<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0">
    <channel>
        <title><![CDATA[All news items on https://www.asiantvonline.com/]]></title>
        <link><![CDATA[https://asiantvonline.com/]]></link>
        <description><![CDATA[
            Welcome to https://www.asiantvonline.com/! Stay informed with the latest news, headlines, and updates from around the world.
            Subscribe to our RSS feed now to receive regular updates and never miss a beat.
        ]]></description>

        <image>
            <url>https://asiantvonline.com/logo.png</url>
            <title>Asian Tv Online | এশিয়ান টিভি অনলাইন</title>
            <link>https://asiantvonline.com/</link>
        </image>

        <generator><![CDATA[RSS by https://asiantvonline.com/rss-feed.xml]]></generator>
        <language>en</language>
        <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 14:19:23 +0600</pubDate>

        <copyright><![CDATA[
            Copyright: (C) 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.
        ]]></copyright>

                    <item>
                <title><![CDATA[ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পোস্টাল ভোটে নিবন্ধন ২৮৭ জনের]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72543/e4bb-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পোস্টাল ভোট দিতে মোট ২৮৭ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। নিবন্ধনকারী ভোটারদের মধ্যে ২৯ জন প্রবাসী এবং ২৫৮ জন দেশের অভ্যন্তরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ভোটার।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।</p><p>এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় শেষ হচ্ছে আজ (৪ অক্টোবর) বলে ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।</p><p>ইসির তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর আপিল নিষ্পত্তি করা হবে। এছাড়া ৭ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ৮ অক্টোবর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।</p><p>আগামী ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা এ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>গত ২৯ সেপ্টেম্বর জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈধ মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।</p><p>বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি মনোনীত ওবায়দুল্লাহ মাসুদ ও মির্জা ফয়সল আমীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দেলওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।</p><p>ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৭ হাজার ২০৩ জন। তবে সম্প্রতি নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে এ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ১৫ হাজার ৫২৫ জনে।</p><p>উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e4bb-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 14:17:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চাঁপাইনবাবগঞ্জে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/72542/d5ad-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:</strong> চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে পারিবারিক কলহের জেরে নিজ বাড়িতে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে আয়েশা বেগম (৩৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়নের ধরমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আয়েশা বেগম ওই গ্রামের বাবুল হোসেনের স্ত্রী।</p><p>স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে সৎ ছেলে আশিকুর রহমান তার সৎ মাকে চাকু দিয়ে পেটে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় আয়েশা বেগমকে উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মহিন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><p>স্থানীয়রা আরো জানান, এর আগেও আশিকুর রহমান বিভিন্ন সময় তার সৎ মাকে গালিগালাজ ও মারধর করতেন। ঘটনার পেছনে আশিকুর রহমানের নিজের মায়ের প্ররোচনা থাকতে পারে বলেও স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন। তবে এ বিষয়ে পুলিশের তদন্তে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত হবে।</p><p>ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d5ad-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 14:12:26 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আমরা আধিপত্য চাই না, সংঘাতও চাই না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/72541/4c12-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>আমরা আধিপত্য চাই না, সংঘাতও চাই না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, আমরা চাই সমতার বন্ধুত্ব, পারস্পরিক সম্মান এবং ন্যায্য প্রতিবেশী সম্পর্ক। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ হওয়া উচিত “বড় ভাই–ছোট ভাই” নয়, দুই সার্বভৌম প্রতিবেশীর সমান মর্যাদার সম্পর্ক।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p><p>পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লেখেন, ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভারতের সামনে নাকি আর কোনো বিকল্প ছিল না। তিনি এটিকে একজন প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের দায়িত্ব হিসেবেও ব্যাখ্যা করেছেন। কিন্তু তার বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সুকৌশলে অনুচ্চারিত থেকে গেল, শুধু শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নয়, গত এক দশকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরিতে ভারতের ভূমিকা নিয়েও কি ভারত কখনো আত্মসমালোচনা করবে?</p><p>এনসিপির এই নেতা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশের জনগণের ওপর যে ভয়াবহ দমন-পীড়ন হয়েছিল, জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের তদন্তে তার একটি ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। জাতিসংঘের হিসাবে, ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হয়ে থাকতে পারেন এবং নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপকভাবে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহার করেছিল।</p><p>শেখ হাসিনার সরকারের সেই শাসনব্যবস্থার সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের প্রশ্ন দীর্ঘদিনের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফলে ভারত যখন আজ শুধু “প্রতিবেশীর দায়িত্ব” বলে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে, তখন বাংলাদেশের মানুষের স্বাভাবিক প্রশ্ন, প্রতিবেশীর দায়িত্ব কি শুধু ক্ষমতাচ্যুত একজন শাসককে আশ্রয় দেওয়া, নাকি প্রতিবেশী দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বকেও সম্মান করা? আরেকটি বাস্তবতা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই, সীমান্ত।</p><p>ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে প্রাণহানি এখনো বন্ধ হয়নি জানিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে ৩৪ জন বাংলাদেশি নিহত হন; ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসেই ২১টি সীমান্ত সহিংসতার ঘটনায় ১০ জন বাংলাদেশি নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। এমনকি ২০২৬ সালে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ভারতের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বাঙালি বাসিন্দাদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগও নথিবদ্ধ করেছে। তাদের হিসাবে, জুনের প্রথম দিক থেকে ২০০-এর বেশি মানুষকে সীমান্তের দিকে ঠেলে দেওয়ার ২১টি প্রচেষ্টা বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষীরা ঠেকিয়েছে।</p><p>তিনি বলেন, অথচ ভারত-বাংলাদেশের নিজেদের সরকারি নথিতেই বলা আছে, সীমান্তে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি একটি উদ্বেগের বিষয় এবং দুই দেশের সীমান্তরক্ষীদের এমন ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে এ ধরনের ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনা যায়। তাহলে প্রশ্ন উঠবেই: প্রতিবেশীর দায়িত্বের কথা যদি বলা হয়, সেই দায়িত্ব সীমান্তে একজন নিরস্ত্র মানুষের জীবন রক্ষার ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য নয় কেন?</p><p>বাংলাদেশ ভারতবিরোধী কোনো রাষ্ট্র হতে চায় না জানিয়ে নাসীরুদ্দীন বলেন, আমরা চাই সমতার ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক, বন্ধুত্ব থাকবে, বাণিজ্য থাকবে, যোগাযোগ থাকবে, সাংস্কৃতিক সম্পর্ক থাকবে; কিন্তু তার ভিত্তি হবে পারস্পরিক সম্মান, সার্বভৌম সমতা এবং ন্যায্য স্বার্থ। ভারতের উচিত বাংলাদেশের জনগণকে কোনো বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক কল্পনার অংশ হিসেবে নয়, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম জাতির জনগণ হিসেবে দেখা। “অখণ্ড ভারত” ধরনের যে কোনো সম্প্রসারণবাদী বা আধিপত্যবাদী রাজনৈতিক কল্পনা বাংলাদেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।</p><p>পোস্টে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিটি দেশের নিজস্ব ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভূখণ্ড ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতি সম্মানই হতে পারে টেকসই প্রতিবেশী সম্পর্কের ভিত্তি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।</p><p>এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের নদীর ন্যায্য হিস্যা, সীমান্তে মানুষের নিরাপত্তা, বাণিজ্যে ভারসাম্য, সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় মানবাধিকার, এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ে অযাচিত প্রভাব, এসব প্রশ্নের সমাধান চাপ দিয়ে নয়, সমতার ভিত্তিতে আলোচনার মাধ্যমেই করতে হবে। গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদও ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা, আর বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নতুন করে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে।ভারতের জন্য সময় এসেছে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বোঝার: বাংলাদেশ কোনো অধীনস্থ ভূখণ্ড নয়, কোনো “পিছনের উঠান” নয় এবং কোনো বৃহত্তর রাষ্ট্রীয় কল্পনার অংশও নয়।</p><p>বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারত যদি সত্যিই প্রতিবেশীর দায়িত্বের কথা বলে, তাহলে সেই দায়িত্বের প্রথম শর্ত হওয়া উচিত, বাংলাদেশের জনগণের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত, জাতীয় মর্যাদা, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ভূখণ্ডের প্রতি পূর্ণ সম্মান।</p><p>সূত্র: ইত্তেফাক</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">4c12-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 14:10:30 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72540/2105-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ঢাকা মহানগরের যানজট নিরসনে অভ্যন্তরীণ বৃত্তাকার সড়ক (ইনার সার্কুলার রিং রোড) নির্মাণকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনায় এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান।</p><p>সভায় প্রধানমন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে সমন্বিতভাবে প্রকল্পের বিদ্যমান পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে দ্রুত তা দূর ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা এবং কাজ শেষ করতে একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রকল্পের কাজে দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করারও নির্দেশ দেন।</p><p>সভায় উপস্থিত ছিলেন- সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2105-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 14:07:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা হওয়া উচিত: রাশেদ খাঁন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/72539/3a49-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে চব্বিশের গণহত্যার মদদদাতা হিসেবেও মামলা হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p><p>পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘গণহত্যার মদদদাতা মেজর আখতারুজ্জামানকে বীর হিসেবে আখ্যায়িত করে জামায়াতের আমির কার্যত গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন’ উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, ‘জামায়াতের আমির গণঅভ্যুত্থানের এক মাসের মাথায় আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন।’</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-10-04a_n17911007887007.jpg"></figure><p>প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী লেখেন, ‘এর মধ্যে দিয়ে তিনি কি গণহত্যার নির্দেশদাতা শেখ হাসিনাকেও ক্ষমা করে দেননি? আজকে যিনি মেজর আখতারুজ্জামানের জন্য কাঁদছেন, ভবিষ্যতে তিনি শেখ হাসিনার জন্যও কাঁদতে পারেন। জামায়াতের রাজনৈতিক চরিত্রই এমন।’</p><p>তিনি বলেন, ‘আমার ধারণা, ৭১-এর গণহত্যার সহযোগী হওয়ার কারণে ২৪-এর গণহত্যা জামায়াতের কাছে একটি ঠুনকো বিষয়! যার একটি উদাহরণ, মেজর আখতারুজ্জামানের জন্য জামায়াতের আমির ও তাদের নেতাকর্মীদের মায়াকান্না।’</p><p>রাশেদ খান আরও লেখেন, ‘মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ২৪-এর গণহত্যার মদদদাতা হিসেবেও মামলা হওয়া উচিত। এ ধরনের মামলা কেউ করলে সেটিকে কিভাবে মোকাবিলা করবে জামায়াত? নাকি জামায়াতে যোগদান করার কারণে মেজর আখতারুজ্জামানের সকল অপরাধ মাফ হয়ে গেছে?’</p><p>সবশেষে রাশেদ খান প্রশ্ন রাখেন, ‘সত্যিই কি জামায়াতে ইসলামী অপরাধীদের পুনর্বাসন কারাখানায় পরিণত হতে চায়?’</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">3a49-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 13:54:36 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বেশি বাঁচে বাংলাদেশিরা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72538/2089-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিকদের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সর্বশেষ বৈশ্বিক স্বাস্থ্য পরিসংখ্যানে এই চিত্র উঠে এসেছে।</p><p>প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু ছিল ৭২ দশমিক ৭ বছর। এর বিপরীতে ভারতের নাগরিকদের গড় আয়ু ৭১ বছর এবং পাকিস্তানের নাগরিকদের ক্ষেত্রে তা ছিল ৬৮ দশমিক ২ বছর। তবে পশ্চিমা উন্নত দেশগুলোর মানুষের বেঁচে থাকার সময়কাল আরও বেশি; যুক্তরাষ্ট্রে গড় আয়ু ৭৮ দশমিক ৫ বছর এবং কানাডায় তা ৮১ দশমিক ৪ বছর।</p><p>তবে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, বেশি বছর বাঁচার অর্থ এই নয় যে মানুষ পুরো সময় সুস্থ জীবনযাপন করছে। রোগমুক্ত বা সম্পূর্ণ সুস্থভাবে বেঁচে থাকার হার বা সূচক এখনো মোট গড় আয়ুর চেয়ে বেশ কম।</p><p>২ অক্টোবর শুক্রবার জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক এই সংস্থা নতুন এই তথ্য প্রকাশ করে।</p><p>করোনা মহামারি শুরুর আগে বৈশ্বিক গড় আয়ু যে পর্যায়ে ছিল, ২০২৩ সালে তা প্রায় পূর্বের অবস্থানে ফিরে এসেছে। ২০১৯ সালে বৈশ্বিক গড় আয়ু ছিল ৭৩ দশমিক ৪ বছর। তবে ২০১৯ সালের শেষে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে চলা তাণ্ডবের কারণে ২০২১ সালে বৈশ্বিক গড় আয়ু কমে ৭১ দশমিক ৫ বছরে নেমে গিয়েছিল। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২০২৩ সালে গড় আয়ু পুনরায় ৭৩ দশমিক ৩ বছরে পৌঁছেছে।</p><p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডেটা বিভাগের প্রধান অ্যালাইন ল্যাবরিক বলেন, “জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে গড় আয়ু বৃদ্ধি নিঃসন্দেহে একটি বড় অর্জন। তবে সামনের দিনে মূল চ্যালেঞ্জ হলো মানুষ যেন শুধু দীর্ঘায়ু না পায়, বরং রোগমুক্ত ও সুস্থ শরীর নিয়ে বেশিদিন বাঁচতে পারে।”</p><p>সূত্র: ইত্তেফাক</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2089-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 13:35:03 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রিমান্ড শেষে আদালতে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/law-courts/72537/2f74-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> একদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়েছে জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে। ৪ অক্টোবর রোববার দুপুরে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তার আইনজীবী আদালতে জামিনের আবেদন করেন।</p><p>এর আগে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সেই রিমান্ড শেষে রোববার তাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।</p><p>মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি স্বপরিবারে মদিনা থেকে ঢাকায় আসেন। তাদের বহনকারী ফ্লাইটটি সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে সকাল ৯টা ৮ মিনিটে ফ্লাইটটি পার্কিং করে।</p><p>এরপর যাত্রীরা বিমানবন্দরের ২১ নম্বর গেট দিয়ে টার্মিনালে প্রবেশ করেন এবং ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। ইমিগ্রেশন শেষে তারা লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় যান।</p><p>অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই সময় বিমানবন্দরে আগমনী যাত্রীর অতিরিক্ত চাপ থাকায় ট্রলি সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাময়িক সংকট দেখা দেয়। ট্রলি সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ লাইন তৈরি হলে কয়েকজন প্রটোকল সহকারী লাইনের নিয়ম ভঙ্গ করে ট্রলি সংগ্রহের চেষ্টা করেন।</p><p>এদিকে লাগেজ আসতে বিলম্ব হওয়া এবং জমজমের পানি না আসাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি উত্তেজিত হয়ে ওঠেন এবং অশোভন আচরণ করতে থাকেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>এ ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><p>এরপর মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিজ বাসভবন থেকে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তাফতার করা হয়। পরদিন শনিবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানালে আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।</p><p>সূত্র: চ্যানেল ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2f74-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 13:29:07 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে মাঠে নামছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72536/9068-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হাসপাতাল পরিদর্শন ও মনিটরিংয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা।</p><p>স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অফিস আদেশে এসব কর্মকর্তাকে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত, জেনারেল, জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া হয়।</p><p>অফিস আদেশ অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট হাসপাতাল এবং বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের হাসপাতাল তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো কর্মকর্তাকে একটি জেলার পাশাপাশি অন্য জেলার হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।</p><p>এতে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের আওতাধীন জেলা, উপজেলা ও হাসপাতালের জনবল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল প্রধানের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।</p><p>তাদের হাসপাতালগুলোর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা নিয়মিত তদারকি করতে হবে। উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য ও প্রতিবেদনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করতে হবে।</p><p>এ ছাড়া জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান কর্মসূচি, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে।</p><p>অফিস আদেশে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি কার্যক্রমসহ জনস্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।</p><p>পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বলা হয়েছে।</p><p>নির্দেশনায় আরও বলা হয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত জেলা, উপজেলা ও হাসপাতাল পরিদর্শন করতে হবে। পরিদর্শনের সময় পাওয়া সমস্যা, পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।</p><p>প্রতিটি পরিদর্শনের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত শাখায় পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যেক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি পরিদর্শন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।</p><p>অফিস আদেশের তালিকায় দেখা যায়, অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশাসন, উন্নয়ন, বিশ্বস্বাস্থ্য, হাসপাতাল, জনস্বাস্থ্য, আর্থিক ও অডিট, বাজেট ও নার্সিংসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় হাসপাতাল ও বিভাগভিত্তিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।</p><p>এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক তদারক কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দেশের বিভিন্ন জেলার হাসপাতালগুলোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালও তদারকি করা।</p><p>আদেশ অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। পরিদর্শনের মাধ্যমে হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করাই এ ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য।</p><p>অফিস আদেশে বলা হয়, নির্ধারিত দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে পালন করতে হবে। আদেশটি জারির তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এ উদ্যোগের ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি হাসপাতাল পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চিত্র, জনবল উপস্থিতি, চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার, অবকাঠামোগত সমস্যা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পথও সুগম হবে।</p><p>সূত্র: <strong>বাসস</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9068-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 13:04:01 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে মাঠে নামছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/health/72536/9068-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হাসপাতাল পরিদর্শন ও মনিটরিংয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা।</p><p>স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অফিস আদেশে এসব কর্মকর্তাকে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত, জেনারেল, জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া হয়।</p><p>অফিস আদেশ অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট হাসপাতাল এবং বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের হাসপাতাল তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো কর্মকর্তাকে একটি জেলার পাশাপাশি অন্য জেলার হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।</p><p>এতে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের আওতাধীন জেলা, উপজেলা ও হাসপাতালের জনবল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল প্রধানের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।</p><p>তাদের হাসপাতালগুলোর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা নিয়মিত তদারকি করতে হবে। উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য ও প্রতিবেদনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করতে হবে।</p><p>এ ছাড়া জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান কর্মসূচি, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে।</p><p>অফিস আদেশে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি কার্যক্রমসহ জনস্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।</p><p>পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বলা হয়েছে।</p><p>নির্দেশনায় আরও বলা হয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত জেলা, উপজেলা ও হাসপাতাল পরিদর্শন করতে হবে। পরিদর্শনের সময় পাওয়া সমস্যা, পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।</p><p>প্রতিটি পরিদর্শনের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত শাখায় পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যেক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি পরিদর্শন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।</p><p>অফিস আদেশের তালিকায় দেখা যায়, অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশাসন, উন্নয়ন, বিশ্বস্বাস্থ্য, হাসপাতাল, জনস্বাস্থ্য, আর্থিক ও অডিট, বাজেট ও নার্সিংসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় হাসপাতাল ও বিভাগভিত্তিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।</p><p>এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক তদারক কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দেশের বিভিন্ন জেলার হাসপাতালগুলোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালও তদারকি করা।</p><p>আদেশ অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। পরিদর্শনের মাধ্যমে হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করাই এ ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য।</p><p>অফিস আদেশে বলা হয়, নির্ধারিত দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে পালন করতে হবে। আদেশটি জারির তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এ উদ্যোগের ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি হাসপাতাল পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চিত্র, জনবল উপস্থিতি, চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার, অবকাঠামোগত সমস্যা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পথও সুগম হবে।</p><p>সূত্র: <strong>বাসস</strong></p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9068-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 13:04:01 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শাহজালালে ২ অভিযানে প্রায় ১৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72534/1659-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক ২টি অভিযানে একদিনে প্রায় সাড়ে ১৩ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।</p><p>অভিযানে দুবাই থেকে আসা ফ্লাইটের ২ বিমানকর্মীর জুতার ভেতর থেকে ৯.৩৪ কেজি এবং মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এক যাত্রীর শরীর থেকে ৪.৫ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। ২ ঘটনায় উদ্ধার স্বর্ণের মোট পরিমাণ ১৩.৮৪ কেজি। যার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ২৪ কোটি টাকা।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার বিমান বন্দরে ঢাকা কাস্টমস ও কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ দপ্তর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p><p>কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, দুবাই থেকে ঢাকায় আসা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-০৫৮২ ফ্লাইটের রানওয়েতে ২ বিমানকর্মীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাদের তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির সময় তাদের জুতার ভেতরে বিশেষ কায়দায় লুকানো ৮০টি স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বারের ওজন প্রায় ১১৭ গ্রাম। সব মিলিয়ে উদ্ধার স্বর্ণের ওজন প্রায় ৯.৩৪ কেজি। যার বাজার মূল্য ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি।</p><p>বিমানকর্মীদের জুতার ভেতরে স্বর্ণবার লুকিয়ে চোরাচালানের এ কৌশল সামনে আসার পর পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দারা। বিমানকর্মীদের মাধ্যমে স্বর্ণ পাচারের পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র রয়েছে কি না, থাকলে ওই চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।</p><p>অন্যদিকে রোববার দিবাগত রাতে কুয়ালালামপুর থেকে ঢাকায় আসা মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এমএইচ-০১৯৬ ফ্লাইটের এক যাত্রীর কাছ থেকে ৪.৫ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করে ঢাকা কাস্টমস হাউস। আটক যাত্রীর নাম মি. ইয়াং ডন সিউ। তিনি মালয়েশিয়ার নাগরিক।</p><p>কাস্টমস সূত্র জানায়, ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণের পর থেকেই ওই যাত্রীকে নজরদারিতে রাখা হয়। পরে তিনি ব্যাগেজ সংগ্রহ করে গ্রিন চ্যানেল-১ অতিক্রম করার সময় তাকে আলাদা করে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির সময় তার শরীরে বিশেষ কায়দায় বহন করা স্বর্ণবারের সন্ধান পাওয়া যায়। আনুমানিক রাত ১টা ৪৫ মিনিটে তার শরীর থেকে ৯টি স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য ৮ কোটি টাকা হতে পারে বলে জানা গেছে।</p><p>স্বর্ণবারগুলো একটি কালো কাপড়ের বেল্টে মোড়ানো অবস্থায় তার শার্টের নিচে শরীরের সঙ্গে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ওই যাত্রী কোনো ব্যাগেজ ঘোষণা দেননি এবং স্বর্ণের বৈধতার পক্ষে প্রয়োজনীয় কোনো নথি বা দলিলও দেখাতে পারেননি। উভয় ঘটনায়ই ফৌজদারি মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।</p><p>আটককৃতদের বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1659-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:54:47 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পবিত্র নগরী মদিনায় ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানাল বাংলাদেশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72533/1b70-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>পবিত্র নগরী মদিনায় সৌদি আরবের তাইবাহ বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। ৪ অক্টোবর রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।</p><p>বিবৃতিতে বাংলাদেশ জানিয়েছে, সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনার তাইবাহ বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথিদের ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। মসজিদে নববীকে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদার ওপর অগ্রহণযোগ্য আঘাত।</p><p>এতে আরও বলা হয়, সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নকারী যেকোনো আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ডকে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে।</p><p>মদিনায় সৌদি আরবের তাইবাহ বিদ্যুৎকেন্দ্রে এই হামলার জন্য সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের দায়ী করেছে। জোটের দাবি, হামলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রটির একটি ট্রান্সফরমার অকেজো হয়ে পড়ে। তবে এর ফলে সামগ্রিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি বলে দাবি করেছে তারা।</p><p>হামলার অভিযোগ অবশ্য সরাসরি অস্বীকার করেছে হুথি গোষ্ঠী। তাদের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করা হয়েছে।</p><p>সূত্র: ইত্তেফাক</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">1b70-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:51:43 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পুঁজিবাজারে বিদেশি লেনদেন বেড়েছে ৩৭.৬ শতাংশ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/72532/97ed-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>সংস্কার উদ্যোগ ও বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করার ফলে দেশের পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে গত বছরের পুরো বছরের মোট বিদেশি লেনদেনের প্রায় ৯৪ শতাংশে পৌঁছেছে চলতি বছরের লেনদেন।</p><p>ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৭০১ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৮ টাকা। ২০২৫ সালের একই সময়ে এ লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬৮৭ কোটি ৩৯ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৯ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ১৩ কোটি ৮৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা বা ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ।</p><p>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারের বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। বাজারকে সীমান্তবর্তী বাজার থেকে উদীয়মান বাজারে উন্নীত করার প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক সূচক নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ, বিদেশি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে আনার উদ্যোগ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।</p><p>ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাকে বলেন, বিদেশি লেনদেন বাড়ার পেছনে কোনো একক উদ্যোগ কাজ করছে না। বাজারকে উদীয়মান বাজারে উন্নীত করার প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক সূচক নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি বিনিয়োগসংক্রান্ত বিধি সহজ করা এবং লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে আনার উদ্যোগ—সব মিলিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা গেছে।</p><p>তিনি বলেন, বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাবাসী বিনিয়োগকারীদের টাকা হিসাব ব্যবস্থার একটি জটিলতা সম্প্রতি সহজ করা হয়েছে। আগে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পর প্রতিটি লেনদেনের সময় ওই হিসাবের মাধ্যমে অর্থের হিসাব করতে হতো। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের নজরে আনার পর বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মটি সহজ করেছে।</p><p>নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি লেনদেনের সময় আলাদাভাবে হিসাব না করে বিদেশি বিনিয়োগকারী বাংলাদেশ থেকে অর্থ ফেরত নেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় হিসাব সম্পন্ন করতে পারবেন। এতে বিদেশি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া আগের তুলনায় সহজ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p><p>এ ছাড়া লেনদেন নিষ্পত্তির সময় এক দিন কমিয়ে আনার উদ্যোগও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। পুঁজিবাজারে পেশাদার ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের সম্মিলিত প্রভাবেই বিদেশি লেনদেন বাড়ছে বলে মনে করেন নুজহাত আনোয়ার।</p><p>ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকেই বিদেশি লেনদেনে ওঠানামা থাকলেও সামগ্রিক প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখী। জানুয়ারিতে বিদেশি লেনদেন হয়েছে ৩৭৭ কোটি ২৩ লাখ ৮৩ হাজার ৪৬৬ টাকা। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে ৬৬৩ কোটি ২৭ লাখ ৮০ হাজার ৭৯৫ টাকায় দাঁড়ায়।</p><p>মার্চে লেনদেন কমে ২৭২ কোটি ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৯৮০ টাকা এবং এপ্রিলে ১৭৫ কোটি ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪৬০ টাকায় নেমে আসে। তবে মে মাসে বড় উত্থান ঘটে। ওই মাসে বিদেশি লেনদেন হয়েছে ৮৩১ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ৭৭১ টাকা, যা চলতি বছরের প্রথম আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।</p><p>জুনে বিদেশি লেনদেন হয় ৫৪০ কোটি ১৬ লাখ ৬১ হাজার ৪৭০ টাকা এবং জুলাইয়ে ৫২৩ কোটি ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৯৬৬ টাকা। আগস্টে তা কিছুটা কমে ৩১৮ কোটি ৫৭ লাখ ২৭ হাজার ৯৯১ টাকায় দাঁড়ায়।</p><p>অন্যদিকে, ২০২৫ সালের প্রথম আট মাসে বিদেশি লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬৮৭ কোটি ৩৯ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৯ টাকা। ওই বছরের জানুয়ারিতে লেনদেন ছিল ১৮১ কোটি ৮১ লাখ ৫ হাজার ১০৫ টাকা। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে ২৬৪ কোটি ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ২৬২ টাকা হলেও মার্চে কমে ১৭১ কোটি ৯৬ লাখ ১৭ হাজার ৭৮৭ টাকায় দাঁড়ায়।</p><p>এপ্রিল ও মে মাসে লেনদেন আবার বাড়ে। এপ্রিলে ৪২৬ কোটি ৯৪ লাখ ১ হাজার ২৯৮ টাকা এবং মে মাসে ৫০৬ কোটি ৭৪ লাখ ১৯ হাজার ১৪২ টাকা লেনদেন হয়। জুনে তা কমে ২৮৫ কোটি ৩০ লাখ ৭৭ হাজার ৬১৯ টাকা হলেও জুলাইয়ে বেড়ে ৪৯১ কোটি ৪৩ লাখ ৬৬ হাজার ২১৭ টাকা হয়। আগস্টে লেনদেন দাঁড়ায় ৩৭১ কোটি ৫৬ লাখ ৩ হাজার ৫৪৮ টাকা।</p><p>২০২৫ সালের পুরো বছরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন ছিল ৩ হাজার ৯২০ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ২১ টাকা। এর বিপরীতে চলতি বছরের প্রথম আট মাসেই লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৭০১ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৮ টাকা, যা গত বছরের পুরো বছরের প্রায় ৯৪ শতাংশ।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">97ed-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:37:48 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[কানাডার উৎসবে সেরা তুষি, ‘রইদ’ পেল আরও দুই পুরস্কার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/72531/7a70-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক: </strong>কানাডার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব ‘মোজাইক ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’। এক যুগ ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এটি। দক্ষিণ এশিয়ার চলচ্চিত্রের জন্য এটি নতুন সম্ভাবনার মাঠ হয়ে উঠছে।</p><p>এই উৎসবের ১২তম আসরেই বাজিমাৎ করল বাংলাদেশের ‘রইদ’। একসঙ্গে জিতে নিলো তিনটি পুরস্কার। এর মধ্যে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন নাজিফা তুষি। ‘রইদ’ সিনেমায় সাদুর বউ চরিত্রে তার অনবদ্য অভিনয় এ স্বীকৃতি এনে দিলো। এছাড়া উৎসবে সেরা সিনেমাটোগ্রাফি এবং সেরা সংগীতের পুরস্কারও পেয়েছে ‘রইদ’।</p><p>তিন পুরস্কার জেতার খবরে উচ্ছ্বসিত টিম ‘রইদ’। সিনেমাটির নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনসহ অন্যরাও খবরটি নিজের ফেসবুক দেয়ালে ভাগ করে নিয়েছেন, প্রকাশ করেছেন আনন্দ।</p><p>মোজাইক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের এই আসরে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছে নেপালের ‘এলিফ্যান্টস ইন দ্য ফগ’। এর আগে সিনেমাটি বিখ্যাত কান উৎসবের আঁ সার্তে রিগায় জুরি পুরস্কার পেয়েছিল।</p><p>এর আগে নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত রটারড্যাম উৎসবের মূল প্রতিযোগিতায় জায়গা করে নিয়েছিল ‘রইদ’। এছাড়াও আরও নানা উৎসবে পৌঁছেছে সিনেমাটি। শুধু তাই নয়, এ বছর অস্কারের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিভাগের জন্য বাংলাদেশ থেকেও পাঠানো হয়েছে ‘রইদ’। ফলে অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে সিনেমাটি।</p><p>‘রইদ’-এ গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে অ্যাডাম-ইভের পৌরাণিক গল্পের আশ্রয়ে রহস্যময় এক উপাখ্যান তুলে ধরেছেন সুমন। এতে নাজিফা তুষি ছাড়াও অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, গাজী রাকায়েত, আহসাবুল ইয়ামিন রিয়াদ প্রমুখ।</p><p>সূত্র: ঢাকা পোস্ট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">7a70-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:36:56 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72530/5d22-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, ব্যক্তিগত কারণে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি-এ কথা আগেও বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত যেন আর নেওয়া না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকা হবে।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার সচিবালয়ে ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরকে সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>সভায় ক্রীড়াবিদদের বিভিন্ন নাগরিক ও পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। রেলপথ, বিমান ও সড়কপথসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রীড়াবিদদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্রীড়াবিদরা যাতে আশা নিয়ে খেলতে পারেন এবং তাদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।</p><p>ক্রীড়াবিদদের সহায়তার অংশ হিসেবে এরই মধ্যে দেশের ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এখনো এই সংখ্যা পূর্ণ হয়নি। যোগ্য ও ভালো ক্রীড়াবিদ পাওয়া গেলে তাদেরও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।</p><p>ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, শিগগিরই আরও ৯৫ জন ক্রীড়াবিদকে এই কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে সংযোজন করা হবে। এরই মধ্যে ৩১ জনকে ভাতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রতি চার মাস পরপর মূল্যায়ন করে তালিকা হালনাগাদ করা হবে। ফলে প্রতি চার মাস পরপর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে কেউ তালিকা থেকে বাদ পড়বেন, আবার নতুন ক্রীড়াবিদদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।</p><p>ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদানের জন্য সরকার ২০০ কোটি টাকা আলাদাভাবে বরাদ্দ দিয়েছে বলেও জানান তিনি। এই অর্থের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।</p><p>ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের আরও ভালো প্রস্তুতির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছর পর অলিম্পিকে পদকের জন্য লড়াই করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হবে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এশিয়ান গেমসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার কাজ করবে বলে জানান তিনি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5d22-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:32:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/72530/5d22-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, ব্যক্তিগত কারণে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি-এ কথা আগেও বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত যেন আর নেওয়া না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকা হবে।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার সচিবালয়ে ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরকে সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>সভায় ক্রীড়াবিদদের বিভিন্ন নাগরিক ও পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। রেলপথ, বিমান ও সড়কপথসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রীড়াবিদদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্রীড়াবিদরা যাতে আশা নিয়ে খেলতে পারেন এবং তাদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।</p><p>ক্রীড়াবিদদের সহায়তার অংশ হিসেবে এরই মধ্যে দেশের ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এখনো এই সংখ্যা পূর্ণ হয়নি। যোগ্য ও ভালো ক্রীড়াবিদ পাওয়া গেলে তাদেরও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।</p><p>ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, শিগগিরই আরও ৯৫ জন ক্রীড়াবিদকে এই কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে সংযোজন করা হবে। এরই মধ্যে ৩১ জনকে ভাতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রতি চার মাস পরপর মূল্যায়ন করে তালিকা হালনাগাদ করা হবে। ফলে প্রতি চার মাস পরপর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে কেউ তালিকা থেকে বাদ পড়বেন, আবার নতুন ক্রীড়াবিদদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।</p><p>ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদানের জন্য সরকার ২০০ কোটি টাকা আলাদাভাবে বরাদ্দ দিয়েছে বলেও জানান তিনি। এই অর্থের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।</p><p>ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের আরও ভালো প্রস্তুতির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছর পর অলিম্পিকে পদকের জন্য লড়াই করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হবে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এশিয়ান গেমসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার কাজ করবে বলে জানান তিনি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5d22-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:32:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[৪০টি ভারতীয় চোরাই মোবাইলসহ আটক ১]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/72529/ce9a-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:</strong> চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৪০টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনসহ আপন হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বিজিবি।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার সকালে জেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।</p><p>বিষয়টি নিশ্চিত করেন মহানন্দা ব্যাটালিয়ন ৫৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।</p><p>তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকালে শাহাবাজপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শিয়ালমারা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল। অভিযানকালে ৪০টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনসহ আপন হোসেনকে আটক করা হয়।&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ce9a-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:21:38 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পাকিস্তানের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72528/b2af-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>চীনের কাছ থেকে পাকিস্তান পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান সংগ্রহ করলে তা ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এ পি সিং। তবে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতের প্রয়োজনীয় সক্ষমতা রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার ভারতের বিমানবাহিনী দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ৮ অক্টোবর ভারতে বিমানবাহিনী দিবস পালিত হবে।</p><p>এ পি সিং বলেন, পাকিস্তান চীনের তৈরি জে-৩৫ যুদ্ধবিমান সংগ্রহ করলে তা ভারতের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতকে নিজেদের সক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে।</p><p>ভারতীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বহর শক্তিশালী করতে বছরে ৩৬ থেকে ৪০টি নতুন যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ক্ষেত্রে তেজসের নতুন সংস্করণ, রাফাল এবং ভবিষ্যতে উন্নত হালকা যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।</p><p>দূরপাল্লার আকাশযুদ্ধ সক্ষমতা বাড়াতেও কাজ করছে ভারত। এ জন্য অ্যাস্ট্রা-১, অ্যাস্ট্রা-২ ও অ্যাস্ট্রা-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন ও উৎপাদন চলছে। অ্যাস্ট্রা-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৩৫০ কিলোমিটারের বেশি হতে পারে বলে জানান তিনি।</p><p>এ ছাড়া রাশিয়ার আর-৩৭এম ও ফ্রান্সের মেটিওর ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের বিষয়ও বিবেচনা করছে ভারত।</p><p>ভারতীয় বিমানবাহিনী প্রধান বলেন, প্রতিপক্ষের হাতে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এলে ভারতকেও দ্রুত নিজেদের উন্নত যুদ্ধবিমান কর্মসূচি এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে বিকল্প ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।</p><p>সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b2af-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:16:24 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪২৭, মামলা ৫৪]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/72527/2eb9-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন থানায় ৫৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।</p><p>ডিএমপির মিডিয়া ও জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়। অভিযানে রমনা বিভাগে ২১ জন, লালবাগে ৫৩, ওয়ারীতে ৫৪, মতিঝিলে ৫৫, তেজগাঁওয়ে ৮৯, মিরপুরে ৮২, গুলশানে ৩৫, উত্তরা বিভাগে ৩৫ এবং গোয়েন্দা বিভাগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।</p><p>অভিযানে ৫৪ কেজি ৪৬০ গ্রাম গাঁজা, ৫২৪টি ইয়াবা, ১ দশমিক ৫ গ্রাম হেরোইন ও দুটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়।</p><p>গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2eb9-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:09:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নারায়ণগঞ্জে ৫ কোটি টাকার বন্ডের সুতা আটক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/72526/b825-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: </strong>নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ৮০ কাউন্টের সুতা আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ৩ অক্টোবর শনিবার বিকেলে উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের পুরিন্দা গ্রামের হাজী আব্দুস সালাম মার্কেটের একটি গোডাউন থেকে প্রায় ৪০০ বস্তা সুতা উদ্ধার করা হয়।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় একটি গাড়ি থেকে প্রথমে বন্ডের কিছু সুতা আটক করা হয়। সেই ঘটনার সূত্র ধরে আড়াইহাজারের ওই গোডাউনের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে কাস্টমস কর্মকর্তারা সেখানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সুতা উদ্ধার করেন। আটক সুতার আনুমানিক মূল্য ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের কারখানার জন্য সরকারি শুল্ক-কর সুবিধায় আমদানি করা এসব বন্ডের সুতা নির্ধারিত ব্যবহারের বাইরে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা নিষিদ্ধ। অভিযোগ রয়েছে, শুল্ক-সুবিধায় আমদানি করা এসব সুতা খোলাবাজারে বিক্রি করে অধিক মুনাফা করার উদ্দেশ্যে গোডাউনে মজুত করা হয়েছিল।</p><p>এ ঘটনায় বন্ড সুবিধার সম্ভাব্য অপব্যবহারের বিষয়টি সামনে এসেছে বলে মনে করছেন শিল্পসংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বন্ড সুবিধার আওতায় আমদানি করা কাঁচামাল নির্ধারিত রপ্তানিমুখী উৎপাদনে ব্যবহার না করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হলে একদিকে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়, অন্যদিকে শুল্ক-কর পরিশোধ করে কাঁচামাল আমদানি করা দেশীয় শিল্প অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে।</p><p>বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, ‘নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে আটক সুতার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত আমদানিকারক, সরবরাহকারী এবং বন্ড সুবিধার আওতায় পণ্য খালাস ও পরিবহনের পুরো প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করা হলে বন্ড ব্যবস্থার সম্ভাব্য অপব্যবহারের প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে।’</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘শুধু পণ্য আটক করাই যথেষ্ট নয়। পণ্যটি কার নামে আমদানি হয়েছে, কোন প্রতিষ্ঠানের বন্ড লাইসেন্সের আওতায় এসেছে, কীভাবে সংশ্লিষ্ট গোডাউনে পৌঁছেছে এবং কোথায় যাওয়ার কথা ছিল, এসব বিষয় তদন্তের আওতায় এনে দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।’</p><p>নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে মাধবদীতে। পরবর্তীতে এর গোডাউন আড়াইহাজারে পাওয়া যায়। অভিযানটি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ পরিচালনা করেছে। পুলিশ শুধু তাদের সহযোগিতা করেছে।’</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b825-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 11:52:17 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা অক্ষত, দাবি আইআরজিসি কর্মকর্তার]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72525/aecc-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র উৎপাদনের সরবরাহব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি সচল রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্রবিষয়ক বাহিনীর কমান্ডারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী বালালি। প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে ইরানের কোনো খাতে ঘাটতি নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার দেওয়া এক বক্তব্যে আলী বালালি এসব কথা বলেন।</p><p>তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের স্থাপনা ও উপাদান ইরানেই তৈরি করা হয়। এসব উপাদান উৎপাদনে দেশের কোনো খাত নিয়েই তাদের উদ্বেগ নেই। প্রয়োজন হলে এসব উপাদান রপ্তানিও করা সম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।</p><p>আলী বালালি আরও বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন ও নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে ইরান নিজস্ব সক্ষমতা এবং সামরিক অভিযানের প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করছে। এ ক্ষেত্রে দেশটি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে না।</p><p>ইরানি এই কর্মকর্তা বলেন, নিজেদের প্রয়োজন ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ প্রতিরক্ষা, চালকবিহীন উড়োজাহাজ এবং মহাকাশ খাতে সক্ষমতা বাড়িয়েছে ইরান।</p><p>আলী বালালির এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ইরানের সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ২৯ সেপ্টেম্বর মার্কিন অর্থ দপ্তর ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য অস্ত্র ও অস্ত্রের উপাদান সংগ্রহের অভিযোগে বিভিন্ন দেশের ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়।</p><p>ওয়াশিংটনের দাবি, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরানের অস্ত্র কর্মসূচির জন্য বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম সংগ্রহে যুক্ত ছিল। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন উড়োজাহাজ কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।</p><p>তবে ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক চাপের মধ্যেও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের প্রয়োজনীয় সরবরাহব্যবস্থা অক্ষত রয়েছে। দেশটি এর আগেও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি করেছে। তবে বর্তমান অস্ত্রভাণ্ডার ও উৎপাদন অবকাঠামোর প্রকৃত সক্ষমতা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশিত হয়নি।</p><p>সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">aecc-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 11:43:39 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নারায়ণগঞ্জে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯৮]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/72524/c250-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: </strong>নারায়ণগঞ্জের সাতটি থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য, মাদক কারবারি, মাদকসেবী, চোর, ওয়ারেন্টভুক্ত ও বিভিন্ন মামলার আসামিসহ ৯৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।</p><p>পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ৯৮ জনের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৯ জন, মাদক ব্যবসায়ী ৮ জন, মাদকসেবী ৫৮ জন, চোর ১ জন, ওয়ারেন্টভুক্ত ৭ জন, নিয়মিত মামলার আসামি ৮ জন এবং অন্যান্য আইনে ৭ জন রয়েছেন।</p><p>অভিযানে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের একজন সদস্য, ২১২টি ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী, ছয় মাদকসেবী, দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং অন্যান্য ধারায় চারজন রয়েছেন।</p><p>ফতুল্লা মডেল থানায় ৪০টি ইয়াবাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী, ১৮ মাদকসেবী, তিন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, নিয়মিত মামলার একজন আসামি ও অন্যান্য আইনে একজনসহ মোট ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিকারী কার্যক্রমে জড়িত নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের তিন সদস্য, ৩০টি ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী, ১২ মাদকসেবী, একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও নিয়মিত মামলার পাঁচ আসামিসহ মোট ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।</p><p>বন্দর থানায় ছয় মাদকসেবী ও অন্যান্য আইনে একজনসহ সাতজন, সোনারগাঁও থানায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের তিন সদস্য, ৫০টি ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী, ১৩ মাদকসেবী, একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও একজন চোরসহ মোট ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>এ ছাড়া রূপগঞ্জ থানায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের দুই সদস্য, তিন মাদকসেবী ও অন্যান্য আইনে দুজনসহ সাতজন এবং আড়াইহাজার থানায় অন্যান্য আইনে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।</p><p>নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c250-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 11:23:08 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন সেনাপ্রধান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72523/e543-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: নয় দিনের সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।</p><p>সফরের প্রথম পর্যায়ে অস্ট্রেলিয়ার পার্থে অনুষ্ঠিতব্য সেনাপ্রধানদের সম্মেলন ও আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে অংশ নেবেন সেনাবাহিনী প্রধান। এ ছাড়া তিনি মেলবোর্নে অবস্থিত ডিকিন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন।</p><p>পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী সমিতির বার্ষিক সভা ও প্রদর্শনীতে যোগ দেবেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।</p><p>সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন। পাশাপাশি তিনি দুই দেশের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করবেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e543-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 11:07:18 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিরোধী দলে থাকলেও দেশের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে: জামায়াত আমির]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/72522/c61b-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>যে সরকার জনগণকে শান্তি দিতে পারে না, তাদের দরকার নাই উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণ যাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারে এবং নিরাপত্তা নিয়ে থাকতে পারে, সেটি নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলে থাকলেও দেশের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার রাজধানীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জনসচেতনতা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনগণ এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশে শুধু শাস্তি-শৃঙ্খলার ব্যবস্থাই নয়, কার্যত দেশের সব প্রতিষ্ঠান এখন বিধ্বস্ত অবস্থায় রয়েছে। রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দিনে-দুপুরে এবং রাতের বিভিন্ন সময়ে রাজধানীতে নানা ধরনের অপকর্ম ঘটছে। রাজধানী যেহেতু সরকারের কেন্দ্রীয় অবস্থান, তাই রাজধানীর পরিস্থিতি থেকেই সারা দেশের অবস্থার ধারণা পাওয়া যায়।</p><p>মেডিকেল সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রসঙ্গ তুলে সরকারের সমালোচনা করে জামায়াতের আমির বলেন, একটি মেডিকেল সেন্টার ভেঙে চুরমার করে দেয়া হয়েছে এবং সেখানকার সম্পদ লুট করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুষ্কৃতিকারীদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের কেউ কেউ আড়ালে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।</p><p>ডা. শফিকুর রহমান এ সময় দাবি করেন একজনকে জনগণের চোখে ধুলা দেয়ার জন্য সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করানো হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে এখনো দল থেকে বহিষ্কার করা হয়নি এবং গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায়ও আনা হয়নি। একই ঘটনায় আরও যারা দুষ্কৃতকারী, তাদেরও গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।</p><p>জনগণকে বোকা বা অন্ধ মনে না করার আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখন কোনো কিছু আড়াল করার সময় নয়। তার ভাষায়, মুহূর্তের মধ্যেই সবকিছু জনগণের কাছে পৌঁছে যায় এবং মানুষ সবকিছু পরিষ্কারভাবে দেখতে পায়।</p><p>সূত্র: চ্যানেল ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c61b-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 10:52:34 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর ভয়াবহ হামলা, অন্তত ৭০০ হুতি নিহত]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72521/63bf-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>ইয়েমেনে আবারও তীব্র হয়ে উঠেছে সরকারি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুতিদের লড়াই। ইয়েমেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, রাজধানী সানা ও ইরান-সমর্থিত হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা দেশটির বিভিন্ন এলাকায় শত শত হামলা চালানো হয়েছে। এতে অন্তত ৭০০ হুতি বিদ্রোহী নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে সেনাবাহিনী।</p><p>সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, সবচেয়ে তীব্র লড়াই চলছে তাইজ শহর ও এর আশপাশের এলাকায়। এরই মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কপথ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। দেশটির সবচেয়ে জনবহুল এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই আরও তীব্র হওয়ার মধ্যেই এসব হামলা চালানো হয়েছে।</p><p>আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি ৩ অক্টোবর শনিবার বলেন, হুতিদের অবস্থান, চলাচল ও সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে সেনাবাহিনী ‘২৫৭টি নির্ভুল হামলা’ চালিয়েছে।</p><p>তিনি এক্সে দেয়া এক পোস্টে বলেন, এসব হামলায় যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামান, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট লঞ্চার ব্যবহার করা হয়েছে।</p><p>আল-নাজিলি বলেন, প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী এসব অভিযানে অন্তত ৭০০ হুতি বিদ্রোহী নিহত হয়েছে। একই সঙ্গে ‘গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সামরিক স্থাপনা’ ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে ১৭০টি যুদ্ধযান ও ভারী সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে।</p><p>তবে সরকারি বাহিনীর কোনো সদস্য হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, এসব হামলায় হুতিদের ‘যুদ্ধ সক্ষমতা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নিজেদের বাড়িঘর ও গ্রামে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা সীমিত হয়েছে’।</p><p>আল-নাজিলি জানান, শনিবারের অভিযানগুলো সানা, মিদি, বাকিম এবং আল-জাওফ, মারিব, আল-বাইদা ও লাহিজের বিভিন্ন যুদ্ধফ্রন্টে চালানো হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সামরিক তৎপরতা ছিল তাইজকে ঘিরে।</p><p>এর আগে গত শুক্রবার আল-নাজিলি জানিয়েছিলেন, ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী প্রায় ৫০০টি সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এতে ১ হাজার ৫৪০ হুতি বিদ্রোহী নিহত বা আহত হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন তিনি।</p><p>আল জাজিরা বলছে, সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা তাইজ শহর নতুন করে শুরু হওয়া লড়াইয়ের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। শনিবার তাইজ থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক মাহা আলী জানান, শহরটির আশপাশের বিভিন্ন ফ্রন্টে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।</p><p>এর মধ্যে শহরের পশ্চিম প্রান্তে সবচেয়ে তীব্র লড়াই চলছে। তিনি জানান, হামলায় হুতিরা অস্বাভাবিক মাত্রায় গোলাবর্ষণ করছে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকাগুলো লক্ষ্য করে হুতিদের দিক থেকে ছোড়া গোলার শব্দ এখনও শোনা যাচ্ছে।</p><p>গোলাবর্ষণ অব্যাহত থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাদেরকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন বলে জানান মাহা আলী। তিনি বলেন, লড়াইয়ে বেসামরিক মানুষও হতাহত হয়েছেন। এর মধ্যে ধুবাবের একটি আবাসিক এলাকায় ছোড়া একটি গোলার আঘাতে এক শিশু নিহত হয়েছে। গোলার টুকরার আঘাতেই শিশুটির মৃত্যু হয়।</p><p>মাহা আলী জানান, সামা ফ্রন্টে গত শুক্রবার পাহাড়ি এলাকায় অগ্রসর হয় হুতিরা। সেখানে সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে তীব্র লড়াই এখনও চলছে। মাঠপর্যায়ের কয়েকটি সূত্র তাকে জানিয়েছে, সামা এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক বাসিন্দা চলে গেছেন। গত এক দশকেরও বেশি সময়ে এত বড় পরিসরে এমন ঘটনা দেখা যায়নি বলে জানান তিনি।</p><p>এদিকে এই সংঘর্ষের পর তাইজ শহরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সামা দুর্গের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী। সরকারি সংবাদ সংস্থা সাবা নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>সাবাকে এক সামরিক কর্মকর্তা বলেন, সামা জেলার স্থানীয় সশস্ত্র প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সহায়তায় সরকারি বাহিনী ‘তীব্র লড়াইয়ের’ পর দুর্গটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। এতে কয়েক ডজন হুতি যোদ্ধা নিহত বা আহত হয়েছে এবং অন্যরা পালিয়ে গেছে।</p><p>এদিকে শনিবার সেনাবাহিনীর গণমাধ্যমবিষয়ক কর্মকর্তা আম্মার আল-সামিই আল জাজিরাকে জানান, তাইজের আল-হুবান সড়কপথটি বন্ধ করে দিয়েছে সরকার।</p><p>তিনি বলেন, এর আগে ৯ বছর বন্ধ থাকার পর ২০২৪ সালে ‘মানবিক কারণে’ বেসামরিকদের জন্য পথটি খুলে দেয়া হয়েছিল। ইয়েমেনে বিরোধী পক্ষগুলোর নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ এটি। এই সড়ক হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আল-হুবানকে সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা তাইজ শহরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।</p><p>আল-সামিই বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণেই পথটি বন্ধ করা হয়েছে। এই সড়ক ব্যবহার করে হুতিরা তাইজে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে। পাশাপাশি ওই এলাকার আশপাশে হামলা এবং সামগ্রিকভাবে সামরিক তৎপরতা বাড়ানোর কারণেও এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।</p><p>২০২২ সালে ইয়েমেন সরকার ও হুতিদের মধ্যে হওয়া একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চলতি বছরের জুলাইয়ে ভেঙে যায়। এরপর থেকে দেশটিতে লড়াই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে হুতিরা পশ্চিম ইয়েমেনের কয়েকটি এলাকায় দ্রুত অগ্রসর হয়ে বাব আল-মান্দেব প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত দ্বীপ এবং বন্দরনগরী মোকার নিয়ন্ত্রণ নেয়।</p><p>এরপর থেকে হুতিবিরোধী বাহিনীগুলো বেশিরভাগ যুদ্ধফ্রন্টের নিয়ন্ত্রণ স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে। লড়াই নতুন করে শুরু হওয়ার পর থেকে ইয়েমেনে কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।</p><p>প্রসঙ্গত, ২০১৪ সাল থেকে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ চলছে। ওই বছর হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে নেয়। এরপর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার রাজধানী ছেড়ে এডেনে সরে যেতে বাধ্য হয়।</p><p>সূত্র: আল-জাজিরা</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">63bf-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 10:35:19 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72520/9945-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে প্রায় তিন মাসের বকেয়া বেতন পেতে পারেন। তবে কে কত টাকা বকেয়া পাবেন, তা নির্ভর করবে নতুন বেতন নির্ধারণের হিসাবের ওপর। আগামীকাল সোমবার থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়ে ২০ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।</p><p>অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণ করা হবে আইবাস প্লাস প্লাসের পে ফিক্সেশন মডিউলের মাধ্যমে। চাকরিজীবীদের অনলাইনে নিজেদের পরিচয়, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, জন্মতারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান মূল বেতনের তথ্য দিতে হবে। পাশাপাশি আগের বেতন নির্ধারণের তথ্যও যাচাই করতে হবে।</p><p>নতুন কাঠামোয় কার মূল বেতন কত হবে, তা নির্ধারণের পর পুরোনো ও নতুন মূল বেতনের পার্থক্য এবং বেতন কার্যকরের তারিখ বিবেচনায় নিয়ে বকেয়া হিসাব করা হবে। ফলে সবার বকেয়ার পরিমাণ সমান হবে না। গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, নতুন কাঠামোয় নির্ধারিত বেতন ও কার্যকর তারিখের ওপর বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে।</p><p>চাকরিজীবীদের পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট তথ্যও দিতে হবে। এসব তথ্যের পক্ষে থাকা অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখতে হবে। নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মতারিখ, পদ, গ্রেড ও বেতনসংক্রান্ত তথ্যেও কোনো ভুল বা অসংগতি থাকলে বেতন নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ কাজে আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বর প্রয়োজন হবে।</p><p>চাকরিজীবীরা অনলাইনে তথ্য দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় তা যাচাই করবে। তথ্য ও নথিতে অসংগতি থাকলে সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। তাই শুধু অনলাইনে তথ্য পূরণ করলেই প্রক্রিয়া শেষ হবে না; আগের চাকরির ইতিহাস ও বেতন নির্ধারণের তথ্যের সঙ্গে নতুন তথ্যের সামঞ্জস্য থাকতে হবে।</p><p>অনলাইনে তথ্য দিতে কোনো সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সহায়তা নেওয়া যাবে। বেতন নির্ধারণ চূড়ান্ত হওয়ার পর নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন বিল তৈরি করা হবে এবং একই সঙ্গে বকেয়া পাওনার হিসাবও চূড়ান্ত করা হবে।</p><p>বেতন নির্ধারণের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। অর্থ বিভাগের আওতাধীন সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির মাধ্যমে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।</p><p>সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গত ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে মূল বেতন ছিল, তার ভিত্তিতে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণ করা হবে। পুরোনো ও নতুন মূল বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দেওয়া হবে পার্থক্যের ৭০ শতাংশ। এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে পুরো নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে। নতুন ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।</p><p>অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে দুই দফায় মূল বেতনের ৭০ শতাংশ দেওয়ার জন্য ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।</p><p>নতুন বেতনকাঠামোয় কোনো স্থায়ী কর্মচারী পদোন্নতি ছাড়া একই পদে আট বছর পূর্ণ করলে এবং চাকরি সন্তোষজনক হলে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর একই পদে আরও ছয় বছর চাকরি করলে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিধান রয়েছে।</p><p>তবে আগের বেতনকাঠামোয় টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়া কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। এসব বিষয়ও যাচাই করে সমাধান করা হচ্ছে।</p><p>অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগের বেতনকাঠামোয় একই পদে দুই বা ততোধিক সিলেকশন গ্রেড, টাইম স্কেল বা উচ্চতর গ্রেড পেয়ে থাকলে নতুন কাঠামোয় ওই পদে আর উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ থাকবে না। তবে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত একই পদে একটিমাত্র উচ্চতর স্কেল বা গ্রেড পাওয়া থাকলে পরবর্তী ছয় বছর পূর্তির পর দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ থাকবে।</p><p>অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ৫ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে বেতন নির্ধারণের সময় বর্তমান বেতনের পাশাপাশি আগের পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড ও বেতন নির্ধারণের ইতিহাসও যাচাই করা হবে। এসব তথ্য সঠিক থাকলেই নতুন বেতন ও বকেয়া পাওনার হিসাব নির্ভুলভাবে করা সম্ভব হবে।</p><p>সূত্র: প্রথম আলো</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9945-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 10:26:39 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দেশের বাজারে আজ স্বর্ণের ভরি কত?]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/economy/72519/5bbd-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>তিন দফা কমার পর নতুন করে দেশের বাজারে গত বুধবার নতুন করে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। এদিন প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়। এতে ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকায়। গত বুধবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়।</p><p>আজ ৪ অক্টোবর রোববারও দেশের বাজারে ওই দামেই বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ।</p><p>নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানোয় দাম পড়বে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা।</p><p>২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।</p><p>এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর ভালো মানের এক ভরি সোনার গয়নার দাম কমানো হয় ১ হাজার ৬৯১ টাকা। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর কমানো হয় ২ হাজার ১৫৮ টাকা। এখন আবার দাম কমানোর ফলে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার গয়নার দাম কমল ৬ হাজার ৬৫ টাকা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">5bbd-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 10:21:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আক্রমণ ঠেকাতে প্রস্তুত হচ্ছে কানাডা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72518/9100-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কানাডায় সামরিক হামলার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ হলেও এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটি। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য সব ঝুঁকি বিবেচনায় নেওয়া সরকারের দায়িত্ব।</p><p>‘নিউইয়র্ক টাইমস’-কে কার্নি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার সম্পর্ক নতুন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাই সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া মূলত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অংশ।</p><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ করার কথা বলেছেন। পাশাপাশি তাঁর শুল্কনীতিও দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি করেছে। যদিও ২০২৫ সালে ট্রাম্প বলেছিলেন, কানাডার বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে; বরং রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।</p><p>সামরিক বিশেষজ্ঞরাও মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কানাডা আক্রমণের সম্ভাবনা খুবই কম। দুই দেশ ন্যাটোর সদস্য এবং উত্তর আমেরিকার আকাশ ও আর্কটিক অঞ্চলের প্রতিরক্ষায় ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করে। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়সহ বিভিন্ন সামরিক কার্যক্রমেও রয়েছে তাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব।</p><p>তবে কানাডার সামরিক পরিকল্পনায় সম্ভাব্য মার্কিন আগ্রাসনকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। কানাডার সামরিক বাহিনীর একটি মডেল অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনামূলক বড় সামরিক সক্ষমতার কারণে প্রথম পর্যায়ে কানাডার গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থানগুলো দ্রুত দখলের ঝুঁকি রয়েছে। সে ক্ষেত্রে কানাডার বাহিনীকে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধমূলক যুদ্ধকৌশলে যেতে হতে পারে।</p><p>বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও এমন যুদ্ধ সহজ হবে না। দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে কানাডার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ে বড় ধরনের বিরোধিতার মুখে পড়তে হতে পারে।</p><p>কানাডার সামরিক পরিকল্পনায় এখন দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেনাবাহিনীর আকার বাড়ানো এবং নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।</p><p>বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সম্ভাবনা বাস্তবে অত্যন্ত কম হলেও কানাডা যে এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা দুই দেশের ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন ধরনের অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p><p>সূত্র: বিবিসি</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9100-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 10:16:45 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ডেঙ্গু প্রতিরোধে আজ থেকে জামায়াতের জনসচেতনতা কর্মসূচি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/politics/72517/650b-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী সপ্তাহব্যাপী জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ ৪ অক্টোবর রোববার থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ‘জনসচেতনতা সপ্তাহ’ পালন করবে দলটি।</p><p>রোববার সকাল ৯টায় রাজধানীর মগবাজারের মধুবাগ খেলার মাঠে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।</p><p>দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং মশাবাহিত এ রোগের বিস্তার রোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। এ জন্য দলটির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p><p>এর আগে রাজধানী ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছিল জামায়াতে ইসলামী।</p><p>দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের প্রকাশিত তথ্যেও ৪ থেকে ১০ অক্টোবর দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সপ্তাহ পালনের কথা জানানো হয়েছে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">650b-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 09:56:54 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পরপর ভূমিকম্পে কাঁপল চট্টগ্রাম-ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72516/b8c6-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>৭৫ মিনিটের ব্যবধানে পরপর তিনটি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল। ৩ অক্টোবর শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টা থেকে রাত দেড়টার মধ্যে মিয়ানমার, ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরায় এসব ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর রোববার ভোরেও ৪ দশমিক ৮ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।</p><p>ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত ১২টা ১২ মিনিটে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় ৪ দশমিক ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। এতে কক্সবাজার ও টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা কেঁপে ওঠে। চট্টগ্রামেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়।</p><p>এর প্রায় এক মিনিট পর বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ভারতের মিজোরামের লুংলেই এলাকায় ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়। এতে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়।</p><p>পরে রাত ১টা ২৭ মিনিটে ভারতের ত্রিপুরার আগরতলা ও ডালাই এলাকায় ৩ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এ কম্পনেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ভারতের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্যেও ত্রিপুরার ডালাই এলাকায় ৩ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের তথ্য রয়েছে।</p><p>এদিকে, রোববার ভোর ৪টার দিকে ঢাকা থেকে প্রায় ৪৪৩ কিলোমিটার দূরে ৪ দশমিক ৮ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।</p><p>এখন পর্যন্ত এসব ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।</p><p>সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b8c6-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 09:38:55 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নেপালে ৩৭ দিন পর মিলল নিখোঁজ মালয়েশিয়ান পর্যটকের সন্ধান]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72515/b530-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক: </strong>নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর নিখোঁজ হওয়া এক মালয়েশিয়ান পর্যটক ৩৭ দিন পর জীবিত অবস্থায় ফিরে এসেছেন। তিনি কাঠমান্ডুতে অবস্থিত মালয়েশিয়ার দূতাবাসে গিয়ে নিজের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরে নিরাপদে মালয়েশিয়ায় ফিরে যান তিনি।</p><p>২ অক্টোবর শুক্রবার মালয়েশিয়ায় নিখোঁজ নাগরিকদের পরিবারগুলোর সংগঠন ‘মালয়েশিয়া সলিডারিটি: ফ্যামিলিজ ইন হোপ’-এর মুখপাত্র মনিভান্নান রেথিনাম এ তথ্য জানান।</p><p>সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, নিখোঁজ ওই ব্যক্তি একাই নেপাল ভ্রমণে গিয়েছিলেন। বন্যার পর ৩৭ দিন তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে তিনি নিজ উদ্যোগে কাঠমান্ডুতে মালয়েশিয়ার দূতাবাসে পৌঁছে নিরাপদে থাকার বিষয়টি জানান। এরপর তিনি দেশে ফেরেন।</p><p>মনিভান্নান রেথিনাম জানান, গত ২৫ আগস্ট স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ২৬ মিনিটে নেপালের নাগথালি ভিউপয়েন্ট এলাকায় ওই পর্যটককে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল। এর পরদিন ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে সড়ক ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহও ব্যাহত হয়।</p><p>৩৭ দিন পর ওই ব্যক্তির নিরাপদে ফিরে আসার ঘটনায় নেপালে নিখোঁজ অন্য মালয়েশিয়ানদের পরিবারগুলোর মধ্যে স্বস্তি ও নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তবে এখনো আরও ৫৪ মালয়েশিয়ান নাগরিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনটি জানিয়েছে।</p><p>এর আগে ২৭ আগস্ট মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, নেপালে বন্যার পর ৫৫ মালয়েশিয়ান নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। তাদের মধ্যে পর্যটক, তীর্থযাত্রী ও অন্যান্য ভ্রমণকারী ছিলেন। পরবর্তীতে একজনের নিরাপদে ফিরে আসার খবর পাওয়া যায়।</p><p>গত ২৬ আগস্ট নেপালের রাসুওয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস আঘাত হানে। এতে সড়ক, সেতু ও যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হয়। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, ওই দুর্যোগে ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন।</p><p>সূত্র: রয়টার্স</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b530-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 09:20:59 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ভৌতিক সিনেমার শুটিংয়ে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন অভিনেত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/entertainment/72514/eab3-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>বিনোদন ডেস্ক:</strong> ভোজপুরি হরর-কমেডি সিনেমা ‘ভূতনি কা বদলা’র শুটিং সেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন অভিনেত্রী সঞ্জনা পাণ্ডে। ভারতের উত্তরপ্রদেশে সিনেমাটির দৃশ্যধারণের সময় হঠাৎ আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তাঁর পোশাকে আগুন ধরে যায়। তবে সেটে থাকা কলাকুশলীদের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় অভিনেত্রীকে।</p><p>জানা গেছে, সিনেমাটির একটি দৃশ্যে আগুন ব্যবহারের প্রয়োজন ছিল। চিত্রনাট্য অনুযায়ী আগুনের মধ্যে দাঁড়িয়ে অভিনয় করছিলেন সঞ্জনা। দৃশ্যধারণের সময় হঠাৎ বাতাসের গতি বেড়ে গেলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে তাঁর পোশাকে। মুহূর্তেই সেটে আতঙ্ক তৈরি হয়।</p><p>পরিস্থিতি বুঝতে পেরে শুটিং ইউনিটের কর্মীরা দ্রুত এগিয়ে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে সঞ্জনাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় অন্য কেউ আহত হননি।</p><p>দুর্ঘটনার পর নিজের নিরাপত্তা নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন সঞ্জনা। তিনি জানান, সিনেমার গল্প ও চরিত্র যথাযথভাবে তুলে ধরতে পুরো দল নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে। সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শক গল্পের উপস্থাপন ও অভিনয় উপভোগ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।</p><p>‘ভূতনি কা বদলা’ একটি ভোজপুরি হরর-কমেডি সিনেমা। এতে সঞ্জনা পাণ্ডে ছাড়াও অভিনয় করছেন অরবিন্দ আকেলা কাল্লু, পূজা গাঙ্গুলী ও মাহী শ্রীবাস্তব।</p><p>সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">eab3-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 09:15:08 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সিসি ক্যামেরায় শনাক্ত চার্চের ঘণ্টা চোর, গ্রেফতার ২]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/crime/72513/f46d-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>ঢাকার মোহাম্মদপুরের আসাদ অ্যাভিনিউর সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চ থেকে চুরি যাওয়া প্রায় ৭০ কেজি ওজনের পিতলের ঘণ্টা উদ্ধারের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন তুহিন ও বাদশা।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার দিবাগত রাতে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।</p><p>মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হামিদ জানান, ঘণ্টাটি রিকশায় করে নিয়ে যাওয়ার সময় আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চোরদের শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তুহিন ও বাদশাকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন রোডের একটি ডাস্টবিনের পাশ থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় চুরি যাওয়া ঘণ্টাটি অক্ষত উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের মুখে চোরেরা ঘণ্টাটি রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়।</p><p>পুলিশ জানায়, আসাদ অ্যাভিনিউয়ে ওয়াসা ভবনের বিপরীতে অবস্থিত সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চের দ্বিতীয় তলার খোলা জায়গায় ঘণ্টাটি রাখা ছিল। বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর কোনো এক সময় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা ঘণ্টাটি চুরি করে নিয়ে যায়। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। ঘণ্টা উদ্ধার ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালায়।</p><p>ওসি আব্দুল হামিদ বলেন, চুরির আগে রাত ১২টা ৩ মিনিট থেকে গির্জার সিসি ক্যামেরার রেকর্ডিং বন্ধ ছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।</p><p>তিনি আরও বলেন, মোহাম্মদপুর এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সিসি ক্যামেরার কার্যকর ভূমিকা রয়েছে। এলাকার নিরাপত্তা জোরদারে আরও ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে।</p><p>পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার তুহিনের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানায় আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।</p><p>সূত্র: বাংলানিউজ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f46d-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 09:06:10 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পায়ুপথ দিয়ে ঢুকে অন্ত্রে ‘বাসা বাঁধল’ বাইম মাছ, অতঃপর যা ঘটলো]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/country/72512/a8cb-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>মাছ ধরতে গিয়ে পায়ুপথ দিয়ে জীবন্ত বাইম মাছ শরীরে ঢুকে পড়েছিল ৫৫ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি জেলের। প্রথমে লজ্জায় বিষয়টি কাউকে জানাননি তিনি। মাছটি নিজে থেকেই বের হয়ে যাবে—এমন আশায় ছিলেন। কিন্তু পরে তীব্র পেটব্যথা ও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।</p><p>সম্প্রতি International Journal of Surgery Case Reports-এ প্রকাশিত এক কেস রিপোর্টে উঠে এসেছে বিরল এই ঘটনার বিস্তারিত।</p><p>কেস রিপোর্ট অনুযায়ী, হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা দেখতে পান, মাছটি অন্ত্রের দেয়াল ভেদ করে পেটের ভেতরে গুরুতর সংক্রমণ সৃষ্টি করেছে। জরুরি অস্ত্রোপচারে রোগীর কোলন থেকে প্রায় ২৬ ইঞ্চি লম্বা জীবন্ত বাইম মাছটি বের করে আনা হয়।</p><p>অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর সিগময়েড কোলনে প্রায় ৫ সেন্টিমিটার বা ২ ইঞ্চি আকারের ছিদ্র পাওয়া যায়। এর ফলে প্রাণঘাতী পেরিটোনাইটিসের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। চিকিৎসকেরা মাছটি অপসারণের পাশাপাশি কোলস্টমিও করেন। অস্ত্রোপচারের পর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন ওই ব্যক্তি। চার দিন পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।</p><p>বাংলাদেশ ও নেপালের চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীদের একটি দল এ ঘটনার কেস রিপোর্ট তৈরি করে। গবেষণায় বাংলাদেশের মবিন ইবনে মকবুল, সৌমিক রায়, অমর্ত্য নারায়ণ রায় ও মোস্তফা নওয়াজ এবং নেপালের অমৃতা শ্রেষ্ঠা যুক্ত ছিলেন।</p><p>গবেষকদের মতে, বাইম মাছের মতো জীবন্ত প্রাণীর কারণে মানুষের অন্ত্রের দেয়াল ছিদ্র হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। এর আগে ২০০৪ সালে হংকংয়েও একই ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উদ্দেশ্যে এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মলদ্বারে একটি বাইম মাছ প্রবেশ করিয়েছিলেন। পরে তারও গুরুতর শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।</p><p>চিকিৎসকেরা বলছেন, লজ্জা বা অস্বস্তির কারণে রোগীরা অনেক সময় চিকিৎসকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেন। এতে সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা ব্যাহত হতে পারে। তাই তীব্র পেটব্যথা বা অস্বাভাবিক উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর ক্ষেত্রে বিরল বা অস্বাভাবিক কারণগুলোকেও বিবেচনায় রাখা জরুরি।</p><p>এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত রোগ নির্ণয় ও অস্ত্রোপচার করা না হলে গুরুতর সংক্রমণসহ প্রাণঘাতী জটিলতার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।</p><p>সূত্র: লাইভ সায়েন্স</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a8cb-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 08:59:51 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[গ্যাস সিলিন্ডারে অতিরিক্ত দাম, ১৬ জেলায় ৩৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72511/a473-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong>: সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি ও বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে দেশের ১৬ জেলায় ৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে বিশেষ তদারকি অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা করা হয়।</p><p>অধিদপ্তরের ২৩টি দল ডিলার, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করে। বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা, সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত দাম আদায় বন্ধ করতেই এ অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।</p><p>অভিযানে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও ক্রেতাকে তা দেওয়া হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়। পাশাপাশি সিলিন্ডারের নিরাপত্তাবিধি মানা হচ্ছে কি না এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার বিক্রি করা হচ্ছে কি না, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা।</p><p>এ সময় ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিকভাবে সিলিন্ডার মজুত ও সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিক্রয়কেন্দ্রের দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা টাঙানো এবং সরকার নির্ধারিত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির বিষয়ে সতর্ক করা হয়।</p><p>গ্যাস সিলিন্ডার কেনার আগে ওজন, সিল, মেয়াদ এবং সিলিন্ডারের গায়ে দৃশ্যমান কোনো ত্রুটি আছে কি না, তা পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। কেনার সময় মূল্যতালিকা যাচাইয়ের পাশাপাশি রশিদ বা ভাউচার সংগ্রহেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p><p>গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অতিরিক্ত দাম আদায়সহ কোনো ধরনের অনিয়ম চোখে পড়লে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে অভিযোগ জানাতে পারবেন ভোক্তারা।</p><p>অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য কেনার সুযোগ দিতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।</p><p>সূত্র: বাংলানিউজ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a473-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 08:56:23 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ছেলেখেলা করে বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে ৭-০ গোলে জয় তুলে নিল আর্জেন্টিনা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/72510/a0ba-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>ঘরের মাঠ মনুমেন্তালে প্রীতি ম্যাচে আফ্রিকান দেশ বুরকিনা ফাসোকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে আর্জেন্টিনা। একপেশে ম্যাচে ৭-০ গোলের বড় জয়ে মাঠ ছেড়েছে আলবিসেলেস্তেরা। তবে এই বিশাল ব্যবধানের পেছনে মূল আর্জেন্টিনা দলের শক্তির পাশাপাশি বুরকিনা ফাসোর চরম ভ্রমণক্লান্তি ও দলসংকট বড় ভূমিকা রেখেছে।</p><p>ম্যাচ শুরুর আগে থেকেই স্পষ্ট ছিল লড়াইয়ের অসম রূপ। প্রথমার্ধেই ৫-০ গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। পুরো ম্যাচে প্রায় ৮০ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে বুরকিনা ফাসোর গোলপোস্টে একের পর এক আক্রমণ শানায় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। প্রতিপক্ষকে ম্যাচে কার্যত দাঁড়াতেই দেয়নি তারা। আর্জেন্টিনার হয়ে গোল উৎসবে নাম লেখান লাওতারো মার্তিনেজ, জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নি, নিকো পাজ, হুলিয়ান আলভারেজ এবং বদলি নামা ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো ও জুলিয়ানো সিমিওনে। এর বাইরে ম্যাচের অষ্টম মিনিটে একটি আত্মঘাতী গোল হজম করে বুরকিনা ফাসো।</p><p>তবে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৬২ নম্বরে থাকা এবং আফ্রিকার ফুটবলে নিয়মিত সমীহ জাগানিয়া দল বুরকিনা ফাসোর এমন অসহায় আত্মসমর্পণের পেছনে ছিল নাটকীয় প্রেক্ষাপট। ম্যাচ শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে জানা যায়, ফ্লাইট জটিলতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে জাতীয় দলের অধিকাংশ নিয়মিত খেলোয়াড় আর্জেন্টিনায় খেলতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে বাধ্য হয়ে মূলত অনূর্ধ্ব-২৩ দলের তরুণদের নিয়ে একাদশ সাজাতে হয় কোচ আমির আব্দোউকে। যেখানে মূল জাতীয় দলের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ছিলেন মিডফিল্ডার চেক বেবেল দৌউম্বিয়া।</p><p>তা ছাড়া দীর্ঘ ভ্রমণের ধকলও ছিল প্রকট। কাসাব্লাঙ্কা থেকে ৯ হাজার ২৩১ কিলোমিটার পথ বিমানে পাড়ি দিয়ে ম্যাচ শুরুর মাত্র সোয়া পাঁচ ঘণ্টা আগে আর্জেন্টিনার মাটিতে পা রাখেন বুরকিনা ফাসোর খেলোয়াড়েরা। দীর্ঘ ১১ ঘণ্টার বেশি সময় বিমান ভ্রমণের পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম কিংবা জেট ল্যাগ কাটানোর ন্যূনতম সুযোগ না পেয়ে সরাসরি মাঠে নামতে হয় তাদের। যার স্পষ্ট প্রভাব দেখা গেছে মাঠের খেলায়। শেষ পর্যন্ত ৭ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিক আর্জেন্টিনা।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">a0ba-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 08:53:36 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বিশ্ব প্রাণী দিবস আজ]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72509/9f26-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট:</strong> প্রাণীদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষার বার্তা নিয়ে আজ ৪ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব প্রাণী দিবস। পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে প্রাণীদের জীবনমানের উন্নয়ন এবং তাদের প্রতি মানুষের দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করাই দিবসটির মূল লক্ষ্য।</p><p>জাতি, ধর্ম, বিশ্বাস কিংবা রাজনৈতিক মতাদর্শের পার্থক্য ভুলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। অধিক জনসচেতনতা ও শিক্ষার মাধ্যমে এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়, যেখানে প্রাণীদের সংবেদনশীল জীব হিসেবে বিবেচনা করে তাদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেওয়া হবে।</p><p>ইতিহাস থেকে জানা যায়, জার্মান লেখক হেনরিক জিম্মারমেন ১৯২৫ সালের ২৪ মার্চ জার্মানির বার্লিনে প্রথমবারের মতো বিশ্ব প্রাণী দিবস আয়োজন করেন। পরে ১৯৩১ সালে ইতালির ফ্লোরেন্সে পরিবেশবিজ্ঞানীদের এক সম্মেলনে ৪ অক্টোবরকে বিশ্ব প্রাণী দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।</p><p>প্রাণী কল্যাণে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান দিবসটি উপলক্ষে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করে। প্রাণীদের প্রতি সহমর্মিতা, তাদের আবাসস্থল সংরক্ষণ এবং নির্বিচারে প্রাণী হত্যা বন্ধের বিষয়গুলোও এ দিবসে গুরুত্ব পায়।</p><p>বিশ্ব বন্যপ্রাণী তহবিলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৭০ সালের পর থেকে বিশ্বে বন্যপ্রাণীর সংখ্যা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমেছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। বিভিন্ন গবেষণা ও সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশের ভূখণ্ড থেকে ইতোমধ্যে ৩১ প্রজাতির প্রাণী হারিয়ে গেছে। পাশাপাশি উভচর, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ীসহ অন্তত ২১৯ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিভিন্ন মাত্রায় বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে।</p><p>প্রাণীদের নিয়ে বিশ্বজুড়ে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস রয়েছে। প্রতি বছর ৩ মার্চ পালিত হয় বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৩ মার্চকে বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এ ছাড়া প্রতি বছর ১১ এপ্রিল পালিত হয় পোষা প্রাণী দিবস। প্রাণী কল্যাণবিষয়ক বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি এ দিবসগুলোতেও প্রাণী সুরক্ষা ও কল্যাণের বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9f26-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 08:48:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[সন্ধ্যার মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Weather/72508/6697-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>আগামী চার দিন দেশের কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াও বয়ে যেতে পারে। এ সময় দেশের কিছু এলাকায় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।</p><p>আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।</p><p>৪ অক্টোবর রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।</p><p>সোমবার ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।</p><p>অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।<br>মঙ্গলবার রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।</p><p>বুধবার রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।</p><p>এদিকে বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।</p><p>সূত্র: নিউজ ২৪</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">6697-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 08:45:33 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ক্রোয়েশিয়াকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করল ইংল্যান্ড]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/72507/e99f-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>উয়েফা নেশনস লিগে লুকা মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়াকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে ইংল্যান্ড। ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে টমাস টুখেলের দল।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার রুজেভিকার এইচএনকে রিজেকা স্টেডিয়ামে ইংলিশদের আতিথ্য দেয় ক্রোয়েটরা।</p><p>এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই ক্রোয়েশিয়ার ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে সফররতা। অষ্টম মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন হ্যারি কেইন।</p><p>এরপর ২১ মিনিটে জুড বেলিংহাম ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ৩৯ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডন এবং বিরতির ঠিক আগে ৪৫ মিনিটে গোল করেন বুকায়ো সাকা। ৪-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় ইংল্যান্ড।</p><p>বিরতির পরও আক্রমণের ধার কমেনি ইংল্যান্ডের। ম্যাচের ৫৩তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হ্যারি কেইন। ৬৮ মিনিটে আবারও গোল করে ব্যবধান বাড়ান সাকা।</p><p>৮৭তম মিনিটে ইংল্যান্ডের হয়ে সপ্তম গোলটি করেন মরগান রজার্স। শেষ পর্যন্ত ৭-০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।</p><p>এতে ৩ ম্যাচে ২ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে 'সি' গ্রুপের দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে ক্রোয়েশিয়ার অবস্থান তিন নম্বরে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e99f-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 08:41:55 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[দুই ইরানি কূটনীতিককে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বাধ্য করল ওয়াশিংটন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72506/f824-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করায় দুই ইরানি কূটনীতিককে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে মার্কিন প্রশাসন। এর আগে তাদের অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হলেও তারা নিউইয়র্কে অবস্থান করছিলেন।</p><p>মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিষয়টিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শেষ হওয়ার পরও দুই ইরানি প্রতিনিধি নিউইয়র্কে অবস্থান করছিলেন। পরে তাদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেওয়া হয়।</p><p>অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানি স্থায়ী মিশনকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়া পুরো ইরানি প্রতিনিধিদলকে অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করতে হবে। অধিকাংশ সদস্য দেশ ছাড়লেও ওই দুই কূটনীতিক নিউইয়র্কে থেকে যান।</p><p>এরপর শুক্রবার ইরানি মিশনকে আবারও জানানো হয়, ওই দুই কর্মকর্তা এখনো যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এবং বিষয়টি মার্কিন প্রশাসনের নজরে এসেছে। তাদের দ্রুত দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত একজন কূটনীতিক শুক্রবার রাতে এবং অপরজন শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেন।</p><p>ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছিল। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি নিউইয়র্কে অবস্থান করে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন। তবে আলোচনায় বড় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।</p><p>এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর অ্যাক্সিওস জানিয়েছিল, রুবিও ইরানি প্রতিনিধিদলকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। মার্কিন এক কর্মকর্তা তখন বলেছিলেন, সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শেষ হয়ে যাওয়ার পরও ইরানি প্রতিনিধিদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা নিয়ে ওয়াশিংটন অসন্তুষ্ট।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">f824-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 08:39:14 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[টিভিতে আজকের খেলা (৪ অক্টোবর)]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/72505/b721-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>উয়েফা নেশনস লিগে আজকে মাঠে নামবে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। সেই সঙ্গে আজ থাকছে পর্তুগালেরও ম্যাচ। আর ক্রিকেটের ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস-এ মাঠে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত ও ইংল্যান্ড।</p><p><strong>ফুটবল</strong><br>নেশনস লিগ<br>গ্রিস- জার্মানি<br>রাত পৌনে ১টা, সনি লিভ, ট্যাপম্যাড</p><p>পর্তুগাল-নরওয়ে<br>রাত পৌনে ১টা, সনি টেন-২</p><p><strong>ক্রিকেট</strong><br>ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস</p><p>দক্ষিণ আফ্রিকা- ওয়েস্ট ইন্ডিজ<br>বিকেল সাড়ে ৫ টা, টি স্পোর্টস</p><p>ভারত-ইংল্যান্ড<br>রাত সাড়ে ৯টা, টি স্পোর্টস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">b721-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 08:36:50 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[রিয়াদে আরামকো স্থাপনায় হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/international/72504/e0f0-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>আন্তর্জাতিক ডেস্ক:</strong> সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠী। ৩ অক্টোবর শনিবার ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও অন্যান্য এলাকায় সৌদি হামলার জবাবে এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।</p><p>হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক টেলিভিশন বিবৃতিতে বলেন, আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো অভিযান ‘সফলভাবে লক্ষ্য অর্জন করেছে’। হামলার পর লক্ষ্যবস্তুতে আগুন ধরে যায় বলেও দাবি করেন তিনি।</p><p>তিনি আরও দাবি করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সানা ও ইয়েমেনের অন্যান্য প্রদেশে ৬০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এতে সাম্প্রতিক হামলার মোট সংখ্যা ১ হাজার ৪২০টিতে দাঁড়িয়েছে বলে জানান তিনি। এসব হামলার জন্য সৌদি আরবকে দায়ী করেন হুতিদের এই মুখপাত্র।</p><p>ইয়াহিয়া সারি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘অবরোধের জবাব অবরোধ এবং হামলার জবাব হামলা দিয়ে দেওয়া হবে।’</p><p>তবে হুতিদের এই দাবি নাকচ করেছে ইয়েমেনে সরকারপন্থি সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি রিয়াদে হামলার দাবি ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, হুতিরা নিজেদের ক্ষয়ক্ষতি ও তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে বাড়তে থাকা জনঅসন্তোষ থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছে।</p><p>এদিকে রয়টার্স জানিয়েছে, শনিবার রিয়াদে আরামকোর একটি স্থাপনার আশপাশে ধোঁয়া ও আগুনের বড় কুণ্ডলী দেখা গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ বা আরামকো তাৎক্ষণিকভাবে স্থাপনাটিতে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।</p><p>২০১৫ সালের মার্চ থেকে সৌদি আরব ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সমর্থনে একটি সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। জোটটি হুতি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও দেশটির কয়েকটি অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।</p><p>চলতি বছরের জুলাইয়ে হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের ঘোষণা দেয়। তাদের দাবি, ইয়েমেনে হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় সৌদি নৌ ও বিমান অবরোধের জবাব হিসেবেই তারা এ পদক্ষেপ নিয়েছে। এরপর থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করে আসছে গোষ্ঠীটি।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e0f0-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 08:34:28 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[লিনোর জোড়া গোলে ভারতকে ৪-০ গোলে হারালো ব্রাজিল]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/72503/e213-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ভারতকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। দলের হয়ে জোড়া গোলের দেখা পেয়েছেন লিনো। এছাড়া স্কোর শিটে নাম লিখিয়েছেন এস্তেভাও ও পেদ্রো।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন (সল্টলেক) স্টেডিয়ামে সেলেসাওদের আতিথ্য দেয় ভারত।</p><p>এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে এগিয়ে থাকে ব্রাজিল। ভারতও সমান তালে পাল্লা দিতে থাকে। তবে লক্ষ্যভেদ করতে পারছিলো না কেউই।</p><p>তবে ২৮তম মিনিটে সফরকারীদের হয়ে ডেডলক ভাঙেন উইলিয়ান। দুর্দান্ত এক গোলে ব্রাজিলকে লিড এনে দেন এ চেলসি ফরোয়ার্ড।</p><p>প্রথমার্ধের হাইড্রেশন ব্রেকের পর আরও একটি সুযোগ পায় ব্রাজিল। তবে পেদ্রোর নেওয়া শট বারপোস্টে লেগে ফিরে আসে। তবে সেই ভুল শোধরাতে বেশি সময় নেননি তিনি। ৪২তম মিনিটে জোড়ালো এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন এ ফ্লামেঙ্গো স্ট্রাইকার।</p><p>জোড়া গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।</p><p>বিরতির পর আগের মতোই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে থাকে ল্যাটিন আমেরিকানরা। তবে ব্যবধান বাড়াতে বেশ বেগ পেতে হয় তাদের। মোটামুটি ভালো রক্ষণভাগের পরিচয় দেয় স্বাগতিক নীল শিবির।</p><p>দ্বিতীয়ার্ধের ১৩তম মিনিটে আরও এগিয়ে যায় ব্রাজিল। দুর্দান্ত এক গোলে ব্যবধান তিনগুণ করেন পেদ্রোর ক্লাব সতীর্থ স্যামুয়েল লিনো।</p><p>শেষদিকে আরও বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালায় অতিথিরা। ইনজুরি টাইমে আরও এক গোল করে গোলের হালি পূরণ করেন লিনো। ভারতও চেষ্টা করে তবে ব্রাজিলের রক্ষনভাগকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হয় তারা। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সেলেসাওরা।</p><p>আগামী ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার একই মাঠে আরেক দক্ষিণ আমেরিকান দল ও দুইবারের সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের মোকাবিলা করবে ভারত। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে ম্যাচ।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">e213-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 08:32:54 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[চেক প্রজাতন্ত্রকে ৩-১ গোলে হারালো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/sports/72501/79bc-20261004]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>স্পোর্টস ডেস্ক: </strong>উয়েফা নেশনস লিগে চেক প্রজাতন্ত্রকে ৩-১ গোলে হারিয়ে জয়ের ধারা ধরে রেখেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। ৩ অক্টোবর শনিবার নিজেদের মাঠ ওভিয়েদোতে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে ‘এ৩’ গ্রুপের শীর্ষস্থানও ধরে রেখেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।</p><p>ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় স্পেন। তিন ডিফেন্ডারের মাঝেও দারুণ দক্ষতায় বক্সের বাইরে থেকে বাঁকানো শটে ফার পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল।</p><p>৩৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি মিডফিল্ডার রদ্রি। বার্সেলোনার এই মিডফিল্ডার ড্যানি ওলমোর সঙ্গে বল আদান-প্রদান করে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে শক্তিশালী শটে বল পাঠান ওপরের কর্নারে।</p><p>৬৯ মিনিটে চেক প্রজাতন্ত্রের হয়ে ব্যবধান কমান জিরি স্লামা। নিচু শটে আর্সেনালের গোলরক্ষক ডেভিড রায়াকে পরাস্ত করেন তিনি।</p><p>তবে, ম্যাচের শেষদিকে ১০ জনের দলে পরিণত হয় চেক প্রজাতন্ত্র। দুটি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন উলভারহ্যাম্পটনের ডিফেন্ডার লাদিস্লাভ ক্রেইচি। ৮৯ মিনিটে গোল করে স্পেনের জয় নিশ্চিত করেন আর্সেনালের মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো।</p><p>এই জয়ে, টানা ১০ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়ল স্পেন। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর আর হারেনি তারা।</p><p>নেশনস লিগে তিন ম্যাচে স্পেনের পয়েন্ট এখন ৯। ‘এ৩’ গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইংল্যান্ডের চেয়ে তিন পয়েন্ট এগিয়ে শীর্ষে রয়েছে তারা। একই দিনে ক্রোয়েশিয়াকে ৭-০ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড।</p><p>এরপর, মঙ্গলবার ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে স্পেন। ওই ম্যাচে জয় পেলে গ্রুপ পর্বের আরও দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করবে তারা।</p><p>সম্প্রতি ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন। এর আগে, ২০২৩ সালে নেশনস লিগের শিরোপাও জিতেছিল তারা। ২০২১ ও ২০২৫ সালের আসরে অবশ্য ফাইনালে হেরেছিল স্পেন।<br>&nbsp;</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">79bc-20261004</guid>
                <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 08:10:44 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[শিক্ষকদের পেনশনের টাকা লুটপাটকারীদের বিচার করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72500/2880-20261003]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> শিক্ষকদের পেনশনের অর্থ লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। পাশাপাশি শিক্ষকদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।</p><p><br>৩ অক্টোবর শনিবার পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস)--এর ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।</p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা দেশের নতুন প্রজন্মকে আলোকিত ও শিক্ষিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। অথচ অনেক শিক্ষক অবসরের পর পেনশনের অর্থের ওপর নির্ভর করে জীবনযাপনের পরিকল্পনা করেন। সেই অর্থ কোনো গোষ্ঠী লুটপাট করে থাকলে বিষয়টি অবশ্যই খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।</p><p>তিনি বলেন, ‘আপনাদের পেনশনের টাকা যেই গোষ্ঠী লুটপাট করেছে, তাদের চিহ্নিত করেন। তারা যতবড়ই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আমাদের সরকার অবশ্যই নিশ্চিত করবে, তাদের উপযুক্ত বিচার ও শাস্তির আওতায় আনা যায়।’</p><p>&nbsp;</p><p>শিক্ষকদের পেনশনের অর্থ উদ্ধারের প্রয়োজনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহযোগিতা নেওয়ার কথা জানান ইশরাক। পাশাপাশি শিক্ষকদের সমস্যা ও অভিযোগ শোনার উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলে জানান তিনি। এছাড়াও শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ শুভকামনা জানান প্রতিমন্ত্রী। &nbsp;</p><p>সম্মেলনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির নতুন কমিটির সভাপতি ও মহাসচিব-এর নাম ঘোষণা করেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক। এতে সভাপতি মনোনীত হন মো. সাইদুর রহমান সরকার এবং মহাসচিব মো. রেজাউল করিম লিটন।</p><p>সম্মেলনে নতুন কমিটির মহাসচিব মো. রেজাউল করিম লিটন বলেন, শিক্ষকদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। শিক্ষকরা জাতি গঠনের অন্যতম প্রধান কারিগর। তাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে বেতন কাঠামো উন্নয়নের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা আশা করি, এই উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের শিক্ষক সমাজ উপকৃত হবেন।</p><p>সূত্র: ঢাকা পোস্ট</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">2880-20261003</guid>
                <pubDate>Sat, 03 Oct 2026 21:28:50 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[করের টাকার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার: অর্থমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72499/ac22-20261003]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের করের প্রতিটি টাকার স্বচ্ছতা ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার।</p><p>৩ অক্টোবর শনিবার জাতীয় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিষয়ক প্রতিযোগিতা ‘ইকনথন ২০২৬’ এর গ্র্যান্ড ফাইনালের সমাপনী ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।</p><p>ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) অর্থনীতি বিভাগ ও জুনিয়র ইকোনমিস্টস ফোরাম (জেইএফ) এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তাই এখন নতুন স্বাভাবিক অবস্থা। বিশ্বব্যাপী মন্থর প্রবৃদ্ধি, ঋণের উচ্চ ব্যয় এবং বাণিজ্যিক সংরক্ষণবাদের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সঠিক ও তথ্যনির্ভর নীতি নির্ধারণই অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি।</p><p>অর্থমন্ত্রী বলেন, নীতি নির্ধারণে বাস্তবসম্মত সমাধান এবং তথ্যের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে সীমিত তথ্যের ভিত্তিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।</p><p>তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২৪টি দল ‘ইকনথন ২০২৬’-এ নিবন্ধন করেছে। কুইজ, কেস সলভিং ও পলিসি মেকিংভিত্তিক প্রতিযোগিতার বিভিন্ন কঠিন ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছানো শিক্ষার্থীদের তিনি প্রশংসা করেন।</p><p>বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, জ্বালানির দাম, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন প্রয়োজন।<br>শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘দক্ষতা ছাড়া কোনো জাতি এগোতে পারে না এবং সততা ও মানবিকতা ছাড়া সেই দক্ষতা সমাজকে সঠিক পথ দেখাতে পারে না।’</p><p>অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতি শুধু পরীক্ষা পাসের বিষয় নয়, এটিকে অনুধাবন করতে হবে এবং দেশের সেবায় নীতি ও সততার সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।</p><p>অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও ইউনাইটেড গ্রুপের প্রধান উপদেষ্টা হাসান মাহমুদ রাজা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও ইউনাইটেড গ্রুপের উপদেষ্টা কে এম এ শামীম।</p><p>ইউআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অর্থমন্ত্রী।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">ac22-20261003</guid>
                <pubDate>Sat, 03 Oct 2026 21:17:49 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[ডিএমপির ১১ পুলিশ পরিদর্শককে বদলি]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72498/9bc9-20261003]]></link>
                <description><![CDATA[<p>ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ১১ জন নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শককে জনস্বার্থে দেশের বিভিন্ন রেঞ্জ ও ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।</p><p>১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে অ্যাডিশনাল আইজিপি (অ্যাডমিন) এ কে এম আওলাদ হোসেনের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলির আদেশ জারি করা হয়।</p><p>প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে- নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শকদের মধ্যে মো. মহিদুল ইসলামকে সিলেট রেঞ্জে (সিলেট রেঞ্জ অফিসে সংযুক্তি বহালসহ) এবং সিরাজুল ইসলাম খানকে চট্টগ্রাম রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক তোফায়েল আহমেদকে রংপুর রেঞ্জে, মো. মেহেদী হাসানকে এপিবিএনে, মো. হাফিজুর রহমানকে রংপুর রেঞ্জে এবং ঠাকুর দাস মালোকে নৌ-পুলিশে বদলি করা হয়েছে।</p><p>এ ছাড়াও নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক এস কে খোদা নেওয়াজকে ট্যুরিস্ট পুলিশে, মো. ইয়ামিন কবীরকে চট্টগ্রাম রেঞ্জে, মো. আলমগীর সিদ্দিককে বরিশাল রেঞ্জে, মো. নজরুল ইসলামকে এপিবিএনে এবং মো. নূর আলমকে খুলনা রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে।</p><p>বর্ণিত এসব নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শকদের বদলির আদেশে উল্লেখ করা হয়, আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে ছাড়পত্র গ্রহণ করে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।</p><p>অন্যথায়, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখ থেকে তাৎক্ষণিক তারা অবমুক্ত বা স্ট্যান্ড রিলিজ হয়েছেন বলে গণ্য হবেন।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">9bc9-20261003</guid>
                <pubDate>Sat, 03 Oct 2026 20:56:24 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/District-news/72497/c4cc-20261003]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি: </strong>জামালপুরের বকশিগঞ্জে একসময় অনেকটা অবহেলিত ও কম পরিচিত ফসল হিসেবে পড়ে থাকলেও বর্তমানে সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল হিসেবে কৃষকদের নজর কাড়ছে শিমুল আলু বা কাসাভা। স্থানীয়ভাবে কোথাও কোথাও এটি ‘কাঠা আলু’ নামেও পরিচিত।</p><p>তুলনামূলক অনুর্বর ও পাহাড়ি জমিতেও চাষ করা যায় বলে ধীরে ধীরে কৃষকদের কাছে আগ্রহের ফসল হয়ে উঠছে এটি। দেশের বিভিন্ন পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে কাসাভার চাষ হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা লাউচাপড়া-বালিঝুরি সুমন্নাতপাড়া পাহাড়ি এলাকায় দেখা মিলেছে শিমুল আলুর চাষ। ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সুমন্নাতপাড়া গ্রামের পাহাড়ের ঢালে কয়েক একর জমিতে কৃষকরা এ ফসলের আবাদ করছেন। পাহাড়ি ঢালু ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কাসাভার চাষে সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।</p><p>সুমন্নাতপাড়া গ্রামের আদিবাসী কৃষক সাগর খাগসী দীর্ঘদিন ধরে শিমুল আলুর চাষ করে আসছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি এ ফসলের আবাদ করেছেন। শুরুতে অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করলেও ফলন পাওয়ার পর ধীরে ধীরে তার আগ্রহ বেড়েছে।</p><p>কৃষক সাগর খাগসী জানান, গত বছর তিনি অল্প জমিতে শিমুল আলুর চাষ করেছিলেন। ফলন মোটামুটি ভালো হওয়ায় এবার তিনি বড় পরিসরে চাষের সিদ্ধান্ত নেন। চলতি মৌসুমে প্রায় দুই একর জমিতে কাসাভার আবাদ করেছেন তিনি।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-10-03a_n17910340859163.jpg"></figure><p>পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের চাষ করতে যেখানে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে কাসাভা তুলনামূলক সহজে চাষ করা যায়। গাছের পরিচর্যাও খুব বেশি করতে হয় না। রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ তুলনামূলক কম হওয়ায় কীটনাশকের প্রয়োজনও কম পড়ে বলে জানান কৃষকরা।</p><p>স্থানীয় কৃষক জসিম বলেন, আমাদের এলাকার অনেক জমি পাহাড়ি ও অনুর্বর। সব ফসল এখানে ভালো হয় না। কিন্তু শিমুল আলু এসব জমিতেও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। পরিচর্যা কম, খরচও তুলনামূলক কম। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে এটি আমাদের জন্য লাভজনক ফসল হতে পারে।</p><p>স্থানীয় আরেক কৃষক আদিবাসী প্রবিদ জানান, কাসাভার চাষ সম্পর্কে আগে তাদের মধ্যে তেমন ধারণা ছিল না। এখন অন্য কৃষকদের চাষ দেখে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতা পাওয়া গেলে এ অঞ্চলে আরও বেশি কৃষক কাসাভা চাষে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন তিনি।</p><p>শুধু কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনাই নয়, খাদ্য হিসেবেও কাসাভার রয়েছে উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগুণ। কাসাভার কন্দে প্রধানত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরে শক্তির অন্যতম উৎস। এতে সামান্য পরিমাণে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়। কাসাভায় থাকা কার্বোহাইড্রেটের কারণে এটি শক্তিদায়ক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কাসাভার চাষ সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে যদি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলে কৃষকরা কাঁচা কন্দ বিক্রির পাশাপাশি মূল্য সংযোজনের সুযোগও পেতে পারেন। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।</p><p>বকশীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কাসাভা বা শিমুল আলু তুলনামূলকভাবে কম উর্বর ও পাহাড়ি জমিতে চাষের উপযোগী একটি ফসল। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার মাধ্যমে এ ফসল থেকে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।<br>তিনি বলেন, বকশীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকার যেসব জমিতে প্রচলিত ফসলের আবাদ তুলনামূলক কঠিন, সেসব জমিতে বিকল্প ফসল হিসেবে কাসাভা চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা যদি ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পান, তাহলে ভবিষ্যতে এ ফসলের আবাদ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।</p><p>কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, কাসাভা চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে। পাশাপাশি উৎপাদন, ফলন, বাজারজাতকরণ ও কৃষকের লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে এ ফসলের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c4cc-20261003</guid>
                <pubDate>Sat, 03 Oct 2026 19:28:07 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/Agriculture/72497/c4cc-20261003]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>জামালপুর প্রতিনিধি: </strong>জামালপুরের বকশিগঞ্জে একসময় অনেকটা অবহেলিত ও কম পরিচিত ফসল হিসেবে পড়ে থাকলেও বর্তমানে সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল হিসেবে কৃষকদের নজর কাড়ছে শিমুল আলু বা কাসাভা। স্থানীয়ভাবে কোথাও কোথাও এটি ‘কাঠা আলু’ নামেও পরিচিত।</p><p>তুলনামূলক অনুর্বর ও পাহাড়ি জমিতেও চাষ করা যায় বলে ধীরে ধীরে কৃষকদের কাছে আগ্রহের ফসল হয়ে উঠছে এটি। দেশের বিভিন্ন পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে কাসাভার চাষ হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা লাউচাপড়া-বালিঝুরি সুমন্নাতপাড়া পাহাড়ি এলাকায় দেখা মিলেছে শিমুল আলুর চাষ। ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সুমন্নাতপাড়া গ্রামের পাহাড়ের ঢালে কয়েক একর জমিতে কৃষকরা এ ফসলের আবাদ করছেন। পাহাড়ি ঢালু ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কাসাভার চাষে সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।</p><p>সুমন্নাতপাড়া গ্রামের আদিবাসী কৃষক সাগর খাগসী দীর্ঘদিন ধরে শিমুল আলুর চাষ করে আসছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি এ ফসলের আবাদ করেছেন। শুরুতে অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করলেও ফলন পাওয়ার পর ধীরে ধীরে তার আগ্রহ বেড়েছে।</p><p>কৃষক সাগর খাগসী জানান, গত বছর তিনি অল্প জমিতে শিমুল আলুর চাষ করেছিলেন। ফলন মোটামুটি ভালো হওয়ায় এবার তিনি বড় পরিসরে চাষের সিদ্ধান্ত নেন। চলতি মৌসুমে প্রায় দুই একর জমিতে কাসাভার আবাদ করেছেন তিনি।</p><figure class="image"><img src="https://www.asiantvonline.com/storage/project_files/post/body_picture/2026-10-03a_n17910340859163.jpg"></figure><p>পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের চাষ করতে যেখানে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে কাসাভা তুলনামূলক সহজে চাষ করা যায়। গাছের পরিচর্যাও খুব বেশি করতে হয় না। রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ তুলনামূলক কম হওয়ায় কীটনাশকের প্রয়োজনও কম পড়ে বলে জানান কৃষকরা।</p><p>স্থানীয় কৃষক জসিম বলেন, আমাদের এলাকার অনেক জমি পাহাড়ি ও অনুর্বর। সব ফসল এখানে ভালো হয় না। কিন্তু শিমুল আলু এসব জমিতেও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। পরিচর্যা কম, খরচও তুলনামূলক কম। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে এটি আমাদের জন্য লাভজনক ফসল হতে পারে।</p><p>স্থানীয় আরেক কৃষক আদিবাসী প্রবিদ জানান, কাসাভার চাষ সম্পর্কে আগে তাদের মধ্যে তেমন ধারণা ছিল না। এখন অন্য কৃষকদের চাষ দেখে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতা পাওয়া গেলে এ অঞ্চলে আরও বেশি কৃষক কাসাভা চাষে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন তিনি।</p><p>শুধু কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনাই নয়, খাদ্য হিসেবেও কাসাভার রয়েছে উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগুণ। কাসাভার কন্দে প্রধানত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরে শক্তির অন্যতম উৎস। এতে সামান্য পরিমাণে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়। কাসাভায় থাকা কার্বোহাইড্রেটের কারণে এটি শক্তিদায়ক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কাসাভার চাষ সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে যদি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলে কৃষকরা কাঁচা কন্দ বিক্রির পাশাপাশি মূল্য সংযোজনের সুযোগও পেতে পারেন। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।</p><p>বকশীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কাসাভা বা শিমুল আলু তুলনামূলকভাবে কম উর্বর ও পাহাড়ি জমিতে চাষের উপযোগী একটি ফসল। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার মাধ্যমে এ ফসল থেকে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।<br>তিনি বলেন, বকশীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকার যেসব জমিতে প্রচলিত ফসলের আবাদ তুলনামূলক কঠিন, সেসব জমিতে বিকল্প ফসল হিসেবে কাসাভা চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা যদি ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পান, তাহলে ভবিষ্যতে এ ফসলের আবাদ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।</p><p>কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, কাসাভা চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে। পাশাপাশি উৎপাদন, ফলন, বাজারজাতকরণ ও কৃষকের লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে এ ফসলের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">c4cc-20261003</guid>
                <pubDate>Sat, 03 Oct 2026 19:28:07 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[বাংলাদেশ অন্য খেলোয়াড়দের ‘দাবার বোর্ড’ হতে চায় না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72496/d5f7-20261003]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট: </strong>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ মন্তব্য করে বলেছেন, বাংলাদেশ অন্য কোনো দেশের ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ‘দাবার বোর্ড’ হতে চায় না। ৩ অক্টোবর শনিবার রাজধানীতে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের ‘নতুন করে লেখা এক বিশ্ব’ শীর্ষক এক সেশনে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>‘নতুন করে গড়ে ওঠা এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার পথচলা’ স্লোগানে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এই সম্মেলনের আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন এমন একটি অবস্থানে রয়েছে, যেখানে দেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। তাই অন্য খেলোয়াড়দের স্বার্থে ব্যবহৃত হওয়ার পরিবর্তে নিজেদের শর্তে বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় ঢাকা।</p><p>তিনি ব‌লেন, আমরা মাথা উঁচু রেখে বাকি বিশ্বের সঙ্গে আলোচনা, সহযোগিতা এবং অংশীদারত্ব করতে প্রস্তুত। তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, আমাদের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো জনগণের স্বার্থ।</p><p>তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রে জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</p><p>শামা ওবায়েদ বলেন, অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশকেও উপসাগরীয় যুদ্ধের মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। যেখানে আমাদের দুটি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। এর মধ্যে একটি হলো অপ্রত্যাশিত জ্বালানি সংকট এবং অন্যটি হলো বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি, যারা উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাস ও কাজ করেন।</p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বৈচিত্র্যকরণ, নতুন উৎস এবং নতুন ক্ষেত্রগুলোর দিকে নজর দিচ্ছি যেখান থেকে আমরা জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারি। সেই সঙ্গে দেশে আমাদের নিজস্ব গ্যাস এবং এলএনজি-এর উৎস রয়েছে, যা এর আগে বা বিগত সরকারের আমলে কখনো অনুসন্ধান করা হয়নি। তাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার আমরা ইতোমধ্যেই এর অনুসন্ধান শুরু করেছি। আমরা সৌরবিদ্যুতের দিকে নজর দিচ্ছি এবং প্রতিটি নাগরিককে জ্বালানির ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার চেষ্টা করছি।</p><p>তিনি বলেন, ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে আসছে, যা ইতোমধ্যেই আমাদের অর্থনীতির ওপর একটি বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ সবসময়ই এই বিষয়ে অত্যন্ত সহযোগিতাপূর্ণ এবং সংবেদনশীল। কিন্তু একই সঙ্গে, আমরা আমাদের অংশীদার, বন্ধু, উন্নয়ন সহযোগী এবং সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলছি, যাতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সম্মানজনক, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল প্রত্যাবাসন সম্ভব করার জন্য কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যায়।</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">d5f7-20261003</guid>
                <pubDate>Sat, 03 Oct 2026 19:07:42 +0600</pubDate>
            </item>
                    <item>
                <title><![CDATA[নিজ বাসভবনের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২০০ ইউনিট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
                <link><![CDATA[https://www.asiantvonline.com/news/national/72495/af58-20261003]]></link>
                <description><![CDATA[<p><strong>অনলাইন ডেস্ক: </strong>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে শুধু ঘোষণা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকেননি। ইতোমধ্যে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবনের ছাদে সৌর প্যানেলে উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে ১ হাজার ইউনিট নিজে ব্যবহার করেছেন এবং জাতীয় গ্রিডে ১২০০ ইউনিট দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।</p><p>তিনি বলেন, গত তিন দিনে এই পরিমাণ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সমবায় ভবন থেকে শুরু করে সব জাতীয় ভবনের ছাদ ব্যবহার করে নিজস্ব চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সরকারকে সৌর বিদ্যুৎ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়াকে ব্যবসা হিসেবে দেখার কথাও বলেছেন প্রতিমন্ত্রী।<br><br>৩ অক্টোবর শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সমবায় ভবনে দেশের সব উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং ডিডি (এলজি)-দের অংশগ্রহণে ‘সৌরবিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী উপস্থিত ছিলেন।</p><p>দুর্গাপূজা সামনে রেখে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তোলার ঝুঁকির বাপারে মাঠপর্যায়ে ইউএনওদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো বিশৃঙ্খলা হতে দেওয়া যাবে না।</p><p>এসময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে ইউএনওদের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে সরকার।’</p><p>মীর শাহে আলম ইউএনওদের উদ্দেশে বলেন, এলাকার গরিব মানুষ ইউএনওর কাছে হাত পাতে। প্রত্যেক ইউএনওর জন্য ঐচ্ছিক ফান্ড দেওয়া জরুরি। এতে গরিবদের তাৎক্ষণিক ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া যায়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই অর্থের জোগান না দিতে পারলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় রাজস্ব আয় থেকে বরাদ্দ দেওয়ার আয়োজন করবে। বিদ্যুতের নেট মিটারিং পদ্ধতি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে বসে ফয়সালা করার কথাও বলেন তিনি।</p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন হচ্ছে ইউএনওদের তত্ত্বাবধানে। কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম মুয়াজ্জিন কার্ড, খাল খননসহ নানা কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ সরাসরি তদারকি করছেন। প্রতিবছর ডিসি সম্মেলনের মতো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বার্ষিক সম্মেলন হলে সরাসরি উপজেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও দাবি-দাওয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা সম্ভব।</p><p>বিএনপি সরকার জনগণের সরকার এবং নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার আমলে সরকারের নির্দেশনা মানতে গিয়ে অনেক কর্মকর্তাই নিজেদের চাকরি হারিয়েছেন; কিন্তু বিএনপি সরকার কাউকে বলবে না— দিনের ভোট রাতে করতে, ডামি নির্বাচন করতে।</p><p>প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, রাজনৈতিক বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে কাজ শুরু করেছে বিএনপি। মিরপুরের ঘটনায় উত্তরের কমিটি বাতিল করা হয়েছে, সংসদ সদস্যকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়, এমপির ব্যক্তিগত দায় সরকার নেবে না। এছাড়া নদী ও পুকুরের পানি পরিশোধনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ বাড়িয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।</p><p>সূত্র: বাসস</p>]]></description>
                <category><![CDATA[]]></category>
                <author><![CDATA[]]></author>
                <guid isPermaLink="false">af58-20261003</guid>
                <pubDate>Sat, 03 Oct 2026 18:56:04 +0600</pubDate>
            </item>
        
    </channel>
</rss>
