<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0">
    <channel>
        <title><![CDATA[All news items on https://www.asiantvonline.com/]]></title>
        <link><![CDATA[https://asiantvonline.com/]]></link>
        <description><![CDATA[
            Welcome to https://www.asiantvonline.com/! Stay informed with the latest news, headlines, and updates from around the world.
            Subscribe to our RSS feed now to receive regular updates and never miss a beat.
        ]]></description>

        <image>
            <url>https://asiantvonline.com/logo.png</url>
            <title>Asian Tv Online | এশিয়ান টিভি অনলাইন</title>
            <link>https://asiantvonline.com/</link>
        </image>

        <generator><![CDATA[RSS by https://asiantvonline.com/rss-feed.xml]]></generator>
        <language>en</language>
        <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 01:34:35 +0600</pubDate>

        <copyright><![CDATA[
            Copyright: (C) 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.
        ]]></copyright>

                    <item>
                <title><![CDATA[পুলিশের ৭ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70378/d6ba-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ও সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদমর্যাদার ঊর্ধ্বতন সাত কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করা হয়েছে।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জারিকৃত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন ও কার্যালয় আদেশে এই রদবদলের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।</p><p>প্রথম প্রজ্ঞাপনে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মনজুরুল আলমকে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। একই আদেশে ঢাকার পুলিশ স্টাফ কলেজের সহকারী পুলিশ সুপার তানিয়া সুলতানা ইভাকে টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে এবং দিনাজপুরের হাকিমপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আ. ন. ম. নিয়ামত উল্লাহকে ঢাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়।</p><p>এছাড়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দুই সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আবু হাসান এবং আবদুল্লাহ আল মামুনকেও ঢাকা এসবির সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।</p><p>অন্যদিকে অপর কার্যালয় আদেশে ডিএমপির ভেতরের প্রশাসনিক কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে ট্রাফিক-অ্যাডমিন, প্ল্যানিং অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. খালিদ বোরহানকে ডিএমপির ডিসিপ্লিন বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসিপ্লিন-২) হিসেবে বদলি করা হয়। একই সঙ্গে জাকির হোসেন সুমনকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে ট্রাফিক-অ্যাডমিন, প্ল্যানিং অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।</p><p>পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, সেবা ত্বরান্বিত ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বাড়াতেই নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই রদবদল করা হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d6ba-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 21:10:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নেপালকে ১০ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা প্রদান করল বাংলাদেশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70377/55ca-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>নেপালে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের প্রেক্ষিতে চলমান ত্রাণ, পুনরুদ্ধার ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার নেপালের প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ত্রাণ তহবিলে ১০ লাখ মার্কিন ডলার (১২ কোটি ৩০ লাখ টাকা) অনুদান প্রদান করেছে।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘পদ্মা’য় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারির ​​কাছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহর উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি হস্তান্তর করেন এবং এই সহায়তার বিষয়টি তাকে অবহিত করেন।</p><p>এর আগে, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ঢাকায় অবস্থিত নেপাল দূতাবাসে খোলা শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন। নেপালের এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির প্রেক্ষিতে গত ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদও একটি শোক প্রস্তাব গ্রহণ করেছিল।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">55ca-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 20:57:50 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শেখ হাসিনা ও রেহানার নামে আরও এক নতুন মামলা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/70376/ec54-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>এবার ট্রাস্টের নামে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ ও আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানার বিরুদ্ধে নতুন আরও এক মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।</p><p>বিভিন্ন ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা ফান্ড (সিএসআর) থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে এই টাকা সংগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। মামলায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারকেও আসামি করা হয়েছে।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলা করেন। দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p><p>মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর অনুকূলে সংগ্রহ করেন। এতে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দুদক।</p><p>এজাহার অনুযায়ী, ‘দ্য ট্রাস্টস অ্যাক্ট, ১৮৮২’-এর আওতায় শেখ হাসিনা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভাপতি এবং শেখ রেহানা ছিলেন সহ-সভাপতি। ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>এজহারে দুদক আরও জানায়, বাংলাদেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে তারা দেখেছে, তৎকালীন বিএবি সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার তার প্রভাব খাটিয়ে বিএবির নির্বাহী কমিটির সভায় আলোচ্যসূচিতে না থাকা সত্ত্বেও ‘বিবিধ’ আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন। পরে নির্বাহী কমিটির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ট্রাস্টের অনুকূলে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়।</p><p>দুদকের অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী ‘পলিসি গাইডলাইন অন করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি ফর ব্যাংকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস’-এ সিএসআর অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে নির্দেশনা থাকলেও ট্রাস্টে এ ধরনের অনুদান দেওয়ার কোনো বিধান নেই।</p><p>এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, দুদকের সরেজমিন পরিদর্শনে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর ঠিকানায় দাপ্তরিক কার্যক্রমের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে ট্রাস্টটি সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান নয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাস্টের প্রতিশ্রুত কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রমাণও অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ব্যক্তিগত লাভের অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলে বিএবির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।</p><p>এজাহারে মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিএবির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রভাব খাটিয়ে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখেন। এই ফান্ডের অর্থ ট্রাস্টে অনুদান দেওয়ার বিধান না থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংকগুলোকে অর্থ প্রদানে বাধ্য করার অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।</p><p>এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><p>২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতি করে রাজউকের আবাসন প্রকল্পে ১০ কাঠা করে ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা করেছে দুদক।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ec54-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 20:41:04 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70375/b370-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।</p><p>তিনি বলেছেন, ‘শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি সকলের অংশগ্রহণে আনন্দময় ও উৎসবমুখর হয়ে উঠুক। আমি আশা করি, এ উৎসব সমাজে বিদ্যমান ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যকে আরও সুদৃঢ় করবে। একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন-শুভ জন্মাষ্টমীর এই ক্ষণে এ প্রত্যাশা করি।’</p><p>আগামীকাল ‘শুভ জন্মাষ্টমী’ উপলক্ষ্যে আজ বৃহষ্পতিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।&nbsp;<br>&nbsp;<br>‘শুভ জন্মাষ্টমী’ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি শুভ জন্মাষ্টমী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। শ্রীকৃষ্ণ ছিলেন পরোপকারী, দক্ষ রাজনীতিক ও সমাজ সংস্কারক। তিনি পৃথিবীতে এসেছিলেন সত্য, ন্যায়, মানবতা ও কল্যাণের প্রতীক হয়ে।’</p><p>তিনি বলেন, ‘যেখানে অন্যায়-অবিচার, সেখানেই শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়েছেন আপন মহিমায়। তিনি সর্বদা মানবতা ও সত্যের পথ খুঁজেছেন। শ্রীকৃষ্ণের ভাব ও দর্শন হিন্দু সমাজ ও সংস্কৃতিতে গভীরভাবে প্রোথিত, যা যুগ যুগ ধরে মানুষকে মানবিক, পরোপকারী ও অন্যের প্রতি সহমর্মী হতে অনুপ্রাণিত করে আসছে।’</p><p>মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। অসাম্প্রদায়িকতা ও ঐক্যবোধ আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতির অন্যতম শক্তি। আবহমানকাল ধরে বাংলাদেশের মানুষ পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম ও বিশ্বাস স্বাধীনভাবে পালন করে আসছে। সব ধর্মের মূল বাণী মানবকল্যাণ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সকলে এই মানবকল্যাণে নিয়োজিত হই, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাই।’</p><p>পরোপকারের মহান ব্রত নিয়ে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসার জন্য হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বিশ্বের নানা প্রান্তে ধর্মীয় কারণে মানুষে-মানুষে সংঘাত, হানাহানি ও বিভেদ বাড়ছে। এই সংকট মোকাবিলায় সকলকে ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে শ্রীকৃষ্ণের দর্শন থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের একটি অসাম্প্রদায়িক ও ঐক্যবদ্ধ সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে।’</p><p>বাণীতে রাষ্ট্রপতি শুভ জন্মাষ্টমী উৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b370-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 20:37:59 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কেউ অভিযোগ করতে পারেনি মাদরাসার ছাত্ররা ড্রাগ সেবন করে: জামায়াত আমির]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70374/59d5-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>মাদরাসার ছাত্ররা ড্রাগ সেবন করে এমন অভিযোগ কেউ করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর ‎বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে বিশ্বজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে এ কথা বলেন তিনি৷</p><p>জামায়াত আমির বলেন, মাদরাসার ছাত্ররা ড্রাগ সেবন করে না। ইয়াবা, গাঞ্জা এগুলা সেবন করে কেও বলতে পারবে না। এমনকি খুব এক্সেপশনাল ছাড়া মাদরাসার কোন ছাত্রের ঠোঁটে আপনি সিগারেটও দেখবেন না।</p><p>এ ছাড়া দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনস্বার্থ রক্ষায় সরকার ব্যর্থ হয়েছে। সরকারের ব্যর্থতার কারণে ১১ দল রাজপথে কর্মসূচি দিতে বাধ্য হচ্ছে। দেশ ও জনগণের অধিকার আদায়ে বিরোধী দল সংসদ ও রাজপথে সমানভাবে সরব থাকবে।</p><p>এদিকে, দেশের কওমি শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের আন্তরিকতার অভাব রয়েছে বলেও এ সময় অভিযোগ করেন জামায়াত আমির।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">59d5-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 20:27:50 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানালেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70373/6e90-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় ও দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাস থেকে প্রেরিত এক বার্তায় এ কথা জানানো হয়েছে।</p><p>এতে বলা হয়েছে, এক অভিনন্দন বার্তায় আমিরাতের প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানান। সেইসঙ্গে, তিনি তাঁর সুস্বাস্থ্য ও শান্তি কামনা করে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের অব্যাহত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি প্রত্যাশা করেন।</p><p>সেইসাথে, পৃথক পৃথক অভিনন্দন বার্তায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া এবং শপথ গ্রহণ উপলক্ষ্যে মির্জা ফখরুল ইসলামকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম।</p><p>এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্সিয়াল কোর্টের চেয়ারম্যান শেখ মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ানও এ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।</p><p>দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরো জোরদার করতে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6e90-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 20:09:58 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সাত মাসে নিখোঁজ ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু, উদ্ধার হয়েছে ১৩ হাজার ৬৭৯ জন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70372/ce77-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশু নিখোঁজের জিডি হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। শিশু নিখোঁজের খবর নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর জনমনে উদ্বেগ উৎকন্ঠা ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।</p><p>পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানান, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এসব প্রতিবেদনে নিখোঁজ শিশুদের পরবর্তী অবস্থা, কতজন উদ্ধার হয়েছে বা পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে, সে তথ্য উল্লেখ না থাকায় শিশু নিখোঁজের প্রকৃত চিত্র পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিফলিত হয়নি।</p><p>তিনি বলেন, এ বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি নিরসনে স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। যাচাইয়ে দেখা গেছে, জানুয়ারি থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত শূন্য থেকে নয় বছর বয়সী শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ৪৭৪টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। এর মধ্যে ৪০৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, এখনো উদ্ধার হয়নি ৬৮ জন।</p><p>একই সময়ে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১৫ হাজার ২৪৩ শিশুর নিখোঁজের জিডি হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১ হাজার ৯৭০ জন এখনো উদ্ধার হয়নি।</p><p>পুলিশের হিসাবে, দুই বয়সসীমা মিলিয়ে মোট ১৫ হাজার ৭১৭ শিশুর নিখোঁজের জিডি হয়েছে। এর মধ্যে উদ্ধার হয়েছে ১৩ হাজার ৬৭৯ জন। এখনো উদ্ধার হয়নি ২ হাজার ৩৮ জন, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।</p><p>পুলিশ জানায়, শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুরা সাধারণত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অপরিচিত স্থানে ঘুরতে গিয়ে পথ হারানো, পরিবারের সদস্যদের নাম-ঠিকানা বলতে না পারা এবং একাকী বাড়ি ফেরার সময় অন্যত্র চলে যাওয়ার কারণে নিখোঁজ হয়।</p><p>অন্যদিকে, ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের নিখোঁজ হওয়ার পেছনে অভিমান, পড়ালেখার চাপ, অনৈতিক কাজে জড়িয়ে লজ্জার ভয়ে পালিয়ে থাকা, স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের আকাঙ্ক্ষা, পরিবারের কাছ থেকে অর্থ বা অন্য সুবিধা আদায়ের চেষ্টা, পারিবারিক কলহ ও অশান্তি এবং বন্ধু বা সহপাঠীদের প্রভাবের মতো কারণ রয়েছে।</p><p>পুলিশ আরও জানিয়েছে, বর্তমানে অনলাইন জিডি সুবিধা চালু হওয়ায় নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।</p><p>পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে শিশু নিখোঁজের জিডি হয়েছিল ১৭ হাজার ৮০৮টি। ২০২৪ সালে তা কমে ১৬ হাজার ৪১৪ হলেও ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ২২ হাজার ৫৫০টিতে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ce77-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 20:04:59 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সৌদি আরবে ঝড় ও বজ্র-বৃষ্টির পূর্বাভাস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70371/e779-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> সৌদি আরবের আসির ও আল-বাহা অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির জন্য রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি মক্কা ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি ও হালকা বৃষ্টির জন্য অরেঞ্জ ও ইয়েলো অ্যালার্ট কার্যকর রয়েছে।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার এ খবর জানিয়েছে সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম সৌদি গ্যাজেট।</p><p>ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিওরোলজি (এনসিএম) জানিয়েছে, আসির অঞ্চলের আল-মাজারদাহ ও রিজাল আলমা এবং আল-বাহা অঞ্চলের আল-বাহা এলাকায় ভারী বৃষ্টির কারণে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। মক্কা অঞ্চলের আল-আরদিয়াত ও আদহাম এবং আল-বাহার আল-হাজরাহ এলাকায় মাঝারি বৃষ্টির জন্য অরেঞ্জ অ্যালার্ট রয়েছে। আর মক্কা অঞ্চলের তাইফ ও আল-কুনফুদাহ এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আল-উদাইদ এলাকায় হালকা বৃষ্টির জন্য ইয়েলো অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।</p><p>দৈনিক আবহাওয়া পূর্বাভাসে এনসিএম জানিয়েছে, জাজান, আসির, আল-বাহা এবং মক্কা অঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এসব বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে এবং কোথাও কোথাও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e779-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 20:00:22 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নতুন দায়িত্ব পেলেন এ্যানি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70370/33bc-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সিনেটে ২৫ জন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনের লক্ষ্যে গ্র্যাজুয়েটদের তালিকাভুক্তকরণ এবং জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের নির্বাচন পর্যালোচনার জন্য ৮ সদস্যের একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে বিএনপি। এতে বিএনপি নেতা ও সংসদ সদস্য (এমপি) মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।</p><p>দলটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><p><strong>কমিটিতে রয়েছেন-</strong> ১. মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, এমপি আহ্বায়ক</p><p>২. অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান, সিন্ডিকেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সদস্যসচিব</p><p>৩. ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, সদস্য</p><p>৪. অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সদস্য</p><p>৫. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সদস্য</p><p>৬. অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, প্রো-উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সদস্য</p><p>৭. অধ্যাপক ড. আবুল কালাম সরকার, ডিন, কলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সদস্য</p><p>৮. মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী সদস্য।</p><p>সূত্র: কালের কণ্ঠ</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">33bc-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 19:55:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নতুন দায়িত্ব পেলেন এ্যানি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/BNP/70370/33bc-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সিনেটে ২৫ জন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনের লক্ষ্যে গ্র্যাজুয়েটদের তালিকাভুক্তকরণ এবং জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের নির্বাচন পর্যালোচনার জন্য ৮ সদস্যের একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে বিএনপি। এতে বিএনপি নেতা ও সংসদ সদস্য (এমপি) মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।</p><p>দলটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><p><strong>কমিটিতে রয়েছেন-</strong> ১. মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, এমপি আহ্বায়ক</p><p>২. অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান, সিন্ডিকেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সদস্যসচিব</p><p>৩. ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, সদস্য</p><p>৪. অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সদস্য</p><p>৫. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সদস্য</p><p>৬. অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, প্রো-উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সদস্য</p><p>৭. অধ্যাপক ড. আবুল কালাম সরকার, ডিন, কলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সদস্য</p><p>৮. মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী সদস্য।</p><p>সূত্র: কালের কণ্ঠ</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">33bc-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 19:55:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২০০৯ মামলা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/70369/d457-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ২ হাজার ৯টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। ২ সেপ্টেম্বর বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। &nbsp;</p><p>এতে বলা হয়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে মোট ১৫৭টি, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে মোট ১৭১টি, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে মোট ৩৩৩টি, ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে মোট ৩৭২টি, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে মোট ১৬৫টি, ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে মোট ৩১১টি, ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে মোট ৩২১টি ও ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে মোট ১৭৯টি মামলা হয়েছে।</p><p>এছাড়াও অভিযানকালে মোট ৪৯৭টি গাড়ি ডাম্পিং ও ২৯৪টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d457-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 19:44:55 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২০০৯ মামলা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70369/d457-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ২ হাজার ৯টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। ২ সেপ্টেম্বর বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। &nbsp;</p><p>এতে বলা হয়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে মোট ১৫৭টি, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে মোট ১৭১টি, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে মোট ৩৩৩টি, ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে মোট ৩৭২টি, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে মোট ১৬৫টি, ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে মোট ৩১১টি, ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে মোট ৩২১টি ও ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে মোট ১৭৯টি মামলা হয়েছে।</p><p>এছাড়াও অভিযানকালে মোট ৪৯৭টি গাড়ি ডাম্পিং ও ২৯৪টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d457-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 19:44:55 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Cricket/70368/7a02-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>আগেই জানা গিয়েছিল বিপিএল না হওয়ায় ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ ফি বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে পরিমাণটা যে ডাবল হবে সেটা অনেকেই ভাবেননি। এতদিন প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে একটি ম্যাচের জন্য সর্বোচ্চ ৭০ হাজার টাকা পেতেন ক্রিকেটাররা, এখন থেকে তারা পাবে দেড় লাখ টাকা।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ওয়ার্কিং কমিটির সভা শেষে এই ঘোষণা দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।</p><p>শুধু প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটেই নয়, লিস্ট ‘এ’ ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও নারী-পুরুষ উভয় ক্রিকেটারের ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। অতীতে জাতীয় লিগ, ঢাকা লিগ ও বিসিএলের মতো ঘরোয়া টুর্নামেন্ট ছিল।</p><p>আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন এই টুর্নামেন্টের নাম ঘোষণা করা হবে। এই টুর্নামেন্টে তিন ফরম্যাটেই ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাবেন স্থানীয় ক্রিকেটাররা। আসন্ন এই টুর্নামেন্ট থেকেই নতুন ম্যাচ ফি পাওয়া শুরু করবেন ক্রিকেটাররা।</p><p>তামিম ইকবালের নেতৃত্বে অ্যাডহক কমিটি গঠনের পর ম্যাচ ফি ৭০ হাজার টাকা করা হয়েছিল প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে। যদিও এরপর জাতীয় লিগ হয়নি। নতুন মৌসুম শুরু হওয়ার আগে ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়ানো হলো।</p><p>প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটের প্রতি ক্রিকেটারদের আগ্রহ বাড়ানো এবং এই ফরম্যাটের আর্থিক কাঠামো শক্তিশালী করাও বিসিবির এই সিদ্ধান্তের অন্যতম উদ্দেশ্য। জাতীয় দলের বাইরের ক্রিকেটারদের জন্য ঘরোয়া ক্রিকেটই আয়ের প্রধান উৎস। ফলে ম্যাচ ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত তাদের পেশাদার ক্যারিয়ারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।</p><p>প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ম্যাচ ফি ছাড়াও ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে দ্বিগুণ বেড়েছে ম্যাচ ফি। আগে ওয়ানডেতে ৫০ হাজার টাকা ম্যাচ ফি পেলেও এখন থেকে পাবেন ১ লাখ টাকা। অন্যদিকে, ২০ ওভারের ক্রিকেটে ৪০ হাজার টাকার বদলে এখন থেকে ৮০ হাজার টাকা করে পাবেন শান্ত-মিরাজরা।</p><p>পুরুষদের পাশাপাশি মেয়েদের ক্রিকেটেও ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে মেয়েরা তিন দিনের ম্যাচ খেলে। সামনে চার দিনের ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা আছে বিসিবির। তিন ফরম্যাটেই দ্বিগুণ বেড়েছে মেয়েদের ম্যাচ ফি। চার দিনের ম্যাচে মেয়েরা এখন থেকে ৪০ হাজার, ওয়ানডেতে ৩০ হাজার এবং টি-টোয়েন্টিতে ২০ হাজার টাকা করে পাবেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7a02-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 19:40:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[অবিলম্বে ১০ম ওয়েজ বোর্ড গঠন, মহার্ঘ ভাতা ঘোষণার দাবি : সমাবেশে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/mass-media/70367/4743-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> গণমাধ্যমকর্মী ও সংবাদপত্র সেবীদের জন্য অবিলম্বে দশম ওয়েজ বোর্ড গঠন ও অন্তর্বর্তীকালীন মহার্ঘ ভাতা ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এ দাবি জানিয়েছেন।</p><p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশটি পরিচালনা করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার।</p><p>সাংবাদিক নেতারা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও দৈনন্দিন ব্যয় বৃদ্ধির মধ্যে সাংবাদিক সমাজ তীব্র আর্থিক সংকটে দিশাহারা। ২০১৯ সালে সাংবাদিকদের জন্য ঘোষিত ‘নবম ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ’ নানা আইনি ও প্রশাসনিক অজুহাতে অনেক সংবাদমাধ্যম আজ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও সাংবাদিকদের জন্য নতুন ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়ন কমিটি গঠনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।</p><p>তারা বলেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য সম্প্রতি অনুমোদিত জাতীয় বেতন স্কেলে ব্যাপক বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে; তবে গণমাধ্যমকর্মীদের বাদ রেখে কেবল সরকারি কর্মচারীদের সুবিধা বাড়ালে সমাজে তীব্র বৈষম্য তৈরি হবে।</p><p>প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে &nbsp;বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী সাংবাদিকদের জন্য অবিলম্বে দশম ওয়েজবোর্ড ঘোষণা ও কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন।</p><p>তিনি বলেন, ‘সরকার যেভাবে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছেন, সেভাবে সাংবাদিকদের বেতনও বাড়িয়ে অবিলম্বে ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করতে হবে।’</p><p>সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন, ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি মুরসালিন নোমানী, বিএফইউজের সহ-সভাপতি মুহাম্মদ খায়রুল বাশার, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসীন, ডিইউজের সহ-সভাপতি রফিক মুহাম্মদ ও রাশেদুল হক, বিএফইউজের নেতা মোদাব্বের হোসেন, জাতীয় প্রেস ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য শাহনাজ বেগম পলি, বাসস এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।</p><p>বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি কর্মচারীরাও দিনযাপনের কষ্টে রয়েছেন। সরকার তার সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়িয়েছেন, এতে তারা আনন্দিত ও খুশি হয়েছেন। তবে বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছেন সাংবাদিকরা।</p><p>তিনি বলেন, বিদ্যুতের দাম একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি তেল, সবজি, চাল, ডাল, আটা, রুটি, কাপড়সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে যাওয়ায় সাংবাদিকরা যে বেতন পান, তা দিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে টিকে থাকা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।</p><p>বিএফইউজে মহাসচিব বলেন, ‘সিনিয়র সাংবাদিকরা মারা যাচ্ছেন, কিন্তু হাসপাতালের বিলটাও দিতে পারেন না। গতকালও এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে, প্রায় দিনই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। সিনিয়র সাংবাদিকরা ৪০ বছর সাংবাদিকতা করেছেন, তাদের গ্রামের বাড়িতে লাশ বহন করার অ্যাম্বুলেন্স ভাড়াটাও এখন জোগাড় করতে পারেন না। এত কষ্টের মধ্যেই বাংলাদেশের সাংবাদিকরা আছেন। অথচ সবচেয়ে শ্রম বেশি ব্যয় করতে হয় সাংবাদিকদেরকে।’</p><p>বিএফইউজে মহাসচিব বলেন, বর্তমান সরকার একটি মানবিক সরকার এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকার। তিনি আশা করেন, এই সরকার সাংবাদিকবান্ধব সরকারের পরিচয় দেবে।</p><p>তিনি বলেন, একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন।</p><p>এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি তথ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, যুগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাংবাদিকদের জন্য অবিলম্বে ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করুন।</p><p>তিনি আরও বলেন, অতীতে সরকারি কর্মচারীদের চেয়ে সাংবাদিকদের বেতন বেশি ছিল। সরকারি কর্মচারীরা নানা সুযোগ-সুবিধা পান, যা সাংবাদিকরা পান না। সরকারি কর্মচারীরা সাপ্তাহে দুই দিন ছুটি পান, সাংবাদিকগন ছুটি পান এক দিন। এসব বিবেচনা করে সাংবাদিকদের বেতন স্কেল সবসময় সরকারি কর্মচারীদের চেয়ে বেশি করা হয়েছিল।</p><p>এসময় তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, অতীতের সেই পথ অনুসরণ করে সরকার অবিলম্বে সাংবাদিকদের জন্য ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করবে।</p><p>কাদের গনি চৌধুরী আরও বলেন, সরকার এর আগে ৯ম ও ৮ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করেছে। কিন্তু অধিকাংশ পত্রিকা তা মানে না। বিএফইউজে ও ডিইউজে থেকে ইতোমধ্যে ৩৯ দফা দাবি জানানো হয়েছে। এর প্রধানতম দাবি ছিল- ‘নো ওয়েজ বোর্ড, নো মিডিয়া’।</p><p>তিনি বলেন, ‘আমরা আজকে শত শত সাংবাদিককে সামনে রেখে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় মালিকপক্ষকে জানিয়ে দিতে চাই, আপনি পত্রিকা চালাবেন, ৯ম ওয়েজ বোর্ড, ১০ম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন করেছেন বলে সরকার থেকে বিজ্ঞাপন নেবেন, আর সাংবাদিকদের বেতন দেবেন না- সেটা বাংলাদেশে হতে দেওয়া হবে না। ’</p><p>কাদের গণি চৌধুরী বলেন, সরকারের কাছে আমাদের দাবি হলো, ১০ম ওয়েজ বোর্ড অবিলম্বে ঘোষণা ও কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে মালিকদের কাছেও দাবি, ওয়েজ বোর্ড অনুযায়ী বেতন দিতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সাংবাদিক সমাজ আর বসে থাকবে না। অতীতের মতো রাজপথে নেমে এসে তাদের অধিকার আদায় করবে।<br>সূত্র: বাসস।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4743-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 19:31:23 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আমি ফিরে এসেছি মানুষের কাছে, সংসদে মির্জা আব্বাস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70366/8f41-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস পর জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে হুইলচেয়ারে করে সংসদ অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় সংসদ সদস্যরা করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।</p><p>নিজ আসনে বসার পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাকে স্বাগত জানান এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বলেন, ‘দীর্ঘ পাঁচ মাস পর মির্জা আব্বাস সাহেব সংসদে এসেছেন। আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই।’ পরে সংসদে বক্তব্য দেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা আমার এখনো শেষ হয়নি। তারপরও আবেগ ও ভালোবাসার কারণে আমাকে আসতে হয়েছে।’</p><p>সংসদে ফিরে আসার দিনটিকে নিজের রাজনৈতিক জীবনের আবেগঘন দিন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২০০৬ সালের পর আবার জাতীয় সংসদে একজন সংসদ সদস্য হিসেবে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। এটি আনন্দ ও গর্বের মুহূর্ত।’</p><p>বর্তমান সংসদের যাত্রা শুরুর পরপরই ১১ মার্চ থেকে ২৬ মার্চের মধ্যে মির্জা আব্বাস গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এরপর চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ সময় তাকে বিদেশে থাকতে হয়েছে। অসুস্থতার সময়ে যারা তার জন্য দোয়া করেছেন, খোঁজ নিয়েছেন এবং পাশে ছিলেন, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, অসুস্থ অবস্থায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নিয়মিত তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।</p><p>স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অসুস্থতার সময়ে তাকে দেখতে গিয়েছিলেন উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস জানান, তখন তিনি অচেতন ছিলেন। পরে বিষয়টি জানতে পারেন। ‘একজন অসুস্থ মানুষের প্রতি স্পিকারের এই মানবিক আচরণ আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। এটি আমি কোনো দিন ভুলব না।’ বলেন তিনি।</p><p>মির্জা আব্বাস আরও বলেন, রাজনীতি শুধু মতের পার্থক্যের বিষয় নয়। সংসদও শুধু বিতর্কের জায়গা নয়। সংসদ হচ্ছে মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনের জায়গা। আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি আমাকে সুস্থতা দেন, যাতে আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য বাকি সময়টুকু নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে পারি।</p><p>২০০৬ সালের পর আবার সংসদে দাঁড়ানোর প্রসঙ্গ তুলে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি ফিরে এসেছি মানুষের কাছে। মানুষের জন্য এবং বাংলাদেশের জন্য কাজ করার জন্য।’</p><p>সুস্থতার জন্য দলমত নির্বিশেষে যারা দোয়া করেছেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। বলেন, ‘আপনারা দোয়া করবেন, আমি যাতে বাকি সময়টুকু বেঁচে থাকি। দেশ ও জাতির জন্য, দেশের জন্য যেন কিছু করতে পারি।’</p><p>এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে নিজের কার্যালয়ে যান মির্জা আব্বাস। সেখানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দাপ্তরিক কাজ ও সংসদীয় কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন। পরে বিকালে অধিবেশনে যোগ দেন।</p><p>সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে সম্প্রতি দেশে ফেরেন মির্জা আব্বাস। দেশে ফেরার পর বৃহস্পতিবারই প্রথমবারের মতো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দিলেন তিনি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8f41-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 19:30:18 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মিড ডে মিল দয়া নয়, শিক্ষার্থীদের অধিকার: প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/education/70365/9e83-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ বা দয়া নয়, এটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রতিটি শিক্ষার্থীর অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিশুদের সুস্থতা, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি ও শেখার সক্ষমতা বাড়ানো স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য বলেও জানান তিনি।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার খুলনায় একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্প সম্পর্কে প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি শিশুর পুষ্টি ও শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। স্কুল ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা বা নিম্নমানের খাবার সরবরাহের সুযোগ দেওয়া হবে না। এ কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কার্যকর অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো হবে।</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না’ ও ‘প্রতিটি শিশু সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত হবে’ —প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করছে, যা শেখার সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।</p><p>ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শিক্ষায় বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হচ্ছে। এই বিনিয়োগের মূল উদ্দেশ্য শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়; বরং প্রতিটি শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা, তার পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে একটি দক্ষ ও শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তোলা।</p><p>খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মতিয়ার রহমান, ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল আমিন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (উপবৃত্তি) মো. মাসুদ হোসেন, খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত ও খুলনা বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষার বিভাগীয় উপপরিচালক ড. মো. শফিকুল ইসলাম।</p><p>খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p><p>সূত্র: ইউএনবি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9e83-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 19:21:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মিড ডে মিল দয়া নয়, শিক্ষার্থীদের অধিকার: প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70365/9e83-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ বা দয়া নয়, এটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রতিটি শিক্ষার্থীর অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিশুদের সুস্থতা, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি ও শেখার সক্ষমতা বাড়ানো স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য বলেও জানান তিনি।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার খুলনায় একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্প সম্পর্কে প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি শিশুর পুষ্টি ও শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। স্কুল ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা বা নিম্নমানের খাবার সরবরাহের সুযোগ দেওয়া হবে না। এ কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কার্যকর অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো হবে।</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না’ ও ‘প্রতিটি শিশু সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত হবে’ —প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করছে, যা শেখার সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।</p><p>ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শিক্ষায় বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হচ্ছে। এই বিনিয়োগের মূল উদ্দেশ্য শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়; বরং প্রতিটি শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা, তার পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে একটি দক্ষ ও শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তোলা।</p><p>খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মতিয়ার রহমান, ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল আমিন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (উপবৃত্তি) মো. মাসুদ হোসেন, খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত ও খুলনা বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষার বিভাগীয় উপপরিচালক ড. মো. শফিকুল ইসলাম।</p><p>খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p><p>সূত্র: ইউএনবি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9e83-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 19:21:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70364/dfd1-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p><p>বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশেষ দিন শুভ জন্মাষ্টমী। এই শুভ দিনে আমি বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’</p><p>আগামীকাল শুক্রবার ‘শুভ জন্মাষ্টমী’ উপলক্ষে ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এই শুভেচ্ছা জানান।</p><p>জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে তারেক রহমান বলেন, ‘শ্রীকৃষ্ণের বার্তা ও শিক্ষা সমাজে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে। আসুন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে উদ্বুদ্ধ একটি জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’</p><p>কেউ যেন সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্ট করতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমাজে শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে আমাদের প্রত্যেককে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’</p><p>শ্রীকৃষ্ণের মহতী দর্শনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শ্রীকৃষ্ণ তার জীবন ও কাজের মাধ্যমে সমাজে ন্যায়, সাম্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় মানবপ্রেমের অনন্য আদর্শ তুলে ধরেছেন। সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভক্তি, মানবকল্যাণ ও শান্তির যে দর্শন তিনি প্রচার করেছেন, তা সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সব মানুষের জন্যই গভীর প্রেরণাদায়ক।’</p><p>তারেক রহমান আরও বলেন, ‘একটি সুশীল রাষ্ট্র ও সমাজে ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের মেলবন্ধন থাকে। বাংলাদেশেও যুগ যুগ ধরে সর্বস্তরের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছেন। এই আবহমান সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখা নাগরিক হিসেবে আমাদের সবার পবিত্র দায়িত্ব।’</p><p>উল্লেখ্য, সনাতন ধর্মীয় শাস্ত্রানুসারে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ধরাধামে আগমন ঘটে অবতার শ্রীকৃষ্ণের। হিন্দু পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, মথুরার অত্যাচারী রাজা কংসের পাপাচার যখন চরমে পৌঁছায়, ঠিক সেই সময় তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে অত্যাচারী কংসকে নিধন করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। ‘দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন’ই ছিল শ্রীকৃষ্ণের মূল ব্রত।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">dfd1-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:56:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শেরপুর সীমান্তে ইজিবাইকসহ ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70363/06aa-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: </strong>চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে শেরপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস ও একটি ইজিবাইক জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।</p><p>২ সেপ্টেম্বর বুধবার অভিযান পরিচালনা করে এসব মালামালসহ ইজিবাইক জব্দ করা হয়।</p><p>বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) এর শ্রীবরদী উপজেলার কর্ণঝোড়া নামক স্থান দিয়ে চোরাকারবারীরা অভিনব কৌশলে ভারতীয় কসমেটিকস শেরপুরের দিকে পাচারের চেষ্টা করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে একটি ইজিবাইকসহ বিপুল পরিমাণ ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস জব্দ করতে সক্ষম হয় বিজিবি।</p><p>জব্দ করা ইজিবাইক ও কসমেটিকসের সিজার মূল্য ১১ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।</p><p>বিজিবি আরও জানায়, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। সীমান্তে চোরাচালান, মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।</p><p>ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক এ বিষয়ে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করে সীমান্তে অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">06aa-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:48:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জার্মানির সঙ্গে উত্তেজনা: রাশিয়ায় সব জার্মান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধের ঘোষণা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70362/bcd7-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: &nbsp;</strong>রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ দেশটিজুড়ে সব জার্মান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ আজ বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দেন।</p><p>এর আগে জার্মানি অভিযোগ করেছিল, দেশটির লাইপজিগ/হলে বিমানবন্দরে হামলার চেষ্টা করেছে রাশিয়া। এ অভিযোগের ভিত্তিতে জার্মান সরকার দেশটির বন শহরে অবস্থিত রুশ কনস্যুলেট ও বার্লিনে রুশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধের ঘোষণা দেয়।</p><p>এমন অভিযোগ ও পদক্ষেপের জবাবেই মূলত রাশিয়া দেশটিতে থাকা জার্মানির সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়ার পাল্টা সিদ্ধান্ত নিয়েছে।</p><p>লাভরভ বলেছেন, মস্কো, সেন্ট পিটার্সবার্গ ও ইয়েকাতেরিনবার্গে জার্মানির গ্যেটে ইনস্টিটিউট পরিচালিত সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। রাশিয়া যদি কোনো পাল্টা পদক্ষেপ না নিত, তবে তা মস্কোর আত্মসম্মানের জন্য ক্ষতিকর হতো।</p><p>এর আগে জার্মানি অভিযোগ করেছিল, দেশটির লাইপজিগ/হলে বিমানবন্দরে হামলার চেষ্টা করেছে রাশিয়া। এ অভিযোগের ভিত্তিতে জার্মান সরকার দেশটির বন শহরে অবস্থিত রুশ কনস্যুলেট ও বার্লিনে রুশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধের ঘোষণা দেয়।</p><p>রাশিয়ার ভ্লাদিভস্তকে ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামের এক অনুষ্ঠানে লাভরভ আরও বলেন, জার্মানি খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছিল ‘রাশিয়ান হাউস’ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধ করার পরিণতি কী হতে পারে। এর মাধ্যমে রাশিয়াতে জার্মান সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের অবসান ঘটল।</p><p>গত ৪ আগস্ট লাইপজিগ/হলে বিমানবন্দরে ইউক্রেনের একটি উড়োজাহাজের কাছে বিস্ফোরকভর্তি ড্রোন পাওয়া যায়। পরে সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এ বিমানবন্দরটি পণ্য পরিবহনের এক বড় কেন্দ্র।</p><p>বার্লিন অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন রাশিয়াকে তাদের সিদ্ধান্তের পরিণতি ভোগ করতে হবে।<br>—ইয়োহান ওয়াডেফুল, জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী</p><p>পশ্চিমা কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ইউক্রেনের প্রতি ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থন কমানো ও ইউরোপে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির লক্ষ্যে রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে নাশকতামূলক ও বিভ্রান্তিকর তৎপরতা চালিয়ে আসছে।</p><p>রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, জার্মানি নিজের ব্যর্থতা ও ভোটারদের অসন্তোষ থেকে মানুষের মনোযোগ সরাতে রাশিয়ার ওপর দায় চাপাচ্ছে। মস্কোর বিরুদ্ধে সাজানো প্রমাণ হাজির করা হচ্ছে।</p><p>লাইপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলাচেষ্টার পর কীভাবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা নিয়ে গতকাল বুধবার আলোচনা করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। তবে সামরিক পদক্ষেপ ছাড়াই রাশিয়াকে মোকাবিলার নতুন উপায় খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা।</p><p>জার্মানির লাইপজিগ/হলে বিমানবন্দরে হামলার চেষ্টার পর কীভাবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা নিয়ে গতকাল বুধবার আলোচনা করেছেন ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।</p><p>আয়ারল্যান্ডে ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের আগে জোটের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি স্পষ্ট যে এর মধ্যে (ড্রোন দিয়ে হামলার চেষ্টা) রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসের সব লক্ষণ রয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, আমরা এর বিপরীতে কী পদক্ষেপ নেব।’</p><p>বৈঠকে মন্ত্রীরা নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ, ভিসা বিধিনিষেধ ও রুশ কনস্যুলেটগুলো বন্ধ করে দেওয়ার মতো বিভিন্ন কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন।</p><p>ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এরই মধ্যে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইইউ। নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাশিয়ার তিন হাজারের বেশি কর্মকর্তা, ধনী ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।</p><p>কাজা কালাস বলেছেন, আরও ১ হাজার ৬০০ ব্যক্তির ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ জব্দ করার মতো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।</p><p>জার্মানি বলেছে, তারা রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি কোনো যুদ্ধে জড়ায়নি। এরপরও নিয়মিতভাবে ক্রেমলিনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে তাদের।</p><p>জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াডেফুল বলেন, বার্লিন অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন রাশিয়াকে তাদের সিদ্ধান্তের পরিণতি ভোগ করতে হবে। একই সঙ্গে ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে রাশিয়াকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান তিনি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">bcd7-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:47:45 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জন্মনিবন্ধন থেকে এনআইডি, সব পরিচয়পত্রের ‘এক-আইডি’]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70361/17fd-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দেশের সব নাগরিককে জন্মের পর থেকেই একক পরিচয়পত্র দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ‘ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেনটিটি’ বা ‘এক-আইডি’ নামের এই পরিচয়পত্রটি নাগরিকের সারা জীবনের জন্য স্থায়ী ও স্বতন্ত্র পরিচয় হিসেবে ব্যবহৃত হবে।</p><p>স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সরকারি অন্যান্য সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে এই পরিচয়পত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ নতুন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে।</p><p>‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ বা ‘ডি-স্টার’ নামের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল। ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুমোদনের জন্য প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা।</p><p>বর্তমানে দেশে জন্মের পর শিশুদের জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়। ১৮ বছর বয়স হলে দেওয়া হয় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)। তবে নতুন ব্যবস্থায় বয়সের কোনো সীমা থাকবে না। জন্মের পরই নাগরিককে একক পরিচয়পত্র দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিচয়পত্র চালু হলে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে নাগরিককে একই তথ্য বারবার দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।</p><p>তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, একক পরিচয়পত্র চালু হলে ধীরে ধীরে বিদ্যমান বিভিন্ন কার্ডের কার্যকারিতা এই কার্ডের মধ্যে একীভূত করার পরিকল্পনা রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো বিভিন্ন কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া সেবাও ভবিষ্যতে এক-আইডির মাধ্যমে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।</p><p>জানা গেছে, একক পরিচয়পত্র তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, এস্তোনিয়া ও ভারতের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।</p><p>তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ নতুন এই ব্যবস্থার ধারণাকে ‘একজন নাগরিক, একটি ডিজিটাল পরিচয়, একটি ওয়ালেট’ হিসেবে তুলে ধরেছেন। অর্থাৎ একজন নাগরিকের একটি পরিচয়পত্র থাকবে, যা হবে তার ডিজিটাল পরিচয় এবং এর মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধাও পাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নতুন পরিচয়পত্রে কী কী তথ্য থাকবে, তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।</p><p>প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ জনশুমারির তথ্যের ভিত্তিতে দেশের প্রায় ১৮ কোটি নাগরিকের জন্য পরিচয়পত্র তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে কার্ড উৎপাদন ও মুদ্রণ করা হবে ২০ কোটি।</p><p>জানা গেছে, প্রতিটি পলিকার্বোনেট চিপ কার্ড উৎপাদন ও মুদ্রণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ মার্কিন ডলার (বর্তমান হিসাবে প্রায় ২৪৬ টাকা)। এর বাইরে প্রতিটি কার্ড বিতরণ ও সরবরাহে ব্যয় ধরা হয়েছে এক মার্কিন ডলার বা প্রায় ১২৩ টাকা। অর্থাৎ উৎপাদন, মুদ্রণ, বিতরণ ও সরবরাহ মিলিয়ে প্রতিটি কার্ডে মোট ব্যয় হবে প্রায় ৩৬৯ টাকা।</p><p>প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দেবে ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা এবং বিশ্বব্যাংকের ঋণ থেকে আসবে ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা।</p><p>প্রকল্পের সবচেয়ে বড় ব্যয় হবে কার্ড উৎপাদন, মুদ্রণ, বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ ও বিতরণে। এ খাতে মোট ৭ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।</p><p>বর্তমানে দেশে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও কর শনাক্তকরণ নম্বরসহ বিভিন্ন ধরনের পরিচয়পত্র ও নম্বর চালু রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব তথ্যভান্ডারের মধ্যে কার্যকর আন্তঃসংযোগ তৈরি করা গেলে নাগরিকদের একই তথ্য বারবার সংগ্রহের প্রয়োজন হবে না। এতে সরকারি সেবা গ্রহণে নাগরিকদের ভোগান্তি কমবে এবং সেবাদানের প্রক্রিয়াও আরও সহজ ও কার্যকর হবে।</p><p>সূত্র: যুগান্তর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">17fd-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:39:30 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বেরোবিতে মিড সেমিস্টার পরীক্ষা মিস করলে জরিমানা, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/campus/70360/93b8-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বেরোবি প্রতিনিধি: </strong>বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলে স্নাতক (সম্মান) শিক্ষার্থীদের ১ হাজার ২০০ টাকা এবং স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, অসুস্থতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে পরীক্ষা মিস করলেও এ পরিমাণ জরিমানা দেওয়া সাধারণ, মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য কষ্টসাধ্য।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্যসচিব ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আদেশটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ক্যাম্পাসে এ নিয়ে সমালোচনা ও প্রতিবাদ শুরু হয়েছে।</p><p>অফিস আদেশ অনুযায়ী, অসুস্থতাজনিত কারণে মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ১ হাজার ২০০ টাকা এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। নির্ধারিত ফি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার পর এ নিয়ম কার্যকর হবে।</p><p>শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও মিড উইকের নিয়ম থাকলেও বিভিন্ন বিভাগে তা সব সময় অনুসরণ করা হয় না। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষকেরা নিজেদের মতো করে পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করেন। ফলে বিভিন্ন কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা মিস করার ঘটনা ঘটে। পরীক্ষার সময়সূচি যথাযথভাবে না জানিয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর জুলুমের শামিল বলেও মন্তব্য করেছেন তাঁরা।</p><p>বেরোবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইয়ামিন ইসলাম বলেন, ‘অনেক বিভাগে মিড উইক নেই। শিক্ষকেরা নিজেদের মতো করে পরীক্ষা নেন। তাঁদের ইচ্ছামতো পরীক্ষা নিয়ে কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষা মিস করলে জরিমানা করা অযৌক্তিক এবং একধরনের জুলুম।’ তিনি বলেন, ‘এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের। তাঁরা নানা সমস্যার মধ্যে পড়াশোনা করেন। আমরা চাই, এ ধরনের জরিমানা ব্যবস্থা না থাকুক। মিড উইক থাকবে এবং সেই অনুযায়ী পরীক্ষা নিতে হবে। তাহলে শিক্ষার্থীরা হয়রানির শিকার হবে না।’</p><p>ইয়ামিন ইসলাম আরও বলেন, ‘এখানে শিক্ষকেরাই অনিয়ম করছেন। সে ক্ষেত্রে আমরা চাই, সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুন ও গঠনতান্ত্রিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হোক।’</p><p>পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান সিয়াম বলেন, ‘প্রশাসন কি একবারও ভেবে দেখেছে, এই টাকাটা কারও এক মাসের সিট ভাড়া, আবার কারও ১৫ দিনের খাবার খরচ। এসব বাস্তবতা যদি একটু বোঝা হতো, তাহলে শিক্ষার্থীদের ওপর বোঝা চাপায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে হয়তো আরেকবার ভাবা হতো।’ তিনি বলেন, ‘আমি তো হঠাৎ করে অসুস্থ হতেই পারি। অসুস্থতার কারণে যদি কোনো পরীক্ষা দিতে না পারি, সে জন্যও আবার ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হবে। বিষয়টি সত্যিই হতাশাজনক। শিক্ষার্থীদের সমস্যা বোঝার কথা যাঁদের, তাঁরাই যদি এমন সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে আমরা যাব কোথায়।’</p><p>রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে সব শ্রেণির শিক্ষার্থী, বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করেন। অসুস্থতা বা বিভিন্ন কারণে কোনো শিক্ষার্থী মিড পরীক্ষা দিতে না পারলে শিক্ষক বা বিভাগের পরামর্শে তাঁকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া যেত। প্রশাসনের এ ব্যবস্থায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শিক্ষার্থীদের জন্য জরিমানা দেওয়া খুবই কষ্টকর হবে। আমি মনে করি, প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীবান্ধব নয়, যদিও প্রশাসন সব সময় বলে তারা শিক্ষার্থীবান্ধব।’</p><p>ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোশারফ হোসেন বলেন, ‘সিদ্ধান্তটি তখনই কার্যকর হওয়া উচিত, যখন একজন শিক্ষার্থী সেমিস্টারের শুরুতেই জানতে পারবেন তাঁর পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি বিভাগের একটি নির্দিষ্ট একাডেমিক ক্যালেন্ডার থাকা উচিত, যেখানে ক্লাস, পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমের সময়সূচি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। অন্যথায়, পরীক্ষার সময়সূচি না জানিয়ে হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর জুলুম করার শামিল।’</p><p>তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা মিস করার প্রবণতা কমাতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><p>এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্যসচিব ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘জরিমানা করাটা আসলে মুখ্য বিষয় নয়। অকারণে বা ভিত্তিহীন অজুহাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিড সেমিস্টার পরীক্ষা মিস করার প্রবণতা অনেক বেড়ে গেছে।’ তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যে হারে মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকে, সেই তুলনায় ফাইনাল পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকে না। আমরা মনে করি, এই নিয়ম আরোপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা কমবে।’</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">93b8-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:39:03 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জামিন পেলেন না অভিনেতা রিয়াজ, আবেদন ফেরত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/70359/4d9b-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক:</strong> বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা দুটি হত্যা মামলায় চলচ্চিত্র অভিনেতা রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সিদ্দিকের জামিন আবেদন ফেরত দিয়েছেন হাইকোর্ট।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর সেপ্টেম্বর বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে সশরীরে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন করেন রিয়াজ। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি ফেরত দেওয়ার আদেশ দেন।</p><p>আদালতে রিয়াজের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মঞ্জুরুল আলম সুজন। শুনানি শেষে আদালতের সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল।</p><p>রিয়াজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর একটিতে জুলাই আন্দোলনকালে রাজধানীর সরকারি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><p>২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করতে শাহবাগ থানাকে নির্দেশ দেন। পরে ২ মে মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করা হয়।</p><p>সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে দায়ের করা ওই মামলায় রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ মোট ২০১ জনকে আসামি করা হয়েছে।</p><p>আসামির তালিকায় রিয়াজ ছাড়াও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মামুনুর রশীদ, মেহের আফরোজ শাওন, অরুণা বিশ্বাস, জ্যোতিকা জ্যোতি, শামীমা তুষ্টি, শমী কায়সার, সাজু খাদেম, আশনা হাবীব ভাবনা, সোহানা সাবা, রোকেয়া প্রাচী ও জায়েদ খানসহ বিনোদন জগতের আরও ১৩ জন রয়েছেন।</p><p>উল্লেখ্য, হাইকোর্টে জামিন আবেদন ফেরত দেওয়ার অর্থ এই নয় যে আদালত আবেদনটি খারিজ করেছেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4d9b-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:22:01 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জামিন পেলেন না অভিনেতা রিয়াজ, আবেদন ফেরত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/70359/4d9b-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক:</strong> বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা দুটি হত্যা মামলায় চলচ্চিত্র অভিনেতা রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সিদ্দিকের জামিন আবেদন ফেরত দিয়েছেন হাইকোর্ট।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর সেপ্টেম্বর বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে সশরীরে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন করেন রিয়াজ। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি ফেরত দেওয়ার আদেশ দেন।</p><p>আদালতে রিয়াজের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মঞ্জুরুল আলম সুজন। শুনানি শেষে আদালতের সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল।</p><p>রিয়াজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর একটিতে জুলাই আন্দোলনকালে রাজধানীর সরকারি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><p>২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করতে শাহবাগ থানাকে নির্দেশ দেন। পরে ২ মে মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করা হয়।</p><p>সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে দায়ের করা ওই মামলায় রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ মোট ২০১ জনকে আসামি করা হয়েছে।</p><p>আসামির তালিকায় রিয়াজ ছাড়াও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মামুনুর রশীদ, মেহের আফরোজ শাওন, অরুণা বিশ্বাস, জ্যোতিকা জ্যোতি, শামীমা তুষ্টি, শমী কায়সার, সাজু খাদেম, আশনা হাবীব ভাবনা, সোহানা সাবা, রোকেয়া প্রাচী ও জায়েদ খানসহ বিনোদন জগতের আরও ১৩ জন রয়েছেন।</p><p>উল্লেখ্য, হাইকোর্টে জামিন আবেদন ফেরত দেওয়ার অর্থ এই নয় যে আদালত আবেদনটি খারিজ করেছেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4d9b-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:22:01 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সাংবাদিকদের গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70358/0de0-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশের সার্বিক অগ্রগতি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গণমাধ্যমকর্মীদের গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ভোলা প্রেসক্লাবে জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।</p><p>তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকরা সরকারের সকল উন্নয়নমূলক কাজের পাশে থেকে সঠিক চিত্র তুলে ধরবেন—এটাই জাতির প্রত্যাশা। তবে, কেবল নীতিমালা তৈরি করে সাংবাদিকদের গুণগত মান পরিবর্তন করা যাবে না; নৈতিকতার জায়গা থেকে তাদের বস্তুনিষ্ঠভাবে তৈরি হতে হবে। সাংবাদিকদের মনে রাখতে হবে, তাদের লেখনি যেন মানুষের কল্যাণে আসে এবং অহেতুক কারো সম্মান নষ্ট না করে।’</p><p>রাষ্ট্রীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, জনগণের সুবিধার জন্য সরকার যেসব উন্নয়ন বরাদ্দ পাঠায়, সেগুলো সঠিকভাবে বণ্টন হচ্ছে কি না এবং উন্নয়ন টেকসই হচ্ছে কি না—সেদিকে সাংবাদিকদের নজর রাখতে হবে।</p><p>মাদক সমস্যা প্রতিরোধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আন্দালিভ রহমান বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে এলাকাভিত্তিক কমিউনিটি পুলিশিং ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।</p><p>ভোলার আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়ে আন্দালিভ রহমান বলেন, দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, মেডিকেল কলেজ স্থাপন ও জেলাজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে কাজ চলছে। ভোলার সার্বিক রূপান্তরে তিনি সকল সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।</p><p>ভোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির লিটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার), জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ভোলা জেলা সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতনসহ অন্যান্য স্থানীয় রাজনৈতিক ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0de0-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:20:32 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সাংবাদিকদের গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/mass-media/70358/0de0-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশের সার্বিক অগ্রগতি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গণমাধ্যমকর্মীদের গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ভোলা প্রেসক্লাবে জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।</p><p>তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকরা সরকারের সকল উন্নয়নমূলক কাজের পাশে থেকে সঠিক চিত্র তুলে ধরবেন—এটাই জাতির প্রত্যাশা। তবে, কেবল নীতিমালা তৈরি করে সাংবাদিকদের গুণগত মান পরিবর্তন করা যাবে না; নৈতিকতার জায়গা থেকে তাদের বস্তুনিষ্ঠভাবে তৈরি হতে হবে। সাংবাদিকদের মনে রাখতে হবে, তাদের লেখনি যেন মানুষের কল্যাণে আসে এবং অহেতুক কারো সম্মান নষ্ট না করে।’</p><p>রাষ্ট্রীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, জনগণের সুবিধার জন্য সরকার যেসব উন্নয়ন বরাদ্দ পাঠায়, সেগুলো সঠিকভাবে বণ্টন হচ্ছে কি না এবং উন্নয়ন টেকসই হচ্ছে কি না—সেদিকে সাংবাদিকদের নজর রাখতে হবে।</p><p>মাদক সমস্যা প্রতিরোধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আন্দালিভ রহমান বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে এলাকাভিত্তিক কমিউনিটি পুলিশিং ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।</p><p>ভোলার আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়ে আন্দালিভ রহমান বলেন, দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, মেডিকেল কলেজ স্থাপন ও জেলাজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে কাজ চলছে। ভোলার সার্বিক রূপান্তরে তিনি সকল সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।</p><p>ভোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির লিটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার), জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ভোলা জেলা সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতনসহ অন্যান্য স্থানীয় রাজনৈতিক ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0de0-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:20:32 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের নিয়োগ-বদলির নথি চেয়েছে দুদক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70357/f431-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়িত্ব পালনকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলির যাবতীয় তথ্য ও নথি চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই সঙ্গে ৩৮ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান ও বাতিল এবং পদায়নসংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়েছে।</p><p>দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এসব নথিপত্র চেয়ে ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে দুদক। সংস্থার উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহিদ কালাম স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।</p><p>এ বিষয়ে দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান বলেন, ‘এটি অনুসন্ধান পর্যায়ে আছে। অনুসন্ধানের জন্য আমরা বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছি।’</p><p>এর আগে ২ সেপ্টেম্বর বুধবার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করার কথা জানায় দুদক।</p><p>নথি চেয়ে চিঠিতে বলা হয়, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে।</p><p>অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে মন্ত্রণালয়ের কাছে চার ধরনের তথ্য ও নথি চেয়েছে দুদক। এর মধ্যে রয়েছে- আসিফ মাহমুদ দায়িত্ব পালনকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলিসংক্রান্ত তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র। এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ৭ মে ও ২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিলের স্মারকের ভিত্তিতে বদলিসংক্রান্ত নথির সত্যায়িত অনুলিপি চাওয়া হয়েছে।</p><p>দুদকের চিঠিতে তিনটি স্মারকের ভিত্তিতে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান ও বাতিল এবং পদায়নসংক্রান্ত নথির সত্যায়িত অনুলিপিও চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠপর্যায়ের কয়েকজন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথির সত্যায়িত অনুলিপি চেয়েছে অনুসন্ধান দল।</p><p>তারা হলেন- গোলাম মোস্তফা, মামুন, জাহিদ, আমির (ঢাকা), আনিচ, জাহিদ ও ইব্রাহীম (বগুড়া), জুলহাস (বরিশাল), নকিমউদ্দিন, আলী হোসেন, আবু সাঈদ (পাবনা), কোরবান আলী (ধামরাই) ও আলী হোসেন (নরসিংদী)।</p><p>দুদকের চাওয়া নথির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান ও সহায়ক রেকর্ডপত্রও পাঠাতে বলা হয়েছে মন্ত্রণালয়কে।</p><p>আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ও বদলির ক্ষেত্রে ঘুষ গ্রহণ এবং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দরপত্র ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে রয়েছে।</p><p>দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পদায়নের জন্য ৭৬ লাখ টাকা, ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা এবং পদোন্নতির পর পছন্দমতো পদায়নের জন্য আরও প্রায় দুই কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।</p><p>তবে আসিফ মাহমুদ তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার’ বিষয়ে দুদকের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। বুধবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।</p><p>সূত্র: জাগো নিউজ</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f431-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:18:29 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[তিন বছরে ৪ শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70356/245a-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে গত তিন বছরে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) সদস্যভুক্ত ৪০২টি পোশাক কারখানাসহ ৪০০টির বেশি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।</p><p>এর মধ্যে বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত ২৮২টি এবং বিকেএমইএ সদস্যভুক্ত ১২০টি কারখানা রয়েছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর নামের তালিকা সংগ্রহের কাজ চলছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে জামায়াতের সংসদ সদস্য রুহুল আমিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।</p><p>স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে পোশাকশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, কারখানা বন্ধ হওয়ার কারণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের অবস্থান নিয়ে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়েও তথ্য তুলে ধরা হয়।</p><p>বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, গত কয়েক বছরে দেশের পোশাকশিল্প একাধিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এসব সংকটের সম্মিলিত প্রভাবে অনেক কারখানা উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেনি। বিশেষ করে করোনা মহামারির প্রভাব কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক মন্দার মতো পরিস্থিতি বৈশ্বিক পোশাকবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।</p><p>তিনি আরও জানান, পোশাক কারখানা বন্ধ হওয়ার পেছনে শুধু বৈশ্বিক সংকটই দায়ী নয়; দেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সমস্যাও এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থ পাচারের কারণে ব্যাংকিং খাতে তারল্যসংকট এবং ব্যবসা পরিচালনায় নানা ধরনের চাপের ফলে অনেক উদ্যোক্তা সংকটে পড়েছেন। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতাও দিন দিন তীব্র হচ্ছে।</p><p>বিজিএমইএর ২২ জুন প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের তথ্য উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের ওপর একদিকে যেমন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির চাপ রয়েছে, অন্যদিকে প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সুবিধার ব্যবধানও তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে ইউরোপের সঙ্গে ভারত ও ভিয়েতনামের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের জন্য নতুন প্রতিযোগিতামূলক চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।</p><p>এ ছাড়া বিদেশি ক্রেতাদের নিজস্ব মনিটরিং ব্যবস্থার সুবিধার জন্য ছোট ও মাঝারি আকারের কারখানাগুলোতে রপ্তানি আদেশ দিতে অনাগ্রহও দেশের পোশাকশিল্পে প্রভাব ফেলছে বলে সংসদে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। ফলে বড় কারখানাগুলোর পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারাও রপ্তানি আদেশ সংকটের মুখে পড়ছেন।</p><p>এদিকে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বড় একটি চ্যালেঞ্জের কথা সংসদে তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ শিগগিরই স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। এর ফলে উন্নত দেশগুলোর ট্রেডিং স্কিমের আওতায় বাংলাদেশ বর্তমানে যে অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পেয়ে থাকে, তার একটি বড় অংশ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব দেশের রপ্তানি খাতে পড়তে পারে এবং প্রায় ১৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।</p><p>এই সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ইতোমধ্যে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বা ইপিএ সম্পাদিত হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট বা সিইপিএ করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ বা আরসিইপি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া ও চীনসহ পোশাক ও অন্যান্য পণ্য রপ্তানির সম্ভাবনাময় দেশ ও জোটের সঙ্গে ইপিএ, সিইপিএ বা এফটিএ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>তিনি আরও জানান, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ধরে রাখা এবং এলডিসি-পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্য বাণিজ্য সুবিধা হারানোর প্রভাব কমিয়ে আনা। একই সঙ্গে নতুন বাজার সৃষ্টি এবং বিদ্যমান বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।</p><p>বিএনপির সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়ার এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদে পোশাকশিল্পের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প থেকে ৪৪ হাজার ৫০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে চলতি বছরের জুলাই মাসে পোশাক রপ্তানি থেকে ৩ হাজার ৮৮৬ দশমিক ৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়েছে।</p><p>তবে একদিকে রপ্তানি আয়ের বড় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও অন্যদিকে বিপুলসংখ্যক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা শিল্পটির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উৎপাদন সক্ষমতা, কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সবকিছুর ওপরই এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p><p>চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের প্রশ্নের জবাবে দেশের ভোজ্যতেল পরিস্থিতি নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদার প্রায় সম্পূর্ণটাই আমদানি নির্ভর। বর্তমানে দেশে প্রতিবছর প্রায় ২২ থেকে ২৫ লাখ টন ভোজ্যতেলের প্রয়োজন হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম, সরবরাহ ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় পরিস্থিতির ওপর দেশের ভোজ্যতেল বাজার অনেকাংশে নির্ভরশীল।</p><p>অন্যদিকে কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল গফুরের প্রশ্নের জবাবে দেশের কৃষিপণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও কিছু ইতিবাচক তথ্য তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২২ দশমিক ৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পান রপ্তানি করেছে। বাংলাদেশের পান লেবানন, ওমান, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হচ্ছে।</p><p>সূত্র: চ্যানেল ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">245a-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:04:27 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[তিন বছরে ৪ শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/70356/245a-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে গত তিন বছরে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) সদস্যভুক্ত ৪০২টি পোশাক কারখানাসহ ৪০০টির বেশি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।</p><p>এর মধ্যে বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত ২৮২টি এবং বিকেএমইএ সদস্যভুক্ত ১২০টি কারখানা রয়েছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর নামের তালিকা সংগ্রহের কাজ চলছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে জামায়াতের সংসদ সদস্য রুহুল আমিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।</p><p>স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে পোশাকশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, কারখানা বন্ধ হওয়ার কারণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের অবস্থান নিয়ে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়েও তথ্য তুলে ধরা হয়।</p><p>বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, গত কয়েক বছরে দেশের পোশাকশিল্প একাধিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এসব সংকটের সম্মিলিত প্রভাবে অনেক কারখানা উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেনি। বিশেষ করে করোনা মহামারির প্রভাব কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক মন্দার মতো পরিস্থিতি বৈশ্বিক পোশাকবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।</p><p>তিনি আরও জানান, পোশাক কারখানা বন্ধ হওয়ার পেছনে শুধু বৈশ্বিক সংকটই দায়ী নয়; দেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সমস্যাও এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থ পাচারের কারণে ব্যাংকিং খাতে তারল্যসংকট এবং ব্যবসা পরিচালনায় নানা ধরনের চাপের ফলে অনেক উদ্যোক্তা সংকটে পড়েছেন। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতাও দিন দিন তীব্র হচ্ছে।</p><p>বিজিএমইএর ২২ জুন প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের তথ্য উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের ওপর একদিকে যেমন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির চাপ রয়েছে, অন্যদিকে প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সুবিধার ব্যবধানও তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে ইউরোপের সঙ্গে ভারত ও ভিয়েতনামের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের জন্য নতুন প্রতিযোগিতামূলক চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।</p><p>এ ছাড়া বিদেশি ক্রেতাদের নিজস্ব মনিটরিং ব্যবস্থার সুবিধার জন্য ছোট ও মাঝারি আকারের কারখানাগুলোতে রপ্তানি আদেশ দিতে অনাগ্রহও দেশের পোশাকশিল্পে প্রভাব ফেলছে বলে সংসদে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। ফলে বড় কারখানাগুলোর পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারাও রপ্তানি আদেশ সংকটের মুখে পড়ছেন।</p><p>এদিকে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বড় একটি চ্যালেঞ্জের কথা সংসদে তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ শিগগিরই স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। এর ফলে উন্নত দেশগুলোর ট্রেডিং স্কিমের আওতায় বাংলাদেশ বর্তমানে যে অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পেয়ে থাকে, তার একটি বড় অংশ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব দেশের রপ্তানি খাতে পড়তে পারে এবং প্রায় ১৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।</p><p>এই সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ইতোমধ্যে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বা ইপিএ সম্পাদিত হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট বা সিইপিএ করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ বা আরসিইপি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া ও চীনসহ পোশাক ও অন্যান্য পণ্য রপ্তানির সম্ভাবনাময় দেশ ও জোটের সঙ্গে ইপিএ, সিইপিএ বা এফটিএ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>তিনি আরও জানান, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ধরে রাখা এবং এলডিসি-পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্য বাণিজ্য সুবিধা হারানোর প্রভাব কমিয়ে আনা। একই সঙ্গে নতুন বাজার সৃষ্টি এবং বিদ্যমান বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।</p><p>বিএনপির সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়ার এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদে পোশাকশিল্পের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প থেকে ৪৪ হাজার ৫০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে চলতি বছরের জুলাই মাসে পোশাক রপ্তানি থেকে ৩ হাজার ৮৮৬ দশমিক ৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়েছে।</p><p>তবে একদিকে রপ্তানি আয়ের বড় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও অন্যদিকে বিপুলসংখ্যক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা শিল্পটির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উৎপাদন সক্ষমতা, কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সবকিছুর ওপরই এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p><p>চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের প্রশ্নের জবাবে দেশের ভোজ্যতেল পরিস্থিতি নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদার প্রায় সম্পূর্ণটাই আমদানি নির্ভর। বর্তমানে দেশে প্রতিবছর প্রায় ২২ থেকে ২৫ লাখ টন ভোজ্যতেলের প্রয়োজন হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম, সরবরাহ ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় পরিস্থিতির ওপর দেশের ভোজ্যতেল বাজার অনেকাংশে নির্ভরশীল।</p><p>অন্যদিকে কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল গফুরের প্রশ্নের জবাবে দেশের কৃষিপণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও কিছু ইতিবাচক তথ্য তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২২ দশমিক ৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পান রপ্তানি করেছে। বাংলাদেশের পান লেবানন, ওমান, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হচ্ছে।</p><p>সূত্র: চ্যানেল ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">245a-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 18:04:27 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নীতিমালার কাজ চলছে তাতে কোনো শিক্ষকই নিরাশ হবেন না : ববি হাজ্জাজ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/education/70355/c6e4-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>প্রাথমিকের শিক্ষকদের নিয়ে যে নীতিমালার কাজ চলছে তাতে কোনো শিক্ষকই নিরাশ হবেন না বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনার একটি অভিজাত হোটেলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি শীর্ষক প্রকল্প সম্পর্কে প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>প্রতিমন্ত্রীর আরও বলেন, শুধু চিন্তাই নয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নতুন শিক্ষা নীতিমালার উপর কাজ করছে। অধিদপ্তর প্রতিবেদন প্রেরণ করলে সেটি মন্ত্রণালয়ে এলে তা ক্যাবিনেটে পাঠানো হবে।</p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত দিনগুলোতে প্রাথমিক শিক্ষার মান ড্রপ করেছিল। এখন আমরা শক্তভাবে কাজ করছি প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য। টিচারদের প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে সার্বিক বিষয়ে মান উন্নয়নের জন্য আমরা ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য চেষ্টা করছি।</p><p>খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন) মো. মতিয়ার রহমান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. আবুল আমিন।</p><p>অনুষ্ঠানে শিক্ষা অফিসে অফিসের কর্মকর্তা, খুলনার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c6e4-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 17:58:48 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইরান যুদ্ধের চাপে গভীর সংকটে মার্কিন সামরিক বাহিনী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70354/ae56-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>বিশ্বজুড়ে সামরিক প্রভাব বিস্তারের নীতিতে অভ্যস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন অভ্যন্তরীণ ও কৌশলগত সংকটে জর্জরিত হয়ে পড়েছে। পেন্টাগনের শীর্ষ নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে বিশৃঙ্খলা, জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডারদের পদত্যাগ এবং মারাত্মকভাবে অস্ত্রাগারের শূন্যতা ওয়াশিংটনের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সক্ষমতাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। এই সংকট কেবল কোনো একক সামরিক অভিযানের প্রত্যক্ষ খরচের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই বরং এটি ক্ষমতার কাঠামোগত দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে।</p><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের মেয়াদেও হোয়াইট হাউস ও সামরিক শীর্ষ কমান্ডারদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা গিয়েছিল। তবে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বর্তমান প্রশাসনে কমান্ড কাঠামোতে যে মাত্রায় রদবদল ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তার নজির ইতিহাসে বিরল। সাম্প্রতিক সময়ে বিশজনেরও বেশি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে অপসারণ করা এবং বহু কমান্ডারের পদোন্নতি আটকে দেওয়ার ঘটনা মার্কিন সামরিক বাহিনীর সামগ্রিক স্থায়িত্ব ও চেইন অব কমান্ডকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে।</p><p>এই চরম প্রশাসনিক অস্থিতিশীলতা এমন এক মুহূর্তে দেখা দিয়েছে, যখন মার্কিন বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সাথে দীর্ঘায়িত এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল যুদ্ধে জড়িয়ে রয়েছে। মার্কিন আর্মি সেক্রেটারি ড্যান ড্রিসকলের পদত্যাগ এই সাম্প্রতিক উত্তেজনার সবচেয়ে বড় নিদর্শন। ওয়ার সেক্রেটারি পিট হেগসেথের সাথে নীতিগত ও প্রশাসনিক গভীর বিরোধের জের ধরে ড্রিসকল পদ ছাড়তে বাধ্য হন। এই বিরোধ কেবল ব্যক্তিপর্যায়ের ছিল না বরং সামরিক কমান্ড পরিচালনা এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের গণহারে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিল।</p><p>সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন রাজনৈতিক কর্মকর্তা বা কয়েকজন সামরিক অধিনায়কের বিদায় আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ মনে হতে পারে কিন্তু একটি সুশৃঙ্খল সামরিক কাঠামোতে নেতৃত্বের স্থায়িত্বই হলো মূল যুদ্ধক্ষমতা। একটি সেনাবাহিনী কেবল অত্যাধুনিক বিমান, মিসাইল, যুদ্ধজাহাজ বা ট্যাংকের সমষ্টি নয় এর পেছনে কমান্ডারদের অভিজ্ঞতা, বাহিনীর ভেতরের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি বিশ্বস্ততার মতো অদৃশ্য শক্তি কাজ করে।</p><p>এই দৃষ্টিকোণ থেকে ইরানের সাথে শুরু হওয়া যুদ্ধ মার্কিন বাহিনীর ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে এখনো প্রযুক্তি, বিমান ও নৌশক্তি, গোয়েন্দা ব্যবস্থা এবং লজিস্টিকসের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বলে গণ্য করা হয়, তথাপি বাস্তব সত্য হলো কোনো শক্তিরই সম্পদ অসীম নয়। হোয়াইট হাউস বর্তমানে এই যুদ্ধের প্রত্যক্ষ খরচ হিসেবে প্রায় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলারের হিসাব দেখালেও বাস্তবে এর প্রকৃত আর্থিক ও কৌশলগত মূল্য বহু গুণ বেশি। বিপুল পরিমাণ দূরপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার, সামরিক সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদে সৈন্য মোতায়েন এবং সামরিক সক্ষমতা পুনঃগঠনের ব্যয় এই প্রাতিষ্ঠানিক পরিসংখ্যানে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না।</p><p>সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিসিজন মিউনিশন বা নিখুঁত লক্ষ্যভেদী অস্ত্র এবং ইন্টারসেপ্টর সিস্টেমের আশঙ্কাজনক ঘাটতি। যুদ্ধক্ষেত্রে পেট্রিওট মিসাইল এবং অন্যান্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসার খবর মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা ও তাদের মিত্রদের গভীরভাবে চিন্তিত করে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রকে কেবল মধ্যপ্রাচ্যের জন্য অস্ত্র প্রস্তুত রাখলেই চলে না; ইউরোপ, এশিয়া-প্যাসিফিকসহ বিশ্বের অন্যান্য সংবেদনশীল অঞ্চলে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখতে বিশাল অস্ত্রের মজুত রাখতে হয়। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যবহৃত প্রতিটি ইন্টারসেপ্টর কেবল একটি গোলাবর্ষণের ঘটনা নয়, বরং এটি এশিয়া বা ইউরোপের অন্য কোনো সম্ভাব্য সংকটের জন্য সংরক্ষিত অস্ত্রের ঘাটতি তৈরি করছে।</p><p>এই বাস্তবতায় মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ সরাসরি চীন ও রাশিয়ার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সাথে যুক্ত হয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যদি মাসের পর মাস ধরে চলে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সেখানে বিশাল আকারের সেনা, যুদ্ধজাহাজ ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আটকে রাখতে হয়, তবে বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে যেকোনো নতুন সংকট মোকাবিলায় মার্কিন বাহিনীর নমনীয়তা ও তাৎক্ষণিক সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে।</p><p>বিশেষ করে তাইওয়ান ও পূর্ব এশিয়ার মার্কিন মিত্রদের জন্য এটি একটি বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিত্র দেশগুলো কেবল ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক প্রতিশ্রুতিতে আশ্বস্ত হয় না; তারা নজর রাখে বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে কতটি যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রস্তুত রয়েছে এবং সংকট মুহূর্তে সেগুলো কত দ্রুত পৌঁছাতে পারবে। ফলে অস্ত্রাগারের এই ঘাটতি এখন একটি বড় রাজনৈতিক ও কৌশলগত সংকট হিসেবে দাঁড়িয়েছে।</p><p>দীর্ঘমেয়াদে এই ঘাটতি পূরণ করতে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের প্রতিরক্ষা বাজেটের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করতে হবে, অস্ত্রের নতুন অর্ডার বাড়াতে হবে এবং প্রাক-যুদ্ধ অবস্থায় ফিরতে বছরের পর বছর সময় লেগে যাবে। সরঞ্জাম ছাড়াও দক্ষ মানবসম্পদের ক্ষয়ক্ষতি একটি বড় বাস্তবতা। অভিজ্ঞ কমান্ডারদের বিদায় এবং যুদ্ধরত অবস্থায় চেইন অব কমান্ডে বারবার পরিবর্তন মার্কিন বাহিনীর কার্যক্ষমতার ওপর যে প্রভাব ফেলছে, তার মূল্য আর্থিক অংকে পরিমাপ করা কঠিন।</p><p>সার্বিকভাবে, যে যুদ্ধকে মার্কিন সামরিক শক্তির প্রদর্শন হিসেবে তুলে ধরার কথা ছিল, তা এখন আমেরিকার বৈশ্বিক ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সামরিক শক্তির মূল পরিমাপক কেবল যুদ্ধ শুরু করার ক্ষমতা নয় বরং দীর্ঘায়িত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া, অস্ত্রের ঘাটতি দ্রুত পূরণ করা এবং একই সাথে বিশ্বজুড়ে বহু পাক্ষিক সংকট একসঙ্গে সামাল দেওয়ার সামর্থ্য রক্ষা করা। ইরান যুদ্ধ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই অসীম ক্ষমতার ধারণাকেই বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।</p><p>সূত্র: মেহের নিউজ</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ae56-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 17:42:01 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জয়পুরহাটে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও গাছ কাটার অভিযোগ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70353/3423-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জয়পুরহাট প্রতিনিধি:</strong> জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ, গাছের ডাল কেটে বিক্রি, সরকারি বরাদ্দের টাকা যথাযথভাবে ব্যয় না করা এবং দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।</p><p>এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সম্পত্তি দাতা পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর পক্ষে মো. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী (আলম) ২ সেপ্টেম্বর বুধবার জয়পুরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহ একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।</p><p>অভিযোগে জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. সামসাদ বেগম বিদ্যালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছেন। অভিযোগকারীর দাবি, প্রধান শিক্ষক কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে থাকা রেইনট্রি গাছের ডাল কেটে বিক্রি করা হয়েছে।</p><p>এছাড়া এপ্রিল-মে ২০২৬ সময়ে বিদ্যালয়ের খেলাধুলার জন্য সরকারি বরাদ্দকৃত টাকা ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার পুরস্কার বিতরণে ব্যয় করা হয়নি।</p><p>অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়ে কোনো ঝাড়ুদার না থাকা সত্তে¡ও জানুয়ারি থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত ঝাড়ুদার বাবদ টাকা করে উত্তোলন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের আসবাবপত্রের কোনো তালিকা নেই এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক যথাসময়ে বিদ্যালয়ে আগমন ও প্রস্থানে উপস্থিত থাকেন না বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।</p><p>অভিযোগকারীর দাবি, এসব অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চলায় বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান ব্যাহত হচ্ছে।</p><p>এ অবস্থায় সঠিকভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p><p>বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. সামসাদ বেগম বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। একটি পক্ষ অনৈতিক সুবিধা আদায় করতে না পেরে এসব অভিযোগ করেছে।</p><p>জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জেছের আলী বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3423-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 17:41:05 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[লোকবল নেবে আড়ং]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/job/70352/b39f-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>পোশাক প্রস্তুতকারক ও বিপণন প্রতিষ্ঠান আড়ং নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ট্রিমস, প্রকিউরমেন্ট বিভাগ অফিসার পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। ২ সেপ্টেম্বর বুধবার থেকে আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। যা চলবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।</p><p>আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।</p><p><strong>এক নজরে আড়ংয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬</strong></p><p><strong>প্রতিষ্ঠানের নাম:</strong> আড়ং</p><p><strong>পদের নাম: </strong>অফিসার</p><p><strong>বিভাগ:</strong> ট্রিমস, প্রকিউরমেন্ট</p><p><strong>পদসংখ্যা:</strong> নির্ধারিত নয়</p><p><strong>শিক্ষাগত যোগ্যতা: </strong>স্নাতক ডিগ্রি (সাপ্লাই চেইন/অপারেশনস ম্যানেজমেন্ট/টেক্সটাইল বা সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে হলে অগ্রাধিকার)।</p><p><strong>অন্যান্য যোগ্যতা: </strong>টেক্সটাইল বা ফ্যাশন শিল্পে কাজের দক্ষতা।</p><p><strong>অভিজ্ঞতা: </strong>কমপক্ষে ২ থেকে ৩ বছর</p><p><strong>চাকরির ধরন: </strong>ফুলটাইম</p><p><strong>কর্মক্ষেত্র</strong>: অফিসে</p><p><strong>প্রার্থীর ধরন:</strong> নারী-পুরুষ (উভয়)</p><p><strong>বয়সসীমা:</strong> উল্লেখ নেই</p><p><strong>কর্মস্থল:</strong> ঢাকা</p><p><strong>বেতন: </strong>কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী</p><p><strong>অন্যান্য সুবিধা:</strong> প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা ইত্যাদি।</p><p><strong>আবেদন যেভাবে: </strong>আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে <a href="https://bdjobs.com/h/details/1528803?ln=1"><strong>ক্লিক</strong></a> করুন।</p><p><strong>আবেদনের শেষ সময়:</strong> ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b39f-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 17:21:05 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শুক্রবার জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে ডিএমপির ৯ নির্দেশনা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70351/6e2d-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন (শুভ জন্মাষ্টমী) উদযাপন উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হবে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর)। এই শোভাযাত্রা ঘিরে ঢাকাবাসীর জন্য ৯ দফা নির্দেশনা দিয়ে জরুরি এক গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা এই গণবিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।</p><p>গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শোভাযাত্রাটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়ে বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রার রুট—ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, পলাশী বাজার, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, বঙ্গবাজার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ভবন, গোলাপ শাহ মাজার ও গুলিস্তান মোড় থেকে নবাবপুর রোড, রায় সাহেব বাজার মোড় হয়ে বাহাদুর শাহ পার্ক পর্যন্ত।</p><p>শোভাযাত্রা চলাকালীন বিকেল ৩টা থেকে সন্ধা ৭টা পর্যন্ত ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্ক রুটে চলাচলকারী সব যানবাহনকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ করেছে ডিএমপি। একই সঙ্গে শোভাযাত্রা ঘিরে ৯ দফা নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।</p><p><br><strong>যা আছে নির্দেশনায়</strong></p><p>১. উল্লিখিত শোভাযাত্রার রুটে কোনো ধরনের যানবাহন পার্কিং করা যাবে না।</p><p><br>২. উচ্চস্বরে পিএ বা সাউন্ড সিস্টেম বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে।</p><p><br>৩. অংশগ্রহণে ইচ্ছুকদের প্রারম্ভেই শোভাযাত্রায় মিলিত হতে হবে। কোনোক্রমেই মাঝপথে শোভাযাত্রায় যোগ দেওয়া যাবে না।</p><p><br>৪. নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ড ব্যাগ, ট্রলি, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, পোটলা, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, ক্ষয়কারক তরল, ব্লেড, দিয়াশলাই, গ্যাসলাইটার ইত্যাদি সঙ্গে নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া যাবে না।</p><p><br>৫. শোভাযাত্রা চলাকালীন রুটে কোনো ধরনের ফলমূল ছোড়া যাবে না।</p><p><br>৬. শোভাযাত্রা চলাকালীন রাস্তায় অহেতুক দাঁড়িয়ে থেকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।</p><p><br>৭. সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা বস্তু পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ পুলিশকে অবহিত করুন।</p><p><br>৮. শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের স্বেচ্ছাসেবক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।</p><p><br>৯. ব্যারিকেড, পিকেট ও আর্চওয়ে ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পুলিশকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতার পাশাপাশি শোভাযাত্রা চলাকালীন নগরবাসীকে পুলিশের নির্দেশিত বিকল্প সড়কে চলাচল করতে অনুরোধ জানানো হয়।<br>&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6e2d-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 17:05:04 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শুক্রবার জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে ডিএমপির ৯ নির্দেশনা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/70351/6e2d-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন (শুভ জন্মাষ্টমী) উদযাপন উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হবে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর)। এই শোভাযাত্রা ঘিরে ঢাকাবাসীর জন্য ৯ দফা নির্দেশনা দিয়ে জরুরি এক গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা এই গণবিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।</p><p>গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শোভাযাত্রাটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়ে বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রার রুট—ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, পলাশী বাজার, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, বঙ্গবাজার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ভবন, গোলাপ শাহ মাজার ও গুলিস্তান মোড় থেকে নবাবপুর রোড, রায় সাহেব বাজার মোড় হয়ে বাহাদুর শাহ পার্ক পর্যন্ত।</p><p>শোভাযাত্রা চলাকালীন বিকেল ৩টা থেকে সন্ধা ৭টা পর্যন্ত ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্ক রুটে চলাচলকারী সব যানবাহনকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ করেছে ডিএমপি। একই সঙ্গে শোভাযাত্রা ঘিরে ৯ দফা নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।</p><p><br><strong>যা আছে নির্দেশনায়</strong></p><p>১. উল্লিখিত শোভাযাত্রার রুটে কোনো ধরনের যানবাহন পার্কিং করা যাবে না।</p><p><br>২. উচ্চস্বরে পিএ বা সাউন্ড সিস্টেম বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে।</p><p><br>৩. অংশগ্রহণে ইচ্ছুকদের প্রারম্ভেই শোভাযাত্রায় মিলিত হতে হবে। কোনোক্রমেই মাঝপথে শোভাযাত্রায় যোগ দেওয়া যাবে না।</p><p><br>৪. নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ড ব্যাগ, ট্রলি, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, পোটলা, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, ক্ষয়কারক তরল, ব্লেড, দিয়াশলাই, গ্যাসলাইটার ইত্যাদি সঙ্গে নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া যাবে না।</p><p><br>৫. শোভাযাত্রা চলাকালীন রুটে কোনো ধরনের ফলমূল ছোড়া যাবে না।</p><p><br>৬. শোভাযাত্রা চলাকালীন রাস্তায় অহেতুক দাঁড়িয়ে থেকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।</p><p><br>৭. সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা বস্তু পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ পুলিশকে অবহিত করুন।</p><p><br>৮. শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের স্বেচ্ছাসেবক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।</p><p><br>৯. ব্যারিকেড, পিকেট ও আর্চওয়ে ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পুলিশকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতার পাশাপাশি শোভাযাত্রা চলাকালীন নগরবাসীকে পুলিশের নির্দেশিত বিকল্প সড়কে চলাচল করতে অনুরোধ জানানো হয়।<br>&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6e2d-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 17:05:04 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলেন মির্জা আব্বাস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70350/2794-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস বিদেশে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে প্রথমবারের মতো সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে অধিবেশন শুরুর কিছুক্ষণ পর সংসদ কক্ষে প্রবেশ করেন ঢাকা-৮ আসনের এই সংসদ সদস্য। এ সময় স্পিকার তাকে স্বাগত জানান। পাশাপাশি অন্যান্য সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তাকে অভিবাদন জানান।</p><p>এরআগে, গত ১১ মার্চ ঢাকার শাহজাহানপুরের বাসায় হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর ও পরে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়।</p><p>দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় ২ সেপ্টেম্বর বুধবার দেশে ফেরেন তিনি।</p><p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় গত ১২ মার্চ। এর ঠিক আগের দিন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় এবং পরে বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকায় সংসদের আগের অধিবেশনগুলোতে অংশ নিতে পারেননি মির্জা আব্বাস। এমনকি ভোটও দিতে পারেননি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে।</p><p>ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবারই প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দিলেন বিএনপির এই নেতা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2794-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 17:02:56 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলেন মির্জা আব্বাস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70350/2794-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস বিদেশে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে প্রথমবারের মতো সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে অধিবেশন শুরুর কিছুক্ষণ পর সংসদ কক্ষে প্রবেশ করেন ঢাকা-৮ আসনের এই সংসদ সদস্য। এ সময় স্পিকার তাকে স্বাগত জানান। পাশাপাশি অন্যান্য সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তাকে অভিবাদন জানান।</p><p>এরআগে, গত ১১ মার্চ ঢাকার শাহজাহানপুরের বাসায় হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর ও পরে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়।</p><p>দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় ২ সেপ্টেম্বর বুধবার দেশে ফেরেন তিনি।</p><p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় গত ১২ মার্চ। এর ঠিক আগের দিন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় এবং পরে বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকায় সংসদের আগের অধিবেশনগুলোতে অংশ নিতে পারেননি মির্জা আব্বাস। এমনকি ভোটও দিতে পারেননি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে।</p><p>ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবারই প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দিলেন বিএনপির এই নেতা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2794-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 17:02:56 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[১৫ সেপ্টেম্বরের পর বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে, আশাবাদী প্রতিমন্ত্রী অমিত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70349/022c-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের পর উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।</p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির কারণে মানুষের যে কষ্ট হচ্ছে, এই কষ্টের কারণে আমরা সমব্যথী। সে কারণে সরকারের পক্ষ থেকে আমরা তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। কিন্তু আমি অত্যন্ত আশাবাদী যে, ইনশাআল্লাহ আমরা এই মাসের আর কিছুদিন পরই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির একটা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আমরা লক্ষ্য করবো বলে আশা করছি।</p><p>তিনি বলেন, আপনারা জানেন, আমাদের যে দুটো এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) আছে, তার মধ্যে একটি যে গত ২১ জুলাই নষ্ট হয়ে গেল, সেটি ১৫ আগস্ট ঠিক হয়ে যাওয়ার পরও সরবরাহ ব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারিনি। কারণ আমাদের যে কার্গোগুলো আমদানি করতে হয়, সেগুলো রিসিডিউল করতে হয়েছিল। এখন পর্যন্ত ৮৮ শতাংশ সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করতে পারলেও বাকি ১২ শতাংশ আমরা এখনো করতে পারিনি। আশা করছি, ইনশাআল্লাহ আমরা দ্রুত এটা করে ফেলব।</p><p>অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, সে ক্ষেত্রে মনে করছি, যেটা জাতীয় সংসদে আমি বলেছি যে, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ইনশাআল্লাহ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির একটা উল্লেখযোগ্য উন্নতি আমরা লক্ষ্য করব।</p><p>বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বন্ধ রয়েছে এবং রামপালের একটি ইউনিট এখানে পূর্ণ সক্ষমতায় চলছে না। কারণ, তাদের যে কয়লা আসার কথা ছিল, সেটা বঙ্গোপসাগরে আছে; কিন্তু লাইটারেজ করে এটা মোংলাতে আনতে হয়। বঙ্গোপসাগর এই মুহূর্তে কিছুটা অশান্ত, সে কারণে এটা লাইটারেজ করা যাচ্ছে না।</p><p>তিনি বলেন, আমরা মনে করছি আবহাওয়া কিছুদিনের মধ্যে ভালো হবে। সেক্ষেত্রে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় যদি আসে এবং আমরা যদি জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা যদি স্বাভাবিক করতে সক্ষম হই, তাহলে ন্যাচারালি তার একটা সুবিধা বিদ্যুৎ বিভাগ অটোমেটিকলি পাবে। সে ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রেও একটা উন্নতি দেখব এবং আমাদের যারা শিল্পপতি, শিল্পখাত যারা এই মুহূর্তে কিছুটা হলেও ভোগান্তির শিকার হচ্ছে, এমনকি গৃহস্থালি গ্রাহকরাও যে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, তাদের ভোগান্তিও ইনশা আল্লাহ কমবে বলে আমরা আশাবাদী।</p><p>আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নেমে এসেছে কি না, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অতিবৃষ্টির কারণে তাদেরও একটা কম্প্রোমাইজ রয়েছে। তাদের সঙ্গে আমরা নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি, যাতে করে তারা পূর্ণ সক্ষমতা অর্থাৎ আমাদের যে পরিমাণ বিদ্যুৎ দেওয়ার কথা, সে পরিমাণ বিদ্যুৎ আমরা পাই।</p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, দিনের বেলা তারা এখন পর্যন্ত ৯০০ মেগাওয়াট দেয়, সন্ধ্যার পর থেকে ১১০০ মেগাওয়াট দেয়। কিন্তু স্বাভাবিক সময়ে অন অ্যান অ্যাভারেজ ১৫০০ থেকে ১৬০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ আমরা তাদের কাছে পেতাম। আসলে তারা এখন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ দেখিয়েছে এবং সে সংক্রান্ত ছবি ও ডকুমেন্ট আমাদেরকে তারা সরবরাহ করেছে। আমাদের কাছে তাদের এই বক্তব্যগুলো যৌক্তিকই মনে হয়েছে। কিন্তু আমরা সারাক্ষণই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।</p><p>আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গ্যাসের ক্ষেত্রে ৮৮ শতাংশ আমরা সরবরাহ ব্যবস্থা রিকভার করতে সক্ষম হয়েছি, মাত্র ১২ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। ১২ শতাংশ ঘাটতি আমরা মোকাবিলা করে ফেলব।</p><p>প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এখানে আপনার ৬০০ ধরেন দুটো এফএসআরইউ নিয়ে অন অ্যান অ্যাভারেজ ১০০০ থেকে ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট পার ডে আমরা সাপ্লাই করতে পারি। এখন এটা ধরেন ৭০০, ৭৫০, ৭৭০ পর্যন্ত আমরা সাপ্লাই করতে পারছি। তো ন্যাচারালি যখন দুটো এফএসআরইউ পূর্ণ সক্ষমতায় আমরা চালাতে পারবো ইনশা আল্লাহ, তখন আমরা ১০০০ থেকে ১১০০ পর্যন্ত আমরা এলএনজি সাপ্লাই করতে পারবো এই দুটো এফএসআরইউর মাধ্যমে। তার একটা ইতিবাচক প্রভাব বিদ্যুৎখাতেও পড়বে, তার একটা ইতিবাচক প্রভাব শিল্পখাতেও ইনশাআল্লাহ পড়বে।</p><p>বেশি দামে এলএনজি কেনার প্রশ্নে তিনি বলেন, বাধ্য হচ্ছি। উপায় নেই। কারণ, আমাদের দীর্ঘমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি চুক্তি যাদের সঙ্গে ছিল, আপনারা জানেন তারা সবাই ফোর্স মেজার ডিক্লেয়ার করেছে। যার ফলশ্রুতিতে আমাদের স্পট মার্কেট থেকে কিনতে হচ্ছে। স্পট মার্কেটে দাম বরাবরই বেশি হয়। কিন্তু মানুষের কষ্ট হচ্ছে, শিল্পকারখানা ভুগছে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে উচ্চমূল্য দিয়ে হলেও সরকার এলএনজি সংগ্রহ করছে, যাতে এই সংকট ও সমস্যা প্রলম্বিত না হয়।</p><p>প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারকে এই ঝুঁকি নিয়ে এটা করতে হচ্ছে। কারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে, শিল্পকারখানা ভুগছে। সবকিছুকে বিবেচনায় নিয়ে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করে না কেন? এত কষ্ট হলেও পারতপক্ষে তো অন্তত আমরা করি না। আমরা এই সংকট মাত্র একবার করেছি, মানে আমি বলেছিলাম যে যতক্ষণ পারবো ততক্ষণ পর্যন্ত সমন্বয় করবো না। বাধ্য না হলে তো সরকার এটা করতে চায় না।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">022c-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 16:40:31 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/health/70348/f12b-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ডেঙ্গু নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ১৫২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু-বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে আগস্টেই মারা গেছে ৪৩ জন। এ ছাড়া জানুয়ারিতে দুই, ফেব্রুয়ারিতে দুই, মে মাসে এক, জুনে ১৩ ও জুলাইয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ১৪ জন।</p><p>গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১০১, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৩৫ ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে ২২৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। অন্যান্য বিভাগের মধ্যে বরিশালে ১১৯, চট্টগ্রামে ১৯৪, খুলনায় ২৪৭, ময়মনসিংহে ৮৭, রাজশাহীতে ১০৯, রংপুরে ২৭ ও সিলেটে ছয়জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু নিয়ে মোট ৩৯ হাজার ৫৩২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৬ হাজার ৪৬৭ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। বর্তমানে দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ২ হাজার ৯৫৪ জন।<br>&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f12b-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 16:38:54 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে আইডিবির ১ হাজার ৪ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70347/180b-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন সক্ষমতা বাড়াতে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) ১ হাজার ৪ দশমিক ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন করবে।</p><p>এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও আইডিবি’র মধ্যে আজ ‘মডার্নাইজেশন অ্যান্ড এক্সপ্যানশন অব ইস্টার্ন রিফাইনারি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।</p><p>বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং আইডিবি’র পক্ষে সংস্থাটির কান্ট্রি প্রোগ্রামস বিভাগের মহাপরিচালক আনাস আইসামি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p><p>চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আল জাসের উপস্থিত ছিলেন।</p><p>জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।</p><p>সরকারি সূত্র জানায়, এটি বাংলাদেশে আইডিবি’র কোনো একক প্রকল্পে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিনিয়োগ। এই অর্থায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে সংস্থাটির চলমান উন্নয়ন সহযোগিতার সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হবে বলেও আশা করা হচ্ছে।</p><p>প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ইস্টার্ন রিফাইনারির বর্তমান বার্ষিক অপরিশোধিত তেল পরিশোধন সক্ষমতা ১৫ লাখ মেট্রিক টন থেকে বেড়ে ৪৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হবে। এর ফলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে।</p><p>এছাড়া প্রকল্পের আওতায় পরিবেশবান্ধব ইউরো-৫ মানসম্পন্ন পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদন সম্ভব হবে এবং পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ওপর দেশের নির্ভরতা কমবে।</p><p>আইডিবি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও বিশ্বস্ত বহুপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংস্থাটি অনুদান, প্রকল্প ঋণ, বাণিজ্য অর্থায়ন, বেসরকারি খাতে অর্থায়ন এবং রপ্তানি ঋণ গ্যারান্টিসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহায়তা দিয়ে আসছে।</p><p>অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষরের পর আইডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন।</p><p>সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী সহজ শর্তে অর্থায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ও আইডিবি’র মধ্যকার সম্পর্ক আরও গভীর করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।<br>সূত্র: বাসস।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">180b-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 16:30:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সীতাকুণ্ডে জাল দলিল তৈরি করে জমি দখলের চেষ্টা, গ্রেফতার ৪]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70346/5377-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: </strong>চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাল বণ্টননামা দলিল তৈরি করে বসতবাড়ি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চারজনকের গ্রেফতার করা হয়েছে।</p><p>২ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে সীতাকুণ্ড থানার একটি টিম অভিযান চালিয়ে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ঘোড়ামরা এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে।</p><p>বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড থানার ওসি মহিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, গতকাল রাতে অভিযান চালিয়ে সোনাইছড়ি এলাকা থেকে জাল দলিল সৃজনকারী চারজনকে আদালতের ওয়ারেন্ট মূলে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে আজ আদালতে পাঠানো হবে।</p><p>জানা যায়, চট্টগ্রাম জেলা সিআইডি মামলাটির বিস্তারিত তদন্ত পরিচালনা করেছে। মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, মামলার প্রধান অভিযুক্ত চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তারা উভয় যোগসাজশে বাদীর পিতা আবদুল হকের টিপসহি জাল করে দলিল সৃজন করে জমি রেজিস্ট্রি করিয়ে নেয়।</p><p>আদালতে পেশ করা অভিযোগের বিবরণী সূত্রে জানা যায়, জাল দলিল সৃষ্টির পেছনে যুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন, ১. সোনাইছড়ি ইউনিয়নের উত্তর ঘোড়ামরা এলাকার আহম্মদ মিঞার ছেলে মো. ওমর ফারুক, ২. আবদুল কাদেরের ছেলে আবু তাহের লিটন, ৩. মাসুদ পারভেজ শাহেদ, ৪. আবদুল নবির ছেলে মো. নাঈম উদ্দিন।</p><p>মামলার এজাহার ও সিআইডির অনুসন্ধানের তথ্য মতে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে সীতাকুণ্ড সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বিগত ২০১৩ সালের ২১ ডিসেম্বর ৭৯৪৮ নম্বরের একটি ভুয়া বণ্টননামা দলিল প্রস্তুত করে। ওই দলিলে জমি মালিক মৃত আবদুল হককে চতুর্থ পক্ষ হিসেবে দেখানো হয়। অথচ আবদুল হক কখনোই ওই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে উপস্থিত হননি এবং কোনো প্রকার সই বা টিপসই প্রদান করেননি। এমনকি তার পাসপোর্টে ব্যবহৃত আসল সইয়ের সাথে ভুয়া দলিলের স্বাক্ষরের চরম অমিল রয়েছে।</p><p>জালিয়াতির মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত এই ভুয়া দলিলটি আসামিরা দীর্ঘদিন গোপন রাখে। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আবদুল হক মৃত্যুবরণ করলে আসামিরা এই জাল দলিল প্রকাশ্যে এনে সম্পত্তি দখলের পায়তারা চালায়। তদন্তে আরো উঠে আসে, দলিলের তিন নম্বর সাক্ষী মো. সাইফুলকে প্রতারণামূলকভাবে ওয়ারিশি আপোশ বণ্টনের কথা বলে সই নেওয়া হয়েছিল এবং দুই নম্বর সাক্ষী মাসুদ পারভেজ শাহেদকে দলিলে আংশিক নাম (‘মো. শাহেদ’) ব্যবহার করে তথ্য গোপন করার চেষ্টা করা হয়।</p><p>ইতোপূর্বে সীতাকুণ্ড ভূমি অফিসের বিবিধ মামলা দ্বিতীয় যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দাখিলকৃত জবাবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, এই বণ্টননামা দলিলে আবদুল হকের কোনো সই বা সম্মতি ছিল না।</p><p>মামলার বাদী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, গতকাল চার আসামিকে গ্রেফতার করে নেয়ার সময় পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে বাদীকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। এমনকি জামিনে এসে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়ার হুমকিও দেন আসামিরা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5377-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 16:28:40 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ শিশুর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/health/70345/5483-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে আরও ১ হাজার ৪৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে। ৩ সেপ্টেম্বর &nbsp;বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ঢাকা বিভাগেই ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে সিলেট বিভাগে একজনের প্রাণহানি হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে আজকে (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৯৮৬ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গে ৮৮৭ জন ও হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।</p><p>এদিকে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ৯৬৪ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৬১ হাজার ১৪৮ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১৯ হাজার ৫২৭ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪০৫ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5483-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 16:22:21 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70344/2719-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>পটুয়াখালী প্রতিনিধি: </strong>পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মো. আতিক (৩২) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার দলুগাজীর মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>নিহত আতিক সদর উপজেলার লাউকাঠী ইউনিয়নের জামুরা গ্রামের মাওলানা আশরাফ হাওলাদারের ছেলে।</p><p>স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে মোটরসাইকেলযোগে মহাসড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় দলুগাজীর মোড় এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা সিকদার পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।</p><p>দুর্ঘটনার পর বাসটি ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। খবর পেয়ে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে।</p><p>দুর্ঘটনার কারণে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের দলুগাজীর মোড় এলাকায় প্রায় ৪৫ মিনিট যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।</p><p>পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, দলুগাজীর মোড় এলাকায় বাসের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে কাজ করছে। দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাস ও চালককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2719-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 16:03:27 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/accident/70344/2719-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>পটুয়াখালী প্রতিনিধি: </strong>পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মো. আতিক (৩২) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার দলুগাজীর মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>নিহত আতিক সদর উপজেলার লাউকাঠী ইউনিয়নের জামুরা গ্রামের মাওলানা আশরাফ হাওলাদারের ছেলে।</p><p>স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে মোটরসাইকেলযোগে মহাসড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় দলুগাজীর মোড় এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা সিকদার পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।</p><p>দুর্ঘটনার পর বাসটি ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। খবর পেয়ে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে।</p><p>দুর্ঘটনার কারণে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের দলুগাজীর মোড় এলাকায় প্রায় ৪৫ মিনিট যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।</p><p>পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, দলুগাজীর মোড় এলাকায় বাসের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে কাজ করছে। দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাস ও চালককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2719-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 16:03:27 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পর্যটন মন্ত্রীর গাড়ি উল্টোপথে, মামলা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70343/5683-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের গাড়ি উল্টোপথে বেপরোয়া চালানোর অভিযোগে মামলা ঠুকেছে ট্রাফিক পুলিশ। ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ট্রাফিক পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।</p><p>তিনি বলেন, একজন মন্ত্রীর গাড়ি সকাল ৯টা ৮ মিনিটে সার্কিট হাউজ সড়কের উল্টো পথে বেপরোয়াভাবে সচিবালয়ের দিকে যাচ্ছিল। ট্রাফিক পুলিশ পতাকাবাহী গাড়িটি থামিয়ে দেয়। গাড়ির নম্বর ঢাকা মেট্রো–ঘ-১৮-২১২৫। চালককে বলা হয়, এভাবে উল্টোপথে গাড়ি চালানো ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আইনের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। দুটি মামলা হয়েছে এবং তিন হাজার, তিন হাজার করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।</p><p>ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ‘রেঞ্জ রোভার’ এ গাড়ির চালক আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, মন্ত্রীর গাড়ি যখন উল্টোপথে যাচ্ছিল, সেই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর পাশের সড়ক দিয়ে সচিবালয় অভিমুখে অতিক্রম করছিল।</p><p>ঘটনার সময় গাড়িতে মন্ত্রী এম রশিদুজ্জমান মিল্লাত ছিলেন বলে জানা গেছে।</p><p>এক ট্রাফিক কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথম কোনো মন্ত্রীর গাড়ি উল্টোপথে চলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এটা নজিরবিহীন। অতীতেও মন্ত্রীর গাড়ি গন্তব্যে দ্রুত যাওয়ার জন্য অথবা যানজট এড়াতে উল্টো পথে যাওয়ার ঘটনা গণমাধ্যমে আসলেও মামলার ঘটনা এটিই প্রথম।</p><p>পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নিজে ট্রাফিক আইন মেনে সচিবালয়ে যাওয়া-আসা করছেন। যানজটের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহর ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলছে। সেখানে মন্ত্রী কিংবা সচিবের গাড়ি উল্টোপথে যাওয়ার এই ঘটনার পরিণতি দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের জন্য একটি বার্তা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5683-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 15:58:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ধামরাইয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সৎ বাবা গ্রেফতার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/70342/6dea-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ঢাকার ধামরাইয়ে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার সৎ বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতে তার ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।</p><p>ভুক্তভোগীর মায়ের দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে ধামরাইয়ের একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি কিশোরীর সঙ্গে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় কিশোরীর মা ও ছোট বোনও বাসায় ছিলেন।</p><p>এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি কিশোরীর মাকে আটকে রেখে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ঘটনাটি ঘটান। পরে বিষয়টি জানতে পারেন কিশোরীর মা। জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরী তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা মাকে জানায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, এর আগেও অভিযুক্ত ব্যক্তি তার মেয়েকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে একাধিকবার যৌন নিপীড়ন করেছেন। পারিবারিক ও সামাজিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে বিষয়টি আগে প্রকাশ করা হয়নি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে ধামরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।</p><p>এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা জানান, “আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমকে উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ভিকটিমের ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।”</p><p>তিনি আরও জানান, মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6dea-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 15:21:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ধামরাইয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সৎ বাবা গ্রেফতার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70342/6dea-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ঢাকার ধামরাইয়ে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার সৎ বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতে তার ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।</p><p>ভুক্তভোগীর মায়ের দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে ধামরাইয়ের একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি কিশোরীর সঙ্গে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় কিশোরীর মা ও ছোট বোনও বাসায় ছিলেন।</p><p>এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি কিশোরীর মাকে আটকে রেখে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ঘটনাটি ঘটান। পরে বিষয়টি জানতে পারেন কিশোরীর মা। জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরী তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা মাকে জানায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, এর আগেও অভিযুক্ত ব্যক্তি তার মেয়েকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে একাধিকবার যৌন নিপীড়ন করেছেন। পারিবারিক ও সামাজিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে বিষয়টি আগে প্রকাশ করা হয়নি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে ধামরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।</p><p>এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা জানান, “আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমকে উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ভিকটিমের ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।”</p><p>তিনি আরও জানান, মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6dea-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 15:21:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নতুন করে ৯০ প্রবাসীকে সিআইপি মর্যাদা দিতে যাচ্ছে সরকার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70341/74a3-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>নতুন করে তিন ক্যাটাগরিতে ৯০ জন প্রবাসীকে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির (সিআইপি) মর্যাদা দেবে সরকার। এর মধ্যে বাংলাদেশে বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী হিসেবে সিআইপি নির্বাচিত হবেন সর্বোচ্চ ৭৫ জন।</p><p>ইতোমধ্যে তিনটি ক্যাটাগরিতে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা সিআইপি (অনাবাসী বাংলাদেশি) নির্বাচনের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে, গত ৩০ আগস্ট মন্ত্রণালয়ের প্রবাসী কল্যাণ ভবন থেকে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (অনিবাসী বাংলাদেশি) নির্বাচন নীতিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী ২০২৭ সালের সিআইপি নির্বাচনের জন্য বিদেশে বসবাসরত যোগ্য বাংলাদেশিদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে।</p><p>বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ৯০ জন অনাবাসী বাংলাদেশিকে তিনটি ক্যাটাগরিতে সিআইপি হিসেবে নির্বাচিত করা হবে।</p><p>এর মধ্যে বাংলাদেশের শিল্পক্ষেত্রে সরাসরি বিনিয়োগকারী ক্যাটাগরিতে এ বছর সর্বোচ্চ ৫ জন নির্বাচিত হবেন। এর আগে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে দেশের শিল্পখাতে মূলধন হিসেবে সর্বনিম্ন ৩ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্ব বৈদেশিক মুদ্রা সরাসরি বিনিয়োগকারীরা এ ক্যাটাগরির জন্য বিবেচিত হবেন।</p><p>বাংলাদেশে বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী হিসেবে নির্বাচিত হবেন সর্বোচ্চ ৭৫ জন। এক্ষেত্রে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে অন্তত ১ লাখ ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে বাংলাদেশে পাঠাতে হবে।</p><p>এছাড়া, বিদেশে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী হিসেবে সর্বোচ্চ ১০ জন নির্বাচিত হবেন। এক্ষেত্রে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ন্যূনতম ৩ লাখ ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে। পাশাপাশি প্রসিডস রিয়ালাইজেশন সার্টিফিকেটের (পিআরসি) মাধ্যমে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি এবং অধিক মূল্য সংযোজনসম্পন্ন বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিকারকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।</p><p>১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রবাসীদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত নির্ধারিত ওয়েবসাইটের (https://stg-cip.oep.gov.bd) মাধ্যমে অনলাইনে এই আবেদন করা যাবে।</p><p>আবেদন সংক্রান্ত নির্দেশনায় আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বা মিশন অথবা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সরাসরি হার্ড কপি আকারে কোনো আবেদন জমা দেওয়া যাবে না।</p><p>অসম্পূর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ আবেদন বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই যেকোনো আবেদন কিংবা এ সংক্রান্ত কার্যক্রম বাতিল বা স্থগিত করার অধিকার সংরক্ষণ করে।</p><p>প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো এবং বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সিআইপি নির্বাচন করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">74a3-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 15:11:39 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা নিয়ে ডিএমপির নির্দেশনা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70339/99d2-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে রাজধানীতে ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় নগরবাসীকে বিকল্প সড়কে চলাচলের অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।<br><br>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি জানান, শোভাযাত্রাটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়ে বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রা চলাকালে বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নগরবাসীকে পুলিশের দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।</p><p>শোভাযাত্রার রুট নির্ধারণ করা হয়েছে শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, পলাশী বাজার, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, বঙ্গবাজার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ভবন, গোলাপশাহ মাজার, গুলিস্তান মোড়, নবাবপুর রোড, রায় সাহেব বাজার মোড় হয়ে বাহাদুর শাহ পার্ক পর্যন্ত।</p><p>ডিএমপি জানিয়েছে, শোভাযাত্রার রুটে কোনো ধরনের যানবাহন পার্কিং করা যাবে না। উচ্চস্বরে পিএ বা সাউন্ড সিস্টেম বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুকদের শুরুতেই এতে মিলিত হতে হবে। কোনোভাবেই মাঝপথে শোভাযাত্রায় যোগ দেওয়া যাবে না।</p><p>তিনি আরও জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ডব্যাগ, ট্রলি, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, পোটলা, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, ক্ষয়কারক তরল, ব্লেড, দিয়াশলাই, গ্যাসলাইটার ইত্যাদি সঙ্গে নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া যাবে না। শোভাযাত্রা চলাকালীন রুটে কোনো ধরনের ফলমূল ছোড়া যাবে না। রাস্তায় অহেতুক দাঁড়িয়ে থেকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা বস্তু পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ পুলিশকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।</p><p>এ ছাড়া শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের স্বেচ্ছাসেবক ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ব্যারিকেড, পিকেট ও আর্চওয়ে ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পুলিশকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে।</p><p>উপ-পুলিশ কমিশনার জানান, শোভাযাত্রা চলাকালীন নগরবাসীকে পুলিশের নির্দেশিত বিকল্প সড়কে চলাচল করতে অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি। জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে ডিএমপি নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে।</p><p>সূত্র: কালের কণ্ঠ</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">99d2-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 15:11:12 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70338/932d-20260903]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা এবং বিশ্ব ইজতেমা সর্বাত্মক শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটিয়ে তাবলীগ জামাতের উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে ইজতেমা আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়েছে।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ এর প্রতিনিধিগণের (সাদপন্থী) সাথে ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে আয়োজিত সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।</p><p>বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি ও তারিখ নির্ধারণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তাবলীগ জামাতের সাদপন্থী অংশের মুরুব্বিদের সাথে আজকের বৈঠকে বিশদ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে জুবায়েরপন্থী অংশের প্রতিনিধিদের সাথেও আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, সবার মতামত বিবেচনা করে আগামী ২০২৫ সালের বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্বের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী প্রথম পর্ব ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>ইজতেমার স্থান ও অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, উভয় পক্ষই টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন। বিগত সরকারের সময় জুবায়েরপন্থী ও সাদপন্থীদের মধ্যে একমত হওয়ার ভিত্তিতে একটি সিদ্ধান্ত স্বাক্ষরিত হয়েছিল যে সাদপন্থী অনুসারীরা টঙ্গী ময়দানে ইজতেমা করবেন না। তবে আজকের আলোচনায় সাদপন্থী প্রতিনিধিরা সেই সিদ্ধান্তের প্রতি দ্বিমত পোষণ করে সেখানে তাদের অংশগ্রহণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, তারা দুই পর্বের ইজতেমা শেষের পর থেকে রমজানের আগে অথবা নভেম্বরের শেষ দিকে একটি যৌক্তিক সময় গ্যাপ দিয়ে টঙ্গী ময়দানে এক পর্বে ইজতেমা আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সরকার বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উভয় পক্ষের সাথে আরও আলোচনা করে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতামত নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।</p><p>মাওলানা সাদ সাহেবের আগমনের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বিষয়টি ভিসা নীতি ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।</p><p>দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিগত সময়ের তুলনায় দেশের সামগ্রিক অপরাধ চিত্র অনেক নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটেছে। পুলিশ সদর দফতর থেকে প্রাপ্ত কেন্দ্রভিত্তিক ও জেলাভিত্তিক সংকলিত তথ্যানুযায়ী হত্যা, অপহরণ, নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের হার অনেক হ্রাস পেয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরলস প্রচেষ্টায় জনগণের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।</p><p>অপরাধ দমনে পুলিশের সক্রিয় ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী সাম্প্রতিক একটি ঘটনার উল্লেখ করেন। তিনি জানান, রাজধানীতে এক শিক্ষিকা ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করার পর মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার, ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং অপরাধীদের ব্যবহৃত মালামাল জব্দ করে আদালতের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভেতরের গোয়েন্দা মনিটরিং ব্যবস্থা অত্যন্ত সক্রিয় রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা বা গাফিলতির কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</p><p>আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে মন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সরকার অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়মিত তথ্য মনিটর করছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও টেকসই করতে সরকারের প্রচেষ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত থাকবে।</p><p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার। সভায় স্বরাষ্ট্র ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং তাবলীগ জামাতের (সাদপন্থী) প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p><p>উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিশ্ব ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ, আইন-শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখা, ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুরূপ একটি সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে তাবলীগ জামাতের (জুবায়েরপন্থী অংশ) প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">932d-20260903</guid>
                <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 15:07:41 +0600</pubDate>
            </item>
        
    </channel>
</rss>
