<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0">
    <channel>
        <title><![CDATA[All news items on https://www.asiantvonline.com/]]></title>
        <link><![CDATA[https://asiantvonline.com/]]></link>
        <description><![CDATA[
            Welcome to https://www.asiantvonline.com/! Stay informed with the latest news, headlines, and updates from around the world.
            Subscribe to our RSS feed now to receive regular updates and never miss a beat.
        ]]></description>

        <image>
            <url>https://asiantvonline.com/logo.png</url>
            <title>Asian Tv Online | এশিয়ান টিভি অনলাইন</title>
            <link>https://asiantvonline.com/</link>
        </image>

        <generator><![CDATA[RSS by https://asiantvonline.com/rss-feed.xml]]></generator>
        <language>en</language>
        <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 09:40:45 +0600</pubDate>

        <copyright><![CDATA[
            Copyright: (C) 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.
        ]]></copyright>

                    <item>
                <title><![CDATA[জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার মাজারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74788/da63-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে অবস্থিত তাঁদের মাজারে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তিনি। এ সময় তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি ফাতেহা পাঠ করেন প্রধানমন্ত্রী।</p><p>শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বিএনপির জাতীয় নেতৃবৃন্দ, দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>এদিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ৫ থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও শোভাযাত্রা।</p><p>দিবসটি উপলক্ষে আজ বিকেল ৩টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করার কর্মসূচি রয়েছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরেও শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে দলটি।</p><p>১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের স্মরণে বিএনপি দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">da63-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 09:34:53 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজ ৬ ঘণ্টা টোলমুক্ত থাকবে এক্সপ্রেসওয়ে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/74787/8b71-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ ৭ নভেম্বর শনিবার ছয় ঘণ্টার জন্য ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে টোল নেওয়া হবে না। অর্থাৎ, এ সময় বিনা মূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন চালকেরা। আজ ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ সুবিধা কার্যকর থাকবে।</p><p>গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী সব যানবাহনের জন্য নির্ধারিত ছয় ঘণ্টার টোলমুক্ত সুবিধা কার্যকর থাকবে। ফলে ওই দিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারীদের কোনো টোল পরিশোধ করতে হবে না।</p><p>এর আগে গত বছর ২৫ ডিসেম্বর চার ঘণ্টার জন্য টোলমুক্ত রাখা হয়েছিল ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। ওই দিন প্রায় দেড় যুগ পর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর দেশে ফেরা উপলক্ষে গণসংবর্ধনার আয়োজন করেছিল বিএনপি। এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে টোল প্লাজা ক্ষতিগ্রস্ত হলে কিছুদিন টোল ছাড়াই যানবাহন চলাচল করে।</p><p>সরকারি-বেসরকারি যৌথ বিনিয়োগে (পিপিপি) নির্মিত হচ্ছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এই এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ চালু করা হয়। বর্তমানে রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে কাওলা থেকে এফডিসি পর্যন্ত অংশে যান চলাচল করছে। এই এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের জন্য সাধারণত টোল দিতে হয়।</p><p>যানবাহনের শ্রেণিভেদে টোলের হার ভিন্ন। কার, ট্যাক্সি, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল, মাইক্রোবাস (১৬ আসনের কম) এবং হালকা ট্রাক (৩ টনের কম) চলাচলে টোল ৮০ টাকা। মাঝারি ট্রাকের (৬ চাকা পর্যন্ত) টোল ৩২০ টাকা। ছয় চাকার বেশি ট্রাকের টোল ৪০০ টাকা। আর ১৬ আসন বা তার বেশি আসনের সব ধরনের বাসের টোল ১৬০ টাকা। এই এক্সপ্রেসওয়েতে রিকশা, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ।</p><p>ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। এটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে কাওলা থেকে রেললাইন ধরে তেজগাঁও, মগবাজার ও কমলাপুর হয়ে যাত্রাবাড়ীর কাছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালীতে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা। তবে এখনো পুরো পথের নির্মাণকাজ শেষ হয়নি।</p><p>ঢাকা উড়ালসড়ক প্রকল্পটি দুটি ভাগে বিভক্ত—মূল নির্মাণকাজ ও সহযোগী কাজ। মূল নির্মাণকাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা সরকার ব্যয় করছে। বাকি অর্থ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ব্যয় করছে।</p><p>এ ছাড়া জমি অধিগ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও পরামর্শকদের পেছনে ব্যয়ের জন্য আলাদা একটি প্রকল্প রয়েছে। এর পুরো অর্থই ব্যয় করছে সরকার। বর্তমানে এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে দুটি প্রকল্পে ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকা।</p><p>২০০৯ সালে প্রকল্পটি নেওয়া হয়। ২০১১ সালে নির্মাণের চুক্তি হয়। নির্মাণের জন্য সময় ধরা হয়েছিল সাড়ে তিন বছর। তবে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করা যায়নি।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8b71-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 09:17:23 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সৌদিতে সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে তুরস্ক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74786/46cf-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে গঠিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে তুরস্কের পার্লামেন্ট। ৬ নভেম্বর শুক্রবার এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিলটি পাস হয়। এর মধ্য দিয়ে সৌদি আরবে তুরস্কের সেনা মোতায়েনের পথ আরও এক ধাপ এগোল।</p><p>সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিলে তুরস্কের ২৭৯ জন সংসদ সদস্য পক্ষে ভোট দেন। অন্যদিকে, ১১৯ জন সংসদ সদস্য ভোটদানে বিরত থাকেন।</p><p>তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ক্ষমতাসীন একে পার্টি ও তাদের জোটের সদস্যরা বিলটির পক্ষে ভোট দেন। এ ছাড়া বিরোধী দলও এতে সমর্থন জানায়।</p><p>আগামী সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বিলটি গেজেট আকারে প্রকাশ করবেন। সেদিন থেকেই এটি কার্যকর হবে।</p><p>মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তিনটি দেশ একে অপরের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চুক্তি অনুযায়ী, কোনো একটি দেশ সশস্ত্র হামলার শিকার হলে অন্য দেশগুলো সহায়তায় এগিয়ে আসবে।</p><p>গত আগস্টে পবিত্র নগরী মক্কায় সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান সশরীরে উপস্থিত থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p><p>তুরস্কের পার্লামেন্টে বিলটি পাস হলো এমন এক সময়ে, যখন সৌদি আরব ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের প্রায় প্রতিদিনের হামলার মুখে রয়েছে।</p><p>চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সুরক্ষা দিতে দেশটিতে তুরস্কের সেনারা মোতায়েন হতে পারেন। তবে তাঁরা সরাসরি ইয়েমেনে প্রবেশ করে স্থল হামলায় অংশ নেবেন না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এর পরিবর্তে সৌদি আরবে অবস্থান করে দেশটির ভূখণ্ড রক্ষায় দায়িত্ব পালন করতে পারেন তাঁরা।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">46cf-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 09:10:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নির্বাচনে হারের পরও কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প, চিফ অব স্টাফ করলেন মিলারকে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74785/35a0-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ পদে নিজের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী স্টিফেন মিলারকে নিয়োগ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় ৬ নভেম্বর শুক্রবার এ ঘোষণা দেন তিনি। আগামী ৯ নভেম্বর সোমবার থেকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন মিলার। তিনি সুসি ওয়াইলসের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। খবর রয়টার্সের।</p><p>অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতির অন্যতম রূপকার হিসেবে পরিচিত ৪১ বছর বয়সী মিলার। মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর একাধিক তদন্তের চাপ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মিলারকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলো।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প মিলারকে তাঁর ‘সবচেয়ে বিশ্বস্ত উপদেষ্টাদের একজন’ বলে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মিলারের নিয়োগের মাধ্যমে ট্রাম্পের নীতিতে পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না। বরং বিশ্বস্ত সহযোগীদের পুরস্কৃত করছেন তিনি।</p><p>মিলারের নিয়োগকে আরও সংঘাতপূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থানের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তা। বিশেষ করে অভিবাসন নীতি ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকতে পারে।</p><p>২০২৫ সালে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে তিনি ডেপুটি চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে অভ্যন্তরীণ নীতিনির্ধারণে তাঁর প্রভাব ছিল ব্যাপক।</p><p>ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অন্যতম পরিকল্পনাকারী মিলার। প্রতিদিন ৩ হাজার অভিবাসীকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন তিনি। এ লক্ষ্য পূরণে দেশজুড়ে অভিযান চালান অভিবাসন কর্মকর্তারা। এসব অভিযানে অপরাধের রেকর্ড নেই—এমন ব্যক্তিদের পাশাপাশি কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা মানুষও গ্রেপ্তার হন।</p><p>তবে এই অভিযানের প্রতি জনসমর্থন কম। রয়টার্স ও ইপসোসের জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৬ শতাংশ মার্কিন নাগরিক এ অভিযানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, বিরোধিতা করেছেন ৫৪ শতাংশ।</p><p>ডেমোক্র্যাট নেতা রবার্ট গার্সিয়া জানিয়েছেন, মিলারের অভিবাসন নীতি নিয়ে তদন্তের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। এ ছাড়া সরকারি প্রশাসন পুনর্গঠন, হাজারো সরকারি কর্মী ছাঁটাই এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরোধের ক্ষেত্রেও ভূমিকা ছিল মিলারের।</p><p>পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রেও ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের সমর্থক মিলার। ক্যারিবীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মাদক পাচারের সন্দেহে নৌযান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণঘাতী হামলার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তিনি।</p><p>ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলারও সমর্থন করেছেন মিলার। তেহরানের ওপর নৌ অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপের পক্ষেও কথা বলেছেন তিনি। তবে ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাবের কারণে নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর এ বিষয়ে তাঁর অবস্থান বদলেছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।</p><p>সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের চিফ অব স্টাফ মার্ক শর্টের মতে, মিলার ট্রাম্পের প্রতি অত্যন্ত অনুগত। অভিবাসন নীতি ও কংগ্রেসের তদন্তের মতো বিষয়ে তিনি ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে লড়াই করতে প্রস্তুত থাকবেন। তাঁর নিয়োগের ফলে দ্বিদলীয় সমঝোতার সম্ভাবনা কম বলে মনে করেন শর্ট।</p><p>চিফ অব স্টাফ হিসেবে সুসি ওয়াইলসের বিদায়ের মধ্য দিয়ে হোয়াইট হাউসে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানান তিনি। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওয়াইলস ট্রাম্পের রাজনৈতিক কার্যক্রমে যুক্ত হবেন।</p><p>৬৯ বছর বয়সী ওয়াইলস হোয়াইট হাউসের প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ ছিলেন। ট্রাম্পের আগের সহযোগীদের তুলনায় তিনি প্রশাসনের কার্যক্রমে বেশি শৃঙ্খলা বজায় রেখেছিলেন বলে মনে করা হয়।</p><p>চিফ অব স্টাফ সাধারণত প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠতম প্রশাসনিক সহযোগী। হোয়াইট হাউসের কর্মীদের পরিচালনা, প্রেসিডেন্টের সময়সূচি নির্ধারণ এবং সরকারি বিভাগ ও আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।</p><p>ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত চারজন চিফ অব স্টাফ দায়িত্ব পালন করেন। এবার মিলারের নিয়োগের মধ্য দিয়ে নির্বাচনে পরাজয়ের পর প্রশাসনে নতুন করে ক্ষমতার সমীকরণ তৈরি হচ্ছে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">35a0-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 09:04:37 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ঢাকার আবহাওয়া আজ যেমন থাকতে পারে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Weather/74784/84bc-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: &nbsp;</strong>রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আগামী ছয় ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ ৭ নভেম্বর শনিবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়।</p><p>পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ে আকাশ পরিষ্কার থাকতে পারে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এ ছাড়া দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।</p><p>আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৪ শতাংশ। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।</p><p>গতকাল শুক্রবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">84bc-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 08:56:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজকের খেলা (৭ নভেম্বর ২০২৬)]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/74783/ee56-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক:</strong> সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এ ছাড়া অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ক্রিকেটের পাশাপাশি আজ রয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, স্প্যানিশ লা লিগা ও ফ্রেঞ্চ লিগ আঁর বেশ কয়েকটি ম্যাচ।</p><p><strong>ক্রিকেট</strong></p><p>সিলেট টেস্ট: তৃতীয় দিন<br>বাংলাদেশ–ওয়েস্ট ইন্ডিজ<br>সরাসরি, সকাল ৯টা ৩০ মিনিট<br>টি স্পোর্টস ও ট্যাপম্যাড</p><p>জাতীয় ক্রিকেট লিগ<br>সিলেট–রাজশাহী<br>ময়মনসিংহ–বরিশাল<br>ঢাকা–খুলনা<br>রংপুর–চট্টগ্রাম<br>সরাসরি, সকাল ৯টা ৩০ মিনিট<br>বিসিবি ইউটিউব</p><p>অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেট<br>বাংলাদেশ–শ্রীলঙ্কা<br>সরাসরি, বেলা ১১টা<br>সনি স্পোর্টস ২</p><p>দ্বিতীয় ওয়ানডে<br>নিউজিল্যান্ড–ভারত<br>সরাসরি, সকাল ৮টা<br>সনি স্পোর্টস ১ ও ২</p><p>শারজা টেস্ট: তৃতীয় দিন<br>জিম্বাবুয়ে–আফগানিস্তান<br>সরাসরি, দুপুর ১২টা<br>ট্যাপম্যাড</p><p><strong>ফুটবল</strong></p><p>ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ</p><p>লিডস–টটেনহাম<br>সরাসরি, সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট</p><p>আর্সেনাল–হাল সিটি<br>সরাসরি, রাত ৯টা</p><p>নটিংহাম–ম্যানচেস্টার সিটি<br>সরাসরি, রাত ১১টা ৩০ মিনিট<br>স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১</p><p><strong>লা লিগা</strong></p><p>মালাগা–রেসিং<br>সরাসরি, সন্ধ্যা ৭টা</p><p>এস্পানিওল–দেপোর্তিভো<br>সরাসরি, রাত ৯টা ১৫ মিনিট</p><p>ওসাসুনা–বিলবাও<br>সরাসরি, রাত ১১টা ৩০ মিনিট</p><p>ভ্যালেন্সিয়া–রিয়াল মাদ্রিদ<br>সরাসরি, রাত ২টা<br>টি স্পোর্টস</p><p><strong>ফ্রেঞ্চ লিগ আঁ</strong></p><p>পিএসজি–ত্রয়া<br>সরাসরি, রাত ২টা ৫ মিনিট<br>স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ee56-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 08:47:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজকের রাশিফল (৭ নভেম্বর ২০২৬)]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/others/74782/f84c-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: আজ শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬। চাঁদ কন্যা ও তুলা রাশিতে গোচর করবে। পঞ্জিকা অনুসারে, আজ সকাল ১০টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত থাকবে কার্তিক কৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথি। এরপর শুরু হবে কার্তিক কৃষ্ণা চতুর্দশী তিথি। পাশাপাশি আজ থাকবে প্রীতি যোগ ও আয়ুষ্মান যোগের প্রভাব। জ্যোতিষমতে, শনিবার গ্রহরাজ শনির দিন। জেনে নিন মেষ থেকে মীন—১২ রাশির আজকের ভাগ্য।</p><p><strong>মেষ রাশি</strong></p><p>মেষ রাশির জাতকরা কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাবেন। ভেবেচিন্তে কাজ করুন, তা না হলে শত্রুরা আপনার ক্ষতি করতে পারে। কোনো ঝুঁকি নেবেন না। ব্যবসায়ীরা পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে লাভবান হতে পারেন। ভাইয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দিতে পারে। সন্ধ্যায় পরিবারের ছোট সদস্যদের সঙ্গে হাসি-আনন্দে সময় কাটবে।</p><p><strong>বৃষ রাশি</strong></p><p>বৃষ রাশির জাতকদের উন্নতি দেখে মনে আনন্দ থাকবে। সংসারে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে। ব্যবসায়ীরা সময়ের সদ্ব্যবহার করে নতুন জ্ঞান অর্জন করবেন। সম্পত্তি কেনার ইচ্ছা থাকলে সব দলিলপত্র ভালোভাবে পড়ে নেবেন। সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন।</p><p><strong>মিথুন রাশি</strong></p><p>মিথুন রাশির জাতকরা পরিবারের কোনো সদস্যকে নিয়ে ব্যস্ততা ও অপ্রয়োজনীয় দুশ্চিন্তায় থাকতে পারেন। জীবনসঙ্গীকে ঘুরতে নিয়ে যেতে পারেন। ব্যবসায় নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার আপনাকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। আর্থিক পরিস্থিতি মোটামুটি থাকবে। ছোটখাটো লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। কারও সাহায্য নিতে চাইবেন না। সন্তানের চাকরি চূড়ান্ত হতে পারে।</p><p><strong>কর্কট রাশি</strong></p><p>কর্কট রাশির জাতকদের আইনি মামলায় সাফল্যের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হতে পারে। আত্মীয়দের সহায়তায় দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করবেন। সন্তানের উন্নতিতে আনন্দিত হবেন। আজ অর্থলাভের সম্ভাবনা রয়েছে। দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে অর্থ ব্যয় হবে। নিজের কথাবার্তার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখুন।</p><p><strong>সিংহ রাশি</strong></p><p>সিংহ রাশির জাতকরা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। পরিবারে কলহের আশঙ্কা রয়েছে। তবে পরিবারের বয়স্ক সদস্যরা পরিস্থিতি সামলে নিতে পারবেন। ছাত্রছাত্রীদের চিন্তাভাবনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। স্বাস্থ্যের ওঠানামা হতে পারে। অর্থ বিনিয়োগ এড়িয়ে চলুন, অন্যথায় ভবিষ্যতে লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে।</p><p><strong>কন্যা রাশি</strong></p><p>কন্যা রাশির জাতকদের আপাতত চাকরি পরিবর্তনের চেষ্টা না করাই ভালো। বর্তমান কর্মস্থলেই থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিদেশে পড়াশোনা করছেন—এমন শিক্ষার্থীদের জন্য সময়টি অনুকূল। পৈতৃক সম্পত্তিসংক্রান্ত কাজ আপাতত স্থগিত রাখুন, অন্যথায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। বাড়ির সুখ-সুবিধার জন্য অর্থ ব্যয় করবেন।</p><p><strong>তুলা রাশি</strong></p><p>তুলা রাশির যেসব জাতক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের প্রভাব বাড়তে পারে। আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ হবে। সন্ধ্যায় সুসংবাদ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সহায়তায় আটকে থাকা কাজ আবার শুরু করতে পারবেন। ছাত্রছাত্রীরা পরিশ্রম করলে ভালো ফল পাবেন। পরিবার ও কর্মক্ষেত্রে কোনো সমস্যা চলতে থাকলে তার সমাধান হতে পারে।</p><p><strong>বৃশ্চিক রাশি</strong></p><p>বৃশ্চিক রাশির জাতকরা কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ পাবেন। কোনো বিশেষজ্ঞের পরামর্শে লাভবান হতে পারেন। মায়ের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল থাকুন। অর্থসংকটের কারণে পারিবারিক প্রয়োজন মেটাতে সমস্যা হতে পারে। বিদেশে বসবাসকারী আত্মীয়দের কাছ থেকে সুসংবাদ পেতে পারেন।</p><p><strong>ধনু রাশি</strong></p><p>ধনু রাশির জাতকদের আকস্মিক অর্থলাভের সম্ভাবনা রয়েছে। পৈতৃক সম্পত্তিও পেতে পারেন। শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্কে তিক্ততা তৈরি হতে পারে। তবে জীবনসঙ্গীকে পাশে পাবেন। অনৈতিক কাজ থেকে দূরে থাকুন, অন্যথায় সম্মানহানির আশঙ্কা রয়েছে। প্রেমের সম্পর্কে নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে।</p><p><strong>মকর রাশি</strong></p><p>মকর রাশির জাতকদের ব্যবসায় উন্নতির পথ প্রশস্ত হবে। পরিবারের ছোট সদস্যদের সঙ্গে ভালো সময় কাটবে। মানসিক শান্তি অনুভব করবেন। সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ কমলেও সম্মান বাড়বে। পারিবারিক সম্পত্তি লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। কারও কাছে টাকা পাওনা থাকলে তা ফেরত পেতে পারেন।</p><p><strong>কুম্ভ রাশি</strong></p><p>কুম্ভ রাশির ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষাসংক্রান্ত আর্থিক সমস্যা থাকলে তা আজ মিটে যেতে পারে। পছন্দের মানুষের কাছ থেকে বিয়ের প্রস্তাব পেতে পারেন। ব্যবসায়ীদের লাভ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দাম্পত্য জীবন সুখের হবে। জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।</p><p><strong>মীন রাশি</strong></p><p>মীন রাশির জাতকদের ব্যবসায়িক বাধা দূর হতে পারে। সামাজিক জীবনে মান-সম্মান অর্জন করবেন। বিভিন্ন মহলে আপনার পরিচিতি বাড়বে। পরিবারে শুভ অনুষ্ঠানের আয়োজন হতে পারে। সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটবে। বিনোদনে অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ কাজ ব্যাহত হতে পারে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f84c-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 08:43:36 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজকের নামাজের সময়সূচি (৭ নভেম্বর ২০২৬)]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/religion/74781/4ed7-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> আজ ৭ নভেম্বর শনিবার। ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশন প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ফজর, জোহর, আসর, মাগরিব ও এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু, আজান ও জামাতের সময় নিচে তুলে ধরা হলো।</p><p>ফজর<br>ওয়াক্ত শুরু হয়েছিল: ভোর ৪টা ৫০ মিনিট<br>আজান: ভোর ৪টা ৫৫ মিনিট<br>জামাত: ভোর ৫টা ৩০ মিনিট</p><p>জোহর<br>ওয়াক্ত শুরু: সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট<br>আজান: দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট<br>জামাত: দুপুর ১টা ১৫ মিনিট</p><p>আসর<br>ওয়াক্ত শুরু: বিকেল ৩টা ৪২ মিনিট<br>আজান: বিকেল ৪টা<br>জামাত: বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট</p><p>মাগরিব<br>ওয়াক্ত শুরু: বিকেল ৫টা ২২ মিনিট<br>আজান: বিকেল ৫টা ২৩ মিনিট<br>জামাত: বিকেল ৫টা ২৮ মিনিট</p><p>এশা<br>ওয়াক্ত শুরু: সন্ধ্যা ৬টা ৩৭ মিনিট<br>আজান: সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিট<br>জামাত: সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট</p><p>এদিকে আগামীকাল রোববার সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৮ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4ed7-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 08:24:25 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74780/87a4-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> আজ ৭ নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সংঘটিত সিপাহি-জনতার বিপ্লবের স্মরণে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে সরকার, রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।</p><p>দিবসটি উপলক্ষে আজ শনিবার দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব দূতাবাস ও মিশনেও। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে বলে সংশ্লিষ্ট পরিপত্রে জানানো হয়েছে। খবর বাসসের।</p><p>মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ দেশে সাধারণ ছুটি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনসংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকায় দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এ ছুটির আওতায় থাকবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের সব তফশিলি ব্যাংকও বন্ধ থাকবে।</p><p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। সংগঠনটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।</p><p><strong>বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা</strong></p><p>দিবসটি উপলক্ষে আজ রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মঞ্চ নির্মাণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।</p><p>গত ৬ নভেম্বর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনী বক্তব্যের পর শোভাযাত্রা শুরু হবে।</p><p>তিনি বলেন, ‘র‌্যালিটি নয়া পল্টন থেকে কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাস ভবনের সামনে দিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় হয়ে বাংলামোটর, ফার্মগেইট হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।’</p><p>‘র‌্যালির আগে সকাল সাড়ে ৮টায় শেরে বাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রীসহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।’</p><p>ঢাকার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির বাইরে দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করবে বলে জানান রিজভী। শোভাযাত্রা সফল করতে বিএনপি মহানগর উত্তর, দক্ষিণ ও অঙ্গসংগঠনগুলো ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বলেও জানান তিনি।</p><p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইতোমধ্যে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দিয়েছেন।</p><p><strong>রাষ্ট্রপতির বাণী</strong></p><p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p><p>তিনি বলেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ৭ই নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্নীতি, বৈষম্য ও সব ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটাতে হবে।</p><p>রাষ্ট্রপতি বলেন, ৭ নভেম্বরের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দেশ ও জনগণের স্বার্থে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে রাষ্ট্র। জাতীয় স্বার্থ, সাম্য, ন্যায্যতা ও গণতন্ত্রচর্চা পাবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।</p><p>‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে দেশের সব নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি। একই সঙ্গে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার যুগান্তকারী বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী সব বীর সেনানী ও দেশপ্রেমিক জনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি।</p><p>বাণীতে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনে এক অবিস্মরণীয় দিন, দেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। তাঁবেদারি অপশাসন, দুর্নীতি, নৈরাজ্য ও আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্রের সেই কঠিন সময়ে ঐক্যবদ্ধ সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশ তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরে পায়। সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়। স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন। জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে তাঁর ওপর রাষ্ট্র পরিচালনা ও জাতীয় সংকট উত্তরণের গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়। জাতির এই ক্রান্তিকালে তাঁর ভূমিকা ছিল ত্রাতার।</p><p>সিপাহি ও জনতার এই সংহতি ছিল স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত এক অভূতপূর্ব জাগরণ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সর্বদা সংহতি ও ঐক্য প্রকাশ করেছে। সেই একই চেতনা পুনর্জাগরিত হয় ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে। এসময় ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষ, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণের সুদৃঢ় ঐক্যে দীর্ঘ ষোলো বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার বিপর্যয় থেকে আবারও রক্ষা পায় প্রিয় স্বদেশ।</p><p><strong>প্রধানমন্ত্রীর বাণী</strong></p><p>দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল।</p><p>তিনি বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল এবং দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস ও সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।’</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক দিনটি ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।’</p><p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্ম ও মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনায় একটি প্রবাদবাক্য প্রণিধানযোগ্য—‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ’। তাই সারাবেলা ইতিহাসচর্চায় মশগুল থাকা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল।</p><p>তারেক রহমান বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করেছিল। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজারো শহিদের আত্মত্যাগ এবং বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর অবশেষে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় রাজপথে নেমে এসেছিল, একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।</p><p>ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে কিংবা দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।</p><p><strong>সরকারের নানা কর্মসূচি</strong></p><p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনে সরকার দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।</p><p>গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে দেশের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ জাতীয় পতাকায় সজ্জিত করা হবে।</p><p>জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় দেশের সব মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশু পরিবার, শিশুসদন, কিশোর সংশোধন কেন্দ্র, শান্তি নিবাস ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানে সুবিধাজনক সময়ে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। এ ছাড়া সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় দেশের সব শিশু পার্ক দিনব্যাপী বিনা টিকিটে শিশুদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।</p><p>নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ আলোচনা ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।</p><p>তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য-সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতারে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার এবং সিনেমা হল ও ভ্যানযোগে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হবে।</p><p>বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দেশাত্মবোধক গানের আসর, সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা এবং জেলা সদর ও উপজেলা পর্যায়ে প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে বিশেষ স্মারক আলোচনা সভারও আয়োজন করা হবে।</p><p>সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ক্যাডেট কোরের তত্ত্বাবধানে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।</p><p>এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, কোস্ট গার্ড, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, এনটিএমসি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদর দপ্তরগুলোতে মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে।</p><p><strong>ছয় ঘণ্টা টোলমুক্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে</strong></p><p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টার জন্য টোল ছাড়াই ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করতে পারবেন যানবাহন চালকেরা।</p><p>বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, নির্ধারিত ছয় ঘণ্টা ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী সব যানবাহন টোলমুক্ত সুবিধা পাবে।</p><p>এদিকে দিবসটি উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।</p><p><strong>৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য</strong></p><p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস প্রসঙ্গে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ নভেম্বর এক ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনটিতে দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার মিলিত এক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। ওই মহান বিপ্লবে আধিপত্যবাদী শক্তির সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়ে গিয়েছিল। সুসংহত হয়েছিল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। ফলে ৭ নভেম্বরের দিনটি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে জাতির ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে আছে।</p><p>তিনি বলেন, পঁচাত্তরের পটপরিবর্তনের পর ৩, ৪ ও ৫ নভেম্বর বাংলাদেশ ছিল কার্যত সরকারবিহীন। এ সময় কুচক্রীরা সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ক্যান্টনমেন্টে তার বাসভবনে বন্দি করে রেখেছিল। কিন্তু ৬ নভেম্বর রাতে সংঘটিত সিপাহি-জনতার বিপ্লবে নস্যাৎ হয়ে যায় সব ষড়যন্ত্র। চার দিন বন্দি থাকার পর মুক্তি পান জিয়া। রেডিওতে ভেসে আসে তার কণ্ঠ-‘আমি জিয়া বলছি’। ভাষণে তিনি দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ এবং কঠোর পরিশ্রম করার আহ্বান জানান। ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানের সংক্ষিপ্ত, আবেগপূর্ণ এবং সময়োচিত ভাষণ দেশের জনগণকে উদ্দীপ্ত করে।</p><p>বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট মারুফ কামাল খান বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিনটি ছিলো ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর। সিপাহী-জনতার বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে এই তারিখটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসে উজ্জ্বল ও ভাস্মর হয়ে আছে।</p><p>বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট গাজীউল হাসান খান বলেন, ১৯৭৫ সালের &nbsp;৭ নভেম্বর সেনা অধিনায়ক ও মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের জীবন ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির ইতিহাসে ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট। ৭ নভেম্বর সংগঠিত সিপাহি-জনতার বিপ্লবই আমাদের মহান স্বাধীনতার ঘোষক এবং মুক্তিযুদ্ধের অগ্রনায়ক জিয়াউর রহমানকে দেশের রাজনীতিতে টেনে এনেছিল, &nbsp;এক কঠিন সময়ে তাঁকে জাতির মহান কাণ্ডারীর ভূমিকায় বসিয়েছিল।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">87a4-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 08:15:10 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চাঁদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আ.লীগ নেতা আটক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/74779/c866-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> চাঁদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের পুরান বাজার এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।</p><p>একই সময়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে আটক ব্যক্তিদের সংখ্যা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p><p>সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফয়েজ আহমেদ জানান, পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে। অভিযানে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযান শেষ হলে বিস্তারিত জানানো হবে।</p><p>এদিকে, আজ দুপুরে শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অবস্থিত ‘৩৬ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তদের এ কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সন্ধ্যায় শহরের বিভিন্ন স্থানে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল বের করেন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ ১১ দলের নেতাকর্মীরা।</p><p>অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিরা নূর জানান, পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদকে আটক করা হয়েছে। অভিযান এখনও চলমান রয়েছে। মোট কতজনকে আটক করা হয়েছে, তা পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c866-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 22:56:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আদাবর থানার সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/74778/f331-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> রাজধানীর আদাবর থানার সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সেকেন্ড ইন কমান্ড (টুআইসি) ফজলুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।</p><p>তিনি জানান, রাত ৯টা ৫ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা ককটেল দুটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।</p><p>তবে, এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। কারা কী উদ্দেশ্যে ককটেল নিক্ষেপ করেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f331-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 22:40:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এনবিএ’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন এশিয়ান টিভির প্রেজেন্টার রূপা নূর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/mass-media/74777/0326-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>বেসরকারি টেলিভিশন ও রেডিওর সংবাদ উপস্থাপকদের সংগঠন নিউজ ব্রডকাস্টার্স অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (এনবিএ)-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে<strong> </strong>সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এশিয়ান টেলিভিশনের সিনিয়র প্রেজেন্টার রূপা নূর।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের সাবেক ও বর্তমান সংবাদ উপস্থাপকেরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।</p><p>নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোহনা টেলিভিশনের সিনিয়র প্রেজেন্টার জাভেদ কারদার। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন এনটিভির রাইসুল হক চৌধুরী। নির্বাচনে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হয়েছেন জিটিভির শারমিন ইফখাত শামস। ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন চ্যানেল ওয়ানের আশিকুর রহমান তমাল।</p><p>সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন ইটিভির সাবেক সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার মুজাহিদুল ইসলাম শিব্বির। এ ছাড়া কোষাধ্যক্ষ পদে চ্যানেল নাইনের সিনিয়র প্রেজেন্টার সাদওয়াত সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এটিএন নিউজের সিনিয়র প্রেজেন্টার বাবলী ইয়াসমিন, দপ্তর সম্পাদক পদে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের সিনিয়র প্রেজেন্টার মামুন উর রশীদ নির্বাচিত হয়েছেন।</p><p>মিডিয়া, কমিউনিকেশন ও আইটি সম্পাদক পদে চ্যানেল আইয়ের প্রেজেন্টার সামীর হোসেন, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও আইন সম্পাদক পদে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের প্রেজেন্টার আতিকুর রহমান আতিক এবং স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মাই টিভির প্রেজেন্টার হাফিজ খন্দকার নির্বাচিত হয়েছেন।</p><p>সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে আরটিভির সিনিয়র প্রেজেন্টার পারভীন মিতু নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন জিটিভির সাবেক প্রেজেন্টার সাঈদা আহমেদ ও আরটিভির সিনিয়র প্রেজেন্টার ফারজানা তানি।<br>পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন মিডিয়াব্যক্তিত্ব কাউসার মাহমুদ। কমিশনের অন্য সদস্যরা ছিলেন একুশে টেলিভিশনের সাবেক সিনিয়র সংবাদ উপস্থাপক তাহজিন রহমান, বৈশাখী টেলিভিশনের সিনিয়র সংবাদ উপস্থাপক লতিফুল মতিন মিঠু, বৈশাখী টেলিভিশনের সাবেক সিনিয়র সংবাদ উপস্থাপক লাবণ্য হাসান এবং চ্যানেল আইয়ের সিনিয়র সংবাদ উপস্থাপক আহমেদ মেহেদী হাসান।</p><p>উল্লেখ্য, ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করে নিউজ ব্রডকাস্টার্স অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (এনবিএ)। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংবাদ উপস্থাপকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মশালা আয়োজনের পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে সংগঠনটি। এ ছাড়া শিশু, বন্যাদুর্গত ও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সহায়তায়ও বিভিন্ন সময়ে কাজ করেছে এনবিএ।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0326-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 22:14:31 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গাছ বাঁচাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, অর্ধশতাধিক গাছ থেকে সরানো হলো পেরেক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/others/74776/de49-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> রাজধানীতে গাছের সুরক্ষা ও পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘রান ফর গ্রীন বাংলাদেশ’। সংগঠনটির চলমান কর্মসূচি ‘প্রজেক্ট ট্রি কেয়ার’-এর আওতায় আগারগাঁও থেকে নির্বাচন অফিস পর্যন্ত সড়কের অর্ধশতাধিক গাছ থেকে এক কেজির বেশি লোহার পেরেক অপসারণ করা হয়েছে।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনটির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবীরা অংশ নেন।</p><p>গাছে ব্যানার, পোস্টার ও বিজ্ঞাপন লাগানোর জন্য বিভিন্ন সময় গাছের গায়ে পেরেক ঠুকে দেওয়া হয়। এতে গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদে গাছের স্বাস্থ্য ও জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে। গাছের প্রতি মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ ধরনের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে গাছকে রক্ষা করাই ‘প্রজেক্ট ট্রি কেয়ার’-এর মূল লক্ষ্য।</p><p>কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রান ফর গ্রীন বাংলাদেশের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোশারেফ হোসেন আবির, নির্বাহী কমিটির সদস্য কাউছার হামিমসহ সংগঠনের অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী।</p><p>সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার নিয়মিতভাবে ‘প্রজেক্ট ট্রি কেয়ার’ পরিচালনা করা হবে। পর্যায়ক্রমে নগরীর বিভিন্ন এলাকার গাছ থেকে পেরেক অপসারণের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হবে।</p><p>রান ফর গ্রীন বাংলাদেশের মতে, পরিবেশ রক্ষায় শুধু নতুন গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, বিদ্যমান গাছগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই সংগঠনটির এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।</p><p>সংগঠনটির পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে, গাছের গায়ে পেরেক ঠুকে নয়, বরং গাছকে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ দিতে হবে। গাছ বাঁচলে পরিবেশ বাঁচবে, সুরক্ষিত থাকবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">de49-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 21:37:40 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গাছ বাঁচাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, অর্ধশতাধিক গাছ থেকে সরানো হলো পেরেক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/74776/de49-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> রাজধানীতে গাছের সুরক্ষা ও পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘রান ফর গ্রীন বাংলাদেশ’। সংগঠনটির চলমান কর্মসূচি ‘প্রজেক্ট ট্রি কেয়ার’-এর আওতায় আগারগাঁও থেকে নির্বাচন অফিস পর্যন্ত সড়কের অর্ধশতাধিক গাছ থেকে এক কেজির বেশি লোহার পেরেক অপসারণ করা হয়েছে।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনটির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবীরা অংশ নেন।</p><p>গাছে ব্যানার, পোস্টার ও বিজ্ঞাপন লাগানোর জন্য বিভিন্ন সময় গাছের গায়ে পেরেক ঠুকে দেওয়া হয়। এতে গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদে গাছের স্বাস্থ্য ও জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে। গাছের প্রতি মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ ধরনের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে গাছকে রক্ষা করাই ‘প্রজেক্ট ট্রি কেয়ার’-এর মূল লক্ষ্য।</p><p>কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রান ফর গ্রীন বাংলাদেশের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোশারেফ হোসেন আবির, নির্বাহী কমিটির সদস্য কাউছার হামিমসহ সংগঠনের অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী।</p><p>সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার নিয়মিতভাবে ‘প্রজেক্ট ট্রি কেয়ার’ পরিচালনা করা হবে। পর্যায়ক্রমে নগরীর বিভিন্ন এলাকার গাছ থেকে পেরেক অপসারণের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হবে।</p><p>রান ফর গ্রীন বাংলাদেশের মতে, পরিবেশ রক্ষায় শুধু নতুন গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, বিদ্যমান গাছগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই সংগঠনটির এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।</p><p>সংগঠনটির পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে, গাছের গায়ে পেরেক ঠুকে নয়, বরং গাছকে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ দিতে হবে। গাছ বাঁচলে পরিবেশ বাঁচবে, সুরক্ষিত থাকবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">de49-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 21:37:40 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নতুন দায়িত্বে শিক্ষামন্ত্রীসহ ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74775/fca2-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পুনর্মূল্যায়নে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছয় সদস্যের এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে।</p><p>সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ-সংক্রান্ত সরকারি গেজেটও প্রকাশ করা হয়েছে।</p><p>কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।</p><p>প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের প্রচলিত বেতন কাঠামোয় থাকা বিভিন্ন অসংগতি এবং এ নিয়ে ওঠা অভিযোগ পর্যালোচনা করবে কমিটি। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সুপারিশ সরকারের কাছে তুলে ধরবে তারা।</p><p>এছাড়া সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন গ্রেডের উন্নীতকরণ ও অবনমন এবং বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে সামঞ্জস্য আনার বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হবে। নতুন করে ঝুঁকিভাতা ও অন্যান্য ভাতা চালুর সুযোগ রয়েছে কি না, তা-ও বিবেচনা করবে কমিটি।</p><p>বর্তমানে সরকারি কর্মচারীরা যেসব ভাতা পাচ্ছেন, সেগুলোর পরিমাণ বাড়ানো বা কমানোর প্রয়োজনীয়তাও যাচাই করা হবে। পর্যালোচনা শেষে এ বিষয়ে সরকারকে সুপারিশ দেবে কমিটি।</p><p>কমিটির কার্যক্রমে সহযোগিতা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বা সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং অর্থ বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা। প্রয়োজনে কমিটিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগও রাখা হয়েছে।</p><p>প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কমিটির দাপ্তরিক ও সাচিবিক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা দেবে অর্থ বিভাগ।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">fca2-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 20:59:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নতুন বাজারে বৈশাখী পরিবহনে আগুন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/74774/5fb4-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাজধানীর নতুন বাজার এলাকায় বৈশাখী পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। বাসটি সাভার-নতুন বাজার রুটে চলাচল করতো।</p><p>জানা গেছে, নতুন বাজার এলাকায় যাত্রী নামানোর কিছু সময় পর বাসটিতে হঠাৎ আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। তবে কে বা কারা এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানাতে পারেননি পরিবহন কোম্পানির কর্মকর্তারা।</p><p>পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসটি সরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাসটির চালক ও হেলপারকে থানায় নেওয়া হয়েছে।</p><p>ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটে বাসে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণ করে।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5fb4-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 20:49:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নিজ গ্রামে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সেনা সদস্য তিতাশ শেখ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/74773/ff70-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ফরিদপুর প্রতিনিধি:</strong> টেকনাফে মানব পাচারকারীদের গুলিতে নিহত সেনাসদস্য তিতাশ শেখকে (২৮) নিজ গ্রামের কবরস্থানে দাফন দেওয়া হয়েছে।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার বাদ মাগরিব জানাজা শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সামরিক আনুষ্ঠানিকতায় গার্ড অফ অনার ও স্যালুট জানিয়ে তাকে শেষ বিদায় জানানো হয়।</p><p>সামরিক সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের লস্করদিয়া কবরস্থানে পরিবার-পরিজন, স্বজন ও এলাকাবাসীর অশ্রুসজল ধারার চিরতরে মাটির বিছানায় শুইয়ে দেওয়া হয় তিতাশকে। এভাবেই দেশের এক সম্ভাবনাময় সন্তানের নশ্বর জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে।</p><p>এর আগে বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে নগরকান্দা মাহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমী মাঠে কক্সবাজারের রামু থেকে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে নিহত সেনা সদস্যের মরদেহ অবতরণ করে। ওই মাঠে উপস্থিত পদ্মা সেনানিবাস ক্যাম্পের ১৫ আরই রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মেজর সোহেল আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল মরদেহটি গ্রহণ করেন।</p><p>বিকেল ৫টার দিকে গাড়িতে করে মরদেহটি নিয়ে যাওয়া হয় লস্করদিয়া ইউনিয়নের লস্করদিয়া আতিকুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। সেখানে বাদ মাগরিব নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>এখানে পরিবারের পক্ষ থেকে নিহতের মামা ও লস্করদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবুল তালুকদার, নগরকান্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খায়রুল হাসানসহ এলাকার কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি বক্তব্য দেন।</p><p>জানাজা শেষে সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে তিতাশের মরদেহটি নিয়ে যাওয়া হয় লস্করদিয়াগ্রামের নিজ বাড়িতে। ওই সময় এক বেদনাবিধুর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মৃতের মা, বাবা, স্ত্রীসহ আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর আহাজারিতে বাতাস ভারি হয়ে ওঠে।</p><p>এরপরে পাশের কবরস্থানে দাফন করা হয় তিতাসকে। এসময় সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল শসস্র সালাম, গাড অব অনার প্রদান করে।</p><p>পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে যোগদান করেন তিতাস শেখ। তিনি সেনাবাহিনীর ১ বীর ইউনিটের সদস্য হিসেবে টেকনাফের রঙ্গীখালী আর্মি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। গত চার বছর আগে পার্শ্ববর্তী গ্রামের সুমাইয়া আক্তারকে (২২) বিয়ে করেন। আগামী ডিসেম্বর মাসে স্ত্রীকে তার কর্মস্থলে নেয়ার কথা ছিল তিতাস শেখের। কিন্তু একটি বুলেট তাকে থামিয়ে দিল তার পথ চলা।</p><p>সেনাসদস্য তিতাসের বাবা আফজাল শেখ অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং ছোট ভাই আকরাম হোসেনও বর্তমানে সেনাবাহিনীতে কর্মরত রয়েছেন।&nbsp;<br>স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার স্বামীকে হারিয়ে বিলাপ করে বলছেন- ‘আমাকেও নিয়ে যাও, আমি কেমনে থাকব! আমার কোনো অস্তিত্ব রইলো না! আল্লাহ, আমি এখন কি করব!’</p><p>শোকে পাগলপ্রায় তিতাশের মা রেখা বেগম। রেখা বেগম জানান, গত বুধবার রাতে ছেলের সাথে শেষ কথা হয়েছিল তার। তিতাস তখন বলেছিল- ‘আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেলে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে যাব, দোয়া কইরো মা।’&nbsp;<br>কিন্তু তার এই কথা ছিল শেষ কথা হবে তা ঘুণাক্ষরেও আঁচ করতে পারেনি মা রেখা বেগম। সন্তানের নিহতের খবর পাওয়ার পর থেকে শুধুই বিলাপ করে যাচ্ছেন।</p><p>ছেলেকে হারিয়ে বাবা আফজাল শেখের মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হচ্ছে না। বাগরুদ্ধ হয়ে শুধুই ঝরছে চোখের পানি।</p><p>প্রসঙ্গত আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথবাহিনীর অভিযান চলাকালে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে আহত হন সেনাসদস্য তিতাস শেখ। তার বুকের বাঁ পাশে গুলি লাগে।</p><p>পরে তাকে স্থানীয় আইআরসি রোহিঙ্গা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বেসামরিক অ্যাম্বুলেন্সে করে রামু সিএমএইচে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টা ৪৮ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ff70-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 20:38:25 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শিশুদের স্বাস্থ্যসেবায় ঝালকাঠিতে দিনব্যাপী বিশেষ চিকিৎসা ক্যাম্প]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/74772/e568-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বরিশাল প্রতিনিধি:</strong> শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে দিনব্যাপী বিশেষ চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার সকালে ঝালকাঠি শহরের উদ্বোধন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উই ক্যান চেঞ্জ (ডব্লিউসিসি)-এর উদ্যোগে এ চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।</p><p>ক্যাম্পে নবজাতক থেকে শুরু করে ১৮ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ প্রদান করা হচ্ছে। এতে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এস এম খালিদ মাহমুদ শাকিলসহ শিশু মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।</p><p>চিকিৎসা ক্যাম্পে শিশুদের বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যা শনাক্তকরণ, প্রাথমিক চিকিৎসা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি হিমোগ্লোবিন ও রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুদের বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধও সরবরাহ করা হচ্ছে।</p><p>আয়োজকরা জানান, শিশুদের বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা, অভিভাবকদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া এবং শিশুস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। শিশুদের সুস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।</p><p>এ বিষয়ে অধ্যাপক ডা. এস এম খালিদ মাহমুদ শাকিল বলেন, শিশুদের সুস্বাস্থ্য ও স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশ নিশ্চিত করতে সময়মতো রোগ শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের স্বাস্থ্যগত সমস্যা চিহ্নিত করার পাশাপাশি অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p><p>বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন ক্যাম্পে আসা শিশু-কিশোর ও তাদের অভিভাবকরা।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e568-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 20:27:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রোনালদোর অবসর: পর্তুগালের জার্সিতে স্মরণীয় মুহূর্ত ও রেকর্ড]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/74771/b7d7-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দিয়ে পর্তুগালের হয়ে প্রায় ২৩ বছরের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন তিনি। কৈশোরে শুরু হওয়া সেই যাত্রার সমাপ্তি ঘটল প্রায় এক-চতুর্থাংশ শতাব্দী পর।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন এক ভিডিও বার্তায় পর্তুগালের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রোনালদো। একইসঙ্গে গর্বের সঙ্গে পর্তুগালের বিখ্যাত ৭ নম্বর জার্সিটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।</p><p>বিদায়বেলায় রোনালদো যা বলে গেছেন তা কেবলমাত্র একজন সত্যিকার কিংবদন্তিকেই মানায়। রোনালদো বলেন, ‘আমি কখনোই মনে করিনি জার্সিটি শুধু আমার। তবে ২৩ বছর ধরে এটি পরার, রক্ষা করার এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের স্টেডিয়ামে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার সৌভাগ্য ও দায়িত্ব আমার ছিল। আজ সময় এসেছে এটি ভবিষ্যতের হাতে তুলে দেওয়ার। সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। কারণ, কিছু সিদ্ধান্ত শুধু মাথা দিয়ে নেওয়া যায় না, হৃদয় দিয়েও নিতে হয়। ২০০৩ সালের আগস্টে শুরু হওয়া যে যাত্রা আমার জীবন চিরতরে বদলে দিয়েছে, তার সমাপ্তি ঘটল।’</p><p>৪১ বছর বয়সী রোনালদোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষটা অবশ্য কিছুটা তিক্ততার মধ্য দিয়ে হয়েছে। অক্টোবরে উয়েফা নেশন্স লিগে ডেনমার্কের বিপক্ষে পর্তুগালের একাদশে থাকবেন না বলে জানার পর দলের অনুশীলন ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান তিনি।</p><p>তবে এমন ঘটনা পর্তুগালের হয়ে তার দীর্ঘ ও অত্যন্ত সফল ক্যারিয়ারকে ম্লান করতে পারেনি। জাতীয় দলের হয়ে ২৩৪ ম্যাচে ১৪৬ গোল করেছেন রোনালদো। জিতেছেন বেশ কয়েকটি বড় শিরোপা। ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ডও রয়েছে তার।</p><p><strong>ফিগোর বদলি হয়ে পর্তুগালের অভিষেক</strong></p><p>২০০৩ সালের ২০ আগস্ট কাজাখস্তানের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে ১৮ বছর বয়সে পর্তুগালের হয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় রোনালদোর। বিরতির পর লুইস ফিগোর বদলি হিসেবে মাঠে নামেন প্রতিভাবান এই উইঙ্গার। এটি ছিল অনেকটা এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার মুহূর্ত। সেদিন সিমাওয়ের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল পর্তুগাল।</p><p><strong>পর্তুগালের হয়ে প্রথম গোল</strong></p><p>পর্তুগালের হয়ে প্রথম গোল পেতে রোনালদোকে পরের বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। জাতীয় দলের হয়ে অষ্টম ম্যাচে ২০০৪ সালের ইউরোতে গ্রিসের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে গোলটি করেন তিনি।</p><p>ম্যাচের ৯৩ মিনিটে হেডে করা গোলটি ছিল কেবল পরাজয়ের ব্যবধান কমানোর সান্তনাসূচক গোল। কিন্তু সেদিন থেকেই শুরু হয় তার গোলের যাত্রা।</p><p>আয়োজক পর্তুগাল পরে ফাইনালেও অপ্রত্যাশিতভাবে গ্রিসের কাছে হেরে যায়। তবে পুরো টুর্নামেন্টে ২ গোল ও ২টি অ্যাসিস্ট করে সেরা একাদশে জায়গা করে নেন রোনালদো।</p><p><strong>প্রথম বিশ্বকাপ</strong></p><p>প্রথমবার কোনো বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে হেরে কান্নায় ভেঙে পড়ার ২ বছর পর বিশ্বকাপে অভিষেক হয় রোনালদোর। পর্তুগালের হয়ে ২০০৬ বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ওই আসরে তৃতীয় স্থান অর্জন করে দলটি।</p><p>সেমিফাইনালে ওঠার পথে রোনালদো মাত্র ১টি গোল করলেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের পেনাল্টি শুটআউটের একটি ঘটনা তাকে আলোচনায় নিয়ে আসে।</p><p>ওই ম্যাচে ইংল্যান্ডের ওয়েন রুনির সঙ্গে উত্তপ্ত বাকবিতন্ডায় জড়ান রোনালদো। রিকার্ডো কারভালহোর ওপর রুনি অসন্তোষ প্রকাশ করে পা দিয়ে আঘাত করে। এই ঘটনায় রেফারিকে তাকে লাল কার্ড দেখানোর জন্য জোরালোভাবে অনুরোধ করেন রোনালদো। পরে রুনিকে মাঠ ছাড়তে দেখে ডাগআউটের দিকে তাকিয়ে চোখ টিপে দেন তিনি। বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে আছে ঘটনাটি।</p><p><strong>ইউরো ২০১৬ জয়</strong></p><p>পর্তুগালের ইতিহাসে প্রথম বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন রোনালদো। ২০১৬ সালের ইউরোতে গ্রুপ পর্বে ২টি গোল করেন তিনি। এর মধ্যে হাঙ্গেরির বিপক্ষে দুর্দান্ত ব্যাকহিল শটের গোলটি এখনও স্মরণীয় হয়ে আছে।</p><p>সেমিফাইনালে ওয়েলসের বিপক্ষে দুর্দান্ত হেডে গোল করে দলকে ফাইনালে তুলতে সহায়তা করেন তিনি। ফাইনালে পর্তুগালের প্রতিপক্ষ ছিল স্বাগতিক ফ্রান্স।</p><p>তবে হাঁটুর চোটের কারণে মাত্র ২৫ মিনিট খেলেই স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয় রোনালদোকে। খেলা চালিয়ে যাওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত পারেননি তিনি।</p><p>কিন্তু দলের বাইরে বসে থাকেননি এই ফরোয়ার্ড। চোখের পানি মুছে সাইডলাইনে সহকারী কোচ ও উৎসাহদাতার ভূমিকা নেন। অতিরিক্ত সময়ে সতীর্থদের নির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১০৯ মিনিটে এডারের নাটকীয় গোলে পর্তুগাল পায় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়গুলোর একটি।</p><p>শিরোপা জয়ের পর ড্রেসিংরুমে আবেগঘন বক্তব্যও দেন রোনালদো।</p><p><strong>স্পেনের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক</strong></p><p>আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে রোনালদোর বেশির ভাগ গোল তুলনামূলক দুর্বল ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে এলেও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেও নিয়মিত গোল করেছেন তিনি। এর মধ্যে প্রতিবেশী স্পেন অন্যতম।</p><p>২০১৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে স্পেনের বিপক্ষে করা হ্যাটট্রিকটি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ১০টি হ্যাটট্রিকের মধ্যে সবচেয়ে স্মরণীয়।</p><p>ওই ম্যাচে ৩৩ বছর বয়সী রোনালদো দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখান। ম্যাচের শেষ দিকে অসাধারণ ফ্রি-কিকে গোল করে স্পেনের জয় আটকে দেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করা সবচেয়ে বেশি বয়সী খেলোয়াড়ের রেকর্ডও গড়েন।</p><p><strong>নেশন্স লিগে ২টি শিরোপা</strong></p><p>২০১৬ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পরও পর্তুগালের সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকে। ২০১৯ ও ২০২৫ সালে দুবার উয়েফা নেশন্স লিগের শিরোপা জেতে দলটি।</p><p>২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো আয়োজিত নেশন্স লিগে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে পর্তুগালকে শিরোপা জেতান অধিনায়ক রোনালদো। টুর্নামেন্টের ফাইনাল পর্বে সর্বোচ্চ গোলদাতাও হন তিনি।</p><p>২০২৫ সালের আসরের ফাইনালেও গোল করেন রোনালদো। স্পেনের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ের খেলা ড্র হওয়ার পর পেনাল্টি শুটআউটে জয় পেয়ে আবারও শিরোপা জেতে পর্তুগাল।</p><p><strong>আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড</strong></p><p>সম্ভাব্য সব গোলের রেকর্ড নিজের করে নেওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলা রোনালদো ২০২১ সালে বড় একটি মাইলফলক স্পর্শ করেন। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি গোল করে পুরুষ আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিজের করে নেন তিনি।</p><p>সেদিন পর্তুগালের হয়ে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১১১। এর মধ্য দিয়ে ইরানের কিংবদন্তি আলি দাইয়ের ১০৯ গোলের দীর্ঘদিনের রেকর্ড ছাড়িয়ে যান রোনালদো।</p><p>এরপর নিজের রেকর্ডকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার। ২৩৪ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা এখন ১৪৬। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা লিওনেল মেসির চেয়ে ২০ গোল এগিয়ে তিনি। আর্জেন্টিনার হয়ে ২০৮ ম্যাচে মেসির গোল রয়েছে ১২৬টি।</p><p>গত গ্রীষ্মে বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে গোলটিই ছিল আন্তর্জাতিক ফুটবলে রোনালদোর রেকর্ডসংখ্যক গোলের সর্বশেষ সংযোজন। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে রোনালদো ভবিষ্যত প্রজন্মের সামনে যা রেখে গেছেন তা ফুটবল বিশ্বে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b7d7-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 19:57:02 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রোনালদোর অবসর: পর্তুগালের জার্সিতে স্মরণীয় মুহূর্ত ও রেকর্ড]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/football/74771/b7d7-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দিয়ে পর্তুগালের হয়ে প্রায় ২৩ বছরের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন তিনি। কৈশোরে শুরু হওয়া সেই যাত্রার সমাপ্তি ঘটল প্রায় এক-চতুর্থাংশ শতাব্দী পর।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন এক ভিডিও বার্তায় পর্তুগালের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রোনালদো। একইসঙ্গে গর্বের সঙ্গে পর্তুগালের বিখ্যাত ৭ নম্বর জার্সিটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।</p><p>বিদায়বেলায় রোনালদো যা বলে গেছেন তা কেবলমাত্র একজন সত্যিকার কিংবদন্তিকেই মানায়। রোনালদো বলেন, ‘আমি কখনোই মনে করিনি জার্সিটি শুধু আমার। তবে ২৩ বছর ধরে এটি পরার, রক্ষা করার এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের স্টেডিয়ামে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার সৌভাগ্য ও দায়িত্ব আমার ছিল। আজ সময় এসেছে এটি ভবিষ্যতের হাতে তুলে দেওয়ার। সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। কারণ, কিছু সিদ্ধান্ত শুধু মাথা দিয়ে নেওয়া যায় না, হৃদয় দিয়েও নিতে হয়। ২০০৩ সালের আগস্টে শুরু হওয়া যে যাত্রা আমার জীবন চিরতরে বদলে দিয়েছে, তার সমাপ্তি ঘটল।’</p><p>৪১ বছর বয়সী রোনালদোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষটা অবশ্য কিছুটা তিক্ততার মধ্য দিয়ে হয়েছে। অক্টোবরে উয়েফা নেশন্স লিগে ডেনমার্কের বিপক্ষে পর্তুগালের একাদশে থাকবেন না বলে জানার পর দলের অনুশীলন ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান তিনি।</p><p>তবে এমন ঘটনা পর্তুগালের হয়ে তার দীর্ঘ ও অত্যন্ত সফল ক্যারিয়ারকে ম্লান করতে পারেনি। জাতীয় দলের হয়ে ২৩৪ ম্যাচে ১৪৬ গোল করেছেন রোনালদো। জিতেছেন বেশ কয়েকটি বড় শিরোপা। ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ডও রয়েছে তার।</p><p><strong>ফিগোর বদলি হয়ে পর্তুগালের অভিষেক</strong></p><p>২০০৩ সালের ২০ আগস্ট কাজাখস্তানের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে ১৮ বছর বয়সে পর্তুগালের হয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় রোনালদোর। বিরতির পর লুইস ফিগোর বদলি হিসেবে মাঠে নামেন প্রতিভাবান এই উইঙ্গার। এটি ছিল অনেকটা এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার মুহূর্ত। সেদিন সিমাওয়ের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল পর্তুগাল।</p><p><strong>পর্তুগালের হয়ে প্রথম গোল</strong></p><p>পর্তুগালের হয়ে প্রথম গোল পেতে রোনালদোকে পরের বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। জাতীয় দলের হয়ে অষ্টম ম্যাচে ২০০৪ সালের ইউরোতে গ্রিসের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে গোলটি করেন তিনি।</p><p>ম্যাচের ৯৩ মিনিটে হেডে করা গোলটি ছিল কেবল পরাজয়ের ব্যবধান কমানোর সান্তনাসূচক গোল। কিন্তু সেদিন থেকেই শুরু হয় তার গোলের যাত্রা।</p><p>আয়োজক পর্তুগাল পরে ফাইনালেও অপ্রত্যাশিতভাবে গ্রিসের কাছে হেরে যায়। তবে পুরো টুর্নামেন্টে ২ গোল ও ২টি অ্যাসিস্ট করে সেরা একাদশে জায়গা করে নেন রোনালদো।</p><p><strong>প্রথম বিশ্বকাপ</strong></p><p>প্রথমবার কোনো বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে হেরে কান্নায় ভেঙে পড়ার ২ বছর পর বিশ্বকাপে অভিষেক হয় রোনালদোর। পর্তুগালের হয়ে ২০০৬ বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ওই আসরে তৃতীয় স্থান অর্জন করে দলটি।</p><p>সেমিফাইনালে ওঠার পথে রোনালদো মাত্র ১টি গোল করলেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের পেনাল্টি শুটআউটের একটি ঘটনা তাকে আলোচনায় নিয়ে আসে।</p><p>ওই ম্যাচে ইংল্যান্ডের ওয়েন রুনির সঙ্গে উত্তপ্ত বাকবিতন্ডায় জড়ান রোনালদো। রিকার্ডো কারভালহোর ওপর রুনি অসন্তোষ প্রকাশ করে পা দিয়ে আঘাত করে। এই ঘটনায় রেফারিকে তাকে লাল কার্ড দেখানোর জন্য জোরালোভাবে অনুরোধ করেন রোনালদো। পরে রুনিকে মাঠ ছাড়তে দেখে ডাগআউটের দিকে তাকিয়ে চোখ টিপে দেন তিনি। বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে আছে ঘটনাটি।</p><p><strong>ইউরো ২০১৬ জয়</strong></p><p>পর্তুগালের ইতিহাসে প্রথম বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন রোনালদো। ২০১৬ সালের ইউরোতে গ্রুপ পর্বে ২টি গোল করেন তিনি। এর মধ্যে হাঙ্গেরির বিপক্ষে দুর্দান্ত ব্যাকহিল শটের গোলটি এখনও স্মরণীয় হয়ে আছে।</p><p>সেমিফাইনালে ওয়েলসের বিপক্ষে দুর্দান্ত হেডে গোল করে দলকে ফাইনালে তুলতে সহায়তা করেন তিনি। ফাইনালে পর্তুগালের প্রতিপক্ষ ছিল স্বাগতিক ফ্রান্স।</p><p>তবে হাঁটুর চোটের কারণে মাত্র ২৫ মিনিট খেলেই স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয় রোনালদোকে। খেলা চালিয়ে যাওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত পারেননি তিনি।</p><p>কিন্তু দলের বাইরে বসে থাকেননি এই ফরোয়ার্ড। চোখের পানি মুছে সাইডলাইনে সহকারী কোচ ও উৎসাহদাতার ভূমিকা নেন। অতিরিক্ত সময়ে সতীর্থদের নির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১০৯ মিনিটে এডারের নাটকীয় গোলে পর্তুগাল পায় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়গুলোর একটি।</p><p>শিরোপা জয়ের পর ড্রেসিংরুমে আবেগঘন বক্তব্যও দেন রোনালদো।</p><p><strong>স্পেনের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক</strong></p><p>আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে রোনালদোর বেশির ভাগ গোল তুলনামূলক দুর্বল ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে এলেও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেও নিয়মিত গোল করেছেন তিনি। এর মধ্যে প্রতিবেশী স্পেন অন্যতম।</p><p>২০১৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে স্পেনের বিপক্ষে করা হ্যাটট্রিকটি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ১০টি হ্যাটট্রিকের মধ্যে সবচেয়ে স্মরণীয়।</p><p>ওই ম্যাচে ৩৩ বছর বয়সী রোনালদো দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখান। ম্যাচের শেষ দিকে অসাধারণ ফ্রি-কিকে গোল করে স্পেনের জয় আটকে দেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করা সবচেয়ে বেশি বয়সী খেলোয়াড়ের রেকর্ডও গড়েন।</p><p><strong>নেশন্স লিগে ২টি শিরোপা</strong></p><p>২০১৬ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পরও পর্তুগালের সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকে। ২০১৯ ও ২০২৫ সালে দুবার উয়েফা নেশন্স লিগের শিরোপা জেতে দলটি।</p><p>২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো আয়োজিত নেশন্স লিগে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে পর্তুগালকে শিরোপা জেতান অধিনায়ক রোনালদো। টুর্নামেন্টের ফাইনাল পর্বে সর্বোচ্চ গোলদাতাও হন তিনি।</p><p>২০২৫ সালের আসরের ফাইনালেও গোল করেন রোনালদো। স্পেনের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ের খেলা ড্র হওয়ার পর পেনাল্টি শুটআউটে জয় পেয়ে আবারও শিরোপা জেতে পর্তুগাল।</p><p><strong>আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড</strong></p><p>সম্ভাব্য সব গোলের রেকর্ড নিজের করে নেওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলা রোনালদো ২০২১ সালে বড় একটি মাইলফলক স্পর্শ করেন। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি গোল করে পুরুষ আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিজের করে নেন তিনি।</p><p>সেদিন পর্তুগালের হয়ে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১১১। এর মধ্য দিয়ে ইরানের কিংবদন্তি আলি দাইয়ের ১০৯ গোলের দীর্ঘদিনের রেকর্ড ছাড়িয়ে যান রোনালদো।</p><p>এরপর নিজের রেকর্ডকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার। ২৩৪ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা এখন ১৪৬। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা লিওনেল মেসির চেয়ে ২০ গোল এগিয়ে তিনি। আর্জেন্টিনার হয়ে ২০৮ ম্যাচে মেসির গোল রয়েছে ১২৬টি।</p><p>গত গ্রীষ্মে বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে গোলটিই ছিল আন্তর্জাতিক ফুটবলে রোনালদোর রেকর্ডসংখ্যক গোলের সর্বশেষ সংযোজন। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে রোনালদো ভবিষ্যত প্রজন্মের সামনে যা রেখে গেছেন তা ফুটবল বিশ্বে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b7d7-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 19:57:02 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সবার জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74770/7865-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, সবার জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।</p><p>তিনি বলেন, সাধারণ রোগীরা যাতে বিভাগীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়েই মানসম্মত ও আধুনিক চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারেন এবং এজন্য কাউকে যাতে রাজধানীতে আসতে না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ সোসাইটি অব রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিংয়ের ‘৩২তম জাতীয় সম্মেলন ও সেকেন্ড আউটরিচ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।</p><p>ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছেন। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়নে এই বাজেটের উপযুক্ত ব্যবহার আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকলেও আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে বিদ্যমান সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে স্বাস্থ্যসেবায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন।</p><p>তিনি বলেন, চিকিৎসা ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন এনে জনগণের সেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সবার। রোগীরা যেন দেশেই সব ধরনের জটিল ও আধুনিক রোগের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা পান এবং চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কাউকে যাতে বিদেশে যেতে না হয়, সে লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।</p><p>এ সময় নবীন চিকিৎসকদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তুলতে সুনির্দিষ্ট ক্যারিয়ার প্ল্যানিংয়ের ওপরও জোর দেন তিনি।</p><p>এদিকে সম্মেলনে বক্তারা জানান, বাংলাদেশে মৃত্যুর শীর্ষ ১০টি কারণের মধ্যে লিভার সিরোসিস ৭ম অবস্থানে রয়েছে। দেশে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ হেপাটাইটিস বি এবং ৪ কোটি ৫০ লাখের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত।</p><p>রোগটি জটিল রূপ নিলে এক বছরের মধ্যে শতকরা ৪০ থেকে ৬০ ভাগ রোগীর মৃত্যু হয় উল্লেখ করে তারা প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দেন। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় সিটি স্ক্যান ও সার্জারি পরিহার এবং অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও রেডিয়েশন ঝুঁকি ভাতা চালুর আহ্বান জানান বক্তারা।</p><p>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. সৈয়দ আওসাফ আলী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিংয়ের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম।</p><p>এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ এবং মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম (শাকিল)।</p><p>সম্মেলনে ভারত, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি এবং দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও গবেষকরা অংশ নেন।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7865-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 19:44:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74769/6fc1-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল।</p><p>তিনি বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল এবং দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস ও সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।’</p><p>আগামীকাল ৭ নভেম্বর শনিবার ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে ৬ নভেম্বর শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে জাতীয়ভাবে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।</p><p>বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক দিনটি ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।’</p><p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্ম ও মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনায় একটি প্রবাদবাক্য প্রণিধানযোগ্য—‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ’। তাই সারাবেলা ইতিহাস চর্চায় মশগুল থাকা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল।</p><p>তারেক রহমান বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করেছিল। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজারো শহিদের আত্মত্যাগ এবং বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর অবশেষে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় রাজপথে নেমে এসেছিল, একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।</p><p>ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে কিংবা দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।<br><br>তিনি বলেন, এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন।</p><p>তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে-প্রাণে ধারণ করতে হবে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাঁবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে সিপাহি-জনতার বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন কিংবা ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণঅভ্যুত্থান—ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে প্রতিটি বিপ্লব ও অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটাই। তা হলো, স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণ।</p><p>বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী চক্রান্ত নস্যাৎ এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সংঘটিত ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের এই ঐতিহাসিক দিনে দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক—‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।</p><p>৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে প্রেরণা ও পাথেয় হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6fc1-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 19:41:55 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74768/8a29-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্নীতি, বৈষম্য ও সব ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটাতে হবে।</p><p>আগামীকাল ৭ নভেম্বর শনিবার ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে ৬ নভেম্বর শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।</p><p>তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের আশা-আকঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দেশ ও জনগণের স্বার্থে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে রাষ্ট্র। জাতীয় স্বার্থ, সাম্য, ন্যায্যতা ও গণতন্ত্রচর্চা পাবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।</p><p>‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে দেশের সব নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার যুগান্তকারী বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী সব বীর সেনানী ও দেশপ্রেমিক জনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।</p><p>বাণীতে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনে এক অবিস্মরণীয় দিন, দেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। তাঁবেদারি অপশাসন, দুর্নীতি, নৈরাজ্য ও আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্রের সেই কঠিন সময়ে ঐক্যবদ্ধ সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশ তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরে পায়। সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়। স্বাধীনতার ঘোষক, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন। জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে তার ওপর রাষ্ট্র পরিচালনা ও জাতীয় সংকট উত্তরণের গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়। জাতির এই ক্রান্তিকালে তার ভূমিকা ছিল ত্রাতার।</p><p>সিপাহি ও জনতার এই সংহতি ছিল স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত এক অভূতপূর্ব জাগরণ-উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সর্বদা সংহতি ও ঐক্য প্রকাশ করেছে। সেই একই চেতনা পুনর্জাগরিত হয় ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে। এসময় ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষ, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণের সুদৃঢ় ঐক্যে দীর্ঘ ষোলো বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার বিপর্যয় থেকে আবারও রক্ষা পায় প্রিয় স্বদেশ।</p><p>আমাদের জাতীয় জীবনে এই বিপ্লব ও সংহতির গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি দেশকে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে মুক্তি দেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতিকে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন, সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠা করেন সুশাসন।</p><p>রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বারবার ষড়যন্ত্র হয়েছে, গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হয়েছে, ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন চেপে বসেছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে দেশ আজ আবার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে আরো শক্তিশালী করা অপরিহার্য। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8a29-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 19:30:34 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পাশে বিআরটিএ, মিলবে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74767/cb2f-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বা আহত যেকোনো ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা দেবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ)।</p><p>৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার নিজেস্ব ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে বিআরটিএ।</p><p>বিআরটিএর পোস্ট অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বা আহত যেকোনো ব্যক্তি (চালকসহ) বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন। দুর্ঘটনার ৯০ দিনের মধ্যে ফরম-৩২-এ চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড বরাবর বা অনলাইনে বিএসপির মাধ্যমে আবেদন করতে হয় (বিধিমালায় অনুযায়ী ৯০ দিন পর আবেদনের সুযোগ নেই)।</p><p>এতে আরও বলা হয়, সহায়তার পরিমাণ মৃত্যুর ক্ষেত্রে অন্যূন ৫ লাখ, অঙ্গহানির ক্ষেত্রে অন্যূন ৩ লাখ, গুরুতর আহত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সম্ভাবনা না থাকলে অন্যূন ৩ লাখ এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সম্ভাবনা থাকলে অন্যূন ১ লাখ টাকা। অনুমোদিত সহায়তার অর্থ আবেদনকারীর ব্যাংক হিসাবে চেকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।</p><p>&nbsp;</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-11-06a_n17939705926983.jpg"><figcaption>বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের ফেসবুক পোস্ট</figcaption></figure><p>তবে এই ক্ষেত্রে ৯০ দিন পর আর আবেদনের সুযোগ থাকবে না। সেইসঙ্গে আবেদন যাচাই শেষে সহায়তা অনুমোদিত হলে নির্ধারিত অর্থ আবেদনকারীর নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে চেকের মাধ্যমে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">cb2f-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 19:10:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[তরুণদের ওপর ভর করে দেশকে উগ্রবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় জামায়াত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74766/c48c-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>জামায়াতে ইসলাম তরুণদের ওপর ভর করে বিজেপির মতো পদ্ধতিতে দেশকে উগ্রবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার বিকেলে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>প্রতিমন্ত্রী নুুুুুুুুর বলেন, ধর্মীয় উগ্রবাদ সৃষ্টি করে জামায়াত নতুন ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়। তাদের দমন করতে না পারলে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে।</p><p>এ সময় এনসিপিকে জামায়াতের কোল থেকে নেমে প্রগতিশীল রাজনীতি করার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী নুর। জুলাই-পরবর্তী সময়ে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে সরকারকে আন্তরিক হতে হবে বলেও জানান তিনি।</p><p>সরকারে থাকলেও শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে পিছপা হবেন না বলে দাবি করেন। তিনি জানান, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদ এককভাবে নির্বাচন করবে।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c48c-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 18:49:53 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বগুড়ায় পুলিশকে পিটিয়ে আসামি ছিনতাই, আটক ৪]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/74765/f6e8-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>বগুড়ার সোনাতলায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে প্রতারণা মামলার এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দুই পুলিশ সদস্যকে মারধর করা হয়। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের পিকআপ ভ্যান। এ ঘটনায় চার নারীকে আটক করেছে পুলিশ। তবে ছিনিয়ে নেওয়া আসামি গোলাম কবির সুমন পলাতক রয়েছেন।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।</p><p>পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফুলবাড়িয়া গ্রামের সালাম মাস্টারের ছেলে গোলাম কবির সুমনের (৩৬) বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। শুক্রবার সকালে সোনাতলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শিমুল কুমার দাস ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মেহেদী হাসান পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে ওই গ্রামে যান। পরে পুলিশ সদস্যরা সুমনকে আটক করে পিকআপ ভ্যানে তোলার সময় স্থানীয় একদল লোক তাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় দুই পুলিশ সদস্যকে মারধর করে সুমনকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। হামলাকারীরা পুলিশের পিকআপ ভ্যানটিও ভাঙচুর করেন।</p><p>খবর পেয়ে সোনাতলা থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে আহত দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।</p><p>এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সোনাতলা থানায় মামলা করেছে। পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে চার নারীকে আটক করা হয়। তাদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।</p><p>শুক্রবার সন্ধ্যায় সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকালে থানার একটি দল গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে আটক করতে ফুলবাড়িয়া এলাকায় যায়। তাকে আটক করে নিয়ে আসার সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেন। এ সময় দুই পুলিশ সদস্যকে মারধর এবং পুলিশের পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর করা হয়।</p><p>তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে চার নারীকে আটক করে থানায় রাখা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f6e8-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 18:39:03 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[একদিনে ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/health/74763/e0b6-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশে আরও ১ হাজার ৫৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয়।</p><p>তথ্য অনুযায়ী, নতুন ৩ জনের মৃত্যু নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে সর্বমোট প্রাণহানি দাঁড়িয়েছে ৪৫৫ জনে।</p><p>গত অক্টোবর মাসেই সর্বোচ্চ ১৮১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ ছাড়া সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে ১ জন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ২ জন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়। চলতি নভেম্বর মাসের শুরু থেকেও মৃত্যুর এই ধারা অব্যাহত রয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নতুন ভর্তি হওয়া ১ হাজার ৫৩৫ জনকে নিয়ে চলতি বছরে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯০৯ জনে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e0b6-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 18:35:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নতুন দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74762/57f3-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পুনর্মূল্যায়নে গঠিত ৬ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটিতে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ সংক্রান্ত সরকারি গেজেটও প্রকাশ করা হয়েছে।</p><p>কমিটিতে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আরও ৪ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।</p><p>কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।</p><p>প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের প্রচলিত বেতন স্কেলে বিদ্যমান অসংগতি এবং এ নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করবে কমিটি। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সুপারিশ সরকারের কাছে তুলে ধরবে তারা।</p><p>এ ছাড়া বেতন গ্রেডের উন্নীতকরণ, অবনমন এবং বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে সামঞ্জস্য আনার বিষয়টিও পর্যালোচনা করবে কমিটি। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন করে ঝুঁকিভাতা ও অন্যান্য ভাতা চালু করা যায় কি না, তা-ও বিবেচনা করা হবে।</p><p>একই সঙ্গে বর্তমানে চালু থাকা বিভিন্ন ভাতার পরিমাণ বাড়ানো বা কমানোর প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে সুপারিশ দেওয়ার দায়িত্বও পেয়েছে কমিটি।</p><p>কমিটির কাজে সহযোগিতা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বা সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং অর্থ বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা। প্রয়োজন বিবেচনায় কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগও পাবে।</p><p>প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কমিটির দাপ্তরিক ও সাচিবিক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা দেবে অর্থ বিভাগ।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">57f3-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 18:16:54 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[২৮০০ বছর আগেও নেশার অন্যতম উপকরণ ছিল গাঁজা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/feature/74761/442e-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>সাইবেরিয়ার প্রাচীন যাযাবর জনগোষ্ঠী সিথীয়রা প্রায় ২ হাজার ৮০০ বছর আগে নেশার জন্য গাঁজা ব্যবহার করত। রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় অবস্থিত একটি সমাধিসৌধে গাঁজার ১ হাজার ৪০০টির বেশি বীজ এবং মানুষের চুলে গাঁজার নেশা সৃষ্টিকারী উপাদানের রাসায়নিক চিহ্ন পেয়েছেন গবেষকেরা। তাদের দাবি, নেশার উদ্দেশ্যে গাঁজা ব্যবহারের এটিই এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে প্রাচীন প্রমাণ।</p><p>এ বিষয়ে গবেষকেরা জানান, রাশিয়ার প্রত্যন্ত তুভা প্রজাতন্ত্রের উয়ুক উপত্যকায় বিশাল এক সমাধিসৌধে এসব নিদর্শনের সন্ধান মিলেছে। প্রায় ১৪০ মিটার ব্যাসের এই সমাধিসৌধটি দক্ষিণ সাইবেরিয়ায় অবস্থিত। সিথীয় সমাজের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের সমাহিত করতে এটি ব্যবহার করা হতো। ঘোড়ায় চড়ে যুদ্ধ করা এবং সোনার অলংকার ও সামগ্রী তৈরিতে দক্ষতার জন্য পরিচিত ছিল সিথীয়রা। ইউরেশিয়ার তৃণভূমি জুড়ে তুলনামূলক যাযাবর জীবনযাপন করত তারা।</p><p>গাঁজা বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত সাইকোঅ্যাক্টিভ (মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব বিস্তারকারী) উদ্ভিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। তবে প্রাগৈতিহাসিক যুগে গাঁজা কীভাবে ব্যবহৃত হতো, তা প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে নির্ণয় করা বেশ কঠিন। উদ্ভিদটির বিভিন্ন অংশ—যেমন ফুল, পাতা ও রজন—সহজেই নষ্ট হয়ে যায়। ফলে সেগুলো খুব কমই টিকে থাকে। জানা যায়, গাঁজা বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহৃত হতো। যেমন—তেল ও তন্তু (আঁশ) উৎপাদনে। অর্থাৎ, এটি কেবল ওষুধ বা নেশাজাতীয় দ্রব্য হিসেবেই ব্যবহৃত হতো না।</p><p>বার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব আর্কিওলজিক্যাল সায়েন্সেস এবং ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব জিওঅ্যানথ্রোপলজির ড. জিনো কাসপারির নেতৃত্বে একটি আন্তর্জাতিক গবেষক দল দক্ষিণ সাইবেরিয়ার তুভা প্রজাতন্ত্রে অবস্থিত একটি রাজকীয় সমাধি নিয়ে গবেষণা করেছে। এ গবেষণায় বিভিন্ন বিশ্লেষণত্মাক পদ্ধতির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে।</p><p>সমাধিটি ইউরেশীয় স্তেপ অঞ্চলের অশ্বারোহী সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত সিথীয় সমাজের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের। সেখান থেকে প্রায় ১ হাজার ৪০০টি গাঁজার বীজ পাওয়া গেছে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বয়স নির্ধারণ করে গবেষকেরা জানতে পেরেছেন, বীজগুলো খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতকের শুরুর দিকের। অর্থাৎ, এগুলোর বয়স প্রায় ২ হাজার ৮০০ বছর।</p><p>প্রত্নতাত্ত্বিক ও গবেষণাটির প্রধান লেখক কাসপারি বলেন, বীজগুলো প্রমাণ করে যে, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আচার-অনুষ্ঠানে গাঁজার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।</p><p>গবেষক দলটি কেন্দ্রীয় সমাধি কক্ষ থেকে পাওয়া সংরক্ষিত মানবচুলও পরীক্ষা করেছে। এসব নমুনার বিশ্লেষণে গাঁজা ব্যবহারের রাসায়নিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।</p><p>কাসপারি বলেন, এই গবেষণাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এতে উদ্ভিদের অবশেষ বিশ্লেষণের সঙ্গে মানবদেহে থাকা আণবিক চিহ্নের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে।</p><p>তার ভাষ্য, মানুষের চুল গাঁজার টিএইচসি ও সিবিডির মতো উপাদান শোষণ করে। এ কারণেই চুলের নমুনা পরীক্ষা করে মাদক গ্রহণের প্রমাণ খোঁজা সম্ভব হয়। তবে চুলের রাসায়নিক চিহ্ন থেকে গাঁজা কীভাবে গ্রহণ করা হয়েছিল, তা জানা যায় না। পরবর্তী সময়ের আঞ্চলিক নিদর্শনগুলো থেকে ধারণা করা হয়, গাঁজা পুড়িয়ে এর ধোঁয়া শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করা হতো।</p><p>গবেষকদের অভিমত, সমাধিসৌধে গাঁজার উপস্থিতি থেকে বোঝা যায়, ধর্মীয় বা আনুষ্ঠানিক আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবেই এটি ব্যবহার করা হতো। সমাধিসৌধটি তৈরি করা হয়েছিল লার্চগাছের গুঁড়ি ও কাদামাটি দিয়ে। পুরো স্থাপনাটি ঢেকে রাখা হয়েছিল হাজার হাজার টন পাথর দিয়ে। এর ভেতরে সিথীয়দের প্রাণীর অবয়বভিত্তিক শিল্পরীতিতে তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী এবং বেশ কিছু ব্যতিক্রমী সোনার বস্তু পাওয়া গেছে।</p><p>ক্যাসপারী জানান, সমাধিসৌধের ওপরের অংশে সিথীয়রা পশু বলি দিত। সেখানে কয়েক ডজন ঘোড়ার বলি দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ছড়িয়ে থাকা মানুষের হাড় দেখে ধারণা করা হচ্ছে, মানুষেরও বলি দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।</p><p>তিনি আরও জানান, বড় একটি সমাধিতে গাঁজা পাওয়া যাওয়ার অর্থ, বিষয়টিকে অবশ্যই আচার-অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে। আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সমাধিসৌধের ওপরের অংশে পশু ও মানুষ বলি দিয়ে এক ধরনের প্রতীকী অশ্বারোহী শোভাযাত্রা তৈরি করা হয়ে থাকতে পারে। খুঁটির ওপর দাঁড় করিয়ে রাখা ঘোড়া ও মৃত অশ্বারোহীদের এভাবে প্রদর্শন করা হতো। তৃণভূমির সমাজে এটি ছিল চরম সামাজিক ক্ষমতা প্রদর্শনের একটি উপায়।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">442e-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 18:07:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মানবিক মূল্যবোধ, পেশাগত দক্ষতা ও সততাই আইনজীবীর প্রধান শক্তি: আইনমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74760/e909-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> আইন পেশায় সফল হতে হলে মানবিক মূল্যবোধ, পেশাগত দক্ষতা, সততা ও পূর্ণ অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।</p><p>তিনি বলেন, একজন মানুষ বিপদে পড়ে আইনজীবীর কাছে এলে নিজের আস্থা, বিশ্বাস, ভরসা, প্রত্যাশা ও স্বপ্ন তার কাছে সমর্পণ করেন। তাই মক্কেলের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা না করে তার পক্ষে যথাযথ আইনি যুক্তি উপস্থাপন এবং পেশাগত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা একজন আইনজীবীর প্রধান কর্তব্য।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) অডিটোরিয়ামে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন বিষয়ক ১৭তম হেনরি ডুনান্ট মেমোরিয়াল মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) এবং আইইউবি যৌথভাবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।</p><p>আইনমন্ত্রী বলেন, আইন পেশা অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং। এ পেশায় শুধু অর্থ উপার্জনের দিকে মনোযোগী হলে চলবে না; প্রয়োজন পূর্ণকালীন অঙ্গীকার, পেশাদারিত্ব, অধ্যবসায় ও গবেষণা। আদালতে প্রতিটি শব্দ ও যুক্তির গুরুত্ব রয়েছে। তাই একজন আইনজীবীকে যথাযথ গবেষণার মাধ্যমে নির্ভুল তথ্য ও শক্তিশালী আইনি যুক্তি উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিতে হবে। মক্কেল কত টাকা পারিশ্রমিক দিলেন, সেটি নয়; বরং তার পক্ষে যথাযথ আইনি যুক্তি তুলে ধরতে পেরেছেন কি না, সেটিই একজন আইনজীবীর কাছে মুখ্য হওয়া উচিত।</p><p>আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও মানবাধিকারের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, মানবাধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার নিয়ে বিস্তৃতভাবে কাজ করে। অন্যদিকে, যুদ্ধ বা সশস্ত্র সংঘাতের পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রয়োগের প্রশ্নটি সামনে আসে। তবে সময়ের সঙ্গে যুদ্ধের ধরণ, ভাষা ও কৌশলে পরিবর্তন এসেছে। আগে যুদ্ধের প্রধান উপকরণ ছিল অস্ত্র, বোমা ও গুলি; বর্তমানে অর্থনৈতিক চাপ, বাণিজ্যিক বিরোধ, বাণিজ্য বন্ধ এবং ভিসা বিধিনিষেধের মতো বিষয়ও রাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টির উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।</p><p>মন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিকাশও নতুন-নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। পরিবর্তিত বিশ্ববাস্তবতায় আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রয়োগ, দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে।</p><p>তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি প্রজন্মের নিজস্ব স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও দায়িত্ব রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান ভিন্ন ভিন্ন প্রজন্মের আকাক্সক্ষা ও দায়িত্বের প্রতিফলন।</p><p>তরুণদের মেধা, প্রজ্ঞা, যুক্তি, পরিশ্রম ও অঙ্গীকার দিয়ে দেশের নেতৃত্ব গ্রহণ করতে হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বিশ্ব গড়ে তুলতে কাজ করতে হবে।</p><p>আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক এম. তামিম সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়টির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেন, বাংলাদেশে আইসিআরসির হেড অব ডেলিগেশন নিকোলাস ফ্লুরি এবং আইইউবির স্কুল অব ল’-এর উপদেষ্টা অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন খান বক্তৃতা করেন। <strong>বাসস</strong></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e909-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 18:03:19 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কমলো স্বর্ণের দাম]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74758/8f76-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতার কারণে মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা ২৮ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭৬.৯১ ডলারে নেমে এসেছে। আর ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮৮ ডলারে লেনদেন হয়।</p><p>ইউবিএসের বিশ্লেষক জিওভানি স্টাউনভো বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘বর্তমানে তেলের দাম, মূল্যস্ফীতি এবং স্বর্ণের দামে মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি সরাসরি সম্পর্ক কাজ করছে।’</p><p>অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫২.০৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া প্লাটিনামের দাম ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫৩১.৯২ ডলার এবং প্যালাডিয়াম সামান্য পরিবর্তিত হয়ে ১ হাজার ২৯.৮৭ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।</p><p>এদিকে দেশের বাজারেও কমেছে স্বর্ণের দাম। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৭১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৪০ টাকা।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8f76-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 17:52:23 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জনগণের কষ্টগুলো লাঘব করতে কাজ করছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/74757/2b95-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, স্কাউটিং শিশুদের শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ শেখায়। আজকের কাব স্কাউটরাই আগামী দিনের সুনাগরিক হিসেবে দেশ গড়ার কাজে নেতৃত্ব দেবে। তাই শিক্ষার্থীদের স্কাউটিং এর পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।</p><p>তিনি বলেন, আমাদের পূর্বসূরিরা একসাগর রক্তের বিনিময়ে আমাদেরকে একটি স্বাধীন স্বদেশ উপহার দিয়ে গেছে। এ দেশকে সবাই মিলে এগিয়ে নিতে হবে। স্কাউট সমাবেশকে দেশগড়ার শপথের সমাবেশে রূপান্তর করতে আয়োজকদের আহ্বান জানান।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্কাউটসের ৩য় আঞ্চলিক কাব ক্যাম্পুরি-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।</p><p>ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড এ কারণে দিচ্ছি, যাতে মানুষের সক্ষমতা তৈরি হয়। এই সরকার উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে মানুষের আয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কাজ করছে।</p><p>নীল আকাশ, সবুজ বন, স্কাউটিংয়ে গড়ি জীবন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হয়েছে তৃতীয় আঞ্চলিক কাব ক্যাম্পুরি-২০২৬। শুক্রবার সকালে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ ক্যাম্পুরির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে কাব স্কাউটদের মনোমুগ্ধকর কুচকাওয়াজ, পতাকা উত্তোলন ও বিভিন্ন প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আসা কয়েক শ কাব স্কাউট, শিক্ষক, অভিভাবক, স্কাউট কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।</p><p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফয়সল আমীন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুরের সচিব মো. আব্দুর রাজ্জাক, ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ও জেলা স্কাউটসের সভাপতি মো. শফিকুল হক এবং পুলিশ সুপার মো. হোসেন।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2b95-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 17:34:59 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[তিন মাসে দেশজুড়ে ৪-৬টি শৈত্যপ্রবাহের আভাস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74756/16c6-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দিনের বেলায় রোদের প্রখরতা এখনো সেভাবে কমেনি। তবে মাঝরাতে ফ্যানের গতি কমিয়ে আনা কিংবা শেষরাতে গায়ে জড়িয়ে নেওয়া কাঁথা জানান দিচ্ছে যে দুয়ারে শীত কড়া নাড়ছে। কংক্রিটের শহরে শীতের পদধ্বনি কিছুটা ধীর হলেও উত্তরের গ্রামগুলোতে বইতে শুরু করেছে হিমেল হাওয়া। সেখানকার বিস্তীর্ণ প্রান্তর আর নদীতীর এরই মধ্যে ঢাকতে শুরু করেছে ভোরের স্নিগ্ধ কুয়াশায়।</p><p>প্রকৃতির এই শান্ত পালাবদলের মাঝেই শীত নিয়ে বড় বার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। জানানো হয়েছে, আগামী ৩ মাসে দেশের ওপর দিয়ে ৪ থেকে ৬টি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।</p><p>চলতি নভেম্বর থেকে আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের এই দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শীত মৌসুমে দেশে কয়েক দফা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে কুয়াশা, লঘুচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে।</p><p>অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান মো. মমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ৩ মাসে দেশে ৪ থেকে ৬টি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩টি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।</p><p>অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নামলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। আর তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রির নিচে নেমে এলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।</p><p>শৈত্যপ্রবাহ কখন ও কোথায় বেশি হতে পারে, জানতে চাইলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, সাধারণত ডিসেম্বর মাসে ১ থেকে ২টি মৃদু ধরনের শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে, অর্থাৎ রাজশাহী, রংপুর এবং খুলনা বিভাগের কিছু অঞ্চলে তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসতে পারে। সেই সব জায়গায় মৃদু ধরনের শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে।</p><p>তবে জানুয়ারিতে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় কখনো কখনো ১টি বা ২টি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে বলে জানান তিনি।</p><p>৩ মাসের এই সময়ে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।</p><p>পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে। এতে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে এ সময়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে।</p><p>এর কারণ ব্যাখ্যা করে ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, যেহেতু এল নিনো সক্রিয় এবং পৃথিবী উষ্ণ হয়ে আছে, ফলে এর ছোঁয়া বাংলাদেশেও লেগেছে। শুধু তাই নয় দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে এর প্রভাব থাকবে। ফলে গড় তাপমাত্রা একটু বেশি থাকবে। এজন্য আমরা বলছি, এবার শীতকালে তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি থাকবে। তবে কখনো কখনো তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে এসে শৈত্যপ্রবাহ থাকবে।</p><p>তিনি বলেন, শৈত্যপ্রবাহ থাকবে, কিন্তু অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহের দিনক্ষণ, সংখ্যা ও ব্যাপ্তি অনেকটাই কম থাকবে। এজন্য আমরা বলছি, এবারের শীতকাল কিছুটা ‘উষ্ণ’ থাকতে পারে।</p><p>তিনি আরও বলেন, এল নিনো সক্রিয় থাকার কারণে শৈত্যপ্রবাহ কয়দিন থাকবে, কয়বার হবে, এসব বিষয়ে একটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সেই কারণে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। তবে এবার সার্বিকভাবে কিছুটা ‘উষ্ণ শীতকাল’ পাবো বলে আমরা আশা করছি।</p><p>শীতের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে পূর্বাভাসে। এতে বলা হয়, আগামী তিন মাসে বঙ্গোপসাগরে ২ থেকে ৪টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।</p><p>এ বিষয়ে ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, আমাদের দেশে অক্টোবর ও নভেম্বর মাস ঘূর্ণিঝড়প্রবণ। প্রতিবছরই এ সময়টাতে লঘুচাপ তৈরি হয়। কখনো কখনো এটি শক্তি অর্জন করে ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেয়।</p><p>তিনি বলেন, এ সময় সূর্যের দক্ষিণায়ন থাকে। ক্রমশ দিনের দৈর্ঘ্য কমতে থাকে, রাতের দৈর্ঘ্য বাড়ে এবং বঙ্গোপসাগর বরাবর সূর্যের আলোর প্রাপ্যতা বেশি থাকে। ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বাড়ে।</p><p>তিনি আরও বলেন, এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে সব বছর ঘটে না, মাঝে মাঝে ঘটে। এজন্য একে বলা হয় ট্রানজিয়েন্ট (ক্ষণস্থায়ী) সিস্টেম।</p><p>বৃষ্টিপাতের বিষয়ে বলা হয়েছে, এই তিন মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাসে দেখা যায়, নভেম্বরে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হতে পারে চট্টগ্রাম বিভাগে, ৩৫ থেকে ৪০ মিলিমিটার। বরিশাল বিভাগে ৩০ থেকে ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঢাকা, সিলেট ও খুলনা বিভাগে ১৫ থেকে ২৫ মিলিমিটার, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগে ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং রংপুর বিভাগে ৪ থেকে ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে।</p><p>ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে বৃষ্টি আরও কমে আসবে। ডিসেম্বরে ঢাকা বিভাগে ৮ থেকে ১০ মিলিমিটার এবং সিলেট বিভাগে ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। জানুয়ারিতে খুলনা বিভাগে ১০ থেকে ১৪ মিলিমিটার এবং ঢাকাসহ অন্যান্য বিভাগে ৬ থেকে ১০ মিলিমিটারের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।</p><p>আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাত্ত, ঊর্ধ্বাকাশের আবহাওয়া বিন্যাস, জলবায়ু মডেল এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা অনুমোদিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কেন্দ্রের মডেল পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে এই পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে। এল নিনো ও লা নিনা পরিস্থিতিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।</p><p>দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস কীভাবে তৈরি হয়, তা ব্যাখ্যা করে ড. মল্লিক বলেন, ১৯৪৮ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগরে কতটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়, তার তথ্য বিশ্লেষণ করে আমরা দেখেছি, এ সময় গড়ে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ থাকে। এর কোনো কোনোটি কখনো কখনো শক্তি সঞ্চয় করে। দীর্ঘ সময়ের এমন গড় চিত্রের ভিত্তিতেই দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দেওয়া হয়।</p><p>তবে এ ধরনের পূর্বাভাসে অনিশ্চয়তার মাত্রা অনেক বেশি থাকে বলে মনে করিয়ে দেন এই আবহাওয়াবিদ। তাই দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসের পাশাপাশি নিয়মিত দৈনন্দিন পূর্বাভাসকে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।</p><p>এদিকে, গত অক্টোবর মাসে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৬৮ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। ১৭ অক্টোবর দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় সিলেটে ৩৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২৭ অক্টোবর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত মাসে দেশের সর্বোচ্চ, সর্বনিম্ন ও গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে যথাক্রমে ১.৮, ০.৪ ও ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">16c6-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 17:13:31 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[তিন মাসে দেশজুড়ে ৪-৬টি শৈত্যপ্রবাহের আভাস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Weather/74756/16c6-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দিনের বেলায় রোদের প্রখরতা এখনো সেভাবে কমেনি। তবে মাঝরাতে ফ্যানের গতি কমিয়ে আনা কিংবা শেষরাতে গায়ে জড়িয়ে নেওয়া কাঁথা জানান দিচ্ছে যে দুয়ারে শীত কড়া নাড়ছে। কংক্রিটের শহরে শীতের পদধ্বনি কিছুটা ধীর হলেও উত্তরের গ্রামগুলোতে বইতে শুরু করেছে হিমেল হাওয়া। সেখানকার বিস্তীর্ণ প্রান্তর আর নদীতীর এরই মধ্যে ঢাকতে শুরু করেছে ভোরের স্নিগ্ধ কুয়াশায়।</p><p>প্রকৃতির এই শান্ত পালাবদলের মাঝেই শীত নিয়ে বড় বার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। জানানো হয়েছে, আগামী ৩ মাসে দেশের ওপর দিয়ে ৪ থেকে ৬টি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।</p><p>চলতি নভেম্বর থেকে আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের এই দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শীত মৌসুমে দেশে কয়েক দফা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে কুয়াশা, লঘুচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে।</p><p>অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান মো. মমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ৩ মাসে দেশে ৪ থেকে ৬টি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩টি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।</p><p>অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নামলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। আর তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রির নিচে নেমে এলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।</p><p>শৈত্যপ্রবাহ কখন ও কোথায় বেশি হতে পারে, জানতে চাইলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, সাধারণত ডিসেম্বর মাসে ১ থেকে ২টি মৃদু ধরনের শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে, অর্থাৎ রাজশাহী, রংপুর এবং খুলনা বিভাগের কিছু অঞ্চলে তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসতে পারে। সেই সব জায়গায় মৃদু ধরনের শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে।</p><p>তবে জানুয়ারিতে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় কখনো কখনো ১টি বা ২টি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে বলে জানান তিনি।</p><p>৩ মাসের এই সময়ে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।</p><p>পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে। এতে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে এ সময়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে।</p><p>এর কারণ ব্যাখ্যা করে ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, যেহেতু এল নিনো সক্রিয় এবং পৃথিবী উষ্ণ হয়ে আছে, ফলে এর ছোঁয়া বাংলাদেশেও লেগেছে। শুধু তাই নয় দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে এর প্রভাব থাকবে। ফলে গড় তাপমাত্রা একটু বেশি থাকবে। এজন্য আমরা বলছি, এবার শীতকালে তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি থাকবে। তবে কখনো কখনো তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে এসে শৈত্যপ্রবাহ থাকবে।</p><p>তিনি বলেন, শৈত্যপ্রবাহ থাকবে, কিন্তু অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহের দিনক্ষণ, সংখ্যা ও ব্যাপ্তি অনেকটাই কম থাকবে। এজন্য আমরা বলছি, এবারের শীতকাল কিছুটা ‘উষ্ণ’ থাকতে পারে।</p><p>তিনি আরও বলেন, এল নিনো সক্রিয় থাকার কারণে শৈত্যপ্রবাহ কয়দিন থাকবে, কয়বার হবে, এসব বিষয়ে একটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সেই কারণে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। তবে এবার সার্বিকভাবে কিছুটা ‘উষ্ণ শীতকাল’ পাবো বলে আমরা আশা করছি।</p><p>শীতের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে পূর্বাভাসে। এতে বলা হয়, আগামী তিন মাসে বঙ্গোপসাগরে ২ থেকে ৪টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।</p><p>এ বিষয়ে ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, আমাদের দেশে অক্টোবর ও নভেম্বর মাস ঘূর্ণিঝড়প্রবণ। প্রতিবছরই এ সময়টাতে লঘুচাপ তৈরি হয়। কখনো কখনো এটি শক্তি অর্জন করে ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেয়।</p><p>তিনি বলেন, এ সময় সূর্যের দক্ষিণায়ন থাকে। ক্রমশ দিনের দৈর্ঘ্য কমতে থাকে, রাতের দৈর্ঘ্য বাড়ে এবং বঙ্গোপসাগর বরাবর সূর্যের আলোর প্রাপ্যতা বেশি থাকে। ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বাড়ে।</p><p>তিনি আরও বলেন, এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে সব বছর ঘটে না, মাঝে মাঝে ঘটে। এজন্য একে বলা হয় ট্রানজিয়েন্ট (ক্ষণস্থায়ী) সিস্টেম।</p><p>বৃষ্টিপাতের বিষয়ে বলা হয়েছে, এই তিন মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাসে দেখা যায়, নভেম্বরে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হতে পারে চট্টগ্রাম বিভাগে, ৩৫ থেকে ৪০ মিলিমিটার। বরিশাল বিভাগে ৩০ থেকে ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঢাকা, সিলেট ও খুলনা বিভাগে ১৫ থেকে ২৫ মিলিমিটার, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগে ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং রংপুর বিভাগে ৪ থেকে ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে।</p><p>ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে বৃষ্টি আরও কমে আসবে। ডিসেম্বরে ঢাকা বিভাগে ৮ থেকে ১০ মিলিমিটার এবং সিলেট বিভাগে ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। জানুয়ারিতে খুলনা বিভাগে ১০ থেকে ১৪ মিলিমিটার এবং ঢাকাসহ অন্যান্য বিভাগে ৬ থেকে ১০ মিলিমিটারের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।</p><p>আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাত্ত, ঊর্ধ্বাকাশের আবহাওয়া বিন্যাস, জলবায়ু মডেল এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা অনুমোদিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কেন্দ্রের মডেল পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে এই পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে। এল নিনো ও লা নিনা পরিস্থিতিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।</p><p>দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস কীভাবে তৈরি হয়, তা ব্যাখ্যা করে ড. মল্লিক বলেন, ১৯৪৮ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগরে কতটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়, তার তথ্য বিশ্লেষণ করে আমরা দেখেছি, এ সময় গড়ে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ থাকে। এর কোনো কোনোটি কখনো কখনো শক্তি সঞ্চয় করে। দীর্ঘ সময়ের এমন গড় চিত্রের ভিত্তিতেই দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দেওয়া হয়।</p><p>তবে এ ধরনের পূর্বাভাসে অনিশ্চয়তার মাত্রা অনেক বেশি থাকে বলে মনে করিয়ে দেন এই আবহাওয়াবিদ। তাই দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসের পাশাপাশি নিয়মিত দৈনন্দিন পূর্বাভাসকে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।</p><p>এদিকে, গত অক্টোবর মাসে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৬৮ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। ১৭ অক্টোবর দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় সিলেটে ৩৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২৭ অক্টোবর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত মাসে দেশের সর্বোচ্চ, সর্বনিম্ন ও গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে যথাক্রমে ১.৮, ০.৪ ও ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">16c6-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 17:13:31 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[‘এনসিপিকে টিকে থাকতে হলে জামায়াত ছাড়তে হবে’]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74755/c208-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>এনসিপিকে টিকে থাকতে হলে জামায়াত ছাড়তে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।</p><p>তিনি বলেন, জামায়াত ও এনসিপির আদর্শ তেল ও জলের মতো। যা কখনো একটার সঙ্গে আরেকটা মিশে না।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই মোড়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কুশলবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।</p><p>রাশেদ খাঁন বলেন, নির্বাচনের আগে এনসিপি নতুন দল হিসেবে সংসদীয় রাজনীতি করার জন্য জামায়াতের সঙ্গে জোটে গিয়েছিল। সেই সময় ডা. তাসনিম জারার মতো তরুণ নেতৃত্বরা এনসিপি থেকে বের হয়ে যায়। জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির জোট তরুণ নেতৃত্বরা মেনে নিতে পারেনি। এখন আবার সামান্তা শারমিন এনসিপি থেকে বের হয়ে গেলেন। এনসিপি যদি জামায়াত জোট থেকে বের হয়ে না আসে, তাহলে সামান্তা শারমিনদের মতো যারা গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব আছেন, তারা এভাবেই এনসিপি থেকে দিনে দিনে বের হয়ে আসবে।</p><p>তিনি আরও বলেন, জামায়াত মুখে ইসলামের কথা বলে। কিন্তু জামায়াতের নেতারা একের পর এক নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়ছে। সাতক্ষীরার গাজী নজরুলের ঘটনা এখনো আলোচিত। এরই মধ্যে গতকাল থেকে কুষ্টিয়ার এমপি জামায়াত নেতা মুফতি আমির হামজার অডিও রেকর্ড আমার কাছে এসেছে। আমি সেটির ফ্যাক্ট চেক করে সত্যতাও পেয়েছি। জামায়াতের হাতে দেশের নারীরা নিরাপদ নয়।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c208-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 16:57:12 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হাসপাতালে ভর্তি প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74753/eec9-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>বুকে ব্যথা ও শরীর ঝিমঝিম করায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ কারণে কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট উপজেলা সফর বাতিল করেছেন তিনি।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার সকালে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে যাওয়ার পর হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শরীর ঝিমঝিম অনুভব করেন মন্ত্রী। এ অবস্থায় পূর্বনির্ধারিত সফর বাতিল করে দ্রুত তাকে সিলেট নগরীর আখালিয়ায় অবস্থিত মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানে তাকে ভর্তি করা হয়।</p><p>মন্ত্রীর সফরসঙ্গী সোহেল আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেওয়ায় তাকে মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বর্তমানে তিনি আগের চেয়ে অনেকটা সুস্থ বোধ করছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে বিশ্রামে থাকতে বলা হয়েছে।</p><p>সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকাকালীন আরিফুল হক চৌধুরীর পিআরও (বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সাংবাদিক) শাহাব উদ্দিন শিহাব জানান, গেল কয়েকমাস যাবৎ মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে টানা পরিশ্রম করছেন তিনি। এর মধ্যে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন করা নিয়ে নাওয়া-খাওয়া ভুলে মন্ত্রণালয়ে কাজ করছেন। ঢাকায় থাকতেই তিনি অসুস্থবোধ করেন। তারপরও সিলেটে পূর্বনির্ধারিত সফর বাতিল করেননি তিনি। কিন্তু সফরকালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে তিনি এখন অনেকটা সুস্থবোধ করছেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানতে পেরেছেন এই সাংবাদিক।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">eec9-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 16:49:11 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হাসপাতালে ভর্তি প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/74753/eec9-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>বুকে ব্যথা ও শরীর ঝিমঝিম করায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ কারণে কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট উপজেলা সফর বাতিল করেছেন তিনি।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার সকালে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে যাওয়ার পর হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শরীর ঝিমঝিম অনুভব করেন মন্ত্রী। এ অবস্থায় পূর্বনির্ধারিত সফর বাতিল করে দ্রুত তাকে সিলেট নগরীর আখালিয়ায় অবস্থিত মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানে তাকে ভর্তি করা হয়।</p><p>মন্ত্রীর সফরসঙ্গী সোহেল আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেওয়ায় তাকে মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বর্তমানে তিনি আগের চেয়ে অনেকটা সুস্থ বোধ করছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে বিশ্রামে থাকতে বলা হয়েছে।</p><p>সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকাকালীন আরিফুল হক চৌধুরীর পিআরও (বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সাংবাদিক) শাহাব উদ্দিন শিহাব জানান, গেল কয়েকমাস যাবৎ মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে টানা পরিশ্রম করছেন তিনি। এর মধ্যে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন করা নিয়ে নাওয়া-খাওয়া ভুলে মন্ত্রণালয়ে কাজ করছেন। ঢাকায় থাকতেই তিনি অসুস্থবোধ করেন। তারপরও সিলেটে পূর্বনির্ধারিত সফর বাতিল করেননি তিনি। কিন্তু সফরকালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে তিনি এখন অনেকটা সুস্থবোধ করছেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানতে পেরেছেন এই সাংবাদিক।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">eec9-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 16:49:11 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আমির হামজার নারীঘটিত বিষয়ে জামায়াত আমির জানতেন: রাশেদ খাঁন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74752/9af0-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) আমির হামজার নারীঘটিত যে বিষয় সামনে এসেছে এ সম্পর্কে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান আগেই জানতেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তার দাবি, এ নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা আলোচনা করেছিলেন।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব দাবি করেন।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-11-06a_n17939610622084.png"></figure><p>ফেসবুকে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমির হামজার নারীঘটিত বিষয়টি সম্পর্কে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও জানতেন। এটি নিয়ে জাতীয় নির্বাচনের আগে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা আলোচনাও করেছিলেন।’</p><p>এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ইসলামিক বক্তা তারেক মনোয়ার আমির হামজাকে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে নিষেধ করেন বলে দাবি তিনি। একই সঙ্গে তাকে বাটনফোন ব্যবহারের পরামর্শ দেন।</p><p>রাশেদ খাঁন বলেন, ‘মূলত কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতের কোনো যোগ্য প্রার্থী না থাকায় লম্পট আমির হামজাকেই নমিনেশন দেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।’</p><p>এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে এক পোস্টে আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও হাতে এসেছে বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন। ফ্যাক্ট চেকে এগুলোর সত্যতাও মিলেছে বলে জানান তিনি।</p><p>এ প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমার কাছে আমির হামজার নারীঘটিত তথ্যপ্রমাণগুলো এসেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ জন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে। কিছু অডিও ও স্ক্রিন রেকর্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমি দ্য ডিসেন্ট এবং রিউমার স্ক্যানারের সঙ্গেও যোগাযোগ করি। হয়তো তারা তাদের মতো করে অনুসন্ধান করছে। ডিসেন্ট আমির হামজার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু যোগাযোগ করতে পারেনি। তবে তাদের কাছ থেকে তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে দেরি হওয়ার প্রেক্ষিতে অন্য একটি মাধ্যম থেকে অডিও-ভিডিও-এর সত্যতা পাই।’</p><p>নারীঘটিত এই ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জামায়াত আমির হামজাকে দল থেকে বহিষ্কার ও এমপি পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করবে বলে আশা করেন রাশেদ খাঁন।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9af0-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 16:31:05 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আমির হামজার নারীঘটিত বিষয়ে জামায়াত আমির জানতেন: রাশেদ খাঁন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Social-media/74752/9af0-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) আমির হামজার নারীঘটিত যে বিষয় সামনে এসেছে এ সম্পর্কে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান আগেই জানতেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তার দাবি, এ নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা আলোচনা করেছিলেন।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব দাবি করেন।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-11-06a_n17939610622084.png"></figure><p>ফেসবুকে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমির হামজার নারীঘটিত বিষয়টি সম্পর্কে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও জানতেন। এটি নিয়ে জাতীয় নির্বাচনের আগে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা আলোচনাও করেছিলেন।’</p><p>এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ইসলামিক বক্তা তারেক মনোয়ার আমির হামজাকে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে নিষেধ করেন বলে দাবি তিনি। একই সঙ্গে তাকে বাটনফোন ব্যবহারের পরামর্শ দেন।</p><p>রাশেদ খাঁন বলেন, ‘মূলত কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতের কোনো যোগ্য প্রার্থী না থাকায় লম্পট আমির হামজাকেই নমিনেশন দেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।’</p><p>এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে এক পোস্টে আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও হাতে এসেছে বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন। ফ্যাক্ট চেকে এগুলোর সত্যতাও মিলেছে বলে জানান তিনি।</p><p>এ প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমার কাছে আমির হামজার নারীঘটিত তথ্যপ্রমাণগুলো এসেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ জন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে। কিছু অডিও ও স্ক্রিন রেকর্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমি দ্য ডিসেন্ট এবং রিউমার স্ক্যানারের সঙ্গেও যোগাযোগ করি। হয়তো তারা তাদের মতো করে অনুসন্ধান করছে। ডিসেন্ট আমির হামজার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু যোগাযোগ করতে পারেনি। তবে তাদের কাছ থেকে তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে দেরি হওয়ার প্রেক্ষিতে অন্য একটি মাধ্যম থেকে অডিও-ভিডিও-এর সত্যতা পাই।’</p><p>নারীঘটিত এই ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জামায়াত আমির হামজাকে দল থেকে বহিষ্কার ও এমপি পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করবে বলে আশা করেন রাশেদ খাঁন।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9af0-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 16:31:05 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[‘বরবাদ’ নির্মাতার সঙ্গে প্রেম, যা বললেন দিঘী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/74751/9499-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক: </strong>বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দিঘী। শিশুশিল্পী হিসেবে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি। সময়ের সঙ্গে নিজেকে তৈরি করেছেন একজন পূর্ণাঙ্গ নায়িকা হিসেবে। অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও প্রায়ই আলোচনায় আসেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি ‘বরবাদ’ সিনেমার নির্মাতা হৃদয়ের সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছে।</p><p>তবে এ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে গুঞ্জনকে স্বাভাবিকভাবেই দেখার কথা জানিয়েছেন দিঘী। তার ভাষ্য, নিজের মুখ থেকে কিছু না বলা পর্যন্ত তাকে ঘিরে ছড়ানো সব কথাই গুঞ্জন। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন অভিনেত্রী। তাকে ঘিরে কী ধরনের আলোচনা হচ্ছে, সেগুলোর উৎসই বা কোথায়, তা নিয়ে খুব এক টা মাথা ঘামান না বলে জানান তিনি।</p><p>একই সঙ্গে শোবিজে কাজ করলে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা কথা ছড়ানো স্বাভাবিক বলেও মনে করেন দিঘী। এ প্রসঙ্গে দিঘী বলেন, ‘আমি জানিও না কে ছড়ায়, আমি জানিও না কী গুঞ্জন হয়। আমি এসবের খুব বাইরে। গুঞ্জন হবে, এটা খুব স্বাভাবিক। আমাকে নিয়ে গুঞ্জন হয়েও থাকলে, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি নিজের মুখে কিছু বলছি না, ততক্ষণ সেটা গুঞ্জনই।’</p><p>গুঞ্জন নিয়ে অযথা আলোচনা কিংবা ব্যাখ্যা দেওয়ার পক্ষেও নন এই অভিনেত্রী। বরং বিনোদন অঙ্গনের একজন শিল্পী হিসেবে এসব বিষয়কে স্বাভাবিকভাবে নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। দিঘীর কথায়, একজন গণমাধ্যমকর্মী কিংবা শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকতেই পারে। সে কারণে প্রতিটি আলোচনাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রয়োজন নেই।</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, একজন মিডিয়া পারসন হিসেবে, একজন আর্টিস্ট হিসেবে গুঞ্জন থাকবে। এটাকে হালকাভাবে, খুব স্বাভাবিকভাবে নিতে হবে। এটা নিয়ে বেশি কথা বলার কিছু নেই।’</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9499-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 16:26:55 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সারাদেশে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে শোভাযাত্রা করবে বিএনপি: রিজভী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74750/7e94-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে শনিবার (৭ অক্টোবর) ঢাকাসহ সারাদেশের অধিকাংশ জায়গায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচি নিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।</p><p>রিজভী বলেন, শোভাযাত্রা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।</p><p>তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকারকে বাধাগ্রস্ত করতে অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নানা অপতৎপরতা চলমান। উসকানি দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার না করতে বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।</p><p>তিনি আরও বলেন, পোশাকখাত ঘিরে ষড়যন্ত্র নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর শঙ্কা প্রমাণিত হয়েছে। যেকোনো অরাজক পরিস্থিতি প্রতিহতের ক্ষমতা সরকারের আছে বলে জানান তিনি।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7e94-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 16:12:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কোস্ট গার্ডের ৫ জাহাজের নাম পরিবর্তন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74749/9fe1-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৫টি জাহাজের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার। এর মধ্যে ১টি জাহাজে ‘জয় বাংলা’ এবং বাকি ৪টিতে ছিল জাতীয় ৪ নেতার নাম। ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমান্ত-৩ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।</p><p>প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৫টি জাহাজের আগের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম নির্ধারণ করা হয়েছে। জাহাজগুলোর মধ্যে- বিসিজিএস জয় বাংলার নতুন নাম রাখা হয়েছে বিসিজিএস অদম্য বাংলা, বিসিজিএস সৈয়দ নজরুলের নাম পরিবর্তন করে বিসিজিএস ফিরোজ কবীর, বিসিজিএস তাজউদ্দীনের নাম বিসিজিএস নুরুল ইসলাম, বিসিজিএস মনসুর আলীর নাম বিসিজিএস এম হুমায়ুন কবীর এবং বিসিজিএস কামরুজ্জামানের নতুন নাম রাখা হয়েছে বিসিজিএস আশরাফ সিদ্দিকী।</p><p>প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জাহাজগুলোর নাম পরিবর্তনের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নামগুলো অবিলম্বে কার্যকর হবে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9fe1-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 15:47:45 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিএনপি গায়ের জোরে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে: নাহিদ ইসলাম]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74748/cde5-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি গায়ের জোরে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে।</p><p>তিনি বলেন, অতীতেও ক্ষমতাসীনরা অনেক আইন পাস করেছে, কিন্তু সেসব আইন টেকেনি। জোর করে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকা যায় না।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে গাইবান্ধা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নেতাকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত এনসিপির আঞ্চলিক সমন্বয় সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের পর গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে বিএনপি শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল।</p><p>তিনি আরও বলেন, বিএনপি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছে। তারা প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ওপর আওয়ামী লীগের অত্যাচার-নির্যাতনের কথা ভুলে গেছে। আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের নির্যাতনের ইতিহাস কীভাবে এতো সহজে ভুলে যাচ্ছে তারা? আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে এনে জিয়াউর রহমান যে ঐতিহাসিক ভুলের মাশুল দিয়েছেন, একই ভুলের মাশুল যেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিতে না হয়।</p><p>জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটের বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, জামায়াতের সঙ্গে তাদের এজেন্ডাভিত্তিক জোট হলেও এটি কোনও আদর্শিক জোট নয়।</p><p>আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, সারাদেশে এককভাবে প্রার্থী দেবে এনসিপি।</p><p>এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম দর্পনসহ স্থানীয় নেতারা।</p><p>এর আগে গাইবান্ধায় পৌঁছালে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">cde5-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 15:43:47 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/74747/5411-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ এবং অর্থায়ন কর্মসূচি ‘উদ্যোগ’ থেকে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কিছু প্রতারক চক্র টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব বিষয়ে সবাইকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।</p><p>৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই সতর্কবার্তা প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।</p><p>এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গোচরীভূত হয়েছে যে, ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির আওতায় ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কতিপয় ব্যক্তি বিকাশসহ বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও অন্যান্য মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-11-06a_n17939581096405.png"></figure><p>এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির সব কার্যক্রম স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এমতাবস্থায়, উক্ত কর্মসূচির আওতায় ঋণ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা প্রদান কিংবা ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অর্থ প্রদান করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ‘উদ্যোগ’ নামে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো আনুষ্ঠানিক ফেসবুক পেজ বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অফিসিয়াল পেজ নেই। এই নামে কোনো ভুয়া ফেসবুক পেজ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার কিংবা প্রতারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রচলিত তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি-সংক্রান্ত আইনসহ প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</p><p>সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে সতর্ক থাকার এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় প্রভাবিত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।</p><p>এদিকে তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশেষ অর্থায়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির আওতায় দেশের অবশিষ্ট ৫৬ জেলার তরুণ উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। ১ নভেম্বর শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।</p><p>এ কর্মসূচিতে একজন উদ্যোক্তাকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা ঋণ এবং বাকি ১০ লাখ টাকা অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে। ঋণ ও অনুদানের অর্থ একসঙ্গে এককালীন বিতরণ করা হবে। অনুদানের অর্থের সংস্থান করা হবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে।</p><p>আবেদন করতে আগ্রহী তরুণদের নির্ধারিত ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট উপজেলার যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখায় জমা দিতে হবে। আবেদন ফরম পাওয়া যাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট, এসএমই পোর্টাল এবং তফসিলি ব্যাংকগুলোর নিজস্ব ওয়েবসাইটে।</p><p>এর আগে, কর্মসূচির পরীক্ষামূলক পর্যায়ে দেশের ৮ জেলার ৬৪টি উপজেলা থেকে আবেদন নেওয়া হয়েছিল। গত ১৬ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ১৫ অক্টোবর শেষ হওয়া ওই পর্বে মোট ১৮ হাজার ৪৪৪টি আবেদন জমা পড়ে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5411-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 15:34:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/health/74745/7849-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩১৪ শিশু।</p><p>৪ নভেম্বর শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ২৭৬ শিশু। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৫ শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৭১ শিশু।</p><p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ২৩৯ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭১৪ জনে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৫ শিশু। এ নিয়ে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ২৯৪ জনে।</p><p>গত ১৫ মার্চ থেকে আজ (৬ নভেম্বর) পর্যন্ত সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে ২ লাখ ১০ হাজার ৯৮২ শিশু ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লাখ দুই হাজার ৩৯৪ শিশু।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7849-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 15:14:50 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[যারা গণহত্যা চালিয়েছে, এ দেশের জনগণ তাদের আর রাজনীতি করতে দেবে না]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74744/fd3a-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একটি বিষয়ে আমরা একমত যারা গণহত্যা চালিয়েছে, দীর্ঘ ১৬ বছর আলেম-ওলামাদের রক্ত নিয়েছে এবং মসজিদকে রক্তাক্ত করেছে, এ দেশের জনগণ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসার ১০৪তম বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। জুমার নামাজ আদায়ের আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।</p><p>দুই দিনব্যাপী এ দ্বীনি মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।</p><p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ইসলামবিদ্বেষী শক্তির হাত থেকে মুক্ত হয়েছি। বিগত ১৬-১৭ বছরে প্রায় তিন হাজার মানুষ গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আমিও তাদের একজন ছিলাম। মানুষ বিভিন্নভাবে অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আমরা সেই হারানো সম্মান পুনরুদ্ধার করতে চাই।</p><p>তিনি বলেন, ধর্মের নাম বিক্রি করে যারা রাজনীতি করছে, তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা শুধু দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। ইসলামের মূলনীতি অনুসরণ করেই রাষ্ট্র পরিচালনা ও রাজনীতি প্রতিষ্ঠার কথা বলেন তিনি।</p><p>সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা এ দেশের সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এখানে আমাদের সবার দায়িত্ব রয়েছে। দেশের মানুষের মুক্তি ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে কখনো ম্লান হতে দিতে চাই না।</p><p>তিনি বলেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রণীত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে তাদের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এর পাশাপাশি সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো হবে। সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি পুনঃস্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।</p><p>তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি থেকে দেশকে বের করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও রাষ্ট্রের পূর্ববর্তী নীতিগুলোর পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাই। সংবিধানের প্রস্তাবনায় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিতে মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি পুনরায় ধারণ করব।</p><p>বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্যায়, অবিচার, দুঃশাসন ও দুর্নীতির কারণে দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ভোগান্তির শিকার হয়েছে। এমনকি খালেদা জিয়ার মতো একজন মানুষকেও বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p><p>আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তাদের আর এ দেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।</p><p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ থাকতে হবে। একেকজনের একেক রকম আদর্শিক রাজনীতি থাকতে পারে। কিন্তু একটি বিষয়ে আমরা একমত যারা এ দেশের মানুষকে হত্যা করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, দীর্ঘ ১৬ বছর আলেম-ওলামাদের রক্ত নিয়েছে এবং মসজিদকে রক্তাক্ত করেছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">fd3a-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 14:57:29 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ডিএসসিসির ৮৩ ভবনে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, সাশ্রয় হবে ২০০ কোটি টাকা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/74743/680a-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৮৩টি ভবনের ছাদে ১৬.৬৩ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। প্রকল্পটি চালু হলে বছরে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। একই সঙ্গে প্রকল্পের মেয়াদে বিদ্যুৎ ব্যয় বাবদ ২০০ কোটি টাকারও বেশি সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><p>৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার নগর ভবনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, স্টেকল করপোরেশন এবং লোডস্টার ইনোভেশন পার্টনার্সের মধ্যে এ-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।</p><p>‘ওপেক্স’ (OPEX) মডেলে বাস্তবায়িতব্য এ প্রকল্পে সম্পূর্ণ অর্থায়ন, স্থাপন ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে ডিএসসিসির নিজস্ব অর্থায়নের প্রয়োজন হবে না।</p><p>প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, উৎপাদিত সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে ডিপিডিসির বর্তমান বিদ্যুৎ মূল্যহারের তুলনায় ডিএসসিসির উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে প্রকল্পটি। এর মাধ্যমে প্রতিবছর প্রায় ১২ হাজার ৬০০ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমবে। ২৫ বছরে মোট প্রায় ৩ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের সম্ভাবনা রয়েছে।</p><p>চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাওয়ার চায়না বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ম্যানেজার লিউ ঝি, স্টেকল কর্পোরেশন (দক্ষিণ এশিয়া)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট গং চ্যাংয়িন এবং প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ অফিসের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জিয়াং নিংগান।</p><p><br>লোডস্টার ইনোভেশন পার্টনার্সেরপক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব মোহাম্মদ হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।</p><p>ডিএসসিসির পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খায়বার রহমান, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, প্রধান এস্টেট কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা জুনায়েদ কবির সোহাগ, নির্বাহী প্রকৌশলী (তড়িৎ) নূর মোহাম্মদ এবং সচিব মো. মাশিউর রহমান খানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।</p><p>প্রকল্পে স্টেকল কর্পোরেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ঠিকাদার ও প্রধান কারিগরি অংশীদার হিসেবে কাজ করবে। অন্যদিকে, প্রকল্পের ডেভেলপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে লোডস্টার ইনোভেশন পার্টনার্স।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">680a-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 14:47:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনের কর্মসূচি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74742/8f1d-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে শোভাযাত্রা করবে দলটি। আগামীকাল ৭ নভেম্বর শনিবার দেশের অধিকাংশ জেলা ও মহানগরে এসব শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরপর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন তিনি।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এসব কর্মসূচির বিষয়ে কথা বলেন।</p><p>পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের আড়ালে সহিংসতা ছড়ানোর অভিযোগ করে রিজভী বলেন, পলাতক শক্তি দেশের বাইরে থেকে নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উসকানি দিচ্ছেন। এর মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থানের চেষ্টা চলছে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু কারখানার মালিকও এসব অরাজকতায় জড়িত বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ থেকেও উসকানি দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন বিএনপির এই নেতা।</p><p>রিজভী বলেন, ৭ নভেম্বর উপলক্ষে পোশাকশ্রমিকদের কর্মসূচির নিরাপত্তা দেবে জনগণ। সরকার ও জনগণ প্রস্তুত রয়েছে। কোনো ধরনের অরাজকতা সৃষ্টির সুযোগ নেই। জনগণ তা প্রতিহত করবে।</p><p>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, একটি কৃত্রিম সংকট তৈরির জন্য এসব অরাজকতা করা হচ্ছে। বিরোধী দল শ্রমিক আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে। তার মতে, এর মধ্যদিয়ে ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে গুপ্তদের সম্পর্কের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। শ্রমিক আন্দোলনের সংকটের সমাধান হয়েছে। এখন যা হচ্ছে, তা ফ্যাসিবাদী রাজনীতি।</p><p>উসকানি দিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করলে কেউ লাভবান হবে না বলেও মন্তব্য করেন রুহুল কবির রিজভী।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8f1d-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 14:17:34 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনের কর্মসূচি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/BNP/74742/8f1d-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে শোভাযাত্রা করবে দলটি। আগামীকাল ৭ নভেম্বর শনিবার দেশের অধিকাংশ জেলা ও মহানগরে এসব শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরপর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন তিনি।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এসব কর্মসূচির বিষয়ে কথা বলেন।</p><p>পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের আড়ালে সহিংসতা ছড়ানোর অভিযোগ করে রিজভী বলেন, পলাতক শক্তি দেশের বাইরে থেকে নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উসকানি দিচ্ছেন। এর মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থানের চেষ্টা চলছে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু কারখানার মালিকও এসব অরাজকতায় জড়িত বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ থেকেও উসকানি দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন বিএনপির এই নেতা।</p><p>রিজভী বলেন, ৭ নভেম্বর উপলক্ষে পোশাকশ্রমিকদের কর্মসূচির নিরাপত্তা দেবে জনগণ। সরকার ও জনগণ প্রস্তুত রয়েছে। কোনো ধরনের অরাজকতা সৃষ্টির সুযোগ নেই। জনগণ তা প্রতিহত করবে।</p><p>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, একটি কৃত্রিম সংকট তৈরির জন্য এসব অরাজকতা করা হচ্ছে। বিরোধী দল শ্রমিক আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে। তার মতে, এর মধ্যদিয়ে ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে গুপ্তদের সম্পর্কের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। শ্রমিক আন্দোলনের সংকটের সমাধান হয়েছে। এখন যা হচ্ছে, তা ফ্যাসিবাদী রাজনীতি।</p><p>উসকানি দিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করলে কেউ লাভবান হবে না বলেও মন্তব্য করেন রুহুল কবির রিজভী।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8f1d-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 14:17:34 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হাসানের ৬ উইকেট, ওয়েস্ট ইন্ডিজ থামল ৩৫৬ রানে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/74741/cf5c-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>বাংলাদেশের বিপক্ষে শুরুতে ধাক্কা খেয়েও আমির জাঙ্গু ও কেভিন উইকহ্যামের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে দ্বিতীয় দিনের সকালে নতুন বলে হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আবার চাপে পড়ে সফরকারীরা। শেষ পর্যন্ত সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩৫৬ রানে অলআউট হয়েছে তারা। বাংলাদেশের হয়ে ৬ উইকেট নিয়েছেন হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার ২ উইকেট।</p><p>প্রথম দিনের শুরুতে ২৭ রানে ৩ উইকেট হারানো ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উদ্ধার করেছিলেন জাঙ্গু ও অভিষিক্ত উইকহ্যাম। চতুর্থ উইকেটে তাঁদের ১৩১ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে দলটি। জাঙ্গু করেন ১৩৩, উইকহ্যামের ব্যাট থেকে আসে ৬১ রান। পরে জাস্টিন গ্রিভসের ৫১ রানের ইনিংসও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে ভূমিকা রাখে।</p><p>দ্বিতীয় দিনের সকালে নতুন বলে জোড়া আঘাত হানেন হাসান। পরপর দুই বলে জাঙ্গু ও অধিনায়ক রস্টন চেইসকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও তৈরি করেছিলেন। পরে জশুয়া বিশপকে আউট করে ক্যারিয়ারের পঞ্চম পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত শামার জোসেফের স্টাম্প ভেঙে নিজের ষষ্ঠ উইকেটটি পান এই পেসার।</p><p>বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে টেস্টে স্টাম্পিংয়ে উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। আর নাথান লায়নের পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে পাঁচটি ভিন্ন দেশে প্রথম পাঁচটি ফাইফার পেয়েছেন তিনি।</p><p>এদিকে গ্রিভসকে ফিরিয়ে উইকেটের দেখা পান মিরাজ। শেষদিকে জোমেল ওয়ারিক্যান ও জেইডেন সিলসের ৩৩ রানের জুটি ভাঙেন তিনিই। টেস্ট ক্যারিয়ারে পঞ্চমবারের মতো পাঁচ উইকেট নেওয়া হাসানের জন্য দেশের মাটিতে এটি প্রথম ফাইফার।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">cf5c-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 14:07:33 +0600</pubDate>
            </item>
        
    </channel>
</rss>
