<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0">
    <channel>
        <title><![CDATA[All news items on https://www.asiantvonline.com/]]></title>
        <link><![CDATA[https://asiantvonline.com/]]></link>
        <description><![CDATA[
            Welcome to https://www.asiantvonline.com/! Stay informed with the latest news, headlines, and updates from around the world.
            Subscribe to our RSS feed now to receive regular updates and never miss a beat.
        ]]></description>

        <image>
            <url>https://asiantvonline.com/logo.png</url>
            <title>Asian Tv Online | এশিয়ান টিভি অনলাইন</title>
            <link>https://asiantvonline.com/</link>
        </image>

        <generator><![CDATA[RSS by https://asiantvonline.com/rss-feed.xml]]></generator>
        <language>en</language>
        <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 21:50:46 +0600</pubDate>

        <copyright><![CDATA[
            Copyright: (C) 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.
        ]]></copyright>

                    <item>
                <title><![CDATA[ঢাকার চারপাশে নৌপথ চালু হলে মানুষের যাতায়াত-পণ্য পরিবহন সহজ হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/70664/9cc5-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, বুড়িগঙ্গা নদীকে দূষণমুক্ত ও নৌ-যোগাযোগ উপযোগী করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। ঢাকার চারপাশে নৌপথ চালু হলে মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন সহজ ও কম খরচে করা সম্ভব হবে।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার রাজধানীর বংশালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ঢাকা-৭ আসনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ‘মাজেদ সরদার বিপণি বিতানে’র নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>ঢাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঢাকা ৪০০ বছরেরও বেশি পুরোনো ঐতিহ্যবাহী শহর। পুরান ঢাকার ঐতিহ্য ধরে রেখে শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক করে গড়ে তুলতে হবে। সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব রাস্তা পরিষ্কার রাখা, আবর্জনা অপসারণ এবং পর্যাপ্ত সড়কবাতির ব্যবস্থা করা। একই সঙ্গে নাগরিকদেরও নির্ধারিত স্থানে আবর্জনা ফেলার দায়িত্ব পালন করতে হবে।</p><p>প্রশাসক আরও বলেন, মেয়র বা প্রশাসক আসবেন-যাবেন, প্রধানমন্ত্রীও আসবেন-যাবেন, কিন্তু এলাকার মানুষ ও জনগণ স্থায়ী। তাই সিটি করপোরেশনের নির্মিত স্থাপনা ও উন্নয়নকাজ রক্ষার দায়িত্বও জনগণের। জনগণের সহযোগিতা পেলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ঢাকাকে আরও পরিষ্কার, সুন্দর ও বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।</p><p>ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাসাবাড়ি, নির্মাণাধীন ভবনসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতেও এডিস মশা জন্মাতে পারে। কোনো কর্মকর্তা বা ঠিকাদারের দায়িত্বে অবহেলার কারণে মশার প্রজননস্থল তৈরি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p>পুরান ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আবদুস সালাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। কোনো ঠিকাদার কাজ করতে ব্যর্থ হলে নতুন ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজ শেষ করা হবে। পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পানি শোধনের বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।</p><p>বাস টার্মিনাল প্রসঙ্গে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, গুলিস্তানের আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। কদমপুর এলাকায় আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের জন্য জায়গা উন্নয়নের কাজ চলছে। জায়গাটি প্রস্তুত হলে আন্তঃজেলা বাসগুলো সেখানে স্থানান্তর করা হবে।</p><p>অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9cc5-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 21:47:52 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[যে ৯ কারণে বাতিল হতে পারে ইমাম-পুরোহিতের সম্মানি ভাতা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70663/f52b-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> দেশের মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানি ও উৎসব ভাতার ব্যবস্থা করেছে সরকার। একই সঙ্গে ৯ কারণে এই সম্মানি বাতিল হতে পারে বলে বলা হয়েছে।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি ও কল্যাণ সহায়তা প্রদান নীতিমালা ২০২৬’ শীর্ষক প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে সম্মানি প্রাপ্তির যোগ্যতা, অযোগ্যতা ও সম্মানি বাতিলের বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>নীতিমালা অনুযায়ী, সম্মানি পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে। পাশাপাশি উপজেলা কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার বা গির্জায় কর্মরত থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তির নিয়োগপত্র থাকাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।</p><p>নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার, সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জাসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।</p><p>এর আওতায় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সেবকদের মাসিক সম্মানি দেয়ার ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে উৎসব ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>তবে নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে সম্মানি বাতিল বলে গণ্য হবে। নীতিমালা অনুযায়ী, যে ৯ কারণে সম্মানি বাতিল হতে পারে সেগুলো হলো-</p><p>১. নৈতিক স্খলন বা ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হলে: কোনো ব্যক্তি নৈতিক স্খলনজনিত বা ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হলে তার সম্মানি বাতিল হবে।</p><p>২. চাকরিচ্যুত বা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে: সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হলে বা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে সম্মানি বাতিল বলে গণ্য হবে।</p><p>৩. তথ্য জালিয়াতি প্রমাণিত হলে: সম্মানি পাওয়ার ক্ষেত্রে দেয়া তথ্যে কোনো ধরনের জালিয়াতি প্রমাণিত হলে এ সুবিধা বাতিল হবে।</p><p>৪. রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে: কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকলে তার সম্মানি বাতিল হবে।</p><p>৫. সম্মানিভোগীর মৃত্যু হলে: কোনো সম্মানিভোগী ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার সম্মানি বাতিল বলে গণ্য হবে।</p><p>৬. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত না থাকলে: মসজিদ বা অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত না থাকা সত্ত্বেও কেউ সম্মানিভোগী ব্যক্তি হিসেবে নির্বাচিত হলে তার সম্মানি বাতিল হবে।</p><p>৭. অন্য কোনো উৎস থেকে বেতন-ভাতা পেলে: কোনো ব্যক্তি অন্য সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, ট্রাস্ট, বিদেশি সংস্থা বা উন্নয়ন প্রকল্প থেকে কোনো ধরনের বেতন-ভাতা পেয়ে থাকলে তিনি এ কর্মসূচির আওতায় সম্মানি পাওয়ার যোগ্য হবেন না।</p><p>৮. সমাজবিরোধী বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে: কোনো ব্যক্তি সমাজবিরোধী বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কার্যক্রমে লিপ্ত- এমনটি প্রমাণিত হলে তার সম্মানি বাতিল হবে।</p><p>৯. রাজনৈতিক দলের সদস্য হলে: কোনো ব্যক্তি কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হলে বা থাকলে তিনি এ কর্মসূচির আওতায় সম্মানি পাওয়ার যোগ্য হবেন না।</p><p>কে কত টাকা পাবেন</p><p>মসজিদ: মসজিদের ইমামদের জন্য মাসিক সম্মানি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া মুয়াজ্জিন পাবেন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম পাবেন ২ হাজার টাকা। এর ফলে একটি মসজিদের অনুকূলে সর্বমোট মাসিক বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ১০ হাজার।</p><p>মন্দির: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দিরের প্রধান পুরোহিত পাবেন মাসিক ৫ হাজার টাকা সম্মানি। আর মন্দিরের সেবাইতের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার টাকা। এই খাতে সর্বমোট মাসিক সম্মানি বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৮ হাজার টাকা।</p><p>বৌদ্ধ বিহার: বৌদ্ধ বিহারের প্রধান ধর্মগুরু বা বিহার অধ্যক্ষের জন্য মাসিক সম্মানি ধরা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া বিহার উপাধ্যক্ষ প্রতি মাসে পাবেন ৩ হাজার টাকা। বৌদ্ধ বিহার ক্যাটাগরিতে মোট বরাদ্দ মাসিক ৮ হাজার টাকা।</p><p>গির্জা: খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় বা গির্জার প্রধান যাজক প্রতি মাসে ৫ হাজার এবং সহকারী যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা। গির্জা খাতে সর্বমোট মাসিক ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ।</p><p>উৎসব ভাতা বা বোনাস: প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরত ও সম্মানিভোগী ব্যক্তিবর্গ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১ হাজার টাকা করে ভাতা বা বোনাস পাবেন। মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জায় কর্মরত ও সম্মানিভোগী ব্যক্তিবর্গ যথাক্রমে দুর্গাপূজা, বুদ্ধ পূর্ণিমা, বড়দিন উপলক্ষে ২ হাজার টাকা এককালীন উৎসব ভাতা পাবেন।</p><p>নীতিমালায় সম্মানি ও কল্যাণ সহায়তার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিকল্পভাবে আয় করার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেয়া হবে।</p><p>সরকারের ২০২৬ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে দেয়া প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f52b-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 21:40:19 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[লক্ষ্মীপুরে নকল পণ্য বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70662/84e3-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: </strong>লক্ষ্মীপুরে নকল ঘি-কসমেটিকস পণ্য বিক্রির অপরাধে রাজ কুমার চৌধুরী নামে এক ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেলে লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের সমসেরাবাদ এলাকায় জেবিবিএল এন্টারপ্রাইজের গোডাউন থেকে নকল পণ্যগুলো জব্দ করা হয়। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত, র‌্যাব-১১ ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন।</p><p>এসময় বিপুল পরিমাণ নকল ঘি ও কসমেটিকস জব্দ করে পরে বিনষ্ট করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা এ অর্থদণ্ড প্রদান করেন।</p><p>অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত রাজ কুমার রায়পুর পৌরসভার দেনায়েতপুর এলাকার আকুল চন্দ্র চৌধুরীর ছেলে।</p><p>ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, রাজ কুমার নকল ঘি ও বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস বিক্রি করে আসছেন। এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। তার প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল পরিমাণ নকল ঘি ও নকল কসমেটিকস পণ্য জব্দ করা হয়। পরে নকল পণ্যগুলো বিনষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত রাজ কুমারের ২ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।</p><p>অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী ও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হিল হাকিম প্রমুখ।</p><p>লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, রাজ কুমার তার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন দোকানে নকল ঘি সরবরাহ করেন। অভিযান চালিয়ে তার প্রতিষ্ঠান থেকে নকল ঘি ও নকল কসমেটিকস পণ্য জব্দ করা হয়। তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">84e3-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 21:28:46 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এককালীন ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক পূর্ণাঙ্গ প্রতিকার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/70661/385d-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>সকল প্রাণের নিরাপত্তা (সপ্রান) এবং অল ভিক্টিমস অ্যান্ড ভেটেরান্স নেটওয়ার্কের (এভিএন) যৌথ আয়োজনে “জাহাজ ভাঙার মানবিক মূল্য: বাংলাদেশের জাহাজভাঙা শিল্পে জবাবদিহি, প্রতিকার ও পুনরাবৃত্তি রোধ” শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেল ৪টায় ঢাকার বাংলামোটরে অবস্থিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৬০৫ নম্বর কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>আলোচনাসভাটির উদ্দেশ্য ছিল এস এন করপোরেশনের জাহাজভাঙা কারখানায় এমটি সুবর্ণ স্বরাজ্য জাহাজে সংঘটিত বিস্ফোরণের দুই বছর পূর্তিতে বাংলাদেশের জাহাজভাঙা শিল্পে শ্রমিকের মৃত্যু, জবাবদিহির ঘাটতি এবং ক্ষতিপূরণ ও প্রতিকারের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিকার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন অংশীজনের ভূমিকা ও দায়বদ্ধতা এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরা হয়।</p><p>আলোচনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য, মানবাধিকারকর্মী, গবেষক, আইনজীবী, পরিবেশকর্মী, সাংবাদিক, সংসদ সদস্য এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।</p><p>আলোচনার শুরুতে সপ্রানের গবেষক অপসরা ইসলাম তন্দ্রা তাঁর উপস্থাপনায় জাহাজভাঙা শিল্পে শ্রমিকের মৃত্যু, দুর্ঘটনার কারণ, কর্মক্ষেত্রজনিত আঘাত এবং দুর্ঘটনার পর ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের প্রতিকার পাওয়ার সংকট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এককালীন ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়; কার্যকর প্রতিকারের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা ও মানসিক পুনর্বাসন, সত্য উদ্‌ঘাটন এবং পুনরাবৃত্তি রোধের ব্যবস্থা প্রয়োজন।</p><p>নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যরা তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান। নিহত হাবিবের স্ত্রী সাবিনা খাতুন বলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর পাওয়া অর্থ দিয়ে পরিবারের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তিনি প্রশ্ন করেন, “একজন মানুষ মারা গেলে তাঁর জীবনের মূল্য কি মাত্র ৭ লাখ টাকা?”</p><p>নিহত বরকতের শাশুড়ি রোকেয়া বেগম বলেন, এককালীন অর্থের পরিবর্তে সন্তানদের জন্য নিয়মিত মাসিক সহায়তার ব্যবস্থা প্রয়োজন। নিহত জাহাঙ্গীরের স্ত্রী শারমিন বেগম সন্তানদের শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ পরিবারের জন্য নিয়মিত সহায়তার দাবি জানান। নিহত খায়রুলের বাবা কামাল শেখ তাঁর একমাত্র সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় বিচার ও জবাবদিহি দাবি করেন।</p><p>বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, আইন ও প্রতিষ্ঠান থাকলেও সেগুলোর কার্যকর প্রয়োগ ও পারস্পরিক সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। এসব দুর্ঘটনার পর তদন্ত কমিশন গঠিত হলেও তদন্ত প্রতিবেদনগুলো কখনো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয় না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি দুর্ঘটনার পর ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p><p>বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) সহকারী পরিচালক মো. তৈয়্যেবুর রহমান বলেন, ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু একটি নির্দিষ্ট অঙ্ক নয়; শ্রমিকের আয়, বয়স, তাঁর ওপর পরিবারের নির্ভরশীলতা এবং ক্ষতির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। তিনি কর্মক্ষেত্রজনিত দুর্ঘটনা ও আঘাতের ক্ষতিপূরণ কর্মসূচি, দ্রুত বিচার, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি এবং সহজলভ্য আইনি সহায়তার ওপর গুরুত্ব দেন।</p><p>জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) সহকারী মানবাধিকার কর্মকর্তা সায়মা করিম শ্যানন বলেন, এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন কোনো দুর্ঘটনা নয়; বরং এগুলো কাঠামোগত সমস্যার প্রতিফলন। তিনি জাহাজভাঙা শিল্পের মালিকানা ও দায়বদ্ধতার শৃঙ্খলে যুক্ত সব পক্ষের জবাবদিহি এবং প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p><p>বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) নীতি ও প্রচার সমন্বয়ক বারিশ হাসান চৌধুরী বলেন, শুধু পরিবেশবান্ধব জাহাজভাঙা কারখানা হিসেবে সনদ থাকলেই শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। তিনি কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, পরিবেশগত সুরক্ষা এবং বিদ্যমান আইন ও আদালতের নির্দেশনার কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p><p>সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিন বলেন, শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যকার ক্ষমতার অসমতা, মামলা করতে অনীহা এবং আইনের দুর্বল প্রয়োগ শ্রমিকদের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে বড় বাধা। তিনি রাষ্ট্রের কার্যকর ভূমিকা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।</p><p>জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বাংলাদেশের আইনের শাসনবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা রোমানা শোয়াইগার বলেন, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিকার পেতে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক এবং তাঁদের পরিবারের জন্য সহজপ্রাপ্য আইনি সহায়তা প্রয়োজন। এসব ঘটনা পর্যালোচনা, প্রতিকারের পক্ষে ভূমিকা রাখা এবং পুনরাবৃত্তি রোধে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ যেন সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেয়, তা নিশ্চিত করতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।</p><p>গোলটেবিল আলোচনায় উঠে আসে যে, জাহাজভাঙা শিল্পে শ্রমিকের মৃত্যু ও কর্মক্ষেত্রের দুর্ঘটনার প্রতিকার এককালীন ক্ষতিপূরণে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত ও ন্যায়সংগত ক্ষতিপূরণ, দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, মানসিক সহায়তা, সন্তানদের শিক্ষা, স্বাধীন তদন্ত, দায় নির্ধারণ এবং পুনরাবৃত্তি রোধের নিশ্চয়তাসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক প্রতিকার কাঠামো প্রয়োজন।</p><p>একই সঙ্গে জাহাজ মালিক, জাহাজ ক্রয়কারী মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান এবং জাহাজভাঙা কারখানা কর্তৃপক্ষসহ শিল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে বিদ্যমান দায়বদ্ধতার ফাঁক দূর করে কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। অংশ গ্রহণকারীরা বলেন, শ্রমিকের নিরাপত্তা, দুর্ঘটনার স্বাধীন তদন্ত, ন্যায়সংগত ক্ষতিপূরণ, দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন এবং পুনরাবৃত্তি রোধকে বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ হিসেবে নয়, বরং একটি সমন্বিত জবাবদিহি ও প্রতিকার কাঠামোর অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।</p><p>আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন সপ্রানের গবেষক জেবা সাজিদা সারাফ।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">385d-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 20:47:24 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[টাঙ্গাইলে পুকুর থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70660/dec2-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: </strong>টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে পুকুর থেকে ওহাব মিয়া (৬৫) নামের বৃদ্ধের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারপাখিয়া গ্রামের জনৈক জনির পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।</p><p>ওহাব সদর ইউনিয়নের মাদারকোল গ্রামের মৃত ঘুতু মিয়ার ছেলে। সে দির্ঘদিন ধরে উপজেলা খাদ্য গুদামে স্বস্ত্রীক পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করতো। পারিবারিক সূত্রে জানা যায় ওহাব মানসিক রোগী ছিলেন। রবিবার বিকেল থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।</p><p>খাদ্য গুদামের ওসি এলএসডি মিরাজুল ইসলাম জানান, রবিবার বিকেলে নিখোঁজের পর থেকে তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোজা হচ্ছিল। তিনি মৃগি রোগী ছিলেন।</p><p>দেলদুয়ার থানা অফিসার ইনচার্জ শাখাওয়াত হোসেন জানান, বারপাখিয়া একটি পুকুরে ভাসমান মরদেহের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">dec2-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 20:30:50 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ভাতিজাকে অপহরণের পর হত্যা, চাচার যাবজ্জীবন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/70659/1d17-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: </strong>নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ১২ বছরের শিশু ভাতিজা রিফাত হোসেনকে অপহরণ করে ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি এবং পরে শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় চাচা মাসুম বিল্লাহকে (২৯) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক এ কে এম রকিবুল হাসান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।</p><p>বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ।</p><p>দণ্ডপ্রাপ্ত মাসুম বিল্লাহ পিরোজপুরের নেছারাবাদ থানার বলদিয়া এলাকার মো. জাকির হোসেনের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জের দক্ষিণ রূপসী এলাকায় বসবাস করতেন। নিহত রিফাত হোসেন একই এলাকার রাসেল মোল্লার ছেলে। দক্ষিণ রূপসীতে মায়ের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকত সে। স্থানীয় কাজী মহিউদ্দিন মডেল হাই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল রিফাত।</p><p>মামলার অভিযোগ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ রমজান মাসে রোজা রেখে জোহরের নামাজ আদায়ের জন্য বাসা থেকে বের হয় রিফাত। এ সময় আত্মীয়তার সম্পর্কের চাচা মাসুম বিল্লাহ তাকে অপহরণ করেন। পরে রিফাতের পরিবারের কাছে ফোন করে ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।</p><p>তবে শিশুটির মা সুফিয়া আক্তার মুক্তিপণের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর রিফাতকে শ্বাসরোধে হত্যা করে একটি পরিত্যক্ত ঘরের ভেতর মরদেহ ফেলে রাখা হয়।</p><p>ওইদিন রাতে মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেন রিফাতের মা। হত্যাকাণ্ডের পর মাসুম বিল্লাহ তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরে চলে যান। সেখানে গিয়ে নেছারাবাদ থানায় আত্মসমর্পণ করেন তিনি। পরে পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।</p><p>আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. মানিক মিয়া বলেন, এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামি মাসুম বিল্লাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1d17-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 20:22:49 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ভাতিজাকে অপহরণের পর হত্যা, চাচার যাবজ্জীবন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70659/1d17-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: </strong>নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ১২ বছরের শিশু ভাতিজা রিফাত হোসেনকে অপহরণ করে ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি এবং পরে শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় চাচা মাসুম বিল্লাহকে (২৯) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক এ কে এম রকিবুল হাসান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।</p><p>বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ।</p><p>দণ্ডপ্রাপ্ত মাসুম বিল্লাহ পিরোজপুরের নেছারাবাদ থানার বলদিয়া এলাকার মো. জাকির হোসেনের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জের দক্ষিণ রূপসী এলাকায় বসবাস করতেন। নিহত রিফাত হোসেন একই এলাকার রাসেল মোল্লার ছেলে। দক্ষিণ রূপসীতে মায়ের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকত সে। স্থানীয় কাজী মহিউদ্দিন মডেল হাই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল রিফাত।</p><p>মামলার অভিযোগ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ রমজান মাসে রোজা রেখে জোহরের নামাজ আদায়ের জন্য বাসা থেকে বের হয় রিফাত। এ সময় আত্মীয়তার সম্পর্কের চাচা মাসুম বিল্লাহ তাকে অপহরণ করেন। পরে রিফাতের পরিবারের কাছে ফোন করে ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।</p><p>তবে শিশুটির মা সুফিয়া আক্তার মুক্তিপণের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর রিফাতকে শ্বাসরোধে হত্যা করে একটি পরিত্যক্ত ঘরের ভেতর মরদেহ ফেলে রাখা হয়।</p><p>ওইদিন রাতে মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেন রিফাতের মা। হত্যাকাণ্ডের পর মাসুম বিল্লাহ তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরে চলে যান। সেখানে গিয়ে নেছারাবাদ থানায় আত্মসমর্পণ করেন তিনি। পরে পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।</p><p>আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. মানিক মিয়া বলেন, এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামি মাসুম বিল্লাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1d17-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 20:22:49 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[অটোরিকশায় যুক্ত হচ্ছে কিউআর কোড ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70658/2153-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল পুরোপুরি বন্ধ না করে একটি ডিজিটাল, নিবন্ধিত ও শৃঙ্খলিত ব্যবস্থার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রতিটি অটোরিকশায় যুক্ত হতে যাচ্ছে কিউআর কোড ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুর উত্থাপিত এক নোটিশের জবাবে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।</p><p>সংসদ অধিবেশনে রেহানা আক্তার রানু রাজধানীর ১৭টি সিগন্যালে চালু থাকা ৫০টি এআই নির্ভর ট্রাফিক ক্যামেরার সুফল ও অটোরিকশার কারণে তৈরি হওয়া সমস্যার কথা তুলে ধরে নোটিশ উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ট্রাফিক ক্যামেরা চালুর পর সড়কে লাল বাতি অমান্য করা, লাইন পরিবর্তন কিংবা অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর মতো অনিয়ম অনেকাংশেই কমে এসেছে। কিন্তু হতাশাজনক বিষয় হলো, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলো কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া গতিতে চলছে। এসব যানের কোনো নম্বর প্লেট না থাকায় এআই ক্যামেরায় অনিয়ম শনাক্ত হলেও জরিমানা করা বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।</p><p>সংরক্ষিত নারী আসনের এই এমপি বলেন, ঢাকা শহরে বিপুল সংখ্যক অটোরিকশা প্রধান সড়কগুলোতেও ঢুকে পড়ছে। সঠিক কাঠামোগত নকশা না থাকায় প্রায়ই এসব বাহন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। তবে কম ভাড়া ও সহজলভ্যতার কারণে এটি সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-09-07a_n17887898583599.jpg"></figure><p>তাই অটোরিকশা পুরো বন্ধ না করে তাদের কাঠামোগত পরিবর্তন, নম্বর প্লেট সংযোজন, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও প্রশিক্ষণের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।</p><p>নোটিশের বিপরীতে দেওয়া সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদকে জানান, গত এক দশকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ইজি বাইক ও তিন চাকার বৈদ্যুতিক যানগুলো গ্রামীণ ও নগর পরিবহন ব্যবস্থার একটি প্রধান অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কম খরচ ও সহজ যাতায়াতের কারণে যেমন সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছে, তেমনি চালক, গ্যারেজ শ্রমিক, যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ী ও চার্জিং সেবা দাতাসহ একটি বিশাল অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে এর দ্রুত ও অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।</p><p>বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও রাজস্ব ক্ষতির বিষয়ে তিনি বলেন, সারাদেশে আনুমানিক ৫০ থেকে ৮০ লাখ বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার রয়েছে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ ব্যবহার করে। বিপরীতে বৈধ চার্জিং পয়েন্টের সংখ্যা মাত্র প্রায় ৩ হাজার ৩০০টি। শুধুমাত্র ঢাকা শহরেই প্রায় ৪৮ হাজার অনানুষ্ঠানিক ও অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে প্রতি বছর সরকারের প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।</p><p>এসময় পরিবেশ বিপর্যয়ের প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এসব রিকশায় যে ক্ষতিকারক লেড-এসিড ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় এবং এর অনিরাপদ রিসাইক্লিংয়ের কারণে যে ধোঁয়া ও সিসা নির্গত হয়, তা বাতাস, মাটি ও পানি মারাত্মকভাবে দূষিত করছে। এমনকি আশেপাশে গড়ে ওঠা পোল্ট্রি শিল্পগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।</p><p>সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান টেনে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালে দেশে মোট ৬ হাজার ৭২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ হাজার ১১ জন নিহত হন। এসব দুর্ঘটনার ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশেই যুক্ত ছিল অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-09-07a_n17887915798679.jpg"></figure><p>বর্তমান আইনি পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, প্রধান সড়কগুলোতে অটোরিকশা চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে ডিএমপি নিয়মিত অভিযান ও ডাম্পিং পরিচালনা করছে। একইসঙ্গে ডিএমপি, ডেসকো ও ডিপিডিসির যৌথ অভিযানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। সড়ক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে ঢাকা শহরের ১৭টি সিগন্যালে ৫০টি এআই ক্যামেরা থেকে ইতিবাচক ফল পাওয়ায় তেজগাঁও ও রমনা বিভাগে আরও ২০০টি এআই ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে, যা পর্যায়ক্রমে পুরো রাজধানীতে সম্প্রসারণ করা হবে।</p><p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর সম্পূরক প্রশ্নের সুযোগ পেয়ে সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু বলেন, তিনি রিকশা নিষিদ্ধ করার কথা বলেননি, বরং একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিদিন কেবল ঢাকাতেই অন্তত ৩০০টি নতুন অটোরিকশা যুক্ত হচ্ছে এবং প্রতিদিন ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এদের পেছনে খরচ হচ্ছে, যা বর্তমান লোডশেডিংয়ের একটি প্রধান কারণ। তিনি বাহন জব্দ করা, ডাম্পিং কিংবা পুলিশের হয়রানি বন্ধ করে এগুলোকে ভেতরের গলির রাস্তায় চালানোর নির্দেশ দেওয়া, সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জিং অবকাঠামো গড়ে তোলা, বিআরটিএ নিবন্ধন এবং এলাকাভিত্তিক জোনিং ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব করেন। শেষ পর্যায়ে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, এই সমন্বিত ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ঠিক কবে নাগাদ তৈরি ও বাস্তবায়িত করা হবে।</p><p>জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে হওয়া আলোচনার সূত্রে সংসদকে নিশ্চিত করেন যে, সুনির্দিষ্ট বিধিবিধান ও নীতিমালা এরইমধ্যে প্রণীত হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক চূড়ান্ত হওয়া এই নীতিমালায় রূপরেখা নিশ্চিত করা হয়েছে যাতে কোনো চালকের কর্মসংস্থান ব্যাহত না হয়।</p><p>মন্ত্রী জানান, নীতিমালার অধীনে একটি ডিজিটাল নিবন্ধন প্রক্রিয়ার মধ্যে কিউআর কোড এবং ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু থাকবে, যাতে একটি নম্বরের অধীনে অবৈধভাবে একাধিক রিকশা চালানোর সুযোগ না থাকে। একইসঙ্গে লেড-এসিড ব্যাটারি তুলে দিয়ে ডিজিটাল পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি ব্যবহারে কঠোর শর্ত দেওয়া হবে।</p><p>সবশেষে বিদ্যুৎ ও সিটি কর্পোরেশনের অসাধু কর্মচারীদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঈমানদারিতার সঙ্গে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার জাতীয় স্বার্থ, সড়ক নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে অতি দ্রুত এই নীতিমালার পূর্ণ প্রয়োগ ঘটাবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2153-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 20:01:55 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পেট্রোবাংলার নতুন চেয়ারম্যান হলেন মো. আব্দুল মান্নান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70657/77fa-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মান্নান।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।</p><p>প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মান্নানকে বদলিপূর্বক প্রেষণে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান পদে পদায়ন করা হলো।</p><p>গত ১৭ মে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান আব্দুল মান্নান। নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তিনি সংস্থাটির চেয়ারম্যান পদে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব পেলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">77fa-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 19:47:18 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আটঘরিয়ায় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতিকে গুলি করে হত্যা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70656/d989-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>পাবনা প্রতিনিধি: </strong>পাবনার আটঘরিয়ার একদন্তে আদম আলী (৬০) নামের এক বিএনপি নেতাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুবৃত্তরা।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে একদন্ত হাট এলাকায় এঘটনা ঘটে।</p><p>নিহত আদম আলী ষাটগাছা গ্রামের আলহাজ্ব নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি শাটগাছা গ্রামের বাসিন্দা এবং একদন্ত ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ছিলেন। আদম আলী তামা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ছিলেন।</p><p>খবর পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।</p><p>পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে একদন্ত হাট থেকে বাজার নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন আদম আলী। পথে চন্ডীপাশা এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তার মোটরসাইকেল এর প্রতিরোধ করে। এ সময় তাকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি করা হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলাই তার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়।</p><p>আটঘরিয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. নাজমুল হক জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d989-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 19:34:12 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইতালির সাথে মিল রেখে খুলনা সিটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70655/ed44-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ২০১৫ সাল থেকে খাদ্য অপচয় রোধ ও ফুড সিকিউরিটিতে কাজ করা ইতালির মিলান শহরের মডেলে দেশটি বাংলাদেশেও কাজ করতে সম্মত হয়েছে। ইতালির সাথে মিল রেখে এক্ষেত্রে খুলনা সিটি কর্পোরেশনকে বেছে নেওয়া হয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, প্রতিবছর ১০ হাজার বৈধ শ্রমিক যাওয়ার সুযোগ আছে ইতালিতে। পরিবারসহ এই সংখ্যা ১২ হাজার।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তনিও আলেসান্দ্রো সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও সচিব মো. শহিদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।</p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, বহুসংখ্যক অবৈধ অভিবাসী আছে ইতালিতে। ইতালিতে অবস্থানরত আড়াই লাখ বাংলাদেশির প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই শরীয়তপুর ও মাদারীপুর অঞ্চলের। সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও ফরিদপুর অঞ্চলে যৌথ ওয়ার্কশপ আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, অবৈধভাবে যারা আছে, তাদের বৈধ করার বিষয়ে আলোচনা হয়নি। আর দালালের মাধ্যমে যারা অবৈধভাবে যাচ্ছে, তাদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে।</p><p>মালয়েশিয়ার শ্রমিক নেওয়া বিষয়ে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়ার বিষয়ে অনুরোধ করা হয়েছে।</p><p>তিনি আরও বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, ভাষায় প্রশিক্ষণ এবং পরিবেশগত ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে একমত হয়েছে দুই দেশ।&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ed44-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 19:24:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নগর পরিকল্পনায় দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70654/bc41-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দুই দিনব্যাপীজাতীয় নগর ফোরাম-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।</p><p>স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, নগরায়ণকে শুধু বড় ভবন, সড়ক, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন হিসেবে দেখলে হবে না। নগরের মানুষের জীবনযাত্রার মান, সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাই হতে হবে নগর উন্নয়নের মূল লক্ষ্য।</p><p>তিনি বলেন, পরিকল্পনার সময় সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের কথা বিশেষভাবে বিবেচনায় নিতে হবে। কারণ বিত্তবানরা নিজেদের প্রয়োজন অনেকটাই পূরণ করতে পারলেও দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্র ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।</p><p>মন্ত্রী আরও বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা জরুরি। নগরায়ণের সঙ্গে স্থানীয় সরকার ও কার্যকর শাসনব্যবস্থা ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।</p><p>স্থানীয় সরকার বিভাগ, ইউএনডিপি ও যুক্তরাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ফোরামে পল্লী এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, জনস্বাস্থ্য, নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কার্যকর নগর সেবা নিয়ে আলোচনা হয়।</p><p>অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষার্থী ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">bc41-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 19:00:52 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি আপসহীন: মাহ্দী আমিন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70653/675d-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>সময় ও প্রজন্ম বদলালেও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।</p><p>ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন সংগ্রাম এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আধুনিক রাষ্ট্রদর্শনকে ধারণ করে মেধাভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হবে।</p><p>ছাত্রদলের মতো এমন দেশপ্রেমিক ছাত্র সংগঠন সাথে থাকলে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে কোনো অপশক্তি রুখতে পারবে না বলেও দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী এই উপদেষ্টা।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা ২০২৬’ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে মাহ্দী আমিন এসব কথা বলেন। বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থা।</p><p>বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিএনপিই একমাত্র দল, যা দেশের প্রতিটি জাতীয় সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, ইতিহাস সাক্ষী দেয়, যতবারই বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে, ততবার বিএনপিই তা পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন বাকশাল-পরবর্তী বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন, তেমনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন। আর দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের পর সবার প্রাণপ্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আবারও আজ আমরা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে সুসংহত করছি।</p><p>বাক্‌স্বাধীনতার ইতিহাস এবং আধুনিক রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপির ভূমিকা অনন্য ও ঐতিহাসিক বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মাত্র চারটি রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্রের জায়গায় বন্ধ থাকা সব গণমাধ্যম উন্মুক্ত করে দিয়ে এ দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে এনেছিলেন। এরপর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে উন্মুক্ত মিডিয়া ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সুফল পেতে শুরু করে দেশ। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার এমন একটি পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে, যেখানে মৌলিক অধিকার, আইনের শাসন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পুরোপুরি নিশ্চিত থাকবে।</p><p>বাক্‌স্বাধীনতার আড়ালে অপপ্রচারের বিষয়ে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, একদল কুচক্রী মহল বাক্‌স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে নানা অপপ্রচার ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করে উসকানি দিচ্ছে। বাক্‌স্বাধীনতার নামে যারা চরম অশালীনতা ও মিথ্যাচার চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন তার নিজস্ব গতিতে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।</p><p>মাহ্দী আমিন বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে সবসময় নতজানু পররাষ্ট্রনীতির বৃত্ত ভেঙে স্বাধীন ও সার্বভৌম অবস্থান বজায় রাখে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সার্ক ও ওআইসিতে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকার মর্যাদা উঁচু করেছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে সেই আত্মমর্যাদাশীল ধারা আবারও ফিরে এসেছে। মালয়েশিয়া কিংবা চীনের মতো পরাশক্তিগুলোতে তাঁর বীরোচিত সংবর্ধনা তারই প্রমাণ।</p><p>রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিএনপিই বাংলাদেশের ইতিহাসে আধুনিক সংস্কারের মূল রূপকার। শহীদ জিয়ার ১৯ দফা থেকে শুরু করে দেশনেত্রীর ‘ভিশন ২০৩০’ এবং পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঐতিহাসিক ২৭ ও ৩১ দফার আলোকেই আজকের সমৃদ্ধ ও স্বাবলম্বী বাংলাদেশের পথরেখা রচিত হয়েছে।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বিএনপি এমন একটি সত্তা, যা আমাদের অস্তিত্ব ও আত্মপরিচয়ের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। আমরা অত্যন্ত গর্বের সাথে বলি, আমরা সেই দল করি যার প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান ঘোষক। তিনি যদি ১৯৭১ সালের সেই ২৬ মার্চ চরম মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা না দিতেন, তবে হয়তো বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথচলা আরও অনেকটা প্রলম্বিত হতো। তিনি কিন্তু কেবল স্বাধীনতার ঘোষণাই দিয়ে থেমে যাননি; একজন বীর সেক্টর কমান্ডার হিসেবে সরাসরি রণাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে লড়াই করেছেন।</p><p>ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার বিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে মাহ্দী আমিন বলেন, সেদিন দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ এক হয়ে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেছিলেন। এরপর বাকশালের পর তিনিই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। আজ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে জাতির যে নিজস্ব পরিচয়, তার প্রতিটি পরতে শহীদ জিয়াউর রহমান ও বিএনপির অবদান রয়েছে।</p><p>বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে একক সংগঠন হিসেবে বিএনপি সবচেয়ে বেশি রক্ত ও আত্মত্যাগ দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশের জন্য বিএনপির ৪২০ জনেরও বেশি নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। একক সংগঠন হিসেবে কেবল ছাত্রদলেরই ১৪০ জনেরও বেশি নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। এটিই বিএনপির রাজনীতির মাহাত্ম্য এবং ছাত্রদলের আসল শক্তি।</p><p>বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ব্যাখ্যা দিয়ে মাহ্দী আমিন বলেন, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, শ্রেণি, মত, পথ ও আদর্শ যা-ই হোক না কেন, সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভালোবেসে গণতান্ত্রিক আদর্শে এই দেশকে গড়ে তোলাই হলো বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। এই দর্শনে প্রতিটি মানুষের সমান অধিকার, বাক্‌স্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন থাকবে। পাশাপাশি রাষ্ট্র প্রতিটি নাগরিকের সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করবে।</p><p>২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, সেই অনিশ্চয়তার দিনগুলোতে যখন দেশে কোনো কার্যকর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন বা সরকার ছিল না, তখন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনায় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সারা দেশে জনগণের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। বিএনপি নেতাকর্মীদের সেই ভূমিকার কারণেই তৎকালীন সময়ে দেশকে স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়েছিল।</p><p>সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের অধিকার সুরক্ষার পাশাপাশি সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি বিএনপি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও আস্থা বজায় রেখেছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থার বিষয়টি সন্নিবেশিত হয়। পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আলেম-ওলামা ও মাশায়েখদের রাষ্ট্র পরিচালনায় সম্মানজনকভাবে সম্পৃক্ত করেছিলেন। আর বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ সব ধর্মের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে যথাযথ সম্মান ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করা হচ্ছে।</p><p>বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গার্মেন্টস খাত ও বিদেশে জনশক্তি রফতানি-এই দু’টি প্রধান স্তম্ভের মূল রূপকার ছিলেন শহীদ জিয়াউর রহমান। প্রায় পাঁচ দশক ধরে দেশের অর্থনীতি যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, তার সূচনা তিনিই করেছিলেন। এছাড়া খাল খনন, সবুজ বিপ্লব, গ্রাম সরকার গঠন ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মতো উদ্যোগগুলো আজ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আরও আধুনিক রূপ নিয়েছে। বর্তমান সরকারের ‘কৃষক কার্ড’ এবং ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রবর্তন মূলত বিএনপির সেই গণমুখী রাজনীতিরই ধারাবাহিকতা।</p><p>স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন তুলে ধরে মাহ্দী আমিন বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে শহীদ জিয়া উপজেলায় ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণ শুরু করেছিলেন, যা বেগম খালেদা জিয়া ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সারা দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে পর্যায়ক্রমে ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতালে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়েছে।</p><p>ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় কমিটি কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা হাবিবা, বিএনপির নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল ও জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জহির দীপ্তি। সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">675d-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 18:18:03 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সাড়ে ১১ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70652/8721-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত ৪১ হাজার ৮০৬টি পদের মধ্যে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। শূন্য পদগুলোতে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন তিনি।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।</p><p>স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে অনুমোদিত ৪১ হাজার ৮০৬টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৩০ হাজার ৩১১ জন। ফলে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদই বর্তমানে শূন্য।</p><p>তিনি জানান, জনসংখ্যার অনুপাতে চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্য জনবল মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়। ২০২৬ সালে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত একটি গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যূনতম মানদণ্ড—প্রতি এক হাজার মানুষের জন্য দশমিক ৫০ জন চিকিৎসক—অনুযায়ী ওই বছর বাংলাদেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন হবে।</p><p>সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশে চিকিৎসকের মোট সংখ্যা এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এক নয়। সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদ পূরণ এবং জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন নিয়োগ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।</p><p>তিনি জানান, ৪৪তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী সার্জন নিয়োগের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।</p><p>সরকারের চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন পদ সৃষ্টি করে জনগণের জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8721-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 18:08:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সারাদেশে ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Health-treatment/70651/c554-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪ জন মারা গেছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২৩৩ জন।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এ তথ্য।</p><p>এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৫৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৮ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ২২৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ১৩৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১৪৩ জন, খুলনা বিভাগে ২৩৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ৯৯ জন, রংপুর বিভাগে ৩৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ৫ জন রয়েছেন।</p><p>চলতি বছরের ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৩ হাজার ৮২৩ জন। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ১২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c554-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 18:02:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বকশীগঞ্জে বৃদ্ধার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70650/4ba1-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি:</strong> জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক বৃদ্ধার বসতঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে বকশীগঞ্জ থানায় লিখিত একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী বৃদ্ধা। এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর রোববার গভীর রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের গুমের চর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এতে টিনের দুচালা বসত ঘর, নগদ টাকা ও আসবাবপত্র পুড়ে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।</p><p>জানা গেছে, নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের গুমের চর গ্রামের মৃত আ. করিমের স্ত্রী নুরেদা বেগম (৬০) তার মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান।</p><p>বৃদ্ধা নুরেদা বেগম বাড়িতে না থাকায় রোববার দিবাগত গভীর রাতে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। মুহূর্তেই আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায় ওই বৃদ্ধার বসত ঘর। এতে করে ঘরে থাকা জমি বিক্রির নগদ ২ লাখ টাকাসহ সাড়ে ৪ লাখ টাকার গৃহস্থালির জিনিসপত্র ভস্মীভূত হয়। এঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।</p><p>বৃদ্ধা নুরেদা বেগম বলেন, আমি আমার চার মেয়েকে জমি লিখে দেওয়ায় আমার সৎ ছেলে ও সৎ নাতিরা ক্ষুব্ধ হয়। সম্পত্তি না পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আমাকে মারধর ও বাড়ি থেকে বিতাড়িত করার হুমকি দিয়ে আসছিল তাঁরা। এর জের ধরেই তাঁরা আমার বসত ঘরে আগুন দিয়েছে। আমি এর বিচার চাই।</p><p>বসত ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনায় বৃদ্ধা নুরেদা বেগম বকশীগঞ্জ থানায় তাঁর সৎ ছেলে শাজাহান, নাতি মো. সাইফুল, আমিনুল হক সহ ৮ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।</p><p>বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মকবুল হোসেন জানান, এঘটনার সঠিক তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4ba1-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 17:45:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ভোটার এলাকা পরিবর্তন করলেন আসিফ মাহমুদ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70649/cbf1-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তাঁর ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন।</p><p>এর আগে তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর ভোটার এলাকা পরিবর্তন করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন আফতাবনগর এলাকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।</p><p>ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম-১৩-এর মাধ্যমে আবেদন করেন আসিফ মাহমুদ। আবেদনের পর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও দাপ্তরিক নথিপত্র পরীক্ষা শেষে নির্বাচন কমিশন তাঁর আবেদন অনুমোদন করে।</p><p>এর ফলে আসিফ মাহমুদের ভোটার নিবন্ধন এখন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">cbf1-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 17:32:39 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দারিদ্র্য দূরীকরণে বিএনপি সবসময়ই ছিল চ্যাম্পিয়ন: রিজভী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70648/1c15-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দারিদ্র্য দূরীকরণে বিএনপি সরকার সবসময়ই চ্যাম্পিয়ন ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপির আলোচনাসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।</p><p>এ সময় ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, অর্থমন্ত্রী হিসেবে সাইফুর রহমান এমন একজন অর্থনীতির ব্যবস্থাপক ছিলেন, যিনি টাকা পাচার বন্ধ করেছিলেন। সারা বিশ্বে অভিনন্দিত হয়েছেন। অর্থমন্ত্রী হিসেবে তার সুপার ক্যাপাসিটি ছিল। তার কৃষি অর্থনীতির কর্মসূচিগুলো দেশে কার্তিক মাসের অভাবের সময় দূরীভূত করেছে।</p><p>তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে ব্যাংক লুট করে টাকা নিয়ে যাওয়ার যে সিন্ডিকেশন দেখেছি, সাইফুর রহমান যখন অর্থমন্ত্রী ছিলেন তখন টাকা লুটপাট, পাচারের কথা শুনিনি। এমনকি ব্যাংকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সরকারের বাজেট ঘাটতি পুরন কথা শুনিনি।</p><p>অথচ পরবর্তী ১৭ বছরে ছিলো লুটপাটের বাজেট। গোটা দেশকে অর্থনৈতিক ভাবে ফাঁকা- স্থানীয় ভাষায় যাকে বলে ফোকলা করে দেওয়া হয়েছে।</p><p>রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপির আমল সব সময় গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নের। দারিদ্র্য দূরীকরণে বিএনপি সবসময়ই ছিল চ্যাম্পিয়ন।</p><p>তিনি আরও বলেন, সাইফুর রহমান যখন অর্থমন্ত্রী ছিলে তখন শেয়ার বাজার লুট হয়নি। এটি তার বিশাল অবদান। দেশের অর্থনীতিকে একটি মজবুত জায়গায় নিতে সাইফুর রহমানের বিশাল অবদান ছিল।</p><p>ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, একটি দেশ কৃষি অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে সমৃদ্ধির দিকে যাবে এটা কেউ ভাবতে পারেনি। অর্থমন্ত্রী হিসেবে সাইফুর রহমান পেরেছিলেন। আজকে দেশের অর্থনীতির যে ভীত তা সাইফুর রহমানের একক অবদান। সামাজিক সুরক্ষা ধারণা এদেশে প্রথম দিয়েছিলেন সাইফুর রহমান।</p><p>তিনি বলেন, এই দেশ আবার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে বলে সবাই আশা করে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1c15-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 17:09:52 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70647/7423-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>সাক্ষাৎকালে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের আওতায় দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের পরবর্তী সভা এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগার সংরক্ষণে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রটোকলের ধারাবাহিকতায় পরবর্তী দ্বিপক্ষীয় সভা বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে দুপক্ষ একমত পোষণ করেন। তবে, আন্তঃসীমান্ত এশীয় হাতি সংরক্ষণে পরবর্তী সভা ভারতে অনুষ্ঠিত হবার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়াও পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, আন্তঃসীমান্ত পরিবেশগত সমস্যা, কার্বন ক্রেডিট, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং সবুজ অর্থনীতির বিকাশ নিয়েও মতবিনিময় হয়।</p><p>পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হওয়ায় দুই দেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশগত স্বার্থও পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। জলবায়ু পরিবর্তন, বন্যা, খরা, নদী ও জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বায়ুদূষণ এবং জীববৈচিত্র্যের অবক্ষয়ের মতো চ্যালেঞ্জ কোনো একক দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এসব সমস্যা মোকাবিলায় পারস্পরিক আস্থা, তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং কার্যকর আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।</p><p>তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আগ্রহী। দুই দেশের জনগণের কল্যাণ ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে সহযোগিতা আগামী দিনে আরও গভীর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।</p><p>মন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পরিবেশ সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। এক্ষেত্রে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তি, জ্ঞান ও সফল অভিজ্ঞতা বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</p><p>প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম সুন্দরবনসহ বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন প্রতিবেশগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে যৌথ উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সুন্দরবন দুই দেশের একটি অভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় এ ম্যানগ্রোভ বন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা বলয় হিসেবে কাজ করে। সুন্দরবনের প্রতিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় গবেষণা, প্রযুক্তি এবং ব্যবস্থাপনা অভিজ্ঞতা বিনিময় আরও বাড়ানো যেতে পারে।</p><p>বৈঠকে আন্তঃসীমান্ত বায়ুদূষণ ও নদীদূষণ নিয়েও আলোচনা হয়। দুই পক্ষ এ ধরনের পরিবেশগত সমস্যা মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক তথ্য বিনিময়, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ এবং কার্যকর সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p><p>ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথভাবে কাজ করার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p><p>ভারতীয় হাইকমিশনারও বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।</p><p>এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7423-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 16:46:37 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশে হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Health-treatment/70646/fe49-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর দেশে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হামে ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৯৭ জনে।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, রোববার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ২ জন মারা গেছেন। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ২১৬ জন রোগী এসেছে।</p><p>বিভাগভিত্তিক হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৪৬৮ জন, রাজশাহীতে ৩০, সিলেটে ১৫৫, চট্টগ্রামে ২৪৯, বরিশালে ১৩৫, ময়মনসিংহে ৮৬, খুলনায় ৭৯ এবং রংপুরে ১৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৭০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৩১ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">fe49-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 16:44:41 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: অর্থমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70645/6ae1-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কর্মসংস্থান ব্যাংক আয়োজিত ক্ষুদ্র ব্যবসা, ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ তহবিল প্রকল্পের উদ্বোধন ও ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি ৫০ কোটি টাকার একটি পাইলট প্রকল্প। যারা ব্যাংকে যেতে ভয় পান, তাদের ঋণ দিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতেই কর্মসংস্থান ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়েছিল।</p><p>আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। কর্মসংস্থান ব্যাংকের নতুন প্রকল্পটির আওতায় দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।</p><p>তিনি বলেন, সরকার নতুন এক উদ্যোগ নিয়েছে ক্রিয়েটিভ বা সৃজনশীল অর্থনীতি। প্রান্তিক সৃজনশীল মানুষকে শুধু ঋণ দেওয়া হচ্ছে না, তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে পণ্যের ব্র্যান্ডিংও করা হচ্ছে। মার্কেটিং ব্র্যান্ডিংও করা হচ্ছে।</p><p>কর্মসংস্থান ব্যাংককেও বলবো এমন কর্মসূচি হাতে নিতে। এটা জিডিপি, চ্যারিটি নয়। এমনকি গানসহ বিভিন্ন সৃজনশীলতা যাদের আছে তাদেরও প্রমোট করা যায়। তারাও অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে। সরকার এসবকে মনিটাইজ করতে চায়। সেক্ষেত্রে তাদের ভ্যালু অ্যাড করে মার্কেটেবল করতে চায়। তাদের অর্থনীতির মূল স্রোতে আনতে চায়। সরকার ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে মনোযোগ দিতে চায়, সহায়তা করতে চায়। এটা করতে পারলে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।</p><p>তিনি আরও বলেন, কর্মসংস্থান ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বা এনপিএল ৪ থেকে ১ বা ২ শতাংশে নামিয়ে আনতে পারলে ভালো হবে। ব্যাংকটি ভালো করছে, প্রফিটও করছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6ae1-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 16:40:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: অর্থমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/70645/6ae1-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কর্মসংস্থান ব্যাংক আয়োজিত ক্ষুদ্র ব্যবসা, ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ তহবিল প্রকল্পের উদ্বোধন ও ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি ৫০ কোটি টাকার একটি পাইলট প্রকল্প। যারা ব্যাংকে যেতে ভয় পান, তাদের ঋণ দিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতেই কর্মসংস্থান ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়েছিল।</p><p>আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। কর্মসংস্থান ব্যাংকের নতুন প্রকল্পটির আওতায় দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।</p><p>তিনি বলেন, সরকার নতুন এক উদ্যোগ নিয়েছে ক্রিয়েটিভ বা সৃজনশীল অর্থনীতি। প্রান্তিক সৃজনশীল মানুষকে শুধু ঋণ দেওয়া হচ্ছে না, তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে পণ্যের ব্র্যান্ডিংও করা হচ্ছে। মার্কেটিং ব্র্যান্ডিংও করা হচ্ছে।</p><p>কর্মসংস্থান ব্যাংককেও বলবো এমন কর্মসূচি হাতে নিতে। এটা জিডিপি, চ্যারিটি নয়। এমনকি গানসহ বিভিন্ন সৃজনশীলতা যাদের আছে তাদেরও প্রমোট করা যায়। তারাও অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে। সরকার এসবকে মনিটাইজ করতে চায়। সেক্ষেত্রে তাদের ভ্যালু অ্যাড করে মার্কেটেবল করতে চায়। তাদের অর্থনীতির মূল স্রোতে আনতে চায়। সরকার ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে মনোযোগ দিতে চায়, সহায়তা করতে চায়। এটা করতে পারলে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।</p><p>তিনি আরও বলেন, কর্মসংস্থান ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বা এনপিএল ৪ থেকে ১ বা ২ শতাংশে নামিয়ে আনতে পারলে ভালো হবে। ব্যাংকটি ভালো করছে, প্রফিটও করছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6ae1-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 16:40:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এবার ভোটার এলাকা স্থানান্তর করলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70644/e344-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনে ভোটার এলাকা স্থানান্তর করলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।</p><p>তিনি পূর্বে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উত্তরা এলাকার নিবন্ধিত ভোটার থাকলেও, সম্প্রতি তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনের ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।</p><p>নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্ধারিত ফরম-১৩ এর মাধ্যমে সকল আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন করেছিলেন তিনি। নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও দাফতরিক নথি পরীক্ষা শেষে তার ভোটার স্থানান্তরের অনুমোদন দিয়েছে। সূ্ত্র: যমুনা টিভি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e344-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 16:20:53 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজ বিকেলে জামায়াতের বিক্ষোভ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70643/d6a1-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> জাতীয় সংসদে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন আইন পাসের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে জামায়াতে ইসলামী।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেল সাড়ে চারটায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি থাকবেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি।</p><p>ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির সভাপতিত্বে বিক্ষোভে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখবেন।</p><p>এর আগে একই ইস্যুতে রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াক আউট করেন বিরোধী দলীয় এমপিরা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d6a1-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 16:18:13 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজ বিকেলে জামায়াতের বিক্ষোভ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Jamaat-e-Islami/70643/d6a1-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> জাতীয় সংসদে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন আইন পাসের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে জামায়াতে ইসলামী।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেল সাড়ে চারটায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি থাকবেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি।</p><p>ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির সভাপতিত্বে বিক্ষোভে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখবেন।</p><p>এর আগে একই ইস্যুতে রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াক আউট করেন বিরোধী দলীয় এমপিরা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d6a1-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 16:18:13 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের আর আপিলের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/70642/8775-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে আর সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। তিনি যেকোনো কারণেই হোক দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না। আপিলও করেননি। আমাদের আইনে ২১-এর ৩-এ পরিষ্কার বলা হয়েছে যে, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। যদি এর মধ্যে আপিল করা না যায়, তাহলে আর গ্রহণযোগ্য হবে না। সেটা যে কারো ক্ষেত্রেই হোক। পলাতক বা কারাগারে থাকলেও ৩০ দিনের মধ্যে আপিল ফাইল করতে হবে। অর্থাৎ সেটা হোক শেখ হাসিনার কিংবা মাওলানা আবুল কালাম আজাদের।</p><p>চিফ প্রসিকিউটর বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আমি এসব আইন দেখিয়েছি। এছাড়া মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিলটি এখনও গ্রহণই করেননি আপিল বিভাগ। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে এখন কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই। আমার মনে হয় আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তারা আর নেননি।</p><p>তিনি আরও বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কেউ যদি আপিল না করেন, তাহলে অন্য কোনো ফোরামেও আর আইনগত প্রতিকার চাওয়ার উপায় থাকবে না। অতএব ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পরিপ্রক্ষিতে যদি ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তাহলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প আছে বলে আমার কাছে মনে হয় না। তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার। এটি সরকারের একটা ইনহেরেন্ট পাওয়ার তথা অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা। তারা যে কারো ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করতে পারে আবার কারো ক্ষেত্রে নাও করতে পারে। এটা সরকারের ইচ্ছা।&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8775-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 15:53:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রাঙামাটিতে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার ১২]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70641/2fc6-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>রাঙামাটি প্রতিনিধি: </strong>রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতি, চুরি, মাদক সেবন ও মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় গ্রেফতারদের থেকে ৪০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। অভিযানে সিআর পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।</p><p>পুলিশ জানায়, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএমের নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি আভিযানিক দল পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়।</p><p>অভিযানে কর্মচারী কলোনির বাসিন্দা মো. ফজল করিম (৩৬)কে ডাকাতি সংগঠনের অপরাধে গ্রেফতার করা হয়। অপরদিকে মিরাজুল ইসলাম রনি (২৬)কে চুরি সংগঠন এবং বসতঘরে আগুন লাগানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।</p><p>এ ছাড়া বাবু চাকমা (৪৫), অমর বিকাশ চাকমা (৩৫), মো. নুরুল আলম (৩৯), নান্টু কুমার রুদ্র (৪০), মিজান উদ্দিন চৌধুরী (৩৬), পাঞ্জু মল্লিক (৫৪), প্রিয় জীবন চাকমা (১৯) ও পুলক দেব (৪৫)-কে মাদক সেবন এবং মাদক ক্রয়-বিক্রয়ে সহায়তার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে ৪০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।</p><p>অন্যদিকে সিলেটি পাড়া এলাকার বাসিন্দা মিরাজ মিয়া (৪৭)কে সিআর পরোয়ানামূলে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট অপরাধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ২ নম্বর আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদেরও প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।</p><p>রাঙামাটি কোতয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2fc6-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 15:50:53 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নড়াইলে সর্বজনীন পেনশন স্কিম মেলা অনুষ্ঠিত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70640/8757-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নড়াইল প্রতিনিধি: </strong>নড়াইলে সাধারণ মানুষকে সার্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা এবং এর সুবিধা সমূহ সবার মাঝে অবহিত করার লক্ষ্যে দিনব্যাপী পেনশন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p><p>জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ (অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়) এবং নড়াইল জেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১১টার দিকে জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে এ মেলা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষ্যে দুপুরে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</p><p>তাছাড়া এ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম। প্রধান অতিথি হিসেবে দেন নড়াইল-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম।&nbsp;</p><p>বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান, জেলা পরিষদ প্রশাসক বীরমুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান আলেক। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের (তহবিল ব্যবস্থাপনা) সদস্য মুন্সী আবদুল আহাদ, অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব আ ফ ম ফজলে রাব্বী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুর-ই আলম সিদ্দিকি প্রমুখ।</p><p>আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা মেলায় অবস্থিত ২৩টি স্টল ঘুরে দেখেন। মেলায় সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতাধীন ৪টি ক্যাটাগরি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ‘প্রবাস’, বেসরকারি কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘প্রগতি’, স্বকর্ম ও অ-প্রাতিষ্ঠানিক কর্মীদের জন্য ‘সুরক্ষা’ এবং স্বল্প আয়ের ব্যক্তিদের জন্য ‘সমতা’ স্কিম সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা ও তথ্য প্রদান করা হয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8757-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 15:23:01 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত: ববি হাজাজ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/education/70639/d1b0-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। সরকারের এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজাজ।</p><p>তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি আপাতত বন্ধ থাকবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। &nbsp;</p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, বদলি কার্যক্রমে নানা অনিয়ম ও জটিলতা দেখা দেওয়ায় বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p>চলতি বছর ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১টি জেলায় ১ হাজার ৪০৮টি কেন্দ্রে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২১ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীর ফল প্রকাশ করা হয়। পরে মৌখিক পরীক্ষা শেষে ফেব্রুয়ারি মাসে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে চূড়ান্ত সুপারিশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।</p><p>প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘১৪ হাজারের বেশি যে নিয়োগ হবে, তার জন্য সব বদলি এখন স্থগিত। ১৪ হাজারের ফিক্সড হয়ে গেলে নতুন করে আবার চালু হবে। তখন এটা নেওয়া যাবে।’</p><p>তিনি বলেন, ‘নতুন শিক্ষকদের নিয়োগের পর আবার বদলি চালু হবে। তখন বর্তমান সিস্টেমটা, যে নীতিমালায় বদলিটা চলছিল সেটাতে হবে না অন্য কিছুতে হবে, সেটা তখনই বলা যাবে। যেহেতু তখন চেঞ্জ হতে পারে, তাহলে সেটা নিয়ে এখন আবার আলোচনার প্রয়োজন।’</p><p>প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘উপবৃত্তিসহ সব বিষয়ের দিকে আমরা নজর রাখছি এবং সেই আঙ্গিকে আমরা কাজ করব। তবে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে যে ফিডব্যাক পাই যে, এটা আরো নিড বেসড মানে ফাইনান্সিয়াল নিড বেস হলে সবচেয়ে বেশি ভালো হয়। তখন আগামী দিনগুলোতে আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে, যেন এটা ফাইনান্সিয়াল নিড বেসিসের ওপরে হয় এবং সংখ্যাটা আরো বাড়ে।’</p><p>ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানসম্মত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশু-কিশোরদের শিক্ষার আওতায় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। সরকারের উন্নয়ন দর্শনে শিক্ষা ও কর্মদক্ষতার সমন্বয়, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। 'সবার আগে বাংলাদেশ'-এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য শিক্ষা ও দক্ষতার সুযোগ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d1b0-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 15:20:19 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত: ববি হাজাজ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70639/d1b0-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। সরকারের এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজাজ।</p><p>তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি আপাতত বন্ধ থাকবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। &nbsp;</p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, বদলি কার্যক্রমে নানা অনিয়ম ও জটিলতা দেখা দেওয়ায় বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p>চলতি বছর ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১টি জেলায় ১ হাজার ৪০৮টি কেন্দ্রে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২১ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীর ফল প্রকাশ করা হয়। পরে মৌখিক পরীক্ষা শেষে ফেব্রুয়ারি মাসে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে চূড়ান্ত সুপারিশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।</p><p>প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘১৪ হাজারের বেশি যে নিয়োগ হবে, তার জন্য সব বদলি এখন স্থগিত। ১৪ হাজারের ফিক্সড হয়ে গেলে নতুন করে আবার চালু হবে। তখন এটা নেওয়া যাবে।’</p><p>তিনি বলেন, ‘নতুন শিক্ষকদের নিয়োগের পর আবার বদলি চালু হবে। তখন বর্তমান সিস্টেমটা, যে নীতিমালায় বদলিটা চলছিল সেটাতে হবে না অন্য কিছুতে হবে, সেটা তখনই বলা যাবে। যেহেতু তখন চেঞ্জ হতে পারে, তাহলে সেটা নিয়ে এখন আবার আলোচনার প্রয়োজন।’</p><p>প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘উপবৃত্তিসহ সব বিষয়ের দিকে আমরা নজর রাখছি এবং সেই আঙ্গিকে আমরা কাজ করব। তবে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে যে ফিডব্যাক পাই যে, এটা আরো নিড বেসড মানে ফাইনান্সিয়াল নিড বেস হলে সবচেয়ে বেশি ভালো হয়। তখন আগামী দিনগুলোতে আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে, যেন এটা ফাইনান্সিয়াল নিড বেসিসের ওপরে হয় এবং সংখ্যাটা আরো বাড়ে।’</p><p>ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানসম্মত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশু-কিশোরদের শিক্ষার আওতায় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। সরকারের উন্নয়ন দর্শনে শিক্ষা ও কর্মদক্ষতার সমন্বয়, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। 'সবার আগে বাংলাদেশ'-এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য শিক্ষা ও দক্ষতার সুযোগ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d1b0-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 15:20:19 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নারায়ণগঞ্জে শর্টগানের কার্তুজ উদ্ধার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70638/d482-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:</strong> নারায়ণগঞ্জের খানপুর হাজীগঞ্জ কেল্লা এলাকা থেকে ৮ রাউন্ড শর্ট গানের কার্তুজ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১১। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার র‍্যাব-১১-এর মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা উজ্জ্বল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাজীগঞ্জ কেল্লার প্রধান ফটকের প্রায় ৫০ মিটার পূর্বে কেল্লার সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন ঝোপের ভেতর থেকে কার্তুজগুলো উদ্ধার করা হয়।</p><p>র‍্যাব-১১ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ৮টার দিকে র‍্যাব-১১, সিপিসি-১-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল হাজীগঞ্জ কেল্লা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ছিনতাই ও মাদকের স্পট হিসেবে পরিচিত ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন ব্যক্তি দ্রুত পালিয়ে যায়।</p><p>পরে র‍্যাব সদস্যরা আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালান। একপর্যায়ে কেল্লার প্রধান ফটকের প্রায় ৫০ মিটার পূর্বে সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন ঝোপের ভেতর পরিত্যক্ত অবস্থায় ৮ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ পাওয়া যায়।</p><p>উদ্ধার করা কার্তুজগুলো পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d482-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 15:05:19 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ঋণের দায়ে বাড়ি ছাড়া বিধবা জোসনা, বিক্রি করছেন নিজের কিডনি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70637/9af3-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি: </strong>জামালপুরের বকশিগঞ্জ উপজেলায় স্বামীর চিকিৎসার জন্য নেওয়া ঋণের বোঝা আর পাওনাদারদের নির্মম চাপ সইতে না পেরে নিজের কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এক অসহায় বিধবা মহিলা জোসনা বেগম। ষাটোর্ধ্ব জোসনা বেগমের এই করুণ আকুতি স্তব্ধ করে দিয়েছে স্থানীয়দের মাঝে। এনজিওর কিস্তি আর দেনাদারদের ভয়ে এখন বাড়িছাড়া এই নারী।</p><p>বকশীগঞ্জ উপজেলার সূর্যনগর গ্রামের এই বিধবা নারীর চোখে এখন শুধুই অন্ধকারের পথ। প্রায় দুই বছর আগে মারা যান স্বামী আবদুল খালেক। কিন্তু মৃত্যুর আগে তাঁর দীর্ঘদিনের ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালাতে গিয়ে জোসনা বেগমকে জড়াতে হয় বিভিন্ন এনজিও ও স্থানীয় দাদন ব্যবসায়ীদের ঋণের জালে।</p><p>জোসনা বেগম বলেন, স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে সব শেষ করছি বাবা। এখন প্রতিদিন কিস্তির মানুষ আইসা চিল্লাই-পাল্লাই করে। পাওনাদারদের ডরে নিজের বাড়িতে ঘুমাইতে পারি না, পালিয়ে পালিয়ে বেড়ানো লাগে। এই ঋণের টাকা শোধ করার আর কোনো পথ নাই আমার, তাই নিজের কিডনি বেঁচে দিতে চাই।</p><p>স্বামীর চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে আগেই হারিয়েছেন শেষ সম্বলটুকু। বর্তমানে আয়ের কোনো উৎস না থাকায় প্রতিদিনের এনজিওর কিস্তি আর সুদের টাকার তাগাদায় দিশেহারা তিনি। মামলার ভয় আর মানসিক যন্ত্রণায় প্রায়ই তাকে পালিয়ে বেড়াতে হয় বাড়ি ছেড়ে। নিরুপায় হয়েই তাই নিজের শরীরের অঙ্গ বিক্রির এই চরম ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।</p><p>স্থানীয় বাসিন্দারা মুকুল মিয়া বলেন, খালেক ভাই মারা যাওয়ার পর থেকে এই পরিবারটা একদম ভাইঙ্গা পড়ছে। প্রতিদিন মানুষ আইসা টাকার জন্য চিল্লাচিল্লি করে। একটা বুড়া মানুষ কই যাইবো, কী খাবো? ওনার এই কিডনি বিক্রির কথা শুনে আমাদের খুব কষ্ট লাগতেছে, সরকারের উচিত ওনাকে সাহায্য করা।</p><p>স্থানীয়রা বলেন, ঋণের এমন নিষ্ঠুর চক্রে পড়ে অঙ্গ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘটনা পুরো এলাকার জন্য লজ্জাজনক। এই অসহায় বিধবাকে বাঁচাতে এবং ক্ষুদ্র ঋণের এই অমানবিক চাপ থেকে তাকে মুক্ত করতে বিত্তবান ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9af3-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 14:54:18 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট: প্রধানমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70636/c99c-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাপান সরকারের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন ইয়োহেই সাসাকাওয়া।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ স্বাধীন এসব তথ্য জানান।</p><p>বৈঠকে জাপান সরকারের বিশেষ দূত বলেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য নিরসনে কাজ করছেন। মিয়ানমারে বিষয়ে জাপান সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে তার ভূমিকার কথাও তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানান।</p><p>রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে উল্লেখ করে জাপানের বিশেষ দূত বলেন, এ পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি অবগত। রোহিঙ্গাদের সহায়তায় জাপান সরকারের বিভিন্ন অনুদান ও মানবিক সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।</p><p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাসাকাওয়াকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং তার দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট। এ সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।</p><p>তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ এমনিতেই একটি জনবহুল দেশ। দীর্ঘসময় ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতি, অবকাঠামো ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।</p><p>রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে নিজের অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার জন্য জাপানের বিশেষ দূতের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রত্যাবাসনের পর মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত।</p><p>এ সময় বিশেষ দূত বলেন, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে তার সঙ্গে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের আলোচনা হয়েছে। মিয়ানমার সরকার এই সংকটের সমাধানে আন্তরিক বলে তিনি মনে করেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, রাখাইন প্রদেশের বর্তমান জটিল পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন অগ্রগতিতে সময় লাগছে।</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সব ধরনের সহযোগিতা করতে আগ্রহী। কারণ, নিজ দেশে ফিরে গেলে রোহিঙ্গাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।</p><p>বিশেষ দূত প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে বলেন, তার অবস্থান থেকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তিনি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।</p><p>বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে শুধু দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টার ওপর নির্ভর না করে বহুপক্ষীয় উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়।</p><p>প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে বাংলাদেশে একটি ভ্যাকসিন উৎপাদনকেন্দ্র তৈরিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। বিশেষ দূত বিষয়টি নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন বলে জানান।</p><p>এছাড়া বাংলাদেশ জাপানের বিনিয়োগ পেতে আগ্রহী এবং দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে জানান। একই সঙ্গে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও উন্নত করার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের আগ্রহের কথা তিনি তুলে ধরেন।</p><p>এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c99c-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 14:46:16 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রাঙামাটিতে দুর্গম মানুষের পাশে সেনাবাহিনী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/70635/4999-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>রাঙামাটি প্রতিনিধি:</strong> দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে রাঙামাটিতে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি এ উদ্যোগে পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তাও তুলে ধরা হয়।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে রাঙামাটি সদর জোনের উদ্যোগে সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন রাঙামাটি সদর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল একরামুল রাহাত। দিনব্যাপী আয়োজনে দুর্গম এলাকার অসহায় ও দুস্থ নারী, পুরুষ ও শিশুসহ শত শত মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।</p><p>ক্যাম্পে রোগীদের বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করা হয়। দূরবর্তী পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী অনেক মানুষকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে যেতে হয়। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে এ ধরনের চিকিৎসা ক্যাম্প তাদের জন্য স্বস্তির সুযোগ তৈরি করেছে।</p><p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল একরামুল রাহাত বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার পাশাপাশি প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সেনাবাহিনী বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। দুর্গমতা ও দূরত্বের কারণে যারা প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন, তাদের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াই এ ধরনের উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।</p><p>তিনি বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।</p><p>চিকিৎসাসেবা নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাদের মতে, দুর্গম এলাকার মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পাওয়ার সুযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলোর জন্য এ ধরনের আয়োজন সরাসরি উপকার বয়ে আনে।</p><p>স্থানীয়দের ভাষ্য, চিকিৎসার পাশাপাশি পাহাড়ি-বাঙালি সবার অংশগ্রহণে আয়োজিত এ ধরনের কর্মসূচি পারস্পরিক যোগাযোগ ও সৌহার্দ্য বাড়াতেও ভূমিকা রাখে।</p><p>অনুষ্ঠানে সাপছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রবীন চাকমা, ইউপি সদস্য রিটন বড়ুয়া, মাবিকছড়ি বাজার সমিতির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম সগির, সাপছড়ি যুবদলের সভাপতি আব্দুল বাছা, সমাজ কমিটির সদস্য মো. জাহাঙ্গীরসহ স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4999-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 14:29:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ‘প্রবেশের চেষ্টা’, সেই যুবক রিমান্ডে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/70634/4e08-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ঢাকার ফার্মগেটে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য নির্ধারিত নিরাপত্তা বেষ্টনীতে প্রবেশের চেষ্টা করার অভিযোগে আটক সেই বাইকচালককে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুর রহমান আসামি মুহিবুল্লাহ মুবিনকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানিকালে আদালতে তোলা হয়। রাষ্ট্র পক্ষে অ্যাডভোকেট শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন। পরে আদালত তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।</p><p>গত শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের পরেই এ ঘটনা ঘটে বলে জানায় পুলিশ।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4e08-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 14:25:02 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দারিদ্রতা দূরীকরণে বিএনপি সবসময় ছিল চ্যাম্পিয়ন: ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/70633/9d8e-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় থাকে, কখনো শেয়ার বাজার লুট হয়নি। বিএনপির আমলে সবসময় গ্রামীণ রাস্তাঘাটে উন্নয়ন হয়। মেগা প্রজেক্ট, ফ্লাইওভার এগুলো দেখায়নি। এই কারণে দারিদ্রতা দূরীকরণে বিএনপি সবসময় ছিল চ্যাম্পিয়ন।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক মন্ত্রী সাইফুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।</p><p>রুহুল কবির রিজভী বলেন, &nbsp;অনেক সংকট মোকাবেলা করা গেছে। কারণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া একজন সুযোগ্য অর্থনীতিবিদ পেয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী হিসেবে। যিনি ছিলেন আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত এবং দেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির বাস্তবতা হৃদয় দিয়ে অনুভব করতেন।</p><p>তিনি আরও বলেন, সাইফুর রহমান যখন অর্থমন্ত্রী ছিলেন, তখন কিন্তু কখনও শেয়ারবাজার লুট হয়নি। আপনি শুনেছেন ২০০১ থেকে ২০০৬ শেয়ারবাজার হরিলুট হয়েছে? ৯১ থেকে ৯৬ শেয়ারবাজার কোনো লুণ্ঠন হয়েছে? এটার কারণ সাইফুর রহমানের ব্যবস্থাপনা। তিনি ঠিকই বুঝতে পারতেন যে কারা এখানে ফটকাবাজি করছে। ঠিক ওই সময় তিনি লকইন করা অন্যান্য পদক্ষেপ নিতেন।</p><p>সূত্র: নিউজ ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9d8e-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 14:09:34 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: অর্থমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70631/b0d8-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দেশে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে উদ্যোক্তা তৈরির ওপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার কর্মসংস্থান ব্যাংক আয়োজিত ‘ক্ষুদ্র ব্যবসা, ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ তহবিল’ প্রকল্পের উদ্বোধন ও ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।</p><p>আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। কর্মসংস্থান ব্যাংকের নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।</p><p>অর্থমন্ত্রী জানান, নতুন প্রকল্পটি একটি পাইলট প্রকল্প। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০ কোটি টাকা।</p><p>তিনি বলেন, যারা ব্যাংকে যেতে ভয় পান বা প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে রয়েছেন, তাদের ঋণ দেওয়ার মাধ্যমে কর্মসংস্থানে যুক্ত করে উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যেই কর্মসংস্থান ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এ ধরনের আরও কার্যকর কর্মসূচি হাতে নিতে তিনি কর্মসংস্থান ব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানান।</p><p>অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এটি কোনো দাতব্য কার্যক্রম নয়; বরং অর্থনীতিতে অবদান রাখার একটি উদ্যোগ। গানসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে দক্ষ ব্যক্তিদেরও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা সম্ভব। তারাও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।</p><p>সরকার ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ বা সৃজনশীল অর্থনীতিতে আরও মনোযোগ দিতে এবং এ খাতের মানুষদের সহায়তা করতে চায় বলেও জানান আমির খসরু। তাঁর মতে, সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে পারলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।</p><p>সূত্র: নিউজ ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b0d8-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 13:27:27 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[যুদ্ধের খরচ মেটাতে পর্নোগ্রাফি বৈধ করার উদ্যোগ নিচ্ছে ইউক্রেন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70630/0456-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অর্থ জোগাতে দেশে পর্নোগ্রাফি বৈধ করার উদ্যোগ নিয়েছে ইউক্রেন। দেশটির প্রাপ্তবয়স্ক বিনোদন শিল্পকে বৈধ অর্থনীতির আওতায় এনে বছরে প্রায় ২৫ মিলিয়ন ডলার কর আদায়ের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে প্রায় ৩০ হাজার যুদ্ধ ড্রোন কেনা সম্ভব বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের আইনপ্রণেতা ইয়ারোস্লাভ ঝেলেজনিয়াক।</p><p>ইউক্রেনের পার্লামেন্টের অর্থবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ঝেলেজনিয়াকের সমর্থনে এ বিষয়ে একটি বিল আনা হয়েছে। গত জুলাইয়ে বিলটি পার্লামেন্টে প্রথম ধাপে অনুমোদন পেয়েছে। এখন দ্বিতীয় ধাপের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।</p><p>বর্তমানে ইউক্রেনে পর্নোগ্রাফি তৈরি, সংরক্ষণ ও বিতরণ আইনত অপরাধ। এসব কর্মকাণ্ডের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দেশটিতে এ-সংক্রান্ত একটি বড় শিল্প গড়ে উঠেছে।</p><p>বিষয়টি জটিল হয়ে উঠেছে কর আদায়ের উদ্যোগের কারণে। কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট নির্মাতাদের কাছ থেকে আয়কর আদায় শুরু করলেও আয় ঘোষণা করলে তাঁদের এমন কর্মকাণ্ডের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসছে, যা দেশটির আইনে এখনো অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।</p><p>ঝেলেজনিয়াক এ পরিস্থিতিকে ‘দুঃখজনক ও হাস্যকর’ বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁর ভাষ্য, আয় ঘোষণা না করলে কর ফাঁকির অভিযোগে মামলা হতে পারে, আবার কর দিলে পর্নোগ্রাফি-সংক্রান্ত আইনে অভিযুক্ত হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।</p><p>দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, ২০২৩ সালে ইউক্রেনের প্রায় ৭ হাজার ৯০০ মানুষ একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ১৩১ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছেন। প্ল্যাটফর্মটির মূল প্রতিষ্ঠান ফেনিক্স ইন্টারন্যাশনালের তথ্যের ভিত্তিতে এ হিসাব করা হয়েছে।</p><p>তবে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট নির্মাতাদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানের অভিযোগও রয়েছে। তাঁদের একজন স্বিতলানা দভোরনিকোভা জানান, এক সকালে মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতির সময় পুলিশ তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় নগদ অর্থ, কম্পিউটার ও তথ্য সংরক্ষণের যন্ত্র জব্দ করা হয়। মামলা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।</p><p>একই ধরনের অভিযানের মুখে কয়েকজন কনটেন্ট নির্মাতা ইউক্রেন ছেড়ে ইউরোপের অন্য দেশে চলে গেছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>কর আইনজীবী লেসিয়া মিখালেঙ্কো, যিনি শতাধিক কনটেন্ট নির্মাতাকে আইনি সহায়তা দিয়েছেন, বলেন, যুদ্ধের সময়ে এ ধরনের মামলায় সরকারি সম্পদ ব্যয় করা অপ্রয়োজনীয়।</p><p>দভোরনিকোভা এ বিষয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ওয়েবসাইটে একটি আবেদন করেন। নিজেকে ‘সচেতন করদাতা’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিপুল পরিমাণ কর দেওয়ার পরও তাঁকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তাঁর আবেদন এক সপ্তাহে ২৫ হাজারের বেশি স্বাক্ষর পায়।</p><p>এরপর প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানান, পর্নোগ্রাফি বৈধ করার প্রস্তাবটি পার্লামেন্টে বিবেচনা করা হবে। বর্তমানে ঝেলেজনিয়াকের সমর্থিত বিলটি দ্বিতীয় ধাপের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0456-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 12:49:56 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আগস্টে ৫১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮১, আহত ৬৬৪]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/accident/70629/30cd-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> গত আগস্টে দেশে ৫১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৬৬৪ জন। নিহতদের মধ্যে ৬১ জন নারী ও ৫৮ জন শিশু। জুলাইয়ের তুলনায় আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় দৈনিক গড় প্রাণহানি বেড়েছে ১৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ১৩ দশমিক ৪১ জন নিহত হন। আগস্টে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ দশমিক ৫১ জনে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে সংস্থাটি।</p><p>আগস্টে ১৮৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭৬ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট প্রাণহানির ৩৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এ ছাড়া ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২১ দশমিক ২০ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৭ জন, যা মোট প্রাণহানির ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ।</p><p>যানবাহনভিত্তিক হিসাবে নিহতদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৭৬ জন, বাসযাত্রী ৩৭ জন, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্রাক্টর, লরি ও ড্রাম ট্রাকের আরোহী ৫১ জন এবং মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও জিপের যাত্রী ১১ জন। এ ছাড়া থ্রি-হুইলার যাত্রী ৭৮ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী ২১ জন এবং রিকশা ও বাইসাইকেল আরোহী পাঁচজন নিহত হয়েছেন।</p><p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্টে সবচেয়ে বেশি ২১৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে, যা মোট দুর্ঘটনার ৪২ দশমিক ৩০ শতাংশ। জাতীয় মহাসড়কে ১৬৩টি, গ্রামীণ সড়কে ৬২টি এবং শহরের সড়কে ৭১টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।</p><p>দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৮ শতাংশ। এ ছাড়া ১২৬টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১০৬টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা, ৭৮টি পেছন থেকে ধাক্কা এবং আটটি দুর্ঘটনা অন্যান্য কারণে ঘটেছে।</p><p>আগস্টে মোট ৭৪৯টি যানবাহন দুর্ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। এর মধ্যে ১৯৪টি মোটরসাইকেল, ১১২টি থ্রি-হুইলার, ১০৮টি ট্রাক এবং ১০৩টি বাস।</p><p>বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ১৭২টি দুর্ঘটনায় ১৪৪ জন নিহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম ১৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে বরিশাল বিভাগে; সেখানে নিহত হয়েছেন ১৪ জন। জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৩৭ জন নিহত হয়েছেন বগুড়ায়।</p><p>রাজধানী ঢাকায় আগস্টে ৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত ও ৫৪ জন আহত হয়েছেন।</p><p>এ ছাড়া আগস্টে সাতটি নৌ-দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত ও নয়জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ৩৪টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ২৩ জন আহত হয়েছেন।</p><p>রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, অধিকাংশ সড়ক দুর্ঘটনা অতিরিক্ত গতিতে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে ঘটছে। এ ছাড়া বেপরোয়া গতি, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, চালকদের অদক্ষতা, শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা, অনির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো এবং দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি।</p><p>সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল পুনর্গঠন, বিআরটিএ, বিআরটিসি ও ডিটিসিএর ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত সংস্কার, মোটরযানে আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন সড়ক থেকে প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।</p><p>এ ছাড়া রাজধানীতে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক আধুনিক বাসসেবা চালু, দক্ষ চালক তৈরির পাশাপাশি তাঁদের বেতন, কর্মঘণ্টা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহনের জন্য সার্ভিস রোড নির্মাণ এবং সব রেলক্রসিংয়ে গেটকিপার নিয়োগের সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।</p><p>রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলেছে, সময়োপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের শিক্ষা ও সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">30cd-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 12:34:12 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রাত ১০টার পর আমাকে কেউ ফোন দিয়ে পায় না: প্রভা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/70628/25e5-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক: </strong>জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। স্যোশাল মিডিয়াতে সবসময় বেশ সরব থাকতে দেখা যায় তাকে। তবে ‘রাত দশটার পর তাকে ফোনে পাওয়া যাবে না এমনটিই জানিয়েছেন এ অভিনেত্রী। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।</p><p>সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি ব্যক্তিগত জীবন ও দৈনন্দিন রুটিন নিয়ে কথা বলেছেন।</p><p>এ সময় অভিনেত্রী জানান, তিনি রাত ১০টার পর সাধারণত ফোন ব্যবহার করেন না বা ফোনে তাকে পাওয়া যায় না।</p><p>প্রভার কথায়, ‘আমাকে রাত দশটার পরে কেউ ফোন দিয়ে পায় না। পৃথিবীতে যা খুশি হয়ে যাক, আমার ফোন বন্ধ। আমার ফোনটা দূরে, কেউ আমাকে কল দিয়ে পয়ে না। পরে সব খবর পাই।’</p><p>সূত্র: ইত্তেফাক</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">25e5-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 12:26:10 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/70627/579f-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p><p>আজ ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার বেলা ১১টার পর সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।</p><p>ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।</p><p>এ সময় তিনি বলেন, সংঘাত ও প্রতিশোধের রাজনীতি নয়, সবাইকে সহনশীলতার মনোভাব নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।</p><p>রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আধুনিক ও গুণগত শিক্ষার পরিবেশ তৈরি হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">579f-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 12:20:21 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের পরিবারকে আর্থিক সুবিধা দিচ্ছে না পেন্টাগন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70626/2b4c-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে নিহত মার্কিন সেনাদের পরিবারকে প্রাপ্য বেতন ও বিভিন্ন সুবিধা দিচ্ছে না পেন্টাগন। এক নিহত সেনার স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরার পর এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।</p><p>মার্কিন বিমানবাহিনীর মেজর অ্যালেক্স ক্লিনার (৩৩) গত মার্চে ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে একটি কেসি-১৩৫ জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানে সহায়তার সময় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। বিমানে থাকা ছয়জনই নিহত হন।</p><p>অ্যালেক্সের স্ত্রী লিবি ক্লিনার জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর অতিরিক্ত কিছু সুবিধার বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করলে তাঁকে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা না করায় কিছু সুবিধার ক্ষেত্রে পরিবারটি যোগ্য নয়।</p><p>অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে লিবি বলেন, স্বামী যুদ্ধে দায়িত্ব পালনের সময় প্রাণ হারালেও তাঁদের জানানো হয়েছিল, এটি আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ নয়। তাঁর মতে, বিষয়টি শুধু অর্থের নয়, বরং নীতিরও প্রশ্ন।</p><p>তাঁর বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মার্কিন বিমানবাহিনী বিষয়টি পর্যালোচনা করে। কর্মকর্তারা জানান, অ্যালেক্সের শেষ বেতনে ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্বের অতিরিক্ত ভাতা ও যুদ্ধ-সংশ্লিষ্ট কর সুবিধা অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে শুরুতে পরিবারকে দেওয়া তথ্য সঠিক ছিল না বলে কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে।</p><p>মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিয়ম অনুযায়ী, ‘কমব্যাট পে’ বা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দায়িত্ব পালনের জন্য অতিরিক্ত ভাতা পেতে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা সবসময় প্রয়োজন হয় না। এ ধরনের ভাতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকা ও দায়িত্বের ধরন বিবেচনা করা হয়।</p><p>লিবি বলেন, স্বামীকে হারানোর পর একটি পরিবারের জন্য সরকারি নিয়ম, পরিভাষা ও বিভিন্ন প্রক্রিয়া বোঝা কঠিন। শোকাহত পরিবারকে প্রাপ্য সুবিধা বুঝতে সরকারি ব্যবস্থার বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠতে হওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p><p>এদিকে ইরান সংঘাতে মার্কিন সেনাদের হতাহত ও তাঁদের পরিবারের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাত শুরুর পর এ পর্যন্ত অন্তত ১৮ মার্কিন সেনা নিহত এবং কয়েক শ’ সেনা আহত হয়েছেন।</p><p>লিবির অভিযোগ নিয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সও প্রশ্নের মুখে পড়েন। তিনি বলেন, ক্লিনার পরিবার যাতে প্রাপ্য সব সুবিধা পায়, তা নিশ্চিত করতে সরকার সহযোগিতা করবে। তবে ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযানকে আনুষ্ঠানিক ‘যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করতে তিনি রাজি হননি।</p><p>এদিকে নিহত মার্কিন সেনাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিহত প্রথম লেফটেন্যান্ট টাইলার জেমস ফিহানের (২৫) মা শারি ফিহান বলেন, ট্রাম্প তাঁর সঙ্গে একজন সন্তানহারা মায়ের মতো করে কথা বলেছেন। টাইলার ফিহান জুলাইয়ে জর্ডানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত হন।</p><p>সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, রয়টার্স</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2b4c-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 12:00:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে প্রায় ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70625/94cb-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে মারাত্মক বিঘ্নের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সকাল পর্যন্ত বৈশ্বিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৭ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে।</p><p>সকাল সাড়ে ৮টার বাজারদর অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম শূন্য দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ দশমিক ৬৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ বেড়ে ৯২ দশমিক ০৩ ডলারে পৌঁছেছে।</p><p>তবে মারবান ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৩ দশমিক ৩০ ডলারে নেমেছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ২ দশমিক ৯২৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।</p><p>গত সপ্তাহে জুলাইয়ের পর থেকে তেলের বাজারে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক মূল্যবৃদ্ধি দেখা যায়। ওই সময়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৯৬ দশমিক ২৮ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ৯১ দশমিক ৪৮ ডলারে পৌঁছায়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে তেলের দামে অতিরিক্ত ঝুঁকি প্রিমিয়াম যুক্ত হচ্ছে।</p><p>বৈশ্বিক তেল সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকার চলাচলও চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি নির্দিষ্ট সময়ে মাত্র চারটি জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করতে পেরেছে। অথচ ১০ দিনের গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১৩টি জাহাজ এই পথ অতিক্রম করে।</p><p>তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ মিলিয়ন ব্যারেল তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়েছে।</p><p>মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ নিয়ে ঝুঁকি বাড়ায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বর্তমানে ডব্লিউটিআইয়ের চেয়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৪ দশমিক ৬৬ ডলার বেশি। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত আরও বাড়লে কিংবা জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে দুই ধরনের তেলের দামের এই ব্যবধান আরও বাড়তে পারে।</p><p>সূত্র: গালফ নিউজ</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">94cb-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 11:39:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জর্দার কৌটায় ১০ বছরের সঞ্চয়, খুলে দেখলেন সব টাকা ঝাঁঝরা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/70624/b934-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রায় ১০ বছর ধরে অল্প অল্প করে টাকা জমিয়েছিলেন মনোয়ারা বেগম ও তার স্বামী জিয়া উদ্দীন। সংসারের খরচ মেটানোর পর কখনও খুচরা টাকা, কখনও ১ হাজার টাকার নোট জমিয়ে গড়ে তুলেছিলেন ২ লাখ টাকার সঞ্চয়। নিরাপদ মনে করে সেই টাকা রাখা হয়েছিল একটি জর্দার কৌটায়। কিন্তু প্রয়োজনের সময় কৌটাটি খুলে দেখা গেল, দীর্ঘদিনের কষ্টের সেই সঞ্চয় আর ব্যবহারের উপযোগী নেই। নোটগুলো পচে-ঝাঁঝরা হয়ে টুকরা টুকরা হয়ে গেছে।</p><p>মনোয়ারা বেগম শেরপুরের নালিতাবাড়ী পৌরশহরের পুরাতন জেলখানা রোড-সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তিন মাস আগে তার স্বামী মারা গেছেন। এর মধ্যে অনেক কষ্টে দুই মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন। বর্তমানে জীবিকার পথও প্রায় বন্ধ। এমন পরিস্থিতিতে শেষ সম্বল হিসেবে রাখা ২ লাখ টাকা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অনেকটা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন তিনি।</p><p>ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মনোয়ারা বেগম ভোগাই নদী থেকে বালু-পাথর তুলে বিক্রি করে সংসারে সহযোগিতা করতেন। তাঁর স্বামী জিয়া উদ্দীন ছিলেন মিষ্টি তৈরির কারিগর। দুজনের কষ্টের উপার্জনেই চলত সংসার। সেই আয় থেকে সংসারের প্রয়োজন মেটানোর পর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে প্রায় এক দশক ধরে অল্প অল্প করে টাকা জমাতে থাকেন তারা।</p><p>এভাবে ধীরে ধীরে তাঁদের সঞ্চয় বাড়তে থাকে। প্রায় আট মাস আগে সেই সঞ্চয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ লাখ টাকা। নিরাপদ মনে করে টাকাগুলো একটি জর্দার কৌটায় রেখে দেন মনোয়ারা।</p><p>কিন্তু তিন মাস আগে স্বামী জিয়া উদ্দীনের মৃত্যু হলে মনোয়ারার জীবনে নেমে আসে আরও কঠিন সময়। এর মধ্যে ভোগাই নদীতেও আগের মতো পাথর না থাকায় তাঁর সেই কাজ থেকেও আয় বন্ধ হয়ে যায়।</p><p>সম্প্রতি জরুরি প্রয়োজনে জমানো টাকা বের করতে জর্দার কৌটাটি খুলতে যান মনোয়ারা। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় কৌটির মুখ খুলছিল না। পরে কৌটার মুখ কেটে টাকা বের করেন তিনি। তখনই তাঁর চোখে পড়ে, ভেতরে থাকা নোটগুলো পচে-ঝাঁঝরা হয়ে টুকরা টুকরা হয়ে গেছে। প্রায় ১০ বছরের কষ্টের সঞ্চয় মুহূর্তেই মূল্যহীন হয়ে পড়ে তাঁর কাছে।</p><p>নালিতাবাড়ী পৌরশহরের পুরাতন জেলখানা রোড-সংলগ্ন এলাকায় মনোয়ারা বেগমের বাড়িতে গিয়ে তার সঙ্গে কথা হয়। শেষ সম্বল হারানোর কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।</p><p>মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী মারা গেছেন তিন মাস হইলো। অনেক কষ্টে দুইটা মেয়েরে বিয়া দিছি। আগে তো ভোগাই নদী থাইকা পাথর তুইলা বিক্রি কইরা দিন চালাইতাম। অহন তো নদীতে পাথরও নাই। আল্লাহ আমার শেষ সম্বলটারেও এভাবে নষ্ট কইরা দিলো। অহন তো আমার আর কোনো পথ নাই।’</p><p>তিনি বলেন, ‘এই টাকাডা আছিল আমার শেষ সম্বল। স্বামী নাই, কামকাজও নাই। ১০ বছর ধরে একটু একটু কইরা টাকা জমাইছি। ভাবছিলাম, বিপদের সময় এই টাকাডা কাজে লাগামু। অহন সব শেষ হইয়া গেল। অহন আমি কী করমু?’</p><p>স্থানীয় বাসিন্দা মাহাবুব রহমান বলেন, মনোয়ারা ও তার স্বামী জিয়া দুজনই খুব কষ্ট করে সংসার চালাতেন। জিয়ার মৃত্যুর পর অভাবের সংসারে টাকা নষ্ট হওয়ার কথা শুনে তিনি খুব কষ্ট পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তাঁদের বাসায়ও গিয়েছিলাম। মনোয়ারা এখন শুধু কাঁদেন।’</p><p>প্রতিবেশী জুমন মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন কষ্ট করে জমিয়ে রাখা এই টাকা মনোয়ারা বেগমের কাছে শুধু অর্থ ছিল না, স্বামীর মৃত্যুর পর বেঁচে থাকার শেষ ভরসাও ছিল। সেই সঞ্চয় নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।</p><p>এ বিষয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল মালেক বলেন, মনোয়ারা বেগমের টাকা নষ্ট হওয়ার বিষয়টি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন। আইনগতভাবে এ বিষয়ে কিছু করার সুযোগ নেই। তবে মনোয়ারা উপজেলা প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা চাইলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা করার চেষ্টা করা হবে।</p><p>সূত্র: ইত্তেফাক</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b934-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 11:28:56 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সবুজবাগে কাতার প্রবাসী যুবককে কুপিয়ে হত্যা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/70623/e679-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>রাজধানীর সবুজবাগে সিফাত নামে এক কাতার প্রবাসীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে সবুজবাগের আদর্শপাড়া বরইতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।</p><p>সিফাতের বন্ধু মো. হাসান জানান, কিছুদিন আগে কাতার থেকে দেশে ফেরেন সিফাত। তিনি যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড় এলাকায় বসবাস করতেন।</p><p>পুলিশ জানায়, বরইতলা এলাকার একটি আবাসিক ভবনের পঞ্চম তলায় এক নারী একা থাকেন। তাঁর স্বামী মাঝেমধ্যে ওই বাসায় আসেন। ওই নারীর সঙ্গে সিফাতের বন্ধুত্ব ছিল। রোববার দুপুরে সিফাত ওই বাসায় যান। তখন ওই নারী বাসায় একাই ছিলেন।</p><p>পুলিশের তথ্যমতে, বিকেল ৩টার দিকে কয়েকজন ওই বাসায় ঢুকে সিফাতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><p>সবুজবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, ওই ভবনের পাশের একটি ভবন থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজে চারজনকে ওই বাসায় ঢুকতে ও বের হতে দেখা গেছে। তাঁদের মধ্যে একজনের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। তাঁরা ওই ভবনে পাঁচ থেকে ছয় মিনিট অবস্থান করেন।</p><p>ওসি আরও জানান, ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় ওই নারীকে থানায় ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।</p><p>সূত্র: দৈনিক সমকাল</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e679-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 11:21:39 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, আটক ১]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/70622/7f05-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>রাজধানীর শাহআলীতে ছুরিকাঘাতে মেহেদী হাসান (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে শাহআলী মহিলা কলেজের সামনে সড়কে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় মেহেদী হাসানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।</p><p>শাহআলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতোয়ার রহমান জানান, ঘটনার পরপরই শাহআলী মহিলা কলেজের সামনে থেকে চাকুসহ একজনকে আটক করা হয়। পরে জানা যায়, ওই ব্যক্তিই পাশের এলাকায় এক যুবককে ছুরিকাঘাত করেছেন। আহত মেহেদীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।</p><p>নিহত মেহেদী হাসানের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো. আলম। তিনি বর্তমানে রাজধানীর মিরপুর থানার বড়বাগ এলাকায় থাকতেন এবং সাইনবোর্ড তৈরির কাজ করতেন।</p><p>পুলিশ জানায়, ঘটনাটি ছিনতাই, নাকি পূর্বশত্রুতার জেরে ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আটকের পর ঘটনার কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।</p><p>সূত্র: দেশ রূপান্তর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7f05-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 11:08:32 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশে মানসম্মত ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/technology/70621/0e06-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ শুধু সংযোগ বাড়ানো নয়; বরং সেবার মান, সাশ্রয়ী মূল্য, নির্ভরযোগ্যতা ও অর্থবহ সংযোগ নিশ্চিত করা।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে ‘৩৭তম এপিটি ওয়্যারলেস গ্রুপ (এডব্লিউজি-৩৭)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সংযোগের মাধ্যমে নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছেও প্রযুক্তির সুফল পৌঁছে দিতে হবে।</p><p>বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশে প্রায় ১৯ কোটি ১০ লাখ মোবাইল সংযোগ এবং প্রায় ১০ কোটি ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। ১০ কোটি ৮০ লাখের বেশি গ্রাহক চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সেবা ব্যবহার করছেন। এ ছাড়া দেশে ৪৯ হাজারের বেশি চতুর্থ প্রজন্মের সাইট, ৪৬ হাজার টাওয়ার এবং প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক রয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, এসব পরিসংখ্যান দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের ব্যাপকতা তুলে ধরে। এখন সরকারের লক্ষ্য শুধু নতুন সংযোগ বাড়ানো নয়, বরং গ্রাহকদের উন্নতমানের, সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য সেবা নিশ্চিত করা।</p><p>ফকির মাহবুব আনাম বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যারসহ প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন শিল্পে দেশের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা হবে।</p><p>তিনি বলেন, এই অগ্রযাত্রায় বেতার তরঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ডেটার চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল সেবা, স্যাটেলাইট যোগাযোগ, ইন্টারনেট অব থিংস এবং ভবিষ্যতের বিভিন্ন বেতার প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে। এসব প্রযুক্তির জন্য এমন দূরদর্শী নীতি প্রয়োজন, যা উদ্ভাবন, বিনিয়োগ ও গ্রাহকদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।</p><p>মন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকায় এডব্লিউজি-৩৭ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের নতুন টেলিযোগাযোগ ভাবনার সঙ্গে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সংযোগ ঘটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক অভিজ্ঞতা থেকে শেখার পাশাপাশি বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গিও তুলে ধরা সম্ভব হচ্ছে।</p><p>বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি।</p><p>সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, টেলিযোগাযোগ খাত দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধারাবাহিকভাবে নিজেদের নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সমন্বয় করতে হবে।</p><p>তিনি বলেন, নতুন প্রযুক্তি নানা সুযোগ তৈরি করলেও এর সুফল নিশ্চিত করতে কার্যকর নীতি, সক্ষম প্রতিষ্ঠান এবং সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও শিল্প খাতের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় প্রয়োজন।</p><p>তিনি আরও বলেন, এপিটি ওয়্যারলেস গ্রুপ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের উদীয়মান ডিজিটাল চাহিদা পূরণে বিভিন্ন বেতার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। একই সঙ্গে কার্যকর রেডিও যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তরেও সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।</p><p>অনুষ্ঠানে বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের কর্মকর্তারা, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধিসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>সূত্র: ঢাকা পোস্ট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0e06-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 11:00:23 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[তবে কি আবারও মা হলেন চিত্রনায়িকা পরীমণি?]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/70620/69b0-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক: </strong>মাঝেমধ্যেই ভক্তদের চমকে দেন ঢালিউড চিত্রনায়িকা পরীমণি। কখনও কাজের খবরে, কখনও ব্যক্তিগত জীবনের নানা খুনসুটিতে। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক শিশুকে কোলে নিয়ে ছবি পোস্ট করে ফের নতুন আলোচনার জন্ম দিলেন এই অভিনেত্রী।</p><p>৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে ৯টা বেজে ১১ মিনিটে নিজের ফেসবুকে একটি ছবি প্রকাশ করেন পরীমণি। ছবিতে দেখা যায়, গাড়িতে পরিপাটি সাজ ও রোদচশমা পরা পরীমণির কোলে জড়িয়ে আছে এক ফুটফুটে শিশু। ছবিটির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “তিন নম্বর জন ডান। আলহামদুলিল্লাহ।”</p><p>এই ছবি ও ক্যাপশন পোস্ট করার পরপরই নেটিজেনদের মনে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে— তবে কি ফের মা হলেন এই নায়িকা?</p><p>পোস্টের কমেন্ট বক্সে অনুরাগী ও সাধারণ নেটিজেনদে প্রশ্নের নানা জবাবও দিতে দেখা গেছে পরীমণিকে। এক ভক্ত শিশুটি ছেলে নাকি মেয়ে জানতে চাইলে সংক্ষেপে উত্তর দেন, ‘ছেলে’। আরেক জন ভক্ত জানতে চেয়েছেন আর কয়টা নিবেন উত্তরে পরী বললেন ৯৭টা, ইনশাআল্লাহ। এমনিভাবে তাকে সাগত জানিয়ে পোস্টে অভিনন্দনের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।</p><p>এমনিতেই শিশুপ্রেমী হিসেবে পরিচিত এই অভিনেত্রী। একাধিক সাক্ষাৎকার ও সামাজিক মাধ্যমে তিনি আগে বহুবার প্রকাশ করেছেন, তিনি অনেক সন্তানের মা হতে চান; এমনকি সংখ্যাটি ১০০ ছুঁতে পারে বলেও মজা করেছিলেন। তাই ভক্তদের ধারণা, এবার হয়তো তৃতীয় সন্তান দত্তক নিলেন এই তারকা। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি তিনি। পরীমণির এই নীরবতা জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।</p><p>উল্লেখ্য, অভিনেতা শরিফুল রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নিজের প্রথম সন্তান শাহীম মোহাম্মদ পূণ্যকে একাই লালন-পালন করছিলেন পরীমণি। পরবর্তীতে তিনি এক কন্যা সন্তান দত্তক নেন, যার নাম রাখেন সাফিরা সুলতানা প্রিয়ম। বর্তমানে একা হাতেই নিজের সন্তানদের বড় করছেন এই অভিনেত্রী। কাজের পাশাপাশি দিনের বাকি সময়টা সন্তানদের সঙ্গেই কাটান তিনি।</p><p>সূত্র: ঢাকা পোস্ট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">69b0-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 10:18:59 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থীদের ঐতিহাসিক জয়]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70618/5f44-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>জার্মানির পূর্বাঞ্চলীয় স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্যের নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে কট্টর ডানপন্থী দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি)। ৬ সেপ্টেম্বর রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলে দলটি ৪৩ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ৮৩ আসনের রাজ্য সংসদে এএফডি পেয়েছে ৩৯টি আসন।</p><p>একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৪২টি আসন। ফলে সর্বোচ্চ ভোট পেলেও এককভাবে সরকার গঠন করতে পারছে না এএফডি।</p><p>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির কোনো রাজ্যে কট্টর ডানপন্থী দল হিসেবে সরকার গঠনের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছানোর ঘটনা হিসেবে এ ফলকে দেখা হচ্ছে। ফল ঘোষণার পর এএফডির শীর্ষ প্রার্থী উলরিখ সিগমুন্ড সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, তারা স্যাক্সনি-আনহাল্টে ইতিহাস তৈরি করেছেন। দলের সহ-নেত্রী অ্যালিস ভাইডেলও এ ফলকে ‘অসাধারণ সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।</p><p>তবে নির্বাচনের পর সরকার গঠন নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। জার্মানির প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে এএফডির সঙ্গে জোট বা সরকার গঠনে সহযোগিতা না করার নীতি অনুসরণ করে আসছে। দেশটির রাজনীতিতে এ নীতি ‘ফায়ারওয়াল’ নামে পরিচিত।</p><p>চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্জের নেতৃত্বাধীন রক্ষণশীল খ্রিস্টীয় গণতান্ত্রিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) নির্বাচনের পরও এএফডির সঙ্গে সহযোগিতার সম্ভাবনা নাকচ করেছে। ফলে এএফডিকে বাদ দিয়ে অন্য দলগুলোর সমন্বয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।</p><p>নির্বাচনে সিডিইউ পেয়েছে ১৭ দশমিক ২ শতাংশ ভোট ও ১৫টি আসন। সামাজিক গণতান্ত্রিক দল পেয়েছে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট, সবুজ দল ৮ দশমিক ৯ শতাংশ এবং বামপন্থী দল ৮ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট। সাহরা ভাগেনকনেখট জোট পেয়েছে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট ও পাঁচটি আসন। নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭৭ দশমিক ৮ শতাংশ।</p><p>স্যাক্সনি-আনহাল্টে এএফডির এই উত্থান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্জের জন্যও বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজ্যটিতে দীর্ঘদিন ধরে সিডিইউ নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল। এবার দলটির ভোট ২০২১ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বিপরীতে এএফডি আগের নির্বাচনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি সমর্থন পেয়েছে।</p><p>এএফডি অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ কঠোর করা, অনিবন্ধিত অভিবাসীদের বহিষ্কার এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ইউক্রেনকে জার্মানির সামরিক ও আর্থিক সহায়তারও বিরোধিতা করে দলটি।</p><p>স্যাক্সনি-আনহাল্টে এএফডির শাখাকে জার্মানির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা ডানপন্থী উগ্রবাদী সংগঠন হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। তবে এএফডি এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে।</p><p>জার্মানির জাতীয় সংসদেও এএফডি বর্তমানে সবচেয়ে বড় বিরোধী শক্তি। বিশেষ করে সাবেক কমিউনিস্ট শাসিত পূর্বাঞ্চলে দলটির জনসমর্থন তুলনামূলকভাবে বেশি। স্যাক্সনি-আনহাল্টের নির্বাচনের ফল দেশটির মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ভোটারদের অসন্তোষ এবং এএফডির ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে আরও স্পষ্ট করেছে।</p><p>তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় সরকার গঠনে এএফডিকে অন্য দলের সমর্থন নিতে হবে। প্রধান দলগুলো জোটে যেতে অস্বীকৃতি জানানোয় রাজ্যটিতে সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক দর-কষাকষি ও অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকতে পারে।</p><p>সূত্র: রয়টার্স</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5f44-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 10:09:34 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ট্রাম্পের দূতদের সঙ্গে আলোচনার পর যুদ্ধ নিয়ে যা বললেন জেলেনস্কি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/70617/ebb0-20260907]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শীতকাল পর্যন্ত গড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। কিয়েভে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই শীর্ষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এ কথা বলেন।</p><p>৬ সেপ্টেম্বর রোববার কয়েক ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে জেলেনস্কি সাংবাদিকদের বলেন, ইউক্রেন, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা শিগগিরই আবার বৈঠকে বসবেন। একই সঙ্গে রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের আহ্বান জানান তিনি।</p><p>জেলেনস্কি বলেন, তিনি এমন একটি ন্যায়সংগত ও স্থায়ী শান্তি চান, যাতে রাশিয়া ভবিষ্যতে আবার ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর সুযোগ না পায়। তবে যুদ্ধ শীতকাল পর্যন্ত গড়ালে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি খাতে আরও সহায়তা প্রয়োজন হবে বলে জানান তিনি।</p><p>রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে আসছে। জেলেনস্কি বলেন, নিজেদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের উৎপাদন বাড়াবে বলে আশা করছেন তিনি।</p><p>রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের এক দিন পর কিয়েভে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন উইটকফ ও কুশনার। রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত ওই বৈঠক প্রায় তিন ঘণ্টা স্থায়ী হয়।</p><p>কিয়েভের বৈঠককে ‘আশাব্যঞ্জক’ ও ‘ফলপ্রসূ’ হিসেবে উল্লেখ করেন উইটকফ। তিনি বলেন, মস্কোয় পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় ‘অনেক অগ্রগতি’ হয়েছে। কিয়েভে যাওয়ার আগে পুতিনের অবস্থান জানার প্রয়োজন ছিল বলেও জানান তিনি।</p><p>কুশনার বলেন, মস্কোয় এমন অনেক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যেগুলো এখন পর্যন্ত কার্যকর হয়নি। এরপর দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য কী কী উপাদান প্রয়োজন, তা নিয়ে তারা আলোচনা করেছেন। পুতিনের সঙ্গে ‘খুব ভালো সংলাপ’ হয়েছে বলেও জানান তিনি।</p><p>পুতিনের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ রুশ-মার্কিন বৈঠককে ‘গঠনমূলক ও অত্যন্ত খোলামেলা’ বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের সমাধান, অর্থনৈতিক বিষয় এবং সম্ভাব্য পারস্পরিক লাভজনক রুশ-মার্কিন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে।</p><p>এদিকে আলোচনার মধ্যেই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইউক্রেনের দাবি, তারা রাশিয়ার একটি তেল শোধনাগার, একটি বিমানঘাঁটি ও দুটি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় হামলা চালিয়েছে।</p><p>অন্যদিকে ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া ১০৮টি দূরপাল্লার ড্রোন ও কয়েকটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ৮২টি ড্রোন ও ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করেছে। তবে ১১টি স্থানে হামলা এবং আরও সাতটি স্থানে ধ্বংসাবশেষ পড়ার কথা জানিয়েছে তারা।</p><p>মার্কিন দূতদের সফরের সময় পুতিন ও জেলেনস্কি তিন দিনের জন্য একে অপরের রাজধানীতে হামলা না চালানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছিলেন বলে জানা গেছে।</p><p>২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর এই প্রথম উইটকফ ও কুশনার ইউক্রেন সফর করলেন। তারা বিমানে পোল্যান্ডে পৌঁছে সেখান থেকে ট্রেনে কিয়েভ যান।</p><p>রাশিয়া বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উভয় পক্ষই আকাশপথে হামলা জোরদার করার মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে।</p><p>সূত্র: বিবিসি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ebb0-20260907</guid>
                <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 09:59:09 +0600</pubDate>
            </item>
        
    </channel>
</rss>
