<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0">
    <channel>
        <title><![CDATA[All news items on https://www.asiantvonline.com/]]></title>
        <link><![CDATA[https://asiantvonline.com/]]></link>
        <description><![CDATA[
            Welcome to https://www.asiantvonline.com/! Stay informed with the latest news, headlines, and updates from around the world.
            Subscribe to our RSS feed now to receive regular updates and never miss a beat.
        ]]></description>

        <image>
            <url>https://asiantvonline.com/logo.png</url>
            <title>Asian Tv Online | এশিয়ান টিভি অনলাইন</title>
            <link>https://asiantvonline.com/</link>
        </image>

        <generator><![CDATA[RSS by https://asiantvonline.com/rss-feed.xml]]></generator>
        <language>en</language>
        <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:39:36 +0600</pubDate>

        <copyright><![CDATA[
            Copyright: (C) 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.
        ]]></copyright>

                    <item>
                <title><![CDATA[ইতিহাস গড়ে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি, লিডের পথে টাইগাররা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/74821/6e73-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টে পুরো মোমেন্টামই ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে। ১৭২ রানে পিছিয়ে থাকাবস্থায় বাংলাদেশ সাত উইকেট হারিয়ে বসে। সাদমান ইসলামের ইনজুরিতে হাতে ছিল স্রেফ ২ উইকেট। সেখান থেকে বাংলাদেশকে কেবল লিডের আশা দেখিয়েই থামেননি, রেকর্ডগড়া ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিও তুলে নিয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। বাংলাদেশের চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে তিনি দ্বিশতক করেছেন।</p><p><br>তবে বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে টেস্টে প্রথম সেঞ্চুরির ইনিংসে সর্বোচ্চ ১৮১ রানের রেকর্ড ছিল মুমিনুল হকের। তাকে ছাড়িয়ে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকে হৃদয় দ্বিশতকে পূর্ণ করলেন। এর আগে তিন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের ব্যাটে পাঁচটি ডাবল সেঞ্চুরি হয়েছিল। তাদের মধ্যে মুশফিকুর রহিম তিনটি, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল করেন একটি করে। সেই তালিকায় নতুন নাম তাওহীদ হৃদয়।<br>এর আগে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথমবার টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন ২৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার। এর আগে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ছিল বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান জয়ের ১৭১ ও শ্রীলঙ্কান ব্যাটার কামিন্দু মেন্ডিসের ১৬৪।</p><p>তবে উইন্ডিজদের বিপক্ষে টেস্টে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটার ১৫০ রানও পার করতে পারেননি। হৃদয় প্রথমবার সেই সীমা টপকে দ্বিশতক পূর্ণ করলেন। ৩০৪ বলে তিনি নিজের অবিশ্বাস্য ডাবল সেঞ্চুরির ইনিংস সাজিয়েছেন ১৯টি চার ও ৭টি ছক্কায়। এখন বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে। ক্যারিবীয়রা এখনও এগিয়ে আছে ১০ রানে।</p><p><br>অষ্টম উইকেটে তাইজুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ১১৭ রানের জুটি গড়েছিলেন হৃদয়। যা টেস্টে ওই উইকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। সর্বোচ্চ ১৪৪ রানের জুটি আছে মুশফিকুর রহিম ও মেহেদি হাসান মিরাজের। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওই রেকর্ড জুটি হয়েছিল।</p><p>এটিভি/ এইচকে</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6e73-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:28:00 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইতিহাস গড়ে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি, লিডের পথে টাইগাররা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Cricket/74821/6e73-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টে পুরো মোমেন্টামই ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে। ১৭২ রানে পিছিয়ে থাকাবস্থায় বাংলাদেশ সাত উইকেট হারিয়ে বসে। সাদমান ইসলামের ইনজুরিতে হাতে ছিল স্রেফ ২ উইকেট। সেখান থেকে বাংলাদেশকে কেবল লিডের আশা দেখিয়েই থামেননি, রেকর্ডগড়া ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিও তুলে নিয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। বাংলাদেশের চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে তিনি দ্বিশতক করেছেন।</p><p><br>তবে বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে টেস্টে প্রথম সেঞ্চুরির ইনিংসে সর্বোচ্চ ১৮১ রানের রেকর্ড ছিল মুমিনুল হকের। তাকে ছাড়িয়ে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকে হৃদয় দ্বিশতকে পূর্ণ করলেন। এর আগে তিন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের ব্যাটে পাঁচটি ডাবল সেঞ্চুরি হয়েছিল। তাদের মধ্যে মুশফিকুর রহিম তিনটি, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল করেন একটি করে। সেই তালিকায় নতুন নাম তাওহীদ হৃদয়।<br>এর আগে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথমবার টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন ২৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার। এর আগে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ছিল বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান জয়ের ১৭১ ও শ্রীলঙ্কান ব্যাটার কামিন্দু মেন্ডিসের ১৬৪।</p><p>তবে উইন্ডিজদের বিপক্ষে টেস্টে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটার ১৫০ রানও পার করতে পারেননি। হৃদয় প্রথমবার সেই সীমা টপকে দ্বিশতক পূর্ণ করলেন। ৩০৪ বলে তিনি নিজের অবিশ্বাস্য ডাবল সেঞ্চুরির ইনিংস সাজিয়েছেন ১৯টি চার ও ৭টি ছক্কায়। এখন বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে। ক্যারিবীয়রা এখনও এগিয়ে আছে ১০ রানে।</p><p><br>অষ্টম উইকেটে তাইজুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ১১৭ রানের জুটি গড়েছিলেন হৃদয়। যা টেস্টে ওই উইকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। সর্বোচ্চ ১৪৪ রানের জুটি আছে মুশফিকুর রহিম ও মেহেদি হাসান মিরাজের। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওই রেকর্ড জুটি হয়েছিল।</p><p>এটিভি/ এইচকে</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6e73-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:28:00 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74820/24ff-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। ৭ নভেম্বর শনিবার মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। সবার বাড়ি চট্টগ্রাম অঞ্চলে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।</p><p>নিহত ৭ জনই আল আবীর কোল্ড স্টোরস ট্রেডিং কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।</p><p>প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কোম্পানির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। এ ছাড়া একই দুর্ঘটনায় কোম্পানির ফর্কলিফট চালক ইলিয়াসের স্ত্রী নিহত হয়েছেন।</p><p>এছাড়া মক্কায় কর্মরত কোম্পানির স্টোরকিপার আলমশাহ ও তার এক মাস বয়সী শিশুকন্যাও দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে।</p><p>একই পরিবারের একাধিক সদস্যসহ ৭ বাংলাদেশির প্রাণহানির ঘটনায় সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।</p><p>তবে দুর্ঘটনার কারণ, সময় ও স্থান সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">24ff-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:20:08 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/immigrant/74820/24ff-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। ৭ নভেম্বর শনিবার মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। সবার বাড়ি চট্টগ্রাম অঞ্চলে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।</p><p>নিহত ৭ জনই আল আবীর কোল্ড স্টোরস ট্রেডিং কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।</p><p>প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কোম্পানির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। এ ছাড়া একই দুর্ঘটনায় কোম্পানির ফর্কলিফট চালক ইলিয়াসের স্ত্রী নিহত হয়েছেন।</p><p>এছাড়া মক্কায় কর্মরত কোম্পানির স্টোরকিপার আলমশাহ ও তার এক মাস বয়সী শিশুকন্যাও দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে।</p><p>একই পরিবারের একাধিক সদস্যসহ ৭ বাংলাদেশির প্রাণহানির ঘটনায় সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।</p><p>তবে দুর্ঘটনার কারণ, সময় ও স্থান সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">24ff-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:20:08 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জামালপুরে ট্রাকচাপায় নিহত ৪, একই পরিবারের ৩ জন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/74818/0cf8-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>জামালপুরের মেলান্দহে ট্রাকচাপায় অটোরিকশায় থাকা একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ জনে দাঁড়িয়েছে।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের বুরুঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ.টি.এম. মাহমুদুল হক।</p><p>নিহতরা হলেন- ইসলামপুর উপজেলার ইন্দুল্লামারি এলাকার মোর্শেদ আলম (২৫), তার স্ত্রী ইকরামা (২০), তাদের ৮ মাস বয়সী শিশু সন্তান রিফা এবং মোটরসাইকেল আরোহী শওকত হাসান লিখন (৪৫)।</p><p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে মেলান্দহ উপজেলার শিমুলতলী থেকে যাত্রী নিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা জামালপুরের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে জামালপুর থেকে মেলান্দহের দিকে যাচ্ছিল একটি মোটরসাইকেল। এ সময় জামালপুরগামী ট্রাকটির সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল চালক শওকত হাসান লিখন ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। এরপর ট্রাকটি পেছন থেকে যাত্রীবাহী অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশায় থাকা একই পরিবারের মোর্শেদ আলম, তার স্ত্রী ইকরামা ও তাদের ৮ মাস বয়সী শিশু সন্তান রিফা ঘটনাস্থলেই নিহত হন।</p><p>পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। গুরুতর আহত মোটরসাইকেল চালক শওকত হাসান লিখনকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><p>এ ছাড়া দুর্ঘটনায় আহত অটোরিকশাচালক হযরত আলী (৪২) ও যাত্রী শাকিল (১৬) কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।</p><p>মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ.টি.এম. মাহমুদুল হক বলেন, দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। হাসপাতালে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0cf8-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:16:30 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[৭ নভেম্বর ছিল স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক দিন: রিজভী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74817/4114-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা স্বাধীনতা রক্ষা ও হারানো গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল। জাতীয় জীবনের এই ঐতিহাসিক দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>রুহুল কবির রিজভী বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তৎকালীন ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী নিজ স্বার্থে জাতীয় স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়। মত প্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে একদলীয় ব্যবস্থা গঠন করে দুঃশাসন চালু করা হয়। দেশের সব বিরোধী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে, একটি মাত্র রাজনৈতিক দল বাকশাল গঠন করা হয়। ভিন্নমতাবলম্বী সংবাদপত্রও নিষিদ্ধ করা হয়। ফলে দেশে চরম অশান্তি ও নৈরাজ্য নেমে আসে।</p><p>তিনি আরও বলেন, মাতৃভূমির এমন সংকটকালে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর চক্রান্তকারীরা মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করে। এ শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর স্বজাতির স্বাধীনতা রক্ষায় অকুতোভয় দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার ঢলে রাজপথে এক অনন্য সংহতির স্ফুরণ ঘটে এবং জিয়াউর রহমান মুক্ত হন।</p><p>রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই পট পরিবর্তনে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী সত্তা লাভ করে। গণতন্ত্র অর্গলমুক্ত হয় এবং জনগণ নাগরিক স্বাধীনতা ফিরে পায়। এ দিন থেকেই বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথচলা শুরু হয়। মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে আসে। দেশে উৎপাদন ও সমৃদ্ধির প্রবাহ শুরু হয়। স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থনীতির ভিত রচিত হয় এবং দেশ স্বনির্ভর হয়ে ওঠে।</p><p>তিনি আরও বলেন, বিদেশি শক্তির এদেশীয় অনুচররা নিজেদের উদ্দেশ্য সাধনের পথে কাঁটা মনে করে ১৯৮১ সালে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। তিনি শাহাদাতবরণ করলেও তার আদর্শে বলীয়ান মানুষ দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে রক্ষায় এখনো দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।</p><p>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা চিরতরে উচ্ছেদ করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নির্দয়ভাবে ব্যবহার করে। গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের সংস্কৃতি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়। তাদের নিষ্ঠুর নির্যাতনের পাশাপাশি লাখ লাখ নেতাকর্মীসহ ‘গণতন্ত্রের প্রতীক’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়।</p><p>এ সময় রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, ছাত্র-জনতার সাহসী প্রতিরোধের মুখে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয় এবং ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ঘটে। জুলাই বিপ্লবের অন্তর্নিহিত শক্তিই ছিল ৭ নভেম্বরের চেতনা। তাই আজও ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের গুরুত্ব অপরিসীম। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4114-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:12:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[৭ নভেম্বর ছিল স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক দিন: রিজভী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/BNP/74817/4114-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা স্বাধীনতা রক্ষা ও হারানো গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল। জাতীয় জীবনের এই ঐতিহাসিক দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>রুহুল কবির রিজভী বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তৎকালীন ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী নিজ স্বার্থে জাতীয় স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়। মত প্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে একদলীয় ব্যবস্থা গঠন করে দুঃশাসন চালু করা হয়। দেশের সব বিরোধী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে, একটি মাত্র রাজনৈতিক দল বাকশাল গঠন করা হয়। ভিন্নমতাবলম্বী সংবাদপত্রও নিষিদ্ধ করা হয়। ফলে দেশে চরম অশান্তি ও নৈরাজ্য নেমে আসে।</p><p>তিনি আরও বলেন, মাতৃভূমির এমন সংকটকালে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর চক্রান্তকারীরা মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করে। এ শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর স্বজাতির স্বাধীনতা রক্ষায় অকুতোভয় দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার ঢলে রাজপথে এক অনন্য সংহতির স্ফুরণ ঘটে এবং জিয়াউর রহমান মুক্ত হন।</p><p>রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই পট পরিবর্তনে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী সত্তা লাভ করে। গণতন্ত্র অর্গলমুক্ত হয় এবং জনগণ নাগরিক স্বাধীনতা ফিরে পায়। এ দিন থেকেই বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথচলা শুরু হয়। মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে আসে। দেশে উৎপাদন ও সমৃদ্ধির প্রবাহ শুরু হয়। স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থনীতির ভিত রচিত হয় এবং দেশ স্বনির্ভর হয়ে ওঠে।</p><p>তিনি আরও বলেন, বিদেশি শক্তির এদেশীয় অনুচররা নিজেদের উদ্দেশ্য সাধনের পথে কাঁটা মনে করে ১৯৮১ সালে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। তিনি শাহাদাতবরণ করলেও তার আদর্শে বলীয়ান মানুষ দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে রক্ষায় এখনো দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।</p><p>বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা চিরতরে উচ্ছেদ করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নির্দয়ভাবে ব্যবহার করে। গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের সংস্কৃতি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়। তাদের নিষ্ঠুর নির্যাতনের পাশাপাশি লাখ লাখ নেতাকর্মীসহ ‘গণতন্ত্রের প্রতীক’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়।</p><p>এ সময় রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, ছাত্র-জনতার সাহসী প্রতিরোধের মুখে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয় এবং ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ঘটে। জুলাই বিপ্লবের অন্তর্নিহিত শক্তিই ছিল ৭ নভেম্বরের চেতনা। তাই আজও ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের গুরুত্ব অপরিসীম। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4114-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:12:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74816/c14a-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে তাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।</p><p>রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c14a-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:07:48 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[হোয়াইট হাউসের কাছে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক ১]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74815/e24b-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>হোয়াইট হাউসের কাছে চুরি করা গাড়িতে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্রসহ ভেনেজুয়েলার এক নাগরিককে আটক করেছে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা সিক্রেট সার্ভিস। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তর।</p><p>আটক ব্যক্তির নাম রনি গুয়ানিপা-ক্রিনোস। আদালতে জমা দেওয়া অভিযোগপত্র অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মধ্যরাতের কিছু আগে হোয়াইট হাউসের কাছের কনস্টিটিউশন অ্যাভিনিউয়ে টহল দেওয়ার সময় একটি নীল রঙের ফোর্ড এফ-১৫০ গাড়ি দেখতে পান সিক্রেট সার্ভিসের এক কর্মকর্তা। গাড়িটির কাছে গিয়ে চালকের কাছে অস্ত্র আছে কি না জানতে চাইলে তিনি মাথা নেড়ে সম্মতি জানান এবং আঙুল দিয়ে বন্দুকের ইশারা করেন।</p><p>পরে গাড়ি থেকে নামার পর তিনি তদন্তকারীদের জানান, অন্যরা তাকে অস্ত্র দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছিল। তাই তিনি অস্ত্রটি নিয়ে নিয়েছেন। গাড়ির ভেতরে বাদামি রঙের একটি ব্যাগে অস্ত্রটি রাখা আছে বলেও জানান তিনি।</p><p>তল্লাশি চালিয়ে গাড়ি থেকে একটি ম্যাক-১০ স্বয়ংক্রিয় পিস্তল, একটি গ্লক-৪৩এক্স পিস্তল এবং একটি এআর-১৫ রাইফেল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া কয়েক ডজন গুলি পাওয়া গেছে। গাড়িটি চুরি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, রনি কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, তার মাথার ভেতর থেকে আওয়াজ আসছিল, তাকে ওয়াশিংটনে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যা করতে হবে। তবে আদালতে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে তার এমন বক্তব্যের উল্লেখ নেই।</p><p>এ ঘটনায় গাড়ির অননুমোদিত ব্যবহার, চোরাই সম্পদ গ্রহণ, বৈধ অনুমতি ছাড়া পিস্তল ও রাইফেল বহনসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।</p><p>শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ওয়াশিংটনের একটি আদালতে প্রথমবারের মতো হাজির করা হয় তাকে। আদালতের নথি অনুযায়ী, জামিন ছাড়াই তাকে আটক রাখা হয়েছে।</p><p><br>যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, রনি গুয়ানিপা-ক্রিনোস দেশটিতে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থান করছিলেন। ২০২৪ সালে টেক্সাস সীমান্ত দিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন।</p><p>সূত্র: এবিসি নিউজ</p><p><i><strong>এটিভি/ এম এইচ আই</strong></i></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e24b-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 14:39:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রণোদনা পাবেন ১৪ লাখ ৬০ হাজার কৃষক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/74814/f09d-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>২০২৬-২৭ অর্থবছরে রবি মৌসুমে ৭টি ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বাড়াতে দেশের ১৪ লাখ ৬০ হাজার কৃষককে প্রণোদনা দেবে সরকার।</p><p>এ কর্মসূচির আওতায় সরিষা, চিনাবাদাম, সয়াবিন, মুগ, মসুর, খেসারি ও অড়হর চাষের জন্য কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার দেওয়া হবে। এ জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৯৮ কোটি ৮৯ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>গত ২ নভেম্বর কৃষি মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ (জিও) জারি করেছে। মন্ত্রণালয়ের উপকরণ-২ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ স্বাক্ষরিত আদেশে প্রণোদনা কর্মসূচির অর্থ বরাদ্দ, উপকারভোগী নির্বাচন, উপকরণ বিতরণ ও বাস্তবায়নের বিভিন্ন শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>সরকারি আদেশ অনুযায়ী, ৭টি ফসলের মধ্যে কৃষককে সবচেয়ে বেশি সহায়তা দেওয়া হবে সরিষা চাষে। এ খাতে ১২ লাখ ৯০ হাজার কৃষকের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৪২ কোটি ২৪ লাখ টাকার পরিবর্তে ৬৪২ দশমিক ২৪ লাখ টাকা, অর্থাৎ ৬ কোটি ৪২ লাখ ২৪ হাজার টাকা।</p><p>চিনাবাদাম চাষে ৩৫ হাজার কৃষকের জন্য ৩ কোটি ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা, সয়াবিনে ৩০ হাজার কৃষকের জন্য ৯৮ লাখ টাকা, মুগে ৩০ হাজার কৃষকের জন্য ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, মসুরে ২০ হাজার কৃষকের জন্য ২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, খেসারিতে ২০ হাজার কৃষকের জন্য ৩ কোটি ১৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা ও অড়হরে পাঁচ হাজার কৃষকের জন্য ৩৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।</p><p>আদেশে বলা হয়েছে, কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাত থেকে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। জেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটি বরাদ্দ অনুযায়ী উপজেলা পর্যায়ে অর্থ বণ্টন করবে।</p><p>পরে উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটি স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকৃত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক নির্বাচন করে উপকারভোগীদের তালিকা চূড়ান্ত করবে।</p><p>একজন কৃষক পরিবারকে ৭টি ফসলের মধ্যে যেকোনো একটির জন্য প্রণোদনা দেওয়া যাবে। একই কৃষক পরিবারকে একাধিক ফসলের জন্য এ সহায়তা দেওয়া যাবে না।</p><p>একজন কৃষক এক বিঘা জমির জন্য সরিষার এক কেজি, চিনাবাদামের ১০ কেজি, সয়াবিনের চার কেজি, মুগের দুই কেজি, মসুরের তিন কেজি, খেসারির আট কেজি অথবা অড়হরের দুই কেজি বীজ পাবেন।</p><p>সার বিতরণের ক্ষেত্রেও ফসলভিত্তিক পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। সরিষা ও সয়াবিনের ক্ষেত্রে ১০ জন কৃষকের একটি পুলের জন্য ১০ কেজির এক বস্তা ডিএপি ও ১০ কেজির এক বস্তা এমওপি সার দেওয়া হবে।</p><p>চিনাবাদাম, মুগ, মসুর ও খেসারি চাষের ক্ষেত্রে ১০ জনের একটি পুলে ২০ কেজির দুই বস্তা ডিএপি ও ১০ কেজির এক বস্তা এমওপি সার বরাদ্দ থাকবে। অড়হর চাষের ক্ষেত্রেও ১০ জনের একটি পুলের জন্য একই পরিমাণ সার দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।</p><p>কর্মসূচির আওতায় ১০ জন কৃষককে নিয়ে পুল গঠন করে পাশাপাশি ১০ বিঘা বা তার বেশি জমিতে একটি ব্লকভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। কৃষক নির্বাচন ও উপকরণ বিতরণের ক্ষেত্রে নতুন আবাদ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে, এমন এলাকাকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে।</p><p>উপকরণ বিতরণের সময় কৃষকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে। কৃষি কার্ডে সহায়তার বিবরণ লিখতে হবে। উপকরণ গ্রহণের প্রমাণ হিসেবে কৃষকের স্বাক্ষর বা টিপসই নিতে হবে। তালিকাভুক্ত কৃষক ছাড়া অন্য কাউকে এসব উপকরণ দেওয়া যাবে না। কৃষককে নিজে উপস্থিত হয়ে উপকরণ গ্রহণ করতে হবে।</p><p>সরকারি আদেশে আরও বলা হয়েছে, উপকারভোগী কৃষকদের তালিকা জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। উপকরণ বিতরণ শেষ হওয়ার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে এবং ফসল কর্তন শেষ হওয়ার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।</p><p>কর্মসূচির অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় আইন ২০০৬ (পিপিএ) ও সরকারি ক্রয় বিধিমালা ২০২৫ (পিপিআর) অনুসরণসহ প্রচলিত আর্থিক বিধিবিধান প্রতিপালন করতে হবে। বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা যাবে না।</p><p>প্রণোদনা কার্যক্রমের অর্থ ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব ও অব্যয়িত অর্থ ফেরতের চালানের অনুলিপি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাঠাতে হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এ কর্মসূচিতে অগ্রিম উত্তোলিত অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৭-এর মধ্যে সমন্বয় করতে হবে।</p><p>এ ছাড়া কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা বীজ ও সারের মান নিশ্চিত করা, উপকরণ বিতরণ ও অর্থ ব্যয়ের পুরো প্রক্রিয়া নিয়মিত পরিবীক্ষণ এবং চলমান অন্যান্য পুনর্বাসন কর্মসূচির সঙ্গে যাতে দ্বৈততা সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f09d-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 14:14:31 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর শোভাযাত্রা, নয়াপল্টনে কঠোর নিরাপত্তা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74813/4bb5-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।</p><p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠেয় এ কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। একই সঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এমন চিত্র দেখা যায়। সেখানে এসআরবি, পিজিআর, পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন।</p><p>পাশাপাশি, স্টেজের আশপাশে ডগ স্কোয়াডসহ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সড়কে ব্যারিকেড বসিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।</p><p>আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিরাপত্তার স্বার্থে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যেন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।</p><p>আজ (৭ নভেম্বর) দুপুর দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর বিকেল ৩টায় তার নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হওয়ার কথা রয়েছে।</p><p>দলীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে কাকরাইল মোড়, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।</p><p>এর আগে, ৬ নভেম্বর শুক্রবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শোভাযাত্রার রুটের বিস্তারিত জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4bb5-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 14:06:02 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা বাড়ল]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74812/ab55-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>গ্রাম পুলিশের বেতন, আনুতোষিক ভাতা, যাতায়াত ভাতা বাড়ানোর পাশাপাশি মোবাইল ভাতা দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ ঘোষণা দেন।</p><p>তিনি জানান, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর থেকেই সরকারের এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>প্রধানমন্ত্রী জানান, আজকে থেকে গ্রাম পুলিশের মাসিক বেতন ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা বাড়িয়ে ১০ হাজার ৫০০ টাকা, গ্রাম পুলিশ প্রধানের মাসিক বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যদের অবসরকালীন আনুতোষিকের পরিমাণ ৭০ হাজার টাকার পরিবর্তে ৮০ হাজার এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানদের জন্য ৮০ হাজার টাকার পরিবর্তে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-11-07a_n17940375367204.jpg"></figure><p>তিনি আরও জানান, গ্রাম পুলিশ প্রধানের যাতায়াত ভাতা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এখন থেকে গ্রাম পুলিশকে প্রতি মাসে ১৫০ টাকা করে মোবাইল ভাতা দেওয়ার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।</p><p>মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তৃণমূল পর্যায়ে কোথায় কী ঘটছে, কারা কোন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হচ্ছে কিংবা কোথাও পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনের সুবাদে আগেভাগেই কিছু তথ্য জানতে পারেন। এসব তথ্য যথাসময়ে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে জানালে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।</p><p>তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রাম ও ইউনিয়ন নিরাপদ থাকলে বাংলাদেশও নিরাপদ থাকবে। তৃণমূল জনগোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি ও স্বস্তি বজায় থাকলে তার ইতিবাচক প্রভাব পুরো দেশেই পড়বে। তাই স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহরায়ন ও নগরায়ন বাড়লেও দেশের অধিকাংশ মানুষের শিকড় এখনো গ্রামকেন্দ্রিক। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে গ্রামীণ জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ফলে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-11-07a_n17940375475747.jpg"></figure><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে শুধু রাজনৈতিক ব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, রাষ্ট্র ও সমাজেও ব্যাপক সামাজিক অবক্ষয় ঘটেছিল। পরিকল্পিতভাবে হীনস্বার্থ ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব উসকে দিয়ে দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের মূল্যবোধ বিনষ্ট করা হয়েছিল। এমনকি বিভিন্ন জায়গায় পরিবারে পরিবারেও বিরোধ ও বিবাদ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। তৃণমূল পর্যায়েও প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।</p><p>এ ধরনের সামাজিক পরিস্থিতির উন্নয়নে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার সংস্কৃতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। সমাজে এসব মূল্যবোধ পুনর্জীবিত হলে সামাজিক অপরাধের মাত্রা অনেকাংশে কমে আসবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি হিসেবে গ্রাম পুলিশের কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ab55-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 13:45:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ৭ নভেম্বর: ববি হাজ্জাজ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74811/6b7c-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের তাৎপর্যপূর্ণ মোড় বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।</p><p>তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যেমন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছে, তেমনি ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরও দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। জাতীয় ইতিহাসের এসব গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে হবে। এজন্য ইতিহাসচর্চা ও পাঠ্যবইয়ে যথাযথ আলোচনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ আয়োজিত বার্ষিক সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।</p><p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর ইতিহাস নয়; এটি আমাদের দেশের, আমাদের জাতির এবং আমাদের পরিচয়ের ইতিহাস। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে একজন বাংলাদেশির প্রথম পরিচয় বাংলাদেশ। তাই নিজের দেশ, দেশের জন্ম, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। নতুন প্রজন্ম যেন দেশের ইতিহাস সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।</p><p>শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে ববি হাজ্জাজ বলেন, সন্তানদের ভালোবাসা ও সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ তৈরি করতে হবে। অতিরিক্ত সুরক্ষার নামে শিশুদের স্বাভাবিক খেলাধুলা, বাইরের পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং স্বাধীনভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ সীমিত করা উচিত নয়। শিশুদের সুস্থ বিকাশে খেলাধুলা, প্রকৃতির সংস্পর্শ এবং সামাজিক পরিবেশের সঙ্গে মেলামেশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>তিনি আরও বলেন, সন্তানদের ভবিষ্যৎ গঠনে অভিভাবকদের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও নিজস্ব চিন্তার বিকাশে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।</p><p>মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। এ সময় কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। <i><strong>বাসস</strong></i></p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6b7c-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 13:33:22 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৫৫৫, মামলা ৫০টি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/74810/0c14-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫৫ জনকে গ্রেফতার ও ৫০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় ৬ নভেম্বর শুক্রবার অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ এদেরকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>এতে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ ৩৭, লালবাগ বিভাগ ৬০, ওয়ারী বিভাগ ৬২, মতিঝিল বিভাগ ৭১, তেজগাঁও বিভাগ ৮২, মিরপুর বিভাগ ১৩৮, গুলশান বিভাগ ৫২, উত্তরা বিভাগ ৪২ ও গোয়েন্দা বিভাগ ১১ জনকে গ্রেফতার করে।</p><p>অভিযানকালে ৬৮ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা, ৪ হাজার ৭১১পিস ইয়াবা, দুইটি স্বর্ণের চেইন, একটি প্রাইভেটকার, একটি মিশুক গাড়ী, আটটি মোবাইল ফোন, নগদ ২ হাজার ৮০০ টাকা ও একজন ভিকটিম উদ্ধার করা হয়।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0c14-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 13:25:06 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[তানজিন তিশা ও অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/74809/3a21-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক:</strong> অভিনেত্রী তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ।</p><p>শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যকার এ বিরোধ এবার গড়িয়েছে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে। বিরোধ মীমাংসায় একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।</p><p>গত ৪ অক্টোবর দুই অভিনেত্রীর কাছে পাঠানো পৃথক চিঠিতে সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, গত ৭ জুলাই তানজিন নাহার তিশা ও সামিয়া আক্তার অথৈকে সদস্যপদ স্থগিতের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে তাদের কেউই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংগঠনের কার্যালয়ে ওই নোটিশের লিখিত জবাব জমা দেননি।</p><p>চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি নিয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সালিস বা বিবাদ মীমাংসাকরণ বৈঠকে আলোচনা হয়। সেখানে গৃহীত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের নিয়মিত সভায় দুই অভিনেত্রীর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><p>চিঠি দুটিতে স্বাক্ষর করেছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা মিঠু।</p><p>বিষয়টি নিয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু বলেন, অভিনয়শিল্পী সংঘের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য একটি সালিস কমিটি আছে, যা সার্বভৌম এবং স্বাধীন। আমরা চেয়েছিলাম, তারা নিজেদের মধ্যে ভুল–বোঝাবুঝি দূর করে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো। ঘটনার পর থেকেই আমরা দুই শিল্পীর সঙ্গে একাধিকবার বসেছি। তাদের বক্তব্য শুনেছি, বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করেছি। উদ্ভূত ঘটনার পরিস্থিতিতে তাদের দুজনকেই সালিসের জন্য ডাকা হয়। সেখানে দুটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p><p>তিনি বলেন, একটি হচ্ছে তারা ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দেবেন এবং একটি ভিডিও বার্তা পাঠাবেন। সেটা আমরা প্রকাশ করব কি করব না, এটা একান্তই সংগঠনের নিজস্ব ব্যাপার ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দুটি সিদ্ধান্তের কোনোটাই তারা মানেননি এবং তাদেরকে পরপর দুটি চিঠি দেওয়ার পরও তারা চিঠির কোনো সদুত্তর দেননি এবং চিঠিগুলো ফেরত আসে। পরবর্তীতে তাদের ফোনও করা হয়, কিন্তু ফোনের কোনো সদুত্তর না পাওয়ায় দীর্ঘ বিরতির পর সালিস কমিটি বাধ্য হয়ে ইসি কমিটিকে তাদের সদস্যপদ বাতিলের জন্য সুপারিশ করে। পরে ইসি কমিটি সভায় এটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।</p><p>রাশেদ মামুন অপু আরও জানান, বিরোধ নিষ্পত্তিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দুই পক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।</p><p><strong>তিশা-অথৈর বিরোধ যেভাবে শুরু হয়েছিল</strong></p><p>ঘটনার সূত্রপাত গত ৩ মার্চ। মানিকগঞ্জে পরিচালক রাফাত মজুমদারের একটি নাটকের শুটিং চলাকালে তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে এসে তিশার বিরুদ্ধে মারধর ও অপদস্থ করার অভিযোগ তোলেন সামিয়া।</p><p>অথৈর অভিযোগ, নাটকের একটি দৃশ্যে তাকে তিশাকে আলতো করে চড় মারতে বলা হয়েছিল। পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি সেটিই করেন। কিন্তু এরপর তিশা তাকে একাধিকবার জোরে চড় মারেন। এতে তার চোখ ও গাল ফুলে যায় এবং কথা বলতেও সমস্যা হয় বলে দাবি করেন অভিনেত্রী। এ ছাড়া আগেও তিশার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।</p><p>অন্যদিকে, সামিয়ার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে তানজিন তিশা বলেন, শুটিং সেটে যা ঘটেছে, তা সম্পূর্ণই চিত্রনাট্য ও চরিত্রের প্রয়োজনে। ব্যক্তিগত কোনো আক্রোশ থেকে তিনি সামিয়াকে আঘাত করেননি।</p><p>তিশা জানান, নাটকটিতে তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন এক কিশোরীর চরিত্রে অভিনয় করছেন। চরিত্রটির আচরণের অংশ হিসেবে অন্যকে আঘাত করা কিংবা কামড় দেওয়ার মতো দৃশ্য রয়েছে। ফলে অভিনয়ের প্রয়োজনে চিত্রনাট্যে যেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেভাবেই কাজ করেছেন তিনি। নাটকটি মুক্তি পেলে দর্শক পুরো বিষয়টি বুঝতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি ঘটনাটিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবে না দেখে পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে বিবেচনা করার আহ্বান জানান।</p><p>নাটকটির পরিচালক রাফাত মজুমদারও বিষয়টিকে ভুল–বোঝাবুঝি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তার বক্তব্য ছিল, দৃশ্যটিতে দুজনেরই পরস্পরকে চড় মারার কথা ছিল। অভিনয়ের সময় কোনো চড় জোরে লেগে যাওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে থাকতে পারে।</p><p>এদিকে দুই অভিনেত্রীর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরদিনই বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি দেয় অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ। এতে সংগঠনটি জানায়, কোনো সদস্যের সঙ্গে পেশাগত জটিলতা কিংবা মতভেদ তৈরি হলে তা সংশ্লিষ্ট সংগঠনকে না জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা আচরণবিধির পরিপন্থী।</p><p>সংগঠনটির মতে, কোনো ঘটনার একতরফা উপস্থাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অভিনয়শিল্পীদের সামগ্রিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ধরনের বিরোধ প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্য দিয়েই সমাধান করা উচিত। একই সঙ্গে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ারও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।</p><p>এরপর দুই অভিনেত্রীর বিরোধ মীমাংসায় সালিস ও আলোচনার উদ্যোগ নেয় সংগঠনটি। তবে একাধিকবার বৈঠক ও যোগাযোগের চেষ্টা করেও সমঝোতা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু। সর্বশেষ কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়া এবং সালিস বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করার বিষয়টি সামনে রেখে তাদের সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় কার্যনির্বাহী পরিষদ।</p><p>তবে সদস্যপদ স্থগিতের চিঠিতে শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আলাদা কোনো সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়নি।</p><p>সংগঠনটির দেওয়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এ সিদ্ধান্ত মূলত সাংগঠনিক প্রক্রিয়া, কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়া এবং সালিস কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3a21-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 13:09:10 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74808/4b6f-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>তৃণমূলে আইন প্রয়োগকারী বাহিনী গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার বেলা পৌনে ১২টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।</p><p>সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেই সারাদেশ থেকে আসা গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে করতে মূল মঞ্চে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।</p><p>মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ।</p><p>পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4b6f-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 12:49:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মার্কিন দূতাবাসের নতুন সতর্কবার্তা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74807/f11e-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণকারী কোনো বিদেশি নাগরিক যদি চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে সরকারের কোনো আর্থিক সহায়তা বা অনুদান নেন, তবে তা ভিসার অপব্যবহার হিসেবে গণ্য করা হবে। এমনকি এই ভুলের কারণে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে স্থায়ীভাবে অযোগ্য বা নিষিদ্ধ হতে পারেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিশেষ সতর্কবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-11-07a_n17940335817512.png"></figure><p>দূতাবাসের পক্ষ থেকে ভ্রমণকারীদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ভিসার সঠিক ব্যবহার এবং এর প্রতিটি শর্ত মেনে চলার সম্পূর্ণ দায়িত্ব ভ্রমণকারীর নিজের। ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে তাই নিয়মকানুনগুলো ভালোভাবে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p><p>এর আগে, গত ৩১ অক্টোবরের এক বিবৃতিতে দূতাবাস জানিয়েছিল, ভ্রমণকারীদের অবশ্যই তাদের পাসপোর্টের ‘অ্যাডমিট আনটিল ডেট’ (Admit Until Date) বা অনুমোদিত শেষ তারিখের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে আসতে হবে। নিজের নির্দিষ্ট সময়সীমা যাচাই করতে i94.cbp.dhs.gov ওয়েবসাইট ব্যবহারের পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।</p><p>এ ছাড়া গত ২৮ অক্টোবরের আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, সাধারণ বি১/বি২ ভিজিটর ভিসার আওতায় কেবল ব্যবসায়িক বৈঠক, সভা কিংবা চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে চাকরি বা কোনো ধরনের কাজ করতে চাইলে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের ভিসার প্রয়োজন হয়।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে এই নিয়মগুলো কঠোরভাবে মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।</p><p><strong>এটিভি/এসটিও</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f11e-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 12:38:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[অভিশংসনের পর গৃহবন্দি প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনিয়া]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74805/2bfe-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong>: ব্যাংকিং সংকট ও অনিয়মের অভিযোগে অভিশংসনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর প্যারাগুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনিয়াকে গৃহবন্দি করা হয়েছে। ৬ নভেম্বর শুক্রবার দেশটির সিনেটে অভিশংসন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তাঁকে গৃহবন্দি করা হয়। খবর বিবিসির।</p><p>চলতি সপ্তাহের শুরুতে ডিজিটাল ব্যাংক উয়েনোর পতনকে কেন্দ্র করে প্যারাগুয়েতে রাজনৈতিক ও আর্থিক সংকট দেখা দেয়। এ ঘটনায় পেনিয়ার বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাত, নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপ এবং পেনশন তহবিলের অর্থ ব্যাংকটিতে রাখার মাধ্যমে অনিয়মে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়।</p><p>বৃহস্পতিবার পদত্যাগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন পেনিয়া। তবে তাঁর পদত্যাগ গ্রহণ না করে অভিশংসন প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আইনপ্রণেতারা। শুক্রবার সিনেটের ৪৫ সদস্যের মধ্যে ৪৪ জন তাঁকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেন। একজন অনুপস্থিত ছিলেন। পরে সিনেটের প্রেসিডেন্ট বাসিলিও নুনিয়েজ দায়িত্ব পালনে অবহেলার দায়ে তাঁকে দোষী ঘোষণা করেন।</p><p>অভিশংসনের ফলে সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে পাওয়া আজীবন সিনেট সদস্যপদ ও দায়মুক্তির সুবিধাও হারিয়েছেন পেনিয়া। সরকারি কৌঁসুলিরা তাঁকে বিশ্বাসভঙ্গ, প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা আদায় ও তহবিল আত্মসাতের অভিযোগে তদন্ত করছেন।</p><p>এরপর প্যারাগুয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পেদ্রো আলিয়ানা নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন। ২০২৮ সালের আগস্ট পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করবেন। শপথের পর আলিয়ানা বলেন, ‘আর্থিক বিপর্যয়ের কারণে যারা এখন কঠিন সময় পার করছেন, তাদের সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’</p><p>উয়েনো ব্যাংকের পতনের পর প্রায় ৩০ লাখ গ্রাহক তাঁদের ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থ ব্যবহারের সুযোগ হারিয়েছেন। ব্যাংকটির গ্রাহকসংখ্যা প্যারাগুয়ের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশ। গ্রাহকদের মধ্যে পেনশনভোগীরাও রয়েছেন। সংকটের জেরে রাজধানী আসুনসিওনসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা পেনিয়ার পদত্যাগ ও তাঁদের অর্থ ফেরতের দাবি জানান।</p><p>পেনিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ, উয়েনো ব্যাংকের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা ছিল। গত বছর পর্যন্ত ওই প্রতিষ্ঠানে তাঁর শেয়ার ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।</p><p>বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে পেনিয়া দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, "আপনারা আমার ওপর যে আস্থা রেখেছিলেন, তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা কখনোই আমার উদ্দেশ্য ছিল না"।</p><p>২০২৩ সালের নির্বাচনে রক্ষণশীল কলোরাডো পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন পেনিয়া। এদিকে সংকটের ঘটনায় ভাইস প্রেসিডেন্ট আলিয়ানার বিরুদ্ধেও অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা এগোয়নি।</p><p>উয়েনো ব্যাংককে জব্দ করার পর আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগে কংগ্রেস অনুমোদন দিয়েছে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2bfe-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 12:36:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আরও তিন মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74804/a7f2-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>ইরানের কেশম দ্বীপের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের আরও তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। ড্রোনগুলোর মধ্যে একটি এমকিউ-১ এবং দুটি এমকিউএম-১৭০ গোয়েন্দা ড্রোন রয়েছে। খবর মেহের নিউজের।</p><p>আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভূপাতিত এমকিউ-১ ড্রোনটি যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম এ ধরনের চালকবিহীন আকাশযান, যা ইরান ভূপাতিত করেছে। দেশটির সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের আওতায় আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনীর পরিচালিত অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়।</p><p>বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শত্রুপক্ষের আকাশযানের গতিবিধি, গোয়েন্দা তৎপরতা ও উড্ডয়নপথ সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখছে আইআরজিসি। এসব অভিযান বারবার ব্যর্থ হওয়ায় ব্র্যাড কুপারের নেতৃত্বাধীন কমান্ডের জন্য এটি বড় ধাক্কা বলেও দাবি করেছে বাহিনীটি।</p><p>এ ছাড়া আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের মহাকাশ বাহিনীর অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা ব্যবহার করে কেশম দ্বীপের আকাশে দুটি মার্কিন এমকিউএম-১৭০ গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এ নিয়ে দ্বীপটির আকাশে ভূপাতিত এ ধরনের মার্কিন ড্রোনের সংখ্যা ছয়টিতে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a7f2-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 12:24:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এনসিপির ভেতরে ভিন্নমতের জায়গা ছিল না: সামান্তা শারমিন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74803/3206-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছাড়ার সিদ্ধান্ত হুট করে নেননি বলে জানিয়েছেন দলটির সদ্য পদত্যাগী যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন। তাঁর দাবি, পদত্যাগের জন্য দলের ভেতর ও বাইরে থেকে বিভিন্ন পক্ষ চাপ দিয়েছিল।</p><p>পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>সামান্তা শারমিনের অভিযোগ, এনসিপি তার মূল লক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে একটি প্রথাগত রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। প্রায় এক বছর ধরে দলের ভেতরে নিজের অবস্থান তুলে ধরার চেষ্টা করলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কার্যকর কোনো ফোরাম না থাকায় তিনি পদত্যাগ করেছেন।</p><p>তিনি বলেন, ‘দলের হাত ছেড়ে দিয়ে পদত্যাগ করা, এটার পক্ষপাতি আমি কখনোই ছিলাম না।... কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে যে, আমার যতটুকু সাধ্য, সামর্থ্য, শক্তি ছিল, ততটুকু আসলে ফুরিয়েছে এই পার্টিকে আসলে ওই পথ থেকে টেনে বের করে আনার জন্য।’</p><p>দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত সুখকর ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এনসিপি গঠনের শুরু থেকেই তিনি যুক্ত ছিলেন। দল প্রতিষ্ঠার আগে নাগরিক কমিটির মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। নিজের হাতে গড়ে তোলা দল কেউ ছাড়তে চান না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p><p>সামান্তার ভাষ্য, গত নির্বাচনের আগে এনসিপি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নিলে দলের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ স্পষ্ট হয়। তবে তাঁর আপত্তি শুধু ওই জোট নিয়ে ছিল না; পুরোনো রাজনৈতিক কাঠামোর দলগুলোর সঙ্গে জোট করলে নতুন দলের সংস্কারের রাজনীতি বাধাগ্রস্ত হবে বলে মনে করেন তিনি।</p><p>দলের পুনর্গঠন ও পদ বণ্টন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সামান্তা। তাঁর অভিযোগ, ১৯৬ সদস্যের কমিটিতে ১৬০ জনকে পদায়নের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ছিল না। দায়িত্ব বণ্টনে যোগ্যতার কোনো প্রকাশ্য মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়নি এবং ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগও কমে গেছে।</p><p>তিনি বলেন, ‘একদম টপ টু বটম পুরোটাই পরিবর্তন করে ফেলা হলো, কীসের ভিত্তিতে পরিবর্তন করে ফেলা হলো? কোনো ধরনের জবাবদিহিতা নেই।’</p><p>এনসিপির অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বিরোধী মতকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বললেও দলের ভেতরে ভিন্নমতকে উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সামান্তা। তাঁর ভাষ্য, দলের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক চিন্তার আধিপত্য তৈরি হয়েছিল এবং অন্যদের সেই অবস্থানের সঙ্গে একমত হতে চাপ দেওয়া হতো।</p><p>দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সাবেক এই নেত্রী। তাঁর দাবি, জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন রাজনৈতিক পর্ষদের তিন নারী সদস্য—তাসনিম জারা, নাহিদা সারোয়ার নিভা ও তিনি। কিন্তু তাঁদের আপত্তিকে নারীদের বৃহত্তর অংশের প্রতিনিধিত্বকারী মতামত হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি।</p><p>সামান্তা বলেন, ‘যখন আমরা ৩ জন নারী একই বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করছি, আমাদের কথাটাকে নারী সমাজের একটা বড় অংশের প্রতিনিধিত্ব এবং কণ্ঠস্বর হতে পারে, ৫০ শতাংশ মানুষের কণ্ঠস্বর হতে পারে, এটার অর্থে বিবেচনায় করা হয়নি।’</p><p>তিনি আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের সঙ্গে জোটের বিরোধিতা করায় দলের ভেতরে তাঁকে চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। একপর্যায়ে তাঁকে বহিষ্কারের হুমকিও দেওয়া হয়। সামান্তার ভাষ্য, ‘আমাকে বলা হয়েছে, আপনি কি থামবেন, নাকি আপনাকে বহিষ্কার করব, এ ধরনের কথাও বলা হয়েছে।’</p><p>এনসিপির নেতৃত্ব জোটের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র ও নারী নেতৃত্ব নিশ্চিত করলে ফিরবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সামান্তা বলেন, আপাতত সে রকম আশা দেখছেন না। তবে দলের প্রতি শুভকামনা রয়েছে।</p><p>নতুন কোনো রাজনৈতিক দল গঠনের বিষয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী দুই-তিন মাস নতুন ও পুরোনো রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম এবং ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এমনকি এনসিপির সঙ্গেও আবার আলোচনায় বসতে চান তিনি।</p><p>সামান্তা বলেন, ‘আগামী দুই-তিন মাস নতুন ও পুরোনো রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম এবং ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করব। এমনকি এনসিপির সঙ্গেও আবার বসতে চাই। আমার এখন পথ ওপেন, আমি সবার সাথেই কথা বলতে চাই।’</p><p>নিজের পরবর্তী রাজনৈতিক ভূমিকা পরিস্থিতি বুঝে ঠিক করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি হুট করে কোনোকিছুই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষপাতি না, আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত হুট করে নিইনি।’</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3206-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 12:17:01 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74802/a86f-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: ‘দিল্লি নয় পিন্ডি নয়’, ‘নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এমন প্রত্যয় নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, যতবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, যতবার দেশের গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে, ততবারই ৭ নভেম্বরের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের চেতনায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে ঘিরে তরুণ প্রজন্ম যেভাবে ইতিহাসভিত্তিক মনোমুগ্ধকর প্রদর্শনী উপস্থাপন করেছে, তার জন্য শুরুতেই তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। ঐতিহাসিক এই দিনে সবাইকে নজরুল বর্ষের শুভেচ্ছা। দেশপ্রেমিক, স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে ৭ নভেম্বর তাৎপর্যপূর্ণ ও গৌরবের দিন।</p><p>তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ৭ নভেম্বর ছিল শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন। ওই বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চরম আকার ধারণ করেছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২ নভেম্বর দিবাগত মধ্যরাতে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে গৃহবন্দি করা হয়। স্বাধীনতার ঘোষককে বন্দি রেখে দেশের স্বার্থবিরোধী যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল, সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে তা রুখে দিয়েছিল। এ কারণেই দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে ৭ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যের চেতনার বাতিঘর।</p><p>তারেক রহমান বলেন, যারা বাংলাদেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, যারা জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল এবং সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবকে ভুলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।</p><p>তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের পরাজিত অপশক্তির ষড়যন্ত্র কখনো থেমে থাকেনি। ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় তারা মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে পুনরায় তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছিল। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজারো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২০২৪ সালে আবারও ৭ নভেম্বরের সেই পরাজিত অপশক্তির পরাজয় ঘটে।</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনে যারা হতাহত হয়েছেন এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ ও আহত হয়েছেন, আজকের দিনে তাঁদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।</p><p>‘১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের। ২০২৪ ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরও একইভাবে সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। সময়ের সঙ্গে প্রমাণিত হয়েছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্ধারণের দিন। যতবার বাংলাদেশ ৭ নভেম্বরের পথরেখা থেকে বিচ্যুত হয়েছে, ততবারই দেশ ও জনগণের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে।</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কিংবা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ—যাঁরা বাংলাদেশের নাগরিক, তাঁদের সবার একটাই গর্বিত পরিচয়, ‘আমরা বাংলাদেশি’। এই পরিচয়ই আমাদের ঐক্যবদ্ধ জাতিতে পরিণত করেছিল। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘আমরা বাংলাদেশি’ পরিচয় নির্ধারণের ভিত্তিভূমিও রচিত হয়েছিল। সুতরাং, যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের গুরুত্ব ও তাৎপর্যও প্রাসঙ্গিক থাকবে। ৭ নভেম্বরের নায়ক দেশপ্রেমিক সিপাহী-জনতা।</p><p>তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, ১৯৭১ সালেও একইভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য রণাঙ্গনে সম্মুখসমরে লড়াই করেছেন। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।</p><p>তারেক রহমান বলেন, একটি জাতির ইতিহাস কেবল অতীতের স্মৃতিচারণ নয়; শুদ্ধ ইতিহাস একটি জাতির আত্মপরিচয়, আত্মমর্যাদা ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা। আজকের আয়োজনের বিশেষত্ব হলো, হাজার হাজার কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণী নির্মোহভাবে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছে। ইতিহাসসচেতন এই প্রজন্ম ৭ নভেম্বরের প্রেরণায় উজ্জীবিত ও ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ আর পথ হারাবে না বলে তিনি বিশ্বাস করেন।</p><p>তিনি আরও বলেন, যে দেশের তারুণ্য জাতীয়তাবোধে অনুপ্রাণিত নয়, সেই দেশের জনগণের ঐক্য সুদৃঢ় হতে পারে না। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার বিপ্লব, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন কিংবা ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি ঐতিহাসিক ঘটনায় বাংলাদেশের তরুণেরা প্রমাণ করেছে, দেশের স্বার্থের প্রশ্নে তারা কখনো আপস করেনি। সবার আগে বাংলাদেশ।</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, দেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই হোক এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে ৭ নভেম্বরের মতো সিপাহী-জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে-প্রাণে ধারণ করতে হবে।</p><p>তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জন একটি ঐতিহাসিক গৌরব। তবে সেই গৌরবের পতাকা সমুন্নত রেখে স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলা প্রতিটি প্রজন্মের দায়িত্ব। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব হলো, স্বাধীনতার মূলমন্ত্র ধারণ করে একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ, মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণে আত্মনিয়োগ করা। অভিভাবক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব তারুণ্যের সব সম্ভাবনা বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা। বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ আগামী বিনির্মাণে বদ্ধপরিকর।</p><p>বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, যতবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, যতবার দেশে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে, ততবারই ৭ নভেম্বরের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের চেতনায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের ঐতিহাসিক এই দিনে দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক, ‘দিল্লি নয় পিন্ডি নয়’, ‘নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a86f-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 12:09:15 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারকে ৩২২ কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে সরকার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74801/95a3-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা হিসেবে ৩২২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা দিয়েছে সরকার। ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৮৭৭ জনের পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে এ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। খবর বাসসের।</p><p>সড়ক পরিবহন আইন ও বিধিমালার আওতায় গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে এ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কিংবা নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীরা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করে এ সহায়তা পেতে পারেন।</p><p>সড়ক পরিবহন বিধিমালা-২০২২ কার্যকর হওয়ার পর ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তার আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। বিধিমালার ১৫০(১) উপবিধি অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটনের ৯০ দিনের মধ্যে নির্ধারিত ফরম-৩২-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তার আবেদন করা যায়।</p><p>বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) আইন উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম বাসসকে বলেন, কেউ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বা আহত হলে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ ও সড়ক পরিবহন বিধিমালা-২০২২ অনুযায়ী নির্ধারিত আর্থিক সহায়তা পাওয়ার বিধান রয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আবেদন করলে ট্রাস্টি বোর্ড বিধি অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।</p><p>মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৬২ জনকে আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয় ২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবর। ট্রাস্টি বোর্ডের চেক বিতরণের বিবরণী অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ৭ হাজার ৮৭৭ জনের জন্য মোট ৩২২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ২০৬ কোটি ৮ লাখ টাকা।</p><p>এ পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আহত ১ হাজার ৪৩২ জন, গুরুতর আহত ৬৮৪ জন এবং নিহত ৫ হাজার ৭৬১ জনের পরিবার রয়েছে।</p><p><strong>দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার পাবে ৫ লাখ টাকা</strong></p><p>সড়ক পরিবহন বিধিমালা-২০২২-এর ১৪৯ বিধি অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনায় কেউ নিহত হলে অথবা দুর্ঘটনায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে পরে মৃত্যুবরণ করলে তার পরিবার এককালীন কমপক্ষে ৫ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবে।</p><p>এ ছাড়া দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তির গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গহানি হলে কমপক্ষে ৩ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়ার বিধান রয়েছে। গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা না থাকলেও কমপক্ষে ৩ লাখ টাকা পাওয়া যাবে। তবে গুরুতর আহত হলেও চিকিৎসার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকলে সহায়তার পরিমাণ কমপক্ষে ১ লাখ টাকা।</p><p>এদিকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ হাসিবুর রহমান বাসসকে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা বা ক্ষতিপূরণ দেওয়াই সবকিছুর শেষ কথা নয়। সড়ক দুর্ঘটনা যাতে রোধ করা যায় কিংবা একেবারে কমিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সড়কে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে আইনের যথাযথ প্রয়োগের পাশাপাশি নাগরিকদেরও আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।</p><p><strong>দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির দ্রুত চিকিৎসার বিধান</strong></p><p>সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮-এর ৬২(১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সড়ক দুর্ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট মোটরযানের চালক, কন্ডাক্টর বা তাদের প্রতিনিধি তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনার বিষয়ে নিকটস্থ থানা, ফায়ার সার্ভিস, চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতালকে অবহিত করবেন। একই সঙ্গে আহত ব্যক্তির জীবন রক্ষায় দ্রুততম সময়ে তাকে নিকটস্থ চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতালে পাঠানো এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।</p><p>এ ছাড়া একই ধারায় পুলিশকে দেশব্যাপী টোল ফ্রি টেলিফোন নম্বর চালুর বিধান রাখা হয়েছে। এ নম্বরের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনায় জড়িত মোটরযানের চালক, কন্ডাক্টর, মালিক, প্রতিষ্ঠান বা পরিচালনাকারী কিংবা তাদের প্রতিনিধি, যাত্রী অথবা দুর্ঘটনা প্রত্যক্ষকারী যে কেউ জরুরি উদ্ধার ও চিকিৎসাসেবার জন্য তাৎক্ষণিক সহায়তা চাইতে পারবেন।</p><p><strong>হাইকোর্টের রায়ে ক্ষতিপূরণের দৃষ্টান্ত</strong></p><p>সড়ক পরিবহন আইনের আওতায় আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি হাইকোর্টে রিট করে ক্ষতিপূরণ পাওয়ারও কয়েকটি দৃষ্টান্ত রয়েছে। এর মধ্যে বাসের চাপায় পা হারানো রাসেল সরকারের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার ঘটনা উল্লেখযোগ্য।</p><p>২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল কেরানীগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফেরার পথে যাত্রাবাড়ীর হানিফ ফ্লাইওভারে গ্রিন লাইন পরিবহনের বাসের চাপায় একটি পা হারান তরুণ প্রাইভেটকারচালক রাসেল সরকার। এ ঘটনায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা হয়। পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়।</p><p>রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রাসেল সরকারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন।</p><p>হাইকোর্টের রায়ের পর গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ তাঁকে ৩০ লাখ টাকা এবং চিকিৎসার জন্য আরও ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়েছে বলে বাসসকে জানান রাসেল সরকার।</p><p>সাভারের সিআরপি থেকে কৃত্রিম পা সংযোজন করেছেন জানিয়ে রাসেল সরকার বলেন, হাইকোর্টের প্রতি চির কৃতজ্ঞ। হাইকোর্টের রায়েই মোট ৩৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা পেয়েছি। তবে যে ক্ষতি আমার হয়েছে তা তো আর টাকায় পূরণ হবার নয়।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">95a3-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:54:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিমানবন্দরসহ ঢাকায় এক রাতে পাঁচ স্থানে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/74800/3f7b-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> &nbsp;হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকাসহ রাজধানী ঢাকায় এক রাতেই পাঁচটি স্থানে অন্তত আটটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ৬ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আদাবর, শাহবাগ, খিলগাঁও, বিমানবন্দর ও মিরপুরের কালশী এলাকায় এসব বিস্ফোরণ ঘটে।</p><p>একই দিন সন্ধ্যায় প্রগতি সরণীর কোকাকোলা ক্রসিং এলাকায় বৈশাখী পরিবহনের একটি বাসেও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।</p><p>পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিটের দিকে খিলগাঁওয়ে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরের ভেতরে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, আশপাশের কোনো বাসার ছাদ অথবা নিচের কোনো স্থান থেকে ককটেলটি নিক্ষেপ করা হয়ে থাকতে পারে।</p><p>রাত ৯টা ৫ মিনিটের দিকে আদাবর থানার সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা ককটেল দুটি নিক্ষেপ করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (সেকেন্ড ইন কমান্ড-টুআইসি) ফজলুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><p>এরপর রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে শাহবাগ থানাধীন আইবি গেটের সামনে পুলিশের একটি টহল গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। মোটরসাইকেলে করে আসা ব্যক্তিরা ককটেলটি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর রাত ১২টা ১ মিনিটের দিকে শাহবাগের জুলাই চত্বরের পাশেও আরেকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল খালেক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><p>এদিকে, রাত পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর বিমানবন্দর গোলচত্বরে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, উড়ালসড়ক থেকে কে বা কারা দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়।</p><p>অন্যদিকে, রাতে মিরপুরের কালশী মোড়ে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেলে এসে দুর্বৃত্তরা একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার একটি ভিডিওতেও মোটরসাইকেলে আসা ব্যক্তিদের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রুত চলে যেতে দেখা গেছে।</p><p>মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার জানান, কারা এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।</p><p>এ ছাড়া শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রগতি সরণীর কোকাকোলা ক্রসিং এলাকায় বৈশাখী পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। বাসটি সাভার-নতুন বাজার রুটে চলাচল করত। জানা গেছে, নতুন বাজারে যাত্রী নামানোর কিছু সময় পর দুর্বৃত্তরা বাসটিতে আগুন দেয়। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানাতে পারেননি পরিবহন কোম্পানির কর্মকর্তারা।</p><p>রাজধানীর পাঁচটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। ধারাবাহিক এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ ইতোমধ্যে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ শুরু করেছে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3f7b-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:46:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে শত্রুর ঘাঁটি পুনর্নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না: ইরান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74799/b7f1-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো পুনর্নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। চলমান সংঘাতে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া দাবি করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির ২২৮টির বেশি অবস্থান বা স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা ধ্বংস হয়েছে।</p><p>তার দাবি, বর্তমানে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক ঘাঁটিই অভিযান পরিচালনার সক্ষম অবস্থায় নেই। এ কারণে মার্কিন বাহিনীকে জাহাজের জ্বালানি ও সেনাসদস্যদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বাইরে থেকে নিয়ে আসতে হচ্ছে।</p><p>আকরামিনিয়া বলেন, ‘আমরা কখনোই এই অঞ্চলে শত্রুর সামরিক ঘাঁটিগুলো পুনর্নির্মাণ করতে দেব না।’</p><p>ইরানের সেনাবাহিনীর এই বক্তব্যের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে কি না, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b7f1-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:36:58 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিনা খরচে ওমরাহর পালনের সুযোগ দিচ্ছে সৌদি আরব, অংশ নেবেন যেভাবে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/religion/74798/45b3-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘নুসুক’ অ্যাপের মাধ্যমে বিনা মূল্যে ওমরাহ পালনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। প্রশ্নোত্তরভিত্তিক একটি অনলাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এতে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ব্যক্তিরা একজন সঙ্গীসহ ওমরাহ পালনের সুযোগ পাবেন।</p><p>গত ১ নভেম্বর প্রতিযোগিতাটির ঘোষণা দেয় নুসুক। এ বিষয়ে ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার সংবাদমাধ্যম দেতিক হিকমাহ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ‘Kemenhaj Saudi Gelar Undian Umrah Gratis di Aplikasi Nusuk, Ini Cara Daftarnya’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের নিয়ম ও পুরস্কারের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। একই দিন নয়, এর আগে ১ নভেম্বর মিসরের সংবাদমাধ্যম আল-ওয়াতানও এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।</p><p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিযোগিতায় মোট ১০০টি ওমরাহ প্যাকেজ এবং ১০ হাজার কার্টন জমজমের পানি পুরস্কার হিসেবে রাখা হয়েছে। প্রতিটি ওমরাহ প্যাকেজে দুজনের ভ্রমণের ব্যবস্থা থাকবে। এতে ওমরাহ ভিসা, বিমান টিকিট এবং মক্কা ও মদিনায় ১০ রাতের আবাসন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p><p>এ ছাড়া ওমরাহ প্যাকেজের বিজয়ীরা ২০ কার্টন জমজমের পানি পাবেন। এর মধ্যে ১০ কার্টন নিজের জন্য এবং বাকি ১০ কার্টন পরিবারের সদস্য বা প্রিয়জনকে উপহার দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।</p><p>প্রতিযোগিতাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আগ্রহীদের জন্য উন্মুক্ত বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো। তবে প্রতিযোগিতার শেষ তারিখ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। তাই শেষ তারিখ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।</p><p><strong>যেভাবে অংশ নেবেন</strong></p><p>নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহীদের প্রথমে মোবাইল ফোনে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। এরপর নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে নিবন্ধন করতে হবে। আগে থেকে অ্যাকাউন্ট থাকলে সেটিতে প্রবেশ করেই অংশ নেওয়া যাবে।</p><p><strong>অংশগ্রহণের ধাপগুলো হলো—</strong></p><p>১. নুসুক অ্যাপে প্রবেশ করে নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে।</p><p>২. অ্যাপের ‘Start the Challenge’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।</p><p>৩. এরপর চারটি বিভাগের যেকোনো একটি নির্বাচন করতে হবে। বিভাগগুলো হলো—‘The Prophet’s Biography’, ‘The Quran’, ‘Makkah and the Grand Mosque’ এবং ‘Madinah and the Prophet's Mosque’।</p><p>৪. নির্বাচিত বিভাগ থেকে আসা প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে। উত্তর সঠিক হলে প্রতিযোগীর নাম পুরস্কারের লটারিতে অন্তর্ভুক্ত হবে।</p><p>প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা প্রতিদিন একটি করে চাবি পাবেন। এই চাবি ব্যবহার করে প্রশ্নের দরজা খোলা যাবে। অতিরিক্ত চাবি পেতে প্রতিযোগিতার লিংক বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে শেয়ার করার সুযোগও রয়েছে।</p><p>প্রতিদিন সৌদি আরবের স্থানীয় সময় রাতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এ ছাড়া নুসুকের ইনস্টাগ্রাম ও এক্স অ্যাকাউন্টে বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।</p><p>উল্লেখ্য, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত নুসুক অ্যাপটি ওমরাহ পালনের অনুমতিসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সেবা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে।</p><p>অ্যাপ ডাউনলোড: https://onelink.to/nusuk</p><p>নুসুকের ওয়েবসাইট: https://services.nusuk.sa/</p><p>নুসুকের এক্স অ্যাকাউন্ট: https://x.com/MyNusuk</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">45b3-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:30:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[খাগড়াছড়িতে বিআরটিসির বাসে আগুন, নাশকতার সন্দেহ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/74797/a50a-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: খাগড়াছড়িতে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) একটি বাস পুড়ে গেছে। ৭ নভেম্বর শনিবার ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে কারা বাসটিতে আগুন দিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p><p>খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই বাসটির অধিকাংশ পুড়ে যায়।</p><p>বিআরটিসির টিকিট কাউন্টারের টিকিট বিক্রেতা বিদ্যুৎ চাকমা জানান, ভোর ৪টার দিকে ফোন করে তাকে বাসে আগুন লাগার খবর দেওয়া হয়। তবে কারা বা কী কারণে বাসটিতে আগুন দিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।</p><p>খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মুকুল কুমার নাথ বলেন, ভোর ৪টা ২৫ মিনিটে তারা আগুন লাগার খবর পান। পরে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে বাসটি প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছিল।</p><p>এদিকে, এ ঘটনার সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএন আবছার। তার অভিযোগ, এসব সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি যারা মব সৃষ্টি করে অরাজকতা করছে, তারাও এ ঘটনায় সহযোগিতা করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p><p>খাগড়াছড়ি সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায় কিসলু বলেন, গাড়িটির চালক ভেতরেই ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ অতিরিক্ত গরম অনুভব হওয়ায় তার ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় তিনি গাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে আগুন লাগার কারণ জানার চেষ্টা চলছে। কেউ নাশকতার উদ্দেশ্যে আগুন লাগিয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হবে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a50a-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:14:08 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শিক্ষা সফরে যাওয়ার পথে পুকুরে বাস, নিহত ২ শিক্ষক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/accident/74796/c629-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের পুকুরে পড়েছে মাদ্রাসার শিক্ষাসফরের একটি বাস। এ দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার ভোর ৪টার দিকে সাতকানিয়ার কেরানীহাটের আগে রেলবিট এলাকা পার হওয়ার পর এ দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাচ্ছিল। এতে বুড়িচংয়ের বাকশিমুল সুন্নিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিলেন। তাঁরা শিক্ষাসফরে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন। একই সফরে অংশ নেওয়া অন্য একটি বাসের যাত্রীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।</p><p>নিহত দুজন হলেন মাদ্রাসার শিক্ষিকা সোহানা আফরোজ (৪৫) ও ইসরাফিল (৫৬)।</p><p>দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও পাশের একটি ইটভাটার শ্রমিকেরা উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। তাঁরা বাসের ভেতর থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করেন। পরে আহতদের কেরানীহাট ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে দুজনের মৃত্যু হয়।</p><p>দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আবসার বলেন, ‘নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশের পুকুরে পড়ে যায়। এতে দুজন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। ভোরের দিকে দুর্ঘটনা ঘটায় স্থানীয় লোকজন প্রথমে আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’</p><p>এদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েক দিনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা বেড়েছে। তাঁদের মতে, মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c629-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:08:08 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নারী ক্রিকেটারদের পূর্ণ বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটি দেবে বিসিবি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/74795/5c8d-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>মাতৃত্বের কারণে যেন নারী ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ার থমকে না যায়, সে লক্ষ্যে পূর্ণ বেতন ও ভাতাসহ মাতৃত্বকালীন ছুটির নীতিমালা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, জাতীয় দলের চুক্তিবদ্ধ নারী ক্রিকেটাররা মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকলেও নিয়মিত বেতন ও ভাতা পাবেন।</p><p>গত ৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিসিবির এক ভার্চুয়াল সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন ছুটির মেয়াদ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কাঠামো চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।</p><p>বিসিবির পরিচালক ও নারী ক্রিকেট বিভাগের প্রধান রফিকুল ইসলাম বাবু জানিয়েছেন, মাতৃত্বকালীন ছুটির পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা দ্রুত প্রণয়ন করা হবে। এ বিষয়ে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তবে ছুটির মেয়াদ চার মাস না ছয় মাস হবে, তা নিয়ে পরিচালকদের মধ্যে আলোচনা চলছে। পরবর্তী বোর্ড সভায় নীতিমালাটি আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।</p><p>বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটে মাতৃত্বের পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফিরে আসার দৃষ্টান্ত খুব বেশি নেই। তবে ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অধিনায়ক বিসমাহ মারুফের প্রত্যাবর্তন ছিল আলোচিত ঘটনা। ছয় মাস বয়সী কন্যা ফাতিমাকে সঙ্গে নিয়ে ওই বিশ্বকাপে অংশ নেন তিনি। সন্তান জন্মের ছয় মাসের মধ্যেই ক্রিকেটে ফিরে বিশ্বকাপের মতো আসরে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে প্রশংসিত হন এই ক্রিকেটার।</p><p>বাংলাদেশে এতদিন মাতৃত্বকালীন ছুটির সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় নারী ক্রিকেটারদের জন্য এমন প্রত্যাবর্তনের পথ ছিল অনিশ্চিত। সন্তান জন্মের সময় আর্থিক নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাবে অনেকের পক্ষেই ক্রিকেটে ফেরা কঠিন হয়ে পড়েছে।</p><p>সম্প্রতি জাতীয় দলের পেসার সুরাইয়া আজমিন মাতৃত্বকালীন সময়ে বোর্ডের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ তোলেন। গত মে মাসে ছুটির আবেদন করেও দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া পাননি বলে জানান তিনি।</p><p>জাতীয় দলের সাবেক টপ-অর্ডার ব্যাটার সানজিদা ইসলামও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। গত বছর প্রথম সন্তান জন্মের পর ক্রিকেট থেকে বিরতি নেন তিনি। পরে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় আর খেলায় ফিরতে পারেননি। মাতৃত্বকালীন সময়ে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমান আম্পায়ার সাথিরা জাকির জেসিও।</p><p>এ ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতেই নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। এরই মধ্যে সুরাইয়া আজমিনের আবেদনও গ্রহণ করেছে বোর্ড। রফিকুল ইসলাম বাবু জানিয়েছেন, ২৭ বছর বয়সী এই পেসারের জন্য চার মাসের পারিশ্রমিক পরিশোধ করা হয়েছে।</p><p>রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, নতুন নীতিমালার মাধ্যমে চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের মধ্যে এই নিশ্চয়তা তৈরি করতে চায় বোর্ড যে মাতৃত্ব গ্রহণের অর্থ ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সমাপ্তি নয়। ছুটিতে থাকাকালে বোর্ডের বেতন কাঠামোর আওতায় থাকা খেলোয়াড়েরা নিয়মিত বেতন-ভাতা পাবেন। এতে সন্তান জন্ম ও পরিচর্যার সময় তাঁদের আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে।</p><p>তাঁর ভাষ্য, মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে সন্তানকে সময় দেওয়ার পাশাপাশি ক্রিকেটে ফেরার জন্যও খেলোয়াড়দের পর্যাপ্ত সুযোগ থাকা প্রয়োজন। মাতৃত্বকে গর্বের বিষয় উল্লেখ করে এ সময়ে নারী ক্রিকেটারদের পাশে থাকার প্রত্যয় জানান তিনি।</p><p>এ ছাড়া মাতৃত্বকালীন ছুটির বাইরেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নির্দেশিকা অনুসারে নারী ক্রিকেটারদের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিসিবির বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন রফিকুল ইসলাম বাবু।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5c8d-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:03:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নারী ক্রিকেটারদের পূর্ণ বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটি দেবে বিসিবি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Cricket/74795/5c8d-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>মাতৃত্বের কারণে যেন নারী ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ার থমকে না যায়, সে লক্ষ্যে পূর্ণ বেতন ও ভাতাসহ মাতৃত্বকালীন ছুটির নীতিমালা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, জাতীয় দলের চুক্তিবদ্ধ নারী ক্রিকেটাররা মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকলেও নিয়মিত বেতন ও ভাতা পাবেন।</p><p>গত ৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিসিবির এক ভার্চুয়াল সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন ছুটির মেয়াদ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কাঠামো চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।</p><p>বিসিবির পরিচালক ও নারী ক্রিকেট বিভাগের প্রধান রফিকুল ইসলাম বাবু জানিয়েছেন, মাতৃত্বকালীন ছুটির পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা দ্রুত প্রণয়ন করা হবে। এ বিষয়ে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তবে ছুটির মেয়াদ চার মাস না ছয় মাস হবে, তা নিয়ে পরিচালকদের মধ্যে আলোচনা চলছে। পরবর্তী বোর্ড সভায় নীতিমালাটি আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।</p><p>বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটে মাতৃত্বের পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফিরে আসার দৃষ্টান্ত খুব বেশি নেই। তবে ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অধিনায়ক বিসমাহ মারুফের প্রত্যাবর্তন ছিল আলোচিত ঘটনা। ছয় মাস বয়সী কন্যা ফাতিমাকে সঙ্গে নিয়ে ওই বিশ্বকাপে অংশ নেন তিনি। সন্তান জন্মের ছয় মাসের মধ্যেই ক্রিকেটে ফিরে বিশ্বকাপের মতো আসরে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে প্রশংসিত হন এই ক্রিকেটার।</p><p>বাংলাদেশে এতদিন মাতৃত্বকালীন ছুটির সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় নারী ক্রিকেটারদের জন্য এমন প্রত্যাবর্তনের পথ ছিল অনিশ্চিত। সন্তান জন্মের সময় আর্থিক নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাবে অনেকের পক্ষেই ক্রিকেটে ফেরা কঠিন হয়ে পড়েছে।</p><p>সম্প্রতি জাতীয় দলের পেসার সুরাইয়া আজমিন মাতৃত্বকালীন সময়ে বোর্ডের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ তোলেন। গত মে মাসে ছুটির আবেদন করেও দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া পাননি বলে জানান তিনি।</p><p>জাতীয় দলের সাবেক টপ-অর্ডার ব্যাটার সানজিদা ইসলামও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। গত বছর প্রথম সন্তান জন্মের পর ক্রিকেট থেকে বিরতি নেন তিনি। পরে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় আর খেলায় ফিরতে পারেননি। মাতৃত্বকালীন সময়ে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমান আম্পায়ার সাথিরা জাকির জেসিও।</p><p>এ ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতেই নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। এরই মধ্যে সুরাইয়া আজমিনের আবেদনও গ্রহণ করেছে বোর্ড। রফিকুল ইসলাম বাবু জানিয়েছেন, ২৭ বছর বয়সী এই পেসারের জন্য চার মাসের পারিশ্রমিক পরিশোধ করা হয়েছে।</p><p>রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, নতুন নীতিমালার মাধ্যমে চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের মধ্যে এই নিশ্চয়তা তৈরি করতে চায় বোর্ড যে মাতৃত্ব গ্রহণের অর্থ ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সমাপ্তি নয়। ছুটিতে থাকাকালে বোর্ডের বেতন কাঠামোর আওতায় থাকা খেলোয়াড়েরা নিয়মিত বেতন-ভাতা পাবেন। এতে সন্তান জন্ম ও পরিচর্যার সময় তাঁদের আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে।</p><p>তাঁর ভাষ্য, মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে সন্তানকে সময় দেওয়ার পাশাপাশি ক্রিকেটে ফেরার জন্যও খেলোয়াড়দের পর্যাপ্ত সুযোগ থাকা প্রয়োজন। মাতৃত্বকে গর্বের বিষয় উল্লেখ করে এ সময়ে নারী ক্রিকেটারদের পাশে থাকার প্রত্যয় জানান তিনি।</p><p>এ ছাড়া মাতৃত্বকালীন ছুটির বাইরেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নির্দেশিকা অনুসারে নারী ক্রিকেটারদের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিসিবির বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন রফিকুল ইসলাম বাবু।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5c8d-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:03:20 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইরানের পরমাণু কর্মসূচির তথ্য দিলেই ২ কোটি ডলার পুরস্কার: সেন্টকম]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74794/0373-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারলে সর্বোচ্চ ২ কোটি ডলার (প্রায় ২৪৫ কোটি টাকা) পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি তথ্যদাতার নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনে তাকে অন্য দেশে বা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির আওতায় এ পুরস্কার দেওয়া হবে। খবর দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের।</p><p>সেন্টকমের বিবৃতি অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনা, সরঞ্জাম ও ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য দিতে পারলে সর্বোচ্চ ২ কোটি ডলার পুরস্কার পাওয়া যাবে। এ ছাড়া দেশটির পারমাণবিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছে।</p><p>বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, তথ্যদাতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে তাকে অন্যত্র স্থানান্তরের সুযোগ রাখা হয়েছে।</p><p>এদিকে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ইসরায়েল ও পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তাঁর মতে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে পড়ত।</p><p>ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে বক্তব্য দেওয়ার সময় ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমি যদি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দিতাম, তাহলে আজ ইসরায়েলের কোনো অস্তিত্ব থাকত না। ইসরায়েল পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যেত।’</p><p>এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত না রাখলে ইসরায়েলসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যের অস্তিত্ব বিপন্ন হতো। তিনি লেখেন, ‘কেউ এটা বলতে চায় না, কিন্তু সবাই জানে, এটাই সত্য।’</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0373-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 10:24:18 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/74793/f39e-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় আজ চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। ৭ নভেম্বর শনিবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকার বায়ুমান সূচক (একিউআই) ছিল ১৯৬, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।</p><p>আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, এদিন সকাল ৯টার দিকে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ছিল ভারতের রাজধানী দিল্লি। শহরটির একিউআই স্কোর ছিল ৫২৯। ২৭৫ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল পাকিস্তানের লাহোর।</p><p>এ ছাড়া ২৩৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিল ভারতের কলকাতা এবং ১৬৮ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে ছিল আফগানিস্তানের কাবুল।</p><p>একিউআই স্কোর অনুযায়ী, দিল্লি ও লাহোরের বায়ুমান ছিল ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ পর্যায়ে। কলকাতার বাতাস ছিল ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং কাবুলের বাতাস ছিল ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে।</p><p>বায়ুমানের আন্তর্জাতিক সূচক অনুযায়ী, একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ হলে বাতাসের মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি’ এবং ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়।</p><p>এ ছাড়া ১৫১ থেকে ২০০ স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১ থেকে ৫০০ স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।</p><p>বায়ুদূষণের এমন পরিস্থিতিতে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, দূষণের মাত্রা বেশি থাকলে বাইরে অবস্থানের সময় কমানো এবং ভারী শারীরিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলা উচিত।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f39e-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 10:16:47 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশে কোনো সরকার আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন জামায়াত আমির]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74792/9346-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>দেশে কার্যকর কোনো সরকারব্যবস্থা আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।</p><p>পোস্টের শুরুতেই তিনি লেখেন, দেশে কি আদৌ কোনো সরকারব্যবস্থা আছে?</p><p>এরপর রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের (সাবেক হোম ইকোনমিকস কলেজ) নারী শিক্ষার্থীদের ওপর গভীর রাতে পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন জামায়াত আমির।</p><p>তিনি লেখেন, ‘রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের (সাবেক হোম ইকোনমিকস কলেজ) নারী শিক্ষার্থীদের ওপর গভীর রাতে পুলিশ যেভাবে লাঠিচার্জ করেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটা দেখার এই দেশে কেউ কি নেই?’</p><p>পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘হলের সিট পুনর্বহাল, আবাসন সংকট নিরসন ও প্রাতিষ্ঠানিক হয়রানি বন্ধের মতো যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রীদের সঙ্গে আলোচনা না করে পুলিশ দিয়ে বলপ্রয়োগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ছাত্রী হোস্টেলে পুরুষ পুলিশ প্রবেশ করে লাঠিচার্জ করার ঘটনা আরও উদ্বেগজনক। সরকার বলে কি আসলেই কোনো ব্যবস্থা দেশে আছে?’</p><p>শেষে ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, ‘অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি পূরণ করতে হবে। ফ্যাসিবাদী কায়দায় জনগণের ওপর দমন-পীড়ন চালানোর সংস্কৃতি আর চলতে পারে না।’</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9346-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 10:12:39 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জিয়ার মুক্তির মধ্য দিয়ে জাতি নতুন পথের দিশা পায়: রিজভী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/74791/9798-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নতুন অঙ্গীকার খুঁজে পেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তির মধ্য দিয়ে জাতি নতুন করে পথের দিশা পেয়েছিল।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>রিজভী বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করা হয়। এর ফলে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক অধিকার সংকুচিত হয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে একের পর এক রাজনৈতিক সংঘাত ও রক্তপাতের ঘটনায় দেশে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।</p><p>তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সেনানিবাসের বাসভবনে বন্দি করে রাখা হয়। এতে দেশের মানুষের মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান মুক্ত হন এবং জাতি নতুন করে আশার আলো দেখতে পায়।</p><p>জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে রিজভী বলেন, তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও উৎপাদনে এগিয়ে যায় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। একই সঙ্গে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয় বলে দাবি করেন তিনি।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9798-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 10:04:49 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইরানে হামলা না চালালে ইসরায়েল মানচিত্র থেকে মুছে যেত: ট্রাম্প]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74790/188d-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সামরিক হামলা না চালালে ইসরায়েল পৃথিবীর মানচিত্র থেকে বিলুপ্ত হয়ে যেত বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার প্রকাশিত দ্য ওয়াশিংটন টাইমসের এক প্রতিবেদনে ট্রাম্পের এ বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।</p><p>ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করা দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একমাত্র সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। তাঁর মতে, এই অভিযান না চালালে ইসরায়েলের অস্তিত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ত।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মতামত এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে সামরিক অভিযানের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনার সময়ও নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি ইরানে হামলার সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে সমর্থন জানান।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">188d-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 09:52:00 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[স্বর্গের আশায় অনাহারে শিশু হত্যা, ধর্মীয় গোষ্ঠীর নেতার ২০০ বছরের কারাদণ্ড]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74789/de34-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> অনুসারীদের স্বর্গে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনাহারে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার ঘটনায় কেনিয়ার ধর্মীয় গোষ্ঠীর নেতা পল ম্যাকেঞ্জিকে ২০০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। একই মামলায় তার ২৮ সহযোগীকেও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। খবর এপির।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার কেনিয়ার উপকূলীয় শহর মোম্বাসার হাইকোর্টের বিচারক ডায়ানা কাবেদজা-মোচাচে এ রায় ঘোষণা করেন।</p><p>আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, পল ম্যাকেঞ্জি তার অনুসারীদের বিশ্বাস করিয়েছিলেন, অনাহারে থেকে মৃত্যুবরণ করলে তারা যিশুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন। তার প্ররোচনায় অনুসারীরা নিজেদের পাশাপাশি সন্তানদেরও খাবার ও পানি গ্রহণ থেকে বিরত রাখেন। এতে ১৯০ শিশুসহ মোট ১৯১ জনের মৃত্যু হয়।</p><p>আদালতে উপস্থাপিত ময়নাতদন্ত ও তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে ১৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে অনাহারে। বাকি আটজনকে সরাসরি হত্যা করা হয়েছিল।</p><p>এ ঘটনায় ম্যাকেঞ্জিকে দুটি পৃথক অপরাধের জন্য ১০০ বছর করে মোট ২০০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, অপরাধে প্রত্যেকের সম্পৃক্ততা ও ভূমিকা বিবেচনায় তার ২৮ সহযোগীকে ১০ থেকে ১৬০ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।</p><p>মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ম্যাকেঞ্জির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানিয়েছিল। তবে বিচারক সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন, অভিযুক্তদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী মৃত্যুকে যিশুর সঙ্গে মিলিত হওয়ার মাধ্যম হিসেবে দেখা হতো। ফলে মৃত্যুদণ্ড তাদের কাছে শাস্তির পরিবর্তে পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ কারণেই তাকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।</p><p>এদিকে, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন ম্যাকেঞ্জির আইনজীবী। তবে শাকাহোলা বনাঞ্চলে অনুসারীদের মৃত্যুর ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ, গণমৃত্যু ও অন্যান্য অপরাধের অভিযোগে পৃথক আইনি কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।</p><p>উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে কেনিয়ার উপকূলীয় কিলিফি কাউন্টির শাকাহোলা বনাঞ্চলে একাধিক গণকবরের সন্ধান পাওয়ার পর ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। দীর্ঘ তদন্ত ও উদ্ধার অভিযান শেষে ওই বনাঞ্চল থেকে ৪২৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের অনেকের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।</p><p>কেনিয়ার ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ এই গণমৃত্যুর ঘটনা ধর্মীয় উগ্রপন্থা প্রতিরোধ এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর রাষ্ট্রীয় নজরদারির কার্যকারিতা নিয়ে দেশটিতে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">de34-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 09:47:34 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার মাজারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74788/da63-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।</p><p>৭ নভেম্বর শনিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে অবস্থিত তাঁদের মাজারে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তিনি। এ সময় তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি ফাতেহা পাঠ করেন প্রধানমন্ত্রী।</p><p>শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বিএনপির জাতীয় নেতৃবৃন্দ, দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>এদিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ৫ থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও শোভাযাত্রা।</p><p>দিবসটি উপলক্ষে আজ বিকেল ৩টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করার কর্মসূচি রয়েছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরেও শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে দলটি।</p><p>১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের স্মরণে বিএনপি দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">da63-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 09:34:53 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজ ৬ ঘণ্টা টোলমুক্ত থাকবে এক্সপ্রেসওয়ে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/74787/8b71-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ ৭ নভেম্বর শনিবার ছয় ঘণ্টার জন্য ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে টোল নেওয়া হবে না। অর্থাৎ, এ সময় বিনা মূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন চালকেরা। আজ ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ সুবিধা কার্যকর থাকবে।</p><p>গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী সব যানবাহনের জন্য নির্ধারিত ছয় ঘণ্টার টোলমুক্ত সুবিধা কার্যকর থাকবে। ফলে ওই দিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারীদের কোনো টোল পরিশোধ করতে হবে না।</p><p>এর আগে গত বছর ২৫ ডিসেম্বর চার ঘণ্টার জন্য টোলমুক্ত রাখা হয়েছিল ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। ওই দিন প্রায় দেড় যুগ পর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর দেশে ফেরা উপলক্ষে গণসংবর্ধনার আয়োজন করেছিল বিএনপি। এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে টোল প্লাজা ক্ষতিগ্রস্ত হলে কিছুদিন টোল ছাড়াই যানবাহন চলাচল করে।</p><p>সরকারি-বেসরকারি যৌথ বিনিয়োগে (পিপিপি) নির্মিত হচ্ছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এই এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ চালু করা হয়। বর্তমানে রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে কাওলা থেকে এফডিসি পর্যন্ত অংশে যান চলাচল করছে। এই এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের জন্য সাধারণত টোল দিতে হয়।</p><p>যানবাহনের শ্রেণিভেদে টোলের হার ভিন্ন। কার, ট্যাক্সি, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল, মাইক্রোবাস (১৬ আসনের কম) এবং হালকা ট্রাক (৩ টনের কম) চলাচলে টোল ৮০ টাকা। মাঝারি ট্রাকের (৬ চাকা পর্যন্ত) টোল ৩২০ টাকা। ছয় চাকার বেশি ট্রাকের টোল ৪০০ টাকা। আর ১৬ আসন বা তার বেশি আসনের সব ধরনের বাসের টোল ১৬০ টাকা। এই এক্সপ্রেসওয়েতে রিকশা, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ।</p><p>ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। এটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে কাওলা থেকে রেললাইন ধরে তেজগাঁও, মগবাজার ও কমলাপুর হয়ে যাত্রাবাড়ীর কাছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালীতে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা। তবে এখনো পুরো পথের নির্মাণকাজ শেষ হয়নি।</p><p>ঢাকা উড়ালসড়ক প্রকল্পটি দুটি ভাগে বিভক্ত—মূল নির্মাণকাজ ও সহযোগী কাজ। মূল নির্মাণকাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা সরকার ব্যয় করছে। বাকি অর্থ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ব্যয় করছে।</p><p>এ ছাড়া জমি অধিগ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও পরামর্শকদের পেছনে ব্যয়ের জন্য আলাদা একটি প্রকল্প রয়েছে। এর পুরো অর্থই ব্যয় করছে সরকার। বর্তমানে এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে দুটি প্রকল্পে ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকা।</p><p>২০০৯ সালে প্রকল্পটি নেওয়া হয়। ২০১১ সালে নির্মাণের চুক্তি হয়। নির্মাণের জন্য সময় ধরা হয়েছিল সাড়ে তিন বছর। তবে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করা যায়নি।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">8b71-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 09:17:23 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সৌদিতে সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে তুরস্ক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74786/46cf-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে গঠিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে তুরস্কের পার্লামেন্ট। ৬ নভেম্বর শুক্রবার এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিলটি পাস হয়। এর মধ্য দিয়ে সৌদি আরবে তুরস্কের সেনা মোতায়েনের পথ আরও এক ধাপ এগোল।</p><p>সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিলে তুরস্কের ২৭৯ জন সংসদ সদস্য পক্ষে ভোট দেন। অন্যদিকে, ১১৯ জন সংসদ সদস্য ভোটদানে বিরত থাকেন।</p><p>তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ক্ষমতাসীন একে পার্টি ও তাদের জোটের সদস্যরা বিলটির পক্ষে ভোট দেন। এ ছাড়া বিরোধী দলও এতে সমর্থন জানায়।</p><p>আগামী সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বিলটি গেজেট আকারে প্রকাশ করবেন। সেদিন থেকেই এটি কার্যকর হবে।</p><p>মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তিনটি দেশ একে অপরের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চুক্তি অনুযায়ী, কোনো একটি দেশ সশস্ত্র হামলার শিকার হলে অন্য দেশগুলো সহায়তায় এগিয়ে আসবে।</p><p>গত আগস্টে পবিত্র নগরী মক্কায় সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান সশরীরে উপস্থিত থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p><p>তুরস্কের পার্লামেন্টে বিলটি পাস হলো এমন এক সময়ে, যখন সৌদি আরব ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের প্রায় প্রতিদিনের হামলার মুখে রয়েছে।</p><p>চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সুরক্ষা দিতে দেশটিতে তুরস্কের সেনারা মোতায়েন হতে পারেন। তবে তাঁরা সরাসরি ইয়েমেনে প্রবেশ করে স্থল হামলায় অংশ নেবেন না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এর পরিবর্তে সৌদি আরবে অবস্থান করে দেশটির ভূখণ্ড রক্ষায় দায়িত্ব পালন করতে পারেন তাঁরা।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">46cf-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 09:10:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নির্বাচনে হারের পরও কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প, চিফ অব স্টাফ করলেন মিলারকে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/74785/35a0-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ পদে নিজের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী স্টিফেন মিলারকে নিয়োগ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় ৬ নভেম্বর শুক্রবার এ ঘোষণা দেন তিনি। আগামী ৯ নভেম্বর সোমবার থেকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন মিলার। তিনি সুসি ওয়াইলসের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। খবর রয়টার্সের।</p><p>অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতির অন্যতম রূপকার হিসেবে পরিচিত ৪১ বছর বয়সী মিলার। মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর একাধিক তদন্তের চাপ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মিলারকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলো।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প মিলারকে তাঁর ‘সবচেয়ে বিশ্বস্ত উপদেষ্টাদের একজন’ বলে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মিলারের নিয়োগের মাধ্যমে ট্রাম্পের নীতিতে পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না। বরং বিশ্বস্ত সহযোগীদের পুরস্কৃত করছেন তিনি।</p><p>মিলারের নিয়োগকে আরও সংঘাতপূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থানের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তা। বিশেষ করে অভিবাসন নীতি ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকতে পারে।</p><p>২০২৫ সালে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে তিনি ডেপুটি চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে অভ্যন্তরীণ নীতিনির্ধারণে তাঁর প্রভাব ছিল ব্যাপক।</p><p>ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অন্যতম পরিকল্পনাকারী মিলার। প্রতিদিন ৩ হাজার অভিবাসীকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন তিনি। এ লক্ষ্য পূরণে দেশজুড়ে অভিযান চালান অভিবাসন কর্মকর্তারা। এসব অভিযানে অপরাধের রেকর্ড নেই—এমন ব্যক্তিদের পাশাপাশি কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা মানুষও গ্রেপ্তার হন।</p><p>তবে এই অভিযানের প্রতি জনসমর্থন কম। রয়টার্স ও ইপসোসের জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৬ শতাংশ মার্কিন নাগরিক এ অভিযানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, বিরোধিতা করেছেন ৫৪ শতাংশ।</p><p>ডেমোক্র্যাট নেতা রবার্ট গার্সিয়া জানিয়েছেন, মিলারের অভিবাসন নীতি নিয়ে তদন্তের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। এ ছাড়া সরকারি প্রশাসন পুনর্গঠন, হাজারো সরকারি কর্মী ছাঁটাই এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরোধের ক্ষেত্রেও ভূমিকা ছিল মিলারের।</p><p>পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রেও ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের সমর্থক মিলার। ক্যারিবীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মাদক পাচারের সন্দেহে নৌযান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণঘাতী হামলার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তিনি।</p><p>ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলারও সমর্থন করেছেন মিলার। তেহরানের ওপর নৌ অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপের পক্ষেও কথা বলেছেন তিনি। তবে ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাবের কারণে নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর এ বিষয়ে তাঁর অবস্থান বদলেছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।</p><p>সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের চিফ অব স্টাফ মার্ক শর্টের মতে, মিলার ট্রাম্পের প্রতি অত্যন্ত অনুগত। অভিবাসন নীতি ও কংগ্রেসের তদন্তের মতো বিষয়ে তিনি ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে লড়াই করতে প্রস্তুত থাকবেন। তাঁর নিয়োগের ফলে দ্বিদলীয় সমঝোতার সম্ভাবনা কম বলে মনে করেন শর্ট।</p><p>চিফ অব স্টাফ হিসেবে সুসি ওয়াইলসের বিদায়ের মধ্য দিয়ে হোয়াইট হাউসে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানান তিনি। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওয়াইলস ট্রাম্পের রাজনৈতিক কার্যক্রমে যুক্ত হবেন।</p><p>৬৯ বছর বয়সী ওয়াইলস হোয়াইট হাউসের প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ ছিলেন। ট্রাম্পের আগের সহযোগীদের তুলনায় তিনি প্রশাসনের কার্যক্রমে বেশি শৃঙ্খলা বজায় রেখেছিলেন বলে মনে করা হয়।</p><p>চিফ অব স্টাফ সাধারণত প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠতম প্রশাসনিক সহযোগী। হোয়াইট হাউসের কর্মীদের পরিচালনা, প্রেসিডেন্টের সময়সূচি নির্ধারণ এবং সরকারি বিভাগ ও আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।</p><p>ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত চারজন চিফ অব স্টাফ দায়িত্ব পালন করেন। এবার মিলারের নিয়োগের মধ্য দিয়ে নির্বাচনে পরাজয়ের পর প্রশাসনে নতুন করে ক্ষমতার সমীকরণ তৈরি হচ্ছে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">35a0-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 09:04:37 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ঢাকার আবহাওয়া আজ যেমন থাকতে পারে]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Weather/74784/84bc-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: &nbsp;</strong>রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আগামী ছয় ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ ৭ নভেম্বর শনিবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়।</p><p>পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ে আকাশ পরিষ্কার থাকতে পারে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এ ছাড়া দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।</p><p>আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৪ শতাংশ। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।</p><p>গতকাল শুক্রবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">84bc-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 08:56:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজকের খেলা (৭ নভেম্বর ২০২৬)]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/74783/ee56-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক:</strong> সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এ ছাড়া অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ক্রিকেটের পাশাপাশি আজ রয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, স্প্যানিশ লা লিগা ও ফ্রেঞ্চ লিগ আঁর বেশ কয়েকটি ম্যাচ।</p><p><strong>ক্রিকেট</strong></p><p>সিলেট টেস্ট: তৃতীয় দিন<br>বাংলাদেশ–ওয়েস্ট ইন্ডিজ<br>সরাসরি, সকাল ৯টা ৩০ মিনিট<br>টি স্পোর্টস ও ট্যাপম্যাড</p><p>জাতীয় ক্রিকেট লিগ<br>সিলেট–রাজশাহী<br>ময়মনসিংহ–বরিশাল<br>ঢাকা–খুলনা<br>রংপুর–চট্টগ্রাম<br>সরাসরি, সকাল ৯টা ৩০ মিনিট<br>বিসিবি ইউটিউব</p><p>অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেট<br>বাংলাদেশ–শ্রীলঙ্কা<br>সরাসরি, বেলা ১১টা<br>সনি স্পোর্টস ২</p><p>দ্বিতীয় ওয়ানডে<br>নিউজিল্যান্ড–ভারত<br>সরাসরি, সকাল ৮টা<br>সনি স্পোর্টস ১ ও ২</p><p>শারজা টেস্ট: তৃতীয় দিন<br>জিম্বাবুয়ে–আফগানিস্তান<br>সরাসরি, দুপুর ১২টা<br>ট্যাপম্যাড</p><p><strong>ফুটবল</strong></p><p>ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ</p><p>লিডস–টটেনহাম<br>সরাসরি, সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট</p><p>আর্সেনাল–হাল সিটি<br>সরাসরি, রাত ৯টা</p><p>নটিংহাম–ম্যানচেস্টার সিটি<br>সরাসরি, রাত ১১টা ৩০ মিনিট<br>স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১</p><p><strong>লা লিগা</strong></p><p>মালাগা–রেসিং<br>সরাসরি, সন্ধ্যা ৭টা</p><p>এস্পানিওল–দেপোর্তিভো<br>সরাসরি, রাত ৯টা ১৫ মিনিট</p><p>ওসাসুনা–বিলবাও<br>সরাসরি, রাত ১১টা ৩০ মিনিট</p><p>ভ্যালেন্সিয়া–রিয়াল মাদ্রিদ<br>সরাসরি, রাত ২টা<br>টি স্পোর্টস</p><p><strong>ফ্রেঞ্চ লিগ আঁ</strong></p><p>পিএসজি–ত্রয়া<br>সরাসরি, রাত ২টা ৫ মিনিট<br>স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ee56-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 08:47:57 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজকের রাশিফল (৭ নভেম্বর ২০২৬)]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/others/74782/f84c-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: আজ শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬। চাঁদ কন্যা ও তুলা রাশিতে গোচর করবে। পঞ্জিকা অনুসারে, আজ সকাল ১০টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত থাকবে কার্তিক কৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথি। এরপর শুরু হবে কার্তিক কৃষ্ণা চতুর্দশী তিথি। পাশাপাশি আজ থাকবে প্রীতি যোগ ও আয়ুষ্মান যোগের প্রভাব। জ্যোতিষমতে, শনিবার গ্রহরাজ শনির দিন। জেনে নিন মেষ থেকে মীন—১২ রাশির আজকের ভাগ্য।</p><p><strong>মেষ রাশি</strong></p><p>মেষ রাশির জাতকরা কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাবেন। ভেবেচিন্তে কাজ করুন, তা না হলে শত্রুরা আপনার ক্ষতি করতে পারে। কোনো ঝুঁকি নেবেন না। ব্যবসায়ীরা পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে লাভবান হতে পারেন। ভাইয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দিতে পারে। সন্ধ্যায় পরিবারের ছোট সদস্যদের সঙ্গে হাসি-আনন্দে সময় কাটবে।</p><p><strong>বৃষ রাশি</strong></p><p>বৃষ রাশির জাতকদের উন্নতি দেখে মনে আনন্দ থাকবে। সংসারে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে। ব্যবসায়ীরা সময়ের সদ্ব্যবহার করে নতুন জ্ঞান অর্জন করবেন। সম্পত্তি কেনার ইচ্ছা থাকলে সব দলিলপত্র ভালোভাবে পড়ে নেবেন। সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন।</p><p><strong>মিথুন রাশি</strong></p><p>মিথুন রাশির জাতকরা পরিবারের কোনো সদস্যকে নিয়ে ব্যস্ততা ও অপ্রয়োজনীয় দুশ্চিন্তায় থাকতে পারেন। জীবনসঙ্গীকে ঘুরতে নিয়ে যেতে পারেন। ব্যবসায় নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার আপনাকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। আর্থিক পরিস্থিতি মোটামুটি থাকবে। ছোটখাটো লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। কারও সাহায্য নিতে চাইবেন না। সন্তানের চাকরি চূড়ান্ত হতে পারে।</p><p><strong>কর্কট রাশি</strong></p><p>কর্কট রাশির জাতকদের আইনি মামলায় সাফল্যের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হতে পারে। আত্মীয়দের সহায়তায় দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করবেন। সন্তানের উন্নতিতে আনন্দিত হবেন। আজ অর্থলাভের সম্ভাবনা রয়েছে। দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে অর্থ ব্যয় হবে। নিজের কথাবার্তার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখুন।</p><p><strong>সিংহ রাশি</strong></p><p>সিংহ রাশির জাতকরা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। পরিবারে কলহের আশঙ্কা রয়েছে। তবে পরিবারের বয়স্ক সদস্যরা পরিস্থিতি সামলে নিতে পারবেন। ছাত্রছাত্রীদের চিন্তাভাবনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। স্বাস্থ্যের ওঠানামা হতে পারে। অর্থ বিনিয়োগ এড়িয়ে চলুন, অন্যথায় ভবিষ্যতে লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে।</p><p><strong>কন্যা রাশি</strong></p><p>কন্যা রাশির জাতকদের আপাতত চাকরি পরিবর্তনের চেষ্টা না করাই ভালো। বর্তমান কর্মস্থলেই থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিদেশে পড়াশোনা করছেন—এমন শিক্ষার্থীদের জন্য সময়টি অনুকূল। পৈতৃক সম্পত্তিসংক্রান্ত কাজ আপাতত স্থগিত রাখুন, অন্যথায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। বাড়ির সুখ-সুবিধার জন্য অর্থ ব্যয় করবেন।</p><p><strong>তুলা রাশি</strong></p><p>তুলা রাশির যেসব জাতক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের প্রভাব বাড়তে পারে। আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ হবে। সন্ধ্যায় সুসংবাদ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সহায়তায় আটকে থাকা কাজ আবার শুরু করতে পারবেন। ছাত্রছাত্রীরা পরিশ্রম করলে ভালো ফল পাবেন। পরিবার ও কর্মক্ষেত্রে কোনো সমস্যা চলতে থাকলে তার সমাধান হতে পারে।</p><p><strong>বৃশ্চিক রাশি</strong></p><p>বৃশ্চিক রাশির জাতকরা কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ পাবেন। কোনো বিশেষজ্ঞের পরামর্শে লাভবান হতে পারেন। মায়ের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল থাকুন। অর্থসংকটের কারণে পারিবারিক প্রয়োজন মেটাতে সমস্যা হতে পারে। বিদেশে বসবাসকারী আত্মীয়দের কাছ থেকে সুসংবাদ পেতে পারেন।</p><p><strong>ধনু রাশি</strong></p><p>ধনু রাশির জাতকদের আকস্মিক অর্থলাভের সম্ভাবনা রয়েছে। পৈতৃক সম্পত্তিও পেতে পারেন। শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্কে তিক্ততা তৈরি হতে পারে। তবে জীবনসঙ্গীকে পাশে পাবেন। অনৈতিক কাজ থেকে দূরে থাকুন, অন্যথায় সম্মানহানির আশঙ্কা রয়েছে। প্রেমের সম্পর্কে নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে।</p><p><strong>মকর রাশি</strong></p><p>মকর রাশির জাতকদের ব্যবসায় উন্নতির পথ প্রশস্ত হবে। পরিবারের ছোট সদস্যদের সঙ্গে ভালো সময় কাটবে। মানসিক শান্তি অনুভব করবেন। সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ কমলেও সম্মান বাড়বে। পারিবারিক সম্পত্তি লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। কারও কাছে টাকা পাওনা থাকলে তা ফেরত পেতে পারেন।</p><p><strong>কুম্ভ রাশি</strong></p><p>কুম্ভ রাশির ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষাসংক্রান্ত আর্থিক সমস্যা থাকলে তা আজ মিটে যেতে পারে। পছন্দের মানুষের কাছ থেকে বিয়ের প্রস্তাব পেতে পারেন। ব্যবসায়ীদের লাভ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দাম্পত্য জীবন সুখের হবে। জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।</p><p><strong>মীন রাশি</strong></p><p>মীন রাশির জাতকদের ব্যবসায়িক বাধা দূর হতে পারে। সামাজিক জীবনে মান-সম্মান অর্জন করবেন। বিভিন্ন মহলে আপনার পরিচিতি বাড়বে। পরিবারে শুভ অনুষ্ঠানের আয়োজন হতে পারে। সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটবে। বিনোদনে অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ কাজ ব্যাহত হতে পারে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f84c-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 08:43:36 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজকের নামাজের সময়সূচি (৭ নভেম্বর ২০২৬)]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/religion/74781/4ed7-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> আজ ৭ নভেম্বর শনিবার। ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশন প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ফজর, জোহর, আসর, মাগরিব ও এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু, আজান ও জামাতের সময় নিচে তুলে ধরা হলো।</p><p>ফজর<br>ওয়াক্ত শুরু হয়েছিল: ভোর ৪টা ৫০ মিনিট<br>আজান: ভোর ৪টা ৫৫ মিনিট<br>জামাত: ভোর ৫টা ৩০ মিনিট</p><p>জোহর<br>ওয়াক্ত শুরু: সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট<br>আজান: দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট<br>জামাত: দুপুর ১টা ১৫ মিনিট</p><p>আসর<br>ওয়াক্ত শুরু: বিকেল ৩টা ৪২ মিনিট<br>আজান: বিকেল ৪টা<br>জামাত: বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট</p><p>মাগরিব<br>ওয়াক্ত শুরু: বিকেল ৫টা ২২ মিনিট<br>আজান: বিকেল ৫টা ২৩ মিনিট<br>জামাত: বিকেল ৫টা ২৮ মিনিট</p><p>এশা<br>ওয়াক্ত শুরু: সন্ধ্যা ৬টা ৩৭ মিনিট<br>আজান: সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিট<br>জামাত: সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট</p><p>এদিকে আগামীকাল রোববার সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৮ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4ed7-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 08:24:25 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আজ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74780/87a4-20261107]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> আজ ৭ নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সংঘটিত সিপাহি-জনতার বিপ্লবের স্মরণে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে সরকার, রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।</p><p>দিবসটি উপলক্ষে আজ শনিবার দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব দূতাবাস ও মিশনেও। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে বলে সংশ্লিষ্ট পরিপত্রে জানানো হয়েছে। খবর বাসসের।</p><p>মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ দেশে সাধারণ ছুটি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনসংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকায় দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এ ছুটির আওতায় থাকবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের সব তফশিলি ব্যাংকও বন্ধ থাকবে।</p><p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। সংগঠনটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।</p><p><strong>বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা</strong></p><p>দিবসটি উপলক্ষে আজ রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মঞ্চ নির্মাণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।</p><p>গত ৬ নভেম্বর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনী বক্তব্যের পর শোভাযাত্রা শুরু হবে।</p><p>তিনি বলেন, ‘র‌্যালিটি নয়া পল্টন থেকে কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাস ভবনের সামনে দিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় হয়ে বাংলামোটর, ফার্মগেইট হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।’</p><p>‘র‌্যালির আগে সকাল সাড়ে ৮টায় শেরে বাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রীসহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।’</p><p>ঢাকার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির বাইরে দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করবে বলে জানান রিজভী। শোভাযাত্রা সফল করতে বিএনপি মহানগর উত্তর, দক্ষিণ ও অঙ্গসংগঠনগুলো ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বলেও জানান তিনি।</p><p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইতোমধ্যে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দিয়েছেন।</p><p><strong>রাষ্ট্রপতির বাণী</strong></p><p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p><p>তিনি বলেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ৭ই নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্নীতি, বৈষম্য ও সব ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটাতে হবে।</p><p>রাষ্ট্রপতি বলেন, ৭ নভেম্বরের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দেশ ও জনগণের স্বার্থে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে রাষ্ট্র। জাতীয় স্বার্থ, সাম্য, ন্যায্যতা ও গণতন্ত্রচর্চা পাবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।</p><p>‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে দেশের সব নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি। একই সঙ্গে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার যুগান্তকারী বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী সব বীর সেনানী ও দেশপ্রেমিক জনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি।</p><p>বাণীতে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনে এক অবিস্মরণীয় দিন, দেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। তাঁবেদারি অপশাসন, দুর্নীতি, নৈরাজ্য ও আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্রের সেই কঠিন সময়ে ঐক্যবদ্ধ সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশ তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরে পায়। সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়। স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন। জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে তাঁর ওপর রাষ্ট্র পরিচালনা ও জাতীয় সংকট উত্তরণের গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়। জাতির এই ক্রান্তিকালে তাঁর ভূমিকা ছিল ত্রাতার।</p><p>সিপাহি ও জনতার এই সংহতি ছিল স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত এক অভূতপূর্ব জাগরণ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সর্বদা সংহতি ও ঐক্য প্রকাশ করেছে। সেই একই চেতনা পুনর্জাগরিত হয় ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে। এসময় ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষ, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণের সুদৃঢ় ঐক্যে দীর্ঘ ষোলো বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার বিপর্যয় থেকে আবারও রক্ষা পায় প্রিয় স্বদেশ।</p><p><strong>প্রধানমন্ত্রীর বাণী</strong></p><p>দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল।</p><p>তিনি বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল এবং দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস ও সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।’</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক দিনটি ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।’</p><p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্ম ও মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনায় একটি প্রবাদবাক্য প্রণিধানযোগ্য—‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ’। তাই সারাবেলা ইতিহাসচর্চায় মশগুল থাকা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল।</p><p>তারেক রহমান বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করেছিল। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজারো শহিদের আত্মত্যাগ এবং বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর অবশেষে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় রাজপথে নেমে এসেছিল, একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।</p><p>ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে কিংবা দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।</p><p><strong>সরকারের নানা কর্মসূচি</strong></p><p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনে সরকার দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।</p><p>গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে দেশের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ জাতীয় পতাকায় সজ্জিত করা হবে।</p><p>জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় দেশের সব মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশু পরিবার, শিশুসদন, কিশোর সংশোধন কেন্দ্র, শান্তি নিবাস ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানে সুবিধাজনক সময়ে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। এ ছাড়া সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় দেশের সব শিশু পার্ক দিনব্যাপী বিনা টিকিটে শিশুদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।</p><p>নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ আলোচনা ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।</p><p>তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য-সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতারে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার এবং সিনেমা হল ও ভ্যানযোগে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হবে।</p><p>বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দেশাত্মবোধক গানের আসর, সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা এবং জেলা সদর ও উপজেলা পর্যায়ে প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে বিশেষ স্মারক আলোচনা সভারও আয়োজন করা হবে।</p><p>সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ক্যাডেট কোরের তত্ত্বাবধানে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।</p><p>এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, কোস্ট গার্ড, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, এনটিএমসি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদর দপ্তরগুলোতে মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে।</p><p><strong>ছয় ঘণ্টা টোলমুক্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে</strong></p><p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টার জন্য টোল ছাড়াই ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করতে পারবেন যানবাহন চালকেরা।</p><p>বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, নির্ধারিত ছয় ঘণ্টা ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী সব যানবাহন টোলমুক্ত সুবিধা পাবে।</p><p>এদিকে দিবসটি উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।</p><p><strong>৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য</strong></p><p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস প্রসঙ্গে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ নভেম্বর এক ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনটিতে দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার মিলিত এক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। ওই মহান বিপ্লবে আধিপত্যবাদী শক্তির সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়ে গিয়েছিল। সুসংহত হয়েছিল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। ফলে ৭ নভেম্বরের দিনটি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে জাতির ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে আছে।</p><p>তিনি বলেন, পঁচাত্তরের পটপরিবর্তনের পর ৩, ৪ ও ৫ নভেম্বর বাংলাদেশ ছিল কার্যত সরকারবিহীন। এ সময় কুচক্রীরা সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ক্যান্টনমেন্টে তার বাসভবনে বন্দি করে রেখেছিল। কিন্তু ৬ নভেম্বর রাতে সংঘটিত সিপাহি-জনতার বিপ্লবে নস্যাৎ হয়ে যায় সব ষড়যন্ত্র। চার দিন বন্দি থাকার পর মুক্তি পান জিয়া। রেডিওতে ভেসে আসে তার কণ্ঠ-‘আমি জিয়া বলছি’। ভাষণে তিনি দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ এবং কঠোর পরিশ্রম করার আহ্বান জানান। ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানের সংক্ষিপ্ত, আবেগপূর্ণ এবং সময়োচিত ভাষণ দেশের জনগণকে উদ্দীপ্ত করে।</p><p>বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট মারুফ কামাল খান বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিনটি ছিলো ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর। সিপাহী-জনতার বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে এই তারিখটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসে উজ্জ্বল ও ভাস্মর হয়ে আছে।</p><p>বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট গাজীউল হাসান খান বলেন, ১৯৭৫ সালের &nbsp;৭ নভেম্বর সেনা অধিনায়ক ও মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের জীবন ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির ইতিহাসে ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট। ৭ নভেম্বর সংগঠিত সিপাহি-জনতার বিপ্লবই আমাদের মহান স্বাধীনতার ঘোষক এবং মুক্তিযুদ্ধের অগ্রনায়ক জিয়াউর রহমানকে দেশের রাজনীতিতে টেনে এনেছিল, &nbsp;এক কঠিন সময়ে তাঁকে জাতির মহান কাণ্ডারীর ভূমিকায় বসিয়েছিল।</p><p>এটিভি/এসআইআর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">87a4-20261107</guid>
                <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 08:15:10 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চাঁদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আ.লীগ নেতা আটক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/74779/c866-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> চাঁদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের পুরান বাজার এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।</p><p>একই সময়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে আটক ব্যক্তিদের সংখ্যা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p><p>সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফয়েজ আহমেদ জানান, পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে। অভিযানে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযান শেষ হলে বিস্তারিত জানানো হবে।</p><p>এদিকে, আজ দুপুরে শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অবস্থিত ‘৩৬ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তদের এ কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সন্ধ্যায় শহরের বিভিন্ন স্থানে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল বের করেন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ ১১ দলের নেতাকর্মীরা।</p><p>অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিরা নূর জানান, পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদকে আটক করা হয়েছে। অভিযান এখনও চলমান রয়েছে। মোট কতজনকে আটক করা হয়েছে, তা পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c866-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 22:56:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আদাবর থানার সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/74778/f331-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> রাজধানীর আদাবর থানার সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সেকেন্ড ইন কমান্ড (টুআইসি) ফজলুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।</p><p>তিনি জানান, রাত ৯টা ৫ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা ককটেল দুটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।</p><p>তবে, এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। কারা কী উদ্দেশ্যে ককটেল নিক্ষেপ করেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f331-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 22:40:09 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[এনবিএ’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন এশিয়ান টিভির প্রেজেন্টার রূপা নূর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/mass-media/74777/0326-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>বেসরকারি টেলিভিশন ও রেডিওর সংবাদ উপস্থাপকদের সংগঠন নিউজ ব্রডকাস্টার্স অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (এনবিএ)-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে<strong> </strong>সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এশিয়ান টেলিভিশনের সিনিয়র প্রেজেন্টার রূপা নূর।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের সাবেক ও বর্তমান সংবাদ উপস্থাপকেরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।</p><p>নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোহনা টেলিভিশনের সিনিয়র প্রেজেন্টার জাভেদ কারদার। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন এনটিভির রাইসুল হক চৌধুরী। নির্বাচনে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হয়েছেন জিটিভির শারমিন ইফখাত শামস। ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন চ্যানেল ওয়ানের আশিকুর রহমান তমাল।</p><p>সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন ইটিভির সাবেক সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার মুজাহিদুল ইসলাম শিব্বির। এ ছাড়া কোষাধ্যক্ষ পদে চ্যানেল নাইনের সিনিয়র প্রেজেন্টার সাদওয়াত সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এটিএন নিউজের সিনিয়র প্রেজেন্টার বাবলী ইয়াসমিন, দপ্তর সম্পাদক পদে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের সিনিয়র প্রেজেন্টার মামুন উর রশীদ নির্বাচিত হয়েছেন।</p><p>মিডিয়া, কমিউনিকেশন ও আইটি সম্পাদক পদে চ্যানেল আইয়ের প্রেজেন্টার সামীর হোসেন, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও আইন সম্পাদক পদে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের প্রেজেন্টার আতিকুর রহমান আতিক এবং স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মাই টিভির প্রেজেন্টার হাফিজ খন্দকার নির্বাচিত হয়েছেন।</p><p>সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে আরটিভির সিনিয়র প্রেজেন্টার পারভীন মিতু নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন জিটিভির সাবেক প্রেজেন্টার সাঈদা আহমেদ ও আরটিভির সিনিয়র প্রেজেন্টার ফারজানা তানি।<br>পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন মিডিয়াব্যক্তিত্ব কাউসার মাহমুদ। কমিশনের অন্য সদস্যরা ছিলেন একুশে টেলিভিশনের সাবেক সিনিয়র সংবাদ উপস্থাপক তাহজিন রহমান, বৈশাখী টেলিভিশনের সিনিয়র সংবাদ উপস্থাপক লতিফুল মতিন মিঠু, বৈশাখী টেলিভিশনের সাবেক সিনিয়র সংবাদ উপস্থাপক লাবণ্য হাসান এবং চ্যানেল আইয়ের সিনিয়র সংবাদ উপস্থাপক আহমেদ মেহেদী হাসান।</p><p>উল্লেখ্য, ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করে নিউজ ব্রডকাস্টার্স অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (এনবিএ)। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংবাদ উপস্থাপকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মশালা আয়োজনের পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে সংগঠনটি। এ ছাড়া শিশু, বন্যাদুর্গত ও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সহায়তায়ও বিভিন্ন সময়ে কাজ করেছে এনবিএ।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">0326-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 22:14:31 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গাছ বাঁচাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, অর্ধশতাধিক গাছ থেকে সরানো হলো পেরেক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/others/74776/de49-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> রাজধানীতে গাছের সুরক্ষা ও পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘রান ফর গ্রীন বাংলাদেশ’। সংগঠনটির চলমান কর্মসূচি ‘প্রজেক্ট ট্রি কেয়ার’-এর আওতায় আগারগাঁও থেকে নির্বাচন অফিস পর্যন্ত সড়কের অর্ধশতাধিক গাছ থেকে এক কেজির বেশি লোহার পেরেক অপসারণ করা হয়েছে।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনটির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবীরা অংশ নেন।</p><p>গাছে ব্যানার, পোস্টার ও বিজ্ঞাপন লাগানোর জন্য বিভিন্ন সময় গাছের গায়ে পেরেক ঠুকে দেওয়া হয়। এতে গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদে গাছের স্বাস্থ্য ও জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে। গাছের প্রতি মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ ধরনের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে গাছকে রক্ষা করাই ‘প্রজেক্ট ট্রি কেয়ার’-এর মূল লক্ষ্য।</p><p>কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রান ফর গ্রীন বাংলাদেশের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোশারেফ হোসেন আবির, নির্বাহী কমিটির সদস্য কাউছার হামিমসহ সংগঠনের অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী।</p><p>সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার নিয়মিতভাবে ‘প্রজেক্ট ট্রি কেয়ার’ পরিচালনা করা হবে। পর্যায়ক্রমে নগরীর বিভিন্ন এলাকার গাছ থেকে পেরেক অপসারণের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হবে।</p><p>রান ফর গ্রীন বাংলাদেশের মতে, পরিবেশ রক্ষায় শুধু নতুন গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, বিদ্যমান গাছগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই সংগঠনটির এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।</p><p>সংগঠনটির পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে, গাছের গায়ে পেরেক ঠুকে নয়, বরং গাছকে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ দিতে হবে। গাছ বাঁচলে পরিবেশ বাঁচবে, সুরক্ষিত থাকবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">de49-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 21:37:40 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গাছ বাঁচাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, অর্ধশতাধিক গাছ থেকে সরানো হলো পেরেক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/dhaka/74776/de49-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> রাজধানীতে গাছের সুরক্ষা ও পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘রান ফর গ্রীন বাংলাদেশ’। সংগঠনটির চলমান কর্মসূচি ‘প্রজেক্ট ট্রি কেয়ার’-এর আওতায় আগারগাঁও থেকে নির্বাচন অফিস পর্যন্ত সড়কের অর্ধশতাধিক গাছ থেকে এক কেজির বেশি লোহার পেরেক অপসারণ করা হয়েছে।</p><p>৬ নভেম্বর শুক্রবার আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনটির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবীরা অংশ নেন।</p><p>গাছে ব্যানার, পোস্টার ও বিজ্ঞাপন লাগানোর জন্য বিভিন্ন সময় গাছের গায়ে পেরেক ঠুকে দেওয়া হয়। এতে গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদে গাছের স্বাস্থ্য ও জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে। গাছের প্রতি মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ ধরনের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে গাছকে রক্ষা করাই ‘প্রজেক্ট ট্রি কেয়ার’-এর মূল লক্ষ্য।</p><p>কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রান ফর গ্রীন বাংলাদেশের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোশারেফ হোসেন আবির, নির্বাহী কমিটির সদস্য কাউছার হামিমসহ সংগঠনের অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী।</p><p>সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার নিয়মিতভাবে ‘প্রজেক্ট ট্রি কেয়ার’ পরিচালনা করা হবে। পর্যায়ক্রমে নগরীর বিভিন্ন এলাকার গাছ থেকে পেরেক অপসারণের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হবে।</p><p>রান ফর গ্রীন বাংলাদেশের মতে, পরিবেশ রক্ষায় শুধু নতুন গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, বিদ্যমান গাছগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই সংগঠনটির এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।</p><p>সংগঠনটির পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে, গাছের গায়ে পেরেক ঠুকে নয়, বরং গাছকে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ দিতে হবে। গাছ বাঁচলে পরিবেশ বাঁচবে, সুরক্ষিত থাকবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">de49-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 21:37:40 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নতুন দায়িত্বে শিক্ষামন্ত্রীসহ ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/74775/fca2-20261106]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পুনর্মূল্যায়নে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছয় সদস্যের এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে।</p><p>সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ-সংক্রান্ত সরকারি গেজেটও প্রকাশ করা হয়েছে।</p><p>কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।</p><p>প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের প্রচলিত বেতন কাঠামোয় থাকা বিভিন্ন অসংগতি এবং এ নিয়ে ওঠা অভিযোগ পর্যালোচনা করবে কমিটি। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সুপারিশ সরকারের কাছে তুলে ধরবে তারা।</p><p>এছাড়া সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন গ্রেডের উন্নীতকরণ ও অবনমন এবং বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে সামঞ্জস্য আনার বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হবে। নতুন করে ঝুঁকিভাতা ও অন্যান্য ভাতা চালুর সুযোগ রয়েছে কি না, তা-ও বিবেচনা করবে কমিটি।</p><p>বর্তমানে সরকারি কর্মচারীরা যেসব ভাতা পাচ্ছেন, সেগুলোর পরিমাণ বাড়ানো বা কমানোর প্রয়োজনীয়তাও যাচাই করা হবে। পর্যালোচনা শেষে এ বিষয়ে সরকারকে সুপারিশ দেবে কমিটি।</p><p>কমিটির কার্যক্রমে সহযোগিতা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বা সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং অর্থ বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা। প্রয়োজনে কমিটিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগও রাখা হয়েছে।</p><p>প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কমিটির দাপ্তরিক ও সাচিবিক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা দেবে অর্থ বিভাগ।</p><p><strong>এটিভি/ এইচকে</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">fca2-20261106</guid>
                <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 20:59:43 +0600</pubDate>
            </item>
        
    </channel>
</rss>
