অনলাইন ডেস্ক: ঢাকার রমনার মৌচাক এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৪৫) স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৮ জুন সোমবার রাত পৌনে আটটার দিকে মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের সামনের একটি গলিতে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় বিল্লাল হোসেনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ৯টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই যুবদলের রমনা থানার আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবুকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে যুবদলের রমনা থানা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
নিহতের পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে আনারকলি মার্কেটের সামনে বিল্লাল হোসেনের ভাগনে মোবারক হোসেন আকাশকে মারধর করছিলেন যুবদল নেতা দিদারুল ইসলাম ও তাঁর অনুসারীরা। খবর পেয়ে বিল্লাল ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। পরে সালিস বৈঠকের একপর্যায়ে দিদারুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিল্লালের বুকে ছুরিকাঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।
নিহত বিল্লাল হোসেনের বাড়ি মালিবাগের বাগানবাড়ি এলাকায়। তাঁর বাবার নাম মৃত ইউসুফ তালুকদার।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিল্লালকে নিয়ে যাওয়া তাঁর ভাগনে মো. জুবায়ের হোসেন দাবি করেন, দিদারুল ইসলামের নেতৃত্বে তাঁর মামার ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, আনারকলি মার্কেটের সামনে কিছু ব্যক্তি খাবারের দোকানগুলো থেকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছিলেন। এ সময় মোবারক হোসেন এর প্রতিবাদ করলে তাঁকে আটকে রাখা হয় এবং বিল্লাল হোসেনকে সেখানে ডেকে আনা হয়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে পেছন থেকে এসে বিল্লাল হোসেনের বুকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, কারা বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাত করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available