44:29 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৪ জনের মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/health/70600/d002-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় গত একদিনে ডেঙ্গু নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৫৫৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ৬ সেপ্টেম্বর রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু-বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে শুধু ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে ঢাকা বিভাগে ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।</p><p>এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৩৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পাশাপাশি এই সময়ে ঢাকা বিভাগে ৩১৬ জনের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৯৩, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৯, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৪৮, বরিশাল বিভাগে ১৩৭, রাজশাহী বিভাগে ১১২, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৪, রংপুর বিভাগে ৫৬ এবং সিলেট বিভাগে ডেঙ্গু নিয়ে ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।</p><p>সবমিলিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (রোববার) পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ১১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনসহ শুধু ঢাকা বিভাগেই ডেঙ্গুতে ৬২ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া উল্লেখিত সময়ে খুলনা বিভাগে ১৯ জন ছাড়াও ময়মনসিংহ বিভাগে ১২, বরিশাল বিভাগে ১০, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ৪ জন এবং রংপুর ও সিলেট বিভাগে ডেঙ্গুতে একজন করে মোট ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d002-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 19:32:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ক্ষেতলালে অবৈধভাবে সার মজুদ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70599/5cb7-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জয়পুরহাট প্রতিনিধি: </strong>জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় অবৈধভাবে সার মজুদ রাখার দায়ে এক সার ব্যবসায়ীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় অবৈধভাবে মজুদ রাখা ৫৭ বস্তা সার জব্দ করে কৃষকদের মাঝে সরকারের নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুরের দিকে উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের পাঠানপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।</p><p>অভিযানে পাঠানপাড়া বাজার এলাকার মো. আবু হাসানের কীটনাশক দোকানের অপর পাশে চটের বস্তা দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় ৫৭ বস্তা সার পাওয়া যায়। অবৈধভাবে সার মজুদ রাখার অপরাধে তাকে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ৮(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।</p><p>এ সময় অবৈধভাবে মজুদ রাখা ৪৯ বস্তা টিএসপি, ৫ বস্তা এমওপি এবং ৩ বস্তা ইউরিয়া সারসহ মোট ৫৭ বস্তা সার জব্দ করা হয়। পরে জব্দ সার কৃষকদের মাঝে সরকারের নির্ধারিত মূল্যে মোট ৭৫ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও পুলিশ বিভাগের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।</p><p>ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির মুন্সী জানান, আদায় জরিমানার অর্থ এবং জব্দ সার বিক্রির অর্থ পরবর্তী কার্যদিবসের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।</p><p>তিনি আরও জানান, কৃষকের স্বার্থ রক্ষা এবং সারসহ কৃষি উপকরণের কৃত্রিম সংকট ও অবৈধ মজুদ প্রতিরোধে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5cb7-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 19:30:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মেহেরপুরে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দুইটি টাইম বোমাসদৃশ বস্তু বিস্ফোরণ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70598/e249-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> মেহেরপুরের গাংনীতে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পরপর দুইটি টাইম বোমাসদৃশ বস্তু বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ প্রস্তুতিকালে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরিত বস্তুর আলামত দেখে এটিকে টাইম বোমা বলে ধারণা করছেন অনেকে।</p><p>জানা গেছে, মেহেরপুরের গাংনীর বিএনপি কার্যালয়ের পাশে নেতাকর্মীরা সমাবেশের জন্য জড়ো হচ্ছিলেন। এমন সময় বিকট শব্দে দুটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন আশপাশের লোকজন। বিস্ফোরণের পর সাদা ধোঁয়া দেখা গেছে বলে দাবি করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।</p><p>পরে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে ইলেকট্রিক সার্কিটসহ বিস্ফোরিত বস্তুর অন্যান্য আলামত দেখতে পান।</p><p>খবর পেয়ে গাংনী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বিস্ফোরিত বস্তুর আলামত জব্দ করে পুলিশ।</p><p>বিস্ফোরণের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সড়কের পাশে কয়েকটি দেবদারু গাছ ছিল। একই সময়ে গাছের উপরে একটি এবং মাটিতে আরেকটি বিস্ফোরণ হয়।</p><p>গাংনী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল অভিযোগ করে বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ বানচাল করতেই দুর্বৃত্তরা এই বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।</p><p>এদিকে, বিকেল ৪টার দিকে বাঁশবাড়িয়া বাজারের পাশে প্রধান সড়কের ওপর শোভাযাত্রার জন্য জড়ো হয়েছিলেন নেতাকর্মীরা। এর পার্শ্ববর্তী আনসার-ভিডিপি ক্লাবের কাছ থেকে অবিস্ফোরিত আরেকটি টাইম বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিস্ফোরিত বোমাসদৃশ বস্তুর সঙ্গে এর মিল রয়েছে। দুইটি ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা বলে ধারণা করছে পুলিশ।</p><p>গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিস মোরশেদ চৌধুরী জানান, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে পুলিশ। সূত্র: আরটিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e249-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 19:21:27 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে: ইসি আনোয়ারুল]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70597/4624-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকারের ভোটগ্রহণ শুরু হবে এবং চলতি মাসেই এ নির্বাচনের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।</p><p>আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘আমরা আশা করছি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে। ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন একটা পর্যায়ে গেলে আমরা সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা অন্যান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো করব।’</p><p>ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের তফসিল কবে হবে- সে বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এই মাসের মধ্যেই আপনারা অনেক কিছু দেখবেন এবং অনেক কিছুই আমরা সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারব। আমাদের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ খুব দ্রুত গতিতে চলছে।’</p><p>এ নির্বাচনের তফসিল এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p><p>নির্বাচন কমিশনার বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বার্ষিক, বৃত্তি ও টেস্ট পরীক্ষাসহ নানা ব্যস্ততা থাকে। ভোটকেন্দ্র হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহৃত হয় এবং শিক্ষকরাই প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন। তাই পরীক্ষার সময়গুলো বাদ দিয়ে, আগে বা পরে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণের বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। তবে আইনি বাধ্যবাধকতা থাকা নির্বাচনগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</p><p>তিনি বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা এবার আরও সাহসী পদক্ষেপ নিচ্ছি। সব ভোটকেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মুভমেন্ট দ্রুত করতে ড্রোন ব্যবহারের পাশাপাশি বডি-ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো হবে। এছাড়া অপতথ্যের ঝুঁকি মোকাবিলাতেও আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।</p><p>আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো এবারও আচরণবিধিতে কিছু কড়াকড়ি থাকছে। ভিআইপিরা যেন সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে না পারেন, সেটির বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া পচনশীল নয় এমন দ্রব্য বা পোস্টারের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যেই এ সংক্রান্ত সংশোধিত আচরণবিধির প্রজ্ঞাপন জারি হবে।</p><p>এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নিলে সহকর্মীরা তার পক্ষে কাজ করেন, যা ভোটকেন্দ্রে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দেয়। শিক্ষাঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখতে এবং শিক্ষকদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে তারা যেন নির্বাচনে অংশ না নেন, এমন একটি পর্যবেক্ষণ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে ইসি।</p><p>ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচন প্রসঙ্গে ইসি আনোয়ারুল বলেন, আইন অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচন ৯০ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে এবং এ জন্য কমিশন প্রস্তুত। শিগগিরই এর তফসিল ঘোষণা করা হবে। ইউপি নির্বাচন একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে যাওয়ার পর সিটি কর্পোরেশন ও অন্যান্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4624-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 19:19:48 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রাঙামাটিতে ৬১ হারানো মোবাইল উদ্ধার করে মালিকের হাতে তুলে দিল পুলিশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70596/79b4-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>রাঙামাটি প্রতিনিধি:</strong> হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশের কার্যক্রমে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ। জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬১টি হারানো মোবাইল ফোন। পরে উদ্ধার হওয়া এসব মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলো প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম।</p><p>জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের বিষয়ে পাওয়া তথ্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অনুসন্ধান চালায় জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল। প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যায়ক্রমে ৬১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।</p><p>উদ্ধার করা মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে ফেরত দেওয়ার মধ্য দিয়ে শুধু পুলিশের প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতাই নয়, সাধারণ মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধারে পুলিশের আন্তরিকতা ও জনসেবামূলক কার্যক্রমও ফুটে উঠেছে।</p><p>অনুষ্ঠানে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন ভুক্তভোগীরা। তারা পুলিশ সুপারসহ রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।</p><p>পুলিশের এমন উদ্যোগকে জনবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হারানো মোবাইল উদ্ধার করা পুলিশের সাইবার অপরাধ মোকাবিলা ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান সক্ষমতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বলে মনে করা হচ্ছে।</p><p>অনুষ্ঠানে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ইকবাল হোছাইন, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. তারেক সেকান্দার, কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দীন, সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের ইনচার্জ এইচ.এম. মাহমুদসহ সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের মাধ্যমে নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">79b4-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 19:04:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চালু হচ্ছে ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/70595/1dba-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> গ্রাহকের ধর্মীয় ও আর্থিক প্রয়োজন অনুযায়ী প্রচলিত ও শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং সেবা বেছে নেওয়ার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক ইসলামী অর্থব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে আরও সম্পৃক্ত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকে ডুয়াল ব্যাংকিং সিস্টেম চালু করা হচ্ছে।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে ঢাকা-৪ আসনের বিরোধী দলের জামায়াতে (ইসলামী) সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।</p><p>অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে গ্রাহকদের ধর্মীয় ও আর্থিক প্রয়োজন অনুযায়ী প্রচলিত এবং শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং সেবা বেছে নেওয়ার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ইসলামী অর্থব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে অধিকতর সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>তিনি জানান, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকগুলোকে মোট ১ হাজার ৬৯৯টি শাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে ১ হাজার ৭৪টি এবং গ্রামাঞ্চলে ৬২৫টি শাখা রয়েছে।</p><p>এসব শাখার মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৪০০টি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ২২৬টি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১৪১টি, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১৩৮টি এবং সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৭৬১টি শাখা রয়েছে।</p><p>সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৭৬১টি শাখার মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ২০৬টি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১৮১টি, এক্সিম ব্যাংক পিএলসির ১৫৫টি, ইউনিয়ন ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১১৪টি এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১০৫টি শাখা রয়েছে। এছাড়া আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের ৩৩টি শাখাও এর আওতায় রয়েছে।</p><p>অর্থমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে ৩৫টি প্রচলিত (কনভেনশনাল) ব্যাংকে মোট ৭৫টি ইসলামী ব্যাংকিং শাখা এবং ১ হাজার ১০২টি ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডোর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া আরও দুটি কনভেনশনাল ব্যাংককে ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থার পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1dba-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 18:51:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জামালপুর সীমান্তে ভারতীয় মদ উদ্ধার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70594/31e3-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি: </strong>জামালপুর সীমান্তে মাদক বিরোধী অভিযানে ৩৬ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার ৩৫ বিজিবি।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার ভোরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী মধ্যেরচর এলাকা থেকে মদ উদ্ধার করা হয়।</p><p>জানা গেছে, ভোরে জামালপুর ৩৫ বিজিবির নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পাথরের চর বিওপির বিজিবির সদস্যরা ১০৭৭ সীমান্তের কাছে মধ্যেরচর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।&nbsp;</p><p>অভিযানকালে ৩৬ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করে বিজিবি। এসময় কাউকে আটক করতে পারেন নি বিজিবি।</p><p>জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, সীমান্তে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি চোরাচালান ও মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক উদ্ধারের ঘটনায় দেওয়ানগঞ্জ থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">31e3-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 18:31:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এনবিআরের ২০ কর্মকর্তার দণ্ড বাতিল]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/70593/c7db-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রশাসনিক সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শাস্তি পাওয়া ২০ কর্মকর্তার দণ্ডাদেশ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভাগীয় মামলার সুনির্দিষ্ট দায় থেকেও তাদের পূর্ণ অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার রাষ্ট্রপতির কাছে করা আপিলের পর্যালোচনা শেষে এনবিআর চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপনে দণ্ডাদেশ বাতিল ও অব্যাহতির এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।</p><p>দণ্ড মওকুফ প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (উপ-কমিশনার) মো. শাহাদাত জামিল, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের রাজস্ব কর্মকর্তা শফিউল বশর, ঢাকা উত্তর কমিশনারেটের রাজস্ব কর্মকর্তা সবুজ মিয়া এবং খুলনার কাস্টমস মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেটের উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।</p><p>এ ছাড়া কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট (চট্টগ্রাম)-এর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) মো. জাকির হোসেন, একই কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার মো. সানোয়ারুল কবির, গাজীপুরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডু, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার আ.আ.ম. আমীমুল ইহসান খান এবং ঢাকা পশ্চিমের অতিরিক্ত কমিশনার সিফাত-ই-মরিয়মের ওপর আরোপিত লঘুদণ্ড বাতিল ও মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।</p><p>তালিকায় আরও রয়েছেন নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (মূল্য সংযোজন কর, ঢাকা)-এর অতিরিক্ত কমিশনার হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদার।</p><p>একই আদেশে শাস্তি থেকে মওকুফ পেয়েছেন কর ক্যাডারের একাধিক কর্মকর্তা। তারা হলেন—কর অঞ্চল-ময়মনসিংহের যুগ্ম কর কমিশনার মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা, কর অঞ্চল-যশোরের যুগ্ম কর কমিশনার মো. মামুন মিয়া, কর অঞ্চল-গাজীপুরের অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী, কর অঞ্চল-২২ (ঢাকা)-এর অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) সুলতানা হাবীব, কর অঞ্চল-যশোরের অতিরিক্ত কর কমিশনার মুরাদ আহমেদ, যুগ্ম কর কমিশনার মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দিন খান এবং ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট ইউনিট (ঢাকা)-এর যুগ্ম কর কমিশনার মাসুমা খাতুন।</p><p>এর পাশাপাশি খুলনার উপ-কর কমিশনার মো. জিল্লুর রহমান, কর অঞ্চল-২১ (ঢাকা)-এর উপ-কর কমিশনার ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল এবং কর অঞ্চল-দিনাজপুরের অতিরিক্ত কর কমিশনার মির্জা আশিক রানার ওপর অর্পিত লঘুদণ্ড সম্পূর্ণ বাতিল এবং বিভাগীয় মামলার চার্জ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।</p><p>উল্লেখ্য, এনবিআরের সংস্কার ও তৎকালীন বিভিন্ন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ২০২৫ সালে একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কর্মবিরতি বা আন্দোলনে অংশগ্রহণ ও সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু এবং বেতন স্কেল ২ থেকে ৩ ধাপ অবনমনসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে আপিল আবেদন করলে রাষ্ট্রপতি তা মঞ্জুর করেন। এর আলোকেই প্রজ্ঞাপন জারি করে তাদের শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c7db-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 18:29:29 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিনা সুদে কৃষিঋণ বিতরণের আপাতত পরিকল্পনা নেই: অর্থমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70592/a1ca-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, কৃষকদের বিনা সুদে কৃষিঋণ বিতরণের আপাতত কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। ৬ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।</p><p>অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষকদের সুদবিহীন কোনো ঋণ বিতরণের পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই। তবে সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে কৃষকদের মাঝে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ করা হচ্ছে।</p><p>আমির খসরু বলেন, ব্যাংক আমানতদারীদের কাছ থেকে সংগৃহীত আমানত গ্রাহকদের মধ্যে ঋণ হিসেবে বিতরণ করে থাকে। সংগৃহীত আমানতের ওপর ব্যাংক কর্তৃক আমানতদারীদের সুদ প্রদান করতে হয় বিধায় প্রচলিত নিয়মে ব্যাংকের পক্ষে গ্রাহকদের সুদহীন ঋণ বিতরণ করা সম্ভব হয় না।</p><p>পরে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান ও পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আছগারের একটি করে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিনা জামানতে ১ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ বিতরণের কোনো পরিকল্পনাও আপাতত নেই। তবে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। এখনো কৃষকদের সহজে ঋণ দিতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের চেষ্টা চলছে বলেও জাসাস তিনি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a1ca-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 18:20:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সিলেটে বিজিবির অভিযান বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য জব্দ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70591/a409-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>সিলেট প্রতিনিধি: </strong>সিলেট সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে এক কোটি ৮৬ লাখ টাকারও বেশি মূল্যের বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ৪৮ বিজিবি।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট ব্যাটালিয়নের ৪৮ বিজিবি দায়িত্বাধীন বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবির টহল দল এসব অভিযান পরিচালনা করে।</p><p>বিজিবি জানায়, ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বাংলাবাজার, তামাবিল, সংগ্রাম, প্রতাপপুর, সোনারহাট এবং কালাইরাগ বিওপির জওয়ানরা সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় একযোগে এ চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালান।</p><p>অভিযানে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা বিপুল পরিমাণ গরু, শাড়ি, জিরা, কসমেটিকস, বিড়ি, চকলেট, কম্বল, চা-পাতা, ফুচকা, চিনি ও সবজি জব্দ করা হয়। একই সাথে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ টি-শার্ট, সোয়েটার এবং জিন্স প্যান্ট জব্দ করা হয়। জব্দ এসব চোরাচালানি পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৮৬ লাখ ১৮ হাজার ২৩০ টাকা।</p><p>এ বিষয়ে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক জানান, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান বন্ধ এবং মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম পূর্ণ শক্তিতে অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এই বৃহৎ চালান জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a409-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 18:05:27 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পিএসসির নতুন চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহণ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70590/fee0-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া শপথ গ্রহণ করেছেন। ৬ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে পিএসসির নতুন চেয়ারম্যানকে শপথ পড়ান প্রধান বিচারপতি ড. জুবায়ের রহমান চৌধুরী।</p><p>শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।</p><p>অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি, জনপ্রশাসন সচিব, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য, আমন্ত্রিত অতিথি এবং সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রির কর্মকর্তারা।</p><p>সূত্র: যুগান্তর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">fee0-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 18:04:18 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[৩ ক্যাটাগরিতে ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬ পেল ওয়ালটন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/business/70589/b3ca-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>শিল্পখাতে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ এবং পরিবেশবান্ধব টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩টি ক্যাটাগরিতে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করেছে দেশের সুপারব্র্যান্ড ও টেক জায়ান্ট ওয়ালটন।</p><p>জাতিসংঘ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক (জিসিএনবি) এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ইএসজি অ্যাওয়ার্ডসে ‘এক্সিলেন্স ইন অক্যুপেশনাল হেলথ অ্যান্ড সেফটি ইম্প্রুভমেন্ট’, ‘এক্সিলেন্স ইন চ্যাম্পিয়নিং ক্লাইমেট এ্যাকশন’ এবং ‘এক্সিলেন্স ইন সাসটেইনেবল প্রোডাক্ট ইনোভেশন’ ক্যাটাগরিতে ওয়ালটনকে পুরস্কৃত করা হয়।<br>&nbsp;<br>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার রাতে রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজকে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ এর সম্মাননা প্রদান করা হয়।</p><p>অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর কাছ থেকে ইএসজি অ্যাওয়ার্ডসের সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী।</p><p>এসময় ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদসহ অন্যান্য ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ডেনমার্ক, সুইডেনসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জিসিএনবি এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b3ca-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 17:47:47 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70588/1c9c-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত শ্রী ঘনশ্যাম ভান্ডারী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ের অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও সুদীর্ঘ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।&nbsp;<br>উভয় পক্ষ পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বন ও প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে মতবিনিময় করেন।</p><p>মন্ত্রী নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণহানিতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বলেন, এ শোকাবহ সময়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ নেপালের সরকার ও জনগণের পাশে রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী মানবিক সহায়তা ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ প্রস্তুত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p><p>পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপাল জলবায়ু পরিবর্তনের ভিন্ন ধরনের ঝুঁকির সম্মুখীন হলেও দুই দেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থা পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। হিমালয় অঞ্চলের বরফ ও হিমবাহের পরিবর্তন, নদী অববাহিকার পরিবেশগত ভারসাম্য, অতিবৃষ্টি, বন্যা ও অন্যান্য জলবায়ুজনিত দুর্যোগ দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক পরিবেশ এবং মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর প্রভাব ফেলে। আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনকে সামনে রেখে এসব অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।</p><p>রাষ্ট্রদূত শ্রী ঘনশ্যাম ভান্ডারী বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন উদ্যোগে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।</p><p>রাষ্ট্রদূত নেপালের দুর্ঘটনার পর দেশটির জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, সংকটের সময়ে বাংলাদেশের এই সহমর্মিতা দুই দেশের জনগণের গভীর বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন; নেপালের সরকার ও জনগণ এ সহযোগিতা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।</p><p>বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু সহযোগিতার পাশাপাশি বাণিজ্য, যোগাযোগ, পর্যটন, শিক্ষা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ ও নেপালের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়। দুই পক্ষ মনে করেন, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব শক্তিশালী হলে তা উভয় দেশের জনগণের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। ভবিষ্যতে পরিচ্ছন্ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ দক্ষিণ এশিয়ায় সবুজ ও টেকসই উন্নয়ন অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে উভয় পক্ষ মত প্রকাশ করেন।</p><p>এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1c9c-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 17:37:47 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর প্রাণহানি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/health/70587/9f5e-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে আরও এক হাজার ৯৮ শিশু। ৬ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>এতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।</p><p>এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৯৪ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০০ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৯৪ শিশু মারা গেছে।</p><p>এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৫৫ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪৩। এই সময়ে ৯৫৪ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৫১ শিশু।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ (রোববার) পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৪ হাজার ১৪৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৯৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ১৬৮ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৭২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।</p><p>সূত্র: ইউএনবি&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9f5e-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 17:32:08 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উপলক্ষে শিক্ষকদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/education/70586/5e20-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের উপযুক্ত সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উপলক্ষে ১০০ জন শিক্ষককে ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার ও সম্মাননা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উদযাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম সভা শুরুর আগে সাংবাদিকদের তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।</p><p>শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন ও অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি আমাদের শিক্ষক সমাজ। যারা মাঠে চমৎকার কাজ করছেন, তাদের কাজের সঠিক স্বীকৃতি দেওয়া, পুরস্কৃত করা এবং উৎসাহিত করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে আমরা দেশের শিক্ষকদের এই অবদানকে স্মরণ ও সম্মানিত করতে চাই।’</p><p>তিনি জানান, এজন্য সেরা শিক্ষক নির্বাচনে একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। আগে মাত্র ১২ জন শিক্ষককে ২ লাখ টাকা করে মোট ২৪ লাখ টাকা দেওয়া হতো। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করা। এরই আলোকে সরকার এই পরিধি বাড়িয়ে সারা দেশের দক্ষ ও গুণী শিক্ষকদের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাছাই করা ১০০ জন শিক্ষককে ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার ও সম্মাননা দেওয়া হবে।</p><p>শিক্ষকদের আচরণবিধি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা নিজেদের শিক্ষিত আচরণ দিয়েই সমাজকে আলোকিত করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অযাচিত কর্মকাণ্ড রোধ ও শিক্ষাব্যবস্থার ভাবমূর্তি রক্ষায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও নির্দেশিকা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।</p><p>অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বকেয়া পাওনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০১৬ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত শিক্ষকদের নিজেদের কন্ট্রিবিউশনের বকেয়া অংশ ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রদেয় বাকি অনুদানের অর্থও ক্রমান্বয়ে পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।</p><p>সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক জানান, নতুন পে স্কেলে বেসরকারি শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে কাজ চলছে। সরকারি কর্মচারীরা যে হারে সুবিধা পাবেন, শিক্ষকরাও সেই অনুপাতেই সুবিধা পাবেন।</p><p>সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সদস্যরা।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5e20-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 17:11:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এবার পাকিস্তানকে ৫ গোলে হারাল বাংলাদেশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/70585/a3c5-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>আবারও দাপুটে হকির পসরা মেললেন কনা-নাদিরারা। পাকিস্তানের জালে একের পর এক গোল করে উইমেন’স জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিল বাংলাদেশ।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার হুলুনবুইর সিটিতে পাকিস্তানকে ৫-১ ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।</p><p>প্রথম ম্যাচে চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে চ্যালেঞ্জার পুলের খেলা শুরু করে তারা।</p><p>বাংলাদেশের গোল উৎসবের শুরু নবম মিনিটে। ফিল্ড গোলে দলকে এগিয়ে নেন লনিমা নুপুর। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে নাদিরা এমার লক্ষ্যভেদে ব্যবধান হয় দ্বিগুণ।</p><p>তৃতীয় কোয়ার্টারের শুরুতে রিমন সারিকা পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে ব্যবধান আরও বাড়ান। তিন গোল হজমের পর একটি শোধ করে পাকিস্তান।</p><p>তৃতীয় কোয়ার্টারের শেষ দিকে কনা আক্তার ও চতুর্থ কোয়ার্টারের শেষ দিকে আইরিন রিয়া জাল খুঁজে নিলে বড় জয় নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের।</p><p>এ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে মঙ্গলবার কাজাখস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a3c5-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 16:58:45 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এবার পাকিস্তানকে ৫ গোলে হারাল বাংলাদেশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Hockey/70585/a3c5-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>আবারও দাপুটে হকির পসরা মেললেন কনা-নাদিরারা। পাকিস্তানের জালে একের পর এক গোল করে উইমেন’স জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিল বাংলাদেশ।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার হুলুনবুইর সিটিতে পাকিস্তানকে ৫-১ ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।</p><p>প্রথম ম্যাচে চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে চ্যালেঞ্জার পুলের খেলা শুরু করে তারা।</p><p>বাংলাদেশের গোল উৎসবের শুরু নবম মিনিটে। ফিল্ড গোলে দলকে এগিয়ে নেন লনিমা নুপুর। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে নাদিরা এমার লক্ষ্যভেদে ব্যবধান হয় দ্বিগুণ।</p><p>তৃতীয় কোয়ার্টারের শুরুতে রিমন সারিকা পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে ব্যবধান আরও বাড়ান। তিন গোল হজমের পর একটি শোধ করে পাকিস্তান।</p><p>তৃতীয় কোয়ার্টারের শেষ দিকে কনা আক্তার ও চতুর্থ কোয়ার্টারের শেষ দিকে আইরিন রিয়া জাল খুঁজে নিলে বড় জয় নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের।</p><p>এ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে মঙ্গলবার কাজাখস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a3c5-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 16:58:45 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[২ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/70584/b252-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> পুলিশের কাজে বাধা ও ভাঙচুরের অভিযোগে করা পৃথক ২ মামলায় বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে (চন্দন কুমার ধর) জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার এ সংক্রান্ত রুলের শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন। আদালতে চিন্ময়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য। জামিনের বিষয়টি গণমাধ্যমকে আইনজীবী নিজেই নিশ্চিত করেন।</p><p>এর আগে, পুলিশের কাজে বাধা ও ভাঙচুরের দুই মামলায় চিন্ময়কে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানায় তার বিরুদ্ধে এই দুই মামলা করা হয়। ওই মামলায় বিচারিক আদালতে জামিন আবেদন নামঞ্জুর হলে হাইকোর্টে আবেদন করেন। ওই আবেদন শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এই আদেশ দেন।</p><p>উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর নগরের চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ওই মামলা করেন। এ মামলায় একই বছরের ২৫ নভেম্বর চিন্ময় কৃষ্ণসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>এদিকে, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময়ের জামিন নামঞ্জুর হলে তার অনুসারীদের হট্টগোলের প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে সংঘর্ষ হয়। এ সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনায় পরে আলিফের বাবা হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায়ও আসামি চিন্ময়। তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে।</p><p>সূত্র: চ্যানেল ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b252-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 16:44:23 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সালমান শাহকে হারানোর ৩ দশক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/70583/f997-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক:</strong> আজ থেকে ঠিক ৩০ বছর আগে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, দিনটি ছিল শুক্রবার। ঢাকাই চলচ্চিত্র অঙ্গনে সবচেয়ে বড় শূন্যতা তৈরি করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান সালমান শাহ। সময়ের হিসেবে আজ ঢালিউডের এই অমর নায়ককে হারানোর তিন দশক পূর্ণ হলো। মাত্র ২৪ বছর বয়সে নিভে গিয়েছিল তার জীবনপ্রদীপ, কিন্তু আজও দেশের কোটি কোটি দর্শকের হৃদয়ে তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী এক রাজপুত্র হয়েই আছেন।</p><p>সালমান শাহর পারিবারিক নাম শাহরিয়ার চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন। ১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরীর বড় সন্তান ছিলেন সালমান। ছোটবেলা থেকেই গান, মডেলিং ও অভিনয়ের প্রতি ঝোঁক ছিল তার। শিশুদের বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানেও নিয়মিত মুখ ছিলেন তিনি।</p><p>চলচ্চিত্রে সালমান শাহর আগমনটা হয়েছিল একপ্রকার হঠাৎ করেই। বিষয়টিকে তিনি শুধু শখ হিসেবেই নিয়েছিলেন। এমনকি চলচ্চিত্রে অভিনয় করার প্রস্তাবে প্রথমে তার পরিবারেরও অমত ছিল। পরবর্তীতে পরিবারের অনুমতি নিয়েই রূপালী পর্দায় পা রাখেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই বলেছিলেন, পেশাদার শিল্পী হিসেবে সিনেমায় অভিনয় করবেন—তা কখনো কল্পনাও করেননি। তবে সেই ‘হঠাৎ’ শুরুটাই বদলে দিয়েছিল তার এই পরিচয়।</p><p>নব্বইয়ের দশকে আত্মপ্রকাশ করা এই নায়ক শুধু ‘হিরোইজম’ দিয়েই দর্শকের মন জয় করেনি, আধুনিক ফ্যাশন আইকন হিসেবে সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিলেন অনেকটাই। মাথায় ব্যান্ডানা, চোখে সানগ্লাস আর সঙ্গে বাইক—এটাই ছিল তার চিরচেনা রূপ। তার স্টাইল ও সজ্জায় যে আধুনিকতার ছাপ ছিল, তা পরবর্তী সময়ে বলিউডেও দেখা গেছে। অনেকেই মনে করেন, সালমান শাহ যেন ছিলেন বিনোদন জগতের এক ‘টাইম ট্রাভেলার’। জাঁকজমকপূর্ণ স্টারডম নয়, বরং তার সাদামাটা স্বভাব ও প্রাণবন্ত হাসি মুহূর্তেই জয় করে নিত কোটি মানুষের মন।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-09-06a_n17886913422792.jpg"><figcaption>তৎকালীন সময়ে আধুনিক ফ্যাশনে সালমান শাহ</figcaption></figure><p>মাত্র চার বছরের স্বল্প সময়ের ক্যারিয়ারে একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন তিনি। তবে তার হঠাৎ চলে যাওয়া ঢালিউডকে অপূরণীয় ক্ষতির মুখে ফেলে দেয়। তিন দশক পেরিয়ে গেলেও সালমান শাহর অকালমৃত্যুকে ঘিরে থাকা রহস্যের জট আজও খোলেনি; এটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—সেই ধোঁয়াশা রয়েই গেছে। তবে রহস্য যা-ই থাক, অগণিত ভক্তের ভালোবাসা আর স্মৃতিতে তিনি আজও বেঁচে আছেন অমলিন হয়ে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f997-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 16:43:24 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নেপালে ধ্বংসস্তূপ, ১১ দিন পর জীবিত উদ্ধার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70582/f7ff-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> নেপালের ভয়াবহ ভূমিধস বন্যার ১১ দিন পর নুয়াকোটের বেত্রাবতী বাজারে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৬৪ বছর বয়সী চন্দ্রিকা শ্রেষ্ঠাকে।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর একটি উদ্ধারকারী দল তাঁকে উদ্ধার করে। খবর কাঠমান্ডু পোস্ট। &nbsp;</p><p>চন্দ্রিকা নুয়াকোটের বিদুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ২৬ আগস্ট ভোতেকোশি নদীর আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় বেত্রাবতীসহ নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা কার্যত ধ্বংস হয়ে যায়। ওই সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে চন্দ্রিকাও নিখোঁজ হন। পরে তাঁকে মৃত বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল।</p><p>উদ্ধারকারী দলের নেতৃত্বে ছিলেন সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর পরিদর্শক সুমন বিক। উদ্ধারকর্মীরা বেত্রাবতী বাজারে আনন্দ শ্রেষ্ঠের বাড়ির ধ্বংসাবশেষে তল্লাশি চালানোর সময় চন্দ্রিকাকে খুঁজে পান। তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে ত্রিশুলির মৈথিলি ব্যারাকে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সেখান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী তাঁকে কাঠমান্ডুতে নেওয়ার কথা রয়েছে।</p><p>চন্দ্রিকার এই উদ্ধারকে নেপালের ভয়াবহ বন্যার মধ্যে বিরল এক আশার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই দিনে ভোতে কোশি বন্যায় আটকে পড়া আরও কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। এর মধ্যে আপার ত্রিশুলি-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি ২২৫ মিটার দীর্ঘ টানেল থেকে ১০ দিন পর এক চীনা নাগরিককেও জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।</p><p>গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তের পার্বত্য এলাকায় আকস্মিক হিমবাহ ও শিলাখণ্ড ধসের পর ভোতে কোশি নদীতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়। বন্যার স্রোত রাশুয়া, নুয়াকোটসহ ত্রিশুলি নদী উপত্যকার বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বহু মানুষ নিখোঁজ হন।</p><p>বন্যার পরও রাশুয়া ও আশপাশের এলাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দুর্গম ভূপ্রকৃতি, ধ্বংস হয়ে যাওয়া সড়ক ও সেতু এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলগুলোতে ধসের কারণে উদ্ধারকারীদের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। নেপালি সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ ও অন্যান্য উদ্ধারকারী দলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহায়তাও কাজে লাগানো হচ্ছে।</p><p>এদিকে নেপালের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও এর পরবর্তী ধ্বংসযজ্ঞে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা এখনও বাড়ছে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ, নদী তীর ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে ১১ দিন পর চন্দ্রিকা শ্রেষ্ঠার জীবিত উদ্ধার স্বজনদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f7ff-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 16:27:07 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70581/9a45-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে জনগণকে সম্পৃক্ত করে দেশজুড়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ৬ সেপ্টেম্বর রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।</p><p>সভায় প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি সংস্থার ওপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেন। বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার এবং মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে না দেওয়ার বিষয়ে মানুষকে আরও সচেতন করার কথাও বলেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও রেড ক্রিসেন্ট কর্মীদের সম্পৃক্ত করার নির্দেশও দেন।</p><p>তিনি বলেন, তাদের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে জনগণকে যুক্ত করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে হবে।</p><p>সভায় উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসাসুবিধা ও রোগী ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের ব্যবহারের জন্য মশারি সরবরাহের বিষয়েও আলোচনা হয়, যাতে আক্রান্ত রোগীকে কামড়ানো মশার মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানো যায়।</p><p>সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাঠে এর প্রতিফলন থাকতে হবে।’</p><p>ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রতিরোধকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ব্যাপকভাবে সচেতনতামূলক উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।</p><p>সভায় উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রশাসক আবদুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়র ও বিভাগের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।</p><p>সূত্র: চ্যানেল ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9a45-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 16:17:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নড়াইলে মাদক বিক্রিতে বাধা, দুই নারীসহ ৬ জনকে কুপিয়ে জখম]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70580/e4a1-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নড়াইল প্রতিনিধি: </strong>নড়াইলের লোহাগড়ায় মাদক বিক্রি ও সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই নারীসহ একই পরিবারের ছয়জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার রাতে উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।</p><p>আহতরা হলেন—খাইরুল সিকদার (৪০), জামিরুল সিকদার (৩৫), রেজাউল সিকদার (৩০) ও ইকরামুল সিকদার (২৪), খাইরুলের স্ত্রী মুক্তা বেগম (৩৮) এবং তাদের মা কুলসুম বেগম (৫৫)।</p><p>আহত খাইরুল সিকদারের অভিযোগ, একই গ্রামের রুহুল সিকদারের ছেলে জুয়েল সিকদার দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারিসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। গত সপ্তাহে তিনি জুয়েলের মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করলে তাকে ও তার ভাইদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।</p><p>খাইরুল সিকদার বলেন, ওই ঘটনার জের ধরে শনিবার রাতে তিনি ও তার তিন ভাই বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে জুয়েল সিকদারসহ কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় হামলাকারীরা চাপাতি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।</p><p>তিনি আরও বলেন, হামলার সময় তার স্ত্রী মুক্তা বেগম ও মা কুলসুম বেগম বাধা দিতে গেলে তাদেরও মারধর করা হয়।</p><p>পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাদের নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।</p><p>এ বিষয়ে অভিযুক্ত জুয়েল সিকদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।</p><p>লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশ জানতে পেরেছে। তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e4a1-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 16:05:04 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[খুলনায় প্রথম দফায় কৃষি কার্ড পাবেন ২৩ হাজার কৃষক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70579/93c6-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> বিএনপি সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম অঙ্গীকার ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম দফায় খুলনায় ৯টি ইউনিয়নের ২৩ হাজার ১০৫ জন কৃষক কার্ড পাবেন।</p><p>খুলনা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কৃষকদের সুবিধার লক্ষ্যে ৯ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এসব ইউনিয়নগুলো কয়েকটি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। এরইমধ্যে দু’টি ব্লকের (এরিয়া) জরিপের কাজ শেষ হয়েছে। তৃতীয় ব্লকের জরিপের কাজ চলছে।</p><p>ইউনিয়নগুলো হচ্ছে- রূপসা উপজেলার নৈহাটি, বটিয়াঘাটা উপজেলার আমিরপুর, দিঘলিয়া উপজেলার গাজিরহাট, ফুলতলা উপজেলার সদর, ডুমুরিয়া উপজেলার ভান্ডারপাড়া, তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ, দাকোপ উপজেলার সদর, পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালি ও কয়রা উপজেলা সদর।</p><p>কৃষি দপ্তর আরও জানায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৭ সদস্যের কমিটি এ ৯ ইউনিয়নের ২৩ হাজার ১৫০ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য বলে শনাক্ত করেছেন। এ কমিটির সদস্যরা মধ্য আগস্ট পর্যন্ত ১৮ হাজার ৪৭৯ জন কৃষকের নাম চূড়ান্ত করে তালিকা ব্যাংকে পাঠিয়েছে। কৃষকরা জনতা, সোনালী ও কৃষি ব্যাংক থেকে বার্ষিক অনুদানের অর্থ পাবে। প্রত্যেক কৃষক বছরে আড়াই হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন।</p><p>কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী কার্ডধারী কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে সেচ, প্রশিক্ষণ, যন্ত্রপাতি, রোগ বালাই দমনে পরামর্শ, কৃষি পণ্য বিক্রির সুবিধা, কৃষি বীমা প্রশিক্ষণ, ভর্তুকি-প্রণোদনা, ঋণ ও কৃষি উপকরণ পাবেন।</p><p>কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খুলনার অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. তৌহিদীন ভুইয়া বলেন, ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষকরা কার্ড পাবেন। এটি ডেবিট কার্ড হিসেবে গণ্য হবে। এ কার্ডের মাধ্যমে প্রতিবছর কৃষকরা আড়াই হাজার টাকা করে সরকারি অনুদান পাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">93c6-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 15:58:59 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[খুলনায় প্রথম দফায় কৃষি কার্ড পাবেন ২৩ হাজার কৃষক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70579/93c6-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> বিএনপি সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম অঙ্গীকার ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম দফায় খুলনায় ৯টি ইউনিয়নের ২৩ হাজার ১০৫ জন কৃষক কার্ড পাবেন।</p><p>খুলনা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কৃষকদের সুবিধার লক্ষ্যে ৯ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এসব ইউনিয়নগুলো কয়েকটি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। এরইমধ্যে দু’টি ব্লকের (এরিয়া) জরিপের কাজ শেষ হয়েছে। তৃতীয় ব্লকের জরিপের কাজ চলছে।</p><p>ইউনিয়নগুলো হচ্ছে- রূপসা উপজেলার নৈহাটি, বটিয়াঘাটা উপজেলার আমিরপুর, দিঘলিয়া উপজেলার গাজিরহাট, ফুলতলা উপজেলার সদর, ডুমুরিয়া উপজেলার ভান্ডারপাড়া, তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ, দাকোপ উপজেলার সদর, পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালি ও কয়রা উপজেলা সদর।</p><p>কৃষি দপ্তর আরও জানায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৭ সদস্যের কমিটি এ ৯ ইউনিয়নের ২৩ হাজার ১৫০ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য বলে শনাক্ত করেছেন। এ কমিটির সদস্যরা মধ্য আগস্ট পর্যন্ত ১৮ হাজার ৪৭৯ জন কৃষকের নাম চূড়ান্ত করে তালিকা ব্যাংকে পাঠিয়েছে। কৃষকরা জনতা, সোনালী ও কৃষি ব্যাংক থেকে বার্ষিক অনুদানের অর্থ পাবে। প্রত্যেক কৃষক বছরে আড়াই হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন।</p><p>কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী কার্ডধারী কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে সেচ, প্রশিক্ষণ, যন্ত্রপাতি, রোগ বালাই দমনে পরামর্শ, কৃষি পণ্য বিক্রির সুবিধা, কৃষি বীমা প্রশিক্ষণ, ভর্তুকি-প্রণোদনা, ঋণ ও কৃষি উপকরণ পাবেন।</p><p>কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খুলনার অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. তৌহিদীন ভুইয়া বলেন, ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষকরা কার্ড পাবেন। এটি ডেবিট কার্ড হিসেবে গণ্য হবে। এ কার্ডের মাধ্যমে প্রতিবছর কৃষকরা আড়াই হাজার টাকা করে সরকারি অনুদান পাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">93c6-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 15:58:59 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[অষ্টগ্রামে হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70578/d5c9-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক : </strong>কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিউটন দাস (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার চন্ডিপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।</p><p>নিহত নিউটন দাস উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের শ্রীনন্দ দাসের ছেলে। তিনি এক সন্তানের জনক ছিলেন।</p><p>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে নিউটন দাস মাছ ধরতে হাওরে যান। বেলা ১১টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।</p><p>নিউটনের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একমাত্র সন্তানকে রেখে তার এমন মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক ও অনিশ্চয়তা।</p><p>অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রোকনুজ্জামান বজ্রপাতে নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d5c9-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 15:49:23 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[লংমার্চ-এর নামে বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে: রিজভী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70577/ddea-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করে বলেছেন, সংসদ বাদ দিয়ে মাত্র ছয় মাসের মাথায় রাজপথে ‘লংমার্চ’-এর নামে বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে। ৬ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিরোধী দল রাজপথে লংমার্চের কর্মসূচি নিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে অশ্রাব্য ও আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করছে এবং দলকে সেগুলোর আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতে দেখা যাচ্ছে। যা স্পষ্টত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। জনগণের সামনে যেসব শব্দ উচ্চারণ করা যায় না, তা প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে। এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিলে বিরোধী দল তাকে দমন-পীড়ন বলে দাবি করে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা চালাচ্ছে। &nbsp;</p><p>জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক ইস্যুতে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধী দল শুধু সমালোচনাই করে যাচ্ছে, অথচ সঙ্কট নিরসনে তাদের গঠনমূলক কোনো প্রস্তাবনা নেই। তারা সংসদে এই বিষয়ে কোনো পরামর্শ না দিয়ে বাইরে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। দেশের রিজার্ভ বৃদ্ধি পাওয়ার মতো ইতিবাচক অর্জনগুলোকে তারা জনগণের সামনে তুলে না ধরে আড়াল করার চক্রান্ত করছে। &nbsp;</p><p>তিনি আরও বলেন, সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে বিরোধীরা রাজপথে আন্দোলন করে বেড়ালেও সাধারণ জনগণ তাদের এই ভূমিকা ভালোভাবে দেখছে না। দায়িত্বশীল বিরোধী দলের মতো সংসদে নিজেদের দাবি বা প্রস্তাব না তুলে তারা রাজপথ বেছে নিয়েছে, যা মূলত সরকারের সার্বিক উন্নয়ন ঢাকার অপচেষ্টা। &nbsp;</p><p>রিজভী আরও উল্লেখ করেন, বিএনপির পাঁচ দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সার্বিক কর্মসূচি অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ উপলক্ষে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেটির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যবহৃত সব বিলবোর্ড ও ব্যানার অবিলম্বে খুলে ফেলতে হবে।</p><p>এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, মাহমুদুর রহমান সুমন, আসাদুল করিম শাহীন, তারিকুল ইসলাম তেনজিং, ডা. জাহিদুল কবির প্রমুখ।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ddea-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 15:49:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[লংমার্চ-এর নামে বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে: রিজভী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/BNP/70577/ddea-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করে বলেছেন, সংসদ বাদ দিয়ে মাত্র ছয় মাসের মাথায় রাজপথে ‘লংমার্চ’-এর নামে বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে। ৬ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিরোধী দল রাজপথে লংমার্চের কর্মসূচি নিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে অশ্রাব্য ও আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করছে এবং দলকে সেগুলোর আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতে দেখা যাচ্ছে। যা স্পষ্টত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। জনগণের সামনে যেসব শব্দ উচ্চারণ করা যায় না, তা প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে। এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিলে বিরোধী দল তাকে দমন-পীড়ন বলে দাবি করে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা চালাচ্ছে। &nbsp;</p><p>জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক ইস্যুতে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধী দল শুধু সমালোচনাই করে যাচ্ছে, অথচ সঙ্কট নিরসনে তাদের গঠনমূলক কোনো প্রস্তাবনা নেই। তারা সংসদে এই বিষয়ে কোনো পরামর্শ না দিয়ে বাইরে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। দেশের রিজার্ভ বৃদ্ধি পাওয়ার মতো ইতিবাচক অর্জনগুলোকে তারা জনগণের সামনে তুলে না ধরে আড়াল করার চক্রান্ত করছে। &nbsp;</p><p>তিনি আরও বলেন, সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে বিরোধীরা রাজপথে আন্দোলন করে বেড়ালেও সাধারণ জনগণ তাদের এই ভূমিকা ভালোভাবে দেখছে না। দায়িত্বশীল বিরোধী দলের মতো সংসদে নিজেদের দাবি বা প্রস্তাব না তুলে তারা রাজপথ বেছে নিয়েছে, যা মূলত সরকারের সার্বিক উন্নয়ন ঢাকার অপচেষ্টা। &nbsp;</p><p>রিজভী আরও উল্লেখ করেন, বিএনপির পাঁচ দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সার্বিক কর্মসূচি অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ উপলক্ষে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেটির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যবহৃত সব বিলবোর্ড ও ব্যানার অবিলম্বে খুলে ফেলতে হবে।</p><p>এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, মাহমুদুর রহমান সুমন, আসাদুল করিম শাহীন, তারিকুল ইসলাম তেনজিং, ডা. জাহিদুল কবির প্রমুখ।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ddea-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 15:49:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[‘কাটার মাস্টার’ মোস্তাফিজুর রহমানের ৩১তম জন্মদিন আজ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/70576/1d8f-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পেসার ‘কাটার মাস্টার’ মোস্তাফিজুর রহমান। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে যে কোনো পার ফরম্যাটের নিজেকে অটো চয়েজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। আজ তার ৩১তম জন্মদিন। ১৯৯৫ সালের এদিনে সাতক্ষীরায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি।</p><p>বামহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ২০১২ সালে ফাস্ট-বোলারদের ক্যাম্পে অংশগ্রহণের উদ্দেশে ঢাকায় আসেন। নিজ শহর সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৭ প্রতিযোগিতায় চমকপ্রদ ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। এরপর তাকে বিসিবি’র পেস ফাউন্ডেশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।</p><p>২০১৩-১৪ মৌসুমে খুলনার পক্ষে প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেটে তার অভিষেক ঘটে। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে আট উইকেট লাভ করেন। এর ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজে বাংলাদেশ-এ দলের সফরে অন্যতম সদস্য মনোনীত হন।</p><p>ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রর্দশন করায় ২০১৫ সালের ২৪ এপ্রিল সফরকারী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে দলে ডাক পড়ে তার।</p><p>মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত বোলিং করে শহীদ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ হাফিজের উইকেট তুলে নেন তিনি। বাংলাদেশ দল প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে ৭ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে।</p><p>এর দুইমাস পর ১৯ জুন সফরকারী ভারতের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে মোস্তাফিজের। অভিষেক ম্যাচেই তিনি ৫ উইকেট লাভ করেন এবং ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন। তারপর ২১ জুনও ভারতের বিপক্ষে ৪৩ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন।</p><p>জীবনের প্রথম দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে তিনি বিশ্বরেকর্ড গড়েন। ব্রায়ান ভিটোরি’র পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে প্রথম দুইটি ওডিআইয়ে পাঁচ-উইকেট লাভের বিরল কীর্তিগাঁথা রচনা করেন মোস্তাফিজুর।</p><p>প্রথম দুইটি ওডিআইয়ে মোস্তাফিজের বোলিং ফিগার ৫/৫০ ও ৬/৪৩। ২০১১ সালে জিম্বাবুয়ের ব্রায়ান ভিটোরি’র বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫/৩০ ও ৫/২০ ম্লান করে দেন তিনি। ভারতকে তিনি তৃতীয়বার ২০০ বা তার নিচে রান তুলতে বাধ্য করান। এরফলে বাংলাদেশ পঞ্চমবারের মতো ভারতের বিপক্ষে জয় পায়। এ জয়ে বাংলাদেশ আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে ৯৩ পয়েন্ট নিয়ে ৭ম স্থানে উত্তরণ ঘটায়।</p><p>দ্বিতীয় ওডিআইয়ে মুস্তাফিজুরের ৬/৪৩ বোলিং পরিসংখ্যান বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে তৃতীয় সেরা। তার পূর্বে মাশরাফি বিন মর্তুজা ৬/২৬ (ব কেনিয়া, ২০০৬) ও রুবেল হোসেন ৬/২৬ (ব নিউজিল্যান্ড, ২০১৩) রয়েছেন।</p><p>২০১৯ সালে এপ্রিলে তিনি বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দলে অন্তর্ভুক্ত হন। বাংলাদেশের সপ্তম ম্যাচে তিনি ভারতের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট শিকার করেন। এর ফলে সাকিব আল হাসানের পর তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব গড়েন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপের এক আসরে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েন।</p><p>৫ জুলাই তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে বিশ্বের চতুর্থ দ্রুততম এবং বাংলাদেশের দ্রুততম বোলার হিসেবে (৫৪ ম্যাচে) ১০০ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া তিনি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় পাঁচ উইকেট শিকার করেন। তিনি আট ম্যাচে ২০ উইকেট নিয়ে মিচেল স্টার্কের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হিসেবে বিশ্বকাপ সমাপ্ত করেন।</p><p>বয়স ৩১ হলেও এখনও দেশের জার্সিতে দাপট দেখাচ্ছেন মোস্তাফিজ। এ ছাড়াও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের তার চাহিদা রয়েছে ব্যাপক।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1d8f-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 15:33:49 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[‘কাটার মাস্টার’ মোস্তাফিজুর রহমানের ৩১তম জন্মদিন আজ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Cricket/70576/1d8f-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পেসার ‘কাটার মাস্টার’ মোস্তাফিজুর রহমান। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে যে কোনো পার ফরম্যাটের নিজেকে অটো চয়েজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। আজ তার ৩১তম জন্মদিন। ১৯৯৫ সালের এদিনে সাতক্ষীরায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি।</p><p>বামহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ২০১২ সালে ফাস্ট-বোলারদের ক্যাম্পে অংশগ্রহণের উদ্দেশে ঢাকায় আসেন। নিজ শহর সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৭ প্রতিযোগিতায় চমকপ্রদ ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। এরপর তাকে বিসিবি’র পেস ফাউন্ডেশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।</p><p>২০১৩-১৪ মৌসুমে খুলনার পক্ষে প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেটে তার অভিষেক ঘটে। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে আট উইকেট লাভ করেন। এর ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজে বাংলাদেশ-এ দলের সফরে অন্যতম সদস্য মনোনীত হন।</p><p>ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রর্দশন করায় ২০১৫ সালের ২৪ এপ্রিল সফরকারী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে দলে ডাক পড়ে তার।</p><p>মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত বোলিং করে শহীদ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ হাফিজের উইকেট তুলে নেন তিনি। বাংলাদেশ দল প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে ৭ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে।</p><p>এর দুইমাস পর ১৯ জুন সফরকারী ভারতের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে মোস্তাফিজের। অভিষেক ম্যাচেই তিনি ৫ উইকেট লাভ করেন এবং ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন। তারপর ২১ জুনও ভারতের বিপক্ষে ৪৩ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন।</p><p>জীবনের প্রথম দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে তিনি বিশ্বরেকর্ড গড়েন। ব্রায়ান ভিটোরি’র পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে প্রথম দুইটি ওডিআইয়ে পাঁচ-উইকেট লাভের বিরল কীর্তিগাঁথা রচনা করেন মোস্তাফিজুর।</p><p>প্রথম দুইটি ওডিআইয়ে মোস্তাফিজের বোলিং ফিগার ৫/৫০ ও ৬/৪৩। ২০১১ সালে জিম্বাবুয়ের ব্রায়ান ভিটোরি’র বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫/৩০ ও ৫/২০ ম্লান করে দেন তিনি। ভারতকে তিনি তৃতীয়বার ২০০ বা তার নিচে রান তুলতে বাধ্য করান। এরফলে বাংলাদেশ পঞ্চমবারের মতো ভারতের বিপক্ষে জয় পায়। এ জয়ে বাংলাদেশ আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে ৯৩ পয়েন্ট নিয়ে ৭ম স্থানে উত্তরণ ঘটায়।</p><p>দ্বিতীয় ওডিআইয়ে মুস্তাফিজুরের ৬/৪৩ বোলিং পরিসংখ্যান বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে তৃতীয় সেরা। তার পূর্বে মাশরাফি বিন মর্তুজা ৬/২৬ (ব কেনিয়া, ২০০৬) ও রুবেল হোসেন ৬/২৬ (ব নিউজিল্যান্ড, ২০১৩) রয়েছেন।</p><p>২০১৯ সালে এপ্রিলে তিনি বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দলে অন্তর্ভুক্ত হন। বাংলাদেশের সপ্তম ম্যাচে তিনি ভারতের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট শিকার করেন। এর ফলে সাকিব আল হাসানের পর তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব গড়েন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপের এক আসরে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েন।</p><p>৫ জুলাই তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে বিশ্বের চতুর্থ দ্রুততম এবং বাংলাদেশের দ্রুততম বোলার হিসেবে (৫৪ ম্যাচে) ১০০ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া তিনি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় পাঁচ উইকেট শিকার করেন। তিনি আট ম্যাচে ২০ উইকেট নিয়ে মিচেল স্টার্কের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হিসেবে বিশ্বকাপ সমাপ্ত করেন।</p><p>বয়স ৩১ হলেও এখনও দেশের জার্সিতে দাপট দেখাচ্ছেন মোস্তাফিজ। এ ছাড়াও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের তার চাহিদা রয়েছে ব্যাপক।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1d8f-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 15:33:49 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পেপারবিহীন সংসদ প্রতিষ্ঠায় ই-পার্লামেন্ট চালুর উদ্যোগ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70575/b3a3-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> পেপারবিহীন, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।</p><p>এ বিষয়ে ৬ সেপ্টেম্বর রোববার জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির সভাপতি ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, কমিটির সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ ও এ বি এম মোশাররফ হোসেন সাক্ষাৎ করেন।</p><p>সাক্ষাৎকালে সংসদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।</p><p>প্রস্তাবিত এ ব্যবস্থায় বাংলা ও ইংরেজি ভাষার সংস্করণ থাকবে। এর মাধ্যমে সংসদীয় নথি ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ ও আদান-প্রদান আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হবে।</p><p>ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডেপুটি স্পিকারকে চেয়ারম্যান করে একটি কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিটি প্রস্তাবিত সিস্টেমের কাঠামো, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে।</p><p>সাক্ষাৎকালে চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের ওপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের জন্যও স্পিকার নির্দেশনা প্রদান করেন। এতে প্রস্তাবিত সিস্টেমের কার্যপদ্ধতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হবে।</p><p>এ সময় জানানো হয়, ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন বর্তমান সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে। এ ব্যবস্থা চালু হলে সংসদের বিভিন্ন কার্যক্রম ও নথি ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে। ফলে কাগজের ব্যবহার কমার পাশাপাশি সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় সাশ্রয় এবং সংসদীয় কার্যক্রমে গতি, দক্ষতা ও সমন্বয় বৃদ্ধি পাবে।</p><p>প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও অন্যান্য সহযোগিতা নিশ্চিত করতে ইউএনডিপি, দাতা দেশ ও দাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের পরবর্তী পর্যায়ে তাদের সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে। পেপারবিহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগোপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p><p>সূত্র: যুগান্তর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b3a3-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 15:24:50 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রাঙামাটিতে সাড়ে ৩ হাজার ঘনফুট কাঠ জব্দ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70574/b84a-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>রাঙামাটি প্রতিনিধি:</strong> প্রশাসন ও বন বিভাগের নজর এড়িয়ে কাপ্তাই হ্রদ দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে মূল্যবান সেগুনসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে পাচারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দুর্গম বনাঞ্চলে পর্যাপ্ত জনবল সংকট, দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থা এবং স্থানীয় প্রভাবশালী সশস্ত্র আঞ্চলিকদলগুলোর নানান চাপের কারণে অনেক এলাকায় নিয়মিত তদারকি সম্ভব হয় না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। এর সুযোগ নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সংরক্ষিত বন থেকে মূল্যবান সেগুন গাছ কেটে তা বিভিন্ন পথে পাচার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।</p><p>সাম্প্রতিক সময়ে এমনই একটি চালান রাঙামাটিতে প্রবেশের সময় অভিযান চালিয়ে চারটি বোট ভর্তি বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ জব্দ করেছে রাঙামাটির দক্ষিণ বন বিভাগ। বন বিভাগের দাবি, জব্দ করা কাঠের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ঘনফুট।</p><p>বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে রাঙামাটি-কাপ্তাই নৌপথের ঝগড়াবিল এলাকায় সন্দেহজনকভাবে কয়েকটি কাঠবোঝাই বোটের অবস্থানের খবর পায় বন বিভাগ। পরে রাঙামাটি দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা খন্দকার মাহমুদুল হক মুরাদের নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।</p><p>অভিযানকালে রাঙামাটির দিকে আসা চারটি বোট আটক করা হয়। এ সময় বন বিভাগের সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে বোটে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। পরে কাঠবোঝাই বোটগুলো জব্দ করে বন বিভাগের হেফাজতে নেওয়া হয়।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল থেকে জব্দ করা সেগুন প্রজাতির গোল কাঠগুলো বোট থেকে নামিয়ে বন বিভাগের কার্যালয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়।</p><p>রাঙামাটি দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা খন্দকার মাহমুদুল হক মুরাদ বলেন, সেগুন কাঠ ভর্তি কয়েকটি বোট কাপ্তাই হ্রদ দিয়ে রাঙামাটিতে প্রবেশ করবে এমন তথ্য পান আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ডিএফও এসএম সাজ্জাদ হোসেন। স্থানীয় সোর্সের মাধ্যমে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাঠবোঝাই বোট রাঙামাটিতে প্রবেশের তথ্য পাওয়া যায়। পরে শুক্রবার বিকেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় সদর রেঞ্জের সদস্যরা কাপ্তাই হ্রদের ঝগড়াবিল এলাকায় নৌ-পথে অভিযান চালিয়ে সেগুলো জব্দ করা হয়।</p><p>তিনি জানান, চারটি বোটে আনুমানিক সাড়ে ৩ হাজার ঘনফুট সেগুন কাঠ রয়েছে। জব্দ করা কাঠের বিষয়ে সিজার লিস্ট প্রস্তুত করে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। কাঠের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় কোটি টাকা বলে জানা গেছে।</p><p>স্থানীয় কাঠ ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভালো মানের সেগুন কাঠের বাজারমূল্য প্রতি ঘনফুট প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।</p><p>জব্দ করা চারটি বোটের কাঠের মালিকানা ও কাঠের উৎস এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি বন বিভাগ। কাঠগুলোর উৎস কোথায় এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত; তা তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।</p><p>রাঙামাটি দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা খন্দকার মাহমুদুল হক মুরাদ এশিয়ান টিভিকে জানান, জব্দ করা কাঠের সিজার লিস্ট প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্তের পর কাঠের মালিকানা ও পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।</p><p>এদিকে স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি প্রভাবশালী পাহাড়ি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে রাঙামাটির কিছু কাঠ ব্যবসায়ীকে চলতি মাসের ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কাঠ সংগ্রহ করে নেওয়ার জন্য সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়েছিল। এরপর আর কাঠ সংগ্রহ বা পরিবহনের সুযোগ থাকবে না; এমন বার্তা দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি সূত্রগুলোর।</p><p>স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, ওই সময়সীমাকে কেন্দ্র করে একটি চক্র দ্রুতগতিতে বিভিন্ন দুর্গম এলাকা থেকে কাঠ সংগ্রহ করে রাঙামাটির বিভিন্ন করাতকল ও গোপন মজুত স্থলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এরই অংশ হিসেবে জব্দ হওয়া কাঠগুলো বিলাইছড়ি এলাকা থেকে রাঙামাটির দিকে আনা হচ্ছিল বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।</p><p>বন বিভাগের অভিযানে মাঝেমধ্যে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ হলেও এসব চালানের নেপথ্যে থাকা মূল হোতারা অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি বনাঞ্চল থেকে গাছ কাটার পর তা নদীপথে বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে রাঙামাটি শহর ও আশপাশের এলাকায় পৌঁছে দেওয়ার একটি নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।</p><p>স্থানীয়দের অভিযোগ, গাছ কাটার জন্য প্রথমে দুর্গম সংরক্ষিত বনাঞ্চল বেছে নেওয়া হয়। পরে শ্রমিকদের মাধ্যমে গাছ কেটে সেগুলো ছোট-বড় আকারে প্রস্তুত করে নদীপথে নামানো হয়। এরপর রাতের আঁধার বা বন বিভাগের নজরদারি কম থাকার সুযোগে বোটে করে কাঠ পরিবহন করা হয়। কোথাও কোথাও স্থানীয় প্রভাবশালী মহল বা সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে এই কাঠ পরিবহন করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।</p><p>বন বিভাগের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুর্গম সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পর্যাপ্ত জনবল ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তার ঘাটতি থাকায় প্রতিটি এলাকায় নিয়মিত নজরদারি চালানো কঠিন। ফলে সংঘবদ্ধ কাঠ পাচারকারীরা অনেক সময় বন বিভাগের চোখ এড়িয়ে গাছ কাটার সুযোগ পেয়ে যায়।</p><p>পরিবেশবাদী ও স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সংরক্ষিত বন থেকে অবৈধভাবে গাছ কাটা শুধু সরকারি সম্পদের ক্ষতি নয়, পাহাড়ের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি। বড় ও পুরোনো সেগুনসহ অন্যান্য মূল্যবান গাছ একবার কেটে ফেললে সেই বনভূমির স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন। তাদের দাবি, বিচ্ছিন্নভাবে কাঠ জব্দের পাশাপাশি এই চোরাচালান নেটওয়ার্কের মূল উৎস, গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, পরিবহনকারী, মজুতদার এবং অবৈধ কাঠের ক্রেতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে দুর্গম সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বন বিভাগের জনবল ও নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b84a-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 15:23:24 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনে ৮ মাসে ৬,৫৫৪ কল]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/70573/7dbb-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> পরামর্শ, মামলা সম্পর্কিত তথ্য ও বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে গত ৮ মাসে সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনে ৬ হাজার ৫৫৪টি কল এসেছে।</p><p>সুপ্রিম কোর্টের হেল্পলাইন মনিটরিং সেলের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দেশ ও বিদেশ থেকে আইনি পরামর্শ, মামলা সম্পর্কিত তথ্য ও অভিযোগ সংক্রান্ত মোট ৬ হাজার ৫৫৪টি কল আসে। এসব কলের মধ্যে আইনি পরামর্শ পেতে ৮৭০টি কল আসে। আর মামলার তথ্য জানতে কল আসে ১ হাজার ১৩০টি। সবগুলো কলের তথ্যই সেবাগ্রহীতাদের তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করা হয়।</p><p>মনিটরিং সেলের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৭৮৪টি কল আসে। তবে অভিযোগগুলো সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বহির্ভূত হওয়ায় সে বিষয়ে হেল্পলাইন থেকে কোনো পরামর্শ প্রদান করা হয়নি।</p><p>মনিটরিং সেলের তথ্য অনুযায়ী, হেল্পলাইন নম্বর ১০৩-তে সেবা গ্রহণের জন্য কল প্রদানকারী সেবাগ্রহীতার কোনো প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়নি এমন কলের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৬৫২টি। আর এই সময়ে সুপ্রিম কোর্ট ও জেলা আদালত সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা, বিলম্বে সেবা প্রাপ্তি, অসদাচরণ সম্পর্কিত ১১৮টি অভিযোগ আসে। এসবের মধ্যে বিলম্বে আইনি সেবা প্রাপ্তি, রায়ের কপি না পাওয়া, নথি নিখোঁজ ও দ্রুত নিষ্পত্তি সংক্রান্ত ৯৯টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয় এবং ১২টি অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলমান।</p><p>আর বিভিন্ন অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা, অসদাচরণ সম্পর্কিত অবশিষ্ট ৭টি অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।</p><p>প্রধান বিচারপতির নির্দেশক্রমে গত ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইন সেন্টার উদ্বোধন করা হয় এবং হেল্পলাইন ‘১০৩’ চালু করা হয়। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইন নম্বরে (০১৩১৬-১৫৪২১৬ ও ০১৭৯৫-৩৭৩৬৮০) কল ও হোয়াটসঅ্যাপ সার্ভিস ও ‘১০৩’-তে অনলাইন সার্ভিস চালু আছে।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7dbb-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 15:12:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী রেখে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70572/3c3f-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে রাজধানীর চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, নাব্যতা নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন নিয়ে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।</p><p>সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং এসব নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য অপসারণ নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং ঢাকার চারপাশের বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন কার্যক্রমও পর্যালোচনা করা হয়।</p><p>এ পর্যন্ত নেওয়া পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মধ্যে যথাযথ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।</p><p>সূত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3c3f-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 15:01:07 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের অব্যয়িত টাকা ফেরত দেওয়া হবে: ধর্মমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70571/ee7a-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) বলেছেন, চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় পবিত্র হজ পালন করা ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজিকে সৌদি পর্বে অব্যয়িত ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। ৬ সেপ্টেম্বর রোববার সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের ক্ষেত্রে হজযাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের মধ্যে সৌদি আরবে বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের পর যে অর্থ অব্যয়িত রয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট হাজিদের ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে হজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই এই অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে।</p><p>তিনি বলেন, হজযাত্রীদের অর্থ আমানত হিসেবে বিবেচনা করে এর যথাযথ হিসাব সংরক্ষণ করা হয়েছে। নির্ধারিত ব্যয়ের পর কোনো অর্থ অব্যয়িত থাকলে তা সরকারের কোষাগারে রেখে দেওয়ার পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীদের ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে হজ ব্যবস্থাপনায় সরকারের স্বচ্ছতা আরও সুস্পষ্ট হবে।</p><p>চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করেছেন ৪ হাজার ৩৪১ জন। সৌদি আরবে হজযাত্রীদের আবাসন, পরিবহন ও খাবারসহ বিভিন্ন খাতে নির্ধারিত অর্থ ব্যয়ের পর মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা অব্যয়িত রয়েছে। এই অর্থ হজযাত্রীদের মধ্যে ফেরত দেওয়া হবে।</p><p>ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, হজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ইবাদত। হজযাত্রীদের যাতে কোনো ধরনের হয়রানি বা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে সরকার শুরু থেকেই গুরুত্ব দিয়েছে। হজ ব্যবস্থাপনার প্রতিটি পর্যায়ে সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিষয়গুলোতেও স্বচ্ছতা বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, হজযাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের প্রতিটি খাতের ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। সৌদি পর্বে প্রকৃত ব্যয়ের সঙ্গে নির্ধারিত অর্থের পার্থক্য থেকে যে অর্থ অব্যয়িত হয়েছে, সেটিই হিসাব করে হাজিদের ফেরত দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতেও হজ ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখা হবে।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সারসহ ধর্ম মন্ত্রণালয় ও হজ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ee7a-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 15:00:01 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70570/85e6-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দুদিনের সরকারি সফরে প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ৬ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুর ১টার দিকে হেলিকপ্টারে করে তিনি ঠাকুরগাঁও শহরের শহিদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠে অবতরণ করেন।</p><p>এরপর রাষ্ট্রপতি জেলা সার্কিট হাউসে যান। সেখানে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওজুড়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনা সাজানো হয়েছে তোরণ ও আলোকসজ্জায়। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় জোরদার করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা।</p><p>সফরের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতি শহরের সেনুয়া কবরস্থানে তার বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক কমিটির আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। সংবর্ধনা শেষে তিনি নিজ বাড়িতে গিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। রাতে নিজ বাড়িতেই অবস্থান করবেন তিনি।</p><p>রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার আবুল কালাম লুৎফর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামীকাল সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে রাষ্ট্রপতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে তার। পরে সার্কিট হাউসে ফিরে গার্ড অব অনার গ্রহণ করে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে ঠাকুরগাঁও ছাড়বেন তিনি।</p><p>রাষ্ট্রপতিকে একনজর দেখতে এবং বরণ করে নিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যাপক ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।</p><p>প্রসঙ্গত, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি। তার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকায়। তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।</p><p>ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন মির্জা ফখরুল। ১৯৭২ সালে বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারে যোগ দিয়ে ঢাকা কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালনের পর আবার শিক্ষকতায় ফেরেন তিনি। পরে ১৯৮৮ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।</p><p>১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপিতে যোগ দেন মির্জা ফখরুল। ১৯৯২ সালে তাকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়। ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।</p><p>বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মির্জা ফখরুল।</p><p>২০১১ সালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পান তিনি। ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে মহাসচিব নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন এই দায়িত্ব পালনের পর ২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।</p><p>হত ২১ আগস্ট রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা সফরে এসে শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত ঠাকুরগাঁওয়ে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">85e6-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 14:18:22 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70570/85e6-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দুদিনের সরকারি সফরে প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ৬ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুর ১টার দিকে হেলিকপ্টারে করে তিনি ঠাকুরগাঁও শহরের শহিদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠে অবতরণ করেন।</p><p>এরপর রাষ্ট্রপতি জেলা সার্কিট হাউসে যান। সেখানে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওজুড়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনা সাজানো হয়েছে তোরণ ও আলোকসজ্জায়। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় জোরদার করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা।</p><p>সফরের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতি শহরের সেনুয়া কবরস্থানে তার বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক কমিটির আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। সংবর্ধনা শেষে তিনি নিজ বাড়িতে গিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। রাতে নিজ বাড়িতেই অবস্থান করবেন তিনি।</p><p>রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার আবুল কালাম লুৎফর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামীকাল সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে রাষ্ট্রপতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে তার। পরে সার্কিট হাউসে ফিরে গার্ড অব অনার গ্রহণ করে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে ঠাকুরগাঁও ছাড়বেন তিনি।</p><p>রাষ্ট্রপতিকে একনজর দেখতে এবং বরণ করে নিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যাপক ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।</p><p>প্রসঙ্গত, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি। তার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকায়। তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।</p><p>ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন মির্জা ফখরুল। ১৯৭২ সালে বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারে যোগ দিয়ে ঢাকা কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালনের পর আবার শিক্ষকতায় ফেরেন তিনি। পরে ১৯৮৮ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।</p><p>১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপিতে যোগ দেন মির্জা ফখরুল। ১৯৯২ সালে তাকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়। ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।</p><p>বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মির্জা ফখরুল।</p><p>২০১১ সালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পান তিনি। ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে মহাসচিব নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন এই দায়িত্ব পালনের পর ২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।</p><p>হত ২১ আগস্ট রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা সফরে এসে শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত ঠাকুরগাঁওয়ে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">85e6-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 14:18:22 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শুধু মানবিক নয়, রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70569/e97e-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রোহিঙ্গা সংকট এখন শুধু মানবিক নয়। দীর্ঘদিন ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার অবস্থান বাংলাদেশের জন্য যেমন বড় চাপ তৈরি করছে, তেমনি এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে রাজধানীর বিআইআইএসএস অডিটোরিয়ামে ইন্সটিটিউট ফর গ্লোবাল কো-অপারেশন ফাউন্ডেশনের আয়োজনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ ও সমধানের কৌশল নিয়ে গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।</p><p>এসময় এই সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতায় বিশেষ করে জাতিসংঘের কার্যকর ভূমিকার মাধ্যমে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গাকে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আন্তর্জাতিক রাডারে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বানও করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।</p><p>সূত্র: স্টার নিউজ</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e97e-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 14:05:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মেসির উত্তরসূরি হতে লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার ৩ তারকা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/70568/9f7c-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক:</strong> দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে আর্জেন্টিনার ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন লিওনেল মেসি। তার নেতৃত্বেই আর্জেন্টিনা পেয়েছে বিশ্বকাপসহ একের পর এক বড় সাফল্য। গত ৩১ আগস্ট আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে তার বিদায়ের পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—কার হাতে উঠতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী অধিনায়কের আর্মব্যান্ড?</p><p>স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস ও আর্জেন্টাইন রেডিও ‘রেডিও মিত্রে’ জানিয়েছে, অধিনায়কত্বের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন ২৭ বছর বয়সী ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। জাতীয় দলের রক্ষণভাগের অন্যতম ভরসা ও ইংলিশ ক্লাব টটেনহামের অধিনায়ক হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকা এই ডিফেন্ডারকেই অধিনায়ক হিসেবে পছন্দ করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।</p><p>অধিনায়কত্ব পাওয়ার দৌড়ে রোমেরোর সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক সাফল্যের বড় অংশজুড়ে আছেন এই গোলরক্ষক। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে জিতেছেন সেরা গোলকিপারের পুরস্কার। যদিও ২০২৬ বিশ্বকাপে সেরাটা দেখাতে পারেননি।</p><p>এই তালিকায় থাকতে পারেন লাওতারো মার্তিনেজ। ইন্টার মিলানে কয়েক মৌসুম ধরে অধিনায়কত্ব করছেন এই ফরোয়ার্ড। গোল করার ক্ষমতা তাকে দলের পোস্টারবয়ও বানিয়েছে। গতকালও নাপোলির বিপক্ষে জোড়া গোল করে ইন্টার মিলানকে জিতিয়েছেন। মেসির সঙ্গে স্কালোনি যুগের প্রায় পুরো পথেই ছিলেন লাওতারো। তাই জাতীয় দলের নেতৃত্বের পরিবেশ তার অচেনা নয়।</p><p>আগামী ডিসেম্বরের পর কোচ লিওনেল স্কালোনির পদে থাকা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে চলতি সেপ্টেম্বরের ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচগুলোর জন্য তাকেই স্কোয়াড ঘোষণা করতে হবে। চলতি সেপ্টেম্বরের বিরতিতে ঘরের মাঠে তিনটি ম্যাচ খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আর্জেন্টিনা। প্রতিপক্ষ এখনো চূড়ান্ত না হলেও প্রীতি ম্যাচগুলোর দল ঘোষণার সময়ই নিশ্চিত হওয়া যাবে কে হচ্ছেন আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9f7c-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 13:54:44 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মেসির উত্তরসূরি হতে লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার ৩ তারকা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/football/70568/9f7c-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক:</strong> দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে আর্জেন্টিনার ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন লিওনেল মেসি। তার নেতৃত্বেই আর্জেন্টিনা পেয়েছে বিশ্বকাপসহ একের পর এক বড় সাফল্য। গত ৩১ আগস্ট আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে তার বিদায়ের পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—কার হাতে উঠতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী অধিনায়কের আর্মব্যান্ড?</p><p>স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস ও আর্জেন্টাইন রেডিও ‘রেডিও মিত্রে’ জানিয়েছে, অধিনায়কত্বের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন ২৭ বছর বয়সী ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। জাতীয় দলের রক্ষণভাগের অন্যতম ভরসা ও ইংলিশ ক্লাব টটেনহামের অধিনায়ক হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকা এই ডিফেন্ডারকেই অধিনায়ক হিসেবে পছন্দ করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।</p><p>অধিনায়কত্ব পাওয়ার দৌড়ে রোমেরোর সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক সাফল্যের বড় অংশজুড়ে আছেন এই গোলরক্ষক। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে জিতেছেন সেরা গোলকিপারের পুরস্কার। যদিও ২০২৬ বিশ্বকাপে সেরাটা দেখাতে পারেননি।</p><p>এই তালিকায় থাকতে পারেন লাওতারো মার্তিনেজ। ইন্টার মিলানে কয়েক মৌসুম ধরে অধিনায়কত্ব করছেন এই ফরোয়ার্ড। গোল করার ক্ষমতা তাকে দলের পোস্টারবয়ও বানিয়েছে। গতকালও নাপোলির বিপক্ষে জোড়া গোল করে ইন্টার মিলানকে জিতিয়েছেন। মেসির সঙ্গে স্কালোনি যুগের প্রায় পুরো পথেই ছিলেন লাওতারো। তাই জাতীয় দলের নেতৃত্বের পরিবেশ তার অচেনা নয়।</p><p>আগামী ডিসেম্বরের পর কোচ লিওনেল স্কালোনির পদে থাকা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে চলতি সেপ্টেম্বরের ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচগুলোর জন্য তাকেই স্কোয়াড ঘোষণা করতে হবে। চলতি সেপ্টেম্বরের বিরতিতে ঘরের মাঠে তিনটি ম্যাচ খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আর্জেন্টিনা। প্রতিপক্ষ এখনো চূড়ান্ত না হলেও প্রীতি ম্যাচগুলোর দল ঘোষণার সময়ই নিশ্চিত হওয়া যাবে কে হচ্ছেন আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9f7c-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 13:54:44 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইলিশ সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি, দীর্ঘদিন থাকবে স্বাদ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/lifestyle/70567/d33b-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>লাইফস্টাইল ডেস্ক:</strong> বড় থেকে ছোট সব বয়সী মানুষের পছন্দ ইলিশ মাছ। অনেকেই বাজার থেকে এনে সেদিনই রান্না করে খায়। তবে ইলিশের মৌসুমে বেশি মাছ কিনে অনেকেই পরবর্তী সময়ে খাওয়ার জন্য ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন। সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে পারলে বেশ কিছুদিন ইলিশের স্বাদ ও গুণমান ধরে রাখা সম্ভব। তবে এর জন্য জানতে হবে মাছ প্যাক করার সঠিক পদ্ধতি এবং কতদিনের মধ্যে খাওয়া ভালো।</p><p><strong>আস্ত ইলিশ সংরক্ষণ: </strong>ইলিশ আস্ত অবস্থায় সংরক্ষণ করতে চাইলে মাছ কেনার পর যত দ্রুত সম্ভব পরিষ্কার করে ফ্রিজে রাখতে হবে। মাছের গায়ে লেগে থাকা রক্ত বা দৃশ্যমান ময়লা পরিষ্কার করার প্রয়োজন হলে নিরাপদভাবে ধুয়ে নিয়ে ভালোভাবে পানি ঝরিয়ে শুকনো টিস্যু বা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হবে। এরপর মাছটি রান্নার উপযোগী করে প্যাক করতে হবে।</p><p>একটি বড় প্যাকেটে অনেকগুলো মাছ না রেখে প্রতিটি ইলিশ আলাদা করে প্যাকেট করা ভালো। এতে প্রয়োজনের সময় শুধু যতটুকু দরকার, সেটিই বের করা যাবে। এসময় এয়ারটাইট জিপলক ব্যাগ, ফুড-গ্রেড ফ্রিজার ব্যাগ বা উপযুক্ত ঢাকনাযুক্ত বক্স ব্যবহার করতে পারেন। প্যাকেটের ভেতরের অতিরিক্ত বাতাস যতটা সম্ভব বের করে মুখ ভালোভাবে বন্ধ করে দিন। এতে ফ্রিজার বার্ন ও গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমে যাবে।</p><p><strong>কেটে রাখবেন যেভাবে: </strong>অনেকে রান্নার সুবিধার জন্য ইলিশ কেটে টুকরো করে সংরক্ষণ করেন। এ ক্ষেত্রে মাছ পরিষ্কার করে প্রয়োজন অনুযায়ী টুকরো করে নিন। এরপর প্রতিবার রান্নার জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু আলাদা প্যাকেটে রাখুন।</p><p>চাইলে টুকরোগুলোতে অল্প লবণ, হলুদ বা মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে রাখতে পারেন। তবে দীর্ঘদিন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মসলা না মাখিয়ে মাছ আলাদা করে প্যাক করে রাখা ভালো। রান্নার সময় প্রয়োজনীয় মসলা নতুন করে ব্যবহার করলে স্বাদও ভালো থাকে।</p><p><strong>পানি দিয়ে সংরক্ষণ করার পদ্ধতি: </strong>মাছকে সরাসরি বাটিতে পানি ভরে ডুবিয়ে রেখে ফ্রিজ করার পদ্ধতি বেশ প্রচলিত। তবে ঘরোয়া সংরক্ষণে এয়ারটাইট প্যাকিংই বেশি সুবিধাজনক। প্যাকেটের ভেতরে পানি ঢুকে গেলে বা প্যাকেট ফুটো হলে মাছের গুণমান নষ্ট হতে পারে। তাই পানি ব্যবহার না করে আর্দ্রতারোধী প্যাকেটে ভালোভাবে মুড়ে ফ্রিজে রাখাই নিরাপদ পদ্ধতি।</p><p><strong>ফ্রিজ থেকে বের করার পর:</strong> ইলিশ গলানোর সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো ফ্রিজার থেকে বের করে ফ্রিজের নিচের তাকে রেখে ধীরে ধীরে গলানো। ঘরের তাপমাত্রায় দীর্ঘক্ষণ রেখে মাছ গলানো ঠিক নয়। আর একবার গলে যাওয়া মাছ পুনরায় ফ্রিজে দেওয়ার বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।</p><p>ফ্রিজে নিরাপদভাবে গলানো হলে প্রয়োজনে পুনরায় ফ্রিজ করা সম্ভব হলেও এতে মাছের স্বাদ ও গুণমান কমতে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো হলো প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট ছোট প্যাকেট করে সংরক্ষণ করা, যাতে একবার বের করা মাছ পুরোটা রান্না করে ফেলা যায়।</p><p>সঠিকভাবে প্যাকিং, উপযুক্ত তাপমাত্রা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমাণ ভাগ করে রাখাই ইলিশ সংরক্ষণের মূল কৌশল। এতে মৌসুমের ইলিশ পরবর্তী সময়ে বা সারাবছর উপভোগ করা সহজ হবে।</p><p>সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d33b-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 13:35:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ৩০]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/accident/70566/0ff8-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। গুরুতর আহত ১২ জনকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার সকাল পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলার গেড়াখোলা ব্রিজের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>পুলিশ জানায়, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের গেড়াখোলা এলাকায় ব্রিজের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি দুমড়ে মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।</p><p>পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহতদের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশাঙ্কা করা হচ্ছে।</p><p>ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মো. আজাদুর রহমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশিচত করেছেন।</p><p>সূত্র: নিউজ ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0ff8-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 13:34:41 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ৩০]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70566/0ff8-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। গুরুতর আহত ১২ জনকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার সকাল পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলার গেড়াখোলা ব্রিজের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>পুলিশ জানায়, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের গেড়াখোলা এলাকায় ব্রিজের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি দুমড়ে মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।</p><p>পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহতদের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশাঙ্কা করা হচ্ছে।</p><p>ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মো. আজাদুর রহমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশিচত করেছেন।</p><p>সূত্র: নিউজ ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0ff8-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 13:34:41 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পেট্রল ছিটিয়ে ১১ বসতঘরে আগুন, এক রাতেই নিঃস্ব বহু পরিবার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70565/f063-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আগুনে পুড়েছে ১১টি বসতঘর। এর মধ্যে একটি ঘরে পেট্রল ছিটিয়ে আগুন দেওয়ার পর তা আশপাশের বসতঘরগুলোয় ছড়িয়ে যায় বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মারধরের পর পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার ভোর সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ি বাজারসংলগ্ন আশহক ব্যাপারীবাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে ঘরগুলোর আসবাব, কাপড়চোপড়, টাকাসহ প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়েছে।</p><p>পুলিশে সোপর্দ করা ওই ব্যক্তির নাম মো. সোহেল (৪০)। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা। তার ঘরও আগুনে পুড়ে গেছে। মারধরে আহত সোহেলকে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।</p><p>স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভোর সাড়ে চারটার দিকে সোহেলের ঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। তিনি পেট্রল ছিটিয়ে নিজের ঘরে আগুন দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।</p><p>ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের একজন ছিদ্দিক উল্যাহ। তিনি পেশায় কৃষক। তার পুরো ঘর পুড়ে গেছে।</p><p>তিনি বলেন, ‘সোহেল পেট্রল ছিটিয়ে নিজের ঘরে আগুন দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আমার ঘরও পুড়ে যায়। ঘরে থাকা সব মালামাল ও টাকাপয়সা পুড়ে গেছে। এক মুঠো চাল, এমনকি একটি কাপড়ও বের করতে পারিনি।’</p><p>ক্ষতিগ্রস্ত আরেক বাসিন্দা আহসান উল্লাহ বলেন, ‘আগুনে আমাদের ঘরের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই বের করতে পারিনি। ঘরে থাকা টাকাপয়সা, আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়—সব শেষ। মুহূর্তের মধ্যে চোখের সামনে আমাদের শেষ সম্বলটুকুও পুড়ে গেল। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় থাকব, কীভাবে আবার ঘর তুলব, কিছুই বুঝতে পারছি না।’</p><p>আগুন লাগানোর খবর পেয়ে রায়পুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ও লক্ষ্মীপুরের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।</p><p>এ ঘটনায় সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বি এম শাহজালাল কিসমত বলেন, ‘সোহেল নিয়মিত মাদক সেবন করেন। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি প্রথমে পেট্রল দিয়ে নিজের ঘরে আগুন দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।’</p><p>এদিকে রায়পুর ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ সৈয়দ আহমেদ বলেন, ‘পুড়ে যাওয়া ঘরগুলো টিনের তৈরি। প্রাথমিকভাবে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’</p><p>রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘আগুনে ১১টি ঘর পুড়ে গেছে। স্থানীয় লোকজনের মারধরের পর সোহেলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’</p><p>সূত্র: ইত্তেফাক</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f063-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 13:20:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[৩৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি দিচ্ছে ভিভো, আবেদন যেভাবে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/job/70564/91a9-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ভিভো বাংলাদেশ (প্রধান কার্যালয়)। প্রতিষ্ঠানটির এইচআর বিভাগ এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার থেকে আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। যা চলবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।</p><p>আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।</p><p><strong>এক নজরে ভিভো বাংলাদেশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬</strong></p><p><strong>প্রতিষ্ঠানের নাম: </strong>ভিভো বাংলাদেশ (প্রধান কার্যালয়)</p><p><strong>পদের নাম: </strong>এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ</p><p><strong>বিভাগ:</strong> এইচআর</p><p><strong>পদসংখ্যা:</strong> নির্ধারিত নয়</p><p><strong>শিক্ষাগত যোগ্যতা:</strong> বিবিএ</p><p><strong>অন্যান্য যোগ্যতা: </strong>মোবাইল শিল্প, টেলিযোগাযোগে দক্ষতা।</p><p><strong>অভিজ্ঞতা:</strong> কমপক্ষে ১ থেকে ২ বছর</p><p><strong>চাকরির ধরন:</strong> ফুলটাইম</p><p><strong>কর্মক্ষেত্র:</strong> অফিসে</p><p><strong>প্রার্থীর ধরন: </strong>নারী-পুরুষ (উভয়)</p><p><strong>বয়সসীমা:</strong> ২২ থেকে ৩০ বছর</p><p><strong>কর্মস্থল: </strong>ঢাকা (তেজগাঁও শিল্প এলাকা)</p><p><strong>বেতন:</strong> ৩০,০০০-৩৫,০০০ টাকা (মাসিক)</p><p><strong>অন্যান্য সুবিধা:</strong> প্রভিডেন্ট ফান্ড, মুনাফার অংশ, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, বছরে ২টি উৎসব বোনাস, উপস্থিতি বোনাস, জ্যেষ্ঠতা ভাতা।</p><p><strong>আবেদন যেভাবে:</strong> আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে <a href="https://bdjobs.com/h/details/1529698?ln=1"><strong>ক্লিক</strong></a> করুন।</p><p><strong>আবেদনের শেষ সময়:</strong> ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">91a9-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 12:59:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মিছিল, পোস্টার ও এআই কনটেন্টে নিষেধাজ্ঞা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70562/b661-20260906]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রচারের ধরন ও পরিধিতে নতুন বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।</p><p>নতুন এ আচরণবিধিতে মিছিল, পোস্টার ও নির্বাচনী প্রচারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাইক ব্যবহার, বিলবোর্ড, নির্বাচনী ক্যাম্প, সরকারি সুবিধা ও যানবাহন ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কঠোর বিধি-নিষেধ রাখা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও থাকছে ইসির।</p><p>ইসি কর্মকর্তারা জানান, সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে নতুন করে আচরণবিধিমালা করা হচ্ছে।</p><p>ইতিমধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আচরণবিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। অন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আচরণবিধিও প্রক্রিয়াধীন। নতুন বিধিমালায় ২০১৬ সালের আচরণবিধি বাতিল করা হয়েছে।</p><p>নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কেউ নির্বাচনী এলাকায় পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। ভবন, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুতের খুঁটি, সরকারি ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের স্থাপনা, সেতু, কালভার্ট, মেট্রো রেলের পিলার ও ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন স্থানে প্রচারসামগ্রী লাগানোও নিষিদ্ধ।</p><p>এছাড়া তফসিল ঘোষণার পর থেকে ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ পর্যন্ত কোনো প্রকাশ্য মিছিল করা যাবে না। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর উপাদান দিয়ে তৈরি প্রচারপত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ব্যানার ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধি-নিষেধ রয়েছে।</p><p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে প্রার্থী বা তার পক্ষের কেউ ব্যক্তিগত কুৎসা, অপমানজনক বক্তব্য, মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য প্রচার করতে পারবেন না। নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এমন কনটেন্ট তৈরিতেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।</p><p>এ ক্ষেত্রে এআই ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্টও নিষিদ্ধ। জাতি, ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, লিঙ্গ বা সামাজিক পরিচয়ের ভিত্তিতে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া যাবে না।</p><p>প্রচারে মাইক বা শব্দবর্ধনকারী যন্ত্র দুপুর ১২টার আগে ও সূর্যাস্তের পর ব্যবহার করা যাবে না। শব্দের মাত্রা সর্বোচ্চ ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে রাখতে হবে। একটি ওয়ার্ডে একটির বেশি মাইক ব্যবহার করা যাবে না। বিলবোর্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সর্বোচ্চ আয়তন ১৬ ফুট বাই ৮ ফুট। প্রতি ওয়ার্ডে একজন প্রার্থী একটির বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন না।</p><p>অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না। প্রার্থীর পক্ষে সরকারি যানবাহন, প্রচারযন্ত্র বা অন্য কোনো সরকারি সুবিধা ব্যবহার নিষিদ্ধ। স্থানীয় সরকার পরিষদের চেয়ারম্যান, মেয়র, প্রশাসক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না।</p><p>প্রচারে হেলিকপ্টার বা অন্য কোনো আকাশযান ব্যবহার করা যাবে না। ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, নৌযান বা ট্রেন ব্যবহার করে মিছিল-শোভাযাত্রাও নিষিদ্ধ। নির্বাচনের দিন ভোটার আনা-নেওয়ার জন্য যানবাহন ভাড়া বা ব্যবহার করা যাবে না।</p><p>নতুন বিধিমালায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে প্রচার শুরুর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে কোন মাধ্যমে প্রচার চালানো হবে, সে তথ্য জানাতে হবে। নির্বাচনী ব্যয়সীমা অতিক্রম করলেও শাস্তির বিধান রয়েছে। পুলিশের পূর্বানুমতি নিয়ে সভা এবং ঘরোয়া সভা করার বিধানও মানতে হবে। পেশিশক্তির ব্যবহার, কুৎসা রটানো, ধর্মের অপব্যবহার এবং স্কুল-কলেজ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।</p><p>কোনো রেকর্ড বা লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোনো মেয়র বা কাউন্সিলর প্রার্থী কিংবা তার নির্বাচনী এজেন্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করেছেন বলে প্রতীয়মান হলে কমিশন তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে পারবে।</p><p>বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।</p><p>আগামী নভেম্বরের শেষার্ধ থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে চায় ইসি। প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হতে পারে।</p><p>সূত্র: কালের কণ্ঠ</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b661-20260906</guid>
                <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 12:42:39 +0600</pubDate>
            </item>
        
    </channel>
</rss>
