<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0">
    <channel>
        <title><![CDATA[All news items on https://www.asiantvonline.com/]]></title>
        <link><![CDATA[https://asiantvonline.com/]]></link>
        <description><![CDATA[
            Welcome to https://www.asiantvonline.com/! Stay informed with the latest news, headlines, and updates from around the world.
            Subscribe to our RSS feed now to receive regular updates and never miss a beat.
        ]]></description>

        <image>
            <url>https://asiantvonline.com/logo.png</url>
            <title>Asian Tv Online | এশিয়ান টিভি অনলাইন</title>
            <link>https://asiantvonline.com/</link>
        </image>

        <generator><![CDATA[RSS by https://asiantvonline.com/rss-feed.xml]]></generator>
        <language>en</language>
        <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 11:51:05 +0600</pubDate>

        <copyright><![CDATA[
            Copyright: (C) 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.
        ]]></copyright>

                    <item>
                <title><![CDATA[বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলারের বিশাল বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা জাপানের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73921/7cf6-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>বাংলাদেশের অর্থনীতি ও শিল্পখাতে বড় ধরনের গতি ফেরাতে জাপানের ১ লাখ কোটি ইয়েন—যা প্রায় ৬৩৫ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ—বেসরকারি বিনিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এই অর্থ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করা হতে পারে বলে গত ২২ অক্টোবর জাপানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘নিক্কেই এশিয়া’ জানিয়েছে।</p><p>জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে আজ ২৬ অক্টোবর সোমবার সকালে টোকিও পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁর এই সফরে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও নতুন জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।</p><p><strong>যা থাকছে এই প্রস্তাবিত বিনিয়োগ পরিকল্পনায়:</strong></p><p>উৎপাদন ও জ্বালানি খাত: নতুন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের গাড়ি উৎপাদন শিল্প, অন্যান্য উৎপাদনমুখী খাত এবং জ্বালানি অবকাঠামো নির্মাণে বিশাল সম্ভাবনা তৈরি হবে।</p><p>বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত জাপানি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগকারীদের বড় পরিসরে অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। এই উন্নয়ন কাজে যুক্ত রয়েছে জাপানি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান 'সুমিতোমো করপোরেশন'।</p><p>কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তি স্থানাত্তর: জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশে শিল্পখাতের বিকাশ, বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন প্রযুক্তি ও শিল্পদক্ষতা অর্জনের পথ সুগম হবে।</p><p><strong>সফরের গুরুত্বপূর্ণ সূচি ও বৈঠকসমূহ:</strong></p><p>আগামীকাল ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার টোকিওতে দুই দেশের সরকারপ্রধানদের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে বাণিজ্য-বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যুতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শেষে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হবে।</p><p>সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। এছাড়া মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন ও জেরার মতো শীর্ষস্থানীয় জাপানি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাথেও বিশেষ আলোচনার কর্মসূচি রয়েছে।</p><p>এছাড়া তিনি টোকিওতে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে’ মূল বক্তব্য দেবেন। সফরে ইউনিক্লোর প্রধান কার্যালয় এবং নাগোয়া শহরে অবস্থিত বিখ্যাত ‘টয়োটো মোটর করপোরেশন’-এর মোটোমাচি কারখানা পরিদর্শনের কথা রয়েছে।</p><p>উল্লেখ্য, চলতি বছরের গত ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা ও টোকিওর মধ্যে ঐতিহাসিক ‘অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ (ইপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে চুক্তিটির দ্রুত বাস্তবায়ন, জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের অবাধ প্রবেশাধিকার এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির ক্ষেত্র আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7cf6-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 11:35:13 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজ কত টাকায় মিলছে ডলার-ইউরো-রুপি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/73920/7adc-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে বাংলাদেশের। এতে বাড়ছে আন্তর্জাতিক লেনদেনে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়। তাই বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঠিক বিনিময় হার জানা গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তন এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে টাকার মান নিয়মিত ওঠানামা করে। সেই হিসেবে ২৬ অক্টোবর সোমবার বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার, নিম্নে দেওয়া হলো–</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, আজ এক ইউএস ডলার ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা, এক ইউরো ১৩৮ টাকা ৬২ পয়সা, এক ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬৫ টাকা ৪৮ পয়সা, এক অস্ট্রেলীয় ডলার ৮৭ টাকা তিন পয়সা, এক জাপানি ইয়েন ৭৯ পয়সা, এক কানাডীয় ডলার ৮৮ টাকা ৩৬ পয়সা, এক সুইডিশ ক্রোনা ১২ টাকা ৪৫ পয়সা, এক সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ৭৮ পয়সা, এক চীনা ইউয়ান রেনমিনবি ১৮ টাকা ৫৬ পয়সা, এক ভারতীয় রুপি এক টাকা ৩০ পয়সা এবং এক শ্রীলঙ্কান রুপি দুই টাকা ৬৮ পয়সা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7adc-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 11:20:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ফারিণ, সাবিলা ও মেহজাবীন পথেই কি এবার সাফা?]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/others/73919/8d90-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক: </strong>তাসনিয়া ফারিণ, সাবিলা নূর ও মেহজাবীন চৌধুরী, বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন হালের জনপ্রিয় এই তিন অভিনেত্রী। তবে এবার কি সেই পথেই হাঁটবেন সাফা কবির? তাকে ঘিরে ভক্তদের কৌতূহলের যেন শেষ নেই। বারবার শুনতে হচ্ছে একটাই প্রশ্ন- ‘বিয়ে কবে?’ আর এই প্রশ্নেই এবার খোলামেলা জবান দিলেন অভিনেত্রী। শুধু তাই নয়, জীবনসঙ্গী কেমন হতে হবে, সেটিও জানিয়ে দিলেন ।</p><p>সম্প্রতি নিজের ব্যক্তিগত জীবন, অভিনয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন সাফা। তিনি জানান, চারপাশে বন্ধুদের বিয়ে হচ্ছে, কারও ঘরে আসছে সন্তান। আর এসবের মধ্যে নিজের একক জীবন নিয়ে প্রায়ই অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাকে।</p><p>সাফার মতে, বিয়ে একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। এ নিয়ে কাউকে বারবার প্রশ্ন করা উচিত নয়। তারকাদেরও নিজেদের মতো করে জীবন কাটানোর অধিকার রয়েছে। মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। তবে বিয়ে নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখে পড়লেও নিজের জীবন নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট সাফা। তার ভাষায়, ‘নিজের জীবন নিয়ে আমি বেশ সন্তুষ্ট। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সুন্দর একটি জীবন কাটছে আমার। জীবনসঙ্গী হিসেবে সাফার পছন্দ শিক্ষিত, রসবোধসম্পন্ন ও ভালো মনের একজন মানুষ।</p><p>এদিকে অভিনয় নিয়েও রয়েছে তার নতুন পরিকল্পনা। ভবিষ্যতে ওয়েব ফিল্মে, বিশেষ করে অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে কাজ করতে চান তিনি। নিজের কাজ নিয়ে শতভাগ সন্তুষ্ট না হলেও এই অসন্তুষ্টিকেই একজন শিল্পীর জন্য ইতিবাচক মনে করেন সাফা। পাশাপাশি নিজেকে আত্মনির্ভরশীল উল্লেখ করে তিনি জানান, ইতিবাচক থাকা এবং নিজের সমস্যা নিজেই সমাধান করাকে জীবনের অন্যতম লক্ষ্য মনে করেন।</p><p>তাহলে কি বিয়ের জন্য এখনই প্রস্তুত নন সাফা, নাকি নিজের পছন্দের মানুষটির অপেক্ষায়? এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা দেননি অভিনেত্রী। তবে জীবনসঙ্গী নিয়ে নিজের পছন্দ জানিয়ে দিয়েছেন স্পষ্টভাবেই।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8d90-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 11:01:50 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সৌন্দর্য দিয়ে সময়কে থমকে দেওয়ার নাম জয়া আহসান!]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/73918/ac73-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক: </strong>বয়সের হিসাব যতই এগিয়ে চলুক, সৌন্দর্য দিয়ে সময়কে থমকে দেওয়ার নাম জয়া আহসান! গোলাপি আভায় মোড়ানো স্যাটিনের পোশাক, খোলা চুলের ঢেউ আর মায়াবী আভায় আবারও ভক্তদের হৃদয়ে ঝড় তুললেন এই অভিনেত্রী। নতুন ফটোশুটে তার নজরকাড়া উপস্থিতি যেন চোখ ফেরানোই কঠিন করে তুলেছে!</p><p>দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। অভিনয়দক্ষতা দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করার পাশাপাশি সৌন্দর্য ও নিজস্ব ফ্যাশন-ভাবনার কারণেও বরাবরই আলোচনায় থাকেন তিনি। পর্দার ঝলমলে জগতের বাইরে নিজের মতো করে সময় কাটাতে ভালোবাসেন এই অভিনেত্রী। ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও সচরাচর খুব বেশি কথা বলতে দেখা &nbsp;না গেলও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের উপস্থিতি দিয়ে প্রায়ই ভক্তদের চমকে দেন জয়া। এবার গোলাপি রঙের ছোঁয়ায় নতুন রূপে ধরা দিয়ে আবারও আলোচনায় এসেছেন তিনি।</p><p>সম্প্রতি শেয়ার করা ছবিগুলোতে হালকা গোলাপি আভাযুক্ত স্যাটিনের পোশাকে দেখা গেছে অভিনেত্রীকে। খোলা চুল আর মায়াবী সাজে ফুটে উঠেছে তার স্বতন্ত্র ফ্যাশন-ভাবনা। কখনো টেবিলে ভর দিয়ে, কখনো চেয়ারে বসে- বিভিন্ন ভঙ্গিতে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন তিনি। আর তাতেই ছবিগুলো পেয়েছে আলাদা মাত্রা। ছবির সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনে জয়া লিখেছেন, ‘গোলাপির ছোঁয়া, ঝামেলার শেষ নেই।’ তার এই মজার ক্যাপশনও নজর কেড়েছে ভক্তদের।</p><p>এদিকে ছবিগুলো প্রকাশ্যে আসতেই মন্তব্যের ঘরে প্রশংসায় মেতেছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘ছবি যখন কথা বলে।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘আপনি দিন দিন আরও সুন্দর হয়ে যাচ্ছেন।’সব মিলিয়ে গোলাপি পোশাকে জয়ার এই নতুন ফটোশুট ভক্তদের নজর কেড়েছে। তবে শুধু পোশাক নয়, তার চিরচেনা অভিব্যক্তি আর স্বতন্ত্র উপস্থিতিই যেন ছবিগুলোতে বাড়তি আকর্ষণ যোগ করেছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ac73-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 10:27:45 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ঢাকার আবহাওয়া: আজ আকাশ আংশিক মেঘলা ও শুষ্ক থাকতে পারে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/73917/c268-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য ৬ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ২৬ অক্টোবর সোমবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া এই পূর্বাভাসে আবহাওয়ার পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।</p><p>পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা এবং সামগ্রিক আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় উত্তর অথবা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।</p><p>আজ সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৭৬ শতাংশ। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।</p><p>এর আগে গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c268-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 09:56:39 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশের বাজারে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম: ভরি ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/business/73916/45b7-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দেশের বাজারে স্বর্ণের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার (তেজাবি সোনা) দাম কমে যাওয়ার প্রেক্ষিতে আবারও স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা (ভ্যাটসহ)।</p><p>গতকাল (রোববার) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দর কার্যকর হয়েছে এবং আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) বাজারে এই দরই বহাল রয়েছে।</p><p>বাজুসের নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকা (ভ্যাটসহ):</p><p>২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা।</p><p>২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা।</p><p>১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা।</p><p>সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।</p><p>এর আগে গত ২৩ অক্টোবর স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি ২১ ক্যারেট ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।</p><p>টানা কয়েক দফায় মূল্য কমানোর পর দেশের বাজারে সোনার দামের এই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">45b7-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 09:51:44 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার কোনো পরিকল্পনা নেই: ডোনাল্ড ট্রাম্প]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/73915/0a79-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>ইরানের বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মিশিগানে নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে ট্রাম্পের দেওয়া বিভিন্ন আলটিমেটামকে কেন্দ্র করে সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।</p><p>তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে ২৫ অক্টোবর রোববার এই তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে কোনো সামরিক অভিযান চালানো হবে কি না—সাংবাদিকদের এমন সুনির্দিষ্ট প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি কি আপনাদের তা বলব? তবে উত্তর হলো, না। কোনো হামলা হবে না।’</p><p>এ সময় ইরান পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা গোয়েন্দা তথ্যের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান, এ বিষয়ে তাঁদের কাছে দুটি ভিন্ন ধরনের গোয়েন্দা প্রতিবেদন রয়েছে এবং প্রাপ্ত তথ্যগুলো অত্যন্ত উন্নতমানের।</p><p>তবে হামলার পরিকল্পনা নাকচ করার ঠিক আগেই একই দিনে ইরান সম্পর্কে বেশ কড়া মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি করা হবে, নাকি দেশটিকে পুরোপুরি পরাস্ত করা হবে—এটাই এখন তাদের সামনে মূল প্রশ্ন।</p><p>আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তাঁর ভাষ্যমতে, হরমুজ প্রণালি এখন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আছে এবং সেখান থেকে ইরান কোনো সুবিধা পাচ্ছে না।</p><p>এর আগে শনিবার ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলা চালাতে পারে অথবা দেশটির সঙ্গে শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। তবে তেহরান তাদের সম্ভাব্য প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে কি না, তা নিয়ে নিজের সংশয়ের কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।</p><p>উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক তৎপরতার মধ্য দিয়ে দুই পক্ষের সংঘাত এক নতুন পর্যায়ে পৌঁছায়। যদিও পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি ও শান্তিচুক্তির বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তবুও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।</p><p>বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই সাম্প্রতিক বক্তব্যে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের সামরিক হামলার আশঙ্কা কিছুটা কমলেও, ইরানের সঙ্গে মার্কিন সংঘাতের ভবিষ্যৎ এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0a79-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 09:44:23 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কেনিয়ায় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া থেকে ফেরার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৪]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/73914/a23e-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>কেনিয়ায় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শেষে ফেরার পথে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ২৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার নাইরোবি-মোম্বাসা মহাসড়কে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>জানা গেছে, স্থানীয় একটি গির্জার (চার্চ) যাজকের শেষকৃত্যানুষ্ঠান শেষে বাসটিতে করে মোম্বাসায় ফিরছিলেন যাত্রীরা। পথিমধ্যে পেছন থেকে একটি দ্রুতগামী ট্রাক বাসটিকে প্রচণ্ড শক্তিতে ধাক্কা দিলে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভুলভাবে ওভারটেক করতে গিয়েই মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।</p><p>উল্লেখ্য, মাত্র তিন সপ্তাহ আগে এই একই মহাসড়কের ওই নির্দিষ্ট স্থানটিতেই আরেকটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। মূলত অনিয়ন্ত্রিত গতি এবং সড়কের জরাজীর্ণ ও বেহাল দশাকেই কেনিয়ায় নিয়মিত এ ধরনের মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a23e-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 09:09:41 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চতুর্থ মেয়াদে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আবারও বিজয়ী হলেন লুলা দা সিলভা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/73913/fbaa-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর আবারও জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও বামপন্থি নেতা লুলা দা সিলভা। ৫১ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে তিনি রেকর্ড চতুর্থ মেয়াদে দেশটির মসনদে বসতে চলেছেন। ঐতিহ্যগতভাবে তিনি কট্টর ফিলিস্তিনপন্থি নেতা হিসেবে পরিচিত।</p><p>কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে ২৬ অক্টোবর সোমবার ভোরে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।</p><p>ব্রাজিলের নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, ৯৯ শতাংশ ভোট গণনার পর লুলা দা সিলভা পেয়েছেন ৫১.৭৫ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক প্রেসিডেন্ট জেইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারো পেয়েছেন ৪৮.২৫ শতাংশ ভোট। দুই প্রার্থীর এই ব্যবধান নির্বাচনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত দেয়।</p><p>উল্লেখ্য, এর আগের নির্বাচনে জেইর বলসোনারোকে পরাজিত করেই ক্ষমতা দখল করেছিলেন বামপন্থি নেতা লুলা দা সিলভা। এবার তাঁর ছেলেও লুলার কাছে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলেন, তবে শেষ পর্যন্ত লুলার জয়ই নিশ্চিত হয়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">fbaa-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 09:00:29 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজ সোমবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/73912/3f65-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রায়ই আমাদের কোনো না কোনো দোকানপাট বা মার্কেটে যেতে হয়। আর রাজধানী ঢাকায় সপ্তাহের একেক দিন একেক এলাকার মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ থাকে। এ জন্য বের হওয়ার আগে কোন দিন কোন এলাকার মার্কেট বা দোকানপাট বন্ধ থাকে, সেটা জেনে নেওয়া উচিত। এতে বাসা-বাড়ি থেকে বের হয়ে ঘুরে আসতে হয় না এবং সময়ও নষ্ট হয় না।</p><p>চলুন জেনে নিই ২৬ অক্টোবর সোমবার রাজধানী ঢাকার কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।</p><p><strong>যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ</strong><br>আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট এরিয়া, তেজগাঁও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১ ও ২, বনানী, মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টার সিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ী একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ ও সানারপাড়।</p><p><strong>যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ</strong><br>রামপুরার মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোড়ান বাজার, মেরাদিয়া বাজার, আয়েশা-মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, দনিয়া তেজারত সুপার মার্কেট, আবেদীন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার ও মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ডস সুপার মার্কেট।</p><p>কিছু এলাকার মার্কেটগুলো রোববার পুরোদিন ও সোমবার অর্ধেক দিন বন্ধ থাকে। উল্লেখযোগ্য মার্কেটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিসিএস কম্পিউটার সিটি, পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসী পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ ও ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি কর্পোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোরান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেট।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3f65-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 08:43:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে গভীর নিম্নচাপ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Weather/73911/30fd-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আজ সোমবার ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। পরে দিক পরিবর্তন করে পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামী ২৮ অক্টোবর অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।</p><p>এদিকে, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তাল রয়েছে সাগর। এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি ৩-এ তথ্য জানান আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।</p><p>রোববার দুপুর ১২টায় গভীর নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮১০ কিলোমিটার দক্ষিণে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।</p><p>আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, গভীর নিম্নচাপটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে। সোমবার এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে এটি দিক পরিবর্তন করে পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। ২৮ অক্টোবর নাগাদ অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।</p><p>এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।</p><p>পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">30fd-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 08:35:18 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৬ অক্টোবর ২০২৬]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/religion/73910/8974-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>আজ সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি</p><p>ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—<br>(ওয়াক্তের সময়সূচী)</p><p><strong>ফজর</strong><br>০৪:৪৫ - ০৬:০০</p><p><strong>যোহর</strong><br>১১:৪৩ - ০৩:৪৬</p><p><strong>আসর</strong><br>০৩:৪৭ - ০৫:২৪</p><p><strong>মাগরিব</strong><br>০৫:২৫ - ০৬:৩৯</p><p><strong>এশা</strong><br>০৬:৪০ - ০৪:৪৪</p><p><strong>সূর্যোদয়</strong><br>০৬:০১ - ০৬:১৬</p><p><strong>মধ্য দুপুর</strong><br>১১:৩৭ - ১১:৪২</p><p><strong>সূর্যাস্ত</strong><br>০৫:০৯ - ০৫:২৪</p><p>সূত্র: ইন্টারনেট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8974-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 08:31:02 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[টিভিতে আজকের খেলা (২৬ অক্টোবর)]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/73909/70cc-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ব্যালন ডি’অর আজ সোমবার। কে পাবেন বিশ্বের সেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি? সরাসরি দেখতে চোখ রাখুন ব্যালন ডি’অরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও ডিএজেডএনে।</p><p><strong>জাতীয় ক্রিকেট লিগ</strong><br>সিলেট-খুলনা, সকাল ৯-৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি</p><p>ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম<br>সকাল ৯-৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি</p><p>ঢাকা-রাজশাহী<br>সকাল ৯-৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি</p><p>রংপুর-বরিশাল<br>সকাল ৯-৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি</p><p><strong>টি-টুয়েন্টি</strong><br>গ্লোবাল টি-টুয়েন্টি, রাত ৮টা ও ১টা, টি স্পোর্টস</p><p><strong>ব্যালন ডি’অর</strong><br>রেড কার্পেট, রাত ১২টা, ডিএজেডএন ও ব্যালন ডি’অর ওয়েবসাইট</p><p><strong>মূল অনুষ্ঠান</strong><br>রাত ২টা, ডিএজেডএন ও ব্যালন ডি’অর ওয়েবসাইট</p><p><strong>লিগ আঁ</strong><br>পিএসজি-লিওঁ, রাত ১-৩০ মি., স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">70cc-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 08:21:29 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চার দিনের সরকারি সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73908/9e17-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি'র আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে দেশটিতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।</p><p>২৬ অক্টোবর সোমবার জাপানের স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা ৫ মিনিটে) প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইট জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।</p><p>এ সময়ে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীসহ কর্মকর্তাবৃন্দ।</p><p>উল্লেখ্য, রোববার দিবাগত রাত বাংলাদেশ সময় ১২টা ১০ মিনিটে সীমিতসংখ্যক সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইটে জাপানের উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9e17-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 08:13:49 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকের নেতৃত্বে হুমায়ুন কবির]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73907/49f1-20261026]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানা‌নো হ‌য়ে‌ছে।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হ‌য়ে‌ছে, আগামী ১ থেকে ৪ নভেম্বর অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় অনুষ্ঠাতব্য কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong>&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">49f1-20261026</guid>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 00:05:32 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জামায়াত নেতার ছেলে আপত্তিকর অবস্থায় আটক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/73906/3362-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>সাতক্ষীরা তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জামাত নেতা গোলাম ফারুকের ছেলে মমতাজির বিল্লাহ খুলনা খালিশপুর মুজগুন্নি আবাসিক এলাকায় এক তরুণীসহ আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েছেন।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার বিকেলে মুজগুন্নি আবাসিক এলাকার ২১ নম্বর রোডের একটি মেসে এ ঘটনা ঘটে। মমতাজির বিল্লাহ-সহ আটক তরুণীর নাম সাজিয়া।</p><p>এলাকাবাসী বলেন, মুজগুন্নি আবাসিক এলাকার ২১ নম্বর রোডের ৩২৫ নং বিল্ডিং’র চারতলায় একদল ব্যাচেলর যুবক মেসে ভাড়া থাকেন। রোববার বিকেলে মমতাজির বিল্লাহ সাজিয়া নামের ওই তরুণীকে নিয়ে গোপনে মেসের একটি কক্ষে প্রবেশ করে। বিষয়টি মেসের অন্য সদস্যদের নজরে এলে তাদের সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের চিত্র নিশ্চিত হয়ে অন্য যুবকেরা তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং বিষয়টি দ্রুত পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি মুহূর্তের মধ্যে জানাজানি হলে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।</p><p>এ খবর পেয়ে খালিশপুর থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে সংবাদকর্মী ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ঘরের ভেতর থেকে মমতাজির বিল্লাহ ও সাজিয়াকে হাতেনাতে আটক করে।</p><p>এ বিষয়ে খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান জানান, “স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে মুজগুন্নি আবাসিক এলাকার একটি মেস থেকে এক তরুণ ও তরুণীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3362-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 22:01:35 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[২৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২১৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/73905/7f02-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>চলতি অক্টোবরের প্রথম ২৪ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২১৩ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ১২৩.৬৫ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৬ হাজার ২৪০ কোটি টাকা।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।</p><p>কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০০ কোটি ২০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসী আয়ে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।</p><p>অন্যদিকে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকে (১ জুলাই থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত) দেশে মোট ১ হাজার ৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।</p><p>আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৯৫৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার।<br>ফলে বছরওয়ারি হিসেবে রেমিট্যান্সে ১১ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। এটি দেশের ব্যাংক খাতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ ও রিজার্ভকে চাঙ্গা করছে।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7f02-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 21:27:28 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এবার গোলাপি আভায় অভিনেত্রী জয়া]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/73904/585f-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক:</strong> রুপালি পর্দায় অভিনয় দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করা জয়া আহসানের ব্যক্তিত্বের আরেকটি দিকও বরাবরই আলোচনায় থাকে। পর্দার ঝলমলে জগতের বাইরে নিজের মতো করে সময় কাটাতে ভালোবাসেন তিনি। প্রকৃতির প্রতি অনুরাগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও সচরাচর খুব বেশি কথা বলেন না এই অভিনেত্রী।</p><p>তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার উপস্থিতি ভক্তদের জন্য নিয়ে আসে নানা মুহূর্তের খবর। বয়সের হিসাব যতই এগিয়ে চলুক, সৌন্দর্যে যেন সময়কে থমকে দেওয়ার নাম জয়া আহসান! গোলাপি আভায় মোড়ানো স্যাটিনের পোশাক, খোলা চুলের ঢেউ আর মায়াবী অভিব্যক্তিতে নতুন ফটোশুটে ধরা দিলেন এই অভিনেত্রী।</p><p>ছবিগুলোর সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনে জয়া লিখেছেন, ‘গোলাপির ছোঁয়া, ঝামেলার শেষ নেই।’</p><p>শেয়ার করা ছবিতে তাকে দেখা গেছে হালকা গোলাপি আভাযুক্ত স্যাটিনের পোশাকে। খোলা চুলের ঢেউ, নরম সাজে ছবিগুলোতে ফুটে উঠেছে তার স্বতন্ত্র ফ্যাশন-ভাবনা। কখনো টেবিলে ভর দিয়ে, কখনো চেয়ারে বসে ক্যামেরার সামনে ভিন্ন ভঙ্গিতে ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী।</p><p>এদিকে কমেন্ট বক্সে নেটিজেনরা জয়ার রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘ছবি যখন কথা বলে।’ আরেকজন লিখেছেন,‘আপনি দিন দিন আরো সুন্দর হয়ে যাচ্ছেন।’</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">585f-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 21:02:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জামালপুরে যমুনা সার কারখানায় ফের উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/73903/3521-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি:</strong> গ্যাস সংকটের কারণে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানায় সার উৎপাদন আবারও বন্ধ ঘোষণা করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার ভোর ৫টা থেকে এ উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করেন কর্তৃপক্ষ।</p><p>যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বিভাগের প্রধান ফজলুল হক জানান, নিরবচ্ছিন্নভাবে সার উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে দৈনিক ৪২ থেকে ৪৩ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। কিন্তু চাহিদামতো গ্যাস সরবরাহ না থাকায় আজ ভোর থেকে কারখানায় সার উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে আবারও উৎপাদন শুরু হবে।</p><p>উল্লেখ্য, দৈনিক ১৭শ মেট্টিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন যমুনা সার কারখানা দীর্ঘ আট মাস বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বর কারখানায় গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়। এরপর ৭ অক্টোবর কারখানার বয়লার প্ল্যান্টে ত্রুটি দেখা দিলে সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে ১৬ দিন পর গত ২৩ অক্টোবর আবারও উৎপাদনে ফিরে কারখানাটি। কিন্তু উৎপাদনে ফেরার দুই দিনের মাথায় গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ হয়ে গেল যমুনা সার কারখানা।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3521-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 20:19:07 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সারা দেশে নানা আয়োজনে উদযাপিত হলো প্রবারণা পূর্ণিমা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73902/5a7e-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ‘প্রবারণা পূর্ণিমা’ উদযাপিত হয়েছে।</p><p>এই উৎসবটি আশ্বিনী পূর্ণিমা নামেও পরিচিত। এর মধ্যে দিয়ে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের ৩ মাসব্যাপী বর্ষা বাসের সমাপ্তি ঘটে। এ সময়ে ভিক্ষুরা বিহারে অবস্থান করে আত্মশুদ্ধি, আত্মোন্নয়ন ও আধ্যাত্মিক সাধনায় নিয়োজিত থাকেন।</p><p>পূর্ণিমার পরদিন থেকে শুরু হয় মাসব্যাপী কঠিন চীবর দান উৎসব। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা প্রাণিজগৎ ও সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ কামনায় ধর্মীয় বাণী প্রচার করেন।</p><p>প্রচলিত জনশ্রুতি অনুযায়ী, গৌতম বুদ্ধ একবার তাঁর মাথার কিছু চুল কেটে বলেছিলেন, ‘আমি যদি সত্যিই পরম জ্ঞান ও বুদ্ধত্ব লাভের যোগ্য হয়ে থাকি, তবে এই চুলগুলো মাটিতে না পড়ে আকাশের দিকে ওপরে উঠে যাক।’ পরে বাস্তবে সেটিই হয়েছিল।</p><p>এই ঘটনার স্মরণে আজ সন্ধ্যায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা শরতের আকাশে রঙিন কাগজের তৈরি ফানুস ওড়াবেন, যা প্রবারণা উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।</p><p>দিবসটি উপলক্ষে দেশের সব বৌদ্ধ বিহার, ধর্মীয় সংগঠনের কার্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এদিন ভোরে বিহারগুলোতে জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন এবং পবিত্র ত্রিপিটক পাঠের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।</p><p>এছাড়া দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ভিক্ষুদের প্রাতরাশ গ্রহণ, সমবেত প্রার্থনা, রক্তদান, সংঘদান, আলোচনা সভা, পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ এবং প্রদীপ পূজা।</p><p>এর অংশ হিসেবে রাজধানীর কমলাপুরের ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহার, মেরুল বাড্ডার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার, কালাচাঁদপুর বৌদ্ধ বিহার, উত্তরা বৌদ্ধ বিহার, মিরপুরের আদিবাসী শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহার এবং আশুলিয়ার বোধিজ্ঞান মৈত্রী ভাবনা কেন্দ্রে প্রধান ধর্মীয় জমায়েত অনুষ্ঠিত হচ্ছে।</p><p>সেই সঙ্গে চট্টগ্রামে নন্দনকানন বৌদ্ধ মন্দির, কাতালগঞ্জ নব পণ্ডিত বিহার, আগ্রাবাদের শাক্যমুনি মহাশ্মশান বৌদ্ধ বিহার, দেব পাহাড়ের পূর্ণাচার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার এবং মোমিন রোডের সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারসহ বিভিন্ন বিহারে ধর্মীয় জমায়েত অনুষ্ঠিত হচ্ছে।</p><p>এ উপলক্ষে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং বিশ্বশান্তি কামনায় বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।</p><p>উৎসবটি সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে রাজধানী ও বিভিন্ন জেলার বৌদ্ধ মন্দিরগুলোর ভেতরে ও আশপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5a7e-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 19:54:37 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৩ কর্মকর্তাকে বদলি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73901/9b7d-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>পুলিশের ঊর্ধ্বতন তিন কর্মকর্তাকে বদলি করেছে সরকার। তাদের ২৮ অক্টোবরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><p>নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে ২৯ অক্টোবর তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য করা হবে।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়।</p><p>প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি নাজমুল হাসানকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হককে খাগড়াছড়ি এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।</p><p>এ ছাড়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম মাহবুবুর রহমানকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) বদলি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) সংযুক্ত রয়েছেন।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9b7d-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 19:45:46 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন ৪টি পাঠ্যবই অনুমোদন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73900/ad61-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন চারটি পাঠ্যবই অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি)। প্রয়োজনীয় পরিমার্জন শেষে বইগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য চূড়ান্ত করা হবে।</p><p>২৪ অক্টোবর রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য 'বাংলাদেশের সংস্কৃতি' ও 'খেলাধুলা' এবং ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য 'লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস' ও 'আমার কারিগরি শিক্ষা' শীর্ষক পাঠ্যপুস্তক প্রয়োজনীয় পরিমার্জন সাপেক্ষে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p><p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য 'বাংলাদেশের সংস্কৃতি' ও 'খেলাধুলা' শীর্ষক দুটি পাঠ্যপুস্তক প্রয়োজনীয় পরিমার্জন সাপেক্ষে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p><p>আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে 'জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি'র সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।</p><p>সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহারের সভাপতিত্বে প্রধান তথ্য কমিশনার ড. নাহরিন ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ad61-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 19:28:59 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শাহজালাল মাজারে স্বামীর চাকরি ও মানসিক শান্তি চেয়ে স্ত্রীর চিঠি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/73899/e109-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে স্বামীর জন্য একটি ভালো চাকরি এবং মানসিক শান্তি কামনা করে চিঠি দিয়েছেন এক নারী। নাম-পরিচয়হীন ওই চিঠিতে স্বামীর কর্মসংস্থানের পাশাপাশি তার মানসিক প্রশান্তির জন্য প্রার্থনা করেছেন স্ত্রী।</p><p>২৪ অক্টোবর শনিবার সকালে মাজারের দানবাক্স ও ডেকচির টাকা পঞ্চমবারের মতো প্রকাশ্যে গণনা করা হয়। এ সময় টাকা ও বৈদেশিক মুদ্রার পাশাপাশি ভক্তদের লেখা বিভিন্ন চিঠি পাওয়া যায়। এসব চিঠিতে ব্যক্তিগত দুঃখ-কষ্ট, প্রার্থনা ও শুভকামনার কথা তুলে ধরেছেন অনেকে।</p><p>এর মধ্যে এক নারীর চিঠিতে উঠে এসেছে স্বামীর চাকরি ও মানসিক শান্তির আকাঙ্ক্ষা। চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘হে শাহজালাল রহমাতুল্লাহি আলাইহি, আপনার উছিলায় আমার আহাল (স্বামী)-উনাকে একটা ভালো চাকরি দিন এবং উনার মানসিক শান্তি দান করুন।’</p><p>চিঠিতে ওই নারী নিজের নাম বা ঠিকানা উল্লেখ করেননি। স্বামীর পরিচয় কিংবা তার চাকরির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যও পাওয়া যায়নি।</p><p>এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে গঠিত কমিটির সভায় দানের অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দানের অর্থের ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হবে। বাকি ৬৫ শতাংশ ব্যবহার করা হবে দৈনন্দিন খরচ ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e109-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 19:26:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সৌদি আরবে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে হুথি বিদ্রোহীরা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/73898/f351-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। তবে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত ও ধ্বংস করার দাবি করেছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে জোট।</p><p>জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়াদের দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে ছোড়া ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে।</p><p>লোহিত সাগরের প্রবেশপথে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছের উপকূলীয় এলাকা হুথিদের কাছ থেকে পুনর্দখলে অভিযান শুরু করেছে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জাহাজ চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য পরিবহন করা হয়।</p><p>ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর মধ্যে গত মাসে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করে। এর ফলে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায়। ২০২২ সাল থেকে ওই যুদ্ধবিরতি মোটামুটি কার্যকর ছিল।</p><p>নতুন করে সংঘাত বাড়ায় ইয়েমেনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং লোহিত সাগরকেন্দ্রিক নৌ-বাণিজ্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।</p><p>সূত্র: আল-জাজিরা</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f351-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 18:45:54 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পরীমণির ‘ফারজানা’ সিনেমার প্রথম লুক প্রকাশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/73897/6821-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক:</strong> জন্মদিনে নতুন সিনেমার খবর জানিয়ে চমক দিলেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। তার নতুন সিনেমা ‘ফারজানা’। সিনেমাটির ফার্স্টলুক পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে। তারেক রহমান পরিচালিত সিনেমাটির গল্প আবর্তিত হয়েছে এক নারীর জীবনসংগ্রাম ও প্রতিকূলতার মাঝেও টিকে থাকার লড়াইকে ঘিরে। সিনেমাটির গল্প এবং পরীমণির চরিত্র নিয়ে ইতোমধ্যে দর্শকের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।</p><p>‘ফারজানা’ সিনেমার গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন একজন ক্রাইম রিপোর্টারের স্ত্রী। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে মারা যান তার স্বামী। এরপর একমাত্র সন্তানকে নিয়ে শুরু হয় ওই নারীর কঠিন জীবনসংগ্রাম। স্বামীকে হারানোর শোক সামলে সন্তানকে আগলে রেখে প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করে কীভাবে সামনে এগিয়ে যান, তা-ই উঠে তুলে ধরা হয়েছে সিনেমাটির গল্পে।</p><p>সমাজের নানা নিষ্ঠুর বাস্তবতা, অনিশ্চয়তা ও প্রতিকূলতার মধ্যে একজন নারীর টিকে থাকার গল্প বলবে ‘ফারজানা’। ব্যক্তিগত জীবনের সংকট মোকাবিলা করে নিজের ও সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র। এই সংগ্রামী নারীর ভূমিকায় পরীমণিকে কতটা ভিন্নভাবে দেখা যাবে, তা নিয়েও আগ্রহ তৈরি হয়েছে দর্শকের মধ্যে।</p><p>এর আগে নির্মাতা তারেক রহমান বেশ কয়েকটি প্রশংসিত নাটক পরিচালনা করেছেন। তবে ‘ফারজানা’ তার পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ছোটপর্দায় কাজের অভিজ্ঞতার পর বড়পর্দায় তার এই যাত্রা সিনেমাটিকে ঘিরে আগ্রহের আরেকটি কারণ।</p><p>সিনেমাটি নিয়ে পরীমণি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘ফারজানা’ ঘিরে পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল বেশ আগেই। প্রায় ছয় মাস আগে সিনেমাটির জন্য তার লুক চূড়ান্ত করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে নানা জটিলতা ও শিডিউল-সংকটের কারণে নির্ধারিত সময়ে শুটিং শুরু করা সম্ভব হয়নি।</p><p>বর্তমানে সিনেমাটির শুটিং শেষের পথে। সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই মুক্তির প্রস্তুতি শুরু হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এখনো সিনেমাটির মুক্তির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।</p><p>জন্মদিনে ‘ফারজানা’ সিনেমার ফার্স্ট লুক প্রকাশের মধ্য দিয়ে নতুন সিনেমাটি নিয়ে দর্শকের আগ্রহ বাড়িয়েছেন পরীমণি। এবার বড়পর্দায় একজন সংগ্রামী নারীর চরিত্রে তার অভিনয় কতটা দর্শকের হৃদয় স্পর্শ করতে পারে, তা এখন দেখার অপেক্ষা।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6821-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 18:43:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[অক্টোবরে ২৪ দিনে ২৪ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স এলো দেশে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/73896/6c89-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>চলতি মাস অক্টোবরের ২৪ দিনে ২১৩ কোটি ৭০ লাখ (২.১৩ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ২৪ হাজার ২৮৫ কোটি ১০ লাখ টাকা।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।</p><p>তথ্যমতে, অক্টোবর মাসের ২৪ দিনে ২১৩ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আগের মাসের একই সময়ে এসেছিল ২০০ কোটি ২০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ের চেয়েছে প্রায় ১৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ৬ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি এসেছে এখন পর্যন্ত।</p><p>এদিকে চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ১০৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে ৯৫৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছিল। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১১ দশমিক ৯ শতাংশ।</p><p>গত সেপ্টেম্বর মাসের পুরো সময়ে দেশে মোট ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ (২.৭৬ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।</p><p>অর্থবছরের পরের মাস আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার।গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩৫ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসেছিল ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6c89-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 18:36:22 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তায় কীটনাশক নিয়ন্ত্রণে কঠোর হচ্ছে সরকার : প্রাণিসম্পদমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73895/08f0-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক : </strong>জনগণের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে কীটনাশকের আমদানি, বাজারজাতকরণ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।</p><p>২৫ অক্টোবর রবিবার রাজধানীর ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ মিলনায়তনে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>মন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য কীটনাশকের যথাযথ নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য। দেশে এমন অনেক কীটনাশক আমদানি ও বাজারজাত করা হচ্ছে, যেগুলো বিশ্বের বহু দেশে ব্যবহার করা হয় না। এ পরিস্থিতিতে কীটনাশক আমদানির বিদ্যমান নীতিমালা ও পরীক্ষাব্যবস্থা পর্যালোচনা করে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হবে।</p><p>তিনি বলেন, শুধু খাদ্যের উৎপাদন বাড়ানোই যথেষ্ট নয়, উৎপাদিত খাদ্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও মানসম্মত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে বিপণন পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।</p><p>মন্ত্রী আরও বলেন, কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের জন্য উদ্বেগের কারণ। খাদ্যে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ থেকে গেলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এ কারণে কীটনাশক আমদানি ও ব্যবহারের নীতিমালা পর্যালোচনার জন্য সরকার ইতোমধ্যে একাধিক কমিটি গঠন করেছে। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী, বিশেষজ্ঞ, আমদানিকারক ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p><p>আমিন উর রশিদ বলেন, প্রয়োজনীয় কারিগরি জ্ঞান ও প্রশিক্ষণের অভাবে অনেক কৃষক কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক মাত্রা অনুসরণ করতে পারেন না। কৃষকদের সচেতনতা বাড়ানো, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং নিরাপদ উৎপাদন পদ্ধতির সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি কৃষিকে লাভজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।</p><p>তিনি বলেন, ফসল উৎপাদনে রাসায়নিক সারের অতিরিক্ত ব্যবহার মাটির স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই জমির প্রয়োজন অনুযায়ী সুষম সার ব্যবহার এবং উত্তম কৃষিচর্চা অনুসরণ করা জরুরি। একই সঙ্গে কীটনাশক ও কৃষি উপকরণ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানসম্মত পণ্য উৎপাদন এবং প্রযোজ্য বিধিবিধান ও মানদণ্ড মেনে চলতে হবে।</p><p>পোলট্রি খাতের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মুরগির খাদ্যে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। এ বিষয়ে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের প্রতিটি পর্যায়ে মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।</p><p>বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের কৃষিপণ্যের পরিসর বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তবে রপ্তানিতে প্রকৃত সাফল্য অর্জন করতে হলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি বিদেশি ভোক্তাদের কাছেও এসব পণ্য পৌঁছাতে হবে। এ লক্ষ্যে কাঁঠাল, আনারসসহ সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্যের মান উন্নয়ন ও রপ্তানি সম্প্রসারণে কাজ চলছে।</p><p>মন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। এ ক্ষেত্রে কৃষক, উদ্যোক্তা, বিজ্ঞানী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও ভোক্তাসহ সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।</p><p>বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুডের সেমিনার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ম. তামিম, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন।</p><p><i><strong>এটিভি/এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">08f0-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 18:28:25 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনার জন্যই ‘নতুন কুঁড়ি’র আয়োজন: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/73894/7d8b-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় ‘নতুন কুঁড়ি’র দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করবেন।</p><p>তিনি বলেন, দ্বিতীয় আসরে অংশ গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার অনলাইন রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। যেখানে প্রথম আসরে রেজিস্ট্রেশনের সংখ্যা ছিলো মাত্র এক লাখ ৬৮ হাজার। দ্বিতীয় আসরে রেজিস্ট্রেশন করা এই খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে ৪৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠন করা হবে। যার মাধ্যমে প্রায় ১৪ লাখ ক্রীড়াবিদ নতুন কুঁড়ির এই আসরে অংশ গ্রহণ করবে। আমরা আশা করছি আগামী বছরের মে বা জুন মাসে এর ফাইনাল রাউন্ড শেষ করা যাবে।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার বিকেলে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭’ (সিজন-২) উদ্বোধনের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করতে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্রিফকালে এসব কথা বলেন তিনি।</p><p>তিনি বলেন, দেশের তৃণমূলে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনার জন্যই নতুন কুঁড়ির এ আয়োজন। নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরে বিজয়ী অনেক ক্রীড়াবিদ এখন বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। আমরা তাদের হারিয়ে যেতে দিতে চাই না, বরং তাদেরকে প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলা ও পড়াশোনার দায়িত্ব সরকার বহন করবে। নতুন কুঁড়ির আয়োজনের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গণে আমূল পরিবর্তন আসবে এবং খেলাধুলার মাধ্যমে দেশের সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, বিদ্যমান সামাজিক ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন করতে বর্তমান প্রজন্মকে ক্রীড়াঙ্গনের দিকে ধাবিত করা প্রয়োজন। খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ জাতি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।</p><p>তিনি আরও বলেন, খুলনা জেলা স্টেডিয়ামকে পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ স্টেডিয়ামে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামীতে প্রণীত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আসন্ন জানুয়ারি থেকে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম, বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে সারাবছর খেলাধুলা চলবে।</p><p>পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো: মাহফুজুল আলম খান, কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোল্লা খায়রুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p><p>এর আগে প্রতিমন্ত্রী খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম, বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।</p><p>পরে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭’ (সিজন-২) উদ্বোধন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমির এজাজ খান, বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুনসহ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7d8b-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 18:26:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আদালতের রায়ে মেয়র, এবার চট্টগ্রাম সিটির প্রশাসক হলেন শাহাদাত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/73893/b8f9-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>আদালতের রায়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র নির্বাচিত হওয়া ডা. শাহাদাত হোসেনকে এবার পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।</p><p>স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন, ২০২৬-এর ৪ ধারা অনুযায়ী তাকে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন উপসচিব জুয়েল রানা।</p><p>প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ডা. শাহাদাত হোসেন প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করবেন। আইনের ৪ ধারার ৩ উপধারা অনুযায়ী তিনি সিটি করপোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। এ জন্য বিধি অনুযায়ী মাসিক সম্মানী ও অন্যান্য ভাতাও পাবেন তিনি।</p><p>২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ডা. শাহাদাত হোসেন। নির্বাচনের ফলাফল বাতিল চেয়ে তিনি আদালতে মামলা করেন। পরে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর আদালত তাকে মেয়র নির্বাচিত ঘোষণা করে রায় দেন।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b8f9-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 17:50:30 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ফিলিপাইনে দুই বিমানের সংঘর্ষ, ৪ পাইলট নিহত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/73892/c896-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>ফিলিপাইনের মাঝ আকাশে বিমান বাহিনীর ২টি প্রশিক্ষণ উড়োজাহাজের সংঘর্ষে ৪ জন পাইলট নিহত হয়েছে।</p><p>২৪ অক্টোবর শনিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এ দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।</p><p>অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে, বিধ্বস্ত হওয়া বিমান দু’টি এসএফ-২৬০ সিরিজের যুদ্ধবিমান। গত ২৩ অক্টোবর শুক্রবার বিকেলের দিকে ফিলিপাইনের বাতানগাস প্রদেশের লিপা শহরের বিমান ঘাঁটির আকাশে সংঘর্ষ হয় বিমান দু’টির। এতে দুই বিমানের ৪ জন পাইলট ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। তবে এ দুর্ঘটনায় বিমান ঘাঁটির কোনো ক্ষতি হয়নি এবং ওই চার জনের বাইরে কেউ নিহত বা আহতও হয়নি।</p><p>এসএফ-২৬০ সিরিজের বিমানগুলোতে দু’জন করে পাইলট থাকে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে করতে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত চলাকালীন ফিলিপাইন বিমান বাহিনী তাদের বহরে থাকা অবশিষ্ট এসএফ-২৬০ বিমানগুলোর উড্ডয়ন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।</p><p>ফিলিপাইনের বিমান বাহিনী ঘটনাটিকে একটি দুর্ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করলেও, ঠিক কী পরিস্থিতিতে এটি ঘটেছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।</p><p>ঘটনা সম্পর্কে অবগত ফিলিপাইনের দুজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, বিমান দুটি আকাশে সংঘর্ষের কবলে পড়েছিল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা এ তথ্য দিয়েছেন, কারণ বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার অনুমতি তাদের নেই।</p><p>একজন প্রত্যক্ষদর্শী এপি-কে জানিয়েছেন, বিমানগুলোর একটি ঘাঁটিতে সামরিক কর্মীদের ব্যবহৃত ব্যারাকের কাছাকাছি গিয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে।</p><p>ফিলিপাইন বিমান বাহিনীর এসএফ-২৬০ সিরিজের বিমানগুলোর দুর্ঘটনা তেমন বিরল নয়। এর আগে অন্তত দু’টি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার নজির রয়েছে। গত মে মাসে উত্তরাঞ্চলীয় পার্বত্য প্রদেশ বেঙ্গুয়েতে নেভিগেশন প্রশিক্ষণের সময় একটি এসএফ-২৬০ বিমান বিধ্বস্ত হয়। ওই ঘটনায় বিমানে থাকা উভয় পাইলটই নিহত হন।</p><p>বিমান বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ম্যানিলার উত্তর-পশ্চিমে বাতানগাস প্রদেশে একটি প্রশিক্ষণ উড্ডয়নের সময় আরও একটি এসএফ-২৬০ বিমান ধানের জমিতে বিধ্বস্ত হয়, সেই দুর্ঘটনাতেও দু’জন পাইলট নিহত হয়েছিলেন।</p><p>তবে সর্বশেষ দুর্ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন ফিলিপাইন তাদের সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতা দেশটির বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী ও স্থলবাহিনীকে আধুনিকীকরণের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করেছে; অথচ এই ভঙ্গুর শক্তি নিয়েই এই বাহিনীগুলোকে দীর্ঘস্থায়ী অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ মোকাবিলা এবং তার পাশাপাশি দক্ষিণ চীন সাগরে আঞ্চলিক বিরোধকে কেন্দ্র করে চীনের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার বিষয়টিও সামলাতে হচ্ছে।</p><p>সূত্র : এপি, ফার্স্টপোস্ট</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c896-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 17:30:16 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73891/ba2c-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর টেক্সটাইল খাতের চাহিদা পূরণে দেশেই আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী তৈরি এবং বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন।</p><p>২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিনের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।</p><p>এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য ও বুটেক্সের অ্যালামনাই সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।</p><p>রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>রাষ্ট্রপতি টেক্সটাইলকে দেশের প্রধান অর্থনৈতিক খাত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন দেশে ও বিদেশে উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ পান, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। এতে একদিকে দেশের দক্ষ জনশক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে।</p><p>রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের টেক্সটাইল শিল্পের কাঁচামালের চাহিদা পূরণে তুলার দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। এ জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করা, উৎপাদন ব্যয় কমানোর উপায় খুঁজে বের করা এবং কৃষি ও টেক্সটাইল খাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।</p><p>পাশাপাশি পাট, আনারসের পাতা, কলাগাছসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস থেকে তন্তু সংগ্রহ ও সিনথেটিক সুতা তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।</p><p>প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাকশিল্পের বিকাশে বুটেক্সের ভূমিকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।</p><p>এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক গবেষণাগার স্থাপন, প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি, বিসিএস (টেক্সটাইল) নামে আলাদা ক্যাডার সৃষ্টি, বাজেট সম্প্রসারণ এবং ঢাকার পূর্বাচলে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য জমি বরাদ্দসহ বিভিন্ন বিষয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।</p><p>রাষ্ট্রপতি তাঁদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং উত্থাপিত বিষয়গুলো সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।</p><p>এ সময় উপাচার্য আগামী বছরের মার্চ মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ‘রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর’-কে সভাপতিত্ব করার আমন্ত্রণ জানালে রাষ্ট্রপতি তা গ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।</p><p>প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে বুটেক্সের ফ্যাকাল্টি অব টেক্সটাইল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস স্টাডিজের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব, ফ্যাকাল্টি অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক শিল্পী আক্তার, ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. হাসিনা আখতার, ফ্যাকাল্টি অব টেক্সটাইল কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. রাশেদা বেগম দিনা এবং ফ্যাকাল্টি অব ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক ড. লামইয়া জাহির উপস্থিত ছিলেন।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ba2c-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 17:15:42 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজ ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/73890/43d6-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ব্যারিস্টার জাইমা জারনাজ রহমান (জাইমা রহমান) একজন আইনজীবী এবং জাতিসংঘের একজন আইন কর্মকর্তা (লিগ্যাল অফিসার)। তিনি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা। তার দাদা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।</p><p>আজ ২৫ অক্টোবর রোববার ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন। ১৯৯৫ সালের এ দিনে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্ম নেন তিনি। একটি বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নিলেও তার নিজস্ব মেধা, যোগ্যতা ও দূরদর্শিতায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করে চলেছেন।</p><p>নতুন বছরে পদার্পণ মুহূর্তে শুভানুধ্যায়ীদের প্রত্যাশা—মেধা, আত্মপ্রত্যয় ও মানবিক মূল্যবোধের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান আগামীদিনে আইন, সমাজ ও বিশ্বমঞ্চে আরও বড় ভূমিকা রাখবেন।</p><p>জাইমা রহমানের বেড়ে ওঠা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অত্যন্ত প্রভাবশালী এক পরিবারে। তিনি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা। তার দাদা ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বীরউত্তম জিয়াউর রহমান এবং দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। তার নানা মরহুম রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান ছিলেন নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান। যিনি পরবর্তী সময়ে তৎকালীন সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীও ছিলেন। পারিবারিক এ ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক আবহের মধ্যে বড় হলেও জাইমা রহমান নিজের পথটি বেছে নিয়েছেন আইন ও জনসেবার অঙ্গনে।</p><p>ব্যারিস্টার জাইমা রহমান ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মইনুল রোডের ৬ নম্বর বাড়িতে এক ভিন্ন আবহে বেড়ে ওঠেন। তার বাবা তারেক রহমান গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি বাবার সঙ্গে ২০০৮ সালে লন্ডনে চলে যান। সেই থেকেই তিনি পরিবারের সঙ্গে লন্ডনে অবস্থান করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর তিনি তার বাবা-মায়ের সঙ্গে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।</p><p>জাইমা যুক্তরাজ্যে যাওয়ার আগে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকায় পড়াশোনা করেন। শৈশব থেকেই শিক্ষার প্রতি জাইমা রহমানের ছিল গভীর অনুরাগ। তিনি যুক্তরাজ্যের সুপরিচিত ‘কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন’ থেকে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে আইনে স্নাতক (এলএলবি) সম্পন্ন করেন। এরপর যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত সম্মানজনক প্রতিষ্ঠান ‘ইনার টেম্পল’ থেকে ২০১৯ সালে অর্জন করেন কাঙ্ক্ষিত ‘বার-অ্যাট-ল’ (ব্যারিস্টার) ডিগ্রি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উচ্চশিক্ষা শেষে দেশীয় আইনি ব্যবস্থার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করতে ২০২৬ সালের জুন মাসে তিনি সফলতার সঙ্গে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।</p><p>জানা যায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত ৭৩তম ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেন জাইমা রহমান। তিন সদস্যের এ বিএনপি প্রতিনিধিদলে তার সঙ্গে দলের তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ছিলেন। ওই সফরের সময় জাইমা রহমান দক্ষিণ ক্যারোলিনার প্রাক্তন গভর্নর ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সাবেক নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রাক্তন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট ডেস্ট্রো এবং যুক্তরাষ্ট্রের উইমেনস ফেলোশিপ ফাউন্ডেশনের প্রধান রেবেকা ওয়াগনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এটি ছিল বিএনপির কোনো আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে জাইমা রহমানের প্রথম অংশগ্রহণ।</p><p>২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সভায় প্রথমবারের মতো যোগ দেন, সেখানে দলীয় নেতা মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং রুহুল কবির রিজভী, ইউরোপীয় প্রতিনিধিদের একটি দলও উপস্থিত ছিল। পেশাগত জীবনের সূচনায় জাইমা রহমান দেশের অন্যতম সেরা ল ফার্ম ‘সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’-এ কাজ শুরু করেন। সেখানে তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রজ্ঞার সঙ্গে সাংবিধানিক আইন, করপোরেট ও বাণিজ্যিক বিষয়াবলি এবং কর-সংক্রান্ত জটিল সব আইনি ইস্যু পরিচালনা করেন।</p><p>আইন পেশায় এ দক্ষতা তাকে পৌঁছে দেয় আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও আইনি কাঠামোর সর্বোচ্চ চূড়ায়। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে ‘লিগ্যাল অফিসার’ (আইন কর্মকর্তা) হিসেবে নিযুক্ত হন। বর্তমানে তিনি সভাপতির এক্সিকিউটিভ অফিসের অধীনে আন্তর্জাতিক আইনি বিষয়াবলি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তদারকি করছেন।</p><p>পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি জাইমা রহমানের হৃদয়জুড়ে রয়েছে সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর মমতা। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে নিয়োজিত বাংলাদেশের স্বনামধন্য সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ‘সুরভী’র পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, অন্তর্ভুক্তিমূলক জননীতি তৈরি, বিচারপ্রার্থী মানুষের অধিকার নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার প্রসার, লিঙ্গ সমতা এবং আধুনিক ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মতো দূরদর্শী বিষয়ে কাজ করার প্রতি তার রয়েছে বিশেষ আগ্রহ।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">43d6-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 17:08:23 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Health-treatment/73889/437e-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১২৩ জন এবং নিশ্চিত হামে ১০৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</p><p>২৫ অক্টোবরর রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>বুলেটিনে বলা হয় , শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগেই ৩ শিশু মারা গেছেন। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৩৫৬ জন রোগী এসেছে।</p><p>বিভাগভিত্তিক হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৬২৬ জন, রাজশাহীতে ৩০, সিলেটে ১৩৩, চট্টগ্রামে ২২৫ জন, বরিশালে ১৩৫, ময়মনসিংহে ১০৭, খুলনায় ৬০ এবং রংপুরে ৩৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।</p><p>তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭০৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৪ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে।</p><p>গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ১৬৪ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ৪০০ জন।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">437e-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 16:51:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[একদিনে ডেঙ্গুতে ৭জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ২২৪৯]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Health-treatment/73888/e76b-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৭ জন মারা গেছেন। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ২৪৯ জন।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকা উত্তর সিটি ও ময়মনসিংহ বিভাগে ২ জন করে এবং ঢাকা দক্ষিণ, খুলনা বিভাগ ও রাজশাহী বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩৮৪ জন মারা গেছেন।</p><p>এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ২৩ হাজার ৯৪৮ জন।</p><p>এর আগে, গত ১১ অক্টোবর ২ হাজার ১৯৩ জন, ১২ অক্টোবর ২ হাজার ১৬৭, ২৭ সেপ্টেম্বর ২ হাজার ১৫৮ ও ১৮ অক্টোবর ২ হাজার ৮৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।</p><p>চলতি বছর ৬ ও ১৫ অক্টোবর ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জন করে মারা গেছে।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e76b-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 16:46:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পর্যটকদের জন্য সেন্ট মার্টিন উন্মুক্ত হচ্ছে ১ নভেম্বর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73887/6e52-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ পর্যটন কেন্দ্র সেন্টমার্টিন। পর্যটকদের সুবিধার্থে সেখানে নানা ধরনের প্রস্তুতি চলছে।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান সই করা এক প্রজ্ঞাপনা এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিনে অবস্থান করতে পারবেন পর্যটকরা। এছাড়া সেন্টমার্টিনে রাত্রিযাপনের নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে সভায়।</p><p>একই সঙ্গে পরিবেশ রক্ষায় প্রতি পর্যটক থেকে ১০০ টাকা করে ফি দিতে। যে অর্থে প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে শুরু সব ধরনের দূষণ ঠেকাতে আলাদা কর্মী নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। সেন্টমার্টিনগামী জাহাজগুলো পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছড়া ঘাট থেকে ছেড়ে যাবে।</p><p>সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন ২ হাজারের পরিবর্তে সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6e52-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 16:37:45 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[‘জিম করা জায়েজ নয়’ - প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন সোহেল তাজ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Social-media/73886/06d4-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> ইসলামিক স্কলার মোহাম্মদ সাইফুল্লাহর একটি মন্তব্য বা পোস্টকে কেন্দ্র করে—যেখানে দাবি করা হয় ‘জিমে গিয়ে শরীরচর্চা করা জায়েজ নয়’—তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও ফিটনেস অ্যাক্টিভিস্ট তানজিম আহমদ সোহেল তাজ।</p><p>নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সোহেল তাজ এই ধরনের ফতোয়া বা মন্তব্যের ঘোর বিরোধিতা করেন এবং একে চরম বিস্ময়কর হিসেবে আখ্যা দেন। তার প্রতিক্রিয়া ও বক্তব্যের মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:</p><p>হায় আল্লাহ- সর্বনাশ! জিম করা যদি পশ্চিমা/ইহুদিদের এবং খারাপ লোকের লক্ষণ হয় তাহলে মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া (Facebook etc.) টেলিভিশন, রেডিও, MRI মেশিনসহ অন্যান্য medical device, গাড়ি, মোটরসাইকেল, ইলেকট্রিসিটি, বিদ্যুৎতের বাতি, ফ্রিজ, AC, fan, ঘড়ি, প্লেট, গ্লাস, চেয়ার, টেবিল, চশমা, টুথব্রাশ, টুথপেস্টসহ আরো সত সত জিনিস যেগুলি ৯৯% পশ্চিমা/ইহুদিরা শুধু ব্যবহার করে না- তারা আবিষ্কার/উদ্ভাবন করেছে- সেগুলি কি আমাদের এখন বর্জন করতে হবে?</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">06d4-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 16:36:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দুই সপ্তাহ পর খুলছে রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/73885/330d-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনা শুরুর ঘোষণা দেয়া হয়েছে।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার থেকে নতুন টার্মিনাল ব্যবস্থায় অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালিত হবে।</p><p>এএফপি খবর অনুযায়ী, এক্স পোস্টে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘২৫ অক্টোবর থেকে কিং খালেদ বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-১ এবং সৌদির এয়ারলাইন্স কর্তৃক পরিচালিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-২ ব্যবহার করা হবে।’</p><p>ইয়েমেনের হুথিরা রিয়াদ বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে গত দুই সপ্তাহে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। এতে এই বিমানবন্দরে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন।</p><p>এ ছাড়া দাম্মামের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলায় আরও অন্তত পাঁচজনের প্রাণ গেছে। এমন পরিস্থিতিতেই রিয়াদ বিমানবন্দর চালু করতে যাচ্ছে দেশটি।</p><p>এদিকে, ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামের মোট ১৪১টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৯৩৩ জন।</p><p>বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ অক্টোবর থেকে শুক্রবার ২৩ অক্টোবর রাত পর্যন্ত বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৬৬টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৭৫টি ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল।</p><p>সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ১৯টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে।</p><p>অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২৯টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, সালামএয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৭টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এসব যাত্রীদের বিভিন্ন গন্তব্যে ট্রানজিট নিয়ে রিয়াদ ও দাম্মাম যাওয়ার কথা ছিল। তবে স্ব স্ব দেশ থেকে ফ্লাইট বাতিলের কারণে ঢাকা থেকে কোনো যাত্রী বহন করেনি তারা।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">330d-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 16:15:42 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73884/4abc-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস।</p><p>২৫ রোববার স্পিকারের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে সুইডেনে কাজ করছে। সুইডেনের পার্লামেন্ট ব্যবস্থা এক-কক্ষবিশিষ্ট সংসদীয় প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা। তিনি বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে সুইডেন ও বাংলাদেশের মধ্যে অনেক ক্ষেত্রে সাদৃশ্য রয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও সুইডেনের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন উভয় দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সবসময় গণতন্ত্র প্রিয়। গণতন্ত্রের জন্য এদেশের জনগণ নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে কখনো কুন্ঠা বোধ করেননি। দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের মাধ্যমে এদেশের জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিল।</p><p>স্পিকার বলেন, ‘২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এদেশের ছাত্র সমাজ এবং আপামর জনসাধারণ স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। এদেশের জনগণ নিজের পছন্দসই দল ও প্রার্থীর পক্ষে ভোটদান করে থাকে। &nbsp;</p><p>তিনি আরও বলেন, ভোটাররা নিজেদের গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।</p><p>সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস বলেন, সুইডেনের পার্লামেন্টে মোট ৩৪৯টি আসন রয়েছে। সদস্যরা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে চার বছর মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হন।</p><p>তিনি বলেন, সুইডেন আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র হলেও রাষ্ট্র পরিচালনার সমস্ত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা পার্লামেন্ট এবং সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে। সাক্ষাৎকালে তারা উভয়ই সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ ও ককাস গঠনে গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও ক্রীড়া ও সংস্কৃতিসহ দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি নিয়েও আলোচনা হয়।</p><p>স্পিকার এ সময় চলমান সংবিধান সংস্কার কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন এবং বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরের উপকূলে মজুদকৃত তেল ও গ্যাস উত্তোলনে সুইডিশ কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানান।</p><p>বৈঠকে সুইডিশ দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই।</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4abc-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 16:07:50 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[যে কারণে গোলাপি জার্সি পরে মাঠে নেমেছে পাকিস্তান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/73883/163b-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক:</strong> জাতীয় পতাকার সঙ্গে মিল রেখে সব সময়ই সবুজ রঙকে প্রাধান্য দিয়ে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেট খেলে পাকিস্তান। অন্যান্য খেলায়ও একই নীতি অনুসরণ করতে দেখা যায়। তবে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে পাকিস্তান গোলাপি জার্সি পরে নেমেছে। অবশ্য ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচে বিশেষ জার্সি পরার ঘোষণা আগেই দিয়েছিল তারা।</p><p>পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ওই ঘোষণার লক্ষ্য ছিল স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীদের চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহ। সেই উদ্দেশে তারা পাকিস্তানের ওয়ানডে অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি ও তারকা ব্যাটার বাবর আজমের বিশেষ স্বাক্ষরিত শার্ট নিলামের ঘোষণা দিয়েছে। স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নারীদের সহায়তা করার লক্ষ্যে পিসিবি ও ‘পিঙ্ক রিবন’-এর যৌথ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে এই উদ্যোগটি।</p><p>ক্রিকেট ম্যাচে নিজেদের নিয়মিত পোশাকের বাইরে বিশেষ জার্সি পরার ঘটনা নতুন নয়। স্তন ক্যান্সারের সতর্কতা বার্তা দিতে আগে থেকেই গোলাপি জার্সি কিংবা ক্যাপ পরে খেলে আসছে দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়ার মতো দলগুলো। পাকিস্তানও সাম্প্রতিক বছরে একই পথে হাঁটছে।</p><p>প্রতি বছরের অক্টোবর মাসকে স্তন ক্যান্সারের সচেতনতা তৈরিতে কাজে লাগানো হয়। ২০১৩ সাল থেকে প্রোটিয়ারা সীমিত ফরম্যাটে প্রায় প্রতি বছর গোলাপি জার্সি পরে সীমিত ফরম্যাটের একটি ম্যাচ খেলার রীতি চালু করে। সেই ম্যাচে আয়ের অংশ ব্যয় করা হয় স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসায়। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া বক্সিং ডেতে টেস্ট ম্যাচে ওই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে গোলাপি ক্যাপ পরে খেলতে নামে।</p><p>এদিকে, চলমান ম্যাচে স্বাগতিক দলের পাশাপাশি ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়, ম্যাচ অফিসিয়াল এবং ধারাভাষ্যকারদেরও এই উদ্যোগের সমর্থনে গোলাপি রিবন পরার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ম্যাচটিতে ব্যবহৃত স্টাম্পগুলোতে গোলাপি রঙের ব্র্যান্ডিং রয়েছে। এ ছাড়া পুরো ম্যাচজুড়ে স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় ও মাঠের চারপাশে থাকা এলইডি বোর্ডে স্তন ক্যান্সার সচেতনতামূলক বার্তা এবং প্রচারণামূলক দৃশ্য প্রদর্শন করা হবে।</p><p>সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বেশ ভালো অবস্থানে আছে পাকিস্তান। অবশ্য উভয় দলের বিপক্ষে তারা আরও একবার করে মুখোমুখি হবে। ইংলিশরা আছে ব্যাকফুটে। কারণ তারা নিজেদের দুই ম্যাচেই হেরেছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চারশ পেরোনো সংগ্রহ সত্ত্বেও হেরেছে রেকর্ড গড়ে। পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমেও ব্রুক-রুটদের অবস্থা সুবিধাজনক নয়।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">163b-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 16:01:00 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ছুটি শেষে চিরচেনা রূপে ঢাকা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/73882/4b36-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দুর্গাপূজার টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতেই রাজধানীর সড়কে বাড়তি চাপের মুখে পড়েছেন নগরবাসী। বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের ভিড়ে ব্যস্ত হয়ে ওঠে সড়ক। কোথাও যানজট, কোথাও গাড়ির হর্ন, আবার কোথাও রাস্তা পারাপারে ব্যস্ত পথচারী। সব মিলিয়ে ছুটি শেষে আবারও চিরচেনা রূপে ফিরেছে ঢাকা।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে এমন চিত্র দেখা গেছে।</p><p>সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই মহানগরীর সড়কে কর্মজীবী মানুষের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। সকালের ব্যস্ত সময়ে সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী, কল্যাণপুর এলাকায় কর্মস্থলমুখী মানুষের ভিড়।</p><p>বাসের জন্য অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের অনেককে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। বাস এলে ওঠার জন্য তৈরি হয় প্রতিযোগিতা। ভিড়ের কারণে কেউ কেউ বাসে উঠতে না পেরে পরের গাড়ির অপেক্ষা করেন। যাত্রী ওঠানো-নামানোর সময়ও সড়কে যানবাহনের গতি কমে আসে। কর্মস্থলে পৌঁছানোর তাড়া, বাসের জন্য অপেক্ষা এবং সড়কে যানবাহনের বাড়তি উপস্থিতিতে সকালের যাতায়াত হয়ে ওঠে ভোগান্তিপূর্ণ।</p><p>আজ সকালে রাজধানীর রামপুরা, হাতিরঝিল, বাড্ডা, মালিবাগ, মৌচাক ও পল্টন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। কোথাও বাসের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে দেখা গেছে যাত্রীদের, কোথাও আবার ধীরগতিতে এগিয়েছে যানবাহন। অফিস ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানমুখী মানুষের ভিড়ে ফুটপাতগুলো হয়ে ওঠে ব্যস্ত। কেউ দ্রুত পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন, কেউ রাস্তা পার হওয়ার সুযোগ খুঁজছেন। অন্যদিকে সড়কে যানবাহনের চাপ সামলাতে চালকদের সতর্কভাবে গাড়ি চালাতে দেখা যায়।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-10-25a_n17929224104632.jpg"></figure><p>অন্যদিকে গুলিস্তান এলাকায় গণপরিবহনের পাশাপাশি রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির চলাচল ছিল বেশি। সড়কে গাড়ির সারি, যাত্রী ওঠানো-নামানো এবং রাস্তা পারাপারে পথচারীদের ব্যস্ততায় এলাকাটিতে ফিরে আসে কর্মদিবসের পরিচিত</p><p>যাত্রাবাড়ী থেকে গুলিস্তানগামী যাত্রী হাবিব খান বলেন, ছুটির সময় রাস্তায় চাপ কিছুটা কম ছিল। আজ সকালে বের হয়েই আবার আগের পরিস্থিতি দেখছি। বাসে দাঁড়ানোর জায়গাও পাওয়া কঠিন। যানজটের কারণে কখন গন্তব্যে পৌঁছাব, সেটাও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।</p><p>গুলিস্তান এলাকায় শিকড় বাসচালক বলেন, ছুটির পর আজ যাত্রী বেশি। বিভিন্ন জায়গায় যাত্রী ওঠানো-নামানোর সময় গাড়ি ধীরে চালাতে হচ্ছে। রাস্তায় গাড়ির চাপ থাকলে এক ট্রিপ শেষ করতেও বেশি সময় লাগে। এতে চালক ও যাত্রী, দুপক্ষকেই ভোগান্তিতে পড়তে হয়।</p><p>দুর্গাপূজার ছুটিতে রাজধানীর সড়কে তুলনামূলক স্বস্তি থাকলেও ছুটি শেষে সেই চিত্র বদলে গেছে। কর্মস্থলে ফেরা মানুষের সঙ্গে বেড়েছে গণপরিবহনের যাত্রী ও ব্যক্তিগত গাড়ির চলাচল।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4b36-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 16:00:23 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদারে স্পেন-যুক্তরাজ্য যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73881/7b29-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও গভীর এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আগামীকাল (সোমবার) স্পেন ও যুক্তরাজ্যের সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।</p><p>২৬ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারিত এ সফরে তিনি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, দক্ষতা উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ˆবঠক করবেন।</p><p>২৫ অক্টোবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।</p><p>তিনি স্পেনের সেভিলে আগামী ২৬ অক্টোবর তৃতীয় ‘স্পেন-বাংলাদেশ এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধন করবেন। স্পেন-বাংলাদেশ চে¤^ার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এসবিসিসিআই) আয়োজিত এ এক্সপোর প্রতিপাদ্য ‘শক্তিশালী অংশীদারিত্ব, অভিন্ন সমৃদ্ধি’।</p><p>এ আয়োজনের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের সঙ্গে স্পেনের উৎপাদনকারী, আমদানিকারক ও বিনিয়োগকারীদের সংযোগ স্থাপন করা এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন অংশীদারিত্বের সুযোগ সৃষ্টি করা। স্পেনে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পর শামা ২৯ ও ৩০ অক্টোবর যুক্তরাজ্য সফর করবেন তিনি।</p><p>যুক্তরাজ্যে তাঁর কর্মসূচিতে বাংলাদেশের শিল্পকলা ও সংস্কৃতির প্রচার, আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং দেশের সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে সম্ভাবনা অনুসন্ধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।</p><p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ সফরের মধ্য দিয়ে ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে অর্থনৈতিক কূটনীতি এগিয়ে নেওয়া, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7b29-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 15:45:28 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে উদযাপিত হলো দুর্গাপূজা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73880/d0df-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল ও নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান।</p><p>মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আগাম প্রস্তুতি ও প্রযুক্তিনির্ভর সার্বক্ষণিক নিবিড় তদারকির ফলেই এ বছর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই অত্যন্ত শান্তিময় পরিবেশে উৎসব সম্পন্ন হয়েছে- যা আগামী বছরগুলোতেও বজায় থাকবে বলে আশা করি। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে নিরলসভাবে কাজ করা পুলিশ, বিজিবি, আনসার, গোয়েন্দা সংস্থা ও সাংবাদিকসহ সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p><p>তিনি বলেন, বিগত ১৫-১৭ বছর ধরে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নানাবিধ অপ্রীতিকর ঘটনা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনাশের চেষ্টা দেখা যেত, তবে বর্তমান সরকার দেশকে সেই অপসংস্কৃতি থেকে মুক্ত করতে পেরেছে। তিনি আরও বলেন, এবার ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে আগাম প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল। ডিজিটাল অ্যাপস ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে বিভাগীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত সার্বক্ষণিক তদারকি করার ফলে অশুভ চক্রের দু'একটি সম্ভাব্য নাশকতামূলক পরিকল্পনা পূর্বেই উদ্ঘাটন ও নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।</p><p>মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারই সর্বোচ্চ সংখ্যক ৩৩,৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবকে আরও আনন্দমুখর করতে সরকার নানা প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পূর্বে যেখানে সরকারি বরাদ্দ ছিল সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা, তা বাড়িয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ বছর ৫ কোটি টাকায় উন্নীত করেছেন। এছাড়া প্রতিটি মণ্ডপের জন্য চালের বরাদ্দ ১০০ কেজি বাড়িয়ে ৬০০ কেজি করা হয়েছে। একইসাথে সাপ্তাহিক ছুটিসহ এ বছর পূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা টানা ৫ দিনের ছুটি উপভোগ করেছেন, যার মধ্যে ৩ দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এসব উদ্যোগ একটি ঐক্যবদ্ধ ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তোলার সরকারি আন্তরিকতারই বহিঃপ্রকাশ বলে মন্ত্রী অভিহিত করেন।</p><p>গোপালগঞ্জ সদরের খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং তার অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কিছু সন্ত্রাসী টহলরত পুলিশের ওপর হামলার অপচেষ্টা চালায়। সংখ্যায় কম থাকায় পুলিশ আক্রান্ত হলেও ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখে ইতিমধ্যেই জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হয়েছে।</p><p>পার্বত্য অঞ্চলের (সাজেক) সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, সেখানে একাধিক ক্ষুদ্র সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যকার অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারের জেরে প্রতি বছর পর্যটন মৌসুমে কিছুটা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর প্রয়োজনীয় কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি স্থানীয় সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়াসহ স্থানীয় নেতৃত্ব যৌথভাবে রাজনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন।</p><p>পূজার ছুটির মধ্যে একজন অতিরিক্ত ডিআইজির বাসভবনে অভিযান এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৮৫ জনকে সাজা দেওয়ার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তার পরিচয় বিবেচনা না করে তাঁকে ইতোমধ্যেই সংযুক্ত করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিভাগীয় মামলাসহ অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদেশে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা ও বিদেশে দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে ফেরত পেতে আইন ও এক্সট্রাডিশন (প্রত্যর্পণ) চুক্তি অনুযায়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশকে একাধিকবার অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তি অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে চাইলেও গণঅভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে যাওয়া গণহত্যাকারী বা কোনো পলাতক অপরাধীকে দেশে নতুন করে কোনো অপতৎপরতা চালাতে দেওয়া হবে না।</p><p>আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন অবশ্যই নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে। এটি রাজনৈতিক সমঝোতা ও আন্দোলনের মূল অঙ্গীকার ছিল। সর্বোচ্চ আদালত থেকে ত্রয়োদশ সংশোধনী সম্পর্কিত যে রায় বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক দিয়েছিল সেটা বাতিল করেছে এবং জুডিশিয়ালি সেটা রিভাইভ (পুনর্বহাল) করেছে। লেজিসলেচার বা আইনসভার মাধ্যমে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও প্রতিস্থাপন করা হবে।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d0df-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 15:45:18 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73879/dab5-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>প্রবাসে বাংলাদেশিদের জীবনের নিরাপত্তা, অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে ‘প্রবাসী বাংলাদেশি অধিকার সংস্থা (প্রবাস)’।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে সংগঠনটি। পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি জমা দেয়।</p><p>স্মারকলিপিতে প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা জোরদার, নির্যাতনের অভিযোগ তদন্ত এবং বিদেশে বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশিদের সহায়তায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।</p><p>মানববন্ধনে সংগঠনের আহ্বায়ক, লেখক-চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা মনন বলেন, ‘প্রবাসে যেসব বাংলাদেশি শ্রমিক বিচারাধীন রয়েছেন, তারা যেন ন্যায়বিচার পান, সরকারকে তা নিশ্চিত করতে হবে।’</p><p>অ্যাক্টিভিস্ট ও সংগঠনের সদস্য সচিব আনন্দ কুটুম বলেন, সৌদিতে পাশবিক নির্যাতন সইতে না পেরে গত নয় মাসে দেশে ফিরেছেন ৯৮০ জন নারী কর্মী। কেউ কেউ ফিরেছেন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে। এদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে। এ সকল শিশুদেরকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির ব্যবস্থা করতে হবে। আন্তর্জাতিক ফোরামে আলোচনার মাধ্যমে এর স্থায়ী সমাধান করতে হবে।</p><p>চিকিৎসক ও ‘প্রবাস’-এর সমন্বয়ক তৃণা ইসলাম বলেন, দূতাবাসগুলো যথাযথ ভূমিকা পালন করছে কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার।</p><p>সাংবাদিক ও সংগঠনের গণমাধ্যম সমন্বয় হাসনাত কাদীর বলেন, প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থে এই দেশ চলে। দেশটা যেন রেমিট্যান্স খোর হয়ে না ওঠে। রাষ্ট্রকে দেশ ও দেশের বাইরে থাকা সকল নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। &nbsp;</p><p>মানববন্ধন থেকে বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন ও হয়রানির সুষ্ঠু তদন্ত, অধিকার লঙ্ঘনের প্রতিকার এবং মৃত্যুদণ্ডের মতো গুরুতর শাস্তির ক্ষেত্রে ন্যায্য বিচারপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।</p><p>বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বিদেশে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক বিপদে পড়লে প্রয়োজনীয় আইনি ও কনস্যুলার সহায়তার পাশাপাশি পরিস্থিতি অনুযায়ী কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।</p><p>প্রবাসীদের অধিকার রক্ষা, আইনি সহায়তা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও জনসচেতনতামূলক কাজের লক্ষ্যে গঠিত ‘প্রবাস’ জানিয়েছে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও স্মারকলিপিটি জমা দেওয়া হবে।</p><p>‘বিদেশে শ্রমিকের নিরাপত্তা চাই’ ও ‘নির্যাতন ও মৃত্যুদণ্ডের জবাব চাই’ স্লোগানে এ কর্মসূচির সহ-আয়োজক ছিল গণতন্ত্র ও জবাবদিহিবিষয়ক দক্ষিণ এশিয়াভিত্তিক নেটওয়ার্ক ‘সাউথ এশিয়ান অ্যাকাউন্টেবিলিটি নেটওয়ার্ক ফর ডেমোক্রেসি (স্যান্ড)’। গবেষণা সহযোগী ছিল চিকিৎসাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘দ্য স্কলারো’।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">dab5-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 15:32:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জামালপুরে মক্তব শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, শিক্ষকের যাবজ্জীবন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/73878/8c72-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি: </strong>জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে মক্তবে আরবি পড়তে আসা এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া নামে এক মক্তব শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।</p><p>দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া গাইবান্ধা জেলার ফুলছরি থানার হরিচন্ডি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি ও মক্তবে শিক্ষকতা করতেন।</p><p>রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর সকালে ওই শিক্ষার্থী মসজিদে আরবি পড়তে যায়। অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে ভুক্তভোগীকে মসজিদে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করানোর সুযোগে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন তিনি। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে সেই বছরের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।</p><p>সেই মামলায় ২০২১ সালের ৫ মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। পরে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই রায় ঘোষণা করেন আদালত।</p><p>রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, আদালতে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তাই আদালত তাকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8c72-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 15:15:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জামালপুরে মক্তব শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, শিক্ষকের যাবজ্জীবন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/73878/8c72-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি: </strong>জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে মক্তবে আরবি পড়তে আসা এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া নামে এক মক্তব শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।</p><p>দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া গাইবান্ধা জেলার ফুলছরি থানার হরিচন্ডি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি ও মক্তবে শিক্ষকতা করতেন।</p><p>রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর সকালে ওই শিক্ষার্থী মসজিদে আরবি পড়তে যায়। অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে ভুক্তভোগীকে মসজিদে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করানোর সুযোগে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন তিনি। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে সেই বছরের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।</p><p>সেই মামলায় ২০২১ সালের ৫ মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। পরে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই রায় ঘোষণা করেন আদালত।</p><p>রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, আদালতে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তাই আদালত তাকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8c72-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 15:15:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নজিরবিহীন শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসায় ভারতীয় গণমাধ্যম]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/73877/3dc8-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে ২০২৬ সালের শারদীয় দুর্গাপূজার বর্ণাঢ্য আয়োজন, ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং উৎসব ঘিরে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সাংবাদিক বাংলাদেশের এবারের দুর্গাপূজার আয়োজনের প্রশংসা করেছেন।</p><p>ভারতের একটি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্টে প্রকাশিত বিশ্লেষণেও তারেক রহমান সরকারের সামনে থাকা রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের আলোচনা করতে গিয়ে উৎসবের বর্ণাঢ্য আয়োজন ও নিরাপত্তাব্যবস্থার ইতিবাচক দিক স্বীকার করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, যে দেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিবেশী ভারতের সংবাদমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নানা উদ্বেগ, অভিযোগ ও বিতর্ক প্রকাশিত হয়েছে, সেই দেশের ধর্মীয় উৎসবের সফল আয়োজনের প্রশংসা দুই দেশের জনপরিসরে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।<br><br>তবে এই অর্জনকে শুধু রাজনৈতিক সাফল্য কিংবা ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রশংসা পাওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত মাহাত্ম্য অনুধাবন করা যাবে না। বরং একে দেখতে হবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, সামাজিক সহাবস্থান, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ গতিপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে। তারেক রহমান সরকারের সামনে এবারের দুর্গাপূজা ছিল এমন একটি উপলক্ষ, যেখানে প্রশাসনিক দক্ষতা, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও নাগরিক নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে প্রমাণ করার প্রয়োজন ছিল। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার পূজামণ্ডপে বর্ণাঢ্য আয়োজন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক মোতায়েন, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি এবং উৎসব উপলক্ষে ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।<br><br>২০২৬ সালের পূজোয় বাংলাদেশজুড়ে ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়, যার মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ছিল ২৫৮টি। গত বছরের তুলনায় পূজামণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দেড় হাজার। উৎসবের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দুই লাখের বেশি সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ মণ্ডপে বিশেষ নিরাপত্তা, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে স্ট্রাইকিং টিম প্রস্তুত রাখা এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবির তৎপরতা জোরদার করা হয়। সরকারি ছুটি বাড়িয়ে নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটিসহ কার্যত পাঁচ দিনের অবকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়। এসব পদক্ষেপের সম্মিলিত প্রভাব উৎসবের পরিবেশে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।<br><br>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের জন্য এই সাফল্যের তাৎপর্য এখানেই যে, ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের প্রতি অনুগ্রহ নয়; এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন কোনো ভয়, চাপ কিংবা বাধা ছাড়াই তাঁদের ধর্মীয় আচার পালন করতে পারেন, সেই নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠা করা সরকারের মৌলিক কর্তব্য। একইভাবে মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য ধর্মীয় পরিচয়ের নাগরিকদের ক্ষেত্রেও সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রের পরিচয় নির্ধারিত হয় তার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর শক্তি দিয়ে নয়, বরং প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার কতটা সুরক্ষিত, তা দিয়ে।<br><br>বাংলাদেশের আবহমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এই সম্প্রীতির ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছে। ঈদে মুসলমানদের আনন্দে যেমন অন্য ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়, তেমনি দুর্গাপূজার আনন্দেও বহু মুসলমান প্রতিবেশী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে যুক্ত হন। মণ্ডপের শিল্পকর্ম, আলোকসজ্জা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বাংলাদেশের বহুত্ববাদী সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় বহন করে। এবারের পূজার বর্ণাঢ্য আয়োজন সেই ঐতিহ্যকে নতুন করে সামনে এনেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মণ্ডপের সৌন্দর্য ও উৎসবের প্রাণবন্ত পরিবেশ প্রশংসিত হয়েছে। ভারতের গণমাধ্যমে প্রকাশিত ইতিবাচক মূল্যায়নও এই চিত্রকে সীমান্তের ওপারে পৌঁছে দিয়েছে।<br><br>দ্য প্রিন্টে প্রকাশিত বিশ্লেষণের গুরুত্ব বিশেষভাবে বিবেচনাযোগ্য। সেখানে এবারের দুর্গাপূজার আয়োজন, পূজামণ্ডপের সংখ্যা বৃদ্ধি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন এবং উৎসব উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটির ব্যবস্থা তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে লেখাটিতে বলা হয়েছে, তারেক রহমান সরকারকে এই অর্জনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের আস্থা ধরে রাখতে হলে উৎসবের বাইরেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অর্থাৎ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এই মূল্যায়ন একদিকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিবাচক উদ্যোগের স্বীকৃতি, অন্যদিকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে বাংলাদেশের সামনে থাকা দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্বের স্মারক।<br><br>আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কোনো দেশ সম্পর্কে মূল্যায়ন সব সময় একরৈখিক হয় না। কখনো তারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তুলে ধরে, কখনো প্রশাসনিক উদ্যোগের প্রশংসা করে, আবার কখনো রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও নির্বাচনী সমীকরণ বিশ্লেষণ করে। তাই ভারতীয় গণমাধ্যমে এবারের দুর্গাপূজার প্রশংসাকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রচারিত সব অভিযোগের অবসান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি দেখায়, বাস্তব পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটলে সমালোচনামুখর সংবাদমাধ্যমেও তার স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভব।</p><p>অন্যদিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে আওয়ামী লীগের ভূমিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের বিষয়। হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে আওয়ামী লীগ নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির প্রধান ধারক এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার অন্যতম নিশ্চয়তাদাতা হিসেবে উপস্থাপন করেছে। কিন্তু নাসিরনগর, রংপুরের ঠাকুরপাড়া, কুমিল্লা ও পীরগঞ্জের মতো বিভিন্ন ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর হামলা, উপাসনালয় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। এসব ঘটনার তদন্ত ও সংবাদ প্রতিবেদনে উসকানি, স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ভূমিকা, রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতা নিয়ে নানা তথ্য ও অভিযোগ উঠে এসেছে।</p><p>স্বৈরাচার পতনের পর বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে যে উদ্বেগ ও সমালোচনা প্রকাশিত হয়েছে, তা দুই দেশের সম্পর্কেও প্রভাব ফেলেছে। কিছু সংবাদ পরিবেশনে যাচাইহীন তথ্য, অতিরঞ্জন কিংবা বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে সামগ্রিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হিসেবে তুলে ধরার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। এই দুই বাস্তবতাকে পাশাপাশি রেখে বিচার করাই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও বিশ্লেষণের দাবি। কারণ, সত্য গোপন করে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা করা যায় না; আবার অসম্পূর্ণ বা বিকৃত তথ্য দিয়ে একটি দেশের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরাও ন্যায়সংগত নয়।<br><br>এই প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান সরকারের অধীনে দুর্গাপূজার ইতিবাচক আয়োজন বাংলাদেশের সামনে একটি নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রশংসা দেখিয়ে সরকার বলতে পারে, বাংলাদেশে ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা রয়েছে এবং সঠিক প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হলে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব। তবে সেই বক্তব্যের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করবে পরবর্তী সময়ে সরকারের কাজের ওপর। উৎসবের কয়েকটি দিন নিরাপদ রাখার পাশাপাশি সারা বছর মন্দির, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যেকোনো হামলার অভিযোগ দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো, গুজবের মাধ্যমে উত্তেজনা সৃষ্টি কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে অপরাধ করার প্রবণতা প্রতিরোধ করতে হবে।<br><br>এখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের একটি বড় পরীক্ষা রয়েছে। তিনি যদি ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনৈতিক বিভাজনের উপকরণ হতে না দিয়ে সব নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন, তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রশ্নের প্রচলিত মেরুকরণ দুর্বল হয়ে আসবে। শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন কিংবা ভবিষ্যতের নির্বাচনী সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা চলতেই পারে; কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সমর্থন কোনো ব্যক্তির প্রত্যাবর্তন বা কোনো দলের নির্বাচনী কৌশলের ওপর নির্ভরশীল থাকা উচিত নয়। রাষ্ট্রের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও আইনের শাসনই হবে নাগরিক অধিকারের প্রধান নিশ্চয়তা।<br><br>এবারের দুর্গাপূজার বর্ণাঢ্য আয়োজন এবং ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রশংসা তাই বাংলাদেশের জন্য একটি ইতিবাচক কূটনৈতিক ও সামাজিক সুযোগ। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ দেখাতে পারে যে ধর্মীয় সম্প্রীতি কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয়; এটি রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি এবং নাগরিক জীবনের বাস্তব ভিত্তি। একই সঙ্গে সরকারকে মনে রাখতে হবে, একটি শান্তিপূর্ণ উৎসবের সাফল্য ভবিষ্যতের সব সমস্যার সমাধান নয়। বরং এটি প্রমাণ করার একটি সুযোগ যে প্রশাসনিক সদিচ্ছা, পরিকল্পনা ও জনগণের সহযোগিতা একত্র হলে ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব।<br><br>পরিশেষে বলতে চাই, স্বৈরাচারের দীর্ঘ শাসনামলে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক ব্যবহার নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিকে শিক্ষা নিতে হবে। ধর্মীয় পরিচয়কে ভোটের হিসাব কিংবা আন্তর্জাতিক কূটনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসাই হবে প্রকৃত অগ্রগতি। এবারের দুর্গাপূজার সাফল্য তারেক রহমান সরকারের জন্য সেই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হতে পারে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রশংসা বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করেছে; এখন সেই স্বীকৃতিকে স্থায়ী করতে হবে আইনের শাসন, নিরপেক্ষ বিচার এবং প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।<br><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3dc8-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 15:04:04 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নজিরবিহীন শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসায় ভারতীয় গণমাধ্যম]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/mass-media/73877/3dc8-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে ২০২৬ সালের শারদীয় দুর্গাপূজার বর্ণাঢ্য আয়োজন, ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং উৎসব ঘিরে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সাংবাদিক বাংলাদেশের এবারের দুর্গাপূজার আয়োজনের প্রশংসা করেছেন।</p><p>ভারতের একটি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্টে প্রকাশিত বিশ্লেষণেও তারেক রহমান সরকারের সামনে থাকা রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের আলোচনা করতে গিয়ে উৎসবের বর্ণাঢ্য আয়োজন ও নিরাপত্তাব্যবস্থার ইতিবাচক দিক স্বীকার করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, যে দেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিবেশী ভারতের সংবাদমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নানা উদ্বেগ, অভিযোগ ও বিতর্ক প্রকাশিত হয়েছে, সেই দেশের ধর্মীয় উৎসবের সফল আয়োজনের প্রশংসা দুই দেশের জনপরিসরে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।<br><br>তবে এই অর্জনকে শুধু রাজনৈতিক সাফল্য কিংবা ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রশংসা পাওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত মাহাত্ম্য অনুধাবন করা যাবে না। বরং একে দেখতে হবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, সামাজিক সহাবস্থান, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ গতিপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে। তারেক রহমান সরকারের সামনে এবারের দুর্গাপূজা ছিল এমন একটি উপলক্ষ, যেখানে প্রশাসনিক দক্ষতা, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও নাগরিক নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে প্রমাণ করার প্রয়োজন ছিল। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার পূজামণ্ডপে বর্ণাঢ্য আয়োজন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক মোতায়েন, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি এবং উৎসব উপলক্ষে ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।<br><br>২০২৬ সালের পূজোয় বাংলাদেশজুড়ে ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়, যার মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ছিল ২৫৮টি। গত বছরের তুলনায় পূজামণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দেড় হাজার। উৎসবের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দুই লাখের বেশি সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ মণ্ডপে বিশেষ নিরাপত্তা, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে স্ট্রাইকিং টিম প্রস্তুত রাখা এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবির তৎপরতা জোরদার করা হয়। সরকারি ছুটি বাড়িয়ে নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটিসহ কার্যত পাঁচ দিনের অবকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়। এসব পদক্ষেপের সম্মিলিত প্রভাব উৎসবের পরিবেশে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।<br><br>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের জন্য এই সাফল্যের তাৎপর্য এখানেই যে, ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের প্রতি অনুগ্রহ নয়; এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন কোনো ভয়, চাপ কিংবা বাধা ছাড়াই তাঁদের ধর্মীয় আচার পালন করতে পারেন, সেই নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠা করা সরকারের মৌলিক কর্তব্য। একইভাবে মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য ধর্মীয় পরিচয়ের নাগরিকদের ক্ষেত্রেও সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রের পরিচয় নির্ধারিত হয় তার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর শক্তি দিয়ে নয়, বরং প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার কতটা সুরক্ষিত, তা দিয়ে।<br><br>বাংলাদেশের আবহমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এই সম্প্রীতির ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছে। ঈদে মুসলমানদের আনন্দে যেমন অন্য ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়, তেমনি দুর্গাপূজার আনন্দেও বহু মুসলমান প্রতিবেশী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে যুক্ত হন। মণ্ডপের শিল্পকর্ম, আলোকসজ্জা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বাংলাদেশের বহুত্ববাদী সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় বহন করে। এবারের পূজার বর্ণাঢ্য আয়োজন সেই ঐতিহ্যকে নতুন করে সামনে এনেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মণ্ডপের সৌন্দর্য ও উৎসবের প্রাণবন্ত পরিবেশ প্রশংসিত হয়েছে। ভারতের গণমাধ্যমে প্রকাশিত ইতিবাচক মূল্যায়নও এই চিত্রকে সীমান্তের ওপারে পৌঁছে দিয়েছে।<br><br>দ্য প্রিন্টে প্রকাশিত বিশ্লেষণের গুরুত্ব বিশেষভাবে বিবেচনাযোগ্য। সেখানে এবারের দুর্গাপূজার আয়োজন, পূজামণ্ডপের সংখ্যা বৃদ্ধি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন এবং উৎসব উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটির ব্যবস্থা তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে লেখাটিতে বলা হয়েছে, তারেক রহমান সরকারকে এই অর্জনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের আস্থা ধরে রাখতে হলে উৎসবের বাইরেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অর্থাৎ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এই মূল্যায়ন একদিকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিবাচক উদ্যোগের স্বীকৃতি, অন্যদিকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে বাংলাদেশের সামনে থাকা দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্বের স্মারক।<br><br>আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কোনো দেশ সম্পর্কে মূল্যায়ন সব সময় একরৈখিক হয় না। কখনো তারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তুলে ধরে, কখনো প্রশাসনিক উদ্যোগের প্রশংসা করে, আবার কখনো রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও নির্বাচনী সমীকরণ বিশ্লেষণ করে। তাই ভারতীয় গণমাধ্যমে এবারের দুর্গাপূজার প্রশংসাকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রচারিত সব অভিযোগের অবসান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি দেখায়, বাস্তব পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটলে সমালোচনামুখর সংবাদমাধ্যমেও তার স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভব।</p><p>অন্যদিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে আওয়ামী লীগের ভূমিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের বিষয়। হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে আওয়ামী লীগ নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির প্রধান ধারক এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার অন্যতম নিশ্চয়তাদাতা হিসেবে উপস্থাপন করেছে। কিন্তু নাসিরনগর, রংপুরের ঠাকুরপাড়া, কুমিল্লা ও পীরগঞ্জের মতো বিভিন্ন ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর হামলা, উপাসনালয় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। এসব ঘটনার তদন্ত ও সংবাদ প্রতিবেদনে উসকানি, স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ভূমিকা, রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতা নিয়ে নানা তথ্য ও অভিযোগ উঠে এসেছে।</p><p>স্বৈরাচার পতনের পর বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে যে উদ্বেগ ও সমালোচনা প্রকাশিত হয়েছে, তা দুই দেশের সম্পর্কেও প্রভাব ফেলেছে। কিছু সংবাদ পরিবেশনে যাচাইহীন তথ্য, অতিরঞ্জন কিংবা বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে সামগ্রিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হিসেবে তুলে ধরার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। এই দুই বাস্তবতাকে পাশাপাশি রেখে বিচার করাই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও বিশ্লেষণের দাবি। কারণ, সত্য গোপন করে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা করা যায় না; আবার অসম্পূর্ণ বা বিকৃত তথ্য দিয়ে একটি দেশের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরাও ন্যায়সংগত নয়।<br><br>এই প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান সরকারের অধীনে দুর্গাপূজার ইতিবাচক আয়োজন বাংলাদেশের সামনে একটি নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রশংসা দেখিয়ে সরকার বলতে পারে, বাংলাদেশে ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা রয়েছে এবং সঠিক প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হলে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব। তবে সেই বক্তব্যের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করবে পরবর্তী সময়ে সরকারের কাজের ওপর। উৎসবের কয়েকটি দিন নিরাপদ রাখার পাশাপাশি সারা বছর মন্দির, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যেকোনো হামলার অভিযোগ দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো, গুজবের মাধ্যমে উত্তেজনা সৃষ্টি কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে অপরাধ করার প্রবণতা প্রতিরোধ করতে হবে।<br><br>এখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের একটি বড় পরীক্ষা রয়েছে। তিনি যদি ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনৈতিক বিভাজনের উপকরণ হতে না দিয়ে সব নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন, তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রশ্নের প্রচলিত মেরুকরণ দুর্বল হয়ে আসবে। শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন কিংবা ভবিষ্যতের নির্বাচনী সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা চলতেই পারে; কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সমর্থন কোনো ব্যক্তির প্রত্যাবর্তন বা কোনো দলের নির্বাচনী কৌশলের ওপর নির্ভরশীল থাকা উচিত নয়। রাষ্ট্রের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও আইনের শাসনই হবে নাগরিক অধিকারের প্রধান নিশ্চয়তা।<br><br>এবারের দুর্গাপূজার বর্ণাঢ্য আয়োজন এবং ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রশংসা তাই বাংলাদেশের জন্য একটি ইতিবাচক কূটনৈতিক ও সামাজিক সুযোগ। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ দেখাতে পারে যে ধর্মীয় সম্প্রীতি কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয়; এটি রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি এবং নাগরিক জীবনের বাস্তব ভিত্তি। একই সঙ্গে সরকারকে মনে রাখতে হবে, একটি শান্তিপূর্ণ উৎসবের সাফল্য ভবিষ্যতের সব সমস্যার সমাধান নয়। বরং এটি প্রমাণ করার একটি সুযোগ যে প্রশাসনিক সদিচ্ছা, পরিকল্পনা ও জনগণের সহযোগিতা একত্র হলে ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব।<br><br>পরিশেষে বলতে চাই, স্বৈরাচারের দীর্ঘ শাসনামলে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক ব্যবহার নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিকে শিক্ষা নিতে হবে। ধর্মীয় পরিচয়কে ভোটের হিসাব কিংবা আন্তর্জাতিক কূটনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসাই হবে প্রকৃত অগ্রগতি। এবারের দুর্গাপূজার সাফল্য তারেক রহমান সরকারের জন্য সেই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হতে পারে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রশংসা বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করেছে; এখন সেই স্বীকৃতিকে স্থায়ী করতে হবে আইনের শাসন, নিরপেক্ষ বিচার এবং প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।<br><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3dc8-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 15:04:04 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নজিরবিহীন শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসায় ভারতীয় গণমাধ্যম]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Opinion/73877/3dc8-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে ২০২৬ সালের শারদীয় দুর্গাপূজার বর্ণাঢ্য আয়োজন, ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং উৎসব ঘিরে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সাংবাদিক বাংলাদেশের এবারের দুর্গাপূজার আয়োজনের প্রশংসা করেছেন।</p><p>ভারতের একটি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্টে প্রকাশিত বিশ্লেষণেও তারেক রহমান সরকারের সামনে থাকা রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের আলোচনা করতে গিয়ে উৎসবের বর্ণাঢ্য আয়োজন ও নিরাপত্তাব্যবস্থার ইতিবাচক দিক স্বীকার করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, যে দেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিবেশী ভারতের সংবাদমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নানা উদ্বেগ, অভিযোগ ও বিতর্ক প্রকাশিত হয়েছে, সেই দেশের ধর্মীয় উৎসবের সফল আয়োজনের প্রশংসা দুই দেশের জনপরিসরে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।<br><br>তবে এই অর্জনকে শুধু রাজনৈতিক সাফল্য কিংবা ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রশংসা পাওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত মাহাত্ম্য অনুধাবন করা যাবে না। বরং একে দেখতে হবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, সামাজিক সহাবস্থান, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ গতিপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে। তারেক রহমান সরকারের সামনে এবারের দুর্গাপূজা ছিল এমন একটি উপলক্ষ, যেখানে প্রশাসনিক দক্ষতা, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও নাগরিক নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে প্রমাণ করার প্রয়োজন ছিল। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার পূজামণ্ডপে বর্ণাঢ্য আয়োজন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক মোতায়েন, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি এবং উৎসব উপলক্ষে ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।<br><br>২০২৬ সালের পূজোয় বাংলাদেশজুড়ে ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়, যার মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ছিল ২৫৮টি। গত বছরের তুলনায় পূজামণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দেড় হাজার। উৎসবের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দুই লাখের বেশি সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ মণ্ডপে বিশেষ নিরাপত্তা, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে স্ট্রাইকিং টিম প্রস্তুত রাখা এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবির তৎপরতা জোরদার করা হয়। সরকারি ছুটি বাড়িয়ে নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটিসহ কার্যত পাঁচ দিনের অবকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়। এসব পদক্ষেপের সম্মিলিত প্রভাব উৎসবের পরিবেশে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।<br><br>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের জন্য এই সাফল্যের তাৎপর্য এখানেই যে, ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের প্রতি অনুগ্রহ নয়; এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন কোনো ভয়, চাপ কিংবা বাধা ছাড়াই তাঁদের ধর্মীয় আচার পালন করতে পারেন, সেই নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠা করা সরকারের মৌলিক কর্তব্য। একইভাবে মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য ধর্মীয় পরিচয়ের নাগরিকদের ক্ষেত্রেও সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রের পরিচয় নির্ধারিত হয় তার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর শক্তি দিয়ে নয়, বরং প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার কতটা সুরক্ষিত, তা দিয়ে।<br><br>বাংলাদেশের আবহমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এই সম্প্রীতির ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছে। ঈদে মুসলমানদের আনন্দে যেমন অন্য ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়, তেমনি দুর্গাপূজার আনন্দেও বহু মুসলমান প্রতিবেশী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে যুক্ত হন। মণ্ডপের শিল্পকর্ম, আলোকসজ্জা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বাংলাদেশের বহুত্ববাদী সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় বহন করে। এবারের পূজার বর্ণাঢ্য আয়োজন সেই ঐতিহ্যকে নতুন করে সামনে এনেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মণ্ডপের সৌন্দর্য ও উৎসবের প্রাণবন্ত পরিবেশ প্রশংসিত হয়েছে। ভারতের গণমাধ্যমে প্রকাশিত ইতিবাচক মূল্যায়নও এই চিত্রকে সীমান্তের ওপারে পৌঁছে দিয়েছে।<br><br>দ্য প্রিন্টে প্রকাশিত বিশ্লেষণের গুরুত্ব বিশেষভাবে বিবেচনাযোগ্য। সেখানে এবারের দুর্গাপূজার আয়োজন, পূজামণ্ডপের সংখ্যা বৃদ্ধি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন এবং উৎসব উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটির ব্যবস্থা তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে লেখাটিতে বলা হয়েছে, তারেক রহমান সরকারকে এই অর্জনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের আস্থা ধরে রাখতে হলে উৎসবের বাইরেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অর্থাৎ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এই মূল্যায়ন একদিকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিবাচক উদ্যোগের স্বীকৃতি, অন্যদিকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে বাংলাদেশের সামনে থাকা দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্বের স্মারক।<br><br>আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কোনো দেশ সম্পর্কে মূল্যায়ন সব সময় একরৈখিক হয় না। কখনো তারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তুলে ধরে, কখনো প্রশাসনিক উদ্যোগের প্রশংসা করে, আবার কখনো রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও নির্বাচনী সমীকরণ বিশ্লেষণ করে। তাই ভারতীয় গণমাধ্যমে এবারের দুর্গাপূজার প্রশংসাকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রচারিত সব অভিযোগের অবসান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি দেখায়, বাস্তব পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটলে সমালোচনামুখর সংবাদমাধ্যমেও তার স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভব।</p><p>অন্যদিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে আওয়ামী লীগের ভূমিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের বিষয়। হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে আওয়ামী লীগ নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির প্রধান ধারক এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার অন্যতম নিশ্চয়তাদাতা হিসেবে উপস্থাপন করেছে। কিন্তু নাসিরনগর, রংপুরের ঠাকুরপাড়া, কুমিল্লা ও পীরগঞ্জের মতো বিভিন্ন ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর হামলা, উপাসনালয় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। এসব ঘটনার তদন্ত ও সংবাদ প্রতিবেদনে উসকানি, স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ভূমিকা, রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতা নিয়ে নানা তথ্য ও অভিযোগ উঠে এসেছে।</p><p>স্বৈরাচার পতনের পর বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে যে উদ্বেগ ও সমালোচনা প্রকাশিত হয়েছে, তা দুই দেশের সম্পর্কেও প্রভাব ফেলেছে। কিছু সংবাদ পরিবেশনে যাচাইহীন তথ্য, অতিরঞ্জন কিংবা বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে সামগ্রিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হিসেবে তুলে ধরার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। এই দুই বাস্তবতাকে পাশাপাশি রেখে বিচার করাই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও বিশ্লেষণের দাবি। কারণ, সত্য গোপন করে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা করা যায় না; আবার অসম্পূর্ণ বা বিকৃত তথ্য দিয়ে একটি দেশের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরাও ন্যায়সংগত নয়।<br><br>এই প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান সরকারের অধীনে দুর্গাপূজার ইতিবাচক আয়োজন বাংলাদেশের সামনে একটি নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রশংসা দেখিয়ে সরকার বলতে পারে, বাংলাদেশে ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা রয়েছে এবং সঠিক প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হলে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব। তবে সেই বক্তব্যের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করবে পরবর্তী সময়ে সরকারের কাজের ওপর। উৎসবের কয়েকটি দিন নিরাপদ রাখার পাশাপাশি সারা বছর মন্দির, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যেকোনো হামলার অভিযোগ দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো, গুজবের মাধ্যমে উত্তেজনা সৃষ্টি কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে অপরাধ করার প্রবণতা প্রতিরোধ করতে হবে।<br><br>এখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের একটি বড় পরীক্ষা রয়েছে। তিনি যদি ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনৈতিক বিভাজনের উপকরণ হতে না দিয়ে সব নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন, তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রশ্নের প্রচলিত মেরুকরণ দুর্বল হয়ে আসবে। শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন কিংবা ভবিষ্যতের নির্বাচনী সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা চলতেই পারে; কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সমর্থন কোনো ব্যক্তির প্রত্যাবর্তন বা কোনো দলের নির্বাচনী কৌশলের ওপর নির্ভরশীল থাকা উচিত নয়। রাষ্ট্রের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও আইনের শাসনই হবে নাগরিক অধিকারের প্রধান নিশ্চয়তা।<br><br>এবারের দুর্গাপূজার বর্ণাঢ্য আয়োজন এবং ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রশংসা তাই বাংলাদেশের জন্য একটি ইতিবাচক কূটনৈতিক ও সামাজিক সুযোগ। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ দেখাতে পারে যে ধর্মীয় সম্প্রীতি কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয়; এটি রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি এবং নাগরিক জীবনের বাস্তব ভিত্তি। একই সঙ্গে সরকারকে মনে রাখতে হবে, একটি শান্তিপূর্ণ উৎসবের সাফল্য ভবিষ্যতের সব সমস্যার সমাধান নয়। বরং এটি প্রমাণ করার একটি সুযোগ যে প্রশাসনিক সদিচ্ছা, পরিকল্পনা ও জনগণের সহযোগিতা একত্র হলে ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব।<br><br>পরিশেষে বলতে চাই, স্বৈরাচারের দীর্ঘ শাসনামলে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক ব্যবহার নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিকে শিক্ষা নিতে হবে। ধর্মীয় পরিচয়কে ভোটের হিসাব কিংবা আন্তর্জাতিক কূটনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসাই হবে প্রকৃত অগ্রগতি। এবারের দুর্গাপূজার সাফল্য তারেক রহমান সরকারের জন্য সেই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হতে পারে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রশংসা বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করেছে; এখন সেই স্বীকৃতিকে স্থায়ী করতে হবে আইনের শাসন, নিরপেক্ষ বিচার এবং প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।<br><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3dc8-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 15:04:04 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নির্বাচনের সময় আ. লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়েছিল বিএনপি: শফিকুর রহমান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/73876/4af7-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>নানা অনুনয়-বিনয় করে আওয়ামী লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে সরকারের ব্যর্থতা, লাগামহীন চাঁদাবাজি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অস্ত্র প্রবেশের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, দেশ পরিচালনা করতে ব্যর্থ হলে সরকারের অবিলম্বে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত।</p><p>২৫ অক্টোবর রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>বিরোধীদের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিএনপি প্রতিনিয়ত নতুন নতুন মনগড়া বয়ান তৈরি করছে। তারা বলছে আমরা নাকি পরিত্যক্ত ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছি। অথচ বাস্তবতা হলো—আপনারা নিজেরাই নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন। খোদ শেখ হাসিনাই বলেছেন, হাত-পা ধরে ভোট নিয়ে এখন তাদের সঙ্গেই বেইমানি করা হচ্ছে। তাদের দলের নেতারাও স্বীকার করেছেন যে, ৯৫টি আসনে হেরে যাওয়া বিএনপিকে আওয়ামী লীগ ভোট দিয়ে জিতিয়েছিল। এমনকি নাটোরের একজন সংসদ সদস্য নিজের দলকে ধন্যবাদ না দিয়ে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।’</p><p>জামায়াতের আমির বলেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ক্যাডারদের সমাজের ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পুনর্বাসন করা হচ্ছে। অন্যদিকে সীমান্ত দিয়ে টাকা ও অস্ত্র আসার অজুহাত তুলে সব দোষ বিরোধীদের ঘাড়ে চাপানো হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘সীমান্ত দিয়ে যদি নিয়মিত টাকা, অস্ত্র ও মাদক ঢোকে, তবে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা আটকাতে ব্যর্থ হচ্ছে কেন? যে সরকার দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে পারে না, তাদের ক্ষমতায় থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।’</p><p>দ্রব্যমূল্য ও লাগামহীন চাঁদাবাজির তীব্র সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্যের কারণে এক টাকার পণ্য সাধারণ মানুষকে তিন টাকায় কিনতে হচ্ছে। যেখানে পঞ্চগড়ের কৃষকরা উৎপাদিত ফসলের সঠিক দাম না পেয়ে চারটা লাউ মাত্র এক টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন কিংবা ক্ষেতেই নষ্ট করছেন, ঠিক সেই লাউ রাজধানীতে এসে সাধারণ মানুষকে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। চাঁদাবাজির এই নির্মম বোঝা এখন জনগণের ওপর অতিরিক্ত করের মতো চেপে বসেছে।’</p><p>রাজধানীর রাড্ডা মেডিকেল সেন্টারে লুটপাটের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, ‘দশক ধরে জনসেবা দিয়ে আসা এই প্রতিষ্ঠানে রাতের আঁধারে হামলা ও ন্যাক্কারজনক লুটপাট চালানো হলো। অথচ অপরাধের দায়ে শুধু একজন দলীয় সংসদ সদস্যকে দায়সারাভাবে পদত্যাগ করিয়েই পুরো ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কেন ওই সংসদ সদস্যকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হলো না? প্রশাসন কি তবে অপরাধীদের ‘হোয়াইটওয়াশ’ করতে ব্যস্ত?’</p><p>তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বিএনপির সাধারণ কর্মীরাও তাদের দলের অভ্যন্তরীণ চাঁদাবাজদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।</p><p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অন্যান্য বিষয় নিয়ে বেশ পারদর্শী হলেও নিজের মন্ত্রণালয় সামলাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। খোদ সরকারি দলের একজন জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, মাদকের সবচেয়ে বড় চালানটি আসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজের এলাকা দিয়েই। এমনকি দিনের আলোতে মহাসড়কে ট্রাকে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই ভয়াবহ অবনতি ঢাকতেই সরকার এখন বিরোধীদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।’</p><p>তিনি জানান, জামায়াত বা ১১-দলীয় জোট কোনো সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থে রাজপথে নামেনি; বরং তারা সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ ইতিবাচক সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়ে পুরোনো রাজনীতির চিরতরে অবসান চেয়েছে উল্লেখ করে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কোনো অপশক্তির ভ্রূকুটি বা হুমকিতে মাথা নত না করে জনগণের অধিকার আদায়ের নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।</p><p>এটিভি/ আর এম</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4af7-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 14:56:28 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিজয়ের সেবাযত্নের প্রশংসা স্ত্রী রাশমিকার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/73875/b43b-20261025]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক: </strong>ঋতুস্রাবের সময় অসহ্য যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়েন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। মাসের সেই বিশেষ দিনগুলি আসার আগেই শুরু হয় উদ্বেগ তার। এমন কঠিন সময়ে কীভাবে তার যত্ন নেন স্বামী বিজয় দেবেরাকোন্ডা? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রথম ঋতুস্রাবের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা থেকে দাম্পত্যের ব্যক্তিগত মুহূর্ত, সবটা খোলামেলা জানালেন তিনি।</p><p>স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ভিত শুধু ভালোবাসা নয়, একে অপরের কঠিন সময়ে পাশে থাকাও। বিজয় সেই দায়িত্ব পালনে কোনও কমতি রাখেন না বলে জানালেন রাশমিকা।</p><p>সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, পিরিয়ডসের সময় বিজয় স্ত্রী রাশমিকার শারীরিক কষ্ট লাঘব করতে কখনও পেটে মালিশ করে দেন, কখনও আবার হাত-পা টিপে দেন।</p><p>ছোটবেলায় প্রথম ঋতুস্রাব হওয়ার স্মৃতি এখনও স্পষ্ট মনে আছে রাশমিকার। তার কথায়, ‘প্রথমবার যখন ঋতুস্রাব হয়েছিল, ভেবেছিলাম আমি বোধহয় মারা যাবো। এতটাই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম যে কাউকে কিছু বলার সাহস পাইনি। তখন স্যানিটারি প্যাড বলে যে কিছু রয়েছে, সেটাই জানতাম না। তাই তোয়ালে ভাঁজ করে ব্যবহার করেছিলাম। কোনও এক অদ্ভুত কারণে মনে হয়েছিল, এমনটা বোধহয় জীবনে একবারই হয়।’</p><p>এদিকে বিনোদন জগতে ঋতুকালীন ছুটি নিয়ে এখনও বিশেষ সচেতনতা তৈরি হয়নি বলেই মনে করেন অভিনেত্রী। তার মতে, কোনও যন্ত্রণা নিজে অনুভব না করলে অন্যের পক্ষে তার তীব্রতা বোঝা কঠিন।</p><p>রাশমিকা বলেন, ‘হাড় না ভাঙলে হাড় ভাঙার যন্ত্রণা বোঝা যায় না। আজ অনেক মহিলাই বড় বড় প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, তাদেরও এতদিন এই ধরনের কোনও সুযোগ-সুবিধা ছাড়াই কাজ করতে হয়েছে। ফলে সেটাই তাদের কাছে স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে।’</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b43b-20261025</guid>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 14:46:55 +0600</pubDate>
            </item>
        
    </channel>
</rss>
