<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0">
    <channel>
        <title><![CDATA[All news items on https://www.asiantvonline.com/]]></title>
        <link><![CDATA[https://asiantvonline.com/]]></link>
        <description><![CDATA[
            Welcome to https://www.asiantvonline.com/! Stay informed with the latest news, headlines, and updates from around the world.
            Subscribe to our RSS feed now to receive regular updates and never miss a beat.
        ]]></description>

        <image>
            <url>https://asiantvonline.com/logo.png</url>
            <title>Asian Tv Online | এশিয়ান টিভি অনলাইন</title>
            <link>https://asiantvonline.com/</link>
        </image>

        <generator><![CDATA[RSS by https://asiantvonline.com/rss-feed.xml]]></generator>
        <language>en</language>
        <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 14:15:09 +0600</pubDate>

        <copyright><![CDATA[
            Copyright: (C) 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.
        ]]></copyright>

                    <item>
                <title><![CDATA[৫ দিন পর হিলি বন্দরে পণ্য আমদানি-রফতানি শুরু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70484/475c-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটে টানা পাঁচদিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে ব্যবসায়ী ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের উপস্থিতি।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল থেকে কাজে যোগ দিয়েছেন বন্দরসংশ্লিষ্ট শ্রমিকরা।</p><p>স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, কয়েকদিন আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায়, রাজস্ব আদায়ে ভাটা পড়েছে। সীমান্তের ওপারে ট্রাক আটকে থাকায় পণ্য নষ্টের শঙ্কাও বেড়েছিলো।</p><p>আমদানি-রফতানি চালুর বিষয়টি নিশ্চিত করে হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, ভারত অভ্যন্তরে ব্যাবসায়িক জটিলতা থাকায় গেল ৩১ আগস্ট থেকে আমদানি-রফতানি বন্ধ করে দিয়েছিলেন সে দেশের রফতানিকারকরা। সমস্যার সমাধান হওয়ায় ৫ দিন বন্ধের পর আজ শনিবার থেকে আবারো আমদানি-রফতানি শুরু হয়েছে।</p><p>ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ট্রাক প্রতি পণ্য পরিবহনের সর্বোচ্চ ওজন সীমা নির্ধারণের প্রতিবাদে, গত ৩০ আগষ্ট থেকে বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রফতানি বন্ধ রাখেন ভারতের ব্যবসায়ীরা।</p><p>পরে, ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে ব্যবসায়ীদের বৈঠকে সমস্যা সমাধানের পর ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">475c-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 14:13:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হজের নিবন্ধন করতে সৌদির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে সরকার: ধর্মমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70483/b31b-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>হজের নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সৌদি সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার শ্রেষ্ঠ হজ গাইডদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>মন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত করার পাশাপাশি বাংলাদেশি হাজিদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করছে সরকার।</p><p>গতবার একটি এজেন্সির অব্যবস্থাপনার কারণে দুইজন হাজি সময়মতো হজে যেতে পারেননি উল্লেখ করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, পরে পুলিশ, এনএসআইসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় তাদের হজে পাঠানো হয়। এটিকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।</p><p>হাজিদের সেবার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, গতবার সরকার বিনামূল্যে ১ লাখ পানির বোতল সরবরাহ করেছে। এছাড়া লাগেজ র‍্যাপিং করতেও কোনো অর্থ ব্যয় হয়নি; পুরো কার্যক্রম সরকারের ব্যবস্থাপনায় সম্পন্ন হয়েছে।</p><p>তিনি হজ গাইডদের সেবার মান আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান। ভালো কাজ করলে ভবিষ্যতে হজ গাইডদের জন্য আরও সুযোগ তৈরি করা হবে এবং আজকের চেয়েও বড় পরিসরে পুরস্কৃত করা হবে বলেও জানান তিনি।</p><p>এবার শ্রেষ্ঠ হজ গাইডদের ৫ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই পুরস্কারের অর্থ আরও বাড়ানো হবে বলে জানান ধর্মমন্ত্রী।</p><p>সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কারণে এবার কোনো হাজির লাগেজ হারিয়ে যায়নি বলেও উল্লেখ করেন কাজী মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।</p><p>অনুষ্ঠানে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ জানান, হজ কার্যক্রমে সাশ্রয় হওয়া অর্থ আগামীকাল সরকারের কাছে হস্তান্তর করবে মন্ত্রণালয়।</p><p>সূত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b31b-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 14:05:28 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হজের নিবন্ধন করতে সৌদির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে সরকার: ধর্মমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/religion/70483/b31b-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>হজের নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সৌদি সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার শ্রেষ্ঠ হজ গাইডদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>মন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত করার পাশাপাশি বাংলাদেশি হাজিদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করছে সরকার।</p><p>গতবার একটি এজেন্সির অব্যবস্থাপনার কারণে দুইজন হাজি সময়মতো হজে যেতে পারেননি উল্লেখ করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, পরে পুলিশ, এনএসআইসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় তাদের হজে পাঠানো হয়। এটিকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।</p><p>হাজিদের সেবার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, গতবার সরকার বিনামূল্যে ১ লাখ পানির বোতল সরবরাহ করেছে। এছাড়া লাগেজ র‍্যাপিং করতেও কোনো অর্থ ব্যয় হয়নি; পুরো কার্যক্রম সরকারের ব্যবস্থাপনায় সম্পন্ন হয়েছে।</p><p>তিনি হজ গাইডদের সেবার মান আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান। ভালো কাজ করলে ভবিষ্যতে হজ গাইডদের জন্য আরও সুযোগ তৈরি করা হবে এবং আজকের চেয়েও বড় পরিসরে পুরস্কৃত করা হবে বলেও জানান তিনি।</p><p>এবার শ্রেষ্ঠ হজ গাইডদের ৫ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই পুরস্কারের অর্থ আরও বাড়ানো হবে বলে জানান ধর্মমন্ত্রী।</p><p>সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কারণে এবার কোনো হাজির লাগেজ হারিয়ে যায়নি বলেও উল্লেখ করেন কাজী মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।</p><p>অনুষ্ঠানে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ জানান, হজ কার্যক্রমে সাশ্রয় হওয়া অর্থ আগামীকাল সরকারের কাছে হস্তান্তর করবে মন্ত্রণালয়।</p><p>সূত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b31b-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 14:05:28 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নেই বিদ্যুতের সংযোগ ও মিটার, তবুও এলো বিল!]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70482/6988-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> এবার নতুন মিটার স্থাপনের আগেই গ্রাহকের নামে এসেছে বিদ্যুৎ বিল। মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়নি, অথচ আগস্ট মাসের ৬৯২ টাকার বিল তৈরি হয়েছে গ্রাহকের নামে। এমন ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার।</p><p>মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ ব্যবহার শুরুর আগেই বিল তৈরির ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের বিলিং ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায়।</p><p>ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে আরও একটি মিটার সংযোগের জন্য তিনি আবেদন করেন। তবে নতুন মিটার স্থাপন কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই তার নামে ৬৯২ টাকা পরিশোধের জন্য একটি বিল এসেছে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, নিমাই চন্দ্র সরকারের বাসায় চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ডও তৈরি করা হয়েছে। তবে তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে। এর মধ্যে নতুন মিটারের নামে আগস্ট মাসের বিল ধরা হয়েছে ৬৯২ টাকা।</p><p>মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই বিল আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও বিস্ময় দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, সংযোগই যেখানে দেওয়া হয়নি, সেখানে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল কীভাবে তৈরি হলো? বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।</p><p>তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে।’ তবে মিটার বা সংযোগ না থাকলেও বিল করা যায় কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা ভুল হয়ে গেছে।’</p><p>জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) আবু সালেহ মো. নাঈম বলেন, ‘সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এমন সমস্যা হয়েছে।’ তবে মিটার ও সংযোগ না থাকা অবস্থায় কীভাবে গ্রাহকের নামে বিল তৈরি হলো, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।</p><p>জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিনও বিষয়টির স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘মিটার বা সংযোগ ছাড়া কীভাবে বিল আসে, তা আমার জানা নেই। উনাদের যারা নিয়ন্ত্রণ করেন, তাদের সঙ্গে কথা বলুন।’</p><p>সূত্র: কালবেলা</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6988-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 13:40:07 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70481/d74f-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> কারাগারের চার দেয়ালের বন্দিজীবনে স্বজনদের সরাসরি দেখার আকুলতা দূর করতে চালু হচ্ছে ভিডিও কলের বিশেষ সুবিধা। ইতোমধ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এ সুবিধা চালু হয়েছে। শিগগিরই সারা দেশে এ সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর।</p><p>কারা কর্তৃপক্ষের এই আধুনিক ও মানবিক উদ্যোগের ফলে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েদি ও হাজতিরা সপ্তাহে একবার ১০ মিনিট ভিডিও কলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন।</p><p>ঢাকা কারা অধিদপ্তরের জেলার (লজিস্টিক অ্যান্ড মিডিয়া) মো. মাসুদ হাসান জুয়েল বলেন, সারা দেশে শিগগিরই কারাবন্দিরা স্বজনদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে।</p><p>এদিকে কারাগারে বন্দিদের সংশোধন ও পুনর্বাসনে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন কারাগারে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ধর্মীয় শিক্ষা, কাউন্সেলিং ও অন্যান্য মানসিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।</p><p>মাসুদ হাসান জুয়েল জানান, কারাগারে বন্দিদের উৎপাদনশীল কাজে প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য দক্ষ করে তোলার কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ২-এ সাবান উৎপাদন কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং উৎপাদিত সাবান বন্দি ও স্টাফদের জন্য সরবরাহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে বন্দিদের প্রশিক্ষণ ও উৎপাদনমুখী কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, বন্দিদের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারা হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কারা সদর দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্যাথলজি ল্যাব চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ৫৫ জন ডিপ্লোমা নার্সের সুপারিশ পাওয়া গেছে এবং তাদের পদায়নের মাধ্যমে কারাগারের স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।</p><p>কারা অধিদপ্তর জানায়, বন্দি ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ২-এ মিনারেল ড্রিংকিং ওয়াটার প্লান্ট স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং পানি সরবরাহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।</p><p>কারাগারের মৌলিক সেবাগুলোর মান উন্নয়নের বিষয়টি ভবিষ্যতেও অগ্রাধিকার পাবে। এছাড়া একটি আধুনিক কারা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রযুক্তিনির্ভর ও প্রশিক্ষিত জনবল অপরিহার্য বলে জানায় কারা অধিদপ্তর।</p><p>কারা অধিদপ্তর আরও জানায়, কারা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এই লক্ষ্যে বিভিন্ন পর্যায়ের কারারক্ষী, প্রধান কারারক্ষী, সার্জেন্ট ইন্সট্রাক্টর, ডেপুটি জেলার, জেলার ও জেল সুপারদের পেশাগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।</p><p>এ বিষয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, ঢাকা জেলে রুটি তৈরির কার্যক্রমকে আধুনিক ও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্যে চায়না থেকে আমদানি রুটি মেকার স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে বৃহৎ সংখ্যক বন্দির জন্য কম সময়ে একই মানের রুটি স্বাস্থ্যসম্মত ও দক্ষতার সঙ্গে প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং প্রচলিত পদ্ধতির ওপর নির্ভরতা কমছে।</p><p>তিনি বলেন, কারাগারে বিশেষ দিবসে খাবার পরিবেশনের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা আছে। বন্দিদের খাবারের মান উন্নত করার জন্য বিভিন্ন কারাগারে খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশন ব্যবস্থাকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>এছাড়াও বন্দিদের বিভিন্ন পোশাক ও জুতা-সেন্ডেল তৈরি ও বেকারির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বন্দিদের খেলাধুলার পাশাপাশি ধর্মীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। কারাগারে বিভিন্ন দিবস উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।</p><p>কারা অধিদপ্তর জানায়, কারা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের একটি যৌক্তিক প্রত্যাশা ছিল অবসর-পরবর্তী কল্যাণ। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত কারারক্ষীদের আজীবন রেশন প্রদানের বিষয়টি সরকার নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে এবং তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।</p><p>এছাড়াও কারাগারের নিরাপত্তা রক্ষা, বন্দি পালানো প্রতিরোধ, অনিয়ম প্রতিরোধ, দুর্যোগ মোকাবিলা, মানবিক সেবা এবং দায়িত্ব পালনে অসাধারণ অবদান রাখা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজ যথাযথভাবে মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যোগ্য সদস্যদের পদক, প্রশংসাপত্র ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদানের ব্যবস্থা আরও কার্যকর করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, কারাগারে মাদক প্রবেশ ও মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। কারা সদর দপ্তরে ড্রাগ পরীক্ষার মেশিন সংগ্রহ করা হয়েছে, যা মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করবে।</p><p>কারাগারকে আরও স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব করার লক্ষ্যে ব্যাপক সবুজায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সিলেট-১, কিশোরগঞ্জ-১ ও খুলনা নতুন কারাগারে প্রায় ১৮ হাজার গাছ রোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।</p><p>যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি, আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা, বন্দিদের সংশোধন ও পুনর্বাসন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কল্যাণ, ভালো কাজের যথাযথ স্বীকৃতি, পরিবেশবান্ধব কারা ব্যবস্থাপনা এবং একটি আধুনিক ও পেশাদার সংশোধনমূলক পরিষেবা সৃষ্টির কাজ করা হচ্ছে।</p><p>এ বিষয়ে কারা অধিদপ্তর জানায়, কারাগার সম্পর্কে মানুষের প্রচলিত ধারণায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। কারাগার হবে নিরাপদ ও মানবিক। কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হবেন দক্ষ, সৎ ও মর্যাদাবান। বন্দিরা পাবেন সংশোধন ও পুনর্বাসনের সুযোগ। আর পুরো প্রতিষ্ঠানটি হবে স্বচ্ছ, প্রযুক্তিনির্ভর ও জবাবদিহিমূলক।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d74f-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 13:24:29 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সালমান শাহকে স্মরণে বিএফডিসিতে ৩ দিনব্যাপী সিনেমা প্রদর্শনী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/70480/7beb-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক: </strong>ঢালিউডের ক্ষণজন্মা চিত্রনায়ক সালমান শাহর ৬ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে তিন দিনব্যাপী উন্মুক্ত সিনেমা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ এ সিনেমা প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। ৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ প্রদর্শনী।</p><p>সিনেমাপ্রেমী দর্শক ও সালমান শাহর ভক্ত-অনুরাগীদের জন্য বিএফডিসি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে বিএফডিসি কর্তৃপক্ষ। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএফডিসি জানিয়েছে, বিএফডিসি প্রাঙ্গণে ভিআইপি প্রজেকশন হলে আয়োজিত হতে যাচ্ছে উন্মুক্ত প্রদর্শনী।</p><p>যেখানে প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে সালমান শাহ অভিনীত কালজয়ী সিনেমাগুলো দর্শকদের জন্য উন্মুক্তভাবে প্রদর্শন করা হবে। প্রদর্শনীর প্রথম দিন বিকালে পর্দায় উঠবে জনপ্রিয় সিনেমা ‘স্বপ্নের ঠিকানা’। ৭ সেপ্টেম্বর একই সময়ে দেখানো হবে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। শেষ দিন ৮ সেপ্টেম্বর বিকালে দর্শকরা উপভোগ করতে পারবেন ‘তোমাকে চাই’ সিনেমাটি।</p><p>উল্লেখ্য, &nbsp;৯০ দশকের অমর চিত্রনায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৪ বছর বয়সে অকালে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা ও জল্পনা রয়েছে। প্রতি বছরের ৬ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7beb-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 13:07:35 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সালমান শাহকে স্মরণে বিএফডিসিতে ৩ দিনব্যাপী সিনেমা প্রদর্শনী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Dhallywood/70480/7beb-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক: </strong>ঢালিউডের ক্ষণজন্মা চিত্রনায়ক সালমান শাহর ৬ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে তিন দিনব্যাপী উন্মুক্ত সিনেমা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ এ সিনেমা প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। ৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ প্রদর্শনী।</p><p>সিনেমাপ্রেমী দর্শক ও সালমান শাহর ভক্ত-অনুরাগীদের জন্য বিএফডিসি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে বিএফডিসি কর্তৃপক্ষ। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএফডিসি জানিয়েছে, বিএফডিসি প্রাঙ্গণে ভিআইপি প্রজেকশন হলে আয়োজিত হতে যাচ্ছে উন্মুক্ত প্রদর্শনী।</p><p>যেখানে প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে সালমান শাহ অভিনীত কালজয়ী সিনেমাগুলো দর্শকদের জন্য উন্মুক্তভাবে প্রদর্শন করা হবে। প্রদর্শনীর প্রথম দিন বিকালে পর্দায় উঠবে জনপ্রিয় সিনেমা ‘স্বপ্নের ঠিকানা’। ৭ সেপ্টেম্বর একই সময়ে দেখানো হবে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। শেষ দিন ৮ সেপ্টেম্বর বিকালে দর্শকরা উপভোগ করতে পারবেন ‘তোমাকে চাই’ সিনেমাটি।</p><p>উল্লেখ্য, &nbsp;৯০ দশকের অমর চিত্রনায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৪ বছর বয়সে অকালে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা ও জল্পনা রয়েছে। প্রতি বছরের ৬ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7beb-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 13:07:35 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইরানকে ‘বশে’ ব্যর্থ হয়ে এবার জাতিসংঘের দ্বারস্থ যুক্তরাষ্ট্রসহ ৪ দেশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70479/ac4c-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>সামরিক হামলা আর নিষেধাজ্ঞার বেড়াজালেও ইরানকে আটকাতে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার ইরানকে থামাতে জাতিসংঘের দ্বারস্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ চার দেশ। দেশটির পরমাণু কর্মসূচির লাগাম টানতে একটি প্রস্তাবের খসড়াও তৈরি করেছে দেশগুলো। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানোর লক্ষ্যে এই খসড়া যৌথভাবে তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি। কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।</p><p>সিবিএস নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, খসড়াটি আগামী সপ্তাহে ভিয়েনায় অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ( আইএইএ) বোর্ড অব গভর্নর্সের বৈঠকে বিবেচনার জন্য তোলা হতে পারে। তবে কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ডে জমা দেওয়া হয়নি। ফলে এর ভাষা ও বিষয়বস্তুতে পরিবর্তন আসতে পারে।</p><p>পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) অধীনে ইরানকে তার সব পারমাণবিক উপাদান ও কার্যক্রম ঘোষণা করতে এবং সেগুলো শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না তা যাচাইয়ের জন্য আইএইএ পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার দিতে হয়।</p><p>২০২৫ সালের জুনে আইএইএ বোর্ড প্রথমবারের মতো দুই দশকের মধ্যে ইরানকে তার পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ-সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা পালনে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যর্থ ঘোষণা করে। এর মাত্র একদিন পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়।</p><p>নতুন প্রস্তাবের মাধ্যমে ইরানের বিষয়টি নিরাপত্তা পরিষদের কাছে পাঠানো হলে তা উচ্চতর আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষের হাতে যাবে। নিরাপত্তা পরিষদ চাইলে নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ জব্দসহ আরও বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ রাখে।</p><p>তবে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো কঠোর জাতিসংঘ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা সীমিত বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাশিয়া ও চীন ইরানের মিত্র এবং উভয়েরই ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।</p><p>খসড়া প্রস্তাবটিতে আইএইএ মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসিকে প্রস্তাবটি এবং আগে গৃহীত সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলো সংস্থার সব সদস্য, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p><p>প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে জমা পড়লে আগামী সপ্তাহে ভিয়েনায় অনুষ্ঠেয় আইএইএ বোর্ড অব গভর্নর্সের বৈঠকে ভোট হতে পারে। তবে তার আগে সদস্য দেশগুলোর সংশোধনী প্রস্তাব দেয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে চূড়ান্ত ভোটের আগে খসড়াটির ভাষা পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।</p><p>সূত্র: সিবিএস নিউজ</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ac4c-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 12:59:27 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সাপ্তাহিক ২ দিন ছুটিতে নগদে চাকরির সুযোগ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/job/70478/2fe2-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>সম্প্রতি নগদ লিমিটেডে আইটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। যা চলবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।</p><p>নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।</p><p><strong>এক নজরে নগদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬</strong></p><p><strong>প্রতিষ্ঠানের নাম:</strong> নগদ লিমিটেড</p><p><strong>পদের নাম: </strong>অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট</p><p><strong>বিভাগ:</strong> আইটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড সিকিউরিটি</p><p><strong>পদসংখ্যা:</strong> ১টি &nbsp;</p><p><strong>শিক্ষাগত যোগ্যতা: </strong>যেকোনো বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি</p><p><strong>অন্যান্য যোগ্যতা:</strong> সাইবার নিরাপত্তা ও নিরাপদ সংযোগ: এন্টারপ্রাইজ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বলিষ্ঠ দক্ষতা।</p><p><strong>অভিজ্ঞতা: </strong>কমপক্ষে ১০ বছর</p><p><strong>চাকরির ধরন: </strong>ফুলটাইম</p><p><strong>কর্মক্ষেত্র: </strong>অফিসে</p><p><strong>প্রার্থীর ধরন:</strong> নারী-পুরুষ (উভয়)</p><p><strong>বয়সসীমা: </strong>উল্লেখ নেই</p><p><strong>কর্মস্থল:</strong> ঢাকা</p><p><strong>বেতন:</strong> আলোচনা সাপেক্ষে</p><p><strong>অন্যান্য সুবিধা:</strong> চিকিৎসা ভাতা, প্রভিডেন্ট ফান্ড, মোবাইল বিল, সাপ্তাহিক ২দিন ছুটি, বিমা, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, বছরে ২টি উৎসব বোনাস।</p><p><strong>আবেদন যেভাবে:</strong> আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে <a href="https://bdjobs.com/h/details/1529322?ln=1"><strong>ক্লিক</strong></a> করুন।</p><p><strong>আবেদনের শেষ সময়: </strong>১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2fe2-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 12:53:00 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70477/9774-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের এক শতাংশেরও কম কর্মকর্তা অসৎ। তাদের কেউ কেউ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। এসব কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। একইভাবে কিছু সাংবাদিক ও কনটেন্ট নির্মাতা সরকারের বিরুদ্ধে মনগড়া ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।</p><p>শিশু নিখোঁজের ঘটনা প্রসঙ্গে আলী হোসেন ফকির বলেন, দেশে আগেও শিশু নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। তবে বর্তমানে বিষয়টি গণমাধ্যমে বেশি প্রচার হচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশ এটিকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে। নিখোঁজ শিশুদের ৮৭ শতাংশেরই সন্ধান পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।</p><p>এর আগে সকালে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে আইজিপি বলেন, একাধিকবার গ্রেফতারের পরও আইনের ফাঁকফোকরের কারণে মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীদের দীর্ঘ সময় কারাগারে রাখা যাচ্ছে না। রাজধানী ঢাকায় কিশোর অপরাধ ভয়াবহ আকার ধারণ করার এটাও একটা কারণ।</p><p>সূত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9774-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 12:49:30 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[২ দিনের সফরে কাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70476/c79b-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দুই দিনের সফরে আগামীকাল ৬ সেপ্টেম্বর রোববার নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজ জেলায় এটিই হতে যাচ্ছে তাঁর প্রথম সফর।</p><p>এদিকে সুপ্রিয় সন্তানকে রাষ্ট্রপতির আসনে পেয়ে আনন্দিত ঠাকুরগাঁওবাসী তাকে বরণে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। আগামীকাল রোববার ও সোমবার দুই দিনের এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে বিরাজ করছে এক অভূতপূর্ব উৎসবের আমেজ।</p><p>শহরের প্রধান সড়ক, আইল্যান্ড ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে পড়েছে নতুন রঙের পোঁচ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে চারপাশ। একই সঙ্গে স্থানীয় সুধীসমাজ ও সর্বস্তরের মানুষের উদ্যোগে নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজনের জোর প্রস্তুতি চলছে।</p><p>রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত সফরসূচি অনুযায়ী, প্রথম দিন রবিবার সকাল ১০টায় হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠে তার অবতরণের কথা রয়েছে। সেখান থেকে তিনি যাবেন জেলা সার্কিট হাউসে। রাষ্ট্রপতি সেখানে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন।</p><p>এরপর রাষ্ট্রপতি শহরের সেনুয়াপাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা সাবেক মন্ত্রী মরহুম মির্জা রুহুল আমীন (চোখামিয়া) ও মা ফাতেমা বেগমের কবর জিয়ারত করবেন।</p><p>কবর জিয়ারত শেষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শহরের কালীবাড়িতে তার নিজ বাসভবনে যাবেন। সেখানে দুপুরের খাবার ও বিশ্রামের পর বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক কমিটি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।</p><p>সংবর্ধনা শেষে রাষ্ট্রপতি নিজ বাসভবনে ফিরে গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সেখানেই তার রাত্রিযাপনের কথা রয়েছে।</p><p>সফরের দ্বিতীয় দিন রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় প্রস্তাবিত ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে রাষ্ট্রপতি নিজ বাসভবনে ফিরে দুপুরের খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম করবেন। পরে তিনি সার্কিট হাউসে যাবেন। এরপর হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে ঠাকুরগাঁও ছাড়ার কথা রয়েছে তার।</p><p>ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন বলেন, রাষ্ট্রপতির ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বরের সফরকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদারের কাজ শুরু হয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, ‘৫ সেপ্টেম্বর থেকে আমরা পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তাব্যবস্থায় যাব। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানস্থল, যাতায়াতের সড়ক ও আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পুরো শহর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হবে।’</p><p>সূত্র: নিউজ ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c79b-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 12:48:36 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70475/005d-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার; প্রয়োজনে আফ্রিকা থেকেও জ্বালানি আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে 'আসন্ন জাতিসংঘ সম্মেলন ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং' শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার বাংলাদেশের রফতানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে চায়।</p><p>এছাড়া, গার্মেন্টসের পাশাপাশি পাটপণ‍্য নিয়ে কাজ চলছে বলেও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।</p><p>সূত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">005d-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 12:43:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আবারও আর্জেন্টিনার জার্সিতে দেখা যেতে পারে মেসিকে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/70474/c80c-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>‘সবটুকু নিংড়ে দিয়েছি, আমার দেওয়ার আর কিছু বাকি নেই’- ডায়েরির তিনটি ছেঁড়া পাতা ও একটি কলমের ছবি পোস্ট করে এভাবেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান লিওনেল মেসি।</p><p>তবে বিদায়ের ৪ দিন পর গুঞ্জন উঠেছে আর্জেন্টিনার জার্সিতে আবারও দেখা যেতে পারে মেসিকে। ঘরের মাঠে নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলারকে বিদায় দিতে চায় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)।</p><p>এমন তথ্য দিয়েছেন আর্জেন্টিনার সাংবাদিক পাবলো গ্রাভেলোন। তোদো নোতিসিয়াসের এই সাংবাদিকের দাবি, সবকিছু ঠিক থাকলে মেসির শেষ ম্যাচটি হবে আর্জেন্টিনার মাটিতেই। সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে সবচেয়ে বুয়েনস আইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টালকে মনে করা হচ্ছে।</p><p>এর বাইরে মেসির জন্মশহর রোজারিওতেও ৮ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর বিদায়ী ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা সেখানে সেপ্টেম্বরে প্রীতি ম্যাচ খেলতে পারে আর্জেন্টিনা।</p><p>এ বিষয়ে টিএনটি স্পোর্টস আর্জেন্টিনার মাক্সিমিলিয়ানো গ্রিলোর তার প্রতিবেদন দাবি করেছে, সেপ্টেম্বর মাসে দুটি বা তিনটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা আর্জেন্টিনার। ম্যাচগুলো বুয়েনস আইরেস, কর্দোবা কিংবা রোজারিওতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে প্রতিপক্ষের নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি।</p><p>এই প্রীতি ম্যাচগুলোই হওয়ার কথা ছিল এশিয়া সফরে। মেসি বিদায় নেওয়ায় এএফএ এশিয়া সফর বাতিল করেছে বলে জানায় ইএসপিএন আর্জেন্টিনা।</p><p>তবে মেসির বিদায়ী ম্যাচের বিষয়টি এখন পর্যন্ত সংবাদ মাধ্যম কিংবা মানুষের মুখে মুখেই। কোনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি এখনো। আবার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক সেই ম্যাচ খেলবেন কি না সেই সম্মতিরও বিষয় রয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c80c-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 12:38:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হকার্স মার্কেট এলাকা থেকে গুলিবিদ্ধ যুবকের মরদেহ উদ্ধার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70473/65a2-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:</strong> নারায়ণগঞ্জ শহরের হকার্স মার্কেট সংলগ্ন এলাকা থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে সদর থানাধীন ওই এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।</p><p>নিহত যুবকের নাম শুভ দাস (৩০)। তিনি চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার মতলব বাজার এলাকার হরি চন্দ্র দাসের ছেলে। তবে দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ শহরের গলাচিপা এলাকায় বিশার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।</p><p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হকার্স মার্কেট সংলগ্ন রাস্তার মাথায় খোকন সাহেবের বাড়ির সামনে তিন রাস্তার মোড়ে এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে সদর থানার এসআই মো. কাজল মিয়া ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করেন।</p><p>নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী বলেন, প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।</p><p>তিনি আরও জানান, কীভাবে শুভ দাস গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় কারা জড়িত কিংবা হত্যার পেছনের কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">65a2-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 12:36:10 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পুতিনকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব জেলেনস্কির]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70472/bdb0-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> রাশিয়ার সঙ্গে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিনিধিদল রাশিয়া ও ইউক্রেন সফরের আগে ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার তিনি এ প্রস্তাব দেন। খবর <a href="https://www.ndtv.com/world-news/no-airstrikes-on-our-part-zelensky-proposes-ceasefire-with-russia-12003571"><strong>এনডিটিভির</strong></a>।</p><p>রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করার জন্য মার্কিন দূত জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার ও ৬ সেপ্টেম্বর রোববার মস্কো ও কিয়েভ সফর করবেন।</p><p>জেলেনস্কি টেলিগ্রামে এক পোস্টে দুই মার্কিন দূতের সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কুশনার ও উইটকফের সফর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।</p><p>কিয়েভে মার্কিন দূতদের নিরাপদে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে ইউক্রেনীয় কূটনীতিকরা প্রস্তুতি বৈঠক করেছেন বলেও জানান জেলেনস্কি। তিনি বলেন, এ সময় রাশিয়ার আকাশপথের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা হবে।</p><p>এর বিনিময়ে জেলেনস্কি রাশিয়াকে সাময়িকভাবে বিমান হামলা বন্ধ রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মার্কিন দূতদের সফর ও আলোচনা শেষ করতে যত সময় প্রয়োজন, ততক্ষণ রাশিয়া ও ইউক্রেন—দুই পক্ষেরই বিমান হামলা থেকে বিরত থাকা উচিত।</p><p>জেলেনস্কি বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে কোনো বিমান হামলা হবে না। রাশিয়াকেও একইভাবে বিমান হামলা বন্ধ রাখতে হবে, যাতে আলোচনা এবং মার্কিন প্রতিনিধিদের সফরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়।’</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনের লক্ষ্য রাশিয়ার সঙ্গে কোনো সমঝোতা করা নয়; বরং সাড়ে চার বছর ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধের জন্য বাস্তবসম্মত পথ খুঁজে বের করা।’</p><p>জেলেনস্কি বলেন, ‘স্টিভ ও জ্যারেড কী প্রস্তাব নিয়ে আসেন এবং মস্কো তাদের কী বলে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।’</p><p>এদিকে, জেলেনস্কির যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের দিনই রাশিয়া ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থার সদর দপ্তরে বিমান হামলা চালায়। এতে গোয়েন্দা প্রধানের কার্যালয়কে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বলে জানান জেলেনস্কি।</p><p>সাম্প্রতিক দিনগুলোতে রাশিয়া কিয়েভসহ ইউক্রেনের অন্যান্য শহরে দিনের বেলায় বিমান হামলা বাড়িয়েছে এবং বেসামরিক এলাকাগুলোতে অবিরাম আঘাত হানছে। শুক্রবার কিয়েভে হামলার আগে ওডেসা অঞ্চলেও রাতে বড় ধরনের হামলা চালানো হয়। এতে একজন নিহত এবং একটি শিশুসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন।</p><p>এ ছাড়া রাতের হামলায় ইউক্রেনের দিনিপ্রো শহরে দুই পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হয়েছেন।</p><p>একজন মার্কিন কর্মকর্তা ট্রাম্পের দূতদের মস্কো ও কিয়েভ সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, একটি মীমাংসা নিয়ে আলোচনা এবং এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইউক্রেনের রাজধানীতে এটিই হবে তাদের প্রথম সফর।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">bdb0-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 12:28:11 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ডাক বিভাগ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70471/a5e9-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> চিঠি বা প্যাকেটের পাশাপাশি এখন ফ্রিজ, মোটরসাইকেল, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন ভারী পণ্যও পরিবহন করছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের স্পিড পোস্ট। গত দুই মাসে এ সেবার মাধ্যমে প্রায় ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করা হয়েছে।</p><p>সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম। তিনি বলেন, দেশের আইনে অবৈধ নয়—এমন যেকোনো পণ্য ডাক বিভাগের মাধ্যমে পরিবহন ও বিলি করা যায়। ইতোমধ্যে মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, আলমারি, ওয়ারড্রব, শিক্ষার্থীদের বিছানাপত্র, রান্নাঘরের বিভিন্ন সামগ্রী, এলইডি টিভি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, বাইসাইকেলসহ নানা পণ্য পাঠানো হয়েছে।</p><p>স্পিড পোস্টে প্রথম কেজির জন্য ১০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি কেজির জন্য ৫ টাকা করে মাশুল নেওয়া হচ্ছে। গ্রাহকদের সুবিধায় চালু করা হয়েছে অনলাইন মাশুল ক্যালকুলেটর। বর্তমানে রাজধানীর জিপিওসহ গুলশান, বনানী, মিরপুর ও উত্তরা এলাকার কয়েকটি ডাকঘর থেকে এ সেবা পাওয়া যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক পার্সেলের জন্য রয়েছে বৈদেশিক ইএমএস সেবাও।</p><p>ডাক অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, জেলা শহর থেকে ঢাকায় সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা, এক জেলা থেকে অন্য জেলায় ৪৮ ঘণ্টা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য বিলির জন্য প্রস্তুত রাখার কথা। তবে বিস্ফোরক, দাহ্য ও বিপজ্জনক রাসায়নিক, মাদক, জীবন্ত প্রাণী, আগ্নেয়াস্ত্র এবং গ্যাস সিলিন্ডার স্পিড পোস্টে পাঠানো যাবে না।</p><p>কাজী আসাদুল ইসলাম বলেন, সাশ্রয়ী মূল্যে সেবা দেওয়ার মূল লক্ষ্য মুনাফা নয়; বরং দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও সেবা নিশ্চিত করা। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কনটেন্ট নির্মাতারা এ সেবা ব্যবহার করে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হচ্ছেন বলেও জানান তিনি।</p><p>তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে আন্তঃজেলা বাসাবদলের সেবাও চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে ডাক বিভাগের লজিস্টিকস সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে পরিবেশবান্ধব প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ৫০টি বৈদ্যুতিক বাইক সংগ্রহ করা হয়েছে।</p><p>মেইল ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে ঢাকার তেজগাঁওয়ের কেন্দ্রীয় মেইল প্রসেসিং সেন্টারকে পূর্ণ সক্ষমতায় ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা জিপিও ক্যাম্পাস সম্প্রসারণ করে সেখানে আন্তর্জাতিক পার্সেল ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা রয়েছে। তেজগাঁও, কমলাপুরসহ তিনটি হাবের মাধ্যমে সমন্বিতভাবে মেইল ব্যবস্থাপনা পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।</p><p>উল্লেখ্য, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্পিড পোস্ট সেবা চালু হয়। শুরুতে মৌসুমি ফল পরিবহনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে নিত্যব্যবহার্য ও বড় আকারের বিভিন্ন পণ্য পরিবহনেও এ সেবা সম্প্রসারিত হয়েছে।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a5e9-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 12:24:41 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশের স্বাস্থ্য খাতে ৭৩ হাজারের বেশি পদ শূন্য]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/health/70470/e03a-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: দেশের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম পরিচালনাকারী তিনটি প্রধান সংস্থায় জনবল সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এবং নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মোট ২ লাখ ৩৪ হাজার ২৪টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ৭৩ হাজার ৪৫টি পদ শূন্য। অর্থাৎ মোট পদের ৩১ দশমিক ২১ শতাংশই খালি।</p><p>স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন এই তিন সংস্থা সরকারি হাসপাতাল পরিচালনা, টিকাদান, জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিতরণ এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জনবল সংকটে বিশেষ করে গ্রামীণ সরকারি হাসপাতাল ও মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। এতে কম আয়ের অনেক মানুষকে বেশি খরচে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট পর্যন্ত সংস্থাটির ১ লাখ ২৭ হাজার ১০১টি অনুমোদিত পদের ৩৬ শতাংশ শূন্য ছিল। প্রথম থেকে নবম গ্রেডের চিকিৎসক ও দন্ত চিকিৎসকদের প্রায় ২৪ শতাংশ পদ খালি। চলতি বছরের শুরুতে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার ২০০ চিকিৎসক ও দন্ত চিকিৎসক নিয়োগের পরও ঘাটতি রয়ে গেছে।</p><p>১১ থেকে ১৬তম গ্রেডে জনবল সংকট আরও বেশি। এ পর্যায়ে থাকা স্বাস্থ্য সহকারী, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের এক-তৃতীয়াংশের বেশি পদ শূন্য। ফলে টিকাদান, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও রোগ নির্ণয়ের মতো মাঠপর্যায়ের সেবায় চাপ বাড়ছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য সহকারী আখিল উদ্দিন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী একজন স্বাস্থ্য সহকারীর একটি ওয়ার্ডে কাজ করার কথা থাকলেও জনবল সংকটে অনেককে একাধিক ওয়ার্ডের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এতে স্বাস্থ্যশিক্ষাসহ কিছু সেবা যথাযথভাবে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।</p><p>পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ৩৭ শতাংশ পদও শূন্য। এতে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিতরণ, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, পরামর্শ এবং কমিউনিটিভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংস্থাটির প্রথম থেকে নবম গ্রেডের মা ও শিশু কল্যাণকেন্দ্রের চিকিৎসকদের অর্ধেকের বেশি পদ খালি। ১১ থেকে ১৬তম গ্রেডেও ৩৭ শতাংশ পদ শূন্য।</p><p>বাংলাদেশ পরিবার কল্যাণ সহকারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার বলেন, পরিবার কল্যাণ সহকারীর ২৩ হাজার ৫০০ পদের মধ্যে প্রায় ৮ হাজার ৫০০টি শূন্য। ফলে কর্মরতদের ওপর বাড়তি দায়িত্ব পড়ছে এবং নিয়মিত কাজ ব্যাহত হচ্ছে।</p><p>অন্যদিকে, তিন সংস্থার মধ্যে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরে শূন্য পদের হার সবচেয়ে কম—১৩ শতাংশ। তবে প্রয়োজনের তুলনায় দেশে নার্সের সংখ্যাও কম। সরকারি তথ্যে, সরাসরি স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া নার্সদের ৪৭ হাজার ৫৭৮টি পদের ১০ শতাংশ শূন্য। আর ৩ হাজার ৫১৪টি মিডওয়াইফ পদের ২৮ শতাংশ খালি।</p><p>দেশে চিকিৎসক ও নার্সের অনুপাত প্রায় ১:১ হলেও আন্তর্জাতিকভাবে একজন চিকিৎসকের বিপরীতে তিনজন নার্সের মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়। ফলে কর্মরত নার্সদের ওপর কাজের চাপ বেশি।</p><p><strong>শূন্য পদ পূরণে উদ্যোগ</strong></p><p>শূন্য পদ দ্রুত পূরণের নির্দেশনার পর গত ২০ আগস্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের সব সিভিল সার্জন এবং সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়কদের জরুরি পদক্ষেপ নিতে বলেছে। বিশেষ করে ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডের শূন্য পদ পূরণে উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানান, শূন্য পদ দ্রুত পূরণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><p>নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দিল আফরোজা জানান, সরকারি হাসপাতালে ১৫ হাজার নতুন নার্সিং পদ সৃষ্টির জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এছাড়া মিডওয়াইফদের জন্য ৯৭৪টি পদ সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে ৫৯৮ জন নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে এবং আরও ৩৪২টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।</p><p>পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহফুজা খানম জানান, ১ হাজার ২৮ জন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নিয়োগের প্রক্রিয়া আইনি জটিলতায় তিন বছরের বেশি সময় আটকে ছিল। সম্প্রতি মামলা নিষ্পত্তি হওয়ায় শিগগিরই মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে।</p><p>এছাড়া ৭ হাজার জনবল নিয়োগের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর। এর মধ্যে ৬ হাজার ২২৩টি পদ পরিবার কল্যাণ সহকারীর।</p><p>সূত্র: ডেইলি স্টার</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e03a-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 12:10:11 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি নিয়ে নির্দেশনা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70469/3bcf-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠ পর্যায়ে একই কর্মস্থলে ৩ বছর বা তার বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পর্যায়ক্রমে বদলি বা কর্মস্থল পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হালনাগাদ তালিকা প্রস্তুত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।</p><p>গত ১ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।</p><p>এতে বলা হয়েছে, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ভূমিসেবা মানুষের জীবন, জীবিকা ও সম্পদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রম। এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, জবাবদিহি ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুষ্ঠু ও সময়োপযোগী পদায়ন গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>মন্ত্রণালয় বলছে, একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে অতিরিক্ত ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও স্বার্থসংশ্লিষ্টতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনের নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ব্যাহত হতে পারে। বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনার মতো সংবেদনশীল ও জনগুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে নিয়মিত পদায়ন বা বদলির মাধ্যমে এ ধরনের ঝুঁকি কমানো প্রয়োজন।</p><p>পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, সরকারের বিদ্যমান নীতি ও নির্দেশনার আলোকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এ কারণে একই কর্মস্থলে ৩ বছর বা তার বেশি সময় ধরে কর্মরতদের পর্যায়ক্রমে অন্যত্র বদলি বা কর্মস্থল পরিবর্তনের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।</p><p>এ লক্ষ্যে প্রত্যেক বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম, পদবি, বর্তমান কর্মস্থল, সেখানে যোগদানের তারিখ ও কর্মকাল উল্লেখ করে হালনাগাদ তালিকা প্রস্তুত করবেন।</p><p>পরে ওই তালিকা পর্যালোচনা করে একই কর্মস্থলে ৩ বছর বা তার বেশি সময় ধরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পর্যায়ক্রমে বদলি বা কর্মস্থল পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।</p><p>তবে ৩ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেও প্রশাসনিক প্রয়োজন, জনস্বার্থ, শৃঙ্খলা, অভিযোগ, কর্মদক্ষতা বা অন্য কোনো সুনির্দিষ্ট ও যৌক্তিক কারণে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলি বা কর্মস্থল পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে প্রচলিত বিধি-বিধান অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।</p><p>পরিপত্রে বিষয়টিকে নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠ পর্যায়ে একই কর্মস্থলে ৩ বছর বা তার বেশি সময় ধরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পর্যায়ক্রমে বদলি বা কর্মস্থল পরিবর্তনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><p>সূত্র: যুগান্তর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3bcf-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 12:09:40 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আগুনে দুই গোডাউন ও বসতবাড়ি পুড়ে ছাই]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/accident/70468/daed-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মধ্যরাতে আগুন লেগে দুইটি ভাঙারি গোডাউন ও একটি বসতবাড়ির ৫টি কক্ষ পুড়ে গেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী।</p><p>তিনি জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নের মুরাদপুর গ্রামে একটি ভাঙারির গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে পাশের একটি গোডাউন ও বসতবাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে রাত ৩টা ২০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়।</p><p>ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী আরও জানান, আগুনে মালামাল পুড়ে ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোনো হতাহত হয়নি। বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি জানান।</p><p>সূত্র: ঢাকা পোস্ট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">daed-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 11:56:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কেনিয়াতে ভারতীয় শিল্পগোষ্ঠী আদানির পর টাটার ব্যবসায়ও বন্ধ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70467/2c2f-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> কেনিয়ায় ভারতীয় শিল্পগোষ্ঠী টাটার ব্যবসা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো টাটা কেমিক্যালসকে লেক মাগাদি এলাকায় তাদের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, প্রায় এক শতাব্দী ধরে সেখানে কার্যক্রম চালালেও প্রতিষ্ঠানটি কেনিয়ার স্থানীয় অর্থনীতি ও শিল্পায়নে প্রত্যাশিত অবদান রাখেনি।</p><p>রুটো জানিয়েছেন, টাটা কেমিক্যালসের জায়গায় দুটি নতুন প্রতিষ্ঠানকে আনা হবে। তারা কাঁচামাল শুধু উত্তোলন না করে কেনিয়াতেই কাচ ও রাসায়নিক পণ্য তৈরির কারখানা স্থাপন করবে। এর মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও শিল্প উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।</p><p>টাটা কেমিক্যালসের বিরুদ্ধে কেনিয়ার এই অবস্থান এমন সময়ে এলো, যখন দেশটিতে ভারতীয় আদানি গোষ্ঠীর ব্যবসা নিয়েও বড় ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। ফলে পরপর দুটি ঘটনায় কেনিয়ায় ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।</p><p>তবে কেনিয়ার কর্তৃপক্ষের অভিমত, বিষয়টিকে সরাসরি ভারতবিরোধী অবস্থান হিসেবে দেখার সুযোগ কম। কেনিয়ায় এখনো ভারতীয় বিনিয়োগ রয়েছে এবং দেশটি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণেও আগ্রহী। বরং টাটা ইস্যুটি কেনিয়ার প্রাকৃতিক সম্পদের স্থানীয় ব্যবহার, স্থানীয় শিল্পায়ন এবং দেশটির অর্থনীতিতে বিদেশি কোম্পানির অবদানের বিষয়টিকে সামনে এনেছে।</p><p>টাটা কেমিক্যালস জানিয়েছে, তারা কেনিয়ার আইন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা মেনে চলবে এবং কর্মী ও মাগাদি এলাকার মানুষের স্বার্থ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p><p>সূত্র: &nbsp;রয়টার্স, দ্য ইকোনমিক টাইমস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2c2f-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 11:42:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[অ্যাম্বুলেন্সেই পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন নারী হাজতি, মিষ্টি বিতরণ কারা কর্তৃপক্ষের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70466/23e8-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের এক নারী হাজতি অ্যাম্বুলেন্সেই পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে যশোরের চুরামনকাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ রয়েছেন।</p><p>কারা সূত্রে জানা গেছে, মহিলা হাজতি নম্বর ৩৮০/২৬ বৃষ্টি খাতুনকে (১৯) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। পথে রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটে চুরামনকাটি এলাকায় পৌঁছালে তার প্রসববেদনা তীব্র হয়। পরে অ্যাম্বুলেন্সেই তিনি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।</p><p>নবজাতকের জন্মের খবর পেয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ দ্রুত মা ও শিশুর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তার ব্যবস্থা করে। নবজাতকের জন্য জামাকাপড়, মশারি, বিছানাপত্র, তোয়ালে, ন্যাপকিন, ডায়পার ও অলিভ অয়েলসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়া হয়। পরে মা ও নবজাতককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং মিষ্টি বিতরণ করা হয়।</p><p>যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ বলেন, কারা মহাপরিদর্শকের নির্দেশনা অনুযায়ী মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মা ও নবজাতকের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে তারা দুজনই সুস্থ রয়েছেন।</p><p>কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নবজাতকের সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।</p><p>সূত্র: কাল বেলা</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">23e8-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 11:26:22 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ১ হাজার ৩৬৫]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70465/1164-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ দুর্যোগে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৬৫ জনে। এরমধ্যে নেপালেই নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৩৪৪ জন।</p><p>শনিবার নেপালের পুলিশ বিভাগ জানায়, এ ঘটনায় এখনও নিখোঁজ আছেন চার হাজার সাড়ে আটশো'র বেশি মানুষ। দুর্যোগের দশম দিনেও ৯ শতাধিক জলবিদ্যুৎ কর্মীর সন্ধান অব্যাহত আছে। শুক্রবার ভূগর্ভস্থ টানেল থেকে দু'জনকে জীবিত উদ্ধারের পাশাপাশি একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।</p><p>একটি টানেল থেকে এখনও অন্তত ৪৬ জনকে জীবিত উদ্ধারের আশা করছেন উদ্ধারকর্মীরা। এ ঘটনায় মাঠে কাজ করছেন নেপালের সেনা ও পুলিশের ২১ হাজারের বেশি সদস্য। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন চীন-ভারতসহ বিভিন্ন দেশের উদ্ধারকর্মীরা।</p><p>এদিকে, তিব্বতে ২১ প্রাণহানির পাশাপাশি নিখোঁজ রয়েছেন সাড়ে পাঁচশ'র বেশি মানুষ।</p><p>সূত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1164-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 11:24:44 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেন স্বর্ণ সরিয়ে নিচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো?]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70464/1743-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক উত্তর আমেরিকায় সংরক্ষিত নিজেদের কয়েক টন স্বর্ণ সরিয়ে লন্ডনে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ব্যাংকটির ভাষ্য, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এই পদক্ষেপ তাদের ‘গুরুতর সংকটের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত’ থাকতে সহায়তা করবে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় সংরক্ষিত প্রায় ৩১৩ টন স্বর্ণের মধ্যে ৮৬ টন লন্ডনে স্থানান্তর করা হয়েছে। ব্যাংকটি জানিয়েছে, এতে সংকটের সময় স্বর্ণ দ্রুত ব্যবহারের জন্য সহজলভ্য থাকবে।</p><p>তবে এর অর্থ এই নয় যে নেদারল্যান্ডস সামনে বড় কোনো অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে। বরং বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো নিজেদের রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা নতুন করে ভাবছে।</p><p>চলতি বছরের শুরুতে ফ্রান্সও যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিজেদের স্বর্ণের কিছু অংশ দেশে ফিরিয়ে আনার কথা জানিয়েছে। এর আগে জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০১৬ সালের মধ্যে বিদেশি সংরক্ষণাগার থেকে ২১৬ টনের বেশি স্বর্ণ সরিয়ে নেয়। এর মধ্যে নিউইয়র্ক থেকে ১১১ টন এবং প্যারিস থেকে ১০৫ টন স্বর্ণ আনা হয়।</p><p>গোল্ডম্যান স্যাকসের গবেষণা বিশ্লেষক লিনা থমাস ও ডান স্ট্রুইভেন জানান, শীতল যুদ্ধের সময়ও কয়েকটি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের স্বর্ণের একটি অংশ নিউইয়র্কে সরিয়ে নিয়েছিল।</p><p>বিশ্ব গোল্ড কাউন্সিলের জ্যেষ্ঠ বাজার কৌশলবিদ জোসেফ কাভাতোনি বলেন, যুদ্ধ ও বাণিজ্যিক উত্তেজনা স্বর্ণ সংরক্ষণের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেললেও এগুলো একমাত্র বা প্রধান কারণ নয়। মুদ্রাস্ফীতি, সুদের হার এবং দ্রুত লেনদেন করা যায়—এমন স্থানে স্বর্ণ রাখার প্রয়োজনীয়তাও গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, মার্চ থেকে আগস্টের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে সরিয়ে আনা স্বর্ণ এখন ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ভল্টে রাখা হয়েছে। ব্যাংকটির গভর্নর ওলাফ স্লেইপেন বলেন, স্বর্ণ ব্যবহারের প্রয়োজন না হলেও দেশের স্থিতিস্থাপকতা ও প্রস্তুতি বাড়াতে হবে।</p><p>বিশ্বের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র হওয়ায় লন্ডনকে স্বর্ণ সংরক্ষণের জন্য সুবিধাজনক স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সংকটের সময় দ্রুত স্বর্ণ কেনাবেচার সুযোগ থাকায় ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ভল্ট কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে জনপ্রিয়।</p><p>ডাচ কেন্দ্রীয় ব্যাংক অবশ্য সব স্বর্ণ শারীরিকভাবে পরিবহন করেনি। নিউইয়র্কে প্রায় ৫৯ টন স্বর্ণ বিক্রি করে লন্ডনে সমপরিমাণ স্বর্ণ কেনা হয়েছে। ফলে ওই স্বর্ণ আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে পরিবহনের প্রয়োজন হয়নি। অন্যদিকে ২৭ টনের বেশি স্বর্ণ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে নেদারল্যান্ডসের জাইস্ট শহরে এবং সেখান থেকে লন্ডনে পাঠানো হয়েছে।</p><p>স্বর্ণ স্থানান্তরে নিরাপত্তা ও পরিকল্পনার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত পেরিয়ে স্বর্ণ পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান ব্রিংকস গ্লোবাল সার্ভিসেস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে এ ধরনের সেবার চাহিদা বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী নাদের আন্তারের মতে, ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং কৌশলগত রিজার্ভ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের গুরুত্ব বৃদ্ধিই এর অন্যতম কারণ।</p><p>কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার প্রবণতাও বেড়েছে। বিশ্ব গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, গত চার বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বছরে গড়ে প্রায় ১ হাজার টন স্বর্ণ কিনেছে। আগের দশকে এই গড় ছিল প্রায় ৫০০ টন।</p><p>বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর থেকে স্বর্ণের প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর আগ্রহ বাড়তে থাকে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভূরাজনৈতিক ও আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণে চাহিদা আরও বেড়েছে। স্বর্ণকে সংকটের সময়ে তুলনামূলক নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।</p><p>মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হারও স্বর্ণের দামে প্রভাব ফেলে। সীমিত সরবরাহ এবং দীর্ঘদিনের মূল্য ধরে রাখার ক্ষমতার কারণে বিনিয়োগকারীদের কাছেও স্বর্ণ আকর্ষণীয়।</p><p>গোল্ডম্যান স্যাকসের গবেষকদের পূর্বাভাস, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্রতি ট্রয় আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৯০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। তাদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর বাড়তি স্বর্ণ কেনা দামের ঊর্ধ্বগতির অন্যতম প্রধান কারণ।</p><p>সূত্র: বিবিসি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1743-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 11:12:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পেঁয়াজ সংরক্ষণের নতুন পদ্ধতি, ক্ষতি কমবে ১৫-১৬ শতাংশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Agriculture/70463/b52a-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ক্যাম্পাস ডেস্ক</strong>: দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন চাহিদার তুলনায় বেশি হলেও পর্যাপ্ত সংরক্ষণব্যবস্থার অভাবে প্রতিবছরই আমদানির প্রয়োজন হচ্ছে। সংরক্ষণকালে পচন, ওজন কমে যাওয়া, অঙ্কুরোদগম ও গুণগত মানের অবনতিতে উৎপাদিত পেঁয়াজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নষ্ট হয়। এ পরিস্থিতি বদলাতে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য আইওটি (ইন্টারনেট অব থিংস) প্রযুক্তিনির্ভর একটি আধুনিক ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা করছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষকরা। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে প্রযুক্তিটি ব্যবহারে পেঁয়াজের সংরক্ষণকালীন ক্ষতি প্রায় ১৫-১৬ শতাংশ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গেছে।</p><p>গবেষণাটির নেতৃত্বে রয়েছেন বাকৃবির আইসিটি সেলের পরিচালক এবং কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী। তাঁর সঙ্গে গবেষক দলে রয়েছেন সহকারী গবেষক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী নাফিস সাদিক সায়েম এবং স্নাতক শিক্ষার্থী রাহাত মিয়া। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অর্থায়নে ২০২৫ সালের মার্চে শুরু হওয়া গবেষণাটি বর্তমানে পরীক্ষামূলক ও ফলাফল বিশ্লেষণ পর্যায়ে রয়েছে।</p><p>গবেষণার মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে অধ্যাপক ড. রোস্তম আলী বলেন, তুলনামূলকভাবে কম খরচে এমন একটি আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য, যেখানে পেঁয়াজ সংরক্ষণের পরিবেশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী তা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। দীর্ঘসময় পেঁয়াজ ভালো রাখতে তাপমাত্রা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা গুরুত্বপূর্ণ। এসব পরিবেশগত পরিবর্তন দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে পচন, ওজন হ্রাসসহ অন্যান্য সংরক্ষণকালীন ক্ষতি কমানোই এ প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য।</p><p>তিনি বলেন, এ জন্য গবেষণায় সংরক্ষিত পেঁয়াজের ভেতরে সেন্সর ব্যবহার করা হচ্ছে। সেন্সরের মাধ্যমে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার তথ্য সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষণ করা হবে। সংরক্ষিত পেঁয়াজের ভিতরের পরিবেশে প্রয়োজনের তুলনায় পরিবর্তন দেখা দিলে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। প্রযুক্তিটির নকশায় এয়ারফ্লো ব্যবস্থাপনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্যানের কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য উপযোগী পরিবেশ রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।</p><p>গবেষণায় পেঁয়াজ কতদিন সংরক্ষণ করা যাচ্ছে, তার পাশাপাশি সংরক্ষণকালীন ওজন হ্রাস, পচন ও গুণগত মানের পরিবর্তনও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। বিভিন্ন সংরক্ষণ পরিস্থিতিতে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ ও তুলনা করে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা যাচাই করছেন গবেষকরা। এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলকে আশাব্যঞ্জক বলছেন তারা। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আইওটি-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারে পেঁয়াজের সংরক্ষণকালীন ক্ষতি প্রায় ১৫-১৬ শতাংশ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গেছে।</p><p>কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ২৫ এপ্রিল ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ৪২ দশমিক ৬৪ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৩৫-৩৬ লাখ টন। এরপরও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ৮৬ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। উৎপাদন চাহিদার চেয়ে বেশি হওয়ার পরও সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে বছরের বিভিন্ন সময়ে বাজারে ঘাটতি তৈরি হওয়াকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।</p><p>ড. রোস্তম আলী বলেন, সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে কৃষককে অনেক সময় ফসল তোলার পরপরই পেঁয়াজ বিক্রি করতে হয়। এতে মৌসুমে বাজারে সরবরাহ বেড়ে গেলে কম দামে বিক্রির ঝুঁকি তৈরি হয়। উন্নত সংরক্ষণব্যবস্থা চালু করা গেলে কৃষক পেঁয়াজ কিছুদিন ধরে রেখে বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী বিক্রির সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং বছরজুড়ে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। এ উদ্যোগের লক্ষ্য ফলন বাড়ানো নয়, বরং উৎপাদনের পরবর্তী অপচয় কমিয়ে কৃষকের আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা।</p><p>বৃহত্তর পরিসরের পরীক্ষায় প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা নিশ্চিত হলে কম খরচে কার্যকর পেঁয়াজ সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে উঠবে। এতে সংরক্ষণকালীন ক্ষতি কমার পাশাপাশি কৃষক উপযুক্ত সময়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবেন। দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা ও আমদানি নির্ভরতা কমাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান গবেষকরা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b52a-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 10:51:48 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পেঁয়াজ সংরক্ষণের নতুন পদ্ধতি, ক্ষতি কমবে ১৫-১৬ শতাংশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/campus/70463/b52a-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ক্যাম্পাস ডেস্ক</strong>: দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন চাহিদার তুলনায় বেশি হলেও পর্যাপ্ত সংরক্ষণব্যবস্থার অভাবে প্রতিবছরই আমদানির প্রয়োজন হচ্ছে। সংরক্ষণকালে পচন, ওজন কমে যাওয়া, অঙ্কুরোদগম ও গুণগত মানের অবনতিতে উৎপাদিত পেঁয়াজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নষ্ট হয়। এ পরিস্থিতি বদলাতে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য আইওটি (ইন্টারনেট অব থিংস) প্রযুক্তিনির্ভর একটি আধুনিক ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা করছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষকরা। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে প্রযুক্তিটি ব্যবহারে পেঁয়াজের সংরক্ষণকালীন ক্ষতি প্রায় ১৫-১৬ শতাংশ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গেছে।</p><p>গবেষণাটির নেতৃত্বে রয়েছেন বাকৃবির আইসিটি সেলের পরিচালক এবং কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী। তাঁর সঙ্গে গবেষক দলে রয়েছেন সহকারী গবেষক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী নাফিস সাদিক সায়েম এবং স্নাতক শিক্ষার্থী রাহাত মিয়া। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অর্থায়নে ২০২৫ সালের মার্চে শুরু হওয়া গবেষণাটি বর্তমানে পরীক্ষামূলক ও ফলাফল বিশ্লেষণ পর্যায়ে রয়েছে।</p><p>গবেষণার মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে অধ্যাপক ড. রোস্তম আলী বলেন, তুলনামূলকভাবে কম খরচে এমন একটি আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য, যেখানে পেঁয়াজ সংরক্ষণের পরিবেশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী তা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। দীর্ঘসময় পেঁয়াজ ভালো রাখতে তাপমাত্রা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা গুরুত্বপূর্ণ। এসব পরিবেশগত পরিবর্তন দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে পচন, ওজন হ্রাসসহ অন্যান্য সংরক্ষণকালীন ক্ষতি কমানোই এ প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য।</p><p>তিনি বলেন, এ জন্য গবেষণায় সংরক্ষিত পেঁয়াজের ভেতরে সেন্সর ব্যবহার করা হচ্ছে। সেন্সরের মাধ্যমে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার তথ্য সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষণ করা হবে। সংরক্ষিত পেঁয়াজের ভিতরের পরিবেশে প্রয়োজনের তুলনায় পরিবর্তন দেখা দিলে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। প্রযুক্তিটির নকশায় এয়ারফ্লো ব্যবস্থাপনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্যানের কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য উপযোগী পরিবেশ রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।</p><p>গবেষণায় পেঁয়াজ কতদিন সংরক্ষণ করা যাচ্ছে, তার পাশাপাশি সংরক্ষণকালীন ওজন হ্রাস, পচন ও গুণগত মানের পরিবর্তনও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। বিভিন্ন সংরক্ষণ পরিস্থিতিতে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ ও তুলনা করে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা যাচাই করছেন গবেষকরা। এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলকে আশাব্যঞ্জক বলছেন তারা। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আইওটি-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারে পেঁয়াজের সংরক্ষণকালীন ক্ষতি প্রায় ১৫-১৬ শতাংশ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গেছে।</p><p>কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ২৫ এপ্রিল ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ৪২ দশমিক ৬৪ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৩৫-৩৬ লাখ টন। এরপরও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ৮৬ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। উৎপাদন চাহিদার চেয়ে বেশি হওয়ার পরও সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে বছরের বিভিন্ন সময়ে বাজারে ঘাটতি তৈরি হওয়াকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।</p><p>ড. রোস্তম আলী বলেন, সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে কৃষককে অনেক সময় ফসল তোলার পরপরই পেঁয়াজ বিক্রি করতে হয়। এতে মৌসুমে বাজারে সরবরাহ বেড়ে গেলে কম দামে বিক্রির ঝুঁকি তৈরি হয়। উন্নত সংরক্ষণব্যবস্থা চালু করা গেলে কৃষক পেঁয়াজ কিছুদিন ধরে রেখে বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী বিক্রির সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং বছরজুড়ে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। এ উদ্যোগের লক্ষ্য ফলন বাড়ানো নয়, বরং উৎপাদনের পরবর্তী অপচয় কমিয়ে কৃষকের আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা।</p><p>বৃহত্তর পরিসরের পরীক্ষায় প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা নিশ্চিত হলে কম খরচে কার্যকর পেঁয়াজ সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে উঠবে। এতে সংরক্ষণকালীন ক্ষতি কমার পাশাপাশি কৃষক উপযুক্ত সময়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবেন। দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা ও আমদানি নির্ভরতা কমাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান গবেষকরা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b52a-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 10:51:48 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আশুলিয়ায় বন্ধ ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70462/329e-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>সাভারের আশুলিয়ায় একটি বন্ধ ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ একই পরিবারের তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার রাতে আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকার হযরত আলীর মালিকানাধীন একটি বাসা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।</p><p>প্রাথমিকভাবে জানা যায়, স্বামী, স্ত্রী ও তাদের এক নবজাতক সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মধ্যে স্বামীর গলায় গামছা পেঁচানো ছিল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।</p><p>আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p><p>তিনি জানান, ওই কক্ষ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ঘরের দরজা খুলে তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।</p><p>প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। নির্মম এই ঘটনার নেপথ্যে হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।</p><p>সূত্র: কালের কণ্ঠ</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">329e-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 10:48:06 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের ভুল নীতিতে পতনের পথে মার্কিন সাম্রাজ্য: স্টিগলিটজ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70461/7a09-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া একের পর এক পদক্ষেপ বিশ্বকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব থেকে দূরে সরে যাওয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ জোসেফ ই. স্টিগলিটজ।</p><p>প্রজেক্ট সিন্ডিকেটে প্রকাশিত এক মতামতধর্মী নিবন্ধে তিনি বলেন, মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট যাকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, তার মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপরও নিষেধাজ্ঞার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তবে এতে অন্য দেশগুলোকে ইরানবিরোধী অবস্থানে আনার বদলে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রভাব আরও দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।</p><p>স্টিগলিটজের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা ট্রাম্পের ইরানবিরোধী যুদ্ধে যুক্ত হতে অনাগ্রহী হওয়ার কারণ স্পষ্ট। যুদ্ধ শুরুর আগে তাদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়নি। এর ওপর ইরানের সরকারকে উৎখাতের প্রচেষ্টা সফল না হওয়ায় এখন কোনো বিকল্প পরিকল্পনাও নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p><p>তিনি বলেন, যে প্রশাসন নিয়মিত মিত্র ও অংশীদারদের সমালোচনা করে, গ্রিনল্যান্ড ও কানাডার মতো ভূখণ্ড নিয়ে হুমকি দেয় এবং মিত্রদের ওপরও শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করে, তাদের পাশে দাঁড়াতে অন্য দেশগুলো কেন আগ্রহী হবে—এ প্রশ্নই সামনে আসছে।</p><p><strong>ট্রাম্পের ওপর আস্থা কমছে</strong></p><p>স্টিগলিটজের মতে, অন্য দেশগুলোকে সঙ্গে নিতে হলে হয় তাদের বোঝাতে হবে, নয়তো ভয় দেখাতে হবে। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষেত্রে কোনো পথই কার্যকর হচ্ছে না। এর অন্যতম কারণ হিসেবে তিনি ট্রাম্পের বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা কমে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন।</p><p>তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের জুনে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে। পরে মার্চে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংসের দাবিও করেন তিনি। অথচ যে যুদ্ধ চার সপ্তাহ বা তার কিছু বেশি সময় চলার কথা বলা হয়েছিল, তা সপ্তম মাসে গড়িয়েছে বলে স্টিগলিটজ লিখেছেন।</p><p>তার ভাষায়, ইরান থেকে কানাডা—অনেক দেশই বুঝতে পারছে, ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো চুক্তি হলেও সেটির স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে।</p><p><strong>বদলে যাচ্ছে বৈশ্বিক অর্থনীতির ভারসাম্য</strong></p><p>স্টিগলিটজ মনে করেন, ট্রাম্প প্রশাসন এখনো অতীতের মতো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামরিক প্রভাবকে শক্তিশালী মনে করছে। কিন্তু বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বদলে গেছে।</p><p>তার হিসাব অনুযায়ী, ক্রয়ক্ষমতার সমতা অনুযায়ী বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের প্রায় ৩০ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে ১৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।</p><p>একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের একক প্রভাবও কমেছে। উন্নত প্রযুক্তির চিপ উৎপাদনে তাইওয়ানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার পাশাপাশি চীন বিরল খনিজ ও চুম্বক উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।</p><p>ইরানের তেল রপ্তানির ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রয়োগের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেছেন স্টিগলিটজ। তার মতে, ইরানের তেলের বড় অংশের ক্রেতা চীন হওয়ায় ওয়াশিংটনের চাপ সহজে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও দিতে পারে।</p><p><strong>‘পোস্ট-আমেরিকান’ বিশ্বব্যবস্থার আশঙ্কা</strong></p><p>স্টিগলিটজের মতে, ট্রাম্পের আগ্রাসী নীতির কারণে বিভিন্ন দেশ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বহুমুখী করার দিকে এগোচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।</p><p>তিনি বলেন, চীনসহ অন্যান্য দেশ যদি ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বশেষ দাবির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তাহলে তারা সহজে ভেঙে পড়বে না। বরং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক চাপের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হতে পারে।</p><p>তার আশঙ্কা, বেসেন্টের ঘোষিত ‘অর্থনৈতিক বিশ্বযুদ্ধ’ শেষ পর্যন্ত অচলাবস্থায় পৌঁছাতে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হতে পারে এবং অন্য দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগের ফলে ওয়াশিংটনের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ও ‘সফট পাওয়ার’ আরও দুর্বল হতে পারে।</p><p>স্টিগলিটজের মতে, একসময় যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক সুযোগ ও বিভিন্ন মূল্যবোধের কারণে বিশ্বের কাছে আদর্শ হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু বর্তমানে দেশটির চরম বৈষম্য, গণতান্ত্রিক অবক্ষয়, দুর্নীতি ও সামাজিক বিভাজন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে।</p><p>তিনি মনে করেন, সহযোগিতা ও আইনের শাসনের গুরুত্বকে নতুন করে গুরুত্ব দিয়ে বিশ্বকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বের ওপর নির্ভরতা কমানোর বিষয়টি ভাবতে হবে। তার দৃষ্টিতে, অন্তত আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব থেকে কিছুটা দূরে সরে যাওয়া একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা আরও স্থিতিশীল, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ হতে পারে।</p><p>সূত্র : প্রজেক্ট সিন্ডিকেট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7a09-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 10:44:58 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জনগণের অধিকার আদায়ে পথে নেমেছি, আদায় করেই ফিরবো: জামায়াত আমির]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70460/4fe6-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>জনগণের অধিকার আদায়ে পথে নেমেছেন, আদায় করেই ঘরে ফিরবেন বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৭টায় শাপলা চত্বরে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।</p><p>ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে কোন চাঁদাবাজকে মানুষ বরদাস্ত করবে না। চাঁদাবাজদের কারণে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ। সাম্প্রতিক গ্রেফতার সিফাতের গালিকে সমর্থন করি না; কিন্তু যেজন্য সে প্রতিবাদ ও গর্জে উঠেছে তার সমাধান করুন। অন্যথায় দেশের ১৮ কোটি মানুষ সিফাত হয়ে উঠবে।</p><p>তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ নিজের অধিকার আদায়ে কোন ছাড় দেবে না। লংমার্চে কোন বাধা আসলে বাধা উপেক্ষা করেই লংমার্চ এগিয়ে যাবে। জনগণের অধিকার আদায়ে আমরা পথে নেমেছি। রাজপথ ও সংসদে সমানভাবে জনগণের অধিকার আদায়ে লড়াই করে যাবো।</p><p>উল্লেখ্য, সমাবেশ শেষে ১১ দলীয় ঐক্যের বহর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে চট্টগ্রামের লালদীঘির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।</p><p>সূত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4fe6-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 10:01:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70459/35f5-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: </strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক স্বামী।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের রসিকনগর-বাবুপুর এলাকায় এই নির্মম ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- একই এলাকার মনোয়ারা বেগম ও তার স্বামী মফিজুল হক।</p><p>পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মনোয়ারা বেগম ও মফিজুল হকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। এরই জের ধরে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে ধারালো হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন স্বামী মফিজুল। পরে তিনি নিজে ঘরের ফ্যানের হুকের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।</p><p>নিহতদের ছেলের বউ শাপলা বেগম নিমন্ত্রণ খেয়ে বাড়ি ফিরে জানালা দিয়ে শাশুড়ির রক্তাক্ত দেহ দেখতে পান। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।</p><p>চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্তি পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ডের পর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতদের লাশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">35f5-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 10:00:53 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[&#039;মুসলিম বলে থানায় নিয়ে মার&#039;- দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দুইজন নারী সাংবাদিকের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70458/c1a4-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: দিল্লির সাকেত থানায় নিয়ে দুই নারী সাংবাদিককে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী দুই সাংবাদিকই মুসলিম। তাদের দাবি, ধর্মীয় পরিচয় জানার পর পুলিশ তাদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।</p><p>অভিযোগকারী সাংবাদিকরা হলেন ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম ‘ফোর পিএম’-এর শাহীন খান ও নাফিসা খান। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাকে প্রশ্ন করায় তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে শাহীন খানের করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ করেন এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখান।</p><p>অভিযোগ অনুযায়ী, দিল্লির সাকেতে একটি হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার উপস্থিতির আগে এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়ে ভিডিও করছিলেন শাহীন ও নাফিসা। এ সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাদের বাধা দেন এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন শাহীন।</p><p>পরে নারী পুলিশ সদস্যদের দিয়ে তাদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে একটি কক্ষে তাদের মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। নাফিসা খানের দাবি, পুলিশ তাদের ধর্মীয় পরিচয় জানতে চায়। তিনি বলেন, মুসলিম পরিচয় জানার পর তাদের ওপর মারধরের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।</p><p>শাহীন আরও অভিযোগ করেন, থানায় চিকিৎসা সহায়তা চেয়েও তা পাননি। পরে জরুরি নম্বরে ফোন করে সহায়তা নেন তিনি। অভিযোগকারীরা স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (এমস) যান এবং আঘাতের বিষয়টি নথিবদ্ধ করতে চিকিৎসা পরীক্ষা করান বলে জানা গেছে।</p><p>ঘটনার বিষয়ে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-09-05a_n17885802806721.jpg"></figure><p><strong>তদন্তের দাবি</strong></p><p>দুই নারী সাংবাদিকের অভিযোগের ঘটনায় প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান উইমেনস প্রেস কোর, দিল্লি ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস, প্রেস অ্যাসোসিয়েশন ও কেরালা ইউনিয়ন অব ওয়ার্কিং জার্নালিস্টস যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।</p><p>তারা দিল্লি পুলিশ কমিশনারের কাছে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়াকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনগুলো।</p><p>এদিকে, অভিযোগকারীদের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে ‘ফোর পিএম নিউজ নেটওয়ার্ক’। বিষয়টি নিয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছেও চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।</p><p>ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজন সাংবাদিক ও ছাত্র সংগঠনের সদস্য সাকেত থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনেও এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আম আদমি পার্টি, কংগ্রেসসহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা ঘটনাটির সমালোচনা করে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।</p><p><strong>রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া</strong></p><p>রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সমালোচনারও জন্ম দিয়েছে এই ঘটনা। আম আদমি পার্টির (আপ) নেতারা সাংবাদিকদের ওপর বলপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়েছেন। নারী সুরক্ষা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।</p><p>আম আদমি পার্টি তাদের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছে, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিজস্ব 'ফোর-ইঞ্জিন সরকার'-এর মুখ্যমন্ত্রী, যিনি নারী ক্ষমতায়নের প্রতি নিজের অঙ্গীকারের কথা জোর গলায় প্রচার করেন, তিনি আসলে কী করছেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অধীনে থাকা পুলিশ এক নারী সাংবাদিককে নির্মমভাবে মারধর করেছে, কারণ তিনি কেবল মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাকে প্রশ্ন করছিলেন। এই পরিস্থিতিতে একটি যৌক্তিক প্রশ্ন উঠে আসে, মোদী সরকারের আমলে কি এভাবেই সবসময় নারীদের কণ্ঠস্বর দাবিয়ে রাখা হবে?"</p><p>সাকেত থানার সামনে গিয়ে ধর্নায় বসে সিপিআই-এমএল-এর ছাত্র সংগঠন আইসা এবং এর সদস্যরা স্লোগান দিয়েছেন।</p><p>আইসা নেত্রী নেহা বোরা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা কি অপরাধ? যে কারণে নাফিসা ও শাহীনকে পুলিশ থানায় নিয়ে এলো, তার থেকেও বড় প্রশ্ন এদের ধর্ম জিজ্ঞাসা করে মারধর করা হলো, সংবিধান কি সেই অধিকার দেয়? সংবিধান সমানাধিকারের কথা বলে। এই ঘটনা আমাদের দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে যেমন প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে তেমনই পুলিশের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। যদি তারা রক্ষক না হয়ে ভক্ষক হয়ে ওঠে তবে তাদের সমাজে কী প্রয়োজন?’</p><p>তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন, ‘সত্য তুলে ধরার কারণে দুই মুসলিম সাংবাদিকের ওপর এটি একটি সাম্প্রদায়িক হামলা ছাড়া আর কিছুই নয়।’</p><p>কংগ্রেস নেতা পবন খেরা এক্স-এ লিখেছেন, ‘দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে প্রশ্ন করায় নারী সাংবাদিকদের মারধর ও আহত করা হচ্ছে। আর পুলিশ যখন জানতে পারে যে ওই সাংবাদিকদের মধ্যে একজন মুসলিম, তখন সেই হামলা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। একে কি গণতন্ত্র বলা যায়—নাকি এটি একটি পুলিশি রাষ্ট্র?’</p><p>সূত্র: বিবিসি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c1a4-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:52:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[&#039;মুসলিম বলে থানায় নিয়ে মার&#039;- দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দুইজন নারী সাংবাদিকের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/mass-media/70458/c1a4-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: দিল্লির সাকেত থানায় নিয়ে দুই নারী সাংবাদিককে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী দুই সাংবাদিকই মুসলিম। তাদের দাবি, ধর্মীয় পরিচয় জানার পর পুলিশ তাদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।</p><p>অভিযোগকারী সাংবাদিকরা হলেন ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম ‘ফোর পিএম’-এর শাহীন খান ও নাফিসা খান। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাকে প্রশ্ন করায় তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।</p><p>৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে শাহীন খানের করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ করেন এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখান।</p><p>অভিযোগ অনুযায়ী, দিল্লির সাকেতে একটি হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার উপস্থিতির আগে এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়ে ভিডিও করছিলেন শাহীন ও নাফিসা। এ সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাদের বাধা দেন এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন শাহীন।</p><p>পরে নারী পুলিশ সদস্যদের দিয়ে তাদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে একটি কক্ষে তাদের মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। নাফিসা খানের দাবি, পুলিশ তাদের ধর্মীয় পরিচয় জানতে চায়। তিনি বলেন, মুসলিম পরিচয় জানার পর তাদের ওপর মারধরের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।</p><p>শাহীন আরও অভিযোগ করেন, থানায় চিকিৎসা সহায়তা চেয়েও তা পাননি। পরে জরুরি নম্বরে ফোন করে সহায়তা নেন তিনি। অভিযোগকারীরা স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (এমস) যান এবং আঘাতের বিষয়টি নথিবদ্ধ করতে চিকিৎসা পরীক্ষা করান বলে জানা গেছে।</p><p>ঘটনার বিষয়ে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-09-05a_n17885802806721.jpg"></figure><p><strong>তদন্তের দাবি</strong></p><p>দুই নারী সাংবাদিকের অভিযোগের ঘটনায় প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান উইমেনস প্রেস কোর, দিল্লি ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস, প্রেস অ্যাসোসিয়েশন ও কেরালা ইউনিয়ন অব ওয়ার্কিং জার্নালিস্টস যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।</p><p>তারা দিল্লি পুলিশ কমিশনারের কাছে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়াকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনগুলো।</p><p>এদিকে, অভিযোগকারীদের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে ‘ফোর পিএম নিউজ নেটওয়ার্ক’। বিষয়টি নিয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছেও চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।</p><p>ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজন সাংবাদিক ও ছাত্র সংগঠনের সদস্য সাকেত থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনেও এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আম আদমি পার্টি, কংগ্রেসসহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা ঘটনাটির সমালোচনা করে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।</p><p><strong>রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া</strong></p><p>রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সমালোচনারও জন্ম দিয়েছে এই ঘটনা। আম আদমি পার্টির (আপ) নেতারা সাংবাদিকদের ওপর বলপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়েছেন। নারী সুরক্ষা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।</p><p>আম আদমি পার্টি তাদের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছে, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিজস্ব 'ফোর-ইঞ্জিন সরকার'-এর মুখ্যমন্ত্রী, যিনি নারী ক্ষমতায়নের প্রতি নিজের অঙ্গীকারের কথা জোর গলায় প্রচার করেন, তিনি আসলে কী করছেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অধীনে থাকা পুলিশ এক নারী সাংবাদিককে নির্মমভাবে মারধর করেছে, কারণ তিনি কেবল মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাকে প্রশ্ন করছিলেন। এই পরিস্থিতিতে একটি যৌক্তিক প্রশ্ন উঠে আসে, মোদী সরকারের আমলে কি এভাবেই সবসময় নারীদের কণ্ঠস্বর দাবিয়ে রাখা হবে?"</p><p>সাকেত থানার সামনে গিয়ে ধর্নায় বসে সিপিআই-এমএল-এর ছাত্র সংগঠন আইসা এবং এর সদস্যরা স্লোগান দিয়েছেন।</p><p>আইসা নেত্রী নেহা বোরা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা কি অপরাধ? যে কারণে নাফিসা ও শাহীনকে পুলিশ থানায় নিয়ে এলো, তার থেকেও বড় প্রশ্ন এদের ধর্ম জিজ্ঞাসা করে মারধর করা হলো, সংবিধান কি সেই অধিকার দেয়? সংবিধান সমানাধিকারের কথা বলে। এই ঘটনা আমাদের দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে যেমন প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে তেমনই পুলিশের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। যদি তারা রক্ষক না হয়ে ভক্ষক হয়ে ওঠে তবে তাদের সমাজে কী প্রয়োজন?’</p><p>তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন, ‘সত্য তুলে ধরার কারণে দুই মুসলিম সাংবাদিকের ওপর এটি একটি সাম্প্রদায়িক হামলা ছাড়া আর কিছুই নয়।’</p><p>কংগ্রেস নেতা পবন খেরা এক্স-এ লিখেছেন, ‘দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে প্রশ্ন করায় নারী সাংবাদিকদের মারধর ও আহত করা হচ্ছে। আর পুলিশ যখন জানতে পারে যে ওই সাংবাদিকদের মধ্যে একজন মুসলিম, তখন সেই হামলা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। একে কি গণতন্ত্র বলা যায়—নাকি এটি একটি পুলিশি রাষ্ট্র?’</p><p>সূত্র: বিবিসি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c1a4-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:52:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[লংমার্চে বাধা দিলে ৬ দফা দাবি ১ দফায় পরিণত হবে: নাহিদ ইসলাম]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70457/cfc6-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে বাধা দিলে লংমার্চের ঘোষিত ৬ দফা দাবি ১ দফায় পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৭টায় শাপলা চত্বরে লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।</p><p>নাহিদ ইসলাম বলেন, যতবাধা বিপত্তি আসুক আমাদের ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। এই লংমার্চ মাদকের বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে এবং গণভোটের গণ রায় উপেক্ষা যারা করেছে তাদের বিরুদ্ধে। এই লংমার্চ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে চলেছে তাদের স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্যও এই লংমার্চ বলে জানান নাহিদ। শাপলা চত্বরে লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে গাড়ি বহর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে চট্টগ্রামের লালদীঘির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।</p><p>সূত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">cfc6-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:47:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এমবাপ্পের পেনাল্টি মিসে রিয়ালকে হারালো বেটিস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/70456/bda9-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদের টানা জয়ের দৌড় থামিয়ে দিয়েছে রিয়াল বেটিস। শেষ মুহুর্তে এমবাপ্পে পেনাল্টি মিস করলে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিক বেটিস।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাতে বেটিসের ঘরের মাঠ এস্তাদিও লা কার্তুজায় মুখোমুখি হয় দুই দল।</p><p>ম্যাচের প্রথমার্ধে আরদা গুলেরের পাস থেকে পাওয়া বল পোস্টে মেরে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এমবাপ্পেকেও দুইবার গোলবঞ্চিত করেন নাথান বার্নার্দো দে সুজা ও মার্ক বার্ত্রার দুর্দান্ত ব্লক।</p><p>দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের জন্য মরিয়া রিয়ালকে চাপে রাখে বেটিস। ম্যাচ শেষ হওয়ার নয় মিনিট আগে থিবো কোর্তোয়ার অসাধারণ সেভে নেলসন ডেওসার হেড ঠেকানো গেলেও ফিরতি বল থেকে গোল করে বেটিসকে এগিয়ে দেন ট্রয় প্যারট। এটি বেটিসের হয়ে তার প্রথম গোল।</p><p>গোল শোধে মরিয়া রিয়ালের হয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ক্রস থেকে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করেছিলেন কার্লোস এসপি। তবে ভিএআরের পরামর্শে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।</p><p>এরপর ভিনিসিয়ুসকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় রিয়াল। কিন্তু যোগ করা সময়ে এমবাপ্পের নেওয়া স্পট-কিক দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন বেটিস গোলরক্ষক আলভারো ভায়েস। ফলে জয় নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের।</p><p>এই হারে রিয়াল মাদ্রিদ কোচ হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে হোসে মরিনহোর টানা তিন জয়ের শুরু থেমে গেল। অন্যদিকে, এই জয়ে চার ম্যাচে নয় পয়েন্ট নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের সমান অবস্থানে উঠে এসেছে বেটিস। আগামী সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের অভিযান শুরু করবে দলটি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">bda9-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:33:42 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ শুরু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70455/50dd-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও দ্রুত জ্বালানি সংকট নিরসনসহ ৬ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছে ১১ দলীয় ঐক্য।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর ‎শনিবার সকাল ৭টায় শাপলা চত্বরে লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে লালদিঘির উদ্দেশ্য যাত্রা করে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীদের বহর।</p><p>এদিকে, লংমার্চ পূর্ব উদ্বোধনী সমাবেশে বক্তারা বলেন, নির্বাচিত সরকার ভোটের আগে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে দেশ ও জনগণের সাথে প্রতারণা করছে। একইসাথে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে নিজেদের ব্যর্থ সরকার হিসেবে প্রমাণ করেছে।</p><p>১১ দলীয় নেতারা বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য ৬ দিন যথেষ্ট। অথচ ৬ মাসেও গণরায় বাস্তবায়ন না করে দেশের জনগণের রায়কে উপেক্ষা করা হয়েছে। সরকারের এই ধৃষ্টতার যথাযথ জবাব দেশের মানুষ সঠিক সময়ে দেবেন। প্রশাসন দলীয়করণ থেকে শুরু করে, মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়ে সর্বত্র ফ্যাসিবাদের মতোই ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে শুরু করেছে সরকার।</p><p>বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি সংকট , সার সংকট ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দেশের মানুষ নাজেহাল হয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।</p><p>সূত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">50dd-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:27:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরানোর আহ্বান প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70454/ec27-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গাজার জনগণকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত, বহিষ্কার বা বাধ্যতামূলকভাবে অন্যত্র স্থানান্তরের কোনো প্রস্তাব ওয়াশিংটন সমর্থন করে না বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার প্রতি ওয়াশিংটনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে এ অবস্থান জানায়।</p><p>ট্রাম্পের পরিকল্পনার ১২ নম্বর দফায় বলা হয়েছে, কাউকে গাজা ছাড়তে বাধ্য করা হবে না। তবে কেউ চাইলে গাজা ছেড়ে যাওয়ার এবং পরবর্তীতে ফিরে আসার স্বাধীনতা ভোগ করবেন।</p><p>এর আগে বুধবার গাজার চলমান সংকটের সমাধান হিসেবে অঞ্চলটি থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তিনি বলেন, সমুদ্রপথ, আকাশপথসহ যেকোনো উপায়ে গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নিতে ইসরায়েল প্রস্তুত।</p><p>এদিকে, ইসরায়েলি কয়েকজন মন্ত্রী সম্প্রতি গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের ‘স্বেচ্ছায় অভিবাসনের’ প্রস্তাব নতুন করে সামনে এনেছেন। তবে এ ধরনের উদ্যোগের বিরোধিতা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় একটি অংশ।</p><p>সূত্র: রয়টার্স</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ec27-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:25:13 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হতে পারে ভারী বর্ষণ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Weather/70453/afa3-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী তিন দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। এ সময়ে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>পূর্বাভাসে বলা হয়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।</p><p>৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও দেশের আট বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।</p><p>আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সঙ্গে মিলিত হতে পারে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।</p><p>এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ১৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারে। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রাজশাহীতে এবং সর্বনিম্ন ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সিলেটে রেকর্ড করা হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">afa3-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:18:35 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিশ্বের মানচিত্র বদলের প্রস্তাব পাস করল জাতিসংঘ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70452/2e69-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রকৃত আয়তন ও পারস্পরিক অনুপাত আরও সঠিকভাবে তুলে ধরতে ‘কারেক্ট দ্য ম্যাপ’ প্রস্তাব গ্রহণ করেছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ। ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয় ১৬৪টি দেশ। ছয়টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকলেও বিপক্ষে ভোট দেয় একমাত্র যুক্তরাষ্ট্র।</p><p>আফ্রিকান দেশগুলোর নেতৃত্বে এবং টোগোর উদ্যোগে উত্থাপিত প্রস্তাবটির লক্ষ্য হলো প্রচলিত বিশ্ব মানচিত্রে থাকা ভৌগোলিক বিকৃতি কমিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আয়তনকে আরও ন্যায্যভাবে তুলে ধরা। বিশেষ করে আফ্রিকার প্রকৃত আয়তনকে যথাযথভাবে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p><p>বর্তমানে বিশ্বের বহুল ব্যবহৃত মানচিত্রগুলোর একটি হলো ‘মার্কেটর প্রজেকশন’, যা ১৫৬৯ সালে ইউরোপীয় মানচিত্রকার জেরার্ডাস মার্কেটর তৈরি করেন। এই পদ্ধতিতে বিষুবরেখা থেকে যত দূরে যাওয়া যায়, মানচিত্রে অঞ্চলগুলোর আয়তন তত বেশি বড় দেখায়। ফলে আফ্রিকা তুলনামূলকভাবে ছোট এবং গ্রিনল্যান্ডের মতো উত্তর মেরুর কাছাকাছি অঞ্চল অস্বাভাবিক বড় দেখায়। বাস্তবে আফ্রিকা গ্রিনল্যান্ডের প্রায় ১৪ গুণ বড়।</p><p>নতুন প্রস্তাবে ‘ইকুয়াল আর্থ’সহ সমতল-আয়তনভিত্তিক মানচিত্র ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ২০১৮ সালে তৈরি ইকুয়াল আর্থ প্রজেকশন বিভিন্ন মহাদেশের প্রকৃত আয়তনের তুলনামূলক চিত্র আরও নির্ভুলভাবে তুলে ধরে। এতে আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা প্রচলিত মার্কেটর মানচিত্রের তুলনায় বড় এবং গ্রিনল্যান্ড তুলনামূলকভাবে ছোট দেখা যায়।</p><p>জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্তের ফলে পুরোনো মানচিত্র অবিলম্বে বাতিল হয়ে যাচ্ছে না। প্রস্তাবটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয় এবং নৌ ও আকাশপথে নেভিগেশনের ক্ষেত্রে মার্কেটর প্রজেকশন ব্যবহারে কোনো নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়নি। বরং শিক্ষা, গণমাধ্যম, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তুলনামূলকভাবে সঠিক মানচিত্র ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।</p><p>এর আগে আফ্রিকান ইউনিয়নও ‘কারেক্ট দ্য ম্যাপ’ উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিল। সংগঠনটি বলেছে, মানচিত্রে আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন যথাযথভাবে তুলে ধরা শুধু কার্টোগ্রাফির বিষয় নয়; এর সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিশ্ব সম্পর্কে মানুষের ধারণার বিষয়টিও জড়িত।</p><p>জাতিসংঘের এই প্রস্তাবের ফলে বিশ্বজুড়ে স্কুল, পাঠ্যবই, সংবাদমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আরও বাস্তবসম্মত মানচিত্র ব্যবহারের উদ্যোগ জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে প্রচলিত মানচিত্র পুরোপুরি বদলাতে আরও সময় লাগবে।</p><p>সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2e69-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 09:08:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কুমিল্লা সার্কিট হাউসে উইপোকা, মধ্যরাতে কক্ষ ছাড়লেন বিরোধীদলীয় উপনেতা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70451/2f67-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: কুমিল্লা সার্কিট হাউসে বরাদ্দকৃত কক্ষে প্রচুর উইপোকার উপদ্রব দেখতে পেয়ে রাত্রিযাপন না করেই চলে গেছেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।</p><p>কক্ষ পরিবর্তনের অনুরোধ জানানো হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক বিকল্প ব্যবস্থা না পাওয়ায় শুক্রবার রাতে তিনি সার্কিট হাউস ত্যাগ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।</p><p>সূত্র জানায়, ১১ দলীয় জোটের দেশব্যাপী লংমার্চ কর্মসূচিতে অংশ নিতে শুক্রবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে পৌঁছান কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।</p><p>রাত্রিযাপনের জন্য তার নামে সার্কিট হাউসের ‘রাধাচূড়া-২০২’ নম্বর কক্ষটি বরাদ্দ ছিল। রাত ১০টার দিকে বিশ্রাম নিতে গিয়ে তিনি কক্ষজুড়ে প্রচুর উইপোকা দেখতে পান।</p><p>এ অবস্থায় তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীকে কক্ষ পরিবর্তনের ব্যবস্থা করতে বলেন এবং একটি কম্বলও চান। তবে কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে কক্ষ পরিবর্তনের ব্যবস্থা করতে পারেননি।</p><p>পরে তার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আরিফুর রহমান বিষয়টি কুমিল্লার নেজারত ডেপুটি কালেক্টরকে (এনডিসি) জানান। এরপরও দ্রুত কোনো বিকল্প কক্ষ বা আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।</p><p>দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও সমাধান না হওয়ায় একপর্যায়ে সার্কিট হাউসে রাত্রিযাপন না করেই সেখান থেকে চলে যান বিরোধীদলীয় উপনেতা।</p><p>ঘটনাটি নিয়ে কুমিল্লা সার্কিট হাউসের রক্ষণাবেক্ষণ ও অতিথি ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গুরুত্বপূর্ণ একজন অতিথির কক্ষে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পরও কেন তাৎক্ষণিক বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়নি, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।</p><p>ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ উল্লেখ করে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা সার্কিট হাউসের মতো জায়গায় এমন চরম অব্যবস্থাপনার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।’</p><p>সূত্র: কাল বেলা</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2f67-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 08:59:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের উদ্বোধন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70450/8d5f-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে শুরু হয়েছে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ। ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৭টায় শুরু হওয়া এ সমাবেশে জোটের বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা অংশ নিয়েছেন।</p><p>সমাবেশে নেতাদের বক্তব্য শেষে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পথে বিভিন্ন স্থানে পথসভা এবং স্থানীয় জনগণের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা ও অভিবাদন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাবেশের মধ্য দিয়ে লংমার্চ শেষ হবে।</p><p>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি সংস্কারের বিষয়ে গণভোটে পাওয়া জনরায় বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় এসে তা বাস্তবায়ন করেনি। বরং সরকার জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং জনদুর্ভোগ ক্রমেই বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। প্রশাসনের দলীয়করণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ব্যবস্থাও দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে দাবি করা হয়।</p><p>জোটের নেতাদের অভিযোগ, সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জনগণের এসব সমস্যা সমাধানের দাবি বারবার জানানো হলেও সরকার তা আমলে নেয়নি। সংসদে সোচ্চার ভূমিকা রেখেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় বিরোধী দল রাজপথে আন্দোলনে যেতে বাধ্য হয়েছে।</p><p>লংমার্চে নেতৃত্ব দেবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির আবু জাফর কাসেমীসহ জোটের শীর্ষ নেতারা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8d5f-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 08:51:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ১০, আহত ৫৮]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70449/439c-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>দক্ষিণ আমেরিকার দেশ বলিভিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৫৮ জন।</p><p>স্থানীয় সময় শুক্রবার দেশটির টেলিভিশন চ্যানেল ‘নোটিসিয়াস বলিভিশন’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হতাহতের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক রিতা নেব্রাস্কা।</p><p>স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরণের পরপরই আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p><p>তবে কী কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে, সে বিষয়ে সামরিক বাহিনী বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।</p><p>সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">439c-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 08:50:31 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ব্রিকসে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন তথ্য নেই: ভারত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70448/9480-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে যাবেন কি না, সে বিষয়ে ভারতের কাছে কোনো নতুন তথ্য নেই। এমনকি তিনি না গেলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অন্য কেউ সম্মেলনে প্রতিনিধিত্ব করবেন কি না, সে বিষয়েও দিল্লির কাছে কোনো তথ্য নেই।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল। ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে নতুন কোনো তথ্য নেই।</p><p>আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমান বিমসটেক চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এখনো তার অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।</p><p>এর আগে গত আগস্টে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছিলেন, ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে সরকার তখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তিনি স্পষ্ট করেন, এ আমন্ত্রণটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে নয়; বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি দেওয়া হয়েছে।</p><p>এদিকে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যাওয়ার জন্যও নয়াদিল্লি থেকে পৃথক আমন্ত্রণ পেয়েছেন তারেক রহমান। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্রিকস সম্মেলনের আমন্ত্রণ এবং দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ দুটি আলাদা।</p><p>অন্যদিকে, ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বিভিন্ন বক্তব্য ও দেশে ফেরার বিষয়ে তার উদ্বেগ আছে কি না—এমন প্রশ্নেও শুক্রবার জয়সোয়াল মন্তব্য করতে রাজি হননি। এর আগে ৫ আগস্ট নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে আগেই জানিয়েছিল দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</p><p>ব্রিকসের সদস্য দেশগুলো হলো—ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9480-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 08:43:19 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[‘জেন জি’র পথ ধরে ভারতে শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ‘জেন আলফা’র উত্থান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70447/d3bb-20260905]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: ক্লাস শুরুর সময় পেরিয়ে গেলেও ভারতের উত্তর প্রদেশের সমুহী ভাতপুরওয়া গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২২ শিক্ষার্থীর কেউই শ্রেণিকক্ষে ঢোকেনি। নতুন ভবন নির্মাণের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত ক্লাসে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। লাল-সাদা চেক ইউনিফর্ম পরা এসব শিক্ষার্থীর অনেকের বয়স মাত্র ছয় বছর। আট বছরের প্রিয়া (ছদ্মনাম)সহ কয়েকজনের হাতে ছিল ভারতের জাতীয় পতাকা।</p><p>স্কুলটির বর্তমান ভবনটি পুরোনো ও জরাজীর্ণ। ২০২৩ সালে দেয়াল ধসে এক ছাত্রী গুরুতর আহত হওয়ার পর ভবনের একটি অংশ এখনো ধ্বংসস্তূপ হয়ে পড়ে আছে। নিরাপত্তার স্বার্থে শিশুরা তখন থেকেই নতুন ভবনের দাবি জানিয়ে আসছিল। কিন্তু গত ২২ আগস্ট তারা প্রতিবাদে নামার পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।</p><p>শিক্ষার্থীদের ধর্মঘটের খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষা বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা স্কুল পরিদর্শনে আসেন। ব্লক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক অবস্তি দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের আশ্বাস দিলে সন্ধ্যার দিকে শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরে যায়।</p><p>প্রিয়া বলে, ‘আমি খুশি। আমরা নতুন একটি ভবন পাব। আমরা আতঙ্কে থাকতাম, যে যেকোনো দিন স্কুলের এই ভবনটি ভেঙে পড়তে পারে। এর অবস্থা খুবই খারাপ। ভয়ের কারণে আমরা পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে পারি না। সেজন্যই আমরা সবাই প্রতিবাদ করেছি।’</p><p>প্রিয়া ও তার বন্ধুরা একা নয়। জুলাইয়ের শেষদিক থেকে মহারাষ্ট্র, বিহার, রাজস্থান, ঝাড়খণ্ড ও মধ্যপ্রদেশসহ ভারতের অন্তত ১০টি রাজ্যের শিক্ষার্থীরা একই ধরনের আন্দোলনে নেমেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় সরকারি স্কুলগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থা, শিক্ষক সংকট ও মৌলিক সুবিধার অভাবের বিরুদ্ধে এসব প্রতিবাদ বেশি দেখা গেছে।</p><p>এই আন্দোলন ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের জন্যও নতুন রাজনৈতিক পরীক্ষা। তরুণদের সমর্থন ধরে রাখতে সরকারকে এমনিতেই নানা চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে।</p><p><strong>জেন জি থেকে জেন আলফা</strong></p><p>জুনের শুরুতে হাজার হাজার ‘জেন জি’ বিক্ষোভকারী ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে জড়ো হন। ধারাবাহিক প্রশ্নপত্র ফাঁস ও এর জেরে তরুণদের মধ্যে তৈরি হওয়া ক্ষোভের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করাই ছিল তাদের অন্যতম প্রধান দাবি।</p><p>বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভ নিরসনের বদলে সরকার তাদের বিদেশি শক্তির অনুগৃহীত চরমপন্থি হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করলে আন্দোলন আরও জোরালো হয়। পরে বেকারত্ব ও শিক্ষা ব্যবস্থার পদ্ধতিগত ত্রুটি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ইস্যু হয়ে ওঠে।</p><p>জুলাইয়ে শিক্ষা ও বেকারত্ব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশে গঠিত ব্যঙ্গাত্মক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) এই যুব আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়। পার্লামেন্ট অভিমুখে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের পর আন্দোলনটি আরও ব্যাপক জনসমর্থন পায়। একপর্যায়ে বিজেপির নেতা ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন।</p><p>এরপর সিজেপি ভারতের স্কুলগুলোর অবস্থার দিকে নজর দেয়। সমুহী ভাতপুরওয়ার মতো স্কুলের শিক্ষার্থীরা এখন শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহি চাইছে। জেন জি আন্দোলনের পরপরই শুরু হওয়া এই নতুন প্রজন্মের আন্দোলনকারীদের অনেকেই ‘জেন আলফা’ আন্দোলনের সূচনাকারী হিসেবে দেখছেন।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-09-05a_n17885756267016.jpg"></figure><p><strong>ভারতের স্কুলগুলোর মূল সমস্যা কোথায়</strong></p><p>ভারতে প্রায় ১৫ লাখ স্কুলে ২৪ কোটি ৭০ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। এর প্রায় ৭০ শতাংশ স্কুল কেন্দ্র, রাজ্য বা স্থানীয় সরকারের অধীনে পরিচালিত হয়। ২০২৫-২৬ সালে প্রকাশিত সরকারি স্কুল নিরীক্ষা প্রতিবেদনে শিক্ষা ব্যবস্থায় অগ্রগতির কথা বলা হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতও উন্নত হয়ে প্রতি ২৪ শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক হয়েছে এবং ঝরে পড়ার হার কমেছে।</p><p>তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অনেক ক্ষেত্রে ভিন্ন। কোনো কোনো স্কুলে এমন ভবনেও পাঠদান হয়, যেখানে গবাদিপশু পালন করা হয়।</p><p>বেঙ্গালুরুভিত্তিক শিক্ষা অধিকার কর্মী নাগাসিমহা রাও বলেন, ‘শিশুরা তাদের অধিকার দাবি করছে। তারা শিক্ষক, বেঞ্চ, স্কুল ভবন, খাবার পানি, বিদ্যুৎ এবং টয়লেট চায়। দুর্ভাগ্যবশত, দীর্ঘদিন ধরে স্কুল পরিচালনার জন্য মৌলিক অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় জনবলের ঘাটতি রয়েছে। এটি দেশের অধিকাংশ সরকারি স্কুলেরই গল্প।’</p><p>সরকারি স্কুলগুলোতে মূলত আর্থিক ও সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের শিশুরা পড়াশোনা করে উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘দরিদ্র শিশুরা এসব স্কুলে পড়ে বলেই কি এই অবহেলা?’</p><p>বর্তমান আন্দোলনের শুরুর দিকের একটি ঘটনা ঘটে ২৮ জুলাই উত্তর প্রদেশের সারভোদয় ইন্টার কলেজে। দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত থাকা এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা খাবার পানি, বিদ্যুৎ ও বসার বেঞ্চের দাবিতে আন্দোলনে নামে।</p><p>দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মনোজ (ছদ্মনাম) বলে, ‘স্কুলে পড়ালেখা করা আমাদের জন্য কতটা কঠিন, তা কেউ কল্পনাও করতে পারবে না। এখানে বিদ্যুৎ নেই, ফলে তাপদাহের মধ্যে ফ্যান চলে না। সুপেয় পানির ব্যবস্থাও নেই। পর্যাপ্ত বেঞ্চ না থাকায় অনেক শিক্ষার্থীকে মেঝেতে বসতে হয়। তাই আমরা প্রতিবাদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’</p><p>মনোজের সহপাঠী নীলম (ছদ্মনাম) জানায়, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরেই এসব মৌলিক সুবিধার দাবি জানিয়ে আসছিল। এবার তারা প্ল্যাকার্ড ও স্লোগান নিয়ে আনুষ্ঠানিক আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেয়।</p><p>৩১ জুলাই মহারাষ্ট্রের পারলিতে ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত বৈজনাথ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও শিক্ষক সংকটের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে।</p><p><strong>‘জেন আলফা’র পাশে ‘জেন জি’</strong></p><p>১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসে সিজেপি তাদের তৃণমূল উদ্যোগ ‘স্কুল ঠিক করো’ চালু করে। সংগঠনটির আইনবিষয়ক প্রধান রত্না সিং আল জাজিরাকে জানান, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবিতে সারা দেশের স্কুলগুলোতে শুরু হওয়া আন্দোলনকে তারা সমর্থন করছেন।</p><p>তিনি বলেন, যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে তারা গ্রামীণ এলাকা থেকে আসা অনেক শিশু ও অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা স্কুলের জরাজীর্ণ অবস্থা, শিক্ষক সংকট এবং স্কুলে যাওয়ার ভাঙাচোরা রাস্তার কথা জানিয়েছেন। শিশুদের ভবিষ্যতের জন্য স্কুল সংস্কারের দাবি তাই তাদের আন্দোলনেরই ধারাবাহিকতা।</p><p>তবে বিভিন্ন অঞ্চলের স্কুল পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সিজেপি সদস্যরা কয়েকটি সহিংস ঘটনার মুখে পড়েন। উত্তর প্রদেশের সংগঠনটির সদস্য গৌরব ভারতী অভিযোগ করেন, পুলিশ ও স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তাদের হুমকি দিচ্ছেন।</p><p>তিনি বলেন, ১৬ আগস্ট কানপুর মাজরার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করে এর করুণ অবস্থা তুলে ধরার পর থেকেই পুলিশ তাকে অনুসরণ করছে। তবে তারা ভয় পাচ্ছেন না; আইনের আওতায় থেকেই শিক্ষার্থীদের অধিকার দাবি করছেন।</p><p>২০০৯ সালে কার্যকর হওয়া শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী, ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের শিক্ষা মৌলিক অধিকার। আইনে সব ধরনের আবহাওয়ার উপযোগী ভবন, পানি, স্যানিটেশন ও শিশুদের নিরাপত্তার মতো বিষয়কে আদর্শ অবকাঠামোর অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত অন্তত ১:৩০ থাকার কথাও বলা হয়েছে।</p><p>জাতীয় গড়ের হিসাবে এ অনুপাত বজায় থাকলেও সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ১ লাখ ৮৪৩টি স্কুলে সব শ্রেণি মিলিয়ে মাত্র একজন শিক্ষক রয়েছেন। এসব স্কুলে প্রায় ২৯ লাখ শিশু পড়াশোনা করে। অন্যদিকে, ৫ হাজার ৬৬৩টি ‘ভূতুড়ে স্কুল’ রয়েছে, যেখানে কোনো শিক্ষার্থীই ভর্তি নেই।</p><p>দেশটির বিশাল টিফিন কর্মসূচিতে নিম্নমানের খাবার পরিবেশনও প্রায়ই প্রতিবাদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ২৮ জুলাই বিহারের সিমুয়ারা গ্রামের প্রায় ৫০ শিক্ষার্থী নিম্নমানের খাবারের অভিযোগ নিয়ে এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে চার কিলোমিটার হেঁটে যায়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, স্কুলে পাইপলাইনের পানি না থাকায় রান্নার আগে কাঁচামাল ঠিকমতো ধোয়া হয় না এবং চাল, ডাল ও সবজির মানও অত্যন্ত খারাপ।</p><p>চেন্নাইভিত্তিক শিক্ষাবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্বর্ণা রাজাগোপালনের মতে, ভারতের স্কুল ব্যবস্থায় পদ্ধতিগত সংস্কার প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে সর্বত্র মানসম্মত অবকাঠামো নিশ্চিত করা, শিক্ষক নিয়োগ ও দক্ষতা বৃদ্ধি, পরিবারগুলোকে সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে উৎসাহিত করা এবং আইন না মানলে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।</p><p>স্কুলের এসব আন্দোলন ক্ষমতাসীন সরকারের জন্য ভবিষ্যতের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জেরও ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভারতের ৩০ শতাংশের বেশি মানুষের বয়স ১৮ বছরের নিচে। আজ যারা স্কুলে প্রতিবাদ করছে, তাদের অনেকেই ২০২৯ সালের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে ভোটার হবে।</p><p>পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাকর্মী আকাশ সরকার বলেন, ‘শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তারা যদি উপযুক্ত পরিবেশে সঠিক শিক্ষা না পায়, তবে তা ভারতের প্রবৃদ্ধিকে ব্যাহত করবে। এই শিশুরাই আগামী দিনের ভোটার।’</p><p>বেঙ্গালুরুর ব্যাঙ্গালোর ইউনিভার্সিটির ছাত্রী সুজাতা গৌড়ার কাছেও জেন জি ও জেন আলফার ধারাবাহিক প্রতিবাদ আশ্চর্যের নয়। ২১ বছর বয়সী এই ছাত্রী বলেন, দেশজুড়ে শিক্ষার্থীরা মনে করছে তারা ব্যবস্থার কাছে উপেক্ষিত। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিকায়ন, যোগ্য শিক্ষক, সুষ্ঠু পরীক্ষা এবং উন্নত অবকাঠামোর পাশাপাশি কর্তৃপক্ষকে শিক্ষার্থীদের কথাও শুনতে হবে। তা না হলে সারা দেশে আরও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়তে পারে।</p><p>সূত্র: আল জাজিরা</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d3bb-20260905</guid>
                <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 08:33:49 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সবুজায়ন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70446/edfb-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>সবুজায়ন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।</p><p>তিনি বলেন, সবুজায়ন বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বনায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ১ নং হাজীনগর ইউনিয়নের হাসুরা মৌজায় বৃহৎ বনায়ন কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত চারা রোপণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>বৃহৎ বনায়ন কর্মসূচির আওতায় এ এলাকায় ২০.০ কিলোমিটার দীর্ঘ স্ট্রিপ বাগানে ১৫ প্রজাতির প্রায় ২০ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। ক্রসড্রাম থেকে বেলট্রি মৌজার রাজ্জাক চেয়ারম্যানের জমি পর্যন্ত এবং ভায়া হাসুরা মৌজার শিবেরশ্বরের জমি থেকে পলাশের জমি পর্যন্ত খাড়ির উভয় পাড়ে এ বনায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।</p><p>পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সবুজ আচ্ছাদন বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে পরিকল্পিত বনায়ন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে খাড়ি, সড়ক ও অন্যান্য উন্মুক্ত স্থানের পাশে বৃক্ষরোপণ একদিকে যেমন পরিবেশের উন্নয়ন ঘটায়, অন্যদিকে মাটির ক্ষয় রোধ ও জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল সংরক্ষণেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।</p><p>তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণে বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে হবে। রোপণকৃত চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।</p><p>সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ বনায়ন কার্যক্রম স্থানীয় পরিবেশের উন্নয়ন, সবুজ আচ্ছাদন বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।</p><p>অনুষ্ঠানে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">edfb-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 21:44:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[টাঙ্গাইলের চমচম বিদেশে রপ্তানির পদক্ষেপ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70445/44bc-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: </strong>টাঙ্গাইলের শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী চমচমকে বিদেশে রপ্তানির পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে তিন দিনব্যাপী ‘মিষ্টি উৎসব-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।</p><p>সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘টাঙ্গাইলের চমচম সারা বাংলাদেশ তথা বিশ্বের অনেক মানুষই কমবেশি চেনে। টাঙ্গাইলের শাড়ি যেমন বাংলাদেশের গর্ব ও ঐতিহ্য, তেমনি চমচমও আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। এই পণ্যকে কীভাবে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, সেটি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।’</p><p>তিনি বলেন, ‘আমাদের যে ঐতিহ্য রয়েছে, সেটিকে মানুষের মাঝে তুলে ধরার জন্যই এ আয়োজন। টাঙ্গাইলে যে ঐতিহ্য ও অর্জন রয়েছে, তা বাংলাদেশের মানুষের জন্যও গর্বের বিষয়। এই ঐতিহ্যকে ধারণ করে আগামী দিনে ঐতিহাসিক ও নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই। এ ব্যাপারে সবার সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।’</p><p>মিষ্টি উৎসবের উদ্দেশ্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই ফেস্টিভ্যালের কয়েকটি উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রথমত, টাঙ্গাইলের পণ্য মানুষের মাঝে তুলে ধরা এবং এগুলো নিয়ে মানুষকে অবহিত করা। একই সঙ্গে সারাদেশের মানুষের কাছে আমাদের ঐতিহ্যকে প্রতিষ্ঠিত করা।’</p><p>তিনি বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে গোপালপুরের একটি অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি ও চমচম নিয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি আনারসের কথাও বলেছিলেন। টাঙ্গাইলের এই চমচমকে কীভাবে বিদেশে রপ্তানি করা যায়, সে ব্যাপারে আমরা পদক্ষেপ নেব।’</p><p>চমচম শিল্পের প্রসার ঘটাতে পারলে একদিকে দেশের রপ্তানি আয় বাড়বে, অন্যদিকে এ শিল্পে মানুষের আগ্রহ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এতে প্রান্তিক অর্থনীতির পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।</p><p>টাঙ্গাইলের তাঁত শিল্পের উন্নয়ন প্রসঙ্গে টুকু বলেন, ‘টাঙ্গাইলের শাড়ির বিদেশে প্রচুর কদর রয়েছে। এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে হলে তাঁতিদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রান্তিক পর্যায়ে যারা শাড়ি তৈরি করেন, তাদের স্বল্প সুদে আর্থিক সহায়তা দিতে হবে।’</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। যে তাঁতিরা এই কাজ করেন, তাদের সঙ্গে কথা বলে একটি তাঁতি সমাবেশ করব। এর মাধ্যমে তাঁতশিল্পকে কীভাবে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’</p><p>টাঙ্গাইলের পর্যটন সম্ভাবনা ও শতবর্ষের মিষ্টি তৈরির ঐতিহ্য দেশ-বিদেশে তুলে ধরতে এবং স্থানীয় পণ্যের প্রসারে প্রথমবারের মতো ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর তিন দিনব্যাপী ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল-২০২৬’ আয়োজন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ উৎসবে জেলার ১২ উপজেলা থেকে ২৩টি স্টল অংশ নিয়েছে; এর মধ্যে ২০টি স্টলে ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি এবং তিনটি স্টলে টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি প্রদর্শন করা হচ্ছে।</p><p>এর আগে বিকেলে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।</p><p>এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।</p><p>জেলা প্রশাসক শরীফা হক বলেন, ‘টাঙ্গাইলের জিআই পণ্য শুধু টাঙ্গাইলের নয়, এগুলো বাংলাদেশের গর্ব’- এই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই উৎসবের অন্যতম লক্ষ্য। এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করার পাশাপাশি টাঙ্গাইলের পর্যটন সম্ভাবনাকেও এগিয়ে নেওয়া হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">44bc-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 21:36:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশের বিভিন্ন স্থানে ২২টি মাদক ট্রাইব্যুনাল গঠন করল সরকার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70444/f962-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>মাদকসংক্রান্ত অপরাধের বিচারে গতি আনতে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা এবং মহানগরে ২২টি ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করেছে সরকার।</p><p>আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়।</p><p>প্রজ্ঞাপনটি গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর ৪৪ক ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এসব ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং সেগুলোর জন্য পৃথক স্থানীয় এখতিয়ার ও সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>নবগঠিত ট্রাইব্যুনাল ও অধিক্ষেত্র : প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা জেলা এলাকার জন্য একটি এবং ঢাকা মহানগরের আওতাধীন থানাগুলোর জন্য চারটি পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর-১ এর অধীন পল্লবী, কাফরুল, মিরপুর, শাহআলী, দারুসসালাম, রূপনগর, ভাষানটেক, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, হাতিরঝিল, শেরে বাংলা নগর, রমনা ও শাহবাগ থানা।</p><p>ঢাকা মহানগর-২ এর অধীন কলাবাগান, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, আদাবর, কোতোয়ালি, বংশাল, চকবাজার, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানা।</p><p>ঢাকা মহানগর-৩ এর আওতাধীন মতিঝিল, শাহজাহানপুর, পল্টন, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা, রামপুরা, ডেমরা, শ্যামপুর, সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী ও ওয়ারী থানা।</p><p>ঢাকা মহানগর-৪ আওতাধীন উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম, উত্তরখান, দক্ষিণখান, বিমানবন্দর, তুরাগ, বাড্ডা, গুলশান, বনানী, ভাটারা, ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত থানা।</p><p>নারায়ণগঞ্জের জন্য ২টি (নারায়ণগঞ্জ-১ ও নারায়ণগঞ্জ-২), চট্টগ্রাম জেলার জন্য একটি এবং চট্টগ্রাম মহানগরের জন্য তিনটি (চট্টগ্রাম মহানগর-১, ২ ও ৩) ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।</p><p>মাদকপ্রবণ সীমান্ত এলাকা কক্সবাজারের জন্য তিনটি ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করা হয়েছে। কক্সবাজার-১ এর অধীন টেকনাফ, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী থানা। কক্সবাজার-২ এর আওতাধীন উখিয়া, সদর ও ঈদগাঁও থানা। কক্সবাজার-৩ এর অধীন রামু, চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী থানা।</p><p>এছাড়া কুমিল্লার জন্য দুটি (কুমিল্লা-১ ও কুমিল্লা-২) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী জেলা, রাজশাহী মহানগর, বগুড়া, দিনাজপুর ও যশোর জেলার জন্য একটি করে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।</p><p>প্রজ্ঞাপন আরও বলা হয়েছে, প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর অধীন ন্যূনতম ৫ বছর বা ততোধিক শাস্তিযোগ্য অপরাধের চলমান মামলাসমূহ বর্তমান আদালত থেকে নবগঠিত ট্রাইব্যুনালসমূহে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী স্থানান্তরিত হবে। কোনো মামলা যে পর্যায়ে স্থানান্তরিত হবে, ঠিক সে পর্যায় থেকেই বিচারকার্য পরিচালিত হবে। অবিলম্বে এটি কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f962-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 21:21:46 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কক্সবাজারে আইফোন-ল্যাপটপসহ ৬ চীনা নাগরিক গ্রেফতার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70443/5841-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>কক্সবাজারে বিপুল আইফোন ও ল্যাপটপসহ চীনের ছয়জন নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রতারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সাইবার আইনে মামলা করা হয়েছে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিকেলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, রামু থানায় করা একটি অভিযোগের সূত্র ধরে ঢাকার পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।&nbsp;</p><p>এর আগে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের হোটেল সি-প্যালেস থেকে তাদের আটক করা হয়।</p><p>অভিযানে পুলিশের হাতে আসে ১ হাজার ৯৩৮টি আইফোন, অন্তত ৩০টি ল্যাপটপসহ পুলিশের ব্যবহৃত বিশেষ যোগাযোগ সরঞ্জাম।</p><p>পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চীনা ও তাইওয়ানি নাগরিকদের প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ দল কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন কয়েকটি হোটেল ভাড়া নিয়ে অনলাইনভিত্তিক প্রতারণা চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।</p><p>জানা গেছে, গত ২৬ আগস্ট চীনা নাগরিকদের একটি দল হোটেলটিতে অবস্থান নেয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করা হয়।</p><p>আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ ও আন্তর্জাতিক অনলাইন আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে মামলা হয়েছে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5841-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 20:59:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কক্সবাজারে আইফোন-ল্যাপটপসহ ৬ চীনা নাগরিক গ্রেফতার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/70443/5841-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>কক্সবাজারে বিপুল আইফোন ও ল্যাপটপসহ চীনের ছয়জন নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রতারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সাইবার আইনে মামলা করা হয়েছে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিকেলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, রামু থানায় করা একটি অভিযোগের সূত্র ধরে ঢাকার পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।&nbsp;</p><p>এর আগে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের হোটেল সি-প্যালেস থেকে তাদের আটক করা হয়।</p><p>অভিযানে পুলিশের হাতে আসে ১ হাজার ৯৩৮টি আইফোন, অন্তত ৩০টি ল্যাপটপসহ পুলিশের ব্যবহৃত বিশেষ যোগাযোগ সরঞ্জাম।</p><p>পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চীনা ও তাইওয়ানি নাগরিকদের প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ দল কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন কয়েকটি হোটেল ভাড়া নিয়ে অনলাইনভিত্তিক প্রতারণা চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।</p><p>জানা গেছে, গত ২৬ আগস্ট চীনা নাগরিকদের একটি দল হোটেলটিতে অবস্থান নেয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করা হয়।</p><p>আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ ও আন্তর্জাতিক অনলাইন আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে মামলা হয়েছে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5841-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 20:59:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শিবগঞ্জে পদ্মা নদীতে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70442/d264-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: </strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে সোহান (১০) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুরে উপজেলার সাত্তার মোড় এলাকায় পদ্মা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সোহান উপজেলার উত্তর উজিরপুর সাত্তার এলাকার সেলিম রেজার ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।</p><p>স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে সহপাঠীদের সঙ্গে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামে সোহান। একপর্যায়ে তার হাত থেকে প্লাস্টিকের বোতল ছুটে গেলে সেটি তুলতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যায় সে। পরে স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর তাকে নদী থেকে উদ্ধার করে দ্রুত শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।</p><p>শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. অন্তর আহসান বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালে আসার সময়ই মৃত অবস্থায় ছিল। এরপরও তাকে বাঁচানোর জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে ইসিজি পরীক্ষা করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।</p><p>এ ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ।</p><p>স্থানীয়রা জানান, নদীতে গোসলের সময় শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে স্রোত ও গভীরতা সম্পর্কে ধারণা না থাকলে শিশুদের নদীতে একা বা সহপাঠীদের সঙ্গে গোসল করতে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d264-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 20:45:46 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আ.লীগ শুধু প্লান্ট করেছে, বিদ্যুৎ চালুর পরিকল্পনা করেনি: বিমান মন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70441/f1a4-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি:</strong> জামালপুরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, আওয়ামী লীগ বিদ্যুতের নামে শুধু প্লান্ট করেছে। কিন্তু বিদ্যুৎ প্লান্ট কীভাবে চলবে তার কোনো পরিকল্পনা করেনি।</p><p>তিনি বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকারও বিদ্যুৎ নিয়ে একটা কাজও করেনি। যেটা দিয়ে গ্যাস তৈরি হয়, সেটার একটা মেশিন নষ্ট হয়েছিল, সেটাও মেরামত করেনি, যে কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা হচ্ছে বিধায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি হচ্ছে। একটি দেশ নতুন করে গড়তে, রাষ্ট্র নির্মাণ করতে হলে আমাদের একটু সময় দিতে হবে।</p><p>৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি আয়োজিত দেওয়ানগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।</p><p>বিমার মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের এখানে অনেক সমস্যা আছে। আমাদের সারের সমস্যা আছে। আমরা প্রত্যেকটা ইউনিয়নে সারের ব্যবস্থা করে দিবো, এ মাস থেকেই সারের ডিলার দেওয়া হবে। টিসিবির ডিলার দেওয়া হবে। যাতে করে আগের কোনো লোক, কোনো ফ্যাসিবাদরা আমাদের নিয়ে খেলা করতে না পারে।</p><p>জনসভায় দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শ্যামল চন্দের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসন বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ সাদাসহ আরো অনেকে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f1a4-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 20:36:18 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ট্রাম্পের ওপর চরম ক্ষুব্ধ কানাডা, সমানে চলছে মার্কিন পণ্য বয়কট]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70440/2b22-20260904]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে কানাডা। বাণিজ্য বিরোধ, মার্কিন শুল্কনীতি ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন পদক্ষেপে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন কানাডার নাগরিকরা। ফলশ্রুতিতে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে তাদের মধ্যে। এমনকি সমানতালে বাড়ছে মার্কিন পণ্য বয়কটের প্রবণতাও।</p><p>ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।</p><p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন পণ্য বয়কটের হিড়িক লেগে গেছে কানাডার বিভিন্ন শহরে। কানাডার অনেক ভোক্তাই এখন মার্কিন পণ্যের বদলে দেশে তৈরি পণ্য কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন। একইসঙ্গে কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও মার্কিন সরবরাহকারীদের পরিবর্তে কানাডীয় ও অন্যান্য দেশের বিকল্প উৎস খুঁজছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অনেক কানাডিয়ান যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ কমিয়ে দেশের অভ্যন্তরে কিংবা ইউরোপসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।</p><p>একইসঙ্গে রাজনৈতিকভাবেও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর দাবি জোরালো হয়েছে। সাম্প্রতিক অ্যাঙ্গাস রিড ইনস্টিটিউটের এক জরিপে ৭৬ শতাংশ কানাডিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা থেকে সরে আসার সরকারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার বহুদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এখন বড় ধরনের সংকটে পড়ে গেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একের পর এক হঠকারী পদক্ষেপে। এরই মধ্যে কানাডার বিভিন্ন পণ্যের ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে কানাডাও পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অর্থনৈতিক নির্ভরতা কমিয়ে নতুন বাজার ও বাণিজ্যিক অংশীদার খোঁজার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ।</p><p>কানাডিয়ানদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে জনমতেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে। সাম্প্রতিক অ্যাঙ্গাস রিডের জরিপে মাত্র ৪৫ শতাংশ কানাডিয়ান মার্কিন জনগণের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। বিপরীতে ৪৮ শতাংশের মনোভাব নেতিবাচক। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব আরও বেশি। জরিপে ৭৯ শতাংশ কানাডিয়ান তার প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রকাশ করেছেন।</p><p>বিশ্লেষকদের মতে, কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বৈরিতা শুধু সাময়িক রাজনৈতিক বিরোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর প্রভাব পড়ছে বাণিজ্য, ভ্রমণ, ভোক্তাদের কেনাকাটা এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্কেও। ফলে কয়েক দশকের ঘনিষ্ঠ কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে এখন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2b22-20260904</guid>
                <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 20:14:28 +0600</pubDate>
            </item>
        
    </channel>
</rss>
